fa
Feedback
C.H.Article 07

C.H.Article 07

رفتن به کانال در Telegram

رَبَّنَا لَا تُزغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً إنّكَ أَنْتَ الْوَهّابً.. [হে আমাদের রব! হিদায়াত দেওয়া পরে আমাদের অন্তরকে বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ হতে আমাদের রহমত দান করুন।নিশ্চয় আপনি মহানদাতা••]

نمایش بیشتر
582
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
اطلاعاتی وجود ندارد30 روز
آرشیو پست ها
Repost from N/a
দেশের টোটাল সম্পদের ৯০ ভাগই আছে কয়েকজন ব্যাক্তির হাতে।  বাকি ১০ ভাগ পুরো দেশের মানুষের কাছে।  ১৮ কোটি মানুষের মধ্যে ২০০/২৫০ জনের কাছে ৯০ ভাগ সম্পদ -টাকা। জনগণকে রীতিমতো যুদ্ধ করে বেঁচে থাকতে হচ্ছে। এর মধ্যে আবার তৈরী করে দেয়া হয়েছে  সামাজিক স্ট্যাটাসের নানা রকম রীতিনীতি। বাজারে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন ধরনের লোভনীয় পণ্য যেমন মোবাইল হ্যান্ডসেট, ড্রেস, জুতা ইত্যাদি ইত্যাদি ।  এসব পণ্য ব্যবহার নিয়ে চলে পারস্পরিক প্রতিযোগিতা। প্রতিনিয়ত মডেল- ডিজাইন - স্টাইল চেঞ্জ হচ্ছে।  কে কার চাইতে আপডেটেড সেটার উপর নির্ভর করে পারসোনাল স্ট্যাটাস। এই মন মানষিকতা তৈরী করেছে পুজিবাদ।  জনগণ একদিকে উপার্জনের জন্য যুদ্ধ করবে আবার অন্যদিকে সেই উপার্জিত অর্থ খরচও করবে দেদারসে।  পুজিবাদীরা মানুষের সারাদিনের সময় - শরীরের সমস্ত শক্তি তথা শ্রম- মগজের সব উৎপাদন বা মেধা চুষে নিয়ে নিজেদের সমৃদ্ধ করছে। বিনিময়ে জনগণকে " টাকা " ধরিয়ে দিচ্ছে।।সেটা আবার মানুষের দেয়া শ্রম - সময় - মেধার তুলনায় কম। এরপর সেই টাকাও আবার বিভিন্ন ভাবে ঘুরেফিরে সেই পুজিবাদীদের কাছেই চলে যাচ্ছে।  কোটি কোটি মানুষ সারাজীবন পার করে দিচ্ছে কিছু মানুষকে সুখী আর সমৃদ্ধশালী করতে। অথচ সারাজীবন তারা স্বপ্ন দেখে নিজেদের সুখ আর সমৃদ্ধির। সামান্য কিছু পাওয়াকেই জীবনের সার্থকতা মনে করে।  যেমন একটা ফ্ল্যাট কেনা, এক টুকরো জমি কেনা বা একটা গাড়ি কেনা। অথচ সে যে পরিমাণ সময় - শ্রম আর মেধা দিয়েছে তা দিয়ে এ ধরনের অনেক ফ্ল্যাট - জমি - গাড়ি কেনার কথা।  সেটা হয়েছে ঠিকই কিন্তু তার জন্য না। হয়েছে সেই পুজিবাদী কোটিপতি ব্যবসায়ীদের - সরকারের যে তার সারাজীবনটাই  চুষে ফেলেছে।  এই জীবন কি মানুষের জীবন?  এই জীবনের জন্য এত কস্ট ত্যাগ?  এই জীবনের জন্য জিহাদকে দুরে ঠেলে রাখা।  এই জীবনের মোহেই কাফের তাগুতের আস্ফালন মাথাপেতে মেনে নেয়া।

