বাংলাদেশ অগ্নিবীর
Ir al canal en Telegram
বাংলাদেশ অগ্নিবীর আমাদের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হল বেদের ও বৈদিক শিক্ষার প্রচার এবং সমগ্র বিশ্বকে আর্যত্বের পথে উন্নীত করা। 💓ও৩ম্, কৃণ্বন্তো বিশ্বমার্যম্ 💓
Mostrar más9 154
Suscriptores
-524 horas
-337 días
-13730 días
Archivo de publicaciones
9 154
মানব জীবনের শুরুতে ও শেষে 'ও৩ম্'.....
"জাতকর্ম-সংস্কার”, যা সন্তানের জন্ম হওয়ার পর পরই করা হয়, সেই সময় নবজাতকের জিহ্বার ওপর 'ও৩ম্' লেখার বিধান আছে। আর মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করে তখন অন্তিমকালে তাকে, 'ও৩ম্' উচ্চারণপূর্বক দেহত্যাগ করার শিক্ষা যজুর্বেদের ৪০তম অধ্যায়ে “ও৩ম্ ক্রতো স্মর” মন্ত্রে দেয়া হয়েছে। এছাড়াও (গীতা - ৮।১৩) এ বলা হয়েছে "মৃত্যুর সময় প্রণব উচ্চারণ করে
দেহত্যাগ করার কথা।"
তাৎপর্য এই যে, মানুষের নিজের জীবন 'ও৩ম্' দ্বারা আরম্ভ করে, 'ও৩ম্' স্মরণের মাধ্যমেই সমাপ্ত করা উচিত।
বেদরত্ন
#jewel_of_the_veda
9 154
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ি ইউনিয়নের আমদির পাড়া গ্রামে এক হিন্দু নারীকে (স্বপ্না) স্বধর্মে ফিরে আসার 'অপরাধে' সম্প্রতি গাছের সাথে বেঁধে প্রকাশ্য দিবালোকে মধ্যযুগীয় কায়দায় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এবং শ্লীলতাহানির এক লোমহর্ষক ঘটনা ঘটেছে। প্রতারণার শিকার হয়ে ধর্মান্তরিত হওয়া ওই নারী নিজের স্বামী ও সন্তানের সুখের কথা চিন্তা করে পুনরায় সনাতন ধর্মে ফিরে এলে স্থানীয় কিছু ধর্মান্ধ ও গোঁড়া সমাজপতিদের প্রতিহিংসার শিকার হন তিনি।
9 154
দুই হাত নেই, তবু হার মানেনি স্বপ্ন:
পা দিয়ে খাতার পাতায় ভবিষ্যৎ লিখছেন কলি রানী।
9 154
মনে রাখবেন, বয়ম্, ‘অভূম প্রজাপতেঃ প্রজাঃ’ এটি যজুর্বেদের [১৮।২৯] বচন। আমরা প্রজাপতি অর্থাৎ পরমেশ্বরের প্রজা এবং পরমাত্মা আমাদের রাজা; আমরা তাঁর আজ্ঞাবহ ভৃত্য-তুল্য। তিনি কৃপা করে নিজ সৃষ্টিতে আমাদেরকে রাজাধিকারী করুন এবং আমাদের দ্বারা সত্য ও ন্যায় প্রবর্তিত করান।
~ মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী [সত্যার্থ-প্রকাশঃ, ৬ষ্ঠ সমুল্লাস]
9 154
ভুয়া নওমুসলিম তৈরির গডফাদার‼️
পাগলামির আড়ালে ভাইরাল সিদ্দিকের কোটি টাকার চাঁদাবাজির ব্যবসা!
© ntv
9 154
পঞ্চগড়ে কালী প্রতিমা ভা*ঙ*চুরের সময় হাতেনাতে আটক জাকির ইসলাম... তার হাতে ছিলো কালী প্রতিমার খন্ডিত মা*থা...
