es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 301 suscriptores, ocupando la posición 8 134 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 025 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 301 suscriptores.

Según los últimos datos del 24 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 81, y en las últimas 24 horas de 4, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 19.46%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 8.31% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 199 visualizaciones. En el primer día suele acumular 939 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 48.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 25 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 301
Suscriptores
+424 horas
+317 días
+8130 días
Archivo de publicaciones
বিভিন্ন নিউজ থেকে যে তথ্য আসছে, সোমালিয়ায় শাবাবের যোদ্ধারা বিভিন্ন পথ দিয়ে রাজধানীতে প্রবেশ করছে দ্রুতবেগে। যদি আল্লাহর তাকবিনি নেজাম ভিন্ন না হয় তাহলে ইনশাআল্লাহ দ্রুতই আফ্রিকা থেকে নতুন সংবাদ আসবে। . জামাতে ইসলামের তুর্কি ফ্যানবয় ভাইরা আফগানের তালেবান শাসনকেও উগ্র ইসলাম হিসেবেই দেখে। তুর্কীতে থাকা ইসলাম নিয়ে গবেষণা করা জামাতের বড় বড় পিএইচডি হোল্ডাররা এগুলো প্রকাশ্যেই লেখে। সুতরাং, সোমালিয়ার শাবাবদের যে এরা আরো উগ্র হিসেবে দেখবে, লেখালেখি করবে, ভিতরে ভিতরে জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। তাই পেরেশানীর কিছু নেই। .

মূলত নিউজটা ছিলো এমন, ‘ইজরাইলকে ধ্বংস করতে হামাসকে ড্রোন ও সামরিক সহায়তা দিয়েছে মুসলিম বিশ্বের অবিভাবক এরদোয়ান।’ কিন্তু উগ্রব
মূলত নিউজটা ছিলো এমন, ‘ইজরাইলকে ধ্বংস করতে হামাসকে ড্রোন ও সামরিক সহায়তা দিয়েছে মুসলিম বিশ্বের অবিভাবক এরদোয়ান।’ কিন্তু উগ্রবাদীরা মিথ্যা সংবাদ ছড়িয়ে এই মহান মানুষকে বদনাম করছে।

আমার ওমর ঠিক এই বয়সিই! .

সমস্ত ইহুদিদের একদিন আমরা ফিলিস্তনের ভুখণ্ডে হত্যা করবো। ওদের প্রতিটি পুরুষ-নারী-বৃদ্ধ, সবাইকেই হত্যা করবো। সেদিন কোনো সুশীলের সুশীলতা দেখার আমাদের প্রয়োজন হবে না ইনশাআল্লাহ। . রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই ভবিষ্যদ্বানী নিয়ে ইনশাআল্লাহ সেদিন আর কোনো মুমিনের অন্তরে কোনো খটকা থাকবে না। কারণ এর আগেই মুমিন-মুনাফিকের পথ আলাদা হয়ে যাবে।

মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক বই থেকে...
মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক বই থেকে...

পাকিস্তান আর্মির কারনামা! হাহা! ইসলামের ওয়াহেদ সেনাবাহিনী!! https://madhyaprachya.com/2025/3011/
পাকিস্তান আর্মির কারনামা! হাহা! ইসলামের ওয়াহেদ সেনাবাহিনী!! https://madhyaprachya.com/2025/3011/

ইসলামি শাসনব্যবস্থা এতটাই জনবান্ধন ও মানবজাতীর জন্য উপকারী যে, আপনার শত্রুও আপনার প্রশংসা করতে বাধ্য। . নীচের নিউজটি দেখুন, মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের সুস্থ করে, কর্ম শিখিয়ে প্রায় পঁচিশ হাজার করে টাকা দেওয়া হচ্ছে যেনো, সেই মানুষগুলো ব্যবসা করতে করতে পারে!! কল্পনা করা যায় এগুলো! . কালবেলার মত পত্রিকাও বলছে, এটা ইসলামি সুশাসনের ফল! এবার বুঝেন অবস্থা!! https://youtu.be/MRqGi94i2zo?si=14KjEHdWtQokDum0

