fa
Feedback
With the Qur'an

With the Qur'an

رفتن به کانال در Telegram

এই চ্যানেলটি বোন নায়লা নুযহাত এর। টেলিগ্রাম লিংক: t.me/withthequran Whatsapp চ্যানেলের লিংক: https://whatsapp.com/channel/0029VanGhQtD38CXd6q4nJ0B

نمایش بیشتر

📈 تحلیل کانال تلگرام With the Qur'an

کانال With the Qur'an (@withthequran) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 12 042 مشترک است و جایگاه 7 580 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 1 886 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 12 042 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 17 ژوئن, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر 41 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -1 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 21.52% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 6.64% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 2 592 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 800 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 63 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
এই চ্যানেলটি বোন নায়লা নুযহাত এর। টেলিগ্রাম লিংক: t.me/withthequran Whatsapp চ্যানেলের লিংক: https://whatsapp.com/channel/0029VanGhQtD38CXd6q4nJ0B

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 18 ژوئن, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کرده‌اند.

12 042
مشترکین
-124 ساعت
+67 روز
+4130 روز
آرشیو پست ها
কুরআন ক্লাসে ইয়েমেনি মহিলা আজকে কেমন যেন চুপচাপ ছিল। পড়া পারছে না, গলা ভার ভার। ব্রেকে জিজ্ঞেস করলাম, 'তুমি অসুস্থ?' বলল, "একটু।" তারপর কিছুক্ষণ চুপ থেকে বলল, "আসলে জানো তো আমাদের দেশে যুদ্ধ চলছে ন্যায্য কারণে, আলহামদুলিল্লাহ। কিন্তু আমার বড় ছেলে ওখানে। আর আত্মীয় স্বজন সবাই তো ওখানেই। ওরা রাতে ঘুমাতে পারে না গুলি/বোমার আওয়াজে!" আমি আর কিছু বলিনি। পাঁচ সন্তানের মা, ছোটটা প্রায়ই ডে কেয়ার থেকে দৌড়ে এসে আমাদের ক্লাসে ঢুকে পড়ে। বড়টা যে এখানে নেই জানতাম না। মাঝের বাচ্চাগুলোর স্কুল/পড়া/পরীক্ষা সবই তো দেখা লাগে। তবু ক্লাসে আসে। কোন একটা দিন ও ক্লাস বাদ দেয়নি।  মানসিক/শারীরিক কষ্টে পড়ার মান ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু পড়া হয়নি এই অজুহাত কোনদিন দেয়নি। আজকে ছেলের জীবন নিয়ে আশংকা। তবু এসেছে, পড়েছে, পড়া পেরেওছে। ব্যাপারটা আসলে "প্রায়োরিটির।" পরিস্থিতির না। [Old Post] ~Nayla Nuzhat

