Work for Jannah
رفتن به کانال در Telegram
কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবে না[সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪] Join our page :- https://m.facebook.com/WorkforJannahofficial/
نمایش بیشتر1 913
مشترکین
-124 ساعت
+47 روز
+1030 روز
آرشیو پست ها
1 913
"আল্লাহ যদি কাউকে নেককার স্ত্রী না দেন, তাহলে বদকার স্ত্রীর সাথে মানিয়ে চলতে গিয়ে ব্যক্তি তার দ্বীনদারির একটা অংশই হারিয়ে ফেলে। এটা স্বচক্ষে দেখা এবং অভিজ্ঞতালব্ধ ব্যাপার।"
— আবু বকর ইবনুল আরাবী (রহি.)
[আহকামুল কুরআন, ১/৫৩৬]
1 913
আলহামদুলিল্লাহ।
আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
লাইন্সেস ফিরে পেয়েছে।
শুভবুদ্ধির পরিচয় দেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ।
1 913
বাচ্চাদের জন্য মেরিলের যে পেস্টটা কিনি নিয়মিত, সেটাতে নাকি মাইক্রো-প্লাস্টিক পাওয়া গেছে। কেনাকাটা করার সময় সবসময় দেশীয় ব্র্যান্ডের জিনিসটাই কেনার চেষ্টা করি। দেশের ব্যবসাগুলোকে টিকিয়ে রাখা, দেশের টাকা দেশে রেখে দেশীয় অর্থনীতিকে সহায়তা করার চিন্তাভাবনা থেকেই।
আমাদের আসলে হাত-পা-ই বাঁধা৷ বিদেশী ভালো কোম্পানিগুলো সব জায়োদের দখলে৷ আমার টাকায় আমার উপরে খড়গহস্ত হওয়ার বন্দোবস্ত। দেশীয় কোম্পানিগুলো সোয়ার উপর আরও সোয়া সের। ওরা অস্ত্র দিয়ে মারবে না আমাকে, মাইক্রো-প্লাস্টিক খাইয়ে, ভেজাল খাইয়ে, ফরমালিন, রঙ আর দুনিয়ার সমস্ত অখাদ্য খাইয়ে মৃত্যুর দুয়ারে ঠেলে দিবে।
© আরিফ আজাদ
1 913
শাইখ হাবীব কাজিম আস-সাক্কাফ বলেন,
“পবিত্র কুরআনে বারবার দেখা যায়— যখনই কোনো নারী বা নারীদের সম্বোধন করা হয়েছে, আল্লাহ প্রথমেই তাদের হৃদয়কে সান্ত্বনা দিয়ে বলেছেন: ‘দুঃখ করো না, উদ্বিগ্ন হয়ো না, শোক করো না, মন খারাপ করো না।’”
হযরত মূসা (আ.)-এর মাকে উদ্দেশ্য করে আল্লাহর সান্ত্বনামূলক বাণী,
وَلَا تَخَافِي وَلَا تَحْزَنِي
উচ্চারণ: ওয়া লা তাকাফী ওয়া লা তাহযানী।
অর্থ: "ভয় করো না এবং দুঃখও করো না।" (সূরা আল-কাসাস, ৭)
1 913
"দুনিয়ার প্রতি অনাসক্ত হও, আল্লাহ তোমাকে ভালোবাসবেন। আর মানুষের হাতে যা আছে তার প্রতি অনাসক্ত হও, মানুষ তোমাকে ভালোবাসবে।" (সুনান ইবন মাজাহ, ৪১০২)
1 913
এমপি গাজি নজরুল ইসলামের ঘটনায় বিয়ের ব্যাপারটা যে বানোয়াট এবং মিথ্যা, দুটো জিনিস জানার পর সেটা বোঝা খুবই সহজ ছিল।
প্রথমটা হলো মেয়েটার বয়স এবং দ্বিতীয়টা হলো—এমপি নিজে মেয়েটার জন্য চাকরির সুপারিশ করেছিলেন।
বয়সের ব্যাপারটা বলি। আপনি একজন প্রায় ষাটোর্ধ্ব বয়সের বৃদ্ধলোক। আপনি যখন দ্বিতীয় বিয়ের চিন্তা করবেন, বাংলাদেশের সমাজ, সামাজিক বাস্তবতা এবং প্রেক্ষিত চিন্তা করে আপনি এমন বয়সের কাউকেই বাছাই করবেন যে একেবারে আটপৌরে তরুণী নয়। কারণ, একজন তরুণী, যে সদ্য তার যৌবনে প্রবেশ করেছে, সে একটা নির্দিষ্ট সময় অবধি স্বামীকে কাছে পাবে—এটা তো ধর্তব্য।
কিন্তু, আপনার বয়স ষাট পার হয়ে গেছে, অথচ আপনি যাকে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করছেন তার বয়স আঠারোও হলো না (মেয়ের স্কুলের সার্টিফিকেট অনুযায়ী)—দেশের আইনপ্রণেতা, তিনবারের সংসদ সদস্য এসব নাহয় বাদই দিলাম, সাধারণ চিন্তায় এটাকে কীভাবে বোঝা হবে?
