fa
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

رفتن به کانال در Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

نمایش بیشتر
801
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
-130 روز
آرشیو پست ها
বয়ানের সঙ্গে background music যোগ করা নাজায়েয। একটি অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য সবার নিকট ক্ষমাপ্রার্থী। t.me/qaumiboyan t.me/alokitojibon t.me/dinimazlis

আয় আল্লাহ্! আমাদেরকে গজব🔥🔥🔥 থেকে হিফাযত করেন দুই বছরের কিছু কম বা বেশী হবে। একদিন কানে ভেসে এলো গানের সুর। প্রথম বুঝতে একটু বেগ পেতে হলো। তো যখন বুঝতে পারলাম তখন যতটুকু মনে পড়ে খুব সম্ভবত ইসতেগফার পড়তে পড়তে কানে আঙুল দিলাম। একসময় খেয়াল করলাম যে আল্লাহ্ তা'আলার নামও শুনা যাচ্ছে। তো পরে বিষয়টা স্পষ্ট হলো যে এটি গজল(!)। তখন যে আমার মনের অবস্থা কি হয়েছিল তা আর কি বলবো! এই হলো বর্তমান গজব!!! (গজলের) অবস্থা। একসময় কিছু ইসলামী সাংস্কৃতিক সংগঠনের নাম শুনলেও অন্তরে প্রশান্তি অনুভুত হতো। ২/১ বছর আগেও যে ধারা অব্যাহত ছিলো কিন্তু কালের পরিক্রমায় এসব সংগঠনের অবস্থাদৃষ্টে এখন বারবার এই কথা মনে হচ্ছে যে এদের রূহানীয়াত একদম শেষ হয়ে গেছে। এদের কাছ থেকে যা কখনো আশা করিনি তা এখন নির্মম সত্য হিসেবে দেখা দিয়েছে। শরীয়তবিরোধী কার্যকলাপ এখন এদের নিত্যদিনের সাধারণ ব্যাপার মাত্র ! আমরা অনেকেই এদের পরিচয় ভালোভাবে জানি। হামদ নাত গযলের নামে মিউজিকের (ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক যা ইয়ারফোন ছাড়া সহজে বুঝা যায় না কিন্তু মনের ভিতরে দীর্ঘস্থায়ী আলোড়ন সৃষ্টি করে) প্রচার যেগুলো দ্বারা হাজার মানুষ গুণাহের অনূভুতিটুকুও হারিয়ে ফেলছে, ইচ্ছাকৃত ছবি তোলা যা কবীরা গুণাহ সেগুলো আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্লজ্জভাবে প্রচার করা। এসকল কর্মকান্ডের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মাদরাসা পড়ুয়া তালেবে ইলমগণ যারা এধরণের মডার্ণ গজব(!!!) শুনতে শুনতে অভ্যস্ত হয়ে ইলমে দ্বীন অন্বেষণে উদাসীন হয়ে পড়ছে যে অভ্যাস তারা সহজে ত্যাগও করতে পারছে না। আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদেরকে এই ধরণের নব্য গজব(!!!) থেকে হিফাযত করেন। আর তাদেরকেও এ থেকে ফিরে আসার খুব তাওফিক দান করেন। আমিন। http://t.me/pathofisla

আলেম-ওলামাদের কলরব শিল্পী গোষ্ঠীর, টুটি চেপে ধরার এখনই সময়। •┈┈••••✾•🌿🌺🌺🌿•✾••••┈┈• #Mufti_Masudur_Rahman Kasemi_DB •┈┈••••✾•🌿🌺🌺🌿•✾••••┈┈•

প্রকৃত তওবার হাকীকত সম্পর্কে চমৎকার উদাহরণ- -আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্‌ শামসুজ্জামান দা: বা: (টাঙ্গাইলের পীর ছাহেব) খলিফাঃ রূমীয়ে যামানা কুতুবে আলম আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্‌ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার রহ: http://t.me/pathofisla

বয়ানে মুফতি মাহবুবুল্লাহ দাঃবাঃ বিষয়ঃ মাদ্রাসা ভিত্তিক আলোচনা স্হানঃগুয়াতলা বাজার মোমেনশাহী তারিখ ১৭/১০/২০১৯ইং t.me/khanqaehusainiamadaniamomenshahi