photo content

photo content

"নিজের জীবনের সাথে কুরআন কিভাবে জড়িয়ে গেল, তা লিখছিলাম নিজের খাতায়।  প্রথম দিকের কথা খুব মনে পড়লো। আমার ছাত্রীরা আজও যখন হতাশার সাথে অথবা ভয়ের সাথে বলে "মনেহয় পারবো না!" আমি তখন পূর্ণ কনফিডেন্স নিয়ে তাদের বলতে পারি "পারবে ইন শা আল্লাহ!" এতটা কনফিডেন্স আসে মনেহয় আমার এই যাত্রার সেই শুরুর কথা মনে করে! সেই কনফিডেন্সের অভাবে হিফয শুরু করেও আবার বহু বছর সেটা থামিয়ে বসে থাকা মানুষটাকে মনে করে! তারপর একটু একটু করে ভয় ঝেড়ে ফেলে একটু একটু করে এই পথে পা ফেলতে থাকা নিজেকে মনে করে- আল্লাহ আমার ভয় দূর না করলে অবশ্যই আমি কোনদিনও সাহস পেতাম না!  সেই ২০০৬ সালে। তখন না আমি খুব ধার্মিক ছিলাম, না আমি খুব জানতাম কুরআন মুখস্থ করলে কী হয়। কিন্তু জীবনের বিভিন্ন পরীক্ষায় মন চেয়েছিল কুরআনকে আঁকড়ে ধরতে। খুব আগ্রহে এক সপ্তাহের মাঝে সূরা বাকারার ছয়টি পৃষ্ঠা মুখস্থ করে ফেলেছিলাম আলহামদুলিল্লাহ। এরপর দীর্ঘদিন আর কিছু না। কুরআনটি খুলতেও কষ্ট লাগতো, মনে হত আমি তো পারবো না! তারপর কতগুলো বছর গেল-- এখনকার কুরআন নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার এই সময়টাকে স্বপ্নের মত লাগে নাকি তখনকার সেই বহু আগের দিনগুলো স্বপ্নের মত মনেহয় তা এখনো বুঝে উঠতে পারিনি। শুধু বুঝেছি, মন থেকে কোন ভালো কিছু করার ইচ্ছে আল্লাহ বিফলে যেতে দেননি! হয়ত আমি যেভাবে চেয়েছি সেভাবে হয়নি, কিন্তু তৌফিক আল্লাহ দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ। আমার কল্পনার চেয়েও সুন্দর উপায়ে দিয়েছেন। তখনকার সেই না পারার দিনগুলোর ব্যাপারে একটা কথাই খুব করে মনে পড়ে। আমি বহুদিন এগোতে পারিনি। কিন্তু এগোনোর ইচ্ছেটাকে তখনো আঁকড়ে ধরে ছিলাম, আলহামদুলিল্লাহ। তাই, যে যতটুকু চেষ্টা করছেন, কোনদিন ভাববেন না আপনাকে দিয়ে হবে না। ভরসাটা আমাদের নিজেদের ওপর না, আমাদের সর্বশক্তিমান রবের উপর রাখতে হবে। কুরআন মুখস্থ করার প্রবল আকাংখায় যখন সবার আড়ালে চোখ ভিজে ওঠে, মনে হয় "ইশ! আমি কবে পারবো!", মনে রাখবেন তিনি এই চোখের পানির হিসাবও রাখেন। শক্তি, সামর্থ্য, তৌফিক ইন শা আল্লাহ তিনিই দিবেন! ইন শা আল্লাহ। " সংগৃহীত

photo content

কুরআন শেখার ব্যাপারে মনে রাখতে হবেঃ ১) নিজের অন্তরের হেফাজত করার চেষ্টা করতে হবে প্রতিনিয়তঃ ধৈর্য্যর সাথে সাহায্য প্রার্থনা কর নামাযের মাধ্যমে। অবশ্য তা যথেষ্ট কঠিন। কিন্তু সে সমস্ত বিনয়ী লোকদের পক্ষেই তা সম্ভব। (২:৪৫) ২) শেখার ব্যাপারে দৃঢ় সংকল্প হতে হবে এবং মনের জোর রাখতে হবেঃ হে ইয়াহইয়া দৃঢ়তার সাথে এই গ্রন্থ ধারণ কর... (১৯:১২) ৩) ধৈর্য ধারণের পুরষ্কার অনেক সুন্দরঃ যারা আমার পথে সাধনায় আত্মনিয়োগ করে, আমি অবশ্যই তাদেরকে আমার পথে পরিচালিত করব। নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মপরায়ণদের সাথে আছেন। (২৯:৬৯) ৪) আমরা তাকওয়া অবলম্বন করলে অনুরূপ ফল পাবোঃ হে ঈমানদারগণ তোমরা যদি আল্লাহকে ভয় করতে থাক, তবে তোমাদের মধ্যে ফয়সালা করে দেবেন এবং তোমাদের থেকে তোমাদের পাপকে সরিয়ে দেবেন এবং তোমাদের ক্ষমা করবেন। বস্তুতঃ আল্লাহর অনুগ্রহ অত্যন্ত মহান। (৮:২৯) ----------------------- সংগৃহীতঃ ليدبروا أياته                د محمّد الربيعة

