fa
Feedback
Engineer's Diary

Engineer's Diary

رفتن به کانال در Telegram

📈 تحلیل کانال تلگرام Engineer's Diary

کانال Engineer's Diary (@engineersdiary) در بخش زبانی بنگالی بازیگری فعال است. در حال حاضر جامعه شامل 10 569 مشترک است و جایگاه 18 713 را در دسته آموزش و رتبه 2 181 را در منطقه بنغلاديش دارد.

📊 شاخص‌های مخاطب و پویایی

از زمان ایجاد در невідомо، پروژه رشد سریعی داشته و 10 569 مشترک جذب کرده است.

بر اساس آخرین داده‌ها در تاریخ 05 ژوئیه, 2026، کانال فعالیت پایداری دارد. در ۳۰ روز گذشته تغییر اعضا برابر -144 و در ۲۴ ساعت گذشته برابر -4 بوده و همچنان دسترسی گسترده‌ای حفظ شده است.

  • وضعیت تأیید: تأیید نشده
  • نرخ تعامل (ER): میانگین تعامل مخاطب 5.95% است و در ۲۴ ساعت نخست پس از انتشار، محتوا معمولاً 2.29% واکنش نسبت به کل مشترکان کسب می‌کند.
  • دسترسی پست‌ها: هر پست به طور میانگین 629 بازدید دریافت می‌کند. در اولین روز معمولاً 242 بازدید جمع‌آوری می‌شود.
  • واکنش‌ها و تعامل: مخاطبان به‌طور فعال حمایت می‌کنند؛ میانگین واکنش به هر پست 4 است.

📝 توضیح و سیاست محتوایی

نویسنده این فضا را محل بیان دیدگاه‌های شخصی توصیف می‌کند:
EngineersDiaryBD.com

به لطف به‌روزرسانی‌های پرتکرار (آخرین داده در تاریخ 06 ژوئیه, 2026)، کانال همواره به‌روز و دارای دسترسی بالاست. تحلیل‌ها نشان می‌دهد مخاطبان به‌طور فعال با محتوا تعامل دارند و آن را به نقطه اثرگذاری مهم در دسته آموزش تبدیل کرده‌اند.

10 569
مشترکین
-424 ساعت
-397 روز
-14430 روز
آرشیو پست ها
photo content

আমেরিকার ৪ জন প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব পালন অবস্থায় খুন হইছে। সর্বপ্রথম জন আব্রাহাম লিঙ্কন। সর্বশেষ কেনেডি। আব্রাহাম লিঙ্কনের জানাযা বা অন্ত্যষ্টিক্রিয়ায় হোয়াইট হাউজে উপস্থিত ছিল ৬০০ (ছয়শো) জন। তার লাশ টানা দুই মাস ধরে রেলে করে ১ হাজার ৬ শ মাইলের বেশি ঘুরানো হয়। আমেরিকার স্টেটে স্টেটে। এই পুরা জার্নিতে তার কফিনে শ্রদ্ধা জানাইতে আসছে ১ মিলিয়ন বা ১০ লাখ মানুষ। দুই মাসে। কেনেডির মৃত্যুর পর তার বউ মার্কিন সেনাবাহিনিকে অনুরোধ করছিল যেন তার শেষকৃত্যও লিঙ্কনের মত হয়। তার শেষকৃত্যে এরকমই রাষ্ট্রীয়ভাবে ৯২ টা দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হইছে। তার শেষকৃত্যের দিনকে রাষ্ট্রীয় শোক দিবস ঘোষণা করে সবকিছু ছুটি দেওয়া হইছে, যেন সবাই অংশ নিতে পারে। আমেরিকার টেলিভিশনগুলোতে টানা ৪ দিন, কোনো ধরনের বিজ্ঞাপন ছাড়া, বিরতিহীনভাবে কেনেডির অন্ত্যষ্টিক্রিয়া প্রচারিত হইছে। এই সবকিছুর পরে তার শেষকৃত্যে লোক হইছিল ১২ শ জন। বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা সহ। জনগণকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য ১৮ ঘণ্টা সময় দেওয়া হইছিল। এই সময়ে আড়াই লাখ মানুষ শ্রদ্ধা জানাইছে তাকে। এদিকে খামেনির জানাযায় বিবিসি, রয়টার্স, আল জাযিরা-সহ গ্রহণযোগ্য সমস্ত পত্রিকার ভাষ্যমতে দেড় থেকে দুই কোটি মানুষ হবে। জানাযা উপলক্ষে আসা মুসল্লিদের মাঝে বিতরণের জন্য ৫ কোটি রুটি তৈরি করা হচ্ছে। কোথায় আড়াই লাখ, আর কোথায় দুই কোটি!! অথচ কেনেডির মৃত্যুর সময় আমেরিকার জনসংখ্যা ছিল ১৮ কোটি ৯২ লাখ, অর্থাৎ প্রায় ১৯ কোটি। ইরানের বর্তমান জনসংখ্যা ৯ কোটি। ১৯ কোটি থেকে আড়াই লাখ, ৯ কোটি থেকে দুই কোটি! তারপরও মার্কিন প্রেসিডেন্টরা অফ দ্য পিপল, ফর দ্য পিপল, বাই দ্য পিপল। আর ইরানি রেজিম জনবিচ্ছিন্ন! @ রাকিবুল হাসান

টু বি ভেরী অনেস্ট, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিলে আমাদের ৯০% ছেলেমেয়ে ফেল করবে। সাহিত্য-সংস্কৃতির সাথে একদম সম্পর্কহীন ছেলেমেয়েদের কথা বাদই দেন... আমাদের মাঝে যারা খুব প্রগতিশীল, বইপত্র পড়া, সিনেমা দেখা কালচারালি উওক... তারাও ফেল করবে। কেন জানেন?৷ জাস্ট একটা ছোট উদাহরণ দেই। এসএসসি এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র পরীক্ষা মনে আছে? ৫টা রচনার মাঝে ১ টা দিতে হইতো? ২০ মার্ক? ঐখানে কিন্তু বেশ ইন্টারেস্টিং এন্ড ক্রিয়েটিভ কিছু টপিক থাকতো। "অধ্যাবসায়", "সময়ের মূল্য", "আমার জীবনের লক্ষ্য".. বাট সব বাদ দিয়ে আমরা কোনটা লিখতাম বলেন তো? আমরা লিখতাম "দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞানের অবদান", "জনসংখ্যা সমস্যা ও তার প্রতিকার" বা "পরিবেশ সংরক্ষণে বনায়ন"... মনে করে দেখেন দুই পরীক্ষাতেই আপনারা ঘুরেফিরে এগলাই লেখসেন! কেন? কারণ এইগুলা সাবজেক্টিভ, ডেটা ড্রিভেন টপিক। এগুলায় মুখস্থ করে প্রচুর লেখা যায়, ডেটা, সংখ্যা বা ফ্যাক্টস নীল কালী সবুজ কালী দিয়ে হাইলাইট করা যায়... যে টিচার খাতা কাটেন তাঁর চোখে "আলাদা করে" ধরা পড়া যায়। সবচেয়ে বড় (এবং সবচেয়ে প্রমিনেন্ট) কারণটা হলো ভাই ২০ পেজ লেখা যায়! ২২-২৩ টা পয়েন্ট বানানো যায়! এতে ২০ এ মিনিমাম ১৭ পাওয়া সিকিউরড হয়। এ+ টা সিকিউরড হয়। কারণ বেশিরভাগ টিচার তো লেখা পড়ে না, পেজ গুনে নম্বর দেয়! আবার, একটা চিঠি আর একটা দরখাস্ত থাকতো ৯০% পোলাপান দরখাস্ত দিতো! কারণ দরখাস্তের সবগুলা অংশ ঠিকঠাক দিতে পারলেই নম্বর। এক পেজে শেষ করতে পারলে নম্বর! ১০ এ ৮ বা ৭.৫! চিঠিতে অনেক লেখা লাগে, সেই তুলনায় নম্বর কম। কাজেই এখন আমরা যতই মনে করি "আমার ছেলেবেলার ইচ্ছেগুলো", "পথের পাঁচালীর দূর্গার সাথে ট্রেনে একদিন", " পছন্দের লেখককে চিঠি" "সাহিত্যর শক্তিশালী নারী চরিত্র" বা "কেটে ফেলা জঙ্গলের পাখিদের কথা" টাইপ অবজেকটিভ, মনের মাধুরী মিশায়ে লেখার মতো টপিকে একদম লিখে ফাটায়ে ফেলতে পারবো... আমরা আসলে পারবো না! মানে এতো বড় হয়ে এতো জ্ঞানী হয়েও পারবো না! আমাদের ব্রেনকে ছোটবেলা থেকে ঐভাবে ট্রেইনই করা হয়নাই। আমাদের সৃজনশীলতা বা মনের মাধুরী মিশায়ে লেখার কোন স্কিলই নাই! দেখা যাবে লিখতে গিয়া কলম আগাচ্ছে না, লেখার ধৈর্য্য থাকতেছে না, মাথায় খেলতেছে না কি লিখব! অর্ধেক না লিখতেই, দেখবেন টাইম শেষ! এটা তো পরীক্ষাই দিনশেষে, রাইট? 🙂 তবে হ্যাঁ যদি "যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি গাইড" জাতীয় কোন বই থাকতো, সেখানে এই টপিকগুলার আনসার দেওয়া থাকতো আমরা সেগুলা মুখস্থ ঠোঁটস্থ করে এসে ফাটায়ে লিখতাম... নীল কালী দিয়ে হাইলাইট করতাম, কুয়োট দিতাম, ১০টা লুজশিট নিয়ে আগুন জ্বালায় দিতাম এটা আমার বিশ্বাস আছে! 😛 বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার মূল সমস্যাটা এই জায়গাতে... আর কোথাও না! - তাওসিফ তান

হুমায়ূন আহমেদের সাথে গুলকেতিনের যখন বিয়ে হয় তখন গুলতেকিন ছিলেন চৌদ্দ বছরের স্কুলের ছাত্রী। আর হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিস্ট্রির লেকচারার। অনেকেই বলতে পারেন ওই সময়ে মেয়েদের অল্প বয়সেই বিয়ে হতো। কিন্তু গুলতেকিনের পরিবার তেমন ছিলনা।ঢাকার বনেদী পরিবারের মেয়ে গুলকেতিন।গুলকেতিনের যখন বিয়ে হয়, তখন তার বড় বোনই অবিবাহিত ছিল। পড়ালেখা করছিল। হুমায়ুন আহমেদ নিজেই লিখেছিলেন যে তিনি জানতেন গুলকেতিনকে তার পরিবার কখনো বিয়ে দিবেনা তার কাছে। তাই তিনি একদিন তার ভার্সিটির অফিসে গুলতেকিনকে ডেকে বলেছিলেন-"চলো কোর্ট ম্যারিজ করি!তোমার হাতে তিন মিনিট সময় করবে কি করবেনা ভাবো!" প্রেমে হাবুডুবু খাওয়া এক কিশোরী মেয়েকে এভাবে বললে রাজি হবেই। গুলকেতিনও হলেন। তবে সেদিন তারা কোর্ট ম্যারিজটা করতে পারেনি কারণ গুলকেতিনের বয়স ছিল মাত্র চৌদ্দ। পরবর্তীতে গুলতেকিনের খালাকে সাহিত্যিক চিঠি লিখে রাজি করিয়েছিলেন আমাদের প্রিয় শব্দের জাদুকর! এবং বিবাহিত জীবনেও যে গুলতকিন খুব সুখে ছিলেন ব্যাপারটা এমনও না।হুমায়ূন আহমেদের নর্থ ডাকোটায় পিএইচডি করার সময় একদিন এক পরীক্ষায় পাশ করতে না পেরে তিনি বাসায় এসে রাগ ঝাড়ে গুলতেকিনের উপর।ডিসেম্বরের হিম শীতল রাতে তিনি বাসার জামা পরা অবস্থায় গুলকেতিনকে ঘর থেকে বের করে দেন। ঘরের ভিতরে তখন তাদের ব্রেস্টফিডিং করা শিশু নোভা। প্রচন্ড শীত এবং বাচ্চার চিন্তায় আঠারো-উনিশ বছর বয়স্ক গুলকেতিন বারবার দরজা ধাক্কানো এবং কলিংবেল দেয়ার পরেও দরজা খুলেননি তিনি। পরে শীতে জমে যাওয়ার মতন অবস্থা হলে সে বাসার কাছের এক পরিচিত মহিলার দোকানে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিল। এসব সহ্য করেও ছিলেন গুলতেকিন।হুমায়ূন আহমেদকে ভালোবেসেই ছিলেন। কিন্তু সবশেষে সেই ভালোবাসার সাথেও বেইমানী করেছিলেন আমাদের কথা সাহিত্যিক! শাওন তার ফেসবুক আইডিতে হুমায়ূন আহমেদের তার প্রতি লেখা একটা চিরকুট শেয়ার করেছিল, সেখানে সাল লেখা ছিল ১৯৯৬। সেসময় গুলকেতিনের সাথে সংসার উনার। প্রায় সাত-আট বছরের পরকিয়ার পরে ২০০৩ সালে গুলকেতিন হুমায়ূন আহমেদকে ডিভোর্স দেয়। ওহ হ্যা! ১৯৯৬ সালে শাওন ছিল ক্লাস টেনের ছাত্রী।তার জন্ম ১৯৮১ তে। তাহলে সেসময় শাওনের বয়স পনেরো। আর হুমায়ূন আহমেদের বয়স প্রায় পঞ্চাশ! মানে এখানেও পঞ্চাশ বছর বয়স্ক হুমায়ূন আহমেদ একজন মাইনরকে গ্রুমিং করে তারই আরেক মাইনর অবস্থায় বিয়ে করা বউর সাথে চিট করে। এই লোক ছোটকালে আমার একটা বিশাল আবেগের জায়গা জুড়ে ছিল, ভাবতেই কষ্ট লাগে! - সাফিয়া বিনতে আহমেদ

যেহেতু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আজ হ্যাপি বার্থডে, তাই সবার জানা কথাই আরেকবার একটু বলা যাক: ঢাবি থেকে যুগে যুগে অনেক জ্ঞানীগুণী ব্যক্তিই বের হয়েছে। এখনো হচ্ছে। They have become what they are not because of DU, but in spite of DU. আমার দেখা প্রকৃত মেধাবী ও ক্যারিয়ারে উন্নতি করা ঢাবিয়ান যারা, তারা ঢাবিতে "সান্স পাওয়ার" আগেও যথেষ্ট পটেনশিয়াল ছিল। ঢাবিতে না পড়লেও তারা জীবনে সমান সাফল্যই পেত। ঢাবিতে ভর্তির আগে পুরোপুরি নোবডি ছিল, তারপর ঢাবির ছোঁয়ায় লাইফে লটারি লেগে গেছে, এমন কোনো দৃষ্টান্ত নেই। বরং, বাস্তবে ঢাবি একটা কুয়া। শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ারে উন্নতি করার মতো কোনো ব্যবস্থাই এখানে প্রশাসনিকভাবে নেই। ক্লাসরুমেও বেশিরভাগ শিক্ষক যা পড়ান, তাতে শিক্ষার্থীরা যতটুকু না শেখে তার চেয়ে বেশি ভোলে। গণরুম, ছাত্ররাজনীতি, গবেষণার সুযোগ না থাকা, বিসিএস ও অন্যান্য সরকারি চাকরির ওভার গ্লোরিফিকেশন, শিক্ষার্থীদের নিজেদের ইনস্টিটিউশনাল প্রাউড -- এরকম নানা বৈশিষ্ট্যের সমন্বয়ে একজন তরুণ বা তরুণীকে বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে চূড়ান্ত রকমের পঙ্গু করে দেওয়ার মতো সব উকরণই এই ক্যাম্পাসে সাজানো গোছানো আছে। তারপরও ঢাবিতে পড়া অনেকেই শাইন করে। নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে। এই সাফল্যের কৃতিত্ব পুরোটাই তাদের নিজস্ব। ঢাবির কোনো কৃতিত্ব সেখানে নেই। ওই যেটা বললাম শুরুতে, They succeed not because of DU, but in spite of DU. ঢাবির মতো একটা সার্কাসে পড়েও, জীবনে খেই হারিয়ে ফেলার সমূহ সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও, যারা অনেক বড় কিছু হয়, তাদের হ্যাটস অফ! হ্যাঁ, একটা প্রাকটিক্যাল ট্রুথ অবশ্য আছে যে ঢাবিতে পড়লে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ওঠাবসার সুযোগ হয়, জীবনকে নতুনভাবে চেনা হয়, আর অনেক কানেকশনও তৈরি হয় যেগুলোকে ক্যারিয়ারের বিভিন্ন স্তরে কাজে লাগানো যায়। এ কথাও সত্য যে ঢাবিয়ান বা এক্স-ঢাবিয়ান, এটুকু পরিচয়ও অনেক জায়গাতেই এক্সট্রা প্রিভিলেজ লাভে সাহায্য করে। দেন এগেইন, এই লাভগুলোও ব্যক্তিবিশেষের নিজের। ঢাবিয়ান হওয়া সত্ত্বেও এসব সুবিধা অনেকেই কাজে লাগাতে পারে না। সুতরাং, যারা পারে, সেটাও তাদের ইন্ডিভিজুয়াল সাকসেস। So yes, let's normalise shaming the Gorbito Dhabians. 😀 - পিয়াল

কিন্তু সমস্যা হলো—এদের চেহারা জাপানি, কিন্তু ভাষা পর্তুগিজ। জাপানি কারখানার ম্যানেজার ভাবেন, ছেলেটা জাপানি। ওকে জাপানি ভাষায় নির্দেশ দেন। ছেলে তাকিয়ে থাকে, কিছুই বোঝে না। শেষে বলে, "Bom dia!" (পর্তুগিজে ‘শুভ সকাল’)। ম্যানেজার মাথা চুলকান। ব্যাপারটা ওর কাছে একেবারে নতুন। এখন জাপানের কিছু শহর, যেমন হামামাৎসু আর টয়োহাশিতে, ব্রাজিলিয়ান-জাপানিরা অনেক। এই সংখ্যা টাও প্রায় দুই থেকে আড়াই লাখের মতো। সেখানে পর্তুগিজ ভাষায় সাইনবোর্ড দেখা যায়। ব্রাজিলিয়ান রেস্তোরাঁ আছে। সাম্বা নাচের ক্লাসও হয়। একজন মানুষের নাম ধরা যাক, তানাকা। ওর দাদু জাপান থেকে ব্রাজিলে গিয়েছিলেন। সে এখন জাপানে থাকে। জাপানিরা তাকে বলে, "তুমি ব্রাজিলিয়ান।" আর ব্রাজিলে গেলে ওরা বলে, "তুমি জাপানি।" তানাকা কিছু না বলে হাসে। এই গল্পটা শুধু জাপান আর ব্রাজিলের নয়। এটা মানুষের গল্প। মানুষ যেখানে যায়, সেখানে শুধু নিজের স্যুটকেস নিয়ে যায় না। সঙ্গে নিয়ে যায় রান্নার গন্ধ, ভাষার টান, উৎসবের রঙ, পুরোনো স্মৃতি আর নতুন স্বপ্ন। ১৯০৮ সালে যদি কফির বাগানে দাঁড়িয়ে থাকা সেই ক্লান্ত জাপানি কৃষককে কেউ বলত— "আপনার নাতি একদিন আবার জাপানে ফিরবে। তবে কৃষক হিসেবে নয়, রোবট কারখানার টেকনোলজিস্ট কিংবা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। আর সে পর্তুগিজ ভাষায় বেশি স্বচ্ছন্দ হবে।" লোকটা হয়তো অবাক হয়ে বলতেন, "আচ্ছা... কিন্তু ও ভাত খাবে তো?" এই প্রশ্নের উত্তর একশো বছর পরেও একই রয়ে গেছে। হ্যাঁ, ভাত সে খায়। তবে সঙ্গে কখনও সুশি থাকে, আর কখনও বারবিকিউ। আর টিভিতে ব্রাজিল বনাম জাপানের খেলা দেখে, তখন কোন পক্ষে গলা ফাটাবে, সেটা ঠিক করতে পারে না। এ এক অদ্ভুত সংকট। © Sharif Hassan

জাপানের বাইরে সবচেয়ে বেশি জাপানি কোথায় থাকে? অনেকেই বলবে, আমেরিকা। কেউ বলবে, কানাডা। আরেকটু জ্ঞানী হলে বলতে পারে- হাওয়াই! কিন্তু সত্যিটা হলো—ব্রাজিল। শুনতে অদ্ভুত লাগে, তাই না? জাপানের উল্টো দিকের দেশ ব্রাজিল। মাঝখানে বিশাল প্রশান্ত মহাসাগর। অথচ সেখানেই এখন প্রায় বিশ লাখ জাপানি বংশোদ্ভূত মানুষ থাকে। পৃথিবীর আর কোনো দেশে এত বেশি জাপানি নেই, এক জাপান ছাড়া। কীভাবে গেল ওরা? কেন গেল? সময়টা ১৯০৮ সাল। জাপানে অর্থনৈতিক অবস্থা তখন বেশ খারাপ। খাওয়ার মানুষ বেশি, চাষের জমি কম। যারা চাষাবাদ করতেন, তাদের পরিস্থিতি কঠিন। ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যৎ নেই। ওদিকে ব্রাজিল বিশাল এক দেশ। জমির শেষ নেই। কফির বাগানের জন্য দরকার হাজার হাজার শ্রমিক। তখন দাসপ্রথা শেষ হয়ে গেছে। আফ্রিকা থেকে লোক আনা যাচ্ছে না। ইতালিয়ানরা তখনকার বড় শ্রমিক গোষ্ঠী ছিল ব্রাজিলে। উনিশ শতকের শেষের দিকে কয়েক লাখ ইতালিয়ান কফি বাগানে কাজ করতে যায়। কিন্তু ১৯০২ সালে ইতালি সরকার এক বিশেষ আইন জারি করে ব্রাজিলে শ্রমিক অভিবাসন নিষিদ্ধ করে দেয়। কারণ ব্রাজিলের কফি বাগানে ইতালিয়ান শ্রমিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও দাসসদৃশ অবস্থার খবর ইউরোপে ছড়িয়ে পড়েছিল। যার ফলে ইতালি থেকে নতুন শ্রমিক আসা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ঠিক এই শূন্যস্থান পূরণ করতেই ব্রাজিল জাপানের দিকে তাকায়। জাপান সরকারও এতে রাজি হয়। তাদের ভাবনা ছিল, "আমাদের কৃষকেরা যাবে। কাজ করবে। টাকা জমিয়ে ফিরে আসবে।" এভাবেই ১৯০৮ সালে ‘কাসাতো মারু’ নামের এক জাহাজ সাতশোরও বেশি জাপানি নিয়ে ব্রাজিলের পথে রওনা দিল। এদের বেশিরভাগই ছিল কৃষক। পরনে জাপানি পোশাক। মনে স্বপ্ন—পাঁচ-ছয় বছর খেটেখুটে আবার দেশে ফিরবে। জাহাজ থেকে নেমেই তারা পড়ে বিপদে। একে তো তারা ভাষা বোঝে না। পর্তুগিজ ভাষা ওদের কাছে মনে হতো, কেউ খুব জোরে গান গাইছে। একটা শব্দও তাদের মাথায় ঢোকে না। আবার খাবার চিনতে পারে না। জাপানে ওরা ভাত খায়, মাছ খায়, সয়া সস দেয়। আর এখানে এত বড় বড় গরুর মাংসের টুকরা পুড়িয়ে একজন লোক খেয়ে ফেলে! কফি বাগানের কাজটাও প্রচণ্ড কষ্টের। সকাল থেকে সন্ধ্যা রোদে দাঁড়িয়ে কফি ফল তোলা লাগে। হাতে ফোসকা পড়ে, শরীর খারাপ হয়। অনেকে পালানোর চেষ্টা করে। অনেকে অসুস্থ হয়ে মারা যায়। কিন্তু জাপানিরা সহজে হার মানে না। ওরা বুঝতে পারে, শুধু শ্রমিক হয়ে থাকলে হবে না। নিজেদের কিছু করতে হবে। তাই অল্প অল্প করে জমি লিজ নেওয়া শুরু করে। তারপর নিজেরাই চাষ করে। জাপানিরা ছোট জমি থেকেও বেশি ফলন বের করতে পারে। এটা ওদের পুরোনো অভ্যাস। ওরা শুধু কফি না, সবজি চাষ শুরু করল। স্ট্রবেরি, টমেটো, আলু, চা, পার্সিমন—এমন সব জিনিস আনল, যেগুলো ব্রাজিলে আগে তেমন কেউ চাষ করত না। ব্রাজিলের মানুষ তো অবাক। ওরা বলত, "এই জাপানিরা জমির সাথে এমনভাবে কথা বলে, যেন জমিটা ওদের পরিবারের কেউ।" কয়েক বছরের মধ্যে সাও পাওলো শহরের আশপাশের সবজির বাজার জাপানিদের হাতে চলে গেল। তারপর ধীরে ধীরে ওরা শহরে আসতে লাগল। কেউ দোকান দিল। কেউ দিল কাপড়ের ব্যবসা। কেউ বড় অফিসে চাকরি নিল। কেউ ডাক্তার হলো, ইঞ্জিনিয়ার হলো, শিক্ষক হলো। আজ ব্রাজিলের বহু নামী চিকিৎসক, অধ্যাপক, বিজ্ঞানী, এমনকি সরকারি কর্মকর্তাও জাপানি বংশোদ্ভূত। যে মানুষগুলো একদিন কফি বাগানে ঘাম ঝরিয়েছিল, তাদের নাতিরা এখন বিশ্ববিদ্যালয় চালায়। তবে একটা জিনিস ওরা কোনোদিন ছাড়েনি—বাড়িতে ঢুকে গেলে ওরা এখনো 'জাপানি' হয়ে যায়। বেশিরভাগ পরিবারে এখনো ভাত, মিসো স্যুপ, সুশি রান্না হয়। দাদু-দাদিরা জাপানি ভাষায় কথা বলেন। নাতিরা উত্তর দেয় পর্তুগিজে। দুজনেই একে অপরকে বোঝে। এটা দেখে ভাষাবিদরা অবাক হয়ে যান। আর দাদুরা বলেন, "বাচ্চাটা একটু অলস, তাই জাপানি শেখে না।" কিন্তু ঘরের বাইরে ওরা পুরো ব্রাজিলিয়ান। বারবিকিউ খায়, ফুটবল দেখে, কার্নিভালে নাচে। ফুটবল তো ওদের রক্তে মিশে গেছে। মজার ব্যাপার হলো, ওরা জাপানি সুশিও খায়, আবার গরুর মাংসের চুরাসকোও খায়। ওদের সুশিতে নাকি কখনো ক্রিম চিজও থাকে। জাপানের মানুষ এটা দেখে প্রথমে হাসে, পরে খেয়ে দেখলে চুপ হয়ে যায়। জিহবার স্বাদ আসলে কোনো সীমানা মানে না। ১৯৯০ সালের দিকে জাপানে কারখানা বেড়ে গেল। গাড়ি, ইলেকট্রনিকস—সব জায়গায় শ্রমিক দরকার। কিন্তু জাপানের নিজের লোক কম। জাপান সরকার এক বুদ্ধি বের করল। বলল, "যাদের পূর্বপুরুষ জাপানি, তারা চাইলে এসে কাজ করতে পারবে।" খবরটা ব্রাজিলের জাপানি পরিবারগুলোতে ছড়িয়ে পড়ল। দাদু একশো বছর আগে কাজের জন্য ব্রাজিলে গিয়েছিলেন। এখন নাতি কাজের জন্য জাপানে ফিরবে! ইতিহাস যেন গোল হয়ে ঘুরে। হাজার হাজার তরুণ-তরুণী জাপানে ফিরে গেল। ওরা গাড়ি কারখানায় কাজ নিল, ইলেকট্রনিকস ফ্যাক্টরিতে কাজ নিল। কেউ বড় অফিসে চাকরি পেল, কেউ নিজের ব্যবসা খুলল। কেউ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গেল, পরে শিক্ষক বা প্রকৌশলী হয়ে গেল।

৪৭ বিসিএস এর ফলাফল দেখলেন । কিছু মানুষকে ঘুরে ফিরে ক্যাডার বানানো হয়েছে। আমার ছোট খাটো পরিসরে কয়েকটা রেজাল্ট দেখলাম। ৪৬ এডমিন > ৪৭ পুলিশ ৪৬ এডমিন > ৪৭ কাস্টমস ৪৬ এডমিন > ৪৭ ট্যাক্স আবার একজন মেয়ে ৪৬ এডমিন পেয়েও ৪৭ এ পুলিশ পেয়েছে৷ নতুন করে চয়েস দেবার সুযোগ দেয়া হয়েছিল যেনো এরকম ঘটনাগুলো প্রিভেন্ট করা যায়। এখন সবাই যেই ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত, সেটাকে কেটে রেখে বাকি সবগুলো ক্যাডার চয়েস দিয়ে ভাইভা দিচ্ছে৷ এবং মোবাশ্বের মোমেন তাদের সুপারিশ ও করতেছে৷ রিপিট ক্যাডার এবং লোয়ার ক্যাডারে সুপারিশ বন্ধ করবার জন্য এত আন্দোলন করা হলো। যেই ১৩০০ জনকে সুপারিশ করা হলো, কয়েকশ জন রিপিট। এরা কখনই লোয়ার ক্যাডারে জয়েন করবে না। মোমো তো পারত, এদেরকে ভাইভাতে আটকে দিতে৷ কিন্তু অযোগ্য লোক চেয়ারে বসে আছে। আগের কমিশনের সময় রেজাল্ট দিলে হাজার হাজার পোস্ট দেখা যেতো। এখন হাতে গোনা কিছু। তারপর আবার সেই পুরান মানুষদেরই পোস্ট। বিগত সরকারের সময় এত হাজার হাজার নিয়োগ দেখে মানুষ কর্ম কমিশনের ওপরে আস্থা পেয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে নিয়োগ পদ্ধতিকে পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলা হলো। আর ভাইয়েরা/ আপুরা যারা লোয়ার ক্যাডার চয়েসে রেখে ভাইভা দিলেন, তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা। আপনারা কেনো আরেকজনের রিকিজ নষ্ট করলেন? বিএনপি সরকার আপনাকে ৪৫/৪৬ এ গ্যাজেট না দিলে ৪৭ এ দিবে? জাস্ট একটা ফেসবুকে পোস্টের লোভে একটা মানুষের, পরিবারের স্বপ্ন ভূলুণ্ঠিত করলেন? কি মনে করছেন? এসব করে পার পেয়ে যাবেন? আপনারা যারা লোয়ার ক্যাডারে জয়েন না করবে জেনেও ভাইভা দিয়েছেন, আল্লাহর কাছে দোয়া করব৷ আপনাদের যেনো রিজিক কেড়ে নেয়। এই পদ পদবি যেনো গলার কাটা হয়ে দাড়ায়৷ আপনাদের যেনো প্রকাশ্যে সাজা দেন।

KUETians Recommended as 47 BCS Cadres 1. জুবায়ের ইসলাম IEM 14 Foreign 2. Sadiq Müsanna BME 15 Foreign 3. Jawadul Alam ME 16 Admin 4. Sagor Mozumder ME 16 Admin 5. Shaikh Zillur Rahman LE 16, Family Planning 6. AviJit Saha ECE 16 Tax 7. Samsad Hassan Arnob EEE 16 Customs 8. তাহমিদ রেহমান CSE 16 Tax 9. Neamol Mowla ME 17 Admin 10. Uttam Sarker ME 17 PWD 11. Rahidul Islam EEE 17 Customs 12. Mehrab Faisal Tax 13. Nafim Uddin Family Planning 14. Tanzim Ferdous Amio CE 18 Police 15. Nayeem Jamil ESE 16 Ansar 16. Anamul Haque ESE 17 Family Planning 17. Asaduzzaman Sunny BME 16 Customs 18. Asif Mahmud Momshad, BECM 15 Tax 19. Shuvescha De IEM 13 Audit 20. Fattahuzzaman Faisal EEE 16 Admin 21. Murad Hossain EEE 16 Tax 22. Md Ahad Khan EEE 17 Admin 23. Mehedi hasan Raz EEE 17 Admin 24. Mostak Shahriar Momit EEE 13 Police 25. Manik Kumar Sarkar ME 17 Railway Commercial 26. Proshenjit Ghosh BECM 13 Audit 27. Afia Mukarrama Smrity CSE 17 Tax 28. Md. Nymur Rahman Niloy CE 16 RHD 29. Ifran Shahriar BECM 16 Admin 30. Md Habibullah TE 17 Police 31. Md. Rakib Hossain CSE 15 Admin 32. Tanvir Ahmed Pranto TE 16 Family Planning Heartfelt Congratulations to all of them ❤️ Listing Continues... [ Comment here Name, Batch and Cadre post. I will add this on...]

photo content

photo content

জমিদার শাহে আলম এখন ভোক্তা অধিকার সাজছে!! তারেক রহমান পাইছে একটা মাল। এই লোক একইসাথে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী, ঢাকা বিএনপি'র প্রধান অভিভাবক, ঢাকা'র দুই সিটি আর চট্টগ্রাম সিটি'র মেয়র, ময়লা পরিদর্শক, গরুরহাটের ইজারা পরিদর্শক, শ্যাডো অর্থমন্ত্রী, খাল বিশেষজ্ঞ, পয়:বর্জ্য বিশেষজ্ঞ, মুন্সিগঞ্জ বিষয়ক সম্পাদক, সর্বশেষ ভোক্তা অধিকার। আর কি কি রোলে দেখা যাইতে পারে শাহে আলমকে? ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেটা ভূলেই গেছি, প্রধানমন্ত্রীর বন্ধু😅

"আমাদের সমাজে একটা অদ্ভুত প্রবণতা আছে। কোনো ঘটনা ঘটলেই তদন্তের আগেই একজনকে ভিলেন আর আরেকজনকে নির্দোষ বানিয়ে ফেলা হয়। সত্যের চেয়ে আবেগের বিচার দ্রুত হয়, আর তথ্যের চেয়ে বর্ণনা বেশি বিক্রি হয়।" "Victim card doesn't erase accountability, and emotions don't replace facts." "একজন মানুষের জীবনের মূল্য আরেকজনের একতরফা অনুভূতির চেয়ে অনেক বেশি। প্রত্যাখ্যানকে অপরাধ বানানো যেমন ভুল, তেমনি ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতাকে আড়াল করাও ভুল।" "The loudest narrative is not always the truth." "তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই বিচার করে ফেলাটা ন্যায়বিচার নয়, এটা জনতার আদালত। আর জনতার আদালত প্রায়ই ভুল রায় দেয়।" না জেনে পক্ষ নেওয়া যেমন অন্ধত্ব, তেমনি সব দায় একপক্ষের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া বুদ্ধিবৃত্তিক অসততা। "কেউ আপনার অনুভূতির প্রতিদান দেয়নি মানেই সে আপনার জীবনের ক্ষতির জন্য দায়ী হয়ে যায় না।" - ফারয়েল কবির

photo content

মোট ৩৬টি বেসরকারি টিভি চ্যানেল বাঙলাদেশে সম্প্রচারিত হয়। এর মধ্যে কেবল ৩টি চ্যানেল নিউজ দেখায় না। বাকি ৩৩টি চ্যানেলে সংবাদ সম্প্রচার হয়। মোট ৩৬টি চ্যানেলের মধ্যে একটা চ্যানেলও নেই যেটাতে শুধু নাটক আর সিনেমা দেখানো হয়। অথচ টেলিভিশন একটা বিনোদন মাধ্যম। এর প্রধান কাজ হওয়ার কথা ছিল মুভি আর সিরিজ দেখানো। দৈনিক পত্রিকা বলতে যেটা আসলেই বোঝায়, সেরকম পত্রিকা আছে ২০টি। এর মধ্যে একটিও সাহিত্য, বিনোদন বা বিজ্ঞানভিত্তিক পত্রিকা না। সবগুলো সংবাদমাধ্যম। দেশে কয়েক লাখ লেখক আছেন। তাদের কারও বই বিক্রি হয় না। শুধু ধর্ম নিয়ে, সংবাদ নিয়ে বই লিখলে, রাজনীতি নিয়ে বই লিখলে বিক্রি হয়। এ কারণে ইউপিএল, প্রথমা, ঐতিহ্যদের বই বিক্রি বেশি। ফিকশন বেইজড কোন প্রকাশনী সেরা ৫০ এর তালিকায় আসে না। ঢাকার লোকেরা শুক্রবারে একটা পার্কে বা লেকের পাড়ে গিয়ে বসে নিভৃতে গান শুনবে, প্রেমিক-প্রেমিকা দুটো কথা বলবে, ঘাসের উপর শুয়ে থাকবে, একটা বই খুলে বসবে - এমন কোন স্থান নেই। ঢাকার প্রধান বিনোদনমাধ্যম হলো - রাস্তায় নিউজ ঘটতে দেখা। কারও উপর দিয়ে ট্রেন গেলে হা করে তাকিয়ে থাকা, গাড়ি এক্সিডেন্ট করলে হা করে তাকিয়ে থাকা। এমনকি ফেসবুকে একটা নিবেদিত পেইজ আছে যারা প্রতিদিন সকাল থেকে সদরঘাট গিয়ে ক্যামেরা তাক করে বসে থাকে। লঞ্চের দড়ি ছিড়ে কোন দুর্ঘটনা ঘটলে বা কেউ পানিতে পড়ে গেলে সেটা ফেসবুকে দেয়। লাখ লাখ টাকা উপার্জন হয়। একটা দেশের মানুষের বিনোদনের প্রধান মাধ্যম হলো নিউজ। যে কারণে এই দেশের জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকা মিম পেইজগুলোর নামও আনোয়ার টিভি, গজব ভিশন, কুদ্দস টিভি। মানে সবচেয়ে বাজে কৌতুকটাকেও নিউজের মোড়কে মুড়িয়ে না দিলে লোকে আর হাসছে না। আমি বিয়ে করিনি। তবে আমার ধারণা এ দেশের মানুষ সেক্স করার সময় হয়তো পার্টনারের চেহারায় একটা প্রথম আলো কি কালের কন্ঠ মুড়িয়ে সেক্সটা করে। এমন নিউজেক্সুয়াল জাতি দুনিয়াতে আর দ্বিতীয়টা নাই। সিনেমা, গেইম, সাহিত্য, ক্রীড়া, বিজ্ঞান, ভ্রমণ, বিনোদন, লেখাপড়া, গবেষণা, বিনিয়োগ কিচ্ছু হবে না। খালি রাজনীতি হবে আর সেই রাজনীতির নিউজ হবে। - ইরফান শেখ

photo content

স্বৈরশাসকরা বলতো ব্রাজিলিয়ানরা গণতন্ত্রের জন্য প্রস্তুত না। সেই ধারণাকে মিথ্যা প্রমাণ করতে সক্রেটিস তাঁর ফুটবল ক্লাব করিন্থিয়াসে চালু করলেন "করিন্থিয়ান ডেমোক্রেসি"। ক্লাবের মালিক থেকে কিটম্যান — সবার ভোটে পরিচালিত হতো ক্লাব। একজন সুইপারের আর দলের সবচেয়ে বিখ্যাত খেলোয়াড়দের ক্ষমতা সমান। ১৯৮২ সালে পুরো করিন্থিয়াস দল তাদের জার্সির পেছনে "গণতন্ত্র" লিখে মাঠে নামলো। সেই বছরই সক্রেটিস বিশ্বকাপে ব্রাজিলের অধিনায়কত্ব করলেন। জিকো, সক্রেটিস, ফালকাও, এদেরকে নিয়ে গড়া সেই ১৯৮২-এর ব্রাজিল দলটাকে এখনও বলা হয় "The Greatest Team Never to Win the World Cup"। সিরিয়াসলি, এই দলটার হাইলাইটস এখনও ইউটিউবে পাওয়া যায়। একবারের জন্য হলেও সবার সেটা দেখা উচিত। ১৯৮৪ সালে সরাসরি নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন শুরু হলে লুলার পিটির এক সভায় বিশ লক্ষ মানুষের সামনে সক্রেটিস ঘোষণা দিলেন — সামরিক জান্তা নির্বাচন না দিলে তিনি ব্রাজিল ছেড়ে ইতালিতে খেলবেন। জান্তা নির্বাচন দিলো না। সক্রেটিস ফিওরেন্তিনায় চলে গেলেন। ইতালিতে পৌঁছে সাংবাদিকরা জিজ্ঞেস করলেন, ইতালিয়ান ফুটবলের কোন কিংবদন্তিকে পছন্দ করেন? উত্তর দিলেন — "আন্তোনিও গ্রামসি"। পরের বছর ব্রাজিলে গণতন্ত্র ফিরলো। ২০০২ সালে লুলা প্রেসিডেন্ট হলেন। ২০০৩ থেকে ২০১২-র মধ্যে তাঁর নেতৃত্বে ব্রাজিলের দারিদ্র্যের হার কমলো প্রায় অর্ধেক। কিন্তু নিজেদের স্বার্থের বিপরীতে এক বামপন্থীর শাসন মার্কিনিরা মেনে নেবে কেন? বিচারক সার্জিও মোরো, যিনি পরে বলসেনারোর মন্ত্রী হয়েছিলেন, দুর্নীতির এমন একটি মামলায় লুলাকে কারাবন্দি করলেন যেখানে প্রমাণ হয়েছে বিচারক নিজেই পক্ষপাতদুষ্ট ছিলেন। ২০১৮-এর নির্বাচনের আগে ৫৮০ দিন জেলে থেকেও লুলা জনমত জরিপে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু তাকে নির্বাচন করতে দেওয়া হলো না। ২০২১ সালে সুপ্রিম কোর্ট তাঁর সব শাস্তি বাতিল করে দিলো। ২০২২ সালে বলসেনারোকে হারিয়ে আবার ক্ষমতায় এলো পিটি। বলসেনারো অভ্যুত্থানের চেষ্টা করলো, ব্যর্থ হলো এবং গ্রেফতার হলো। নিজেদের দালাল গ্রেফতার হওয়ায় ট্রাম্প ব্রাজিলের উপর ৫০% শুল্ক আরোপ করলো। ব্রাজিল কর্ণপাত করলো না। দেশটা এখন উচ্চ মধ্যবিত্ত আয়ের দেশ, দুনিয়ার অন্যতম বৃহৎ শিল্পোন্নত অর্থনীতি। লুলার জবাব ছিলো সোজাসাপটা, "ব্রাজিল একটা সার্বভৌম রাষ্ট্র, আমরা কারো অভিভাবকত্ব মানবো না।" এটা সত্যি যে ফ্লাভেলা এখনও যায়নি। জমিদারদের হাতে এখনও ক্ষমতা আছে। কাঠামোগত সমস্যাগুলো গভীর। কিন্তু লুলা, সক্রেটিস আর ব্রাজিলের মানুষের প্রতিরোধের ইতিহাস আমাদের শেখায় — আরেকটা দুনিয়া তৈরি করা সত্যিই সম্ভব। তবে তার জন্য দরকার সংগ্রাম আর সংহতি। আর দরকার স্বপ্ন দেখার সাহস। লুলার রাজনৈতিক প্রচারণার মূল স্লোগান ছিলো — "sem medo de ser feliz" — সুখী হতে ভয় নেই। যদি আমরা আরেক দুনিয়ার স্বপ্নই দেখতে না পারি, তাহলে এই দুনিয়ায় আমাদের গলা থেকে জালিমের জুতার চাপ কোনোদিন সরবে না। ছবিঃ বামে বিশ্বকাপ জয়ের পর জনতার ঘাড়ে পেলে, মাঝখানে '৮০ সালে একটি সফল ধর্মঘটের পর একই অবস্থায় লুলা ডি সিলভা, ডানে "গণতন্ত্র" লেখা জার্সি গায়ে সক্রেটিস। - রিয়াদুস সালেহিন জাওয়াদ [ Stay with us t.me/EngineersDiary টুইটার x.com/engineersdiaryb/ Whatsapp.com/channel/0029VakK29K3mFYBl5ycGV0U ইন্সটাগ্রাম instagram.com/engineersdiarybd Page 2: facebook.com/100050173343459 ফেসবুক গ্রুপ: facebook.com/groups/campusconnect3/ ]

আগামীকাল ভোরে ব্রাজিল আর হাইতির খেলা। এই ম্যাচের ডাইনামিকটা আমার কাছে খুব ইন্টারেস্টিং। হাইতি রাষ্ট্রের সূচনাই হয়েছিলো একটা দাস বিদ্রোহ থেকে। দুনিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে ১৮০৫ সালে হাইতি দাসপ্রথা উচ্ছেদ করে। অন্যদিকে পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে ব্রাজিল সবার পরে দাসপ্রথা উচ্ছেদ করে, ১৮৮৮ সালে। হাইতির ব্যর্থ রাষ্ট্র হবার গল্পটা আমরা অনেকেই জানি। ব্রাজিলের গল্পটা আরেকটু প্যাঁচানো; এবং আশাদায়ক। একটা শোষিত কলোনি হিসেবে শুরু করেও একটা দেশের পক্ষে যে বিশ্বমঞ্চে প্রকৃত সার্বভৌমত্ব পাওয়া সম্ভব, ব্রাজিল তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ। আর মজার ব্যাপার হলো, ফুটবল এই গল্পের একটা কেন্দ্রীয় চরিত্র। পর্তুগিজরা ব্রাজিলকে ব্যবহার করেছিলো কফি আর আখ উৎপাদনের জন্য। সেজন্য আফ্রিকা থেকে জাহাজভর্তি ক্রীতদাস আমদানি করা শুরু হয়। উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায় আফ্রিকা থেকে যত ক্রীতদাস আনা হয়েছিলো, তার প্রায় অর্ধেকের গন্তব্য ছিলো ব্রাজিল। এই মানুষগুলো দিনে আঠারো ঘণ্টা কাজ করতেন। পরিবার-পরিজন ছেড়ে এই নারকীয় পরিবেশে থাকতে গিয়ে অনেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়তেন, খাওয়া বন্ধ করে দিতেন। এই মানসিক রোগের একটা নামও ছিলো ব্রাজিলেঃ বাঞ্জো। ১৮৮৮ সালে ব্রাজিল দাসপ্রথা বাতিল করে। অথচ সাবেক ক্রীতদাসদের ভাগ্যে কোনো পরিবর্তন আসলো না। জমি নেই, ক্ষতিপূরণ নেই, শিক্ষা নেই; এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে খালি হাতে ফি-সাবিলিল্লাহ ছেড়ে দেওয়া হলো। আর রাষ্ট্রের এই অবহেলা থেকেই জন্ম নিলো ব্রাজিলের বিখ্যাত বস্তিগুলো — ফ্লাভেলা। মুক্তিপ্রাপ্ত ক্রীতদাস আর ভূমিহারা কৃষকরা কাজের খোঁজে শহরে এসে পাহাড়ের ঢালে বসতি গড়তে শুরু করলেন। বর্তমানে ব্রাজিলের মোট জনসংখ্যার ৮% এই ফ্লাভেলাগুলোতে থাকেন। শুরু থেকেই ফ্লাভেলাগুলো ছিলো সরকারের নজরের বাইরে। চাকরি নেই, শিক্ষা নেই, চিকিৎসা নেই। কিন্তু এই অমানবিক পরিবেশেও একটা জিনিস অক্ষুণ্ণ ছিলো — ফুটবল। প্রায় প্রতিটা ফ্লাভেলায় পিচ ছিলো। বাচ্চারা জঞ্জাল দিয়ে বানানো বল নিয়ে খালি পায়ে খেলতো। এই রেফারিবিহীন খেলায় গোল দেওয়া একমাত্র উদ্দেশ্য ছিলো না। এটা ছিলো নিজেকে প্রমাণ করার জায়গা, বাইরের দুনিয়ায় স্বীকৃতি পাওয়ার একটা সুযোগ। সেখানে গোল দেওয়া বা খেলা জেতা ছিলো পরের ব্যাপার, মূল আকর্ষণ ছিলো সৌন্দর্য আর বিনোদন। এই দর্শন থেকেই তৈরি হলো জোগো বোনিতো; নান্দনিক ফুটবল। ফ্লাভেলা ফুটবলের প্রথম পোস্টারবয় পেলে। মায়ের মোজা দিয়ে তৈরি বল নিয়ে খেলা ছেলেটি প্রমাণ করলেন, ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় সুপারস্টাররা লুকিয়ে আছেন দেশটির সবচেয়ে বঞ্চিত মানুষগুলোর মধ্যেই। পেলের পর রিভালদো, রোনালদো নাজারিও, রোনালদিনহো, আদ্রিয়ানো; কিংবা হালের ভিনিশিয়াস জুনিয়র বা গ্যাব্রিয়েল জেসুস- সবাই ফ্লাভেলার প্রোডাক্ট। পেলের দল ১৯৫৮ এবং ১৯৬২ সালে পরপর দুটো বিশ্বকাপ জেতে। ১৯৭০ সালে আবার জেতে — সেই দলটাকে এখনও ইতিহাসের সেরা ফুটবল দল বলা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতার কয়েক মাস আগে জোয়াও গুলার্ট ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট হন। তিনি মার্ক্সিস্ট বা কমিউনিস্ট কিছুই ছিলেন না। তিনি শুধু চেয়েছিলেন জমিদারদের হাতে থাকা জমি কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করতে। এই "অপরাধে" ১৯৬৪ সালে সিআইএ-সমর্থিত সামরিক অভ্যুত্থানে গুলার্ট ক্ষমতাচ্যুত হন। নতুন সামরিক সরকার শ্রমিক ইউনিয়ন, বামপন্থী দল, মানবাধিকার সংগঠন এবং ক্যাথলিক চার্চের সদস্যদের ওপর ধরপাকড়, খুন আর নির্যাতন চালানো শুরু করে। এর সরকারি নামটাও ছিলো বেশ ক্লাসিক , অপারেশন ক্লিন-আপ। গ্লোবাল সাউথের ইতিহাসে এটা সেই মুহূর্ত যখন একটা দেশ ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয়। কিন্তু ব্রাজিলের মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন। আর সেই প্রতিরোধ মূর্ত হয়ে উঠেছিলো সম্পূর্ণ ভিন্ন দুই জগতের দু'জন মানুষের মধ্যে। ব্রাজিলের সবচেয়ে খরাপ্রবণ ও দরিদ্র অঞ্চলে লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার জন্ম ১৯৪৫ সালে। সাত বছর বয়সে পরিবার সাও পাওলোতে চলে আসে। পড়াশোনা ছেড়ে শুরু হয় জুতার কাজ, তারপর বাদাম বিক্রি। কারখানায় কাজ করতে গিয়ে ১৪ বছর বয়সে হারান একটি আঙুল। কিন্তু ধীরে ধীরে তিনি হয়ে উঠলেন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতা। সত্তরের দশকে তাঁর ডাকা ধর্মঘটের মাধ্যমে ব্রাজিলে প্রথম সেনাশাসনবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। ১৯৮০ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন ব্রাজিলিয়ান ওয়ার্কার্স পার্টি — পিটি। লুলা যখন রাস্তায় মানুষ সংগঠিত করছিলেন, তখন আরেকজন মানুষ প্রতিরোধের মাধ্যম হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন ফুটবল মাঠকে। সক্রেটিসের জন্ম ১৯৫৪ সালে। তাঁর বাবা ছিলেন একজন স্বশিক্ষিত মানুষ, বাড়িতে গড়েছিলেন বিশাল লাইব্রেরি। ১৯৬৪ সালে সেনাবাহিনী ক্ষমতায় আসলে তিনি সেই "বিপজ্জনক" বইগুলো পুড়িয়ে ফেলেন। দশ বছরের সক্রেটিসের মাথায় সেই দৃশ্য গেঁথে গেলো। পেশাদার ফুটবল খেলার পাশাপাশি সক্রেটিস সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেডিকেল ডিগ্রি নিলেন। ঝাঁকড়া চুল, ঘন দাড়ি, চেইন স্মোকার — অথচ মাঠে সেই লম্বা ছিপছিপে শরীরে যা করতেন তা ছিলো ঈশ্বরীয়।

photo content

প্রায় দেড় দশক আগে বাংলাদেশের গণমাধ্যমে এক সংবাদ নিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। কঙ্গোর মাহাগী অঞ্চলের স্থানীয়রা এক বাংলাদেশিকে তাদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখতে চেয়ে মিছিল করেছিল রাস্তায়। মাহাগীর মানুষের কাছে সবচেয়ে প্রিয় ব্যক্তি ছিলেন উনি। কঙ্গোর মাহাগীতে শান্তিরক্ষা মিশনে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার ছিলেন। সেই ঘটনায় মিডিয়াতে প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন, আমরা সর্ব দিক দিয়ে, মানুষ হিসেবে, একজন সেনা অফিসার হিসেবে, ইউএন শান্তিরক্ষী হিসেবে, আমরা প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে তাদের কাছে একটা এক্সামপল সেট করতে পেরেছি। ওই মানুষটি হলেন এই ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামস। সেই সময়ে তিনি লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবে শান্তিরক্ষা মিশনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কঙ্গোতে। ব্যাপারটা একবার ভেবে দেখেন, কখন একজন বিদেশিকে মানুষ তার দেশের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখতে চেয়ে রাস্তায় মিছিল করে? অবিশ্বাস্য রকমের জনপ্রিয়তা অর্জন, মানুষের ভালোবাসা ও ট্রাস্ট তৈরি করতে না পরলে এটি কখনো সম্ভব নয়। একেএম শামসুল ইসলাম, সেরকম একজন মানুষ ছিলেন। ১৮ সালে হাসিনা সরকার জোরপূর্বক চাকরিচ্যুত করার পর উনি নিবিড়ভাবে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। শেষ সময় পর্যন্ত বেগম বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে কাজ করছেন, এরপর তারেক রহমানও তাকে নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে বেছে নেন। হাসিনা ফ্যাসিস্ট শাসনামলে সাড়ে ১৫ বছর সেনাবাহিনীকে মেরুদণ্ডহীন করে রাখার পেছনে যারা জড়িত ছিলো, ওয়ান এলেভেনের কুশীলব, গুম-খুনে জড়িত, এদের প্রত্যেককেই ধরা হচ্ছে। দেশের সামরিকখাত আধুনিকায়ন ও শক্তিশালী করে তুলতে নানান কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে সরকার। এসবের পেছনে অন্যতম মাইন্ড একেএম শামস। ছাত্র হিসেবে তিনি খুবই ব্রিলিয়ান্ট ছিলেন। কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসিতে বোর্ড স্ট্যান্ড করেছেন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, বিইউপিসহ একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে মাস্টার্স সমমনা ডিগ্রি নিয়েছেন। ফিলিপাইন ক্রিশ্চিয়ান ইউনিভার্সিটি থেকে স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। নিউক্লিয়ার সিকিউরিটি নিয়ে পিএইচডি করেছেন। উনার উচ্চ ব্যক্তিত্বের কারণে সেনা কর্মকর্তারা তাকে যথেষ্ট অনার করেন। @ Farid Uddin Rony