2 368
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
-27 روز
-2830 روز
آرشیو پست ها
2 368
২১/০৮/২০২৬
সিনিয়র সাংবাদিকতা
দেখেন, 'সিনিয়র সাংবাদিকদের' সমস্যা এইটা না যে, আওমি-লিগ কেন ফিরতেছে না, বরং উনাদের ক্রাইসিস মোটাদাগে ২টা –
১. সময়-মতো বিএনপি হইতে পারেন না! ৫ই অগাস্টের পরেও অই উইন্ডো'টা ওপেন ছিল, ইসপেশালি ইন্টেরিমের সময়টাতে.. উনারা একটু ‘বিএনপি-পন্থি' হইলেই পারতেন, অনেকেই তো পারছেন! অই ট্রেনটা মিস করার আক্ষেপ অনেকের মনেই থাকার কথা!
২. সেকেন্ড হইতেছে, তাইলে কি করা! আরো বেশি কইরা ‘আওমি-লিগ' হইতে পারা! কারন, আনিস আলমগীর'রা যদি বিএনপি হয়া পড়ে তাইলে বিএনপি'র জন্য আরো বড় বিপদ! এক তো, এদেরকে জায়গা দিতে গেলে নিজেদের লোকজনের ‘ব্যবস্থা' করতে গিয়া হিমশিম খাইতে হবে… আর কিছু ‘আওমি-লিগ' না থাকলে উনারা উনাদের ‘বিএনপি-নেস' কেমনে ধইরা রাখবেন!
এই কারনে, খালি আওমি-লিগই না, বিএনপি’র (এমনকি জামাতেরও) কিছু ‘আওমি-লিগ' পুষতে থাকার কথা, তাদের ‘ট্রেডিশনাল' রাজনীতিরে টিকায়া রাখার জন্যে! মানে, এইখানে কোন কন্সপিরেসি থিওরি'র কথা আমি বলতেছি না… বরং এক ধরনের পলিটিকাল রিয়ালিটির দিকেই ইন্ডিকেট করতে চাইতেছি যে, কোন একটা ফর্মে ‘আওমি-লিগ' না থাকলে বিএনপির (এবং এমনকি জামাতের) জন্য সমস্যাই! কারন তখন যেই পলিটিকস'টা করতে হবে – সেইটার জন্য উনারা এখনো ফুললি প্রিপ্রেয়ার্ড না!
আর অই পলিটিকাল ভ্যাকুয়ামটারে অকুপাই কইরা রাখাটাই ‘সিনিয়র সাংবাদিকদের' সিগনিফিকেন্সটা, আওমি-লিগ না, বরং পুরান পলিটিকাল বেইজটারে রেলিভেন্ট রাখা!
যেই কারনে, যারা নতুন রাজনীতি তৈরি করতে চান – তারাই হইতেছে তাদের আক্রমনের নিশানা, এবং বিএনপি ও জেএস এইটাতে খুব বেশি অখুশি হওয়ার কথা না!
কারন, আওমি-লিগের চাইতে তো বিএনপি শতগুনে ভালো! কিনতু যদি আওমি-লিগ না থাকে, এনসিপি বা নতুন রাজনীতির তুলনায় তারা কি তত একটা ভালো থাকতে পারবেন তখন? :)
2 368
ফ্রম দা ভেরি বিগিনিং পুব-বাংলা ওয়াজ এটাচড টু দা আইডিয়া অফ পাকিস্তান! কিনতু মুশকিল হইতেছে পরে কলকাতা এতে ইনক্লুড না হওয়াতে অনেক নেতারা বিপদে পইড়া যান!
মানে, আমাদের এইখানে একটা আলাপের ট্রেডিশন আছে যে, যেন পাকিস্তান হইতেছে লাস্ট মোমেন্টের ডিসিশান! কিনতু ঘটনা বরং উল্টা!
লাস্ট মোমেন্টে আইসা যারা পুব-বাংলার শিকখিত মিডল-ক্লাসের রিপ্রেজেন্টেটিভ ছিলেন তাদের অনেকে পাকিস্তান নিয়া হেসিটেশন পইড়া যান কলকাতা এতে ইনক্লুড না হওয়াতে, যেমন, সরোয়ার্দি, আবুল হাশিম, ইভেন ফজলুল হকও... কারন উনাদের যশ-খ্যাতি, সহায়-সম্পত্তি মোটামুটি সবকিছুই কলকাতাতে, সেই কলকাতা ছাইড়া দিয়া ঢাকা বা করাচীতে আসবেন কিসের ভরসায়? সেইটা একটা ক্রুশিয়াল ডিলেমা ছিল...
যদিও ইভেনচুয়ালি উনারা আসছেন...
একইভাবে দেখেন, পাকিস্তান হওয়ার পরে ঢাকার নবাব পরিবারের রাজনীতি জাস্ট নাই হয়ে গেছে! উনারা করাচীতে হিজরত করে গেছেন, পাকিস্তানের রাস্ট্র-ক্ষমতায় নিজেদের 'প্রাপ্য মর্যাদা' বুইঝা নিতে, এবং এইভাবে আসলে হিস্ট্রি থিকাই অমিট হয়ে গেছেন!
আমি মনে করি, পাকিস্তান-ধারনাটারে তৈরি করার পিছনে যে ইন্টেলেকচুয়াল ও পলিটিকাল এফোর্ট'টা দরকার, সেইটা এক সরোয়ার্দি ছাড়া কেউ দিতে রাজি ছিলেন না! আর অন্য কারো সেই এবিলিটিই আসলে ছিল না...
2 368
০৯/০৮/২০২৬
ফরহাদ মজহারের কবিতা যে ‘দুর্বল কবিতা' এবং এইটা যে আমারেই বলা লাগতেছে – এইটা তো কিছুটা অস্বস্তিকর ঘটনাই!
মানে, কার কবিতা হয় আর কার কবিতা হয় না, বা কিভাবে কবিতা হয় বা কিভাবে কবিতা হয় না – এইটা অই আলাপের ঘটনা না আর কি… বরং কবিতা এজ আ আর্ট-ফর্ম যে চিন্তার বা আইডিয়ার সুপ্রিমেসির উপর ডিপেন্ড করে না, টেকনিকাল এফিশিয়েন্সি, এমনকি ‘সত্যি-কথা’ বলার উপরেও না, সেইটা ফিল করতে পারার মতো মানুশ-জন তো খুব বেশি দেখি না চারপাশে… যেই কারনে, যেই যেই কারনে কোন কবিতা বা কারো কবিতারে ‘ভালো-কবিতা' বইলা মনে করতে থাকি আমরা, সেইটা বেশ একটা প্রবলেমেটিক ঘটনাই, বাংলাদেশের সাহিত্যে!
তো, উনি জীবিত আছেন, বয়সও হইছে অনেক, এই সময়ে নিন্দা-মন্দ করাটা বেয়াদবি'র ঘটনা হবে আসলে… কিনতু আমি না বললে অন্য কেউ কখনো জায়গাগুলারে লোকেট করতে পারবে না – তাও তো না, এই কারনে জাস্ট ছোট্ট কইরা বইলা রাখা যে, পলিটিকাল পাওয়ার, ইন্টেলকচুয়াল পাওয়ার বা অন্য যে কোন ধরনের ক্ষমতা দিয়া কবিতা কোনদিন হয় নাই, হবেও না!
2 368
০৭/০৮/২০২৬
বিকল্প নাই
‘বিকল্প নাই' টার্মটার অরিজিনাল মিনিং হইতেছে যে, অন্য অনেক এরিয়ারে কন্সিডার করতে আমরা রাজি নাই! অন্য যে ‘কল্প'গুলা আছে, সেইগুলারে আমরা বাতিল কইরা দিয়া ভাবতেছি! একটা লিনিয়ারিটি ছাড়া ভাবতে পারবেন না আপনি!
