es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 322 suscriptores, ocupando la posición 7 895 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 063 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 322 suscriptores.

Según los últimos datos del 30 agosto, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 60, y en las últimas 24 horas de -1, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 14.01%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 5.87% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 1 587 visualizaciones. En el primer día suele acumular 665 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 35.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 31 agosto, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 322
Suscriptores
-124 horas
+47 días
+6030 días
Archivo de publicaciones
যুদ্ধের নামে ভারত-পাকিস্তানের নাটক অবশেষে শেষ হলো! . আমেরিকা আব্বোর বাধ্যগত দুই সন্তান—ভারত-পাকিস্তান, আব্বোর নির্দেশে যুদ্ধ বন্ধের ঘোষণা দিলো। আব্বোর নির্দেশে পাকিস্তানের গাযওয়াতুল হিন্দ আপাতত শেষ হলো। ইনশাআল্লাহ আব্বো আবার নির্দেশ দিলে আবার পাকিস্তান গাযওয়াতুল হিন্দের ডাক দিবে। . সবকিছুর পর এই যুদ্ধের মূল পাঠ ছিলো নাপাক আর্মি কর্তৃক মাসুদ আযহার সাহেবের পরিবারের কোরবানি। এবং বরাবরই মাসুদ আযহার সাহেব আবারো ম্রা খাইলো৷

টিটিপি পাকিস্তানকে এই যুদ্ধের সময় কঠিন মাইর দিছে। এটা নিয়ে কিছু আবেগিদের কান্দনের শেষ নেই। কিরে ভাই, এত মূর্খের মত আচরণ করলে কী হবে? টিটিপির সাথে কী পাকিস্তান যুদ্ধ বন্ধের কোনো চুক্তি হয়েছে? যদি না হয়ে থাকে তাহলে কেনো তারা শত্রুকে আক্রমণ থেকে বিরত থাকবে? আচ্ছা, ভারতের সাথে যুদ্ধবস্থায় পাক বাহিনী যদি টিটিপির কোথাও আক্রমণের সুযোগ পায় তাহলে কী টিটিপিকে ছেড়ে দিবে? এই ধরনের তামাশার কান্না বন্ধ করেন! টিটিপি-ইমারা ভারত পাকিস্তানের এই যুদ্ধকে ধর্মীয় যুদ্ধ হিসেবেই দেখে না। সুতরাং ধর্মের কারণ দেখিয়ে পাকিদের যে আবেগি খেলা, এটার কোনো দাম টিটিপি বা ইমারার কাছে নেই। যুদ্ধের নিজস্ব ভাষা আছে, সেই ভাষাতেই কথা হবে আলোচনা হবে। এখানে আবেগের দাম নেই।

ঈমান হেফাজত করি প্রত্যেকের।
ঈমান হেফাজত করি প্রত্যেকের।

পাকিস্তানের রশিদিয়া মাদরাসার উস্তাদরা ব্যাপকভাবে আর অন্যান্য কিছু নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিরাও ভারত পাকিস্তানের মারামারি লাগার পরে গাযওয়াতুল হিন্দের আলোচনা, হাদিসের ভবিষ্যৎ বানী নিয়ে আলাপ শুরু করে দিছেন। এই বিষয়ে একাধিক ভিডিওও তৈরি করে ফেলেছেন কেউ কেউ। . যাইহোক এই হাদিস নিয়ে আলোচনা করা তো সমস্যা না। তবে নাম বলবো না, বাংলাদেশের বেশ কিছু আহলে ইলম গাজওয়াতুল হিন্দ সংক্রান্ত হাদিসগুলো ব্যাপক দূর্বল ও এই হাদিস দিয়ে জিহাদের আহবানকে একটা ফিতনাবাজি বলে থাকে।যখন আলোচনাটা বিভিন্ন জিহাদি দলের পক্ষ থেকে হয়। এবং অনেকে তো বেশ তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে, জিহাদিদের ইলম সাতহিও বলে থাকেন, এই হাদিস সামনে রেখে জিহাদের দিকে আহবান করার কারণে। এবং এটাকে একটা দায়িত্বও মনে করেন। কিন্তু এখন তাদের সকলকেই দেখতেছি একদম মুখে কুলুপ এটে বসে আছেন! জানি না, কেন? এখন কী ইলমি আমানত হিসেবে কী অন্তত বলা দরকার না, এই হাদিস দিয়ে এভাবে জিহাদের আহবান করা ঠিক হবে না!