ক্যাপিটালিজম প্রতিনিয়ত ভোগের উপাদান সরবরাহ করে যাচ্ছে। সোশ্যাল স্ট্যাটাসের নামে এক মায়াজাল সৃষ্টি করে রেখেছে আমাদের চারপাশে। সেই স্ট্যাটাস মেনটেইনের জন্য আমরা ছুটি চলছি প্রতিদিন - প্রতিক্ষণ। শিক্ষার ডিগ্রি লাগবে এটার পরে ওটা, বাসায় এই এই আসবাব - জিনিসপত্র লাগবেই, দামী মোবাইল - কম্পিউটার - টেলিভিশন - ভালো পোশাক, ভালো চাকরি, একটা ভালো বাসা, ভবিষ্যতের জন্য জমি- ফ্ল্যাট ইত্যাদি ইত্যাদি আরো কত কি। কোথায় শেষ বা কোথায় পরিপূর্ণতা তা কেউই জানে না। এভাবেই পুরো জীবন পার করে দিচ্ছে কোটি কোটি মানুষ। চিন্তা করে দেখুন আমাদের জীবন কিন্তু এটাই। কিন্তু এই সামান্য অর্জনের জন্য নিজেকে বানিয়ে ফেলেছি পুজিবাদের গোলাম। আসলেই কি প্রয়োজন এত কিছুর? ভোগ বিলাসের ক্রীতদাস জীবনের চাইতে অতি সাধারণ কিন্তু মুক্ত স্বাধীন জীবনই কি উত্তম আর মর্যাদাপূর্ণ নয়?

মেয়েকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে বাবা খুন হন। কখনও ভাই প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে প্রচন্ড মারধরের শিকার হন। মায়ের হাতে সন্তান খুন।  পিতার দ্বারা মেয়ে ধর্ষণ৷ এ ধরনের ভয়ংকর এবং অদ্ভুত ঘটনা এখন আমাদের কাছে স্বাভাবিক।  কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে মানুষ কেন পশুর চাইতেও নিচে নেমে গেল? কারণ একটাই শিরক কুফরের রাজত্ব।  সংস্কৃতির নামে মানুষের মন মগজ পুরো পুরি নস্ট করে দেয়া হচ্ছে।  আধুনিক সিস্টেমের নামে যেসব রীতি নিয়ম চালু হয়েছে - হচ্ছে সেখানে মানবিকতা - মনুষ্যত্বের কোন অস্তিত্ব নেই।  সুতরাং শিরক কুফরের সভ্যতা -কালচার  -সিস্টেম শিকড় সহ উপড়ে ফেলে আগুনে জ্বালিয়ে শেষ করে ফেলতে হবে।  সেখানে স্থাপন করতে হবে তাওহীদের ব্যবস্থা যা একমাত্র  মানবিক সিস্টেম - কালচার - সভ্যতা।  এজন্য ঠিক সেই পথেই যেতে হবে যে পথে প্রথমবার তাওহীদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো।  আর তা হল ক্বিতাল ফি সাবিলিল্লাহ ( আল্লাহর পথে সশস্ত্র যুদ্ধ)

জিহাদ সবচেয়ে বেশি চলছে আফ্রিকায়। এর বাইরে আছে কাস্মীর, ফিলিপাইন, সিরিয়া,  ইরাকের কিছু অংশে। পাকিস্তানেও মুজাহিদের সংখ্যা প্রচুর।  মুসলিম ভুখন্ড হওয়া স্বত্বেও জিহাদের প্রতি উদাসীনতার হিসাবে বাংলাদেশ - মালয়েশিয়া - কাতার - কুয়েত  - আরব আমিরাতে....  এ সমস্ত দেশ আগেই আসবে।  কারণ একটাই - ভোগের সুযোগ বেশি। দুনিয়া এসব অঞ্চলের মানুষদের মন মগজ আচ্ছন্ন করে ফেলেছে।  এ সব অঞ্চলে দুনিয়া ভোগের সুযোগ ওই সব অঞ্চলের চাইতে অনেক বেশি যেসব অঞ্চলে মুজাহিদের সংখ্যা বেশি। সুতরাং সহজেই বুঝা যাচ্ছে দুনিয়া জিহাদ থেকে দুরে সরিয়ে রাখার কারণ।  আর এই দুরে সরিয়ে রাখতে অজস্র মাসআলাও তৈরী করে ফেলেছে দুনিয়াদাররা। সুতরাং মুজাহিদ হওয়ার জন্য ঈমান আকিদা ঠিক করার পরেই প্রয়োজন দুনিয়া বিমুখ মন মানষিকতা তৈরী। দুনিয়া প্রীতি আল্লাহর পথে আসার সবচেয়ে বড় বাধা।