খেয়াল কইরা দেখবেন, বাংলা-সাহিত্যে ঠাকুরেরও কোন ‘বিকল্প নাই'! মানে, এই কারনে নজরুল বা জীবনানন্দরে উনার ‘বিকল্প' বইলা কিছুটা তর্কও চালানো হয়! কারন উনারা একই ঘরানা'রই লোকজন! ‘আধুনিক বাংলা সাহিত্যের' বাইরে ও কলোনিয়াল সময়ের ফর্মগুলাই যেন একমাত্র ‘সাহিত্য'! রাধারমন, হাছন রাজা বা ইভেন কামিনী রায়ও যেন অন্য সময়ের ঘটনা, অন্য আরেকটা দুনিয়া!
তো, এইভাবে, ‘বিকল্প নাই' ঘটনা'টা যা করে – একটা সার্টেন গোষ্ঠী, আইডিওলজি ও সিন্ডিকেটের বাইরে আর কিছুই এগজিস্ট যেন এগজিস্ট করে না – এইরকম একটা ভুয়া-সত্যরে এস্টাবলিশ করতে চায় আসলে! যেইরকম হাসিনার কোন ‘বিকল্প' ছিল-না না, বরং ঘটনা ছিল খালেদা জিয়া’রে নন-এগজিস্টটেন্ট কইরা রাখা! ‘বিকল্প নাই'-এর এই রাজনীতি'টারে এখন খেয়াল না কইরা থাকা তো খুবই মুশকিলের হওয়ার কথা…
2 368
০৪/০৭/২০২৬
আমার ধারনা, এইভাবে বললে অনেকে বুঝতে পারবেন জিনিসটা যে, হাসিনা তো 'ডানপন্থি' ছিলেন না, তার মানে কি 'বামপন্থি' ছিলেন? 😀 তা তো না! একইভাবে, যেহেতু 'বামপন্থি' না, তাই বইলা তো 'ডানপন্থি' না! বরং এই দুইটা tiny group-এ খুব কম লোক-ই আছে...
দুনিয়ার বেশিরভাগ লোকই এই দুইটা ব্র্যাকেটের বাইরেই আছেন বা থাকেন, এমনকি এই ব্র্যাকেট দুইটা অইরকম মিনিংফুল কিছু ইন্ডিকেট করতে পারেও না এখন! এই আইডিওলজিকাল ট্যাগিংগুলা যেইটা করে, একটা পর্দা'র কাজ করে জাস্ট! যে, কার কথা আপনি শুনবেন, কারে আপনি পছন্দ করবেন, কারে করবেন না, এইরকম...
দুনিয়ার যত পীর-ফকির, বাটপার-বদমাইশ সবাই এইরকম আইডেন্টিফিকেশনসহ বা এর বাইরে গিয়া এগজিস্ট করেন ও করতে পারেন... ও, আর হাসিনা ছিল একটা পিওর ক্রিমিনাল!
2 368
০৩/০৮/২০২৬
জুলাইয়ের 'ঐক্য' ধইরা রাখতে হবে - এইগুলা হইতেছে সুপারফিশিয়াল কথা-বার্তা! নানান জায়গা থিকা মানুশ-জন জুলাইয়ে জড়ো হইছিল, হাসিনারে খেদানোর জন্য, এবং উই ডিড ইট!
এখন ঘটনা হইতেছে, হাসিনারে খেদানোর পরে সবাই কেন এক থাকবে? বা থাকতে হবে কেন? সবার-ই আলাদা আলাদা আইডিওলজি ও প্রায়োরিটি কেন থাকবে না? বরং যেইটা জরুরি, সেইসব আলাদা আলাদা স্পেইসে সবাই অপারেট করতে পারতেছে কিনা! অইরকম আলাদা আলাদা স্পেইস না থাকাটা হইতেছে বরং সমস্যার জায়গাটা!
আরেকটা ঘটনা হইতেছে, জুলাইয়েরই না শুধু কোন বড় ঘটনার একক মালিকানা-ই কারো কাছে থাকে না, অই ডাইবারসিটি'টারে না মানতে পাইরা বরং ইভেন্ট'টারে ছোট কইরা দেখানোর একটা তাড়না কাজ করে! যেন তেমন কিছু হয় নাই, সবকিছু ব্যর্থ হয়ে গেছে! 🥱
না রে মাদারচোদ, তোদের কথায় যেমন জুলাই ঘটে নাই, তোদের কথাতে জুলাই ব্যর্থও হবে না!
জোর কইরা ‘ঐক্য' ‘ঐক্য' করাটা বরং ইন্ডিপেন্ডেড, ডেমোক্রেটিক স্পেইসগুলারে পকেটে ভরার-ই আরেকটা পাঁয়তারা অনেকটা!
2 368
ঠাকুরের প্রার্থনা
.
"আমাদের বাংলা বইয়ের নাম ছিল ‘সাহিত্য চয়ন’। প্রথম অংশে গদ্য, দ্বিতীয় অংশে কবিতা। আর কবিতা অংশের প্রথম কবিতাটি ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের। সেটি ছিল একটি প্রার্থনা। পরে জেনেছিলাম, সেটি ছিল আসলে ব্রাহ্ম কথা।
“বল দাও, মোরে বল দাও।”... এই প্রার্থনাটা আমাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। কারণ তখন আমি মায়ের কাছে নামাজ পড়া শিখছি, আর ঠিক সেই সময় এই কবিতা পড়লাম। আমার মনে হলো, “রব্বানা আতিনা ফিদ্দুনিয়া হাসানাহ…”-এর চেয়েও রবীন্দ্রনাথের এই প্রার্থনাটি যেন আরও সুন্দর।
আমি মনে মনে ভাবলাম, নামাজের শেষে ওই দোয়ার বদলে রবীন্দ্রনাথের এই প্রার্থনাটাই পড়ি না কেন? তারপর সত্যিই আমি তা করতে শুরু করলাম। এখনো মনে আছে, তখন আমার বয়স নয় বা দশ।"
/জাতীয় অধ্যাপক এ এফ সালাহ্উদ্দীন আহমদ (১৯২৪-২০২৪)
...
কোটেশন'টারে তো অনেক জায়গা থিকাই দেখা যায়, আমি যেই জায়গা থিকা দেখি, সেইটা আগেও কয়েকবার বলছি যে, বাংলাদেশের যারা ইন্টেলেকচুয়াল উনাদের বেশিরভাগেরই শৈশব-কৈশোর এবং বাইড়া উঠা ব্রিটিশ-পিরিয়ডে কলকাতা'তে, যার ফলে অই কালচারাল হেরিটেজ'টারেই উনারা সেন্টার করছেন, এবং সেইটার কারনে বাংলাদেশ-ধারনা'টারে উনারা লোকেট করতেই রাজি ছিলেন না!
আর ঠাকুর, ঠাকুর-ভক্তি ছাড়া আপনি তো বাঙালি-ই হইতে পারবেন না! অচ্ছুত হয়া থাকবেন! 🥱
2 368
৩১/০৭/২০২৬
গতকালকে ক্যাজুয়ালি, মানে হাসি-ঠাট্টা কইরাই একজন আরেকজনরে বলতেছিলেন, ভাইদের আওমি-লিগ থাকার সময়ে এতো অসুবিধা ছিল না! :)
তো, যারে বলা হইলো, উনি সিরিয়াস হয়া গেলেন, বললেন, ধুর ভাই, আমি কবে আওমি-লিগ ছিলাম! এইগুলা বইলেন না…
মানে, সোশালি আওমি-লিগ পরিচয় কিনতু খুবই নেগেটিভ একটা আইডেন্টিটি এখন; কেউ যদি আগে আওমি-লিগ সার্পোট করতোও, এখন সেইটা কিনতু লুকাইতেই চায়, বা নিজেদের ডিজ-এসোসিয়েট করতে চায় আওমি-লিগের ক্রাইমগুলা থিকা…
ইউকে’তে আওমি-লিগের পলাতক মন্ত্রিও বলতেছিলেন, পারসোনালি আমার তো কোন দোষ নাই!*
তো, এইটা খালি কারনে না যে, আওমি-লিগ বানায়া দিয়া তার মানে মামলা দিবে বা হ্যারেজ করবে, এই ভয় কমই, ইন্সিডেন্টও হাত-গোনাই; বরং উল্টাটা বেশি সত্যি যে, আওমি-লিগের গুম, খুন, লুটপাটের অনেক মামলা আসলে এখনো হয়-ই নাই! টাকা-পয়সা দিয়া অনেক কিছু ম্যানেজ করা হইতেছে!