মুসলিম বিশ্বে হাজার বছরের ইতিহাসে পাকিস্তান আর্মির মত এত গোছালো ও মুনাজ্জাম সেনাবাহিনী আর আসে নাই। কেউ চাইলে আসুক আমার সাথে এই বিষয়ে বহস করতে আমি তৈয়ার আছি৷ -মুফতি আব্দুর রহিম মুহতামিম জামিয়াতুর রশিদ (এরপরও এই লোককে দালাল বলা যাবে না, কেনো? উনি আমার ঘরোনার আকাবির! হাহা)

বলেছিলাম, মাসুদ আযহারের পরিবারের কুরবানি নাপাক আর্মি দিয়েছে, এখন টিটিপিও তাই বলতেছে! হাহা! . এই নাপাক বাহিনির সমর্থন না দেওয়া
বলেছিলাম, মাসুদ আযহারের পরিবারের কুরবানি নাপাক আর্মি দিয়েছে, এখন টিটিপিও তাই বলতেছে! হাহা! . এই নাপাক বাহিনির সমর্থন না দেওয়ার কারণে অনেকে তালেবদের গালি দিচ্ছে, এরা নাকি আবার এক্সপার্ট!

লিবিয়ার প্রধান মুফতির এই ফতোয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। //গাজায় মুজা হি দদের সাহায্যে যারাই বাধা সৃষ্টি করবে তারাই ইহুদিদের সহযোগী হিস
লিবিয়ার প্রধান মুফতির এই ফতোয়াটা গুরুত্বপূর্ণ। //গাজায় মুজা হি দদের সাহায্যে যারাই বাধা সৃষ্টি করবে তারাই ইহুদিদের সহযোগী হিসেবে গন্য হবে।// কাফের সহযোগী কাফের হবে কি না, এই বিষয়ে ইখতিলাফ থাকলেও কাফেরের সহযোগিদের সাথে যুদ্ধ করা, তাদের হত্যা করার বিষয়ে ফকিহদের মাঝে কোনো ইখতিলাফ নেই। . আর এটা স্পষ্ট মনে রাখতে হবে, এই ফতোয়া শুধুই মিশর ও জর্ডানের সাথেই খাস নয়। মুসলিম প্রধাণ যেকোনো ভুমির শাসক ও সেনাবাহিনীর সাথেই প্রযোজ্য

বয়কটের শরয়ী বিধান.pdf4.22 KB

বয়কট নিয়ে তো কত লেখা পড়লেন কিন্তু ফিকহি গভিরতা ও ঈমানি গাইরাতের এই সমন্বয় বর্তমান পৃথিবীতে মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহকে অনন্য করে দিচ্ছেন। . বয়কট সংক্রান্ত মাসআলা বলার সময় বেশ সংখ্যক আলেমগণ কিছু ভুল বলেন। সেই ভুলগুলো কী, এবং সেগুলোর ফিকহি দৃষ্টিতে সমাধান কী, এটা খুবই চমৎকার ভাবে তুলে ধরেছেন মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহ। প্রত্যেক ইফতার তালেবে ইলমদের এই লেখাটি অবশ্যই পড়া দরকার।

দুঃখজনক হলেও জাশির ভাইদের বিশ্লেষণ এমনই। অথচ তারা নিজেদের এদেশের সবচেয়ে যোগ্য মনে করে!
দুঃখজনক হলেও জাশির ভাইদের বিশ্লেষণ এমনই। অথচ তারা নিজেদের এদেশের সবচেয়ে যোগ্য মনে করে!

