ch
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

前往频道在 Telegram

显示更多
未指定国家未指定类别
1 208
订阅者
+224 小时
+77 天
+2930 天
帖子存档
এলোমেলোভাবে কয়েকটা বইয়ের নাম দিলাম। ইচ্ছামতো কাটছাঁট করতে পারেন। নূরের পর্বত থেকে সবুজ গম্বুজ, মাওলানা আসীর আদরবী সাহাবায়ে কে
এলোমেলোভাবে কয়েকটা বইয়ের নাম দিলাম। ইচ্ছামতো কাটছাঁট করতে পারেন। নূরের পর্বত থেকে সবুজ গম্বুজ, মাওলানা আসীর আদরবী সাহাবায়ে কেরামের ঈমানদীপ্ত জীবন ১-২, আব্দুর রহমান রাফাত পাশা তাবেঈদের ঈমানদীপ্ত জীবন, ঐ শান্তি কোথায়?, মুফতী দিলাওয়ার হুসাইন হাফি. ইসলাম কী ও কেন?, মাওলানা মনযুর নুমানী রহ. ইসলামী জীবনের রূপরেখা, সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. কসদুস সাবীল, আশরাফ আলী থানভী রহ. জাযাউল আমাল, ঐ হায়াতুল মুসলিমীন, ঐ ফাযায়েলে আমাল, যাকারিয়া কান্ধলভী রহ. যিকর ও ফিকর, তাকী উসমানী হাফি. সহজ নেক আমাল, ঐ ইসলাহী মাজালিস ১-৭, ঐ সীরাতে খাতামুল আম্বিয়া, মুফতী শফী রহ. পথের সন্ধানে, আব্দুল মালেক হাফি. গুনাহমুক্ত জীবন, সালমান মানসুরপুরী হাফি. সুখময় জীবনের সন্ধানে, ড. মুহাম্মদ বিন আব্দুর রহমান আরিফী হাফি. আই লাভ কুরআন, আতীক উল্লাহ হাফি. ফজর আর করব না কাজা, ড. রাগিব সারজানি প্রশান্ত অন্তর, ইসহাক মুলতানী কলবুন সালীম নির্মল জীবন, ইমরান রাইহান জীবনের ওপারে, রুহামা পাবলিকেশন পরিবর্তন ও প্রত্যাবর্তন, আদম আলী হাফি.

যদি কোনো নেক আমলের কারণে আপনি কষ্ট অনুভব করেন, তবে সেই কষ্টের ফলে যে আনন্দ, সুখ ও পরিতৃপ্তি অর্জিত হবে, তার কথা চিন্তা করুন, তাহলেই তা সহনীয় হয়ে উঠবে। আর যদি আপনি কোনো হারাম লালসা ত্যাগ করতে কষ্ট অনুভব করেন, তবে ভাবুন-আপনি যদি সে লালসা পূরণে লিপ্ত হতেন, তবে তা শেষ হলে কেমন যন্ত্রণাদায়ক পরিণতি অপেক্ষা করত! তুলনা করুন এই দুটি কষ্টের মধ্যে: হারাম বর্জনের কষ্ট বনাম হারামের ফলে অর্জিত কষ্ট। জ্ঞানী ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য হলো, ক্ষুদ্র কল্যাণকে ত্যাগ করে বড় কল্যাণ অর্জন করা এবং বৃহৎ কষ্ট এড়ানোর জন্য ছোট কষ্ট সহ্য করা। -ইবনুল কায়্যিম রহ. [আল ফাওয়াইদ : ৩৬৯]

মুবারক ইবনু ফাজালা থেকে বর্ণিত, হাসান বলেছেন, মৃত্যু দুনিয়াকে অপমান করে ছেড়েছে। বুদ্ধিমানের জন্য আনন্দিত হওয়ার কোনো সুযোগ রাখেনি সে। আফসোস! মৃত্যু কত বড় উপদেশবাণী, যদি মানুষের অন্তরগুলোর জীবন থাকত, তাহলে তারা বুঝতে পারত। [শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা : ১৮০]