আর মোস্ট ইম্পর্টেন্টলি, ‘আপনি আওমি-লিগ করেন' বা ‘আপনি আওমি-লিগ করতেন' – এইটা যে একটা গালি দেয়ার ঘটনা, এই জিনিসটা বাকশালি-মিডিয়াও ঠেকাইতে পারে নাই!
…
(*বানালিটি অফ ইভিল এই কারনে খুবই ইম্পর্টেন্ট একটা কনসেপ্ট, নাজি-পার্টির লোকজনও একই ধরনের সাফাই গাইতেন…)
2 368
২৬/০৭/২০২৬ - ২৭/০৬/২০২৬
খেয়াল কইরা দেখবেন, বিএনপি নানান সব পাবলিক ইন্সটিটিউটে নিজেদের পোড়-খাওয়া, ত্যাগি নেতাদেরকে এপয়ন্টমেন্ট দিতেছে… যদিও এর অনেক কিছুই মেবি ‘নিউজে' আসতেছে না, কিনতু মাঝে-মধ্যে কিছু আওয়াজ পাই, চারপাশে… তো, এইটা ইলিগাল কিছু না, বা ঠিক অনৈতিকও না এতোটা!
কিনতু তারপরও এইখানে ২টা সমস্যা আমি দেখতে পাই…
১. আওমি-লিগ আমলে তো এইটা নিয়ম-ই হয়া গেছিল, যে, আপনি আওমি-লিগ করেন, তো, মিল্ক-ভিটা'র চেয়ারম্যান হওয়া তো আপনার ‘অধিকার'! ভিকারুন্নেসা স্কুল ও কলেজের গর্ভিনিং-বডি'র চেয়ারম্যান আপনি হইবেন না তো কে হবে! এইরকম…
এখন, যেহেতু বিএনপি ক্ষমতায়, বিএনপিও নিজের দলের লোকজনরেই লয়ালিটি'র পুরস্কার হিসাবে এইরকম পজিশন দিবে বা দিতেছে… কিনতু এইটারে তাদের ‘অধিকার' বানায়া ফেললে বিপদ হবে!
মানে, একটা পজিশনে আপনি দলের লোকজনরে বসাইতে পারেন আর দলের লোকজনেরই এই পজিশনগুলা পাওনা – এইটা দুই ধরনের ঘটনাই! এই ডিফরেন্সটা করতে পারাটা দরকার…
২. পলিটিকাল লয়ালিটির দরকার নাই – তা না, কিনতু এফিশিয়েন্সি এবং ক্যাপাবিলিটি যদি না থাকে তাইলে এই পুরস্কারগুলারও তেমন কোন ভ্যালু ক্রিয়েট হবে না আসলে! মানে, আপনি দলের বাইরে অইসব ফিল্ডের টেকনিকালি এফিশিয়েন্ট লোকজনরে এপয়েন্টমেন্ট দিবেন – সেইটাও সমাধান না আর কি! কারন, যে কোন টেকনিকাল-নলেজও এতোটা নন-পলিটিকাল ঘটনা না!
বরং আমি মনে করি জরুরি হইতেছে, যে কোন সেক্টরের বেপারে একটা পলিটিকাল দিশা ঠিক করতে পারা, এবং যারা সেই দিশা'র ড্যাম-সাপোর্টার না হইলেও এটলিস্ট বিরোধি না, তাদেরকে দলের ভিতরে আবিস্কার করা বা ইনক্লুড করার ভিতর দিয়া অই জায়গাগুলারে কিছুটা হইলেও এফেক্টিভ কইরা তোলাটা প্রায়োরিটি হওয়া উচিত…
তো, আমার কথা হইতেছে, বিএনপি'র লোকজন এইটা বুঝেন না – তা না, কিনতু কতোটা যে ইমপ্লিমেন্ট করতে পারতেছেন, বা করতে চাইতেছেন, সেইটা এখনো অনেক বেশি ডাউটফুল জিনিসই হয়া আছে…
বিএনপি হয়তো অইসব জায়গাতেই লুটপাটের চাইতে পলিটিকাল কন্ট্রোল এস্টাবলিশ করাটারেই সেন্টার কইরা এইরকম করতেছে, কিনতু বিএনপির সেন্টার আইডিওলজির লগে অরগানাইজেশনগুলার কোন কানেক্টেড ভিশন ক্রিয়েট করা না গেলে এবং ঠিকঠাক-মতো চালাইতে না পারলে অই কন্ট্রোলও এস্টাবলিশ হবে না আসলে! 🥱
2 368
২১/০৭/২০২৬
মুসা আল হাফিজ
১. আমার ধারনা, মুসা আল হাফিজ এইবার বাংলা একাডেমি পাইবেন, প্রথম আলো, আরো কি কি জানি আছে, অইগুলাও পাইতে পারেন, মানে, অইরকম ওভারঅল একটা একসেপ্টেন্সের জায়গা তৈরি হইছে মোটামুটি উনার বেপারে…
২. উনি প্রাইজ পাওয়ার আগেই ইম্পর্টেন্ট ফিগার আসলে, প্রাইজ-টাইজ দিয়া বরং ‘উনি আমাদেরও লোক' – এইরকমের ‘চিহ্নায়ন' 🥱 ঘটানোটাই হবে ঘটনা আসলে!
৩. তো, মুশকিল হইতেছে দুয়েকদিন আগে, উনারে নিয়া কিছু ‘বাজে-কথা' বা সমালোচনা করছি আমি, বলছি যে, উনার হিস্ট্রি রিডিং খুবই লিনিয়ার! আগে যেমন ছিল ‘মুসলমান'রা খারাপ' সেইটারে উল্টায়া দিয়া হইছে ‘মুসলমানরা ভালো'... মানে, ডিসিশান যা-ই হোক, রেফারেন্স সিসটেম মোটামুটি একই রকমেরই লিনিয়ার-ই আছে!
৪. দীনেশচন্দ্র সেনের ‘বৃহৎ বঙ্গ' পড়তে গিয়া আমার মনে হইতেছিল যে, এইটা তো একটা সাহিত্যের বই! হিস্ট্রি'র কল্পনা আর হিস্টোরিসিটি তো একই জিনিস না!
৫. বরং এইরকমের একটা ঘটনা আমাদের ইন্টেলেকচুয়াল রাইটিংয়ের প্রেইজিংয়ের বেপারেও ঘটে যে, কি সুন্দর কইরা লেখছেন! (বা বলছেন!) মানে, কেউ একটা সুন্দর উপমা দিছেন, ভালো কথা, কিনতু সুন্দর একটা উপমা ভালো একটা যুক্তি হয় কেমনে! অইটা তো বরং একটা অবস্টেকল হওয়ার কথা, ইন্টেলেকচুয়াল আলাপে!