কাফের বলতে কাদিয়ানী, হিযবুত তাওহীদ, সেকুলার, লিবারেল ও গণতন্ত্রের মৌলিক আদর্শে বিশ্বাসী সবাই অন্তর্ভুক্ত। বইটি যদি সংগ্রহ করত
কাফের বলতে কাদিয়ানী, হিযবুত তাওহীদ, সেকুলার, লিবারেল ও গণতন্ত্রের মৌলিক আদর্শে বিশ্বাসী সবাই অন্তর্ভুক্ত। বইটি যদি সংগ্রহ করতে চান আরকি, https://www.facebook.com/photo/?fbid=1129317652538460&set=a.602514198552144

হাটহাজারী মাদরাসার দাওয়াহ বিভাগের দায়িত্বশীল মাওলানা সাইদ আহমদ সাহেব, এই ফতোয়া দিয়েছেন। শুধু, এই ধরনের কথা বলার কারণে কত আলেম
হাটহাজারী মাদরাসার দাওয়াহ বিভাগের দায়িত্বশীল মাওলানা সাইদ আহমদ সাহেব, এই ফতোয়া দিয়েছেন। শুধু, এই ধরনের কথা বলার কারণে কত আলেমকে দাঁড়িটুপি পড়া মানুষরা...

আমাদের সাথে জামিয়া আবু বকরে পড়েছেন, দীর্ঘদিন যাবত কুরআনের খেদমত করছেন, আজ ভাইটি খুবই অসুস্থ। হার্টে রিং পড়ানো লাগবে। অপারেশনসহ যাবতীয় খরচ লাগবে প্রায় তিন লক্ষ টাকার উপরে। স্বল্প বেতনে চাকরি করা ভাইয়ের জন্য এটা অসম্ভব প্রায়। আমরা সকলে যদি সামান্য কিছু করে এগিয়ে আসি তাহলে ইনশাআল্লাহ ভাইয়ের অপারেশনের টাকাটা মেনেস হয়ে যাবে। আমি ব্যক্তিগতভাবে টাকাটা উঠাচ্ছি, যারা ভাইকে সাহায্য করতে ইচ্ছুক নিম্নের নাম্বারে টাকাটা পাঠাবেন। . 01866067867 . বি.দ্র. এই ফাণ্ডে যাকাতের টাকাও দেওয়া যাবে।