photo content

কুরআন মুখস্থ শুরু করবো কোন সূরা থেকে? এই ব্যাপারে প্রথমেই বলে রাখি যে, একটা বয়স হওয়ার পরে, সহজে কুরআন মুখস্থ তারাই করতে পারে যাদের Goal প্রথম থেকেই বড়। অর্থাৎ, যারা প্রথম থেকে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ যে, তারা পুরো কুরআন মুখস্ত করবে। একই সাথে, এটাও ঠিক যে একটা বয়সের পর এই টার্গেট করা কিছুটা ভীতিকর মনে হতে পারে। সে যাই হোক, সবচেয়ে সুন্দর সমাধান হচ্ছে Goal সবচেয়ে বড় রাখা কিন্তু টার্গেট ছোট। অর্থাৎ, পুরো কুরআন মুখস্থ করতে চাই। কিন্তু, শুরু করব অল্প করে। কিভাবে?? প্রথম কাজ হচ্ছে, যে কটা সূরা মুখস্থ আছে, সেগুলোকে সহীহ উচ্চারণ সহ আবার ঝালাই করা। রিভিশন ছাড়া মুখস্থের কোন অর্থ নেই-- এটা  মুখস্থ শুরু করার আগে বুঝতে হবে। তাই, ততটুকুই মুখস্থ করবেন যতোটুকু রিভিশন দিয়ে কাভার করা সম্ভব। এরপর দেখতে পারেন কোন সূরা আপনার জন্য মুখস্থ করে ফেলা সহজ হয়। প্রতিদিন রাতে সুরা মূলক পড়ার অভ্যাস থাকলে, সূরা মূলক। প্রতি সপ্তাহে সূরা কাহাফ পড়ার অভ্যাস থাকলে, সেটা। আমপারা শেষ করাটাও একটা সুন্দর টার্গেট হতে পারে to start with। যখন এটুকু হয়ে যাবে, সেই সাথে নিয়মিত রিভিশন দেয়া এবং নিয়মিত কুরআন নিয়ে বসার অভ্যাস হয়ে যাবে, তখন দেখবেন ইন শা আল্লাহ আরো একটু করতে ইচ্ছা করছে। Dream big. আল্লাহ তৌফিক দিলে স্বপ্ন পূরণ হবে ইন শা আল্লাহ। আর, যদি নাও হয়, আপনি এই পথে আছেন-  এটা itself অনেক বড় একটা ব্যাপার।

photo content

photo content

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম। বর্তমানে আমরা অনেকেই আলহামদুলিল্লাহ, অনেক সচেতন, কুরআন শিক্ষার ব্যাপারে; আমাদের সন্তানদেরকে কুরআন শিক্ষা দেয়ার ব্যাপারে। কিন্তু, আমাদের আরো অনেক সচেতন হতে হবে আরেকটি বিষয়ে। সেটা হচ্ছে, আমরা কার থেকে এই শিক্ষাগুলো নিচ্ছি। এ প্রসঙ্গে একটি সত্য কথা হচ্ছে, পৃথিবীতে কোথাও পারফেক্ট শিক্ষক খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। একজন মানুষ যতই চেষ্টা করুক, তাঁর ভুল ত্রুটি থাকবেই। অনেক গুনাহ থাকবে। কুরআন নিজের জীবনে প্রয়োগ করা অনেক বড় একটি ব্যাপার।অনেক সময় মানুষের সারা জীবন লেগে যায়, আর তার পরেও হয়ত সামান্যই প্রয়োগ করতে পারে। সেটা আলাদা ব্যাপার। কিন্তু, একজন কুরআন শিক্ষক অথবা শিক্ষিকার কথাবার্তায়, আচার ব্যবহারে, তাঁর জীবনে কুরআন আছে, তিনি কুরআনকে গুরুত্ব দেন, তিনি এই সমস্ত বিষয় হাল্কাভাবে দেখেননা, তিনি কুরআন এবং সুন্নাহ অনুযায়ী চলেন- এই ব্যাপারটা থাকা জরুরী। না হলে, তাঁদের থেকে আমরা হয়তো কুরআন থিওরিটিক্যালি শিখে ফেলবো। কিন্তু, কুরআনের শিক্ষা থেকে আমরা দূরেই থেকে যাব। মনে রাখবেন, কুরআন শিক্ষার অর্থ কেবল আলিফ, বা, তা, সা, শিখা না। এই শিক্ষার সাথে সাথে আমরা কুরআন এর অর্থ অনুধাবন করা, জীবনে প্রয়োগ করা, কুরআনের প্রতি ভালোবাসা অন্তরে ধারণ করা- ইত্যাদি আরো অনেক বিষয় শিখি। আমরা আল্লাহর সাথে পরিচিত হই। বাচ্চার স্কুল খোঁজার সময় যেমন আমরা অনেক কিছু দেখি, একটা বাসা নেয়ার সময় যেমন আমরা পরিবেশ দেখি, তেমনি, কে আমাদেরকে আমাদের রবের কালাম শেখাচ্ছে, সেটা আমাদের আরও গুরুত্ব সহকারে দেখাটা দায়িত্ব। তাই, যে কোন প্রোগ্রাম, যেকোনো সুযোগে ঝাঁপিয়ে পড়ার আগে দেখতে হবে আমরা কার কাছে যাচ্ছি। প্রথমত, তাঁর আমাদেরকে এই শিক্ষা দেয়ার শিক্ষাগত যোগ্যতা আছে কিনা দেখতে হবে। তারপর দেখতে হবে, তিনি মোটামুটি মানুষটা কেমন, কুরআনের একজন শিক্ষক হিসেবে। তিনি কি কুরআনের আলোকে চলার চেষ্টা করেন?? তিনি কি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাহ পালন করার চেষ্টা করেন? একটি সামান্য উদাহরণ। অশ্লীল কথা আর কুরআন একত্রে যায় না। কুরআন এবং গান একত্রে যায় না। কুরআন এবং পর্দার ব্যাপারে গাফিলতি একত্রে যায় না। টিচার খোঁজার সময় যদি একজনকে পাই, যিনি কথায় কথায় বাজে কথা বলেন; অথবা, কুরআনও ভালোবাসেন এবং গানও ভালোবাসেন; অথবা, কুরআন শেখান ঠিকই কিন্তু পর্দার ব্যপারগুলো মোটেই মানেন না- তাহলে এমন মানুষদের কাছে না যাওয়াই উচিত, যখন আমাদের আরো অনেক অপশন আছে। এই ব্যাপারটায় খেয়াল রাখতে হবে যে, একজনের ব্যক্তিগত জীবনকে যাচাই-বাছাই করা আমাদের উদ্দেশ্য না। হতেই পারে, একজন আজকে এই ব্যাপারগুলো মেনে চলতে পারছেন না কিন্তু পরবর্তীতে তিনি এগুলো ঠিক করে নিবেন। কিন্তু, যখন আমরা একজনকে দায়িত্ব দিব আমাদেরকে আমাদের রবের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার, তখন, নিজেদের এবং নিজেদের সন্তানদের অন্তর কার হাতে তুলে দিচ্ছি, সেই অন্তরকে shape করার জন্য, সেটা খেয়াল রাখাটা অবশ্যই আমাদের দায়িত্ব। ~নায়লা নুযহাত আল কাসিম, সৌদি আরব।