হ্যাঁ, সমাজে এরকম কিছু ঘটনা আমরা দেখি। কিন্তু, এসব ঘটনাকে আমরা কি স্বাভাবিক চোখে দেখি বা দেখা উচিত? সদ্য কৈশোর পার করে যৌবনে পা রাখা একটা মেয়ে। তার স্বামী প্রায় ষাটোর্ধ্ব বয়সের একজন, যিনি আর সাকুল্যে হয়তো বাঁচবেন ১০ থেকে ১৫ বছর। এরমধ্যে উনি শারীরিকভাবে সক্ষমই বা থাকবেন কতোদিন?
তারপর মেয়েটার কী হবে?
ঠিক এই কারণেই এখানে বয়সের একটা ‘ম্যাচিং’ লাগে। কাছাকাছি বয়সের না হোক, অন্তত চল্লিশোর্ধ্ব বয়সের কাউকে, হতে পারে বিধবা অথবা বিয়েই হলো না এমন কাউকে চিন্তা করাটাই যুক্তিযুক্ত।
দয়া করে এখানে কেউ আল্লাহর রাসুল সাল্লাললাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এবং আম্মাজান আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহার উদাহরণ টানবেন না। সেই ঘটনা সম্পূর্ণ আলাদা৷
দ্বিতীয়ত, বায়োডাটায় ‘জোর সুপারিশ’।
মেয়েটা যদি এমপি সাহেবের বিয়ে করা বউই হবে, তিনি কেন তাকে চাকুরিতে পাঠাবেন? মানে, এমপি সাহেবের ঘরে কী এমন আর্থিক দুরাবস্থা যে, বউকে বাইরে চাকরি করাতে হবে? এই চাকরি করে যে পয়সা মেয়েটা উপার্জন করবে, সেই পরিমাণ টাকা তো এমপি তার ডান হাত বাম হাতের চামচদের পেছনেই খরচ করার কথা।
একজন এমপি নিজের বউকে চাকরিতে পাঠাবে, তা-ও এমন জায়গায় যেখানে তাকেই সুপারিশ করে চাকরিটা পাইয়ে দিতে হচ্ছে, এটা তো তার মানইজ্জতের জন্যেই লজ্জাজনক।
এই দুটো ব্যাপার দেখেই আমি বুঝেছিলাম যে, ঘটনাটা ঝামেলাপূর্ণ।
তিনি এখানে অনেকগুলো অপরাধ করেছেন।
প্রথম অপরাধ হলো, তিনি তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। ‘জোর সুপারিশ’ করে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনে তিনি একটা কিশোরী মেয়েকে তার সাথে অনৈতিক কাজ করতে বাধ্য করেছেন।
দ্বিতীয় অপরাধ হলো, এই পুরো ব্যাপারটাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তিনি অনেক প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন।
রাষ্ট্রীয়ভাবে উনার কী শাস্তি হবে আমি জানি না। দলগতভাবেও উনাকে কী শাস্তি জামায়াতে ইসলাম প্রদান করবে তা-ও অনুমান করতে পারছি না। তবে এই ধরণের অনৈতিক, অসামাজিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সংসদে রাখা হলে সংসদের ভাবগাম্ভীর্য নষ্ট হবে বলে মনে করি। বিশেষ করে, তিনি যে দলটার পক্ষ থেকে এমপি হয়ে এসেছেন, সেই দলটা যেহেতু ধর্ম এবং নৈতিকতার ছবক সামনে রেখে রাজনীতি করে, এই ঘটনার পর এই এমপিকে সংসদে ধর্মীয় দলের প্রতিনিধি দলের মাঝে রাখা তাদের নিজেদের জন্যেই মানহানিকর।
1 913