২০ অক্টোবর রবিবার ভোলায় নবীজী ﷺ কে অবমাননা করার প্রতিবাদ করতে গিয়ে ১৩ বছরের শহীদ আবু রাইহান রহ. এর মৃত্যুর আগের মর্মস্পর্শী ঘটনা যা পাষাণ হৃদয়কেও নাড়া না দিয়ে পারে না। শেরে বাংলা হাসপাতালে একজন গুরুতর আহত ভাইয়ের মর্মস্পর্শী কারগুজারী। -শাইখুল হাদীস মুফতী মাহবুবুল্লাহ কাসেমী দা: বা: মুতাওয়াল্লীঃ খানকাহ হুসাইনিয়া মাদানীয়া, মাসকান্দা, মোমেনশাহী খলিফাঃ হযরত মাওলানা আবদুল মুমিন দা: বা: হবিগঞ্জ (বর্তমানে হযরত মাওলানা হুসাইন আহমাদ মাদানী রহ: এর হাতেগোনা যে কয়েকজন খলিফা জীবিত আছেন তিনি তাঁদের মধ্যে অন্যতম) http://t.me/pathofisla

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ২৩) তাবলীগের বিশ্ববিখ্যাত মুরুব্বী হযরত মাওলানা ইজহার ছাহেব রহ: এর আকাবিরদের প্রতি ভালোবাসা অত্যন্ত ব্যাথাতুর হৃদয়ে মাওলানা ইজহার রহ. এর একটি ঘটনা শুনালেন- -মাওলানা উমর ফারুক দা: বা: (কাকরাইলের প্রবীণ মুরুব্বী) http://t.me/pathofisla

প্রয়োজন ব্যতীত অন্যকে ফরমায়েশ করবে না- হযরত থানভী রহ: বলেন, যে কাজ নিজে করতে সক্ষম তার জন্যে অন্যকে হুকুম না করা ভদ্রতার দাবী। শুধু এমন কাজের জন্যে অন্যকে বলবে, যা অন্যকে ছাড়া করা সম্ভব নয়। তাও নিজের প্রয়োজন হলে এবং অন্যের জন্যে তা সহজ হলে। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ২৭৪ পৃষ্ঠা ১৩৫ http://t.me/pathofisla

ইত্তেফাকুল উলামা বৃহত্তর মোমেনশাহী ফুলবাড়ীয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সীরাতুন্নাবী ﷺ সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণিক আলোচনা করেন মোমেনশাহীর বিশিষ্ট প্রবীণ আলেমে দ্বীন -শাইখুল হাদীস হযরত মুফতী আহমাদ আলী দা: বা: বিষয়ঃ নবুওয়্যত ও কারামত স্থানঃ আমতলী ঈদগাহ্ ময়দান, ফুলবাড়ীয়া, মোমেনশাহী তারিখঃ ১০/১০/১৯ ঈসায়ী বৃহস্পতিবার রেকর্ডিং কোয়ালিটিঃ মধ্যম। http://t.me/pathofisla

খতমে নবুওয়্যত সংরক্ষণ কমিটি বাংলাদেশ- এর কর্মী সম্মেলনে কাদিয়ানি ফেতনা সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত বয়ান -মুফতী সাঈদ আহমাদ দা: বা: মুহাদ্দিসঃ হাটহাজারী মাদরাসা, চট্টগ্রাম বিষয়ঃ খতমে নবুওয়্যত বনাম কাদিয়ানি মতবাদ স্থানঃ জামি'আ ইসলামিয়া হালীমিয়া, মধুপুর, সিরাজদিখান, মুন্সীগঞ্জ তারিখঃ ২৫/০৯/১৯ ঈসায়ী বুধবার বিঃ দ্রঃ হঠাৎ বৃষ্টি আসার কারণে পুরো বয়ান রেকর্ড করা যায়নি। তাই যে পর্যন্ত রেকর্ড করা হয়েছে সে পর্যন্ত আপলোড দেওয়া হল। http://t.me/pathofisla