9 154
✅ বাল্যবিবাহ-বহুবিবাহ-ব্যভিচারের বিরুদ্ধে মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী
যথাসম্ভব বাল্যাবস্থায় বিবাহ করতে দেবে না। যৌবনেও উভয়ের (পাত্র-পাত্রী) প্রসন্নতা ছাড়া বিবাহ করবে না, করাবে না, করতে দেবে না। ব্রহ্মচর্য যথাযথভাবে পালন করবে-করাবে। ব্যভিচার ও বহুবিবাহ বন্ধ করাবে। এতে শরীর ও আত্মায় সর্বদা পূর্ণ বল থাকবে।
~ মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী [সত্যার্থ-প্রকাশঃ, ৬ষ্ঠ সমুল্লাস]
9 154
চলে এলো জুলাই মাসের ব্রহ্মোপাসনা পঞ্জি।
সূর্য সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা, বাংলাদেশ-এর স্থানীয় মান অনুযায়ী সমস্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রচারে -
ব্রহ্মোপাসকমণ্ডলী, বাংলাদেশ অগ্নিবীর
9 154
মহর্ষি দয়ানন্দের দৃষ্টিতে 'পোষ্য কোটা'র সমাধান
যে পরিমাণ ধন দ্বারা রাজকর্মচারীদের উত্তমভাবে ভরণ-পোষণ হতে পারে এবং তারা ধনাঢ্য হতে পারেন, সে পরিমাণ ধন অথবা তৎপরিবর্তে ভূমি-রাজ্যের পক্ষ হতে মাসিক বা বার্ষিক হিসাবে অথবা এককালীন তাদেরকে প্রদান করবেন। বৃদ্ধ কর্মচারীগণও অর্ধেক পাবেন; কিন্তু স্মরণ রাখা আবশ্যক, কেবলমাত্র তাদের জীবদ্দশাতেই তাঁদের উক্ত ব্যবস্থা বলবৎ থাকবে, মৃত্যুর পর নয়। রাজা তাদের সন্তানদেরকে যােগ্যতানুসারে সম্মান অথবা চাকুরী অবশ্য দেবেন। যাঁর সন্তান যতদিন সমর্থবান না হয় এবং স্ত্রী যতদিন জীবিত থাকেন ততদিন তাদের নির্বাহার্থে উচিত পরিমাণ ধন দিতে হবে। কিন্তু তাঁদের স্ত্রী ও সন্তানরা কুকর্মরত হলে কিছুই পাবে না। রাজা এই নীতি চিরকাল পালন করবেন।
~ মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতী [সত্যার্থ-প্রকাশঃ, ৬ষ্ঠ সমুল্লাস]
9 154
✅ শিল্পীর মুখোশে সাম্প্রদায়িকতার কদর্য রূপ: হাসান জাহাঙ্গীরের ‘রামপুরা’ এলার্জি এবং কিছু অনিবার্য প্রশ্ন
শিল্প ও শিল্পী—শব্দদুটোর সাথেই এক ধরনের উদারতা, সার্বজনীনতা ও মননশীলতার গভীর সম্পর্ক জড়িয়ে আছে। কিন্তু সেই শিল্পের আঙিনায় বিচরণ করা কেউ যখন স্রেফ ধর্মান্ধতা ও সাম্প্রদায়িকতার বশবর্তী হয়ে কথা বলেন, তখন তার শৈল্পিক সত্তা নয়, বরং ভয়ংকর মানসিক দৈন্যটাই প্রকট হয়ে ওঠে। অভিনেতা হাসান জাহাঙ্গীরের সাম্প্রতিক একটি মন্তব্য ঠিক এমনই এক কদর্য মানসিকতার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।
তিনি নাকি মুখে ‘রামপুরা’ শব্দটি উচ্চারণ করেন না। কারণ, সেখানে ‘রাম’ শব্দটি আছে, যা হিন্দুদের দেবতার নাম! তাই রামপুরাকে এড়িয়ে তিনি স্রেফ ‘টিভি ভবন’ বলে সম্বোধন করেন। এখানেই তিনি থেমে থাকেননি, আক্ষেপ করে বলেছেন—তিনি যদি সরকারে থাকতেন বা মন্ত্রী পর্যায়ের কেউ হতেন, তবে এসব নাম পরিবর্তন করে দিতেন। ক্ষমতার স্বাদ না পেতেই যার চিন্তাধারায় এমন উগ্র সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প, তিনি ক্ষমতায় গেলে সমাজটাকে কতটা কলুষিত করতেন, তা ভেবে শিউরে উঠতে হয়।
এবার আসা যাক যুক্তির কাঠগড়ায়। হাসান জাহাঙ্গীর সাহেব, আপনি তো দেবতার নাম আছে বলে একটি এলাকার নাম বয়কট করেছেন। কিন্তু সপ্তাহের সাতটি দিনের নাম আপনি কীভাবে উচ্চারণ করেন? রবিবার (সূর্য), সোমবার (চন্দ্র), মঙ্গলবার থেকে শুরু করে শনিবার —এই প্রতিটি বারের নামকরণের শেকড় হিন্দুদের বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্রের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত! তাহলে কি আপনি ক্যালেন্ডারও বয়কট করেছেন? নাকি আপনার এই তথাকথিত ‘শুদ্ধতা’ কেবল সুবিধাবাদী হিসেবের ওপর দাঁড়িয়ে আছে?