photo content

photo content

photo content

সন্তানের পড়াশোনা এবং সেই সংক্রান্ত ছোটাছুটির বর্ণনা- এসব আলোচনায় সোমা সাধারণত যোগ দেয় না। চুপ করে শোনে। কে কত টাকা দিয়ে কোচিং এ ভর্তি হয়েছে, কে কোন স্কুল থেকে পরীক্ষা দিবে। শুনে কার ছেলে অথবা মেয়ে কত ভালো রেজাল্ট করেছে, ইত্যাদি। স্কুলের ওয়েটিং টাইমে এসবই তো আলোচ্য বিষয়। এমন নয় যে সোমা তার বাচ্চাদের দুনিয়াবী পড়াশুনা নিয়ে চিন্তিত নয়। এমনও নয় যে বাচ্চারা এখনো পঞ্চম অথবা ষষ্ঠ শ্রেণীর গণ্ডী পার হয়নি বলেই সে চুপ থাকে। সোমা চুপ থাকে কারণ তার গল্প গুলো আলাদা। স্বপ্নগুলোও। "আপনার ছেলের কুরআন মুখস্থ কেমন চলছে?" পাশে বসে থাকা ভাবির প্রশ্নে ভাবনার জগত থেকে আবার ওয়েটিং রুমে ফিরে আসে সোমা। "ভালো আলহামদুলিল্লাহ।" হেসে উত্তর দেয়। আরেকজন প্রশ্ন করেন, "অনেক প্রেসার পড়ে যায় না?" আগে হলে সোমা তর্ক করত, "প্রেসার কোন পড়াতে পড়েনা?" আজকে কেন জানি কিছু বলতে ইচ্ছা হলো না। মহিলার দিকে তাকিয়ে একটু হাসলো। সে যাই বলুক, মহিলা যা ভাবার সেটাই ভাববেন। "এইটুক বাচ্চাদের কুরআন মুখস্থ করাচ্ছে!" একথাও অজস্রবার শুনেছে। যদিও, অন্যদের "এইটুক" বাচ্চারা এই বয়সেই গান, নাচ, আর্ট- সবই শিখছে। বড় ছেলে, ফাহিম, একদিন স্কুল থেকে এসে বলেছিল, তার এক বন্ধুর মা তাকে বলেছেন, "এখনই তো তোমাদের আনন্দ করার সময়! খালি কুরআন মুখস্থ নিয়ে থাকলে হবে?" সোমা সেদিন ছেলের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বলেছিল, "বাবা, আমি যখন কুরআন মুখস্থ করছিলাম, তখন অনেকের অনেক কথা শুনেছি। কিন্তু যখন আমার মুখস্থ করা শেষ হয়ে গিয়েছে, এরপর আর কেউ কিছু বলেনি। মানুষের স্বভাব কথা বলা- কখনো ভালো কথা, কখনো মন্দ। আলহামদুলিল্লাহ যে আমরা আল্লাহর জন্য ভালো কাজ করি, মানুষের জন্য না!" "ও ভাবি ছেলের ভবিষ্যতের কথা কিছু ভেবেছেন?" আবার আরেকজনের প্রশ্নে ভাবনার জগৎ থেকে বাস্তবে ফিরে আসে সোমা। কেমন অন্যমনস্ক হয়েই প্রশ্ন করে, "কী ভাববো?" উত্তর আসে, "ওরে বাবা! ভবিষ্যতের কথা, কী পড়বে, কোথায় পড়বে? এখন থেকেই না ভাবলে একটা ভালো জীবন তারা কিভাবে পাবে?" এ কথারও উত্তর দেয়নি। দিতে গেলে গলা ধরে আসতো। তাই আবারো হাসির আশ্রয় নেয়া। বাচ্চাদের নিয়ে ফেরার সময় নিজেকেই নিজে প্রশ্ন করে, "আমি কি সত্যিই ওদের ভবিষ্যতের কথা ভাবি না?" চারিদিক যেন ঝাপসা হয়ে আসে। ভবিষ্যতের কথা ভাবে না মানে?? তাদের আখিরাতের ঘরের স্বপ্ন পর্যন্ত দেখে সোমা। কাকে কী বুঝাবে? সন্তানের পড়ালেখা নিয়ে সে কখনোই উদাসীন নয়। কিন্তু, সেটার জন্য সর্বস্ব ঢেলে দিতে সে কখনোই চায়নি। তাদেরকে সে স্বপ্ন দেখিয়েছে হাফেজ হওয়ার। পরিশ্রম সেদিকেই ঢেলে দিয়েছে। এজন্য না যে সে চায় না তাদের দুনিয়ার ভবিষ্যৎ ভালো হোক। অবশ্যই চায়! এবং তার জন্য যা দরকার সে করবে। কিন্তু, ওরা বেড়ে ওঠার আগেই তাদের জীবনের লক্ষ্য সে তৈরি করে দিতে চায়। তারা এই দুনিয়াতে থাকবে, দুনিয়াতে চলবে, দুনিয়া হালাল ভাবে উপভোগ করবে। কিন্তু, তাদের অন্তর যেন এই দুনিয়ার সুখের মাঝেই সীমাবদ্ধ না থাকে। তারা যেন গড়তে চেষ্টা করে, তাদের আখিরাতের ঘর! ওয়েটিং রুমের সেই মহিলাকে বলে আসতে পারেনি সোমা, এই কথাগুলো। এগুলো কাউকে বলে বোঝানো সম্ভব নয়। যেই মা সন্তানদের সাথে সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে চলেছে তাদেরকে আল্লাহর কিতাব মুখস্থ করানোর জন্য, সেই মা সন্তানের ভবিষ্যৎ ভাবেনা তো কে ভাবে??

photo content

photo content

photo content

photo content

সবকিছুরই একটা সময় থাকে। কুরআন পড়ানোর মত একটা পর্যায়ে যেতেও সময় লাগে। বর্তমান দুনিয়ার ট্রেন্ড অনুসরণ করতে গিয়ে আমরা যেন কুরআনের মত বিষয়কে হালকাভাবে না নেই।