es
Feedback
Work for Jannah

Work for Jannah

Ir al canal en Telegram

কেউ হেদায়েতের দিকে আহবান করলে যতজন তার অনুসরণ করবে প্রত্যেকের সমান সওয়াবের অধিকারী সে হবে, তবে যারা অনুসরণ করেছে তাদের সওয়াবে কোন কমতি হবে না[সহীহ্ মুসলিম: ২৬৭৪] Join our page :- https://m.facebook.com/WorkforJannahofficial/

Mostrar más
1 899
Suscriptores
Sin datos24 horas
-27 días
-630 días
Archivo de publicaciones
রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুন। © Mokthter Ahmed

"ভেঙ্গে পড়না, নিরাশ হয়োনা,সাহায্য আসবেই; এটা আল্লাহর ওয়াদা। জেনে রেখো নিশ্চয়ই আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটে"। [সূরা বাকারা, ২১৪]

যদি আপনি কারো জন্য তার সংশোধনের দু‘আ করার ইচ্ছে পোষণ করেন, আপনি বলুন: "আল্লাহ আপনার দীন ও দুনিয়া ঠিক করুন।" সুতরাং আপনি দীন দিয়ে শুরু করুন। কেননা যখন দীন ঠিক হয়ে যায়, অটোমেটিক্যালি দুনিয়াও ঠিক হয়ে যায়। - ইবনু উসাইমীন (রহ.) [শারহু বুলূগিল মারাম, ৬/৫১৩]

“শয়তানের একটি ফাঁদ হলো, সে মানুষকে কুরআন নিয়ে গভীর চিন্তা ও গবেষণা থেকে দূরে রাখে; কারণ, শয়তান খুব ভালো করেই জানে—হিদায়াত মূলত কুরআন নিয়ে গভীর চিন্তাভাবনা ও গবেষণার মাধ্যমেই আসে।” — ইবনে হুবাইরা (রহ.) [যাইলু তাবাকাতিল হানাবিলাহ: ২/১৫৬]

"অন্তরগুলো সৃষ্টি করা হয়েছিল আল্লাহকে স্মরণ করার জন্য। কিন্তু সেগুলো আজ দুনিয়াবি লোভ-লালসায় ভরে গেছে।" — ইউসুফ ইবনু আসবাত (রহ.) [সিয়ার আলামিন নুবালা, ৯/৮৭০]

লেখক ইফতেখার সিফাতের লিখিত স্ক্রিপ্টের উপরে বানানো নিচের ভিডিওটি ফুটবল বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে অন্তত একবার দেখুন!

"যদি আপনি স্বীয় নফসের মাঝে গাফলত খুঁজে পান, তাহলে কবরস্থানে যান। নফসকে মনে করিয়ে দিন যে, সফরের সময় খুব শীঘ্রই এসে যাবে।" — ইমাম ইবনুল জাওযী (রহ.) [সাইদুল খাতির, পৃ. ৫১৩]

"আল্লাহ মৌমাছিকে ওহী (নির্দেশ) পাঠিয়ে পাহাড় ও গাছে ঘর বানাতে বলেছেন। একটি ক্ষুদ্র পতঙ্গ যদি আল্লাহর নির্দেশ মেনে সুশৃঙ্খল সমাজ আর মধু তৈরি করতে পারে, তবে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে আপনার কাজ আরও কত উন্নত হওয়া উচিত ছিল! আপনার উপস্থিতি যেন সমাজের জন্য মধুর মতো মিষ্টি হয়, হুল ফোটানোর মতো যন্ত্রণাদায়ক নয়।" © নোমান আলী খান

