With the Qur'an
এই চ্যানেলটি বোন নায়লা নুযহাত এর। টেলিগ্রাম লিংক: t.me/withthequran Whatsapp চ্যানেলের লিংক: https://whatsapp.com/channel/0029VanGhQtD38CXd6q4nJ0B
نمایش بیشتر📈 تحلیل کانال تلگرام With the Qur'an
کانال With the Qur'an (@withthequran) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 12 019 مشترک است و جایگاه 7 548 را در دسته دین و مذهبی و رتبه 1 892 را در منطقه بنغلاديش دارد.
📊 شاخصهای مخاطب و پویایی
از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 12 019 مشترک جذب کرده است.
بر اساس آخرین دادهها در تاریخ 08 ژوئیه, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -23 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر 3 بوده و همچنان دسترسی گستردهای حفظ شده است.
- وضعیت تأیید: تأیید نشده
- نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 21.02% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 6.27% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب میکند.
- دسترسی پستها: هر پست به طور میانگین 2 526 بازدید دریافت میکند. در اولین روز معمولاً 753 بازدید جمعآوری میشود.
- واکنشها و تعامل: مخاطبان بهطور فعال حمایت میکنند؛ میانگین واکنش به هر پست 66 است.
📝 توضیح و سیاست محتوایی
نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاههای شخصی توصیف میکند:
“এই চ্যানেলটি বোন নায়লা নুযহাত এর।
টেলিগ্রাম লিংক: t.me/withthequran
Whatsapp চ্যানেলের লিংক:
https://whatsapp.com/channel/0029VanGhQtD38CXd6q4nJ0B”
به لطف بهروزرسانیهای پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 09 ژوئیه, 2026)، کانال همواره بهروز و دارای دسترسی بالاست. تحلیلها نشان میدهد مخاطبان بهطور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته دین و مذهبی تبدیل کردهاند.
در حال بارگیری داده...
| تاریخ | رشد مشترکین | اشارات | کانالها | |
| 09 ژوئیه | +4 | |||
| 08 ژوئیه | +5 | |||
| 07 ژوئیه | 0 | |||
| 06 ژوئیه | +1 | |||
| 05 ژوئیه | 0 | |||
| 04 ژوئیه | 0 | |||
| 03 ژوئیه | +2 | |||
| 02 ژوئیه | 0 | |||
| 01 ژوئیه | +1 |
| 2 | আমার একটা ধারণা ছিল যে কুরআন মুখস্থ করা শুরু করার পর থেকে সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে-- আমার দোষ ত্রুটি ঠিক হয়ে যাবে, জীবন রুটিনে চলে আসবে...ইত্যাদি। কিন্তু যত দিন যাচ্ছে বুঝতে পারছি এটা কোনও ম্যাজিক না, বরং আত্মশুদ্ধির এমন এক প্রশিক্ষণ যার জন্য ধৈর্য ধরে লেগে থাকতে হবে! অনেক কিছু বদলে যায়, বদলে যাবে ইনশাআল্লাহ, কিন্তু ধীরে ধীরে। কেবল মুখস্থ করার জটিল কাজটির সময় ধৈর্য রাখলেই চলবে না, ধৈর্য ধরতে হবে নিজের প্রতিটি ভুল এবং অপারগতা নিয়েও! আজকে পারছি না বলে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না, আবার চেষ্টা করতে হবে, চেষ্টা করতেই থাকতে হবে! ফল অবশ্যই আসবে ইনশাআল্লাহ, কিন্তু তা অনেকটাই নির্ভর করে ফল পাওয়ার জন্য আমরা কতটা ব্যাকুল এবং কতটা ধৈর্য রাখতে প্রস্তুত তার ওপর! [সংগৃহীত] | 845 |
| 3 | بدون متن... | 968 |
| 4 | بدون متن... | 1 211 |
| 5 | কুরআন শেখানোর যাত্রায় অনেক বোনের সাথেই পরিচয় হয়। জানা হয় অনেকের দুঃখ, ব্যাথা। তাঁদের কিছু কিছু কথা কখনোই আর ভুলতে পারি না। যেমন একজন বলেছিলেন তাঁর স্বামী ICU তে তাই পড়া রেডি করতে পারেননি। আরেকজন যাঁর সন্তানের ওপেন হার্ট অপারেশন হবে তাই পড়ায় মন দিতে পারছেন না, আমি যেন ক্লাস থেকে বাদ না দিই। মনে পড়ে তাঁর কথা যাঁর দৃষ্টি চলে যায় মাঝে মাঝে, তখন পড়তে পারেন না। পড়া একটু স্লো হবে, কিন্তু চালিয়ে যেতে চান। তারপর আমার সেই ছাত্রী, তিরিশ পার না হতেই যিনি ডায়ালাইসিস এর অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন। শুনি, কষ্ট পাই। ভাবি। কেউ সুস্থ থেকে, নিরাপদে থেকেও কুরআন থেকে কত দূরে! কত নালিশ জীবন নিয়ে! আর কেউ জীবন যুদ্ধ চালিয়েও আঁকড়ে ধরেন কুরআন।
তেমনই চোখে পানি আনা এই মেসেজটা পাই গতকাল। ফটোতে সেই মেসেজেরই স্ক্রিন শট। এত অসুস্থ অবস্থায় এই বোন এই প্রশ্ন করছেন! ভাবছেন মুখস্থ করার কথা!
যারা আল্লাহর দয়াতে সুস্থ আছি, অনেক সময় কুরআন এর সামান্য অংশ মুখস্থেরও নিয়ত রাখি না বিভিন্ন তুচ্ছ অজুহাতে।
অজুহাত কি আমাদের সত্যিই আছে??
চেষ্টা করাটা কি অসম্ভব? চেষ্টা করলে, আমরা বলতে তো পারবো আল্লাহকে যে আমরা কুরআন মুখস্থের যাত্রায় ছিলাম? চেষ্টা যদি না করি, আজীবন সেই পারফেক্ট পরিস্থিতির অপেক্ষায় কুরআন থেকে দূরে থেকে, আল্লাহর কাছে গিয়ে কী বলবো??
আল্লাহ যেন আমাদের তৌফিক দেন যেকোনো পরিস্থিতিতে, যেকোনো অবস্থায়, কুরআনের সাথে থাকার। তাফসীর পড়ার মাধ্যমে হোক, হোক উচ্চারণ শেখার মাধ্যমে বা মুখস্থের মাধ্যমে। কিন্তু কুরআন বিচ্ছিন্ন জীবন যেন না হয়!
~ নায়লা নুযহাত | 1 329 |
| 6 | بدون متن... | 1 262 |
| 7 | بدون متن... | 1 748 |
| 8 | بدون متن... | 1 757 |
| 9 | بدون متن... | 2 160 |
| 10 | #Revision_formula
একটি কমন প্রশ্ন, "দিনে কতটুকু রিভিশন দিব?"