দ্বীনকে বিজয় করতে চাই এমন প্রত্যেক ভাই কেনো আমরা ইতেকাফ করবো? . আপনি যে কালিমা বিশ্বাস করেন, এই কালিমাই আপনাকে পুরো পৃথিবীর সকল শক্তির শত্রুতে পরিনত করেছে। একজন মুসলমান যতই নিজেকে সুশীল ও সহনশীল ইত্যাদি হাবিজাবি পরিচয় দিক, সে শুধু একটি কালিমা—লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ, এই কথাটুকু বিশ্বাস করার কারণে শত্রুতে পরিনত হয়েছে তামাম দুনিয়ার সকল শক্তির সাথে। এই শত্রুতা এই কালিমা ত্যাগ করা পর্যন্ত চলতেই থাকবে। কালিমার এই শত্রুদের শক্তির ব্যাপারে আমাদের ধারণা নাই বললেই চলে। আমি যতই সচেতন হই, পৃথিবীর যেখানে ও যত সুরক্ষিত জায়গায় থাকি, এই কালিমার শত্রুরা আমাকে ধ্বংস করার সক্ষমতা রাখে। . বিপরীত দিকে এই কালিমার মাধ্যমে আমি বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছি এমন এক মহান শক্তিধর সত্তাকে, যিনি আসমান ও যমীনের সৃষ্টিকর্তা। যার আদেশ ছাড়া একটি গাছের পাতাও নড়ে না৷ কালিমার শত্রুদের সকল শক্তি যদি এক সাথে করা হয়, তাহলে কালিমা পড়ার দ্বারা যাকে বন্ধু বানিয়েছি, তার সামনে একটি মাছির ডানার সমানও কোনো মূল্য রাখে না৷ এই বন্ধু যদি সিন্ধান্ত নেন আমাকে জীবিত রাখার, তাহলে তামাম দুনিয়ার সকল শত্রু তাদের হাজারো প্রচেষ্ঠার সবটুকুর সর্বোচ্চ দিলেও আমার একটি পশমও ছিড়তে পারবে না৷ আর ইতেকাফ হলো সে শক্তিধর রবের সাথে সম্পর্ক করার সবচেয়ে সহজ একটি মাধ্যম। পুরো দশটিদিন সে মহান রবের ঘরে, দুনিয়ার সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে আমি তাকে পাওয়ার জন্য যখন বসে যাবো, তখন অবশ্যই তিনিই হয়ে যাবেন আমার জন্য যথেষ্ট। এটাই হলো ইতিকাফের গূঢ় রহস্য। দেখুন ইবনে রজম হাম্বলি ইতিকাফের এই গূঢ় রহস্যের কথাই বলছেন ইতিকাফের পরিচয়ে, قطع العلائق عن الخلائق للاتصال بالخالق স্রষ্টার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য সৃষ্টির সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করাই হলো ইতেকাফ। -লাতায়েফুল মাআরেফ . মনে রাখবেন, কালিমার এত বিশাল শক্তিধর শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে হলে কালিমার মাধ্যমে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে নেওয়া আমার রব আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআলার সাথে সম্পর্ক বাড়ানো ছাড়া আমাদের হাতে বিকল্প কোনো অপশন নেই। রবের সাথে সম্পর্ক ছাড়া এক মুহুর্তও আমি আমার শত্রুর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারবো না। আর যখন সম্পর্ক হয়ে যাবে, তখন আমার শত্রু হয়ে যাবে আমার সামনে মৃতজন্তুরূপ! . তাই দ্বীনের বিজয় যদি বাস্তবিকই আমি চাই, আমার জন্য ইতেকাফে বসা বাধ্যতামূলক করে নিতে হবে। . এতটুকুই কী আমাদের জন্য যথেষ্ট নয়, যে রাসুলকে সে মহান রব দ্বীনকে বিজয়ের জন্য প্রেরণ করেছেন, যার ব্যাপারে ঘোষণা করেছেন, মহান শক্তিধর রব তাকে নিজে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করবেন, সে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি মদিনায় যাওয়ার পর কখনো ইতিকাফ ছাড়েন নি। দ্বীনকে বিজয় করার মহান দায়িত্ব ও ব্যস্ততা তাকে ইতিকাফ থেকে কখনোই বিরত রাখতে পারেননি! তাহলে আমি কেনো ইতিকাফ ছেড়ে দিবো? কোন অজুহাতে ছাড়বো!... . আল্লাহ আমাদের প্রতিটি ভাইকে দ্বীনের বিজয়ী সৈনিক হিসেবে কবুল করুক। আমীন৷

ইফতারির খাওয়ার আগের দোয়া তো আমরা খুব পড়ি, কিন্তু ইফতারি খাওয়ার পর যে দোয়া আছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে ইফতারি
ইফতারির খাওয়ার আগের দোয়া তো আমরা খুব পড়ি, কিন্তু ইফতারি খাওয়ার পর যে দোয়া আছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে ইফতারি খাওয়ার পরও দোয়া পড়তেন, সে দোয়া পড়ার চর্চা আমাদের ভিতর নেই। অথচ সনদের বিচারর ইফতারির আগের দোয়া থেকে পরের দোয়া পড়ার রিওয়ায়েত বেশি মজবুত। আমাদের ইফতারির আগের দোয়া পড়ার মত পরের দোয়া পড়ারও একটা পরিবেশ করে তুলতে হবে। -মুফতি আব্দুস সালাম সাহেব দা.বা. ফরিদাবাদ মাদরাসা