গোটা দুনিয়ার প্রচুর প্রো-প্যালেস্টাইন অ্যাক্টিভিস্টদের ফলো করি টুইটার এবং ফেইসবুকে। তাদের সবাইকেই দেখলাম, গত রাতের ফাইনাল ম্যাচে স্পেনকে সমর্থন করেছে এবং স্পেনের বিজয়ে আনন্দোৎসব করেছে।
এমন নয় যে তারা ক্রীড়াপ্রেমী।
এমন নয় যে তারা সত্যিকার স্পেন সমর্থক।
তারা এটা করেছে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে। এবারের বিশ্বকাপকে ঘিরে প্রচুর রাজনীতি করেছে জাYo কমিউনিটি। বিশ্বকাপের শুরুতে বেশকিছু খেলোয়াড় আর রেফারিকে আমেরিকায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি সিকিউরিটি ইস্যু দেখিয়ে।
আর, একদিকে ছিল স্পেন সরকার আর খেলোয়াড়দের জাYo বিরোধি এবং প্রো-প্যালেস্টাইন মুখী স্ট্যান্ড, অন্যদিকে শয়তানিয়াহু ও আর্জেন্টিনা সরকারের ছিল জাYo মুখী স্ট্যান্ড। শয়তানিয়াহু তো সরাসরিই সমর্থন জানিয়েছিল আর্জেন্টিনাকে এবং সেই সমর্থন নিছক ক্রীড়াপ্রেমের জায়গা থেকে নয়, রাজনৈতিক জায়গা থেকে।
আজ যদি আর্জেন্টিনা জিতে যেতো, শয়তানিয়াহুর দেশে নিশ্চয় আনন্দ মিছিল হতো। তাদের রাজনীতিটা সফল হতো। শয়তানিয়াহুর অনেক পলিটিক্যাল ন্যারেটিভ প্রাণ পেত।
কিন্তু জিতল স্পেন। আমি দেখলাম, দুনিয়ার প্রায় সকল প্রো-প্যালেস্টাইন অ্যাক্টিভিস্টেরা আনন্দিত। স্রেফ ক্রীড়া জয়ের আনন্দ না, শয়তানিয়াহুর পলিটিক্যাল ন্যারেটিভ ভেঙেচুরে পড়ায় তারা আনন্দিত। স্পেনের খেলোয়াড়েরা প্যালেস্টাইনের পতাকা গায়ে জড়াল, স্পেনের রাস্তায় রাস্তায় স্প্যানিশরা চিৎকার করে বলতে লাগল—ফ্রি ফ্রি প্যালেস্টাইন।
দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কাছেই এইসব ফুটবল আর ক্রিকেট এখনও অরাজনৈতিক, বিনোদন আর অবসর উদযাপনের ঘটনা হয়ত। কিন্তু এইসব ক্রীড়ার ক্রীড়নক যারা, তাদের রয়েছে নিজস্ব রাজনৈতিক স্ট্যান্ড। ফলে, আজ হোক আর কাল হোক, এসব জায়গাও রাজনৈতির মধ্যে বিলীন হতে বাধ্য। ইনফ্যাক্ট, গোটা দুনিয়াটাই সেভাবে রি-শেইপড হবে।
আমি বলছি না যে, যারা আর্জেন্টিনা সমর্থন করেন তারা Jayoনীজম কেও সমর্থন করেন। অধিকাংশই খেলাধুলাকে রাজনীতির বাইরেই রাখেন। যে বাস্তবতায় দুনিয়া ঢুকে যাচ্ছে, সেই বাস্তবতার কথাটাই বললাম কেবল।
1 913
"ভেঙ্গে পড়না, নিরাশ হয়োনা,সাহায্য আসবেই; এটা আল্লাহর ওয়াদা। জেনে রেখো নিশ্চয়ই আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে"। [সূরা বাকারা, ২১৪]
1 913
যদি আপনি কারো জন্য তার সংশোধনের দু‘আ করার ইচ্ছে পোষণ করেন, আপনি বলুন: "আল্লাহ আপনার দীন ও দুনিয়া ঠিক করুন।" সুতরাং আপনি দীন দিয়ে শুরু করুন। কেননা যখন দীন ঠিক হয়ে যায়, অটোমেটিক্যালি দুনিয়াও ঠিক হয়ে যায়।
- ইবনু উসাইমীন (রহ.)