আল্লাহ্‌র দানের সাধারণ শর্ত হলো দু'আর মধ্যে তাড়াহুড়া না করা, অবিরাম চাইতে থাকা-- হযরত থানভী রহ: বলেন, আল্লাহ্‌ তা'আলার দান পাওয়ার জন্যে সাধারণ নিয়মের শর্ত এই যে, তাড়াহুড়া করা যাবে না। চাইতে থাকতে হবে। আল্লাহ্‌ তা'আলার সাথে তো সারা জীবনের সম্পর্ক। তাঁর পক্ষ থেকে যদি কোন ফল প্রকাশ নাও পায়, তারপরও তুমি তোমার অক্ষমতা ও অসহায়ত্ব প্রকাশ করা ছেড়ে দিও না। দু'আ কবুল করতে বিলম্ব করার পিছনেও অনেক রহস্য ও কল্যাণ নিহিত রয়েছে। এখন যদি প্রশ্ন করো, সেই রহস্য ও কল্যাণসমূহই বা কী? তাহলে আমি বলবো, আপনি তো আর পার্লামেন্টের সদস্য নন যে, আপনাকে সেসব কল্যাণের কথা বলতে হবে। কিছুদিন দু'আ করে দু'আ করা ছেড়ে দেওয়ার মধ্যে আল্লাহ্‌ তা'আলার ক্রোধান্বিত হওয়ার অধিকতর আশংকা রয়েছে। কারণ, দু'আ করার পূর্বে তো মানুষ নিজের ত্রুটি মনে করতো। কিন্তু দু'আ করার পর কবুল হতে বিলম্ব হলে আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে ত্রুটি বলে চিন্তা জাগে। বলা বাহুল্য যে, এ অবস্থা খুবই বিপদজনক। কেননা এ ক্ষেত্রে আল্লাহ্‌ তা'আলাকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে। এটা বন্দেগীর দাবির পরিপূর্ণ পরিপন্থী। এ কারণে অবিরাম দু'আ করতে থাকা একান্ত জরুরী। তিনি চাইলে প্রচলিত অর্থে দু'আ কবুল করবেন অথবা করবেন না। তুমি বান্দা হিসেবে তোমার যে দায়িত্ব তা পুরা করতে থাকো। কারণ, বান্দার জন্যে সবসময় নিজের অসহায়ত্ব ও অক্ষমতা প্রকাশ করতে থাকাই দায়িত্ব। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ২৯৪ পৃষ্ঠা ১৪৪ http://t.me/pathofisla

শাইখুল আরব ওয়াল আজম রূমীয়ে যামানা কুতুবে আলম আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার রহ: এর মুবারক জবানে الله الله জিকির। http://t.me/pathofisla

লেখা-পড়া না জানলে এলেম হাসিল করা যায় না-এটি অনেক বড় ভুল কথা আর যাহারা উর্দু পড়িতে না পারে, তাহারা কোন ভাল দ্বীনদার পরহেযগার আলেমকে দাওয়াত করিয়া তাঁহার দ্বারা উক্ত কিতাবগুলি (বেহেশতী জেওর, বেহেশতী গওহর, তা'লীমুদ্দিন, কসদুস সাবীল, তাবলীগে দ্বীন এবং তসহীলুল মাওয়ায়েয) পড়াইয়া শুনিবে এবং ধর্মের সব বিষয় জিজ্ঞাসা করিয়া তদানুযায়ী কাজ করিবে। যদি এ রকম আলেম সব সময়ের জন্য রাখার বন্দোবস্ত করা যায়, তবে অতি উত্তম। যদি তাঁহাকে কিছু বেতনও দিতে হয়, তাহাও সকলে মিলিয়া চাঁদা করিয়া সংগ্রহ করিয়া দিবে। দুনিয়ার অযথা কাজে কত টাকা-পয়সা ব্যয় হইতেছে, আর দ্বীনের এত বড় আবশ্যকীয় কাজে যদি কিছু টাকা-পয়সা খরচ করিতে হয়, তবে তাহাতে কুণ্ঠিত হওয়া উচিত নয়। কিন্তু যে লোকের নিকট ধর্মবিষয় শিক্ষা করিবে এবং যে কিতাব দেখিয়া দ্বীনের কথা শিখিবে, সে লোক এবং সে কিতাবসমূহ নিজের মন মত নির্বাচিত করিতে নাই। ভাল আল্লাহ্ওয়ালা কোন আলেমের সঙ্গে পরামর্শ করিয়াই সাব্যস্ত করিবে। হায়াতুল মুসলিমীন ১ম খণ্ড (২য় রূহ - ধর্ম শিক্ষা করা ও শিক্ষা দেওয়া হইতে) -হাকীমুল উম্মত মুজাদ্দিদে যামান শাহ্ আশরাফ আলী থানভী রহ: http://t.me/pathofisla