"নিজের সুখ বা নেয়ামত সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রদর্শন করা আপনার জীবনের 'বরকত' বা কল্যাণ কমিয়ে দিতে পারে। সব মানুষের নজর আপনার জন্য কল্যাণকর নয়। আপনার জীবনের সবচেয়ে দামী মুহূর্তগুলো কেবল আপনার এবং আপনার রবের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন। গোপনীয়তা আপনার মানসিক শান্তি ও আধ্যাত্মিক উন্নতির জন্য একটি ঢাল স্বরূপ।" © নোমান আলী খান

তোমরা শ্রমিককে তার ঘাম শুকানোর পূর্বেই তার পারিশ্রমিক দিয়ে দিবে।
তোমরা শ্রমিককে তার ঘাম শুকানোর পূর্বেই তার পারিশ্রমিক দিয়ে দিবে।

প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়-তুফানের সময় নবীজী সা. কি দোআ করতেন? . ■ সহীহ হাদীসে এসেছে, একবার মদীনায় এক সপ্তাহ একাধারে প্রবল বৃষ্টিপাত হল। অবিরাম বৃষ্টির সমূহ ক্ষতি থেকে রক্ষা পেতে সাহাবীগণ প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আল্লাহর দরবারে দুআ করার জন্য অনুরোধ করেন। তখন নবীজী এভাবে দুআ করেন, اللَّهُمَّ حَوَالَيْنَا ولَا عَلَيْنَا، اللَّهُمَّ علَى الآكَامِ والظِّرَابِ، وبُطُونِ الأوْدِيَةِ، ومَنَابِتِ الشَّجَرِ নবীজীর দুআর ফলে মুহূর্তে মদীনার আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। -সহীহ বুখারী, হাদীস : ১০১৪ ■ এমনিভাবে ঝড়-তুফানের সময় নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দুআ করতেন, اللهم اني اسئلك خير ما آمرت به وأوعوذبك من شر ما آمرت به আর বাতাস কমে বৃষ্টি নেমে এলে তাঁর চেহারা উজ্জ্বল দেখাত। তখন তিনি আল্লাহর ‘হামদ’ করতেন, বলতেন, এটি ‘রহমত’। আরও বলতেন, اللهم صيبا نافعا -ফাতহুল বারী ২/৬০৪, ৬০৮ . ■ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির চরম উৎকর্ষতার যুগেও বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, ভূমিকম্প প্রভৃতি আসমানী বালা-মুসীবতের হাতে মানুষ কত অসহায়! কয়েক ঘন্টার ঝড়, কয়েক মিনিটের ভূমিকম্প কীভাবে জনপদের পর জনপদ মিসমার করে দেয়! প্রযুক্তি আমাদের সামনে উপস্থিত করে দিচ্ছে আমাদের দুর্দশার চিত্র, কিন্তু দুর্দশা থেকে মুক্তি দিতে পারছে কি? আমাদের চিন্তাশক্তি আচ্ছন্ন না হয়ে থাকলে এই দুর্যোগপূর্ণ দিনগুলি পৃথিবীর শেষ দিবসের কথা অবশ্যই স্মরণ করিয়ে দিবে। শত শত মানুষের মৃত্যুও স্মরণ করিয়ে দিবে এমন এক অমোঘ সত্য, যা প্রত্যেকেরই জীবনে আসবে।