[শারহু বুলূগিল মারাম, ৬/৫১৩]
1 913
“শয়তানের একটি ফাঁদ হলো, সে মানুষকে কুরআন নিয়ে গভীর চিন্তা ও গবেষণা থেকে দূরে রাখে; কারণ, শয়তান খুব ভালো করেই জানে—হিদায়াত মূলত কুরআন নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা ও গবেষণার মাধ্যমেই আসে।”
— ইবনে হুবাইরা (রহ.)
[যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ: ২/১৫৬]
1 913
"অন্তরগুলো সৃষ্টি করা হয়েছিল আল্লাহকে স্মরণ করার জন্য। কিন্তু সেগুলো আজ দুনিয়াবি লোভ-লালসায় ভরে গেছে।"
— ইউসুফ ইবনু আসবাত (রহ.)
[সিয়ার আলামিন নুবালা, ৯/৮৭০]
1 913
Repost from Work for Jannah 2.0
লেখক ইফতেখার সিফাতের লিখিত স্ক্রিপ্টের উপরে বানানো নিচের ভিডিওটি ফুটবল বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে অন্তত একবার দেখুন!
1 913
"যদি আপনি স্বীয় নফসের মাঝে গাফলত খুঁজে পান, তাহলে কবরস্থানে যান। নফসকে মনে করিয়ে দিন যে, সফরের সময় খুব শীঘ্রই এসে যাবে।"
— ইমাম ইবনুল জাওযী (রহ.)
[সাইদুল খাতির, পৃ. ৫১৩]
1 913
"আল্লাহ মৌমাছিকে ওহী (নির্দেশ) পাঠিয়ে পাহাড় ও গাছে ঘর বানাতে বলেছেন। একটি ক্ষুদ্র পতঙ্গ যদি আল্লাহর নির্দেশ মেনে সুশৃঙ্খল সমাজ আর মধু তৈরি করতে পারে, তবে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে আপনার কাজ আরও কত উন্নত হওয়া উচিত ছিল! আপনার উপস্থিতি যেন সমাজের জন্য মধুর মতো মিষ্টি হয়, হুল ফোটানোর মতো যন্ত্রণাদায়ক নয়।"
© নোমান আলী খান
1 913
"নিজের সুখ বা নেয়ামত সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রদর্শন করা আপনার জীবনের 'বরকত' বা কল্যাণ কমিয়ে দিতে পারে। সব মানুষের নজর আপনার জন্য কল্যাণকর নয়। আপনার জীবনের সবচেয়ে দামী মুহূর্তগুলো কেবল আপনার এবং আপনার রবের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন। গোপনীয়তা আপনার মানসিক শান্তি ও আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য একটি ঢাল স্বরূপ।"
© নোমান আলী খান
1 913
প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়-তুফানের সময় নবীজী সা. কি দোআ করতেন?
.
■ সহীহ হাদীসে এসেছে, একবার মদীনায় এক সপ্তাহ একাধারে প্রবল বৃষ্টিপাত হল। অবিরাম বৃষ্টির সমূহ ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে সাহাবীগণ প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহর দরবারে দুআ করার জন্য অনুরোধ করেন। তখন নবীজী এভাবে দুআ করেন,
اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا ولَا عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ علَى الآكَامِ والظِّرَابِ، وبُطُونِ الأوْدِيَةِ، ومَنَابِتِ الشَّجَرِ
নবীজীর দুআর ফলে মুহূর্তে মদীনার আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। -সহীহ বুখারী, হাদীস : ১০১৪
■ এমনিভাবে ঝড়-তুফানের সময় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুআ করতেন,
اللهم اني اسئلك خير ما آمرت به وأوعوذبك من شر ما آمرت به
আর বাতাস কমে বৃষ্টি নেমে এলে তাঁর চেহারা উজ্জ্বল দেখাত। তখন তিনি আল্লাহর ‘হামদ’ করতেন, বলতেন, এটি ‘রহমত’। আরও বলতেন, اللهم صيبا نافعا -ফাতহুল বারী ২/৬০৪, ৬০৮
.
■ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষতার যুগেও বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, ভূমিকম্প প্রভৃতি আসমানী বালা-মুসীবতের হাতে মানুষ কত অসহায়! কয়েক ঘন্টার ঝড়, কয়েক মিনিটের ভূমিকম্প কীভাবে জনপদের পর জনপদ মিসমার করে দেয়!
প্রযুক্তি আমাদের সামনে উপস্থিত করে দিচ্ছে আমাদের দুর্দশার চিত্র, কিন্তু দুর্দশা থেকে মুক্তি দিতে পারছে কি? আমাদের চিন্তাশক্তি আচ্ছন্ন না হয়ে থাকলে এই দুর্যোগপূর্ণ দিনগুলি পৃথিবীর শেষ দিবসের কথা অবশ্যই স্মরণ করিয়ে দিবে। শত শত মানুষের মৃত্যুও স্মরণ করিয়ে দিবে এমন এক অমোঘ সত্য, যা প্রত্যেকেরই জীবনে আসবে।
1 913
যখন উঠে দাঁড়ালেন, পুরো স্টেশন তখন কাঁদছে...
বাবা মানেই আকাশের সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত এক ঢাল!
.
ভৈরব ট্রেন স্টেশনে ট্রেনে উঠতে গিয়ে
হঠাৎ পড়ে গেল দুই বছরের শিশুটি।
ট্রেন আর প্ল্যাটফর্মের মাঝের সেই সরু অন্ধকারে।
বাঁশি বেজে উঠল। ট্রেন ছাড়বে।
একটুও না ভেবে লাফ দিলেন বাবা।
ছেলেকে বুকে চেপে শুয়ে পড়লেন।
ট্রেনের চাকা তখন মাথার কয়েক ইঞ্চি ওপর দিয়ে যাচ্ছে।
তবু বাবার বুক থেকে সরেনি ছেলেটার মুখ।
চারপাশের মানুষ নিঃশ্বাস বন্ধ করে দাঁড়িয়ে।
.
ট্রেন চলে গেলো।
চারিদিকে বিস্ফারিত চোখগুলো অপলক তাকিয়ে আছে,
আতংক আশংকায় সবাই নিস্তব্ধ।
হঠাৎ বুকের মাঝে আগলে রাখা ছেলেকে নিয়ে
উঠে দাঁড়ালেন বাবা।
মানুষ ছুটে গেলো তার দিকে।
যখন তিনি উঠে দাঁড়ালেন, পুরো স্টেশন তখন কাঁদছে।
.
বাবা মানেই ঢাল।
বাবা মানেই ভিন্ন জীবনের স্বাদ।
বাবা কাছে থাকুক, আর দূরে থাকুক,
আকাশে বিস্তৃত মহীরুহের মত আগলে রাখেন সন্তানদের।
বাবারা এমনই।
নি:শব্দে কাজ করেন,
নিরবে কাঁদেন,
সন্তানদের জন্য।
পৃথিবীর সকল বাবা নিরাপদে থাকুক,
সন্তানদের ছায়া হয়ে,
আর যারা নাই,
তারা জান্নাতের বাগিছায় ঘুরে বেড়াক,
সেই দুয়া করছি।
.
এই একটা ছবি কোটি কোটি বাবাদের প্রতিচ্ছবি।
1 913
"মৃ*ত্যুর স্মরণ পাপাচার থেকে বাঁচিয়ে রাখে, কঠোর হৃদয় কোমল করে, হাসি-তামাশা মিটিয়ে দেয় এবং দুনিয়ায় আপতিত সকল বিপদ-আপদ তুচ্ছ করে তোলে।"
— ইমাম কুরতুবি (রহ.)
[আত তাযকিরাহ, পৃ. ১৩৩]