যে ভূখণ্ডে দাঁড়িয়ে আপনি এই সাম্প্রদায়িক আস্ফালন করছেন, এই বাংলার ইতিহাস কি আপনার জানা আছে? একসময় এই জনপদের বৃহদংশই ছিল সনাতন ধর্মাবলম্বী। একটু পেছন ফিরে তাকালে, আপনার তিন-চার পুরুষ আগের শেকড়েও হয়তো এমন কোনো নাম বা পরিচয় পাওয়া যাবে, যা আপনার আজকের এই ‘শুদ্ধতাবাদী’ দর্শনের সাথে চরমভাবে সাংঘর্ষিক। ক্ষমতার জোরে আপনি হয়তো রাস্তার নাম মুছে দিতে চাইবেন, কিন্তু নিজের ধমনীতে বয়ে চলা পূর্বপুরুষের রক্তের ধারা পরিবর্তন করবেন কীভাবে? সেই প্রযুক্তি কি আপনার হাতে আছে?
সবচেয়ে বড় হাস্যকর দিকটি হলো আপনার পেশা ও জীবনাচরণ। আপনি নাচ, গান, সিনেমা, আর ফেসবুক রিলস করে বেড়াচ্ছেন। আপনার যে কথিত কট্টর ধর্মীয় বোধ আপনাকে ‘রামপুরা’ বলতে দেয় না, সেই একই ধর্মীয় মানদণ্ডে আপনার এই পেশা বা বিনোদনমূলক কাজগুলো ঠিক কতটুকু বৈধ? নিজের সুবিধামতো ধর্মের মোড়ক ব্যবহার করবেন, আর অন্য ধর্মের প্রতি চরম অসহিষ্ণুতা দেখাবেন—এই সস্তা দ্বিচারিতা আর যাই হোক, কোনো সুস্থ চিন্তার মানুষের হতে পারে না।
সব ধর্মের প্রতি ন্যূনতম সম্মানটুকু দেখাতে শিখুন; আর যদি সেটা একান্তই সম্ভব না হয়, তবে চুপ থাকতে শিখুন। একজন জাত শিল্পী কখনো এমন কূপমণ্ডূক হতে পারেন না, কারণ শিল্পীর প্রথম শর্তই হলো মানবিকতা ও উদারতা। আপনার এই উগ্র ও সংকীর্ণ মন্তব্য আজ এটিই প্রমাণ করে যে, ক্যামেরার সামনে আপনি হয়তো অভিনয় করতে পারেন, কিন্তু একজন প্রকৃত ‘শিল্পী’ হয়ে ওঠার ন্যূনতম যোগ্যতা আপনার নেই।
9 154
চিফ হুইপ সাহেবের প্রশ্ন, মন্দির মসজিদ ভা*ঙার হার(সংখ্যা নয়) কোথায় বেশী, বাংলাদেশ না ভারতে। যদিও পরের দেশ ভারত নিয়ে কেন আমরা বাংলাদেশীরা মাথা ঘামাব তা পরিস্কার নয়। আমাদের আদর্শ আমাদের দেশ বাংলাদেশ, কোন পরের দেশ নয়। তাও চিফ হুইপ সাহেবের প্রশ্নের উত্তর বের করি চলেন।
চিফ হুইপ সাহেব, বাংলাদেশের মিডিয়ার অর্ধসত্য খবর অনুসারেই বাংলাদেশে মন্দির ভা*ঙার হার বেশী। কীভাবে তা হিসেব করে দেখাচ্ছি।
গত ২৫শে জুন একাত্তর টিভি সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন মিডিয়ায় খবর আসে ভারতে গত দেড় মাসে(৪৫ দিন) ২৩ টি মসজিদ-মাজার ভাঙা হয়েছে।
অপরদিকে ১৬-২৫ জুন এই