যদি আপনার বই পড়ার অভ্যাস একদম বিলীন হয়ে গেছে মনে হয়, তাহলে যেকোনো ছোট ছোট বই পড়ার মাধ্যমে আবার শুরু করুন। ছোট্ট রিসালা পড়ার মাধ্যমে শেষ করা অর্থাৎ সফলতার অনুভূতি আসে। নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়ে। ধীরে ধীরে আগে বাড়তে থাকুন। দেখুন, এক ইরান যুদ্ধের আপডেট নিতে গিয়ে আমাদের কী বিপুল সময় নষ্ট হয়েছে। -হামলা হবে হবে ভাব -হামলা হতে যাচ্ছে -হামলা হলো -হামলা যেকোনো দিন বন্ধ হবে -হামলা বন্ধ হবে না -হামলা বন্ধ হওয়ার ফের সম্ভাবনা -হামলা বন্ধ। আলোচনা শুরু -আলোচনা চলছে -কোনো এক পক্ষ হামলা করেছে, আলোচনাও চলছে। -আলোচনা বন্ধ, হামলা চলছে -হামলা চলছে -হামলা চলছে, আলোচনা চলছে -হামলা বন্ধ, আলোচনা চলছে... এই নানা রঙের আপডেট পেয়ে আমার কতটা ফায়দা হচ্ছে? আর এসবে সময় দিতে গিয়ে যদি আমার আত্ম-নির্মাণ ও আত্মশুদ্ধি বাধাগ্রসস্ত হয়, তাহলে তো সমস্যা। কারণ, আমার তো সামনে আখিরাত। আমার তা হায়াত সুনির্দিষ্ট। এত আপডেট জেনে কী হবে! এর সাথে আমার সংশ্লিষ্টতা কতটুকু? আমি কি শিরোনাম জেনে নিলেই চলত না? বা মাঝে মাঝে জেনে নেয়া। অত বড় কিছু হলে কি আমার কাছে খবর আসবে না? পড়াশোনা শুরু করুন। হুসাইন ভাই

পাবনা শহরের কাচারি পাড়া নামক এলাকাতে গিয়েছিলাম, আব্বা আম্মা আর আমি। আব্বার খালা থাকতেন সেখানে। তাঁর সাথে দেখা করার জন্যই যাওয়া। ঘটনাক্রমে যে বাসাতে উঠেছিলাম, তার পাশের বাসাতে একজন বৃদ্ধলোক থাকেন। সন্ধ্যার পর তাঁর বাসায়ও গিয়েছিলাম একটি বিশেষ প্রয়োজনে। আমার সাথে যিনি ছিলেন, তিনি আমাকে পরিচয় করিয়ে দিলেন। কিন্তু আমার যেই পরিচয় দিলেন, নিজেই অবাক হয়ে গেলাম। আমি নিজেই জানতাম না, আমার এই পরিচয়টি। তিনি বললেন - এ হল ইসমাইল ডাক্তারের মেয়ের ঘরের নাতি। ইসমাইল ডাক্তার কে? ওনার সাথে আমার কি সম্পর্ক? জানি না। তাঁর নামই শুনলাম আজ প্রথম। আজকেই প্রথম জানতে পারলাম, তিনি ছিলেন আমার দাদীর বাবা। খুব প্রসিদ্ধ মানুষ ছিলেন সেই যুগে, তাই এখনকার বয়স্ক অনেকে চিনেন তাঁকে। দাদীর বাবা – বেশি দুরের নয়। হয়তো আমার মত সবার হয় না। অনেকে হয়তো নিজের দাদীর বাবা মার ব্যাপারে অনেক কিছুই জানেন। কিন্তু আরেকটু উপরে যদি যাওয়া হয়, তখন কয়জন তাঁদের সম্পর্কে জেনে থাকবেন? ভাবতেই অবাক লাগছিল, যেই মাটির উপর আজ দাঁড়িয়ে আছি, সেই মাটির উপরেই তারা একদিন ছিলেন। তাঁদের একটি দেহ ছিল, একটি মন ছিল, কথা বলার মত একটি মুখ ছিল। নাম ছিল,পরিচয় ছিল। একটি পরিবারের, একটি সমাজের অংশ ছিলেন তারা। আর আজ! একশ বছরও অতিবাহিত হয় নি, কিন্তু কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। কেউ তাঁদের আর চিনে না। নামটা পর্যন্ত জানে না খোদ তাঁদের বংশধরেরাও। নিজের অজান্তেই একটি দীর্ঘশ্বাস বেরিয়ে এলো। কিছুক্ষনের জন্য মাত্র সত্তর আশি বছর পরের পৃথিবীটার কথা ভাবলাম। আজ যারা বেঁচে আছি, আমরাও হয়তো আর সে সময় থাকবো না। অথচ তখনও আজকের মতই সূর্য উঠবে, বৃষ্টি নামবে। এ পৃথিবীতে নতুন কিছু মানুষ আসবে, আমরা থাকব তখন মাটির নিচে। যে পৃথিবীটা আজ আমাদের কাছে এত আপন, সে পৃথিবী কিন্তু আমাকে আপনাকে ছাড়াই দিব্যি চলবে। এমন ভাবে পৃথিবী থেকে মিটে যাব, যেন আমাদের কখনও কোন অস্তিত্বই ছিল না ... © Rizwanul Kabir