কোনো প্রমাণ নাই তবে পাক আর্মির পিছনের রেকর্ড থেকে যদি বলি তাহলে এতটুকু বলতে পারি, মাসুদ আযহারের কুরবানি পাক আর্মি দিয়েছে। আর মাসুদ আযহার সাহেব পাক আর্মিকে ভরসা করে আরো একবার ম্রা খাইলো!

জামাতের ভাইরা ও পাকিস্তানের নাফাক ফৌজ সবগুলো এক হয়ে জিহাদি জামাতের নামে অপপ্রচার করতেছে যে, জিহাদিরা ইন্ডিয়ার পক্ষে। অথচ আল কায়দা উপমহাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে অফিসিয়ালি যুদ্ধ ঘোষণা করেছে! . বলেন, এরপরও কেনো এগুলোর জন্য বদদোয়া করবো না!

জামাতের এই ভাইকে আল্লাহ হয় বুঝ দিক অথবা এই দুনিয়ার জীবনেই চূড়ান্ত লাঞ্চিত করে মৃত্যু দিক।
জামাতের এই ভাইকে আল্লাহ হয় বুঝ দিক অথবা এই দুনিয়ার জীবনেই চূড়ান্ত লাঞ্চিত করে মৃত্যু দিক।

বাংলাদেশের একজন শীর্ষ পর্যায়ের আলেমের জিহাদ বিষয়ক লেখা প্রায় ছয়শত পৃষ্ঠার অপ্রকাশিত একটা বই হাতে এসেছে। লেখক এখনো পর্যন্ত কেনো বইটা অপ্রকাশিত রেখেছে, এটা জিজ্ঞালা করলে লেখকের শাগরেদ জানান, সমালোচনা হওয়ার ভয়। . বইটির উল্লেখযোগ্য অংশ নেড়েচেড়ে দেখার পর যেটা বুঝলাম, বাস্তবিকই লেখক প্রচুর সমালোচনার স্বীকার হবে! কারণ বইটিতে ঘুরে ফিরে সেই একই আলাপ, শাসক ছাড়া জিহাদ করা যাবে না, বাংলাদেশ দারুল ইসলাম, জিহাদের জন্য ইমাম, বাইতুল মাল, দারুল কাজা(?) শর্ত ! খুবই আফসোস লাগলো বইটির জায়গাগুলো দেখে! . যাইহোক, বইতে লেখক বিভিন্ন দিকের প্রচুর নস জমা করেছেন। বিভিন্ন বিষয় এক জায়গায় পাওয়া যাবে, এতটুকু ফায়দা হয়েছে বইটি সংগ্রহ করে! লেখক জিহাদ বিষয়ক প্রচুর মুতালাআ করেছেন এটা বই থেকে স্পষ্ট।

মধ্যপ্রাচ্যের দুটো সংখ্যা কর্তৃপক্ষ হাদিয়া পাঠিয়েছে। আল্লাহ তাদের জাযায়ে খায়ের দান করুন। . এখন পর্যন্ত এদের হিম্মত ও কাজের মা
মধ্যপ্রাচ্যের দুটো সংখ্যা কর্তৃপক্ষ হাদিয়া পাঠিয়েছে। আল্লাহ তাদের জাযায়ে খায়ের দান করুন। . এখন পর্যন্ত এদের হিম্মত ও কাজের মান, উভয়টাই অনেক আশা জাগানিয়া। অল্প বয়স্ক তরুন কিছু ছেলের হিম্মত ও কাজের মান সত্যিই যত দেখছি মুগ্ধ হচ্ছি। আল্লাহ তাদেরকে ইস্তিকামাত দান করুক ও সিরাতে মুস্তাকিমের উপর রাখুন। . আমাদের উচিত প্রত্যেকেই যার যার সামর্থ্য অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যে কর্তৃপক্ষকে সাহায্য করা—পত্রিকা সংগ্রহ করে, প্রচার করে, পরামর্শ দিয়ে।