আমি পাকিস্তানকে ইসলামি রাষ্ট্র মনে করি না৷ যারা এটাকে ইসলামি রাষ্ট্র মনে করে তাদেরকে আমি মুবাহালার আহবান করলাম, আমি মুফতি তাকী উসমানী, ফজলুরসহ আরো যত আলেম পাকিস্তানকে দারুল ইসলাম মনে করে, তাদেরকে মুবাহালা ও বহসের জন্য চ্যালেঞ্জ করলাম। . আমি আফগান তালেবান ও পাক তালেবান উভয়কেই হক ও প্রকৃত মুজাহিদ মনে করি। যারা এদেরকে ভুল, বা খারেজি মনে করে তাদেরকে আমি চ্যালেঞ্জ করলাম, আসুন বসুন আমার সাথে। আসুন, আমরা উভয় মুবাহালা করি, যদি আমি ভুল হই, তাহলে আল্লাহ যেনো আমাকে ধ্বংস করে দেয়, আর আপনারা ভুল হলে আল্লাহ আপনাকে ধ্বংস করে দেয়। . মৃত্যু তো একদিন সবাইরই আসবে, কেউ তা থেকে বাঁচতে পারবো না। আমাদের উচিত, সত্যি কথা বলা। সত্যকে স্বীকার করে যাওয়া। -মাওলানা আব্দুল আজিজ গাজি হাফিজাহুল্লাহ খতিব, লাল মসজিদ, ইসলামাবাদ, পাকিস্তান লিংক : https://youtu.be/-wgCWWKKLYQ?si=mmMfRVKtFLsKZlhW

বাতিলের নানান আদর্শিক লেয়ার আছে। হকের কোন লেয়ার নেই। বাতিলের সাথে নানান মাত্রায় হক মিশ্রিত থাকলেও দিনশেষে সেটা বাতিলই। হকে বাতিলের সামান্যতমও মিশ্রণ থাকবে না। এই দীনকে নবিজি যেভাবে বুঝেছেন ও বুঝিয়েছেন। সাহাবিরা তাঁর থেকে যেভাবে বুঝেছেন ও মেনেছেন, ঐটাই হক। অবিমিশ্র হক। পরবর্তী যুগে নতুন নতুন সমস্যায় আলিমদের মাঝে দলিলভিত্তিক মতপার্থক্য হয়েছে সেগুলোও হক। কেননা তা কুরআন-হাদিসের দলিলভিত্তিক মতভেদ। বাতিল বন্ধু হিসেবেও আসতে পারে। আবু তালেব থাকবে, গিরিপথে বয়কটে সাহায্যকারী মমতাময় মুশরিক থাকবে, খৃষ্টান বাদশাহ নাজাশী থাকবে (অমুসলিম অবস্থায়), আকাবার বাইআতের আগে নানান আকৃষ্ট গোত্র থাকবে যারা বুঝতেসে নবিজি হক কিন্তু গ্রহণ করবে না, অত্যধিক বিবেকবান কাফির থাকবে, থাকবে আবু জাহল-আবু লাহাব। দিনশেষে এরা সবাই বাতিল। সবাই একটা বিষয়ে একমত : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ-কে মানা যাবে না। আপনাকে অনেক আদর করবে, অনেক পক্ষে বলবে, কিন্তু আপনার মূল এজেন্ডার সাথে আবু তালেবও ঐ পরিমাণই দ্বিমত, যে পরিমাণ আবু জাহল। অবশ্যই সবার সাথে আমাদের আচরণ সমান হবে না। কিন্তু আদর্শিক ক্ষেত্রে এটা মনে রাখতে হবে। এরা কেউ আল্লাহকে সার্বভৌম (ভাবার্থে ইলাহ) এবং নবিজিকে সুপ্রিম লীডার (ভাবার্থে রাসূল) মনে  করে না। আল্লাহ-রসুলকে সেকেলে মনে করে, অচল মনে করে। যারা আল্লাহকে ইলাহ ও নবিজিকে রসুল পুরোপুরি মেনেছে ও সঠিক স্থানে অধিষ্ঠিত করতে চায়, তাদেরকে এরা লীগ বা শাহবাগের চেয়েও বড় শত্রু মনে করে। আদর্শের জায়গায় এরা সব এক। এজন্যই কেউ শাপলাকে বাংলাদেশ দিয়ে রিপ্লেস করে, কেউ শাপলাকে ইনসাফ-ইনকিলাব জাতীয় অস্পষ্ট শব্দে নাকচ করে। কেউ শাপলাকে আবারও ম্যাসাকারের হুমকি দেয় এবং এজন্য শাপলাই দায়ী মনে করে। কেউ শাপলার গণহত্যাই প্রাপ্য মনে করে, হাসিনাকে এজন্য অন্তত কৃতজ্ঞতা দেয়। এরা সবাই ঐ জায়গায় এক। সব মানবো, শুধু আল্লাহ-রসুলকে দূরে রেখে আসো, এখানে এনো না। সেক্যুলারিজমকে নাপাক করো না ওনাদেরকে এনে। তাহলেই তোমাদের সাথে ডায়লগ হবে, তোমাদেরকে স্টেক দেবো, হাত গুটাবো না। শাপলাটা রেখে এসো। শাপলা এখন আর চলে না।

