fa
Feedback
C.H.Article 07

C.H.Article 07

رفتن به کانال در Telegram

رَبَّنَا لَا تُزغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً إنّكَ أَنْتَ الْوَهّابً.. [হে আমাদের রব! হিদায়াত দেওয়া পরে আমাদের অন্তরকে বক্র করবেন না এবং আপনার পক্ষ হতে আমাদের রহমত দান করুন।নিশ্চয় আপনি মহানদাতা••]

نمایش بیشتر
582
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
اطلاعاتی وجود ندارد7 روز
اطلاعاتی وجود ندارد30 روز

در حال بارگیری داده...

ابر برچسب‌ها
هیچ داده‌ای
مشکلی وجود دارد؟ لطفاً صفحه را تازه کنید یا با مدیر پشتیبانی ما تماس بگیرید.
اشارات ورودی و خروجی
---
---
---
---
---
---
جذب مشترکین
مارس '24
مارس '24
+23
در 2 کانال‌ها
فوریه '24
+34
در 2 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '24
+62
در 1 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '23
+72
در 4 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '23
+34
در 7 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '23
+55
در 2 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '23
+19
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '23
+36
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '23
+37
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '23
+36
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '23
+25
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '23
+28
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '23
+41
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '23
+22
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '23
+29
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '22
+29
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '22
+14
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '22
+16
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '22
+21
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '22
+24
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '22
+23
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '22
+18
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '22
+24
در 0 کانال‌ها
Get PRO
آوریل '22
+38
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مارس '22
+23
در 0 کانال‌ها
Get PRO
فوریه '22
+13
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژانویه '22
+21
در 0 کانال‌ها
Get PRO
دسامبر '21
+15
در 0 کانال‌ها
Get PRO
نوامبر '21
+14
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اکتبر '21
+27
در 0 کانال‌ها
Get PRO
سپتامبر '21
+35
در 0 کانال‌ها
Get PRO
اوت '21
+24
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئیه '21
+21
در 0 کانال‌ها
Get PRO
ژوئن '21
+43
در 0 کانال‌ها
Get PRO
مه '21
+168
در 0 کانال‌ها
تاریخ
رشد مشترکین
اشارات
کانال‌ها
26 مارس+1
25 مارس0
24 مارس0
23 مارس0
22 مارس+2
21 مارس+1
20 مارس+1
19 مارس0
18 مارس+2
17 مارس+1
16 مارس+2
15 مارس+1
14 مارس0
13 مارس0
12 مارس+1
11 مارس+1
10 مارس+6
09 مارس0
08 مارس0
07 مارس+1
06 مارس0
05 مارس0
04 مارس+1
03 مارس0
02 مارس+2
01 مارس0
پست‌های کانال
একটা আর্থিক প্রতিষ্ঠান যখন ব্যংকের লাইসেন্স পায় তখন সে বন্ধ হতে পারে না। তার অবস্থা যতই খারাপ হোক, তার টাকা সব চলে যাক৷ কিন্তু সে বন্ধ হতে পারবে না এবং গ্রাহকদের ( যারা টাকা জমা রেখেছে) টাকা দিতেও বাধ্য৷ কারণ কেন্দ্রীয় ব্যংক ( বাংলাদেশ ব্যংক) লাইসেন্স প্রাপ্ত ব্যংক গুলোর অভিভাবক ৷ বিপদে পড়া ব্যংকের দ্বায়িত্ব নিয়ে নেয় কেন্দ্রীয় ব্যংক। টাকা লাগলে টাকা দিবে, পরিচালকদের সরিয়ে বাংলাদেশ ব্যংক সে ব্যংক পরিচালনা করবে। তবে যদি বাংলাদেশ ব্যংক অনুমোদন করে যে অমুক ব্যংক বন্ধ হবে তাহলে সে ব্যংক বন্ধ হবে। কিন্তু গ্রাহকদের টাকা বাংলাদেশ ব্যংক ফেরত দিবে। কথা হচ্ছে বাংলাদেশ ব্যংক এত টাকা কোথায় পায়। এসব টাকা বিভিন্ন ব্যংক থেকে আসে। লাইসেন্স প্রাপ্ত সরকার এবং বেসরকারি ব্যংক গুলো তাদের কাছে থাকা গ্রাহকদের জমাকৃত টাকার একটা অংশ প্রতি মাসে বাংলাদেশ ব্যংকে জমা রাখে। সেখান থেকেই বাংলাদেশ ব্যংক এসব ঝামেলা মেটায়। আবার অনেক সময় সরকারকে লোন দেয়৷ (ধারাবাহিক পর্বে সমাপ্ত.......)