৬. কথা সুন্দর হইতে পারবে না – তা না, কিনতু একটা সুন্দর ক্রিয়েটিভ রাইটিংয়ের সাথে একটা ইন্টেলেকচুয়াল আলাপের যে ডিফরেন্স আছে, সেইটা তো রিকগনাইজ করতে রাজি হইতে পারা দরকার আমাদের!
৭. তো, সাহিত্যে বা চিন্তায় ওভারঅল একটা একসেপ্টেন্সের জায়গা এচিভ করতে পারাটাও বাজে ঘটনা না অবশ্যই… বরং সমাজে যেই সাহিত্য-ধারনাই ‘প্রতিষ্ঠিত' হইতে শুরু করে তারে প্রশংসা বা নিন্দা করার চাইতে ক্রিটিকালি দেখতে পারাটা জরুরি একটা জিনিস আর কি…
৮. এখন, এইসব কথা'র জন্য কেউ আবার আমারে বাংলা একাডেমি ধরায়া দিলে তো বিপদ-ই হবে! 😎
৯. মানে, মনে হইতে পারে যে, আমি ফান করতেছি, কিনতু বাংলাদেশে এইগুলা আসলে এইরকমেরই সহজ! 🥱
2 368
১৯/০৭/২০২৬
জুলাই: পারসোনাল নোটস
জুলাইয়ে আমার সবচে ট্রমাটিক এক্সপেরিয়েন্সটা হইছিল ১৬ তারিখে, যখন চিটাগাং শহরে ওয়াসিম শহীদ হইলেন... উনি শহিদ হওয়ার পরে অনেকে, যারা উনার আইডি মেনশন কইরা পোস্ট দিতেছিলেন, এইরকম কেউ কেউ আমার ফ্রেন্ডলিস্টে ছিলেন... তো, তখন উনার ফেইসবুক প্রোফাইলে গিয়া দেখি আমার আইডি'রে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানো!
সাথে সাথে মনে হইলো, রিয়ালিটির দেয়ালে যেন একটা ধাক্কা লাইগা গেলো! আমার সারা শরীর জাস্ট অবশ হয়া গেলো! এইটা কি হইলো! মানে, যেই মানুশটা পুলিশের গুলি খাইয়া শহিদ হয়া গেলো, সে আমারে কোন না কোনভাবে চিনতো বা ফলো করতো হয়তো... আর আমি-ই তারে চিনতে পারি নাই!
অনেকক্ষন পর্যন্ত আমি আর সাহস-ই করতে পারি নাই, কোন কিছু ভাবার... যে, হায় হায়! এইটা কি হইলো! এইটা কি হইলো!
...
আজকে যখন মনে হইলো, তখন ভাবলাম যে, দেখি তো ঘটনা সত্যি কিনা... নাকি আমি ভুল দেখছিলাম! দেখি যে, উনার আইডি মনেহয় আর পাবলিক নাই...
...
আজকে আমারে একজন বলতেছিল, লোকজন তো তোরে জামাত মনে করে! তো, আমি হাসতেছিলাম, লোকজন আমারে একসময় বিএনপিও মনে করতো...
কিনতু লোকজন আমারে যা মনে করে, সেইটা যদি আমার আইডেন্টিটি হয়া উঠে, তার মানে হইতেছে যে, আমার কাজ-কাম অই লোকজনের মনে-হওয়ারে পার হইতে পারে নাই এখনো, তো, ইটস ওকে! আমার এতো তাড়াহুড়া নাই... 🥱
আর আমি তো আসলে দেখতে পাই, কেন বা কি কারনে আমি যেইরকম বিএনপি হইতে পারি নাই, জামাত হইতে পারার চান্সও নাই... বরং আমার বাকশাল-বিরোধিতা বিএনপি'র যতটা কাজে লাগছে, বাম-বিরোধিতা জামাতের তত একটা কাজে লাগবে না; কিনতু মুশকিল হইতেছে যে, বাংলাদেশে দুই-চাইরটা কথা-বলার লোকও এতো কম যে, আমার কথাও কারো না কারো কাজে লাইগা যায়... তো, এইটা আমার সাকসেস না, বাংলাদেশের ইন্টেলেকচুয়াল দুর্দশারই প্রমান আর কি :(
...
তো, এই কারনে আমি খুব ভয় পাইয়া গেছিলাম তখন, কি না কি কথা বলি, আর যারা নিজের জীবন দিয়া দেয় রাস্তায়, তাদেরকে চিনতেও পারি না! নিজের ফাঁপানো বলয়েই থাকতে থাকি আসলে... এমনই আনফরচুনেট!
...
এবং এই কথাটাও বলতে পারলাম না তো আসলে, আর ঠিকঠাক মতো কখনো বলতে পারবো বইলাও মনেহয় না আসলে; রাবেয়া বসরী'র একটা কথা দেইখাই আজকে এই জিনিস মনে হইতেছিল - "যার বেদনা যত বেশি, তার ভাষা তত কম"
...
নিরবতার ভিতর থিকাই যেন মাঝে-মধ্যে ভাইসা উঠো আমাদের ভাষার এই বুদবুদ...
2 368
১৮/০৭/২০২৬
আওমি-লিগ কি ফিরা আসবে? - এই আলাপ কেন আর কিভাবে এখনো টেবিলে থাকে?
গতকালকে (১৭/০৭/২০২৬) একটা আড্ডায় এইটা নিয়া কথা হইতেছিল… ইন ফ্যাক্ট, হাসান রোবায়েত সরাসরি আমারে জিগাইতেছিলেন যে, আপনার কি মনেহয়, আওমি-লিগ কি ফিরা আসতে পারবে? বা ১৯৭১-এ একটা এন্টি-পিপল পজিশন নেয়ার পরেও যেহেতু জামাতে ইসলাম কাম-ব্যাক করতে পারছে, আওমি-লিগ কি একইরকম-ভাবে যতদিন জামাত থাকবে, ততদিন একটা বিপরিত ফোর্স হিসাবে ফিরা আসার সম্ভাবনার মধ্যে থাকে না?
(মানে, হুবহু একইরকমের কথা মেবি উনি বলেন নাই, আমি যেহেতু মনে কইরা বলতেছি, আমার শোনা ও মনে-রাখা অংশটাই এইখানে বলতে পারতেছি…)
(আর আমি যে এইরকম পয়েন্ট আকারে রেসপন্স করছিলাম - তা না, বলতে বলতে এই পয়েন্টগুলা তৈরি হইছিল…)
১. আওমি-লিগ বিষয়ে ‘নিরপেক্ষ' মতামত দেয়া তো আমার পক্ষে সম্ভব না! কারন আমি মন থিকা চাই যে, এইরকমের একটা ফ্যাসিস্ট, এন্টি-পিপল ও নন-ডেমোক্রেটিক শক্তি কখনোই ফিরা আসার অবস্থা তৈরি না হোক! যার ফলে, আমার ইচ্ছা'র একটা জোরের কারনে অনেক কিছু আমি লোকেট করতে পারবো না… এইটা মাইনা নিয়া-ই আমারে কথা বলতে হবে…
২. তো, আওমি-লিগ ফিরতে পারবে কি পারবে না – তার চাইতেও জরুরি প্রশ্ন হইতেছে আসলে, এই আলাপ'টা কেমনে এখনো রেলিভেন্ট থাকে বা আলাপ হিসাবে উঠতে পারে?
এইখানে আমার কথা হইতেছে, বাংলাদেশে আওমি-লিগ তথা বাম-বাকশালিদের যে অবৈধ পলিটিকাল শাসন, এর গোড়া ছিল হইতেছে – ইকনোমিক-ডাকাতি! এবং আমার ধারনা হইতেছে, অই ডাকাতির লাইন'টা এখনো নানান-ভাবে চালু আছে!