🕙🕙দশটার পর সব বন্ধ🕙🕙🕙 মুফতী মনসূরুল হক দাঃ বাঃ হযরত শাহ আবরারুল হক রহ. এর রেফারেন্স দিয়ে বলেন, হারদুই হযরত বলতেন, “দাসকে বা’দ বাস কারো। দাসকে বা’দ- না বাতে, না বাতি”। অর্থাৎ রাত দশটার পর সব কাজ বন্ধ করো। রাত দশটার পর না কোন কথা আর না বাতি জ্বালিয়ে রাখা। শেষ রাতে উঠে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করার নিয়তে সব কাজ বন্ধ করে শুয়ে পরা। সব সময়ই আমরা আল্লাহকে ডাকি আর শেষ রাতে আল্লাহ আমাকে ডাকে। তাই ঈশার নামাযের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঘুমানো চাই যেন শেষ রাতে উঠা যায়। https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi http://t.me/pathofisla

একদিকে আস্তিক একদিকে নাস্তিক তুমি বলো যাবে কার পক্ষে? এইবার বুঝা যাবে ঈমানের তেজ আছে কিনা বক্ষে...... . . . . ইসলামে গাল দেয় কমবখত নাচ্ছার তুমি তার বিরুদ্ধে আছো কিনা সোচ্চার? ফয়সালা হয়ে যাবে চল কোন লক্ষ্যে..... কণ্ঠঃ মশিউর রহমান http://t.me/pathofisla

এসো কুরআনের ছায়াতলে সমবেত হই এসো আল্লাহ্‌ ও রাসূলের অনুগত হই http://t.me/pathofisla

ক্ষেত্র বিশেষে মাহরামের সাথেও পর্দা করা জরুরী- Telegram এ নিয়মিত অডিও পেতে join হোন নিচের লিংকে t.me/dinimazlis t.me/islamejebon আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট https://alokitojibon.ml

বিতর্কের উদ্দেশ্যেও বিরুদ্ধবাদীর কিতাব অধ্যয়ন করা ক্ষতিকর হযরত থানভী রহঃ বলেন, 'মুনাযিরা' তথা বাহাস-বিতর্কের উদ্দেশ্যেও বাতিল ও বিরুদ্ধবাদীদের কিতাব পড়া উচিৎ নয়। কারণ, কোনো পালোয়ান যদি কারো সঙ্গে লড়তে চায়, তবে আগে দেখা উচিৎ যে, প্রতিপক্ষ তার চেয়ে দূর্বল না কি সবল। দূর্বল হলে তো মোকাবেলা করবে, অন্যথায় তার থেকে দূরে থাকবে। এ কারণে মুহাক্কিক আলেম ছাড়া আর কারো জন্যে বিরুদ্ধবাদীদের প্রতিরোধে লিপ্ত হওয়ার অনুমতি নেই। কারণ, মুহাক্কিক আলেম না হলে তার নিজেরই সন্দেহে পড়ে যাওয়ার আশংকা রয়েছে। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ২৯৯ পৃষ্ঠা ১৪৫-১৪৬ http://t.me/pathofisla

আমার দাদা শায়েখ শাহ হাকীম মোহাম্মদ আখতার সাহেব রহমাতুল্লাহি আলাই ওনার স্ত্রী যখন ইন্তেকাল করেছিলেন। ওনি প্রথমে ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাহি রজিউন পড়েছেন, দ্বিতীয় কাজ নিজের ছেলেকে ডাক দিলেন মাজহার তোমার আম্মার পাসপোর্টটা নিয়ে আসো। পাসপোর্ট আনলে ওনি সাথে সাথে পাসপোর্ট থেকে ছবিটা ছিঁড়ে ফেললেন। এতদিন জীবিত থাকা অবস্থায় পাসপোর্টের ছবির প্রয়োজন ছিল,এখন ইন্তেকাল করেছেন এখন ছবির কোনো প্রয়োজন নেই। ছবি মিটিয়ে ফেলেছেন।