যখন উঠে দাঁড়ালেন, পুরো স্টেশন তখন কাঁদছে... বাবা মানেই আকাশের সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত এক ঢাল! . ভৈরব ট্রেন স্টেশনে ট্রেনে উঠত
যখন উঠে দাঁড়ালেন, পুরো স্টেশন তখন কাঁদছে... বাবা মানেই আকাশের সীমানা পর্যন্ত বিস্তৃত এক ঢাল! . ভৈরব ট্রেন স্টেশনে ট্রেনে উঠতে গিয়ে হঠাৎ পড়ে গেল দুই বছরের শিশুটি। ট্রেন আর প্ল্যাটফর্মের মাঝের সেই সরু অন্ধকারে। বাঁশি বেজে উঠল। ট্রেন ছাড়বে। একটুও না ভেবে লাফ দিলেন বাবা। ছেলেকে বুকে চেপে শুয়ে পড়লেন। ট্রেনের চাকা তখন মাথার কয়েক ইঞ্চি ওপর দিয়ে যাচ্ছে। তবু বাবার বুক থেকে সরেনি ছেলেটার মুখ। চারপাশের মানুষ নিঃশ্বাস বন্ধ করে দাঁড়িয়ে। . ট্রেন চলে গেলো। চারিদিকে বিস্ফারিত চোখগুলো অপলক তাকিয়ে আছে, আতংক আশংকায় সবাই নিস্তব্ধ। হঠাৎ বুকের মাঝে আগলে রাখা ছেলেকে নিয়ে উঠে দাঁড়ালেন বাবা। মানুষ ছুটে গেলো তার দিকে। যখন তিনি উঠে দাঁড়ালেন, পুরো স্টেশন তখন কাঁদছে। . বাবা মানেই ঢাল। বাবা মানেই ভিন্ন জীবনের স্বাদ। বাবা কাছে থাকুক, আর দূরে থাকুক, আকাশে বিস্তৃত মহীরুহের মত আগলে রাখেন সন্তানদের। বাবারা এমনই। নি:শব্দে কাজ করেন, নিরবে কাঁদেন, সন্তানদের জন্য। পৃথিবীর সকল বাবা নিরাপদে থাকুক, সন্তানদের ছায়া হয়ে, আর যারা নাই, তারা জান্নাতের বাগিছায় ঘুরে বেড়াক, সেই দুয়া করছি। . এই একটা ছবি কোটি কোটি বাবাদের প্রতিচ্ছবি।

"মৃ*ত্যুর স্মরণ পাপাচার থেকে বাঁচিয়ে রাখে, কঠোর হৃদয় কোমল করে, হাসি-তামাশা মিটিয়ে দেয় এবং দুনিয়ায় আপতিত সকল বিপদ-আপদ তুচ্ছ করে তোলে।" — ইমাম কুরতুবি (রহ.) [আত তাযকিরাহ, পৃ. ১৩৩]

"জাহান্নামবাসী ও জান্নাতবাসীরা সমান নয়; জান্নাতবাসীরাই সফলকাম।" (সূরা আল-হাশর, ২০)

তোমাদের কেউ দুঃখ কষ্টে পতিত হবার কারণে যেন মৃত্যু কামনা না করে। যদি কিছু করতেই চায় তাহলে সে যেন বলে: "হে আল্লাহ! আমাকে জীবিত রাখুন, যতদিন আমার জন্য বেঁচে থাকা কল্যাণকর হয় এবং আমাকে মৃত্যু দিন, যখন আমার জন্য মরে যাওয়া কল্যাণকর হয়।" [সহীহ বুখারী, ৫৬৭১]

"আমি যখন মৃত্যুকে স্মরণ করি, তখন দুনিয়ার সবকিছু আমার কাছে হালকা মনে হয়!" — ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহ.)

‘হে চিরঞ্জীব, হে চিরস্থায়ী, আপনার রহমতের মাধ্যমে আমি সাহায্য প্রার্থনা করছি।’ [সুনান আত-তিরমিজি, ৩৫২৪]

এমন ভয়াবহ কিছু দেখার পরে অসম্ভব অস্থির লাগে। সহ্য করা কঠিন। দৃশ্যগুলো যতবার দেখি,‌ মনে হয় আমি নিজেও ওই পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। চোখের সামনে ভেসে উঠলে মনে হয় যে ব্যথাটা ওই ছোট্ট শিশুটা পেয়েছে, অথবা সড়ক দুর্ঘটনায় মানুষগুলো যে ব্যথাটুকু পাচ্ছে, ওই ব্যাথার একটা ঝলক আমার শরীরের মধ্য দিয়েও বয়ে যাচ্ছে এমনটাই আমি টের পাচ্ছি। ইউটিউবে দেখলাম বাস থেকে ডুবে যাওয়া লাশগুলো উদ্ধার করছে একটার পর একটা। সেই দৃশ্য দেখে আমার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। আল্লাহ যেন প্রত্যেকের জন্য জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন। আল্লাহ সবার জন্য সহজ করে দেন। এত অনিশ্চিত আমার দেশের মানুষের জীবন? মরতে তো সবাইকে হবেই, কিন্তু এভাবে কেন? একসময় ভেবেছিলাম এত ভয়ঙ্কর ভয়ংকর একেকটা দৃশ্য, ঘটনা বীভৎসতা, কষ্ট দেখতে দেখতে আমি হয়তো অনুভূতিহীন, একেবারে numb একটা পাথর হয়ে যাব ‌। মনে হচ্ছিল, সব সেনসেশোন হারিয়ে ফেলবো, desensitization এর চরমে চলে যাব। আজকে আমার চোখ দিয়ে যখন পানি পড়লো মনে হল, আচ্ছা আমার হৃদয়টা এখনো পাথর হয়ে যায়নি! Desensitization এর চূড়ান্তে যেতে চাই না। চাই অন্তরটা জীবিত থাকুক। আমি খুবই গভীরভাবে বিশ্বাস করি, সবকিছুতেই আল্লাহর হিকমত আছে। আল্লাহ যেটা জানেন, আমরা তো সেটা জানি না। সবচেয়ে ভালো জানেন তিনি কার জন্য মৃত্যুটা কখন লেখা আছে। আল্লাহ সবচেয়ে ভালো জানেন কখন তাঁর বান্দাদের তাঁর কাছে ফেরার সময় হয়ে আসে। সকল ঘটনার উপর আল্লাহর অথোরিটি অস্বীকার করার উপায় নেই। আল্লাহর ধার্য করা তাকদীর এবং আল্লাহর অথোরিটি অস্বীকার করে নিজের জন্য বিপর্যয় ডাকবো না। মনে হয়, অসাড় হয়ে বসে না থেকে আরো ঝাড়া দিয়ে কত কাজ করা দরকার! আজকে বেঁচে আছি, ৫ মিনিট পরে বেঁচে থাকব কিনা জানিনা। মৃত্যু তো সবার জন্যই অপেক্ষা করছে। কারো কারো মৃত্যু অনেক সুন্দর হবে, কারো কারো মৃত্যুর মাধ্যমে সে চিরসুখের জীবনে প্রবেশ করবে ইনশাআল্লাহ। আর কারো কারো মৃত্যুর পরে উল্টোটা হবে। সারা জীবন কষ্ট করার পরেও মৃত্যুর পরেও আবার কষ্ট কেন করব? আজীবনের জন্য রিমাইন্ডার গুলো পাওয়ার পরেও আমরা কেন গাফিলতিতে ফিরে যাই? কেন যেই কথাগুলো আল্লাহ সব সময় কুরআনে বলে এসেছেন যে, পরীক্ষা নেওয়া হবে আমাদের সকলের, সেগুলো নিজের চোখে দেখার পরে আর মনটা মানতে চায় না? কেন ভুলে যাই আমাদের দুর্ভোগ গুলোর মধ্যে নিজেদের হাতের কামাই আছে সামষ্টিকভাবে? কেন এত মায়া লাগে অচেনা অজানা মানুষগুলোর জন্য? কেন এত কষ্ট হয়? এত যে কষ্ট হয়? উত্তরটা হয়তো এখন দিতে পারছি না। তবে উত্তরটা আমার ভেতরেই কোথাও আছে। উত্তরটা আপনার ভেতরেও আছে। © শারিন সফি অদ্রিতা

photo content

জীবন তো মাগরিবের আযান আর ইকামাতের মধ্যকার সময়ের মতোই—সংক্ষিপ্ত। —আরিফ আজাদ।