যেমন ধরেন, সরকারি টেন্ডার, গত ১৫ বছরে বিএনপি'র কেউ তো সরকারি টেন্ডার পায় নাই, কিনতু টেন্ডারে নিয়ম থাকার কথা যে, আগে এইরকম বড় প্রজেক্ট (ধরেন, ১০০ কোটি টাকার) করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, আর এইগুলা তো আওমি-লিগের লোকজনেরই আছে… যার ফলে, তাদের লাইসেন্স দিয়াই বিএনপি'র লোকজন কাজ-কাম নেয়ার কথা…
একইরকম-ভাবে মোটামুটি সব সেক্টরেই আওমি-লিগের খালি ইকনোমিক পাওয়ার-ই না, সোশাল-পাওয়ারও ইন-ট্যাক্ট থাকার কথা, একাডেমিয়া-ভার্সিটি, নিউজ-এজেন্সি, পাবলিক-অফিস, এমনকি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানগুলাতেও… তো, যেহেতু উনাদের ইকনোমিক ও সোশাল পাওয়ার আছে, তাইলে পলিটিকাল পাওয়ার কেন থাকবে না? – আমার ধারনা, প্রশ্নটা এই কারনে রেলিভেন্ট থাকে, বা থাকতে পারে…
৩. কিনতু আপনার টাকা-পয়সা থাকলে বা ক্ষমতা থাকলেই গায়ের জোর দেইখা লোকজন আপনারে মাইনা নিবে – তা তো না! যদি ভোট থাকে, আপনি খারাপ কাজ করলে তো লোকজন আপনারে ভোট দিবে না!
বাম-বাকশালি'রা ২০২৪-এর জুলাইয়ে যেই গনহত্যা চালাইছে এবং এখনো সেইটারে যেইভাবে অস্বীকার করে যাইতেছে, সেই কারনে তাদের ইকনোমিক ও সোশাল-পাওয়ারের জায়গাগুলা থাকলেও সোশাল-সার্পোটের জায়গাগুলা আসলে জিরো!
সোশাল-সার্পোট এখনো অদের নাই; বা যতটুক আছে, বা যাদের কাছ থিকাই পাইতেছে ইকনোমিক ও সোশাল বেনিফিটের লগে এর একটা কানেকশন আছে বা থাকার কথা…
৪. এখন, জামাতে ইসলাম বা জেএস'র ঘটনা কিনতু একইরকম না! ১৯৭১ এখনো উনাদের সবচে ভালনারেবল পয়েন্ট! অই প্রশ্ন কিনতু উনারা এখনো ওভারকাম করতে পারেন নাই…
উনারা যেইটা পারছেন, ১৯৭১-এর পরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে মুসলিম-আইডেন্টিটির একটা ভ্যাকুয়াম তৈরি হইছিল, অই স্পেইসটারে উনারা নিতে পারছেন; এবং সেকেন্ডলি লেনিনিস্ট পার্টি ফরমেশনের কারনে ডেডিকেটেড পার্টি-মেম্বারদের ভিতর দিয়া একটা স্ট্রং বেইজ তৈরি করতে পারছেন… কিনতু ১৯৭১ এখনো উনাদের পলিটিকাল লো-পয়েন্ট!
(আমি এইটাও মনে করি, এই যে জামাত ৬০-৬৫টা সিট পাইছে – এইটা উনাদের ম্যাক্সিমাম লিমিট, যদি পার্টি ফরমেশনের জায়গাটারে চেইঞ্জ করতে না পারে তাইলে সিট ফিউচারে আরো কমার চান্স বেশি…)
৫. মানে, বাংলাদেশে বরং প্রো-ইনডিয়ান কোন পলিটিকাল দলের রাজনীতি দাঁড়াইতে পারবে না! জাতিয় পার্টিও শেষ হয়া গেছে এই কারনেই! আওমি-লিগও প্রো-ইনডিয়ান রাজনীতি কইরা কাম-ব্যাক করতে পারবে না আসলে, জুলাইয়ের পরে!
৬. বাম-বাকশালিদের একমাত্র চান্স হইতেছে যদি তারা এনসিপি'রে ভাঙ্গতে পারে! এই কারনে দেখবেন তাদের সবার টার্গেট হইতেছে এনসিপি! কারন তাইলে যেই ভ্যাকুয়াম'টা তৈরি হবে, সেইখানে প্রো-ইনডিয়ান সোশাল-পাওয়ারটা নিজেদেরকে ধইরা রাখতে পারবে… তা নাইলে আগামি ২-৪ বছরে অইটাও কমতে থাকবে, ধিরে ধিরে…
৭. তো, আমার এই ধারনাগুলা সত্যি কিনা সেইটা ভালো-রকম টের পাওয়া যাবো নেকস্ট লোকাল-গবমেন্ট ইলেকশনে… অই ইলেকশন তো আর পলিটিকাল পরিচয়ে হবে না, কিনতু তারপরও কিছু পলিটিকাল জায়গারে স্পস্ট করতে পারবে… একটিভলি জুলাই-বিরোধি হওয়ার পরেও কেউ মেম্বার-চেয়ারম্যান হইতে পারে কিনা, সেইটা দেইখা এই ধারনাগুলারে আগায়া নেয়া যাবে…
2 368
০৫/০৭/২০২৬
বাংলাদেশের টাকাওলা লোকদের সাহিত্য কেন হয় না? :) মানে, হইতে পারবে না - তা না, কিনতু নরমালি তো হয় না! তো, কেন হয় না? 🥱
১. না হওয়ার একটা কারন হইতেছে, যেহেতু উনাদের টাকা-পয়সা আছে, উনারা সমাজের মানুশের সাথে মিশতে পারেন না, আর সাহিত্য সমাজের ঘটনা, সমাজের মানুশের ঘটনা, মানুশের সাথে ডিসট্যান্স রাইখা এইটা হয় না!
২. যেমন ধরেন, হাছন রাজা কিনতু জমিদার ছিলেন, কিনতু উনি ‘নস্টামি' করতে গিয়া হোক আর পরে ‘আল্লাওলা' লোক হইতে গিয়াই হোক, মানুশের সাথে মিশছেন বইলা আমার মনেহয়… একটু উপরে থাইকা মিশেন নাই, মানুশের সাথে একটা লেভেলে মেবি চলতে পারছিলেন সবসময়! এন্ড ইট হেল্পস!
৩. তবে অনেকেই তো মিশতে পারেন, একটা স্নবারি নিয়াই, এবং ভাবতে পারেন যে, যেহেতু আমরা অনেক কিছু দেখসি, অনেক কিছু জানসি, আমরা তো একটু বেশিি বুঝি! এই বেশি বুঝাটাও তাদেরকে এক রকম বিপদেই ফেলে; অই সুপ্রিমেসি থিকা তারা এক ধরনের ডিফাইনিং এটিটুড নিয়া এনগেইজ করতে থাকেন; যেইটা কিছুটা সময়ের জন্য এগজোটিক মনে হইলেও, সময় গেলে টের পাওয়া যায় যে, ফাঁপা জিনিস-ই সেইটা… মানে, সার্টেন টেকনিক এচিভ করতে পারাটা আর্টের ঘটনা না আর কি…
৪. তো, আমি বলতেছি না যে, আপনার টাকা-পয়সা আছে – এই কারনে আপনি সাহিত্য করতে পারবেন না! বরং এইটা একটা অবস্টেকল হিসাবেই কাজ করে বাংলাদেশে, টার্কিতে ওরহান পামুকের জন্য এতোটা কেন করে নাই – সেইটা নিয়াও অবশ্য কথা বলা যাইতে পারে, যে, ফিল করতে পারলেও হয়! একটু অনেস্ট হইতে পারলেও হয়তো হয়…
৫. মানে, গরিব হইলে তো সাহিত্য করা কঠিনই এখন :( কিনতু তার মানে, টাকা-পয়সা থাকলেই কইরা ফেলা যাবে – তা-ও না আর কি!