কয়েকটি আকিদা একেবারে প্রতিষ্ঠিত।  মাথার মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে বছরের পর বছর ধরে।  এখন এক প্রজন্ম পরবর্তী প্রজন্মকে শেখাচ্ছে। এসব আসলে ভালো  ফলাফল দিচ্ছে কিনা বা আদৌ কার্যকরী কিনা সে প্রশ্ন পর্যন্ত কারও মাথায় আসে না। এসব বিষয় গুলোর কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি এটাও বুঝতে পারছে না ।  ক্ষতিটা সবাই দেখছে কিন্তু ক্ষতির কারণ উক্ত বিষয় গুলো...... এটা দেখেও দেখে না। এতটাই মুর্খ বানিয়ে ফেলা হয়েছে পুরো একটি জাতিকে।  কুফরি শিক্ষা ব্যবস্থা আর কুফরি সংস্কৃতি এসব আকিদা জনগণের মধ্যে ঢুকিয়ে দিয়েছে এবং ক্রমাগত এগুলোর চর্চা করে যাচ্ছে। যেমন আপনার শিশুকে টিকা দিন--- প্রজনন ক্ষমতা কমিয়ে ফেলা - নষ্ট করা এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে ফেলছে এই টিকা গুলো।  কিন্তু এ ব্যপারে বোধশক্তি নেই কারও। আপনার সন্তানকে স্কুলে পাঠান---একটা জাতি পশুর স্তরে চলে যাওয়ার কারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো। মেরুদণ্ডহীন - বোধশক্তিহীন জাতি তৈরী করেছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো।  যতই শিক্ষিতের হার বেড়েছে ততই "মানুষ " নামক প্রাণী " তেলাপোকা" য় রুপান্তর হয়েছে। বাল্য বিবাহ বন্ধ করুন / ১৮ বছরের আগে বিয়ে নয়- ফলাফল ব্যভিচারের ভয়াবহ প্রসার। একটা ছেলে যৌবন প্রাপ্ত হয় ১৫/১৬ বছর বয়সে। আর মেয়ের ক্ষেত্রে ১২/১৩ বছর ।  কিন্তু বিয়ে করতে হলে বয়স হতে হবে ছেলের ক্ষেত্রে ২১ এবং মেয়ের ক্ষেত্রে ১৮। তবে বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বয়সের কোন সীমারেখা নাই। ভোট দেয়া নাগরিক দ্বায়িত্ব -- কাফের তাগুতের শক্তি বৃদ্ধি এবং নিজেকে তাগুতের গোলাম বানানোর মাধ্যম এই ভোট। গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠাই সমাধান / সবত্র  গনতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে ---- গনতন্ত্রের জয়জয়কার যখন থেকে শুরু তখন থেকেই দুনিয়াতে অর্থনৈতিক বৈষম্য বেড়েছে। পুজিবাদী গনতন্ত্র মুষ্টিমেয় কিছু লোকের হাতে রাস্ট্রের ৯৫ ভাগ সম্পদ তুলে দিয়ে বাকিদের এই লোকগুলোর গোলাম বানিয়ে রেখেছে।  অন্যদিকে সসমাজতান্ত্রিক গনতন্ত্র মানুষের ব্যাক্তি স্বাধীনতার টুটি চেপে ধরে রাখে। গনতন্ত্রের অন্যতম অবদান প্রতিটি ভুখন্ড নিরীহ মানুষের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে।  বোমা হামলায় ক্ষতবিক্ষত হয়ে গিয়েছে - যাচ্ছে কত লোকালয়। দেশপ্রেম ঈমানে অংগ- একটা জাল হাদিকে ভিত্তি করে জাতীয়তাবাদ প্রায় প্রতিটি মুসলমানের আকিদায় পরিনত করে দেয়া হয়েছে।  জাতীয়তাবাদই এখন দ্বীনের অপরিহার্য উপাদান হয়ে গিয়েছে।

Repost from N/a
জুয়া মহামারীর মতো ছড়িয়ে গেছে বাংলাদেশের প্রান্তে প্রান্তে। স্কুলে পড়ুয়া ছেলে মেয়ে হোক আর চাকরিজীবি - ব্যবসায়ী হোক কিংবা অবসরে থাকা বৃদ্ধ...  সবাই জড়িয়ে যাচ্ছে এতে। একই অবস্থা ব্যভিচারের ক্ষেত্রেও। একটা এন্ড্রয়েড ফোন আর ইন্টারনেট কানেকশন থাকলেই হলো।  এসব কিছুর মুলে আছে অর্থ উপার্জন।  কত বেশি টাকা ইনকাম করা যায় তার চেষ্টাই চলছে।  একটা জাতি যখন মানষিক বিকৃতির চরম স্তরে পৌঁছে যায় তখন এই অবস্থাই হয়। আর তখনই আল্লাহর গজব অবশ্যাম্ভাবী হয়ে যায়। কাফের সরকার এসব ব্যপারে কিছুই করতে পারবে না।  বড়জোর কয়েকজনকে ধরে জেলে পুরে রাখতে পারবে। এর বাইরে আর কিছুই করার নাই।  কারণ ইন্টারনেট বা এন্ড্রয়েড বন্ধ করে দিলে সরকার নিজেই বিপদে পড়বে। ইন্টারনেট বা এন্ড্রয়েড মাধ্যমে যে বিশাল ইনকাম বাংলাদেশের কাফের সরকারের বিদেশি প্রভুরা করে থাকে তার উপর আঘাত আসলে তো তারা বসে থাকবে না। খিলাফতের কোন প্রয়োজন নাই বিদেশি প্রভুদের।  খিলাফত নিজেই নিজের প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম৷ তাছাড়া জনগণের নৈতিকতা নষ্টের সব রাস্তা খিলাফত সরকার বন্ধ করে দেয়।  সুতরাং জিহাদের দিকে ফিরে আসুন। এটাই দ্বীনের সর্বোচ্চ স্তর।  আর এতেই রয়েছে দুনিয়া আর আখেরাতের যাবতীয় কল্যাণ।