2
আলহামদুলিল্লাহ। সুম্মা আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহু আকবর। মস্কোর কনসার্ট হলে বন্দুকধারীর হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ জনে। গতকাল শুক্রবার রাতে রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর ক্রোকাস সিটি হলের কনসার্ট হলের ভেতরে ছয়জন সশস্ত্র ব্যক্তি এলোপাথাড়ি গুলি করতে শুরু করে। প্রাথমিক অবস্থায় মৃতের সংখ্যা কম থাকলেও সময়ের সাথে বাড়তে শুরু করে মৃতের সংখ্যা। ইতিমধ্যে এ হামলার দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেটের খোরাসান শাখা। আক্রমণকারী ছয়জনের মধ্য থেকে ৪ জন পালিয়ে যেতেও সক্ষম হয়েছে বলে জানিয়েছে রাশিয়ার বিভিন্ন গণমাধ্যম।
96
3
+1
بدون متن...
93
4
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি প্রডাক্ট আসে চীন থেকে, দ্বিতীয় অবস্থানে ভারত। বাংলাদেশ ক্রমাগত চীনের ঋনের বেড়াজালে আটকে যাচ্ছে যেমন আটকে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তান। পরিনতি কি সবাই জানে। এ অঞ্চলের অর্থনীতি এবং সম্পদের উপর আমেরিকা, আইএমএফ'র পুর্ণ কতৃত্ব। বাংলার ব্যবসায়ীরা ক্রীতদাস বানিয়ে রেখেছে পুরো কওমকে। তাগুত সরকার, প্রশাসন এসব আগ্রাসনের সুযোগ করে দিচ্ছে, । শিক্ষা এবং সংস্কৃতি কওমকে কাফেরদের গোলামিতে সুখের ট্রেনিং দিচ্ছে এ সমস্ত কাফেরদের বয়কট করুন। নির্দিষ্ট কাউকে নয়৷ প্রতিটি পদক্ষেপে, প্রতিটি কাজে,চিন্তায়, কথায় বয়কট করুন৷ শুধু বাজারে গিয়ে নির্দিষ্ট কয়েকটি পণ্য বয়কট করে কিছু হবে না৷
124
5
বয়কট সমর্থন করা যায় কিন্তু সমাধান নয়।  ভারতকে বয়কট করে চীনকে গ্রহণ করতে হবে,  করতে বাধ্য।  আবার চীনের আগ্রাসন থেকে রক্ষা পেতে আমেরিকার পায়ে নিজেকে সমর্পণ করতে হবে।  কারণ কোন অঞ্চলই পুরো পুরি স্বয়ংসম্পুর্ন নয় এবং  একটা জাতীয়তাবাদী অঞ্চলের জন্য এছাড়া কিছুই করার নাই।  তার উপর সে অঞ্চল যদি হয় সাম্রাজ্যবাদীদের গোলামদের শাসনে, কন্ট্রোলে। একটি আত্নমর্যাদাসম্পন্ন সরকার এবং ঐক্যবদ্ধ বিস্তৃত অঞ্চলই পারে আগ্রাসীদের আগ্রাসন এবং গোলামী থেকে পুরো পুরি বেঁচে থাকতে।  আর এটা একমাত্র খিলাফতেই সম্ভব। 
143
6