এদিকে বাংলাদেশে গত ১০ দিনে বাংলাদেশে অন্তত ৮ টি মন্দির-প্রতিমা ভা*ঙ*চুরের খবর জাতীয় গণমাধ্যমে এসেছে। এবার আসুন তাহলে হার(Rate) হিসেব করি।
বাংলাদেশ ভারতের চেয়ে আয়তনে ২২ গুণ ছোট। তাই দুই দেশের ভা*ঙ*চুরের রেট বা হার কম্পেয়ার করতে হলে ভারতের আয়তন স্কেলের সাথে বাংলাদেশের তুলনা করতে হবে। তাহলে আমরা ঐকিক গণনায় পাই গত ১০ দিনে বাংলাদেশে ২২×৮= ১৭২ টি মন্দির-প্রতিমা ভা*চুর হয়েছে। অর্থাৎ যদি বাংলাদেশ ভারতের সমান বড় হতো তাহলে এই গত ১০ দিনের ৮ টি মন্দির-প্রতিমা ভা*চুর গিয়ে দাঁড়াত ১৭২ টিতে। তাও আবার ১০ দিনে! তাহলে দেড় মাস বা ৪৫ দিনের মন্দির ভা*র হার হিসেবে পাই ১৭২×৪.৫= ৬৮৮ টি মন্দির-প্রতিমা!
অপরদিকে মসজিদ ভা*ঙা হয়েছে ২৩ টি যা বাংলাদেশের মিডিয়া ই বলছে। অপরদিকে এই একই সময়ে ভারতে বেশ কয়েকটি মন্দিরও ভা*ঙা হয়েছে একই কারণে, অবৈধ জায়গা দখল করে উপাসনালয় বানানোর কারণে। মসজিদ ও মন্দির দুটোই ভা*ঙা হয়েছে এই কারণে, সাম্প্রদায়িক কারণে নয়। অপরদিকে বাংলাদেশের মন্দির-প্রতিমা ভাং*চুর হয়েছে সাম্প্রদায়িক কারণে।
অর্থাৎ বাংলাদেশ বনাম ভারত ৬৮৮ বনাম ২৩!
তাই হ্যাঁ চিফ হুইপ সাহেব, আপনার প্রশ্নের উত্তর হলো ভাংচুরের হার বাংলাদেশেই বেশী।
9 154
আইয়ুব খান ও ১৯৭১ সালে হিন্দু-গণহ/ত্যার আত্মস্বীকৃতি
❝৯. একজন তরুণ সামরিক কর্মকর্তা, যাকে মানসিক চিকিৎসার জন্য CMH রাওয়ালপিন্ডিতে আনা হয়েছে, সে আনুমানিক ১৪,০০০ মানুষকে হত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই সাধারণ চিন্তাটিই তাকে তীব্র খিঁচুনি ও দুঃস্বপ্নের মধ্যে ফেলে দেয়।
১০.... হিন্দুদের দেখামাত্রই গুলি করা হয়। কোনো প্রশ্ন করা হয় না।❞
সূত্র: Diaries of Field Marshal Mohammad Ayub Khan, 1966-1972 > লেখক: মোহাম্মদ আইয়ুব খান > ১১ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার, ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দ; পৃষ্ঠা ৪৯৯
9 154
যারা মনে করেন কেবল বড় বড় মূর্তি বানালেই সনাতন ধর্ম রক্ষা হবে, তাদের এই চিন্তা আসলে ভুল।
আফগানিস্তানের বৌদ্ধরা বামিয়ানে বিশ্বের সবচেয়ে অন্যতম বড় বুদ্ধমূর্তি স্থাপন করেছিল, অথচ আজ না সেই মূর্তি আছে আফগানিস্তানে, আর না বৌদ্ধধর্ম আছে!