Repost from Reality Check BD
এক সময়ে এই ঢাকা ইউনিভার্সিটি শাহবাগকে তার বুকে জায়গা দিয়েছিল! আজ সেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকেই শাহবাগের কবর দে ... ভেসে আসছে! প্রশ্ন করুন কেন? এসব ঘটনা কেবল ঘটে যাবার জন্য, ফেসবুকে লাইক শেয়ার দেয়ার জন্য ঘটেনা। এগুলো আমাদের অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে যায়। আমরা যদি তা ধরতে ব্যর্থ হই তবে মাশুল আমাদেরকেই দিতে হবে।

প্রমাণ পাওয়ার পরেও কী এদেশের হুজুরদের হত্যার অপরাধে কাউকে শাস্তি দেওয়া হবে?
প্রমাণ পাওয়ার পরেও কী এদেশের হুজুরদের হত্যার অপরাধে কাউকে শাস্তি দেওয়া হবে?

আউর এক নমরুদ আগায়া!
আউর এক নমরুদ আগায়া!

ইসলামে মুরতাদ থেকে যিন্দিকের বিধান কঠোর। কারণ মুরতাদের বিষয়টা স্পষ্ট থাকে। সবাই বুঝে, অমুকে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছে। কিন্তু যান্দাকা হলো নিজের কুফরকে ইসলামের আবরণে প্রকাশ করা, যার কারণে সাধারণ মানুষ যিন্দিকদের ধোকা বুঝতে পারে না৷ ফলে তাদের ধোকায় পড়ে নিজেদের ঈমান খুইয়ে ফেলে। . মাহফুজ যে পালংবাদের অনুসারী ফিকহে ইসলামের দৃষ্টিতে এটা যান্দাকার অন্তর্ভুক্ত। কারণ নদিয়ার ইসলাম ইত্যাদি এগুলো মূলত কুফর, যা ইসলামের নামে মানুষকে গিলানো হয়। . মাহফুজ মূলত এই যান্দাকাকে খুবই চাতুরতার সাথে মানুষকে খাওয়াবে, মানুষের ঈমান হরণের চেষ্টা করবে, এবং এই সবকিছু করবে জুলাই বিপ্লবের দোহাই দিয়ে। . তাই মাহফুজকে শক্তিশালী হতে দেওয়ার আগেই ওর কোমর ভেঙ্গে চিরতরে পঙ্গু করে দিতে হবে৷ . জুলাইয়ের সমন্বয়করা যদি এদেশের রাজনীতির ‘র’ও ঠিকমতো বুঝে, মানুষের ভালোবাসা নিয়ে এদেশে রাজনীতি করতে চায় তাহলে মাহফুজকে তাদের সরাতেই হবে। অন্যথায় অচিরেই তারা হাসিনার মত বা তার থেকেও বেশি ঘৃণার পাত্র হবে।

মাহফুজ এদেশের মুসলিমদের জন্য এক ভয়ংকর শত্রু৷ এবং ইসলাম ও ওয়েস্ট সম্পর্কে পড়াশোনা করা শত্রু। তার ব্যাপারে কোনো জাহালাতের ওজর চলবে না৷ তাকে শত্রু মনে করা এদেশের প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য। হাঁ, এই শত্রুর সাথে কীভাবে ডিল করা হবে, তার হাত থেকে ও তার তৈরি দলের হাত থেকে ইসলাম ও মুসলমানকে কীভাবে রক্ষা করতে হবে, এটা দায়িত্বশীলরা নিজেদের অবস্থান ও শক্তি ভেদে ভিন্নরকম সিন্ধান্ত নিবে, তবে তাকে শত্রু যারা মনে করবে না, তারা অবশ্যই এদেশের মুসলিমের প্রতিনিধি হওয়ার যোগ্যতা রাখবে না। সে ভিন্ন কোনো কমিনিটির হয়তো প্রতিনিধি, যে নিজেকে মুসলিমদের প্রতিনিধি সাজিয়ে মুসলিমদের ধোকা দিচ্ছে৷