মানুষের সময়, শ্রম এবং সম্পদকে ( জমি,স্বর্ণ) কাগজের টাকায় রুপান্তর করে ব্যংক নামক কোম্পানিতে জমা রাখা হয়৷ সে টাকা ঋণের নামে চলে যাচ্ছে কিছু ব্যক্তির হাতে এসব ব্যক্তি কোনভাবে একটা ব্যবসা দাঁড় করিয়েছে৷ এরপর প্রভাব খাটিয়ে বা ব্যংকের ম্যানেজার / এমডি/ ডিরেক্টরের সাথে সুসম্পর্কের জোরে বিভিন্ন নামে বেনামে নিয়ে যাচ্ছে ঋণের নামে৷ গড়ে তুলছে নিজের সাম্রাজ্য৷ এবার এরাই পুরো অর্থনীতি, বাজার কন্ট্রোল করা শুরু করল৷ সাধারণ মানুষের সময় এবং শ্রমকে রুপান্তর করা টাকা এদের কাছে চলে যাওয়া শুরু হলো দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির নামে। এরা এই টাকা নিয়ে যাচ্ছে বিদেশে৷ যেহেতু কুফর অর্থনীতি চলে ডলারকে কেন্দ্র করে সেহেতু ডলারে রুপান্তর করা হয় টাকা। এরপর বাইরে পাঠিয়ে দেয়া হয়৷ সংকট হয় ডলারের। সংকট সমাধান হয় ভ্যাটের নামে, ট্যাক্সের নামে, বিদ্যুৎ গ্যাস এর দাম বাড়ার নামে। পুরো সিস্টেম কিভাবে মানুষকে ক্রীতদাস বানিয়ে দিচ্ছে এটা হচ্ছে তার নমুনা। এককালের জমিদারি প্রথার চাইতেও ভয়ংকর এই পুজিবাদী ব্যবস্থা।
160
7
মৃত্যু কখন আসবে কেউ জানে না।  হয়তো তখন কেউ থাকবে মদ্যপ অবস্থায়, কেউ ব্যভিচারে রত, কেউ কনসার্টে, কেউ বেনামাজি অথবা কেউ ঈমান থেকেই অনেক দুরে। বুদ্ধিমান সবসময়ই মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাকে আর আহাম্মকের কাছে মৃত্যু অনেক দুরে।
175
8
ক্যাপিটালিজম মানুষের মধ্যে চাহিদার পর চাহিদা সৃষ্টি করে। যার ফলস্বরূপ হতাশা আসতে থাকবে৷ কারণ কোন মানুষই তার সব চাওয়া পুরন করতে পারে না। হতাশার চাপ যারা সহ্য করবে পারে না তারাই আত্নহত্যা করে।  এছাড়া মানুষের মধ্যে লোকদেখানো প্রবনতা,একের উপর অন্যের টক্কর দেয়ার মানষিকতা ক্যাপিটালিজম তৈরি করে দেয়। মুলত মানুষের জীবনের লক্ষ্যই হয়ে যায় " আমি সেরা" -- জাতীয়।  এটাতে ছন্দপতন হলেই আত্নহত্যা৷ ক্যাপিটালিজম মানুষের মধ্যে দুনিয়া কেন্দ্রীক লক্ষ্য, চাওয়া, মানষিকতা - আকিদা তৈরি করে৷ আখেরাতে বিশ্বাসী মানুষও এমন হয়ে যায় নিজের অজান্তে।  মুখে আখেরাতে বিশ্বাসের কথা বললেও তার পুরো অন্তর জুড়ে থাকে দুনিয়া৷ ক্যাপিটালিজমের মতো বিধ্বংসী মতবাদ গ্রহণের কারণে  বাংলাদেশ সহ সারা দুনিয়ার চিত্র এটাই। 
187
9
গত ৩০০ বছরের ইতিহাসে ( আজ পর্যন্ত) বাংলায় একজন মুসলিম শাসকও পাওয়া যায় না৷ শিয়া মুশরিকদের থেকে বৃটিশ। এরপর বৃটিশদের গোলাম মুরতাদ। এরপর ভারত বা আমেরিকার দালাল মুরতাদরাই এই অঞ্চল শাসন করেছে। এই কওম দীর্ঘ ৩০০ বছরেরও বেশি সময় মুশরিক - কাফের - মুরতাদ দ্বারা এবং কুফর নিয়ম কানুন দ্বারা শাসিত হচ্ছে৷
196
10
মুসলিম থেকে হিন্দু হওয়া মেয়েটি একজন নয়, এমন অনেক আছে। অনেক মুসলিম নারী হিন্দুদের সাথে প্রেম করছে, কাফেরদের সন্তান ধারণ করছে, হিন্দুদের সাথে লিভ টুগেদার করছে৷ গার্মেন্টস সেক্টরে, পাবলিক এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্টদের মধ্যে এসব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে৷ হিন্দু ছেলেরা স্মার্টনেস বা উদার মানষিকতা বা জ্ঞানী - শিক্ষিত হওয়ার ভান ধরে, মিথ্যা মুখোশ পরে কিছু আহাম্মক মেয়েকে প্রলুব্ধ করছে। মুসলমানদের ঈমান ধরতে গেলে না-ই৷ এখন পরবর্তী প্রজন্মকে পুরো পুরি কাফের বানিয়ে দেয়াই এদের লক্ষ্য। মন্দিরে গিয়ে পূজা করা লাগবে না, কাফেরদের আকিদা - বিশ্বাস - মানষিকতা - রুচি অন্তরে আর চলনে-বলনে থাকলেই হলো৷ এটাই যথেষ্ট। শুধু মেয়ে নয় মুসলিম ছেলেরাও হিন্দু মেয়েদের টোপে পড়ছে। নামকাওয়াস্তে মুসলিম হওয়া বা যার ধর্ম সে পালন করবে এই নিয়মে বিয়ে পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে হিন্দু মেয়ে এবং মুসলিম ছেলের। হিন্দু ছেলেরা,মুসলিম ছেলেদের সাথে বন্ধুত্বের ইতিহাস অনেক আগে থেকেই চলছে। তার পরিমাণ বাংলাদেশের মুসলমানদের মধ্যে ঈমানী জযবার অভাব এবং দ্বীনের মুল রুকনের প্রতি উদাসীনতা। হিন্দু ঠিকই তার ধর্মে আছে, তার ধর্মের জন্য কাজ করছে, তার ধর্মকে বিজয়ী করতে চেষ্টা করে যাচ্ছে। কিন্তু মুসলিম নিজ দ্বীন থেকে বিচ্যুত৷
217
11
মক্কা বিজয়, বদর যুদ্ধ বিজয়,  ২০১৪ সালের খিলাফত ঘোষণা সবই হয়েছে রমাদান মাসে। এ মাস তাকওয়া অর্জনের মাস,কুরআন নাযিলের মাস, গুনাহ মাফের মাস,আল্লাহ'র রহমতের বৃষ্টির মাস।  এ মাসে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার পাশাপাশি দক্ষ মুজাহিদ হিসেবে গড়ে তোলার সংকল্প নিতে হবে ।
213
12
রমজানের চাঁদ দেখা গিয়েছে।  আগামীকাল থেকে রোজা শুরু ইনশাআল্লাহ
412
13
সারাবিশ্বে  একইদিনে সিয়াম এবং ঈদ পালনের বিরোধিতাকারীদের একটা ইস্যু তৈরী হচ্ছে।  ব্যপারটা ক্লিয়ার করে দেয়া দরকার৷ সুর্য উঠে পূর্ব দিক থেকে আর চাঁদ পশ্চিম দিক থেকে। এ বছর রমজানের চাঁদ দুনিয়ার আকাশে প্রথম দেখা যাওয়ার কথা ১০ মার্চ ২০২৪ ইংরেজি) ।  এটা প্রথম দৃশ্যমান হবে আমেরিকার হাওয়াইন দ্বীপপুঞ্জ এবং ফ্রান্সের কিছু এলাকায়। তাও খোলাচোখে সম্ভব হওয়ার সম্ভাবনা কম যখন চাঁদ ওদিকে উঠবে তখন বাংলাদেশ বা মধ্যপ্রাচ্যে ১১ তারিখ দুপুর ১১/১২ টা। অর্থাৎ রমজান মাস যখন ঢুকবে তখন আমাদের অঞ্চলে দুপুর। সে হিসেবে এখানে রোজা রাখা যায় না। রাখা যাবে পরদিন অর্থাৎ ১২ তারিখ। আর যদি চাঁদ এমন সময় উঠে যখন আমাদের অঞ্চলে ১০ মার্চ রাত তাহলে তো ১১ তারিখ থেকেই রোজা শুরু৷ চাঁদ উঠার আগে কোনভাবেই রমজান শুরু হবে না সেটা ২৯ এ শাবান সন্ধ্যা / রাত হোক অথবা ৩০ এ শাবান সন্ধ্যা /রাত হোক। দৃশ্যমান হলে ২৯ শাবান দিবাগত রাত থেকে রমজান মাস শুরু৷ আর যদি সেদিন দৃশ্যমান না হয় তাহলে পরদিন দিবাগত রাত থেকে রমজান মাস শুরু যদিও চাঁদ দৃশ্যমান না হয়৷ কিন্তু চাঁদ ওঠার সময় তো হতে হবে। তেমনি আমেরিকায় যদি চাঁদ ২৯ তারিখ রাতে দেখা যায় যখন বাংলাদেশে দুপুর তখন বাংলাদেশে রমজান শুরু হবে না। শুরু হবে মাগরিবের পরে থেকে । যদি ২৯ এ শাবান আমেরিকার ওই অঞ্চলে চাঁদ দৃশ্যমান না হয় তাহলে ৩০শে শাবান তো দেখা যাবেই তাই বলে বাংলাদেশে সেদিন থেকেই রোজা শুরু হবে না। কারণ তখনও ওই স্থানে ৩০ শে শাবান শেষ হয় নাই৷ সৌদি আরব বা মধ্যপ্রাচ্যের সাথে আমাদের পার্থক্য ২-৩ ঘন্টা৷ আর আমেরিকার যে এলাকায় সর্বপ্রথম চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা বলা হচ্ছে তার সাথে আমাদের পার্থক্য ১৬-১৭ ঘন্টা। তারা আমাদের চাইতে ১৬-১৭ ঘন্টা পিছনে।
270
14
কনসার্ট, ক্রিকেট, ফুটবল, সিনেমা.......একটা শেষ হতে না হতে আরেকটা। বিনোদনে ব্যস্ত পুরো কওম৷ পুজিবাদের সিস্টেম হলো মানুষকে বিনোদন আর ভোগের নেশায় ডুবিয়ে রাখা। পুজিবাদী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর চিন্তা করার সময়ও তাদের নেই। পুজিবাদীদের অত্যাচার সহ্য করে যেতে থাকে। আর কিছুদিন পর পর তাদের সামনে হাজির হয় নিত্যনতুন বিলাসীতা আর বিনোদন। অত্যাচারের সব দুঃখ মাথা থেকে বেরিয়ে যায়। এভাবেই পুজিবাদ টিকে থাকে আর শোষণ করে। পুজিবাদী আকিদা যখন কওমের মধ্যে ঢুকে যায় তখন এসব বিনোদন - বিলাসিতায় তারা কোন ক্ষতি খুঁজে পায় না। এ ক্ষেত্রে দ্বীন পালনকারী আর দ্বীন বিচ্যুত একই। কার উভয়ের ঈমান পুজিবাদের উপর।
217
15
ডেমোক্রেসি মানে সেকুলারিজম। মানুষের ইচ্ছায়, মানুষের পছন্দমত, মানুষের আইন - নিয়ম অনুযায়ী পরিচালনা সিস্টেমের নাম ডেমোক্রেসি। গন
ডেমোক্রেসি মানে সেকুলারিজম। মানুষের ইচ্ছায়, মানুষের পছন্দমত, মানুষের আইন - নিয়ম অনুযায়ী পরিচালনা সিস্টেমের নাম ডেমোক্রেসি। গনতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাজনীতি -নির্বাচনের মাধ্যমে ইসলাম কায়েমের দাবিদাররাই শুধু এই চরম সত্য অস্বীকার করে।
265
16