এর জন্য একটি ফর্মুলা হচ্ছে, প্রতিদিন, মুখস্থ করা প্রতি ১০ পারার জন্য ১ পারা রিভিশন।
তাহলে, আপনার যদি ১ পারা, অর্থাৎ ২০ পাতা মুখস্থ থাকে, আপনি প্রতিদিন দুই পাতা রিভিশন দিবেন। আপনার যদি দুই পারা মুখস্থ থাকে, আপনি প্রতিদিন ৪ পাতা রিভিশন দিবেন।
যার সম্পূর্ণ কুরআন মুখস্থ, তিনি প্রতিদিন অন্ততপক্ষে ৩ পারা করে কুরআন রিভিশন করবেন।
এমনভাবে মুখস্থ অংশ ভাগ করে নিতে হবে যেন, প্রতি দশ দিনে আপনি যা কিছু মুখস্থ করেছেন, সেটা একবার রিভিশন দেয়া হয়। তার অর্থ কিন্তু এই নয় যে, যার এক পারা মুখস্থ রয়েছে, সে শুধু একদিন রিভিশন দিবে আর বাকি নয়দিন কিছু করবে না। রিভিশন প্রতিদিন দেয়ার বিষয়। আর সেই প্রতিদিনের রুটিনটা সহজে করতে পারার জন্য এই ফর্মুলা।
মনে রাখবেন যে, এটা একেবারে বেসিক রিভিশন। এর চেয়ে কমে আসলে মুখস্ত ধরে রাখা কষ্ট। তাই, এই বেসিকে অভ্যস্ত হয়ে গেলে চেষ্টা করবেন রিভিশন এর পরিমাণ আরো বাড়াতে।
কুরআনের ব্যাপারে যত সময়ই আমরা দেই না কেন, কোনটাই হারিয়ে যাবে না। সবটুকু আল্লাহর কাছে থাকবে, ইন শা আল্লাহ। | 2 083 |
| 11 | بدون متن... | 1 958 |
| 12 | بدون متن... | 2 102 |
| 13 | এমন প্রায়ই হয় যে কেউ যখন হিফজ করে, বাকিরা ধরে নেয় যে সে জীবনের সব ক্ষেত্রে পারফেক্ট হবে। অবশ্যই যে কুরআন শিখছে তার আখলাক অনেক ভাল হওয়ার কথা। কিন্তু বুঝতে হবে যে একদিনে আখলাক ঠিক হয়ে যায় না। তার জন্য সময় লাগে, চর্চা করা লাগে। কিন্তু তার
মানে এই না যে তার কুরআন শেখাটাই বৃথা যাচ্ছে! কুরআন মুখস্থ করতে, বিশেষ করে বড় হয়ে, অনেক মনের জোর লাগে। অনেক যুদ্ধ করে এগোতে হয়। সেই অবস্থায় ছোট ছোট ভুলের জন্যও যখন মানুষ শুনিয়ে দেয় "এত কুরআন শিখে তোমার লাভ কী হচ্ছে", তখন মনের জোর কিভাবে চুরমার হয়ে যায় আর তা ফিরে পেতে কতটা কষ্ট করতে হয় সে কেবল সেই কুরআনের ছাত্রই জানে!
নিঁখুত আমরা কেউই না। তাই অন্যের নিঁখুত হতে না পারার অপরাধে আমরা যেন তার কুরআন মুখস্থ করার মত আন্তরিক পরিশ্রমকে তুচ্ছ করে না দেখি! | 2 250 |
| 14 | بدون متن... | 2 106 |
| 15 | "আমাদের শরীর অসুস্থ অবস্থায় খাবারের স্বাদ উপভোগ করতে পারে না। তাহলে কিভাবে একজন বান্দা ইবাদতের স্বাদ উপভোগ করবে যখন সে গুনাহে লিপ্ত?"
(সংগৃহীত) | 2 550 |
| 16 | بدون متن... | 2 819 |
| 17 | "আগে মাঝে মাঝে মনে হত, আর পারছি না। কিন্তু এখন বুঝি, না পারার কথাটা তখনই মাথায় আসে, যখন কোনকিছু "ড্রপ" করার "অপশন" আমাদের মাথায় থাকে। "এটা ফরজ না, এটা চাইলেই না করতে পারি বা মাঝপথে ছেড়ে দিতে পারি"-- একথাটা যদি মাথা থেকে দূর করা যায়, তাহলেই দেখা যাবে আমরা ঠিকই সময় বের করে নিচ্ছি। আমরা তো ঘুম বাদ দিই না। খাওয়া বাদ দিই না। বাচ্চার যত্ন নেয়া বাদ দিই না। বাসার কাজ, বাইরের বাজার কিছুই বাদ দিই না। কথায় কথায় "হিফয আর চালাতে পারছি না" এটা মনেহয় কেন? কারণ এটাকে আমরা এক্সট্রা হিসেবে নেই। একটাবার এটাকে আপনার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখুন। দেখবেন পারছেন। ইন শা আল্লাহ!"
সংগৃহীত | 3 157 |
| 18 | بدون متن... | 2 771 |
| 19 | بدون متن... | 2 752 |
| 20 | بدون متن... | 2 732 |