তথাকথিত ইসলামী সংগঠন এবং ইসলাম পন্থীদের বিরোধিতা " তথাকথিত স্মৃতিসৌধ বা শহীদ মিনারে" ফুল দেয়া নিয়ে।  অথচ এর চাইতে ভয়াবহ " জাতীয়তাবাদ" তারা নিজেরাই চর্চা করেন। জাতীয়তাবাদী দিবস তারাও অনেক আয়োজন করে পালন করেন। ব্যাপারটা এমন যে কপালে তিলক দিলে সমস্যা কিন্তু মুর্তি পুজায় সমস্যা নাই।  জাতীয়তাবাদ - জাতীয়তাবাদী দিবস ( ১৬ই ডিসেম্বর, ২১ ফেব্রুয়ারী,  ২৬ মার্চ)  - জাতীয়তাবাদী পূজা মন্ডপ ( স্মৃতিসৌধ, শহীদ মিনার,  ভাস্কর্য ইত্যাদি ইত্যাদি) মুসলমানদের কাছে  হারাম এবং ঘৃণিত  । যে নিজেকে ঈমানদার দাবি করে সে কখনোই এসবকে কোন কারণ বা যুক্তি বা অজুহাতে গ্রহণ করতে বা মেনে নিতে পারে না

" বিজয় দিবস " শতভাগ কুফরি জাতীয়তাবাদী  একটা উৎসব।  একজন কখনোই একই সাথে জাতীয়তাবাদী এবং মুসলিম হতে পারে না। অর্থাৎ হয় সে জাতীয়তাবাদী নয়তো মুসলিম।  জাতীয়তাবাদের পতাকা  ফেলে খিলাফতের পতাকা ধারণের মাধ্যমে মাত্র কয়েক লাখ জনসংখ্যার পশ্চাৎপদ - কপর্দকহীন একটা আরব গোষ্ঠী সারা দুনিয়াকে চ্যালেঞ্জ করার হিম্মত অর্জন করেছিল। তারাই হয়েছিল পৃথিবীর নেতা - পথপ্রদর্শক। আর খিলাফত থেকে সরে এসে জাতীয়তাবাদী পরিচয় আঁকড়ে ধরে সেই জাতির শত কোটি মানুষ  আজ সারাদুনিয়ার গোলাম। বিজয় আর  নেতৃত্ব ছিল যে জাতির লক্ষ্য সে জাতি এখন শান্তি আর সফলতা খুঁজে কাফেরদের গোলামীর মধ্যে।  এসবই জাতীয়তাবাদ আকিদার ফল - জাতীয়তাবাদকে মতাদর্শ হিসেবে নেয়ার ফল। আবূ হুরায়রা < থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ যে ব্যক্তি লোকেদেরকে " আসাবিয়াতের " দিকে আহবান করে অথবা "আসাবিয়াতে"  উন্মত্ত হয়ে ভ্রষ্টতার পতাকাতলে যুদ্ধ করে নিহত হলে সে জাহিলিয়াতের মৃত্যুবরণ করলো। (সুনানু ইবনে মাজাহ্, আবু দাউদ ) আসাবিয়াত শব্দের অর্থ হলো জাতীয়তাবাদ জাবের বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিদায় হজ্জের ভাষণে বলেছেনঃ হে লোক সকল শোনো, তোমাদের প্রতিপালক এক, তোমাদের পিতা এক। শোনো, আরবের উপর অনারবের এবং অনারবের উপর আরবের, কৃষ্ণকায়ের উপর শ্বেতকায়ের এবং শ্বেতকায়ের উপর কৃষ্ণকায়ের কোন শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদা নেই। শ্রেষ্ঠত্ব ও মর্যাদা আছে তো কেবল তাকওয়ার কারণেই। [আহমাদ,] "যে জাতীয়তাবাদ তথা আসাবিয়্যাহর জাহেলি আহ্বানের দিকে মানুষকে ডাকে, সে যেন তার পিতার লজ্জাস্থান কামড়ে ধরে পড়ে আছে ( তাকে ছাড়তে চাচ্ছে না)।এবং এ কথাটি লুকিয়ে রোখো না ( অর্থাৎ বলার ক্ষেত্রে কোনো লজ্জা বা অস্বস্তিবোধ করো না)। " মুসনাদে আহমদ : ২০২৩৬

একসময়কার বেশ্যাবৃত্তির বর্তমান নাম " রিয়েল সার্ভিস "।  বাংলাদেশে সার্ভিস দেয়া নারীদের পরিমাণ হু হু করে বাড়ছে। এজন্য কুফর সংস্কৃতি নিঃসন্দেহে দায়ী। কিন্তু তার চাইতেও বেশি দায়ী কুফরি অর্থনীতি। কুফর অর্থনীতি যে পরিস্থিতি তৈরি করে রেখেছে এবং তৈরী করে যাচ্ছে দিনে দিনে তাতে বেশ্যাবৃত্তি বেড়েই চলবে।  একসময় এই বেশ্যাবৃত্তি বা " রিয়েল সার্ভিস - ভিডিও সার্ভিস " একেবারেই স্বাভাবিক হয়ে যাবে।  এখনও অনেকে এসবে লজ্জা পায় না। এই লজ্জা না পাওয়ার পরিমাণ বাড়তেই থাকবে।  দেখা যাবে পরিবারের লোকজনই এসব করতে উৎসাহিত করবে বা জেনেও স্বাভাবিক ভাবে নিবে। কিন্তু যতই স্বাভাবিক আর গর্বের বিষয় হোক ব্যভিচারের পরিনতি দুনিয়াবি আযাব আর পরকালীন জাহান্নাম।  কুফর সংস্কৃতি আর অর্থনীতি তথা কুফর রাস্ট্র ব্যবস্থাকে উচ্ছেদ না করলে ব্যভিচারের মতো ভয়াবহ গুনাহ প্রতি ঘরে ঘরে ঢুকে যাবে। শুধুমাত্র  ওয়াজ  নসিহত আর দ্বীনের জ্ঞান অর্জন করে কখনোই এই ভয়াবহতা ঠেকানো সম্ভব হবে না।। একমাত্র জিহাদ ফী সাবিলিল্লাহ'র মাধ্যমেই সব গুনাহের সমাপ্তি ঘটিয়ে তাওহীদ প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব।  নিজেই নিজেকে মুজাহিদ হিসেবে গড়ে তুলুন। মুজাহিদের জীবন এবং শহীদ হওয়ার মধ্যেই সফলতা।  এটাই হোক জীবনের একমাত্র লক্ষ্য এবং স্বপ্ন।

তাওয়াক্কুলের স্তর তিনটি— প্রথম স্তর: অভিযোগ না করা দ্বিতীয় স্তর: সন্তুষ্ট থাকা তৃতীয় স্তর: ভালোবাসা . > অভিযোগ না করা ধৈর্যধারণের স্তর। > সন্তুষ্ট থাকার অর্থ আল্লাহ যে ফয়সালা করেছেন তাতে অন্তর তৃপ্ত থাকা। আর এটা প্রথমটা থেকে উপরের স্তরের। > ভালোবাসার অর্থ আল্লাহ তার ব্যাপারে যে ফয়সালা করেছেন সেটাকেই পছন্দ করা। . প্রথমটা দুনিয়াবিমুখদের, দ্বিতীয়টা সত্যবাদীদের, আর তৃতীয়টা রাসূলদের বৈশিষ্ট্য। . [ইবনু আবিদ্দুনিয়ার ‘আত-তাওয়াক্কুল’: ১/৭১]

Repost from N/a
ধরুন একটি বাচ্চাকে জন্মের পরে যদি এমন কোথাও লালন করা হলো  যেখানে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই, ইন্টারনেট নেই,টেলিভিশন নেই এবং ভ্রান্ত আকিদায় ভরপুর আমাদের চারপাশের মানুষগুলোও নেই। তাহলে একসময় দেখবেন সে সম্পুর্ন ভিন্ন এক অসাধারণ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে। তার কাছে আমাদের সমাজ এবং সমাজের মানুষগুলোকে কিছু অদ্ভুত জন্তু ছাড়া আর কিছুই মনে হবে না। এই হলো কুফরি সংস্কৃতির ফলাফল। টিভি চ্যানেল,  ইউটিউব,  ওটিটি প্লাটফর্ম,  প্রিন্ট মিডিয়া,  উপন্যাস.......  এসবের উপর আঘাত হানতে হবে।  আঘাত হেনে যেতেই হবে।  যারা এসবের সাথে জড়িত তাদের মধ্যে ভয় সৃষ্টি করতে হবে। এটা জিহাদের একটা সেক্টর