জি, এখানে কোনো নম্রতা আর সুশীলতা নাই, যেমন সেকুলার দুনিয়া সেকুলার আইন প্রতিষ্ঠায় কোনো নম্রতা বা সুশীলতার আলাপ পারে না, জিরো ট
জি, এখানে কোনো নম্রতা আর সুশীলতা নাই, যেমন সেকুলার দুনিয়া সেকুলার আইন প্রতিষ্ঠায় কোনো নম্রতা বা সুশীলতার আলাপ পারে না, জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করে। ইসলামও ঠিক তেমনই। এটাই যুক্তির দাবী।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ এখন: ১. ধর্মপ্রাণ নারী শিক্ষক, চিকিৎসক, পেশাজীবী-দের সমন্বয়ে একটি সম্মিলিত নারী সংগঠন গড়ে তোলা। এইসব গুটিকয়েক লেজকাটা শেয়ালের হুক্কাহুয়া যে বাংলার আপামর নারীর প্রতিনিধিত্ব করে না, সেটা প্রতিষ্ঠা করা। নারীবাদীদের লেজিটিমেসি নষ্ট করতে এটা করা দরকার। এই সংগঠন নানান ইস্যুতে বিবৃতি দিবে। (বয়স্ক নারীদের পর্দার কঠোরতার ব্যাপারে শরীয়তে কিছুটা ছাড় রয়েছে। আমাদের দাওয়াহ থাকবে পরিপূর্ণ পর্দার দিকে। এর মাঝে যে যতটুকু করছেন, তা সহই তার যোগ্যতা ও অবস্থানকে ইসলামের কাজে লাগাতে হবে ড. নাসিমার মতো। দাওয়াতে কোন ছাড় নেই, বাস্তবতাকেও কাজে লাগানো) ২. রানিং ছাত্রীদের নিয়ে আরেকটি সংগঠন হতে হবে। (এখানেও একই বক্তব্য। পর্দার ব্যাপারটা লক্ষ্য রেখেই। যেসব বোনেরা এখনও পূর্ণ পর্দা করছেন না, তাদেরকে নসীহা-সহ এক্ষেত্রে অগ্রণী রাখা ও পূর্ণ পর্দায় উদ্বুদ্ধ করা) ৩. যাঁরা ইতোমধ্যে পরিপূর্ণ পর্দা করেন, তারা ব্যাপক অনলাইন প্রতিরোধ গড়ে তুলুন। ফিমেল-অনলি গ্রুপ, পেইজ থেকে তীব্র নারীবাদ-বিরোধী ন্যারেটিভ গড়ে তুলুন। নিজ যোগ্যতা দক্ষতাকে কাজে লাগান অবসরে। ৪. নারীবাদী নেত্রী টকশো-তে বললেন: পারিবারিক আইনে ধর্মের 'পাশাপাশি' তারা একটা সিভিল ল' অপশন রাখতে চান। ধর্মহীন সেক্যুলার মেয়েরা যেন অপশনটা ব্যবহার করতে পারে। ওকে ফাইন, আমরাও দেওয়ানি-ফৌজদারি আইনের পাশাপাশি শরীয়া কোর্ট চাই। আপনারা ০.০০০০০১% হয়ে যদি আলাদা আইন চান, আমরাও ৯০% হয়ে কুরআনের আইন ও শরীয়া আদালত অপশনটা চাই। ধর্মীয় সকল সংগঠন এই আওয়াজটা জোরে তোলা উচিত। আর সকল দাবি রেখে কেবল শরীয়া কোর্ট প্রতিষ্ঠা করতে পারলেও আপনাদের ইসলাম কায়েমের কাজ একশ' বছর এগিয়ে যাবে।

আমার অনুদিত মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক বইটি কেনো পড়া দরকার ও বর্তমান সময়ে এর প্রয়োজনীয়তা ভাