আকাবির-কথন
رفتن به کانال در Telegram
نمایش بیشتر
کشور مشخص نشده استدسته بندی مشخص نشده است
1 099
مشترکین
اطلاعاتی وجود ندارد24 ساعت
+237 روز
+2630 روز
آرشیو پست ها
1 099
'ভাগ্যগুণ' কী অর্থে বুঝিয়েছেন, জানি না। আসলে আল্লাহর 'অনুগ্রহ' ছাড়া খাবারও খেতে পারি না আমরা।
এই ঈদেরই দুয়েক দিন আগে, মোরগের তরকারি রান্না করে দাঁতের অসুবিধার কারণে খেতে পারিনি৷ এরপর থেকে এখনো গোশত খাওয়া বন্ধ৷ এমনকি ঈদের দিনও...
দাঁত, চোখ, ঘুম—সবকিছুই আল্লাহর কত বড় অনুগ্রহ, হারানোর আগে বুঝি না।
1 099
একজন আদর্শ তাবলীগের সাথি দৈনিক ঘরে ও মসজিদে ২০-৩০ মিনিট তালীম করেন।
-কুরআন শরীফ তিলাওয়াত ১ বা আধা পারা
-১০০ বার সুবহানাল্লাহ
-১০০ বার আলহামদুলিল্লাহ
- ১০০ বার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
-১০০ বার আল্লাহু আকবার
-১০০ বার দরুদ শরীফ
- ১০০ বার ইসতেগফার
(এটা সকাল সন্ধ্যা দুই বার)
-মাসনুন দুয়াগুলো পড়েন
-দৈনিক ২.৩০ ঘণ্টা দাওয়াত (ঈমানী আলোচনা ও তাশকিল)
-সপ্তাহে একদিন শবগুজারীতে যান। আসর থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত বয়ান, হায়াতুস সাহাবা শোনা, তাহাজ্জুদ, তিলাওয়াত।
-মাসে ৩ দিনের জন্য পূর্ণ সময় নিয়ে তাবলীগে যান।
-৩ মাসে একবার মাস্তুরাত সহ জামাতে যান। ফলে ধীরে ধীরে বেশ চমৎকারভাবে তার ঘরে দ্বীনী পরিবেশ কায়েম হতে থাকে।
-বছরে অন্তত ৪০ দিনের জন্য সফরে যান।
একজন তাবলীগের সাথি মোটামুটিভাবে কাজগুলো করে গেলেও ঈমান তরতাজা থাকে। একদম দুনিয়ামুখী ও আমলহীন হওয়ার সুযোগ পায় না। এই মেহনতে অসাধারণ একটি দ্বীনী সার্কেল পাওয়া যায়, যা দ্বীনের ওপর অটল থাকতে সহায়তা করে।
© মুহাম্মাদ হোসাইন
1 099
যে সব পেয়ারের ছোটভাই এখনো মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক সাহেবের বইগুলোই পড়ো নাই, তারা প্লিজ উনার বইগুলো দিয়ে পড়াশোনা শুরু করো। তোমাদের পাঠাভ্যাস খুবই কম। আমি বইপোকা না; বরং সাধারণ লেভেলের পড়ুয়া। তবু তোমাদের দেখলে আমার হতাশ লাগে।
এক্টিভিজম করা ভালো। কিন্তু পাশাপাশি ভেতরে কিছু না তৈরি করলে বিপদে পড়বা। জনগণ তোমাকে নেতা হিসাবে মেনে নেবে। এরপর বলবে, বড়ভাই, এখন কী করব? দেখবা বাস্তবতার দুনিয়ায় তাদের বলার মতো কোনো কথা বা কাজ তোমার নাই। শুধু মোটিভেশন আর উচ্চবাচ্যে জীবন চলে নারে ভাই।
দ্বীন শেখা, বেসিক বইপত্র গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়া, কুরআন তিলাওয়াত সহীহ করা, মাসআলা শেখা, আখিরাত সংক্রান্ত বইপত্র পড়া, আলেমদের নসীহতের মজলিসে নিয়মিত বসা, এসবই তোমার শিকড়। এই শিকড় তোমাকে প্রবল ঝড়ে উপড়ানো থেকে রক্ষা করবে। নাহয় বাতিল মতবাদের ঝড়, গুনাহের ঝড়, বিপদাপদের ঝড়, রাজনৈতিক বিচ্ছৃঙ্খলা তোমাকে উপড়ে ফেলবে। শেষ করে দেবে।
০১. মাওলানা মনযুর নোমানী
০২. মাওলানা আবু তাহের মেসবাহ
০৩. মুফতী তাকী উসমানী
মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুল মালেক সাহেবের পাশাপাশি অন্তত এই তিন জনের যে কয়টা বই পারো পড়তে থাকো।
© মুহাম্মাদ হোসাইন
1 099
হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বহু কিতাব রচনা করে গিয়েছেন। এক হাজারের মতো রচনা, কোনোটার কপিরাইট নাই। ঢাকা শহরে আলেমদের মধ্যে তিনজন ব্যক্তি সবচেয়ে বেশী সুপরিচিত। তারা হলেন :
১। হাফেয মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ রহ. (হাফেজ্জী হুযুর)
২। মাওলানা আব্দুল ওয়াহহাব রহ. (পীরজী হুযুর)
৩। মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী রহ (সদর সাহেব হুযুর)
তিনজনই থানভী বাগানের ফুল। এক বোঁটায় তিন ফুল। একসঙ্গে এসেছেন থানাভবন থেকে। হযরত মাওলানা শাহ আবরারুল হক সাহেব রহমাতুল্লাহি আলাইহি (হরদুই হযরত) এই বাগানের ফুল। হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ শফি রহমাতুল্লাহি আলাইহি এই বাগানের ফুল। হযরত মাওলানা আতাহার আলী রহমাতুল্লাহি আলাইহি বহুত বড় আল্লাহর অলী ছিলেন। তিনিও থানভী রহমাতুল্লাহি আলাইহির খলীফা।
হাকীমুল উম্মত রহমাতুল্লাহি আলাইহির অনেকগুলো কিতাবের বাংলায় তরজমা হয়ে গেছে। এই অনুবাদগুলোর পেছনে তার শাগরেদদের বিরাট অবদান। এই কিতাবগুলো আমাদের সংগ্রহে থাকা উচিত।
[প্রফেসর হযরতের মালফুযাত : ৯৬-৯৭]
1 099
আবু দারদা রা. আমাদের তিনটি বিষয়ের শিক্ষা দিয়েছেন, যা দুর্বল করে দেয় মানুষের অভ্যন্তরীণ প্রবৃত্তিকে এবং সহায়তা করে স্রষ্টার সান্নিধ্য অর্জনে। তিনি বলেন, আমি এমন তিনটি জিনিসকে ভালোবাসি, যেগুলোকে সাধারণ মানুষ অপছন্দ করে : দারিদ্র্য, রোগ-ব্যাধি এবং মৃত্যু। দারিদ্র্যকে ভালোবাসি, কারণ তা রবের সামনে বিনয় প্রকাশের মাধ্যম। মৃত্যুকে ভালোবাসি, কারণ, রবের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য মৃত্যুই একমাত্র পন্থা। এবং রোগ-ব্যাধিকে ভালোবাসি, কারণ রোগ-ব্যাধি পাপরাশি মুছে দেয়।
জনৈক সালাফ বলেন, তিনটি জিনিসের মাধ্যমে মানুষের বিবেকের পরীক্ষা করা হয় : অধিক সম্পদ, বিপদাপদ ও ক্ষমতা।
ইয়াজিদ বিন মাইসারা রহ. বলেন, বান্দা রোগে আক্রান্ত হলো। এদিকে আল্লাহর কাছে তার কোনো উত্তম আমল নেই। তখন আল্লাহ তাকে অতীতের কোনো গুনাহের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। ফলে আল্লাহর ভয়ে তার চোখ থেকে মাছির মাথা পরিমাণ হলেও অশ্রু বের হয়। তারপর আল্লাহ তাকে সুস্থ করলে সে গুনাহ থেকে পবিত্র অবস্থায় সুস্থ হয় কিংবা মৃত্যু দান করলে গুনাহ থেকে পবিত্র অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে।
বই : সবর মুমিনের সাফল্যের সোপান
1 099
...এখানে ইমাম মালিক রাহ.-এর একটি ঘটনা আমাদের মনে রাখা উচিত। ঐ যামানার বুযুর্গ আব্দুল্লাহ আলউমারী রাহ. ইমাম মালিক রাহ.কে লিখলেন, ‘আপনি নির্জনতায় আসুন এবং ইনফিরাদী আমলে মশগুল হোন (ইমাম মালিক রাহ.-এর মূল ব্যস্ততা ছিল ফিকহ ও হাদীসের শিক্ষাদান)।’ ইমাম তাঁকে লিখলেন, ‘আল্লাহ তাআলা যেমন রিযক বণ্টন করেছেন তেমনি কর্মও বণ্টন করেছেন। কারো জন্য নফল নামায সহজ করেছেন, কিন্তু রোযা রাখা সহজ করেননি। আবার কারো জন্য সদকা আসান করেছেন, কিন্তু রোযা রাখা আসান করেননি। কারো জন্য জিহাদের আমলকে সহজ করেছেন।
ইলমের প্রচার প্রসারও একটি নেক আমল। আল্লাহ তাআলা এটি আমার জন্য সহজ করেছেন। এরই উপর আমি সন্তুষ্ট। আপনি যে কাজে আছেন (অর্থাৎ নির্জন সাধনা), আমার ধারণা আমার পছন্দের আমলটি তার চেয়ে অনুত্তম নয়। আশা করি, দুজনই আমরা কল্যাণ ও পুরস্কারের পথে আছি।’-সিয়ারু আলামিন নুবালা, যাহাবী ৭/৪২৪
উম্মাহর ঐক্য : পথ ও পন্থা , মাওলানা মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ
1 099
জীবনটা যদি এমন হতো!
আজকে মুফতী আরিফ জব্বার কাসেমী ভাইয়ের সাথে পড়াশোনা বিষয়ে আলাপ করতে গিয়ে এই ঘটনাটি সামনে আসে, আপনাদের সমীপে উল্লেখ না করে পারলাম না।
হাদীস বিশারদ হাম্মাদ ইবনে সালামাহ রহিমাহুল্লাহর অসাধারণ জীবনযাপন।
চারটি কাজে তার জীবন কেটেছে :
১. পাঠদান
২. পড়াশোনা
৩. তাসবীহ এবং
৪. নামাজ।
قال موسى بن إسماعيل التبوذكي : لو قلتُ لكم : إني ما رأيتُ حمادَ بنَ سلمة ضاحِكًا لصَدقتُ
মুসা ইবনে ইসমাইল রহ. বলেন, আমি যদি তোমাদেরকে এ কথা বলি যে আমি হাম্মাদ রহ.-কে হাসতে দেখিনি, তাহলে আমি সত্য কথাই বলেছি।
كانَ مَشْغُوْلا ، إما أن يُحَدِّثُ ، أو يَقْرأُ ، أو يُسَبِّحُ ، أو يُصَلِّيِّ ، قد قسم النهار على ذلك
তিনি চারটি কাজের কোনো একটি কাজে সর্বদা ব্যস্ত থাকতেন :
১. হয়তো হাদীস পড়াচ্ছেন
২. অথবা নিজে পড়াশোনা করেছেন,
৩. অথবা তাসবীহ পাঠ করছেন,
৪. অথবা নামাজ পড়ছেন।
এভাবেই তিনি দিবসকে বণ্টন করে নিয়েছেন।
এবার তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি খেয়াল করেন,
قال يونسُ بْنُ محمد المؤدبُ : ماتَ حَمّادُ بنُ سَلَمَةَ في الصلاةِ في المسجدِ
ইউনুস ইবনে মুহাম্মদ আল মুয়াদ্দিব রহ. বলেন,
হাম্মাদ ইবনে সালামাহ মসজিদে নামাজরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
সিয়ারু আ'লামিন নুবালা : ৪৪৮
© আরিফ বিন হাবিব হাফি.
1 099
ঈদের মজা সেই কবে হারিয়ে গেছে। তাও মাদরাসায় ঈদ কাটালে সুন্দর লাগত, ভালোও লাগত। প্রবাসে ঈদ বলতে 'রেস্ট' নেওয়া, এটুকুই।
এখন তো আমাদের বাচ্চাকাচ্চাদের 'ঈদ'-এর সময়...
ঈদ মুবারক