Repost from N/a
শিরক কুফরের সভ্যতা নামের অসভ্যতা আর সংস্কৃতি আমাদের কোথায় নিয়ে গিয়েছে? ঈমান তো অনেক আগেই শেষ করে ফেলেছে। এখন "" মানুষ " পরিচয়
শিরক কুফরের সভ্যতা নামের অসভ্যতা আর সংস্কৃতি আমাদের কোথায় নিয়ে গিয়েছে?  ঈমান তো অনেক আগেই শেষ করে ফেলেছে।  এখন "" মানুষ " পরিচয়টাও মুছে ফেলার পথে। বাংলাদেশের কুফর আইন কি বলেছে না বলেছে তাতে কিছু যায় আসে না। শরীয়া মোতাবেক এক্ষেত্রে তালাক হয়ে গেছে।  যদি তালাক নাও দিত তাহলেও তালাক হতো। কারণ সে বলেই দিয়েছে ব্রাজিল হারলে বউ তালাক।

Repost from N/a
শিরক কুফরের সভ্যতা নামের অসভ্যতা আর সংস্কৃতি আমাদের কোথায় নিয়ে গিয়েছে? ঈমান তো অনেক আগেই শেষ করে ফেলেছে। এখন "" মানুষ " পরিচয়
শিরক কুফরের সভ্যতা নামের অসভ্যতা আর সংস্কৃতি আমাদের কোথায় নিয়ে গিয়েছে?  ঈমান তো অনেক আগেই শেষ করে ফেলেছে।  এখন "" মানুষ " পরিচয়টাও মুছে ফেলার পথে। বাংলাদেশের কুফর আইন কি বলেছে না বলেছে তাতে কিছু যায় আসে না। এক্ষেত্রে তালাক হয়ে গেছে।  যদি তালাক নাও দিত তাহলেও তালাক হতো। কারণ সে বলেই দিয়েছে ব্রাজিল হারলে বউ তালাক।

প্রতিদিন যে খাবার গুলো আমরা খাই তার প্রতিটিই আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে।  আর এগুলো আমদানির কাজ করে মুলত ৪/৫ টি শিল্প গ্রুপ। খাদ্য ছাড়া অন্যান্য সেক্টরের ব্যবসাতেও এদেরই কতৃত্ব। অর্থাৎ পুরো বাংলাদেশের সম্পদ- অর্থ তথা অর্থনীতির  সামগ্রিক নিয়ন্ত্রণ এদের হাতে। কোন একটা গ্রুপ ঝরে গেলে অন্য আরেকটা গ্রুপ সেখানে রিপ্লেস হবে। একসময়ের কতৃত্বশীল "সানম্যান গ্রুপ" এখন অনেকটাই  মৃত।  আবার একসময়ের মোটামুটি অবস্থানে থাকা " এস আলম গ্রুপ" এখন অনেক বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী গ্রুপ হওয়ার দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে।  একসময় তেমন কোন অবস্থানে না থাকা " বেক্সিমকো " এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে শক্তিশালী গ্রুপ।  প্রায় প্রতিটি সেক্টরেই তাদের আধিপত্য। এসব গ্রুপ গুলোর কন্ট্রোলে বিভিন্ন টিভি চ্যানেল - সংবাদপত্র - প্রোগ্রাম প্রডাকশন হাউস।  এরাই গড়ে দিচ্ছে সংস্কৃতি তথা জনগণের চিন্তা - মানষিকতার - বিশ্বাস - আদর্শের ভিত্তি তথা আকিদা। এসব কিছুই হয়েছে সাধারণ মানুষের টাকা লুট করে।  আবার ওই সাধারণ মানুষরাই এসব গ্রুপের ক্রীতদাস হয়ে জীবন কাটিয়ে দিচ্ছে।  এরাই এদের প্রয়োজনে তাগুতি ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখতে টাকা খরচ করে যাচ্ছে।  কাফের রাজনৈতিক এবং কুফর রাজনীতির মুল শক্তি " টাকা " আসে এসব বড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে।  এবার পুরো বিষয়টি চিন্তা করে দেখুন। রাজনীতি - অর্থনীতি - সংস্কৃতি সবকিছুই অর্থাৎ পুরো কুফরি সিস্টেম একটা চেইনের মতো।  আর এই চেইনের কন্ট্রোল কিছু  পুঁজিবাদী ব্যবসায়ীদের হাতে। এরাই তাগুত। প্রস্তুত হন।  এসব তাগুতকে ধ্বংস করার মানষিকতা তৈরী করুন।। নিজেই নিজেকে মুজাহিদ হিসেবে রেডি করুন।

ব্যাংক....... একটি আইনসিদ্ধ ডাকাতের নাম,  একটি অভিশাপের নাম। অগণিত মানুষের কষ্টার্জিত টাকা মুস্টিমেয় কয়েকজনের হাতে তুলে দেয়ার সিস্টেমের নাম ব্যাংকিং।   বাংলাদেশের বড়লোকদের একটা স্বপ্ন থাকে ব্যংকের ডিরেক্টর হওয়া।  কারণ তাহলে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না।  জনগণের টাকা নিজের পকেটে চলে আসবে।  সরকারের সাথে সখ্যতা আর কয়েক কোটি টাকা থাকলেই  একটা ব্যাংকের ডিরেক্টরশিপ পাওয়া সম্ভব৷ সাধারণ মানুষের সময়,শ্রম আর মেধাতে কাগুজে টাকার বিনিময়ে কিনে নেয়া হয়।  এরপর সেই কাগুজে টাকা জমা রাখা হয়  ডাকাতের আস্তানায় তথা ব্যাংকে।  এরপর নামে বেনামে "লোন" নামক সাইনবোর্ডের আড়ালে এসব টাকা চলে যাবে ডিরেক্টর এবং তাদের পছন্দের লোকদের কাছে। বাংলাদেশে হাজার কোটি টাকা যাদের কাছে তাদের আজকের অবস্থান তৈরী করেছে ব্যাংক। কিছু মানুষ কোন কারণ ছাড়াই বিশাল বিত্ত বৈভবের মালিক। আর বাকিরা তাদের ক্রীতদাসের মতো জীবন যাপন করছে।  কুফর অর্থনীতি এবং এই অর্থনীতির ভিত্তি "ব্যাংকের"  বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিন।

একজন মানুষ ব্যাংকে টাকা জমা রাখে। আবার কিছু মানুষ সামান্য টাকার লোন নেয়। তা শোধও করে। এসব মানুষেরা টাকা মেরে দেয়া বা বিশাল বিত্ত বৈভব তৈরী করে না। সুতরাং তারা তো নিশ্চয়ই কুফরের সেবক নয় এবং সে অর্থে অপরাধীও নয়..... তাই নয় কি? উত্তর হবে... "না"। এরা সবাই কুফরের সেবক। ব্যাংকে টাকা জমা রাখার মাধ্যমে ব্যাংক ব্যবসার মুল উপাদান " টাকা" সরবরাহ করে যাচ্ছেন। এই টাকা ব্যবহার করে ব্যাংক সুদী কারবার চালাচ্ছে।অর্থনীতি হচ্ছে বর্তমান কুফর ব্যবস্থার মুল ভিত্তি। আর ব্যাংকই হচ্ছে কুফর অর্থনীতির মুল ভিত্তি। এই টাকা নিয়েই পুজিপতি তথা অর্থনৈতিক তাগুত তৈরী হচ্ছে৷ সেই জমাকারী ব্যাক্তি তার জমা টাকার উপর যদি সুদ গ্রহণ করে তাহলে তো সে সুদ খাওয়ার অপরাধেও অপরাধী তথা মায়ের সঙ্গে যেনা করার মতো গুনাহ করছেন। আর যদি সুদ গ্রহণ না করে তো কুফর অর্থনীতির একজন সেবক হওয়ার দায় এড়াতে পারে না যারা সামান্য টাকা লোন নেয় আবার ফেরতও দেয় তারা ব্যংকের প্রফিট বৃদ্ধি করে যাচ্ছেন। ব্যাংক মুলত লাভ করে এদের উপর থেকেই। যারা প্রভাব খাটিয়ে প্রচুর অর্থ নিয়ে আর শোধ দেয় না বা গড়িমসি করে তাদের কারণে ব্যাংক মুলত লস করে। এই ক্ষতি পুরন করা এবং ব্যাংকের লাভ দিনে দিনে বৃদ্ধি করার দ্বায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে এসব ঋণ গ্রহীতা। তাছাড়া সুদ দেয়ার মতো কবিরা গুনাহ তো আছেই সুতরাং এসব মানুষ নিজেদের সাধারণ ভাবতে পারেন কিন্তু তাগুতি সিস্টেম টিকিয়ে এবং শক্তিশালী করার দ্বায়িত্ব তারা নিজেদের অজান্তেই করে যাচ্ছেন। একই সাথে নিত্যনতুন তাগুতও এদের কারণেই তৈরী হচ্ছে।

বাংলাদেশের কোটিপতি ব্যবসায়ীদের প্রায় সবাই প্রথম জীবনে মোটামুটি মধ্যবিত্ত লেবেলে বা নিন্ম মধ্যবিত্ত লেবেলে জীবন যাপন করতেন৷ কিন্তু এখন বিশাল সাম্রাজ্যের মালিক। কোথায় পাইছে এত টাকা? সবগুলোই ব্যাংকের টাকা অর্থাৎ সাধারণ মানুষের টাকা। সামান্য ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান দেখিয়ে বা সামান্য সম্পত্তি বন্ধক রেখে শত কোটি টাকা নিয়ে নিয়েছে। অথচ তার ব্যবসা বা সম্পত্তির দাম কয়েক লাখ টাকা। মানে কয়েক লাখ টাকার সম্পত্তির বিপরীতে শত কোটি টাকা লোন। নানা রকম প্রভাব প্রতিপত্তি খাটিয়ে এসব লোন নেয়া হয়। নিয়মানুযায়ী বন্ধকি সম্পত্তি যদি ১০০ টাকা হয় তো লোন পাবে সর্বোচ্চ ৮০ টাকা বা তারও কম। এবং সময় মতো লোনের টাকা ফেরত দিয়ে যেতে হবে। কিন্তু ওইসব ক্ষমতাধররা সেটাও করে না। মামলা হলে কোর্টে টাকা খাওয়ায়। যে টাকা শোধ করার কথা ১০ বছরে সেটা শোধের জন্য সময় পাওয়া যায় ৮০ বছর। এই যে এস আলম গ্রুপ। এখন যদি মামলা হয় তো তার লাভ। সে এই লোন শোধের জন্য কয়েক দশক সময় নিয়ে নিবে। প্রথমত মামলা চালাবে অনেক বছর ধরে। এরপর রায়।হবে। এস আলম প্রমাণ করবে লোন শোধ করতে তার সময় লাগবে অনেক কারণ তার ইচ্ছে আছে কিন্তু সামর্থ নাই। তো কোর্ট তো এদের জন্যই.... তাই না? এই হলো কুফরের রাজত্বের চিত্র। কুফর রাস্ট্রব্যবস্থা, কুফর আইন - কোর্ট এবং কুফর অর্থনীতি - ব্যাংকিং সিস্টেম সবকিছুই কাজ করে যাচ্ছে তাগুতের খেদমত এবং নিত্যনতুন তাগুত সৃষ্টির কাজ। এসব ব্যবসায়ীরাই কুফর সিস্টেম ধরে রাখে এবং কাফেরদের ক্ষমতায় বসিয়ে রাখে নিজেদের সুবিধার জন্য। এরা সবাই তাগুত।

৩০ হাজার কোটি টাকা নিয়ে গেছে। ( যদিও প্রকৃত হিসাবে এক লক্ষ কোটি টাকারও বেশি )। এগুলো কার টাকা? সাধারণ মানুষের টাকা। এসব লোন নেয়া হয় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে - ঘুষ দিয়ে। এগুলো আর শোধ হয় না। একসময় মামলা হয়। বিচার চলাকালীন সময়ে টাকা দিতে হয় না। তারপর সময় দেয়া হয়। দীর্ঘ সময়ে শোধ করার ফর্মুলা দেয়া হয় কোর্ট থেকে৷ তাও পুরো পুরি শোধ হয় না। সাধারণ মানুষ তাদের দিনরাত পরিশ্রমের টাকা ব্যংকে জমা রাখে। আর এগুলো টাকা দিয়ে কিছু মানুষ ধনী থেকে ধনী হয়। এরপর সেই লোকগুলোই ওই সাধারণ মানুষদের উপর খোদায়ী করে। এটাই কুফরি সিস্টেমের নিয়ম। এটাই পুজিবাদের সিস্টেম।

Repost from N/a
মানুষের প্রথম গুনাহ এমন একটি লোকমার মতো, যা কোনো ক্ষুধার্ত ব্যক্তি ভক্ষণ করলে এটি তার ক্ষুধাকে নিবারণ করে না। বরং ক্ষুধা আরও বাড়িয়ে দেয়। ইবনুল জাওযী রাহিমুহুল্লাহ