ইমাম গাযালী রহিমাহুল্লাহ এহইয়াউল উলুম গ্রন্থে লিখেছেন, মানুষের জীবনে এমন কোনো বৈধ কাজ নেই, যাতে কোনো প্রকারের ভালো নিয়ত করে সাওয়াবের কাজ বানানো যায় না। এমনকি যদি স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে এ নিয়তে উপভোগ করে যে, এর মাধ্যমে একজন আরেকজনের হক আদায় করছে এবং এতে উভয়ের চারিত্রিক সূচিতা ও আত্মিক পবিত্রতা অর্জন হবে, তাহলে তারা এ কাজের জন্যও সাওয়াব পাবে। (যেমনটি এক হাদীস শরীফে স্পষ্ট বর্ণিত হয়েছে। [সহজ নেক আমাল : ২৫]

হযরত উমর রাযি. বলতেন, যদি দুটি শুকনো হাড়কেও কোথাও একত্রে রাখা হয়, তারাও পরস্পর মিলিত হতে চাইবে। কেউ এর ব্যাখ্যা জানতে চাইলে তিনি বললেন, কোনো বৃদ্ধ এবং বৃদ্ধাও যদি একত্র হবার সুযোগ পেয়ে যায়, তাহলে তারা দুজনও পরস্পর মেলামেশা করবে। [বই : এখন যৌবন যার]

নবদম্পতি ইসলামী জীবনের রূপরেখা সুখময় জীবনের সন্ধানে মহীয়সী মা গুনাহমুক্ত জীবন মহানবী সা. ব্যক্তি ও নবী জীবনের ওপারে কীভাবে আল
+1
নবদম্পতি ইসলামী জীবনের রূপরেখা সুখময় জীবনের সন্ধানে মহীয়সী মা গুনাহমুক্ত জীবন মহানবী সা. ব্যক্তি ও নবী জীবনের ওপারে কীভাবে আল্লাহর প্রিয় হবো? ওযীফাতুল মুমীন বস্তুবাদ নিয়ে আমার পড়াশোনা নেই।

উত্থাল দিনের কথকতা বই থেকে নেওয়া। অসাধারণ, রোমাঞ্চকর এক বই।
উত্থাল দিনের কথকতা বই থেকে নেওয়া। অসাধারণ, রোমাঞ্চকর এক বই।

মাসলামা ইবনে আবদুল মালেক (৬৬হি. ১২১ হি.) এক যুদ্ধে একবার একটা দুর্গ ঘেরাও করলেন। দুর্গের দেয়ালে একটা ছিদ্র ছিল। ওই ছিদ্র দিয়ে ঢুকে কেউ যদি দরজা খুলে দিতে পারে তাহলে দুর্গটি জয় হয়ে যায়। তিনি উপস্থিত সৈন্যদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, কে আছ এই ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করে ফটকের দরজা খুলে দিবে? কেউ দাঁড়াল না। তারপর অপরিচিত এক সৈন্য এসে ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করে দরজা খুলে দিল। এবং দুর্গটি বিজিত হলো। বিজয়ের পর মাসলামা ঘোষণা দিলেন, ছিদ্র দিয়ে প্রবেশকারী যুবকটি কোথায়? কেউ এল না। তিনি রক্ষীকে নির্দেশ দিলেন, যখন যুবকটি আসে তাকে যেন অবশ্যই তার সামনে উপস্থিত করে। কিছুক্ষণ পর রক্ষীর নিকট এক লোক এসে বলল, আমি কি আমীরের সাক্ষাৎ পেতে পারি? রক্ষী জিজ্ঞেস করল, তুমি কি সেই ছিদ্র দিয়ে প্রবেশকারী যুবক? লোকটি বলল, আমি তোমাদেরকে সেই যুবক সম্পর্কে সংবাদ জানাতে পারি। রক্ষী তাকে মাসলামার সামনে নিয়ে গেল। মাসলামা জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি সেই ছিদ্র দিয়ে প্রবেশকারী যুবক? লোকটি বলল, ছিদ্র দিয়ে প্রবেশকারী যুবক তিন শর্তে তোমাদের সামনে আসতে রাজি হয়েছেন : এক. তার নাম লেখা যাবে না। দুই. তাকে কোনো পুরস্কার দেওয়া যাবে না। তিন. তার বংশ-পরিচয় জানতে চাইবে না। মাসলামা তিন শর্ত মেনে নিলে যুবকটি বলল, হ্যাঁ, আমিই সেই ছিদ্র দিয়ে প্রবেশকারী যুবক। এরপর থেকে মাসলামা প্রত্যেক নামাযের পর এই বলে দোয়া করতেন, হে আল্লাহ, আমাকে ওই ছিদ্র দিয়ে প্রবেশকারী যুবকের সাথে রেখো। [তালেবে ইলমের জীবন গড়ার পাথেয় : ১৩-১৪]

গুনাহের একটি অভিশাপ এ-ও যে, ভবিষ্যতের জন্য নফস, শয়তান ও অন্যান্য শত্রুর মোকাবিলায় মানুষের হিম্মত ও মনোবল দুর্বল হয়ে যায়। -মুফতী রশীদ আহমদ লুধিয়ানভী রহ. [গুনাহ বর্জন করুন নজরের হেফাজত করুন : ৩০]