বাংলাদেশে খাদ্যপণ্য আমদানি করে ৩/৪ টা কোম্পানি। তারা নিজেদের মধ্যে সিন্ডিকেট করে ফেলছে। এটা গোপন সিন্ডিকেট। পণ্য তারা যে ইচ্ছে সে দামে বাজারে ছাড়ে। আবার এদের থেকে যেসব পাইকার নেয় তারাও সিন্ডিকেট বানিয়ে ফেলছে৷ তারা একটা দাম ঠিক করে এবং সেদামে বাজারে ছাড়ে। কখন পন্য ছাড়া হবে, কতটুকু ছাড়া হবে সেটাও তারা ঠিক করে৷ যদিও তারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় থাকে এবং যার যার নিজের মতো ব্যবসা করে। কিন্তু সিন্ডিকেট শুধু এই জালিয়াতি গুলোর জন্য । পোল্ট্রি ক্ষেত্রেও একই অবস্থা৷ বড় দুই তিন পোল্ট্রি ব্যবসায়ী ইচ্ছে মতো মুরগী এবং বাচ্চার দাম বাড়ায় কমায়। এতে একদিকে জনগনের টাকা লুটপাট হয় অন্যদিকে ক্ষুদ্র পোল্ট্রি গুলো বসে যায়৷ ফলে এদের একচেটিয়া কতৃত্ব তৈরি হয়৷ এর নাম মনোপলি বিজনেস বা একচেটিয়া ব্যবসা। সরকার কিছু করে না কারণ এরাই সরকার টিকিয়ে রাখে, সরকারকে টাকা দেয়, ভাগ দেয়। আবার এদের মধ্যেই সরকারের নেতারা আছে৷ বাংলাদেশের অর্থনীতি হলো পুজিবাদী মুক্ত বাজার অর্থনীতি। মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে বাজারের উপর সরকার কন্ট্রোল করতে পারে না৷ বাজার চলে বাজারের মতো। আর পুজিবাদী অর্থনীতিতে বাজার তো নিয়ন্ত্রণ করে কয়েকটি কোম্পানি।
265
17
তাওহীদের বেসিক বিষয় গুলো পর্যন্ত এরা অস্বীকার করছে। কোন কথা ছাড়াই হত্যা করুন এসব মুশরিকদের৷ এরা মুসলমানদের আকিদা ধ্বংস করছে।
তাওহীদের বেসিক বিষয় গুলো পর্যন্ত এরা অস্বীকার করছে।  কোন কথা ছাড়াই হত্যা করুন এসব মুশরিকদের৷ এরা মুসলমানদের আকিদা ধ্বংস করছে। 
255
18
হঠাৎ করেই খতনা করতে গিয়ে বাচ্চাদের মৃত্যুর ঘটনা বেড়ে গিয়েছে মনে হচ্ছে৷ আর মিডিয়াও এটা নিয়ে যথেষ্ট সরব৷ ব্যপারটাকে এত সহজ ভাবে দেখার সুযোগ নাই। মুরতাদ প্রধানমন্ত্রীও এ ব্যপারে নাক গলানো শুরু করেছে৷ একসময় দেখা যাবে খতনা সংক্রান্ত বিভিন্ন শর্ত এবং নিয়ম কানুন চালু হবে। এসব মৃত্যু এবং মিডিয়ায় খতনা নিয়ে ব্যপক আলোচনা হতে পারে খতনা নিষিদ্ধকরণের পক্ষে প্রথম পদক্ষেপ৷
253
19
+5
بدون متن...
287
20
সুদখোরদের হত্যা করুন কোন প্রশ্ন ছাড়াই। এদের সম্পদ লুট করুন। সুদভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি এবং এসবের মালিক - কর্মচারীদের প্রতি
সুদখোরদের হত্যা করুন কোন প্রশ্ন ছাড়াই। এদের সম্পদ লুট করুন। সুদভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি এবং এসবের মালিক - কর্মচারীদের প্রতি কোন সহানুভূতি রাখবেন না। কুফর অর্থনীতি মানুষকে অভাবে নিক্ষেপ করে ঋণ নিতে বাধ্য করে এবং সুদখোররা ঋণের প্যাকেজ নিয়ে হাজির হয়৷ তাগুত সরকার, তাগুত কোম্পানি এবং সুদখোর একই গোয়ালের গরু৷
406