2 368
২৫. জুন, ২০২৬: The Muslim Minds, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের পলিটিকাল সিগনিফিকেন্স
https://youtu.be/WFCe9hWriU4?si=MF17pb7HZtiN5XGQ
2 368
আমার পাবলিক আলাপ
ইসপেশালি গত দুই বছরে অনেকগুলা পাবলিক আলাপ আমি করছি, সব মিলায়া ২৫টা আলাপের লিংক একসাথে পারলাম… সব আলাপ-ই ইম্পর্টেন্ট না, কিনতু ৫-৭টা আলাপে কিছু কথা আমি বলতে পারছি মনেহয়…
আমার রিকমেন্ডশন হইতেছে ১, ৩, ৬, ৮, ১৪, ১৬, ২২; অন্যগুলাও শুনতে পারেন, তবে অডিও-ভিডিও কোয়ালিটি কোনটারই খুব বেশি ভালো না আর কি! :(
তো, নানান জায়গায় জিনিসগুলা ছড়ায়া আছে, একটা সময় এক জায়গায় কইরা ফেলতে পারলে ভালো… কতো যে কাজ, আর আইলসামিও যে এতো আরামের জিনিস, দুইটার ভিতরে চুজ করা মুশকিলই হয়, বেশিরভাগ সময়! 🥱
…
১. মোহাম্মদ আজমের বই নিয়া কথা (ঢাকা, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র, সেপ্টেম্বর ২০১৯)
https://youtu.be/hB6WX0y6JHg?si=2qQyW76fSE6vwCQI
২. ইন্টারভিউ সিরিজের বইগুলা নিয়া কথা (ঢাকা, ডিসেম্বর ২০১৯)
https://youtu.be/SAPxkSDkAgE?si=pPNateL0opFaST0g
…
৩. মিডিয়া-রিয়ালিটির মুখস্ত সমাজে কি করতে পারি আমরা? (চিটাগাং, ষোলশহর রেলস্টেশন, SAD, ০৮/১১/২০২৪)
(পোগরামের লাইভ একটা ফুটেজ আছে https://www.facebook.com/share/v/18mdPtRZAh/)
৪. বাকশালি বয়ান থিকা সরতে কি করতে পারে ইন্টেরিম গবমেন্ট (ঢাকা, রসিক আড্ডা, শিল্পকলা একাডেমি, ১০/১২/২০২৪, পোগরামে যাওয়া হয় নাই, একটা অডিও শেয়ার করা হইছিল…)
https://youtu.be/7VPX1kSqYAk?si=2yqC5y3TkblLSnL8
৫. বাকশাল কি? এবং এইটা কেমনে ফাংশন করে? (গোপালগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ভার্সিটি, ২০২৪)
[আলাপের ভিডিও'টা নাই, তবে এই ইবুক'টা বেইজ-লাইন হিসাবে কাজ করছে এই আলাপের https://www.facebook.com/share/p/1GNcdmYodZ/]
৬. বাংলাদেশের আর্ট-কালচার এবং দেবাশিস চক্রবর্তীর ডিজিটাল ড্রয়িং (ঢাকা, শিল্পকলা একাডেমি, ১৮/০১/২০২৫)
[মূল আলাপের ভিডিও নাই, কোশ্চেন-আনসার সেশনটা আছে https://youtu.be/RAX9Wr2qAKI?si=O33eabfLvuOGaVRh]…
৭. ‘বাঙালি মুসলমান প্রশ্ন' বই নিয়া আলাপ (ঢাকা, সিটিজেন ইনিশিয়েটিভ, ৩০/০৫/২০২৫)
https://youtu.be/z4yO3fc__ok?si=kQ84FrLs2xyzKSKv
(বইটা নিয়া আরো একটা আলাপ শুনতে পারেন এইখানে
https://youtu.be/x_ttmEpMfBw?si=liiDllTBEuiZ-7Ql)
৮. হিস্ট্রি, কালচার ও পলিটিকসে ‘বাংলাদেশ ধারনা' কেন একটা মিসিং ঘটনা? (সিলেট, ০৪/০৭/২০২৫)
পার্ট ১: https://youtu.be/qm9W33nCkok?si=tYHx2uBoVj-5iVi6
পার্ট ২:
https://youtu.be/iyVaO6FWYK0?si=aMcc0Lah2-JLXvLq
৯. জাগো হুয়া সভেরা: বাংলাদেশের ভিজুয়াল নিয়া আলাপ (ঢাকা ভার্সিটি, ১৯/০৭/২০২৫)
https://youtu.be/_iyR0GFYdWM?si=DvpQG3B6usv2zM8-
১০. জুলাই-উত্তর বাংলাদেশে সাহিত্য-চিন্তা (ঢাকা, দৈনিক আমার দেশ, ২৬/০৭/২০২৫)
https://youtu.be/QcDXc7sEOvg?si=emx37Xj8m418FlKw
১১. নয়েজ, নেটওয়ার্ক ও নিরবতা: সেন্সরশিপের ৩টা টুল নিয়া কয়েকটা কথা (ঢাকা, বাংলা একাডেমি, ০২/০৮/২০২৫)
https://youtu.be/Sydfl3wUHOY?si=wZCT94W4IYO1219Y
১২. ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের বিসমিল্লাহ বৈঠকে (ঢাকা, ০৫/০৮/২০২৫)
https://youtu.be/ie5bgcroKfc?si=TqZ4-q46UFdTSGW7
১৩. বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বোঝাপড়া (ময়মনসিং মুসলিম ইন্সিটিটিউট, জনমুক্তি ০৪/১০/২০২৫)
https://www.facebook.com/share/v/1EH1y28dxk/
১৪. বাংলাদেশপন্থা কারে কয়? (ঢাকা, হাতিরপুল, বাঙলানামা পাঠচক্র, ১৮/১০/২০২৫)
https://youtu.be/Z9D_vBbDNgU?si=GRpg3J_hBz69aBdG
১৫. শিখাগোষ্ঠি নিয়া আলাপ (ঢাকা ভার্সিটি, ইসলামিকেট বেঙ্গল, ২৪/১০/২০২৫)
https://youtu.be/X5r2HE7K6cY?si=u6UYzVemZw4KdC3G
১৬. বাংলাদেশি সিনেমা কেন ও কিভাবে বাংলা-সাহিত্যের চাইতে একটা আলাদা লিগাসির ঘটনা? (ঢাকা, ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার, ০৬/১২/২০২৫)
https://youtu.be/rkQu3qt3EUE?si=6ly4eyZdUfFEnDVV
১৭. নতুন পলিটিকাল পার্টি নিয়া আলাপ: রক মনু ও শাওন চিশতির সাথে (ঢাকা, মার্চ ২০২৫)
https://youtu.be/rlEGgh8vxOY?si=T_TCPcpC03uqG7jQ
১৮. কেন বাংলাদশে কোন ইলেকশন ফ্রি, ফেয়ার ও ট্রান্সপারেন্ট হইতে পারে না? (ঢাকা, ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার, ৩০/০১/২০২৬)
https://youtu.be/EQm58COE9Jw?si=Ps3oDxB-bQBrurX7
১৯. “জুলাই বয়ান” বই নিয়া আলাপ (ঢাকা, ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার, ১০/০৪/২০২৬)
https://www.facebook.com/share/v/18pb6Ecmrc/
২০. সাতচল্লিশের দেশপ্রাপ্তি ও আজাদী (ঢাকা ভার্সিটি, ডাকসু, ১৫/০৫/২০২৬)
https://www.facebook.com/share/v/1Gdh4bGwUQ/
২১. পলাশী উত্তর বাংলাদেশ (ঢাকা ভার্সিটি, সিবিএস, ২৭/০৬/২০২৬)
https://youtu.be/E-nu82Zg8rw?si=iorptGESl9kxCMj7
…
পডকাস্ট
২২. সেপ্টেম্বর, ২০২৫: y to zee podcast কালচার ও পলিটিকস, আফটার জুলাই
https://youtu.be/BIBL_azP1qI?si=CRMFZQktm12eOG3m
২৩. জানুয়ারি, ২০২৬: The Muslim Minds, ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর ইলেকশন
https://youtu.be/25MpNHz19og?si=pD2DuvQ5DTpgS8sr
২৪. ফেব্রুয়ারি, ২০২৬: Bangladesh and Beyond, বাংলাদেশের ভাষা ও রাজনীতি
https://youtu.be/__bKaYrd1TE?si=ndqMRPjYG5IdzT09
2 368
০৮/০৭/২০২৬
ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার
১. যেই কথাটা কেউ-ই খোলাখুলি-ভাবে বলতেছেন না, সেইটা হইতেছে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারে যেই পরিমান ডিবি-পুলিশ, এনএসআই, সরকারি গোয়েন্দা ও ইনফর্মার ঘোরা-ফেরা করতো ঢাকা শহরের কোন থানাতেও এতো পুলিশ থাকে না মনেহয়! মানে, হাদি খুন হওয়ার আগে থিকাই এবং পরেও এইটা হয়া উঠছিল নজরদারি'র একটা সেন্টার!
২. যার ফলে, আমি মনে করি, এই সেন্টার'রে ফাংশনাল কইরা তোলা মোটামুটি ইম্পসিবল বেপার! তারপরেও জাবের, জুমা, ফাহিম উনারা অনেক ট্রাই করছেন... কিনতু স্টিল দে আর সারাউন্ডেড বাই দা উলফস! উনাদের বয়স কম, আশা করি উনারা উনাদের ট্রমা কিছুটা হইলেও ওভারকাম করতে পারবেন, এবং নতুন কইরা অনেক কিছুই শুরু করতে পারবেন! আমি বলবো, আপনারা আপনাদের কাজ করেন, আপনাদের কাজের ভিতর দিয়াই হাদি'র কাজ ফুইটা উঠবে!
৩. আই গেইস, ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার মারা যাবে না, কিনতু এর পক্ষে একটা কালচারাল হাব হয়া উঠা'টা টাফ... কারন এইটা খালি ইনডিয়ান কালচারাল হেজিমনির জন্যই থ্রেট না, বরং বিএনপি, এনসিপি, জেআই যে কারো পলিটিকসের লগে যায় না, কিনতু টিইকা থাকার জন্য হয়তো কারো না কারো পকেটেই ঢোকানো হবে, শেষমেশ! মানে, এইটা ধ্বংসাবশেষ হবে না, এমন একটা জিনিস হয়া উঠতে পারে যেইটা হাদি'রেই কোশ্চেনেবল কইরা তুলবে, যেইরকম অসংখ্য প্রোফাইল পিকচার দিয়া করা হইছে, ফেইসবুক... মানে, পলিটিকস ও কন্সপিরেসির প্লে-বুক এখন অন্য রকম একটা লেভেলেই ফাংশন করে...
৪. কিনতু দেড়-দুই বছরে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টার যা-ই করছে, যতটুকই করছে, আমি মনে করি অনেক কিছু্রেই ইন্সপায়ার করছে, এবং করবে... বেস্ট উইশেস টু অল!
2 368
০৮/০৭/২০২৬
বাংলাদেশের মিলিটারি
বাংলাদেশের মানুশের মিলিটারি'র উপর ভরসা আছে, কিনতু কেন ও কিভাবে এই ভরসার জায়গাটা তৈরি হইছে, সেইটা নিয়া আলাপ কম-ই...
যেমন ধরেন, জুলাই আপরাইজিংয়ের সময়ও মিলিটারি'র একটা অংশ মানুশের উপর গুলি চালাইলেও মানুশ ভরসা রাখছে মিলিটারি'র উপরে যে, বাংলাদেশের মিলিটারি বাংলাদেশের মানুশের সাথে গাদ্দারি করবে না! এবং মোটা দাগে সেইটা করেও নাই!
জুলাইয়ের পরেও মিলিটারি ইন্টেরিম গবমেন্টের প্রবলেমের কারন হয় নাই... (রাস্ট্রের নানান ইন্সস্টিটিউশনের মধ্যে টেনশন কিছু থাকে, অইটা অন্য আলাপই কিছুটা...)
তো, কেন ও কিভাবে এই ভরসার জায়গাটা তৈরি হইলো?
দুই-তিন বছর আগে আমি মুক্তিযুদ্ধ নিয়া ছোট একটা আলাপ দিছিলাম, তখন বলছিলাম যে, দেখেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল একটা মিলিটারি ওয়ার! বাংলাদেশের দিক থিকাও এই যুদ্ধ শুরু হইছিল জিয়াউর রহমানের 'উই রিভোল্ট' বইলা চিটাগাং ক্যান্টমেন্ট থিকা বাইর হয়া আসার ভিতর দিয়া!
যুদ্ধে ধিরে ধিরে বাংলাদেশের মানুশ-জন শামিল হইছেন, কিনতু একটা মিলিটারি ওয়ার হিসাবেই এই যুদ্ধ চলছে! তো, ১৯৭১-এর যুদ্ধের পরে বাংলাদেশ যে একটা স্বাধিন রাস্ট্র হইলো, সেইখানে মিলিটারি'র বড় একটা রোল আছে!
এবং এইটারে না-বলার একটা ঘটনা বাংলাদেশের হিস্ট্রি'র বয়ানের মধ্যে আছে... কিনতু মানুশ-জন তো জানে আসলে!
(আর এই কারনেই দেখবেন, ১৯৭১-এর যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরপরই ইনডিয়া বাংলাদেশের মিলিটারি'রে রিপ্লেইস করতে চাইছে প্রতিরক্ষা চৃক্তি, রক্ষিবাহিনি'র ভিতর দিয়া...)
এবং যুদ্ধ শেষে যখন সিভিল গবমেন্ট রাস্ট্র চালাইতে শুরু করছে মিলিটারি ব্যারাকে ফিরা গেছে; এমনকি ১৯৭৫ সালে অনেকগুলা ক্যু ও পাল্টা-ক্যু'র পরে জিয়াউর রহমান মিলিটারি রাস্ট্র চালাবে - এর বাইরে গিয়া সিভিল গবমেন্টই ফর্ম করতে চাইছেন!
এরশাদ এই জায়গায় প্রবলেম ক্রিয়েট করছেন... এবং ২০০৭-তে সরাসরি রাস্ট্র-ক্ষমতাতে এন্টারফেয়ার করার ঘটনাও মিলিটারি'র ক্ষতিই করছে! আর যখন মিলিটারি আবারো সরে গেছে তখন ২০০৯-এর বিডিআর ম্যাসাকারের ভিতর দিয়া মিলিটারি'রে ইন্সিটিটউশন হিসাবে কম-জোরি করার ঘটনা ঘটছে...
মানে, আপনি যদি দেখেন, বাংলাদেশের মিলিটারি কখনোই বাংলাদেশের মানুশরে খুন করে নাই, ১৯৭১ সালে বরং বাঁচাইছে, আর সেই মিলিটারি'রে দিয়া হাসিনা ও ইনডিয়া গুম-খুন করাইছে! যেইটা বাংলাদেশের মিলিটারি'র হিস্ট্রিকাল রোলের সাথে যায় না, এলাইনড না!
যেই কারনে, বাংলাদেশের মানুশের একটা ভরসা সবসময় মিলিটারি'র উপরে আছে, যে, তারা লাইনটা ক্রস করবে না!
আমি খুব অল্প কথাতেই জায়গাটারে মার্ক করার ট্রাই করলাম, বিস্তারিত খুঁটি-নাটি আরো অনেক আলাপ তো আছেই...
2 368
আহমদ ছফা ও সাহিত্য-সার্কেল (২০২৫)
আহমদ ছফা'র সাথে একবার দেখা হইছিল আমার, বাচ্চা-বয়সে, ১৯৯৩/৯৪ সালের দিকে, ভার্সিটিতে মাত্র ভর্তি হইছি; উনি আজিজ মার্কেটে একটা অফিস নিয়া বসেন মনেহয় তখন, বা আসা-যাওয়া আছে... আমরা একটা লিটল-ম্যাগাজিন ছাপাইছি, অইটা উনারে দিছিলাম, উনি নিয়া কিছু কথা বলছিলেন (আমিনুল বারী) শুভ্র'রে, যে সম্পাদক ছিল পত্রিকাটার, আমি সাথে ছিলাম... অইরকম রিমার্কেবল কোন কথা হয় নাই... এরপরে দুয়েকবার পথে-ঘাটে দেখছি উনারে, কিনতু কখনো কথা হয় নাই আর, পরে তো উনার অলমোস্ট সবকিছু পড়ছি, এবং মোস্টলি ক্রিটিকই করছি, যদিও মানুশরে দেখার যেই দরদ উনার, সেই জায়গাটারে আমি এপ্রিশিয়েট করি এবং রেয়ারও মনে করি বাংলাদেশের ইন্টেলেকচুয়ালদের মধ্যে...
আমার ধারনা, উনার লাইফ-স্টাইল উনি এনজয় করতেন, কিনতু আমি কিছুটা ভয়-ই পাইছি, আমার মনে হইছে জিনিসটা খালি অনেক বন্ধু-বান্ধব থাকা-ই না, বরং অনেক বেশি ডিপেন্ডেড হয়া থাকাও কিনা... মানে, লাইফে কম-বেশি ডিপেন্ডেন্সি তো সবারই থাকে, থাকা লাগে; তো, অইটা আপনার চিন্তা-ভাবনারেও লিমিট কইরা ফেলতে পারে তো! মানে, আমরা অনেকের সাথে আমাদের সম্পর্কের কারনেই আসলে অনেক কিছু ভাবতে পারি, বা এমনকি ভাবতেও রাজি করাইতে পারি না নিজেদেরকে... অই অপারচুনেটি ও অবস্টেকল'টা আছে আমাদের
পরে একটা লেখাটাতে পাইছি যে, আহমদ ছফা আক্ষেপ করতেছেন, ঢাকা শহরে এখন আর সাহিত্যিকদের আড্ডা হয় না বইলা ভালো-লেখক তৈরি হইতেছে না! অথচ দেখেন, শহিদুল জহির যে কিছুটা ভালো-লেখক হইতে পারছেন তার একটা কারন তো এইটাও যে, উনারে সাহিত্য-সমাজের লোক হয়া একই ধরনের সাহিত্যের একো করতে হয় নাই!
মানে, আহমদ ছফা'র কাছে যেইটা তার লাইফের সবচে জরুরি জিনিস মনে হইছে, আমি অইটারে ডরাইছিই কিছুটা; উনি মনে করছেন, যে কোন মূল্যে হোক একটা সাহিত্য-সার্কেলের লোক হইতে হবে, ঢাকার ইন্টেলেকচুয়াল, সাহিত্যিক হিসাবে সারভাইব করতে হইলে! কিনতু আমি দেখছি যে, কিছুটা না সরতে পারলে তো মুশকিলই...
তো, যেহেতু দুইটা সময়ের এক্সপেরিয়েন্স, আলাদা আসলে হইতেই পারে! কিনতু একইসাথে, একটা কানেকশন যেমন জরুরি, চিন্তার 'গোত্রবদ্ধতা'-ও বেশিরভাগ সময় তো বাজে জিনিসই!
৩০/০৬/২০২৫
2 368
বাংলাদেশের মুসলমানরা বাংলাদেশের হিন্দুদের সাথে যতটা ইজি, পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের সাথে ততটা এটাচড না! এবং হিন্দুদের বেপারেও এইটা কম-বেশি সত্যি! আর এইটা অনেকেই খেয়াল করতে রাজি না!
মানে, বাংলাদেশের মুসলমানদের চলা-ফেরা, উঠা-বসা, মিল-মিশ হিন্দুদের সাথে ইজিলি ঘটে, অইখানে তেমন কোন আন-ইজি নাই, নরমালি... বরং ইনডিয়ার মুসলামনদের সাথে এতোটা ইজি রিলেশন নাই কিনতু; পশ্চিমবঙ্গের মুসলমান'রা বরং skeptical কিছুটা বাংলাদেশের মুসলমানদের সাথে মিল-মিশের বেপারে; অইরকম রিলেশন কিনতু কমই! উনারা বরং ইনডিয়ান হইতেই বেশি রাজি! বাংলা-ভাষী মুসলমান হিসাবে বাংলাদেশি হওয়াটা উনাদের কাছে মেবি ইনফিরিয়র ঘটনাই কিছুটা! উনারা মুসলমান হইলেও ইনডিয়ানই হইতে চান!
সিমিলারলি, হিন্দুদের বেপারেও, যদিও এক ধরনের 'আদারিং'-এর ঘটনা শুরু হইছে কিছুটা এখন বাংলাদেশে, এবং অনেক সম্পত্তি দখলের ভিতর দিয়া ভয় ঢুকায়া দেয়া হইছে পলিটিকালি, তারপরও সোশাল-স্পেইসে আন-ইজিনেস এখনো কমই... হিন্দুরা তাদের পরিচয়ের কারনে 'আদার' না, বাংলাদেশে!
তো, এই যে জিওগ্রাফিকাল কো-হেরিয়েন্স - এইটা আলাপ-আলোচনার মধ্যে বেশ এবসেন্ট জিনিসই!
2 368
২৯/০৬/২০২৬
পলিটকাল পন (pawn)
যাদেরকে পলিটিকাল pawn বা দালাল বইলা আমরা মনে করি নট নেসেসারিলি যে উনারা সবাই খুব খারাপ মানুশ, বরং বেশিরভাগ সময়েই উনারা aware হইতে রাজি না যে, কার এবং কোন পলিটিকাল পারপাস উনারা সার্ভ করেন বা করতেছেন!
মানে, কেউ খারাপ মানুশ বইলাই দালালি করেন না (কেউ কেউ তো করেন অবশ্যই), বরং উনারা মনে করেন যে, এইটাই করা উচিত আমাদের! এবং এতোটাই শিওর থাকেন যে, কোন এর জন্য যে কোন বে-আইনি ও অ-নৈতিক কাজ করতেও উনারা হেসিটেট করেন না!
তো, এইটাই হইতেছে সমস্যাটা! উনাদের ‘ডেডিকেশন' এতোটাই যে, উনারা লাইনটা ক্রস কইরা যান! যেই কারনে দেখবেন, একটা সময়ের ‘আদর্শবাদীরা’ অন্য একটা সময়ের ‘দালাল'-এ পরিনত হন, খুব সহজেই!
এবং এই গ্রুপটারেই এজেন্সিগুলা pawn হিসাবে টার্গেট করে... এবং সফলও হয় তাদেরকে নিয়া নানান জিনিস মবিলাইজ করাইতে!
মানে, যারা পলিটিকাল pawn বা দালাল বেশিরভাগ কেইসেই উনারা ভাবেন যে, কোন একটা সমাজ-সচেতন দায়িত্ব উনারা পালন করতেছেন... কিনতু একটা সময়ে গিয়া তাদের অনেকেই রিয়ালাইজ করতে পারার কথা ট্রাপ'টা; কিনতু ততদিনে 'প্রফেশনাল' হয়া উঠতে পারেন উনারা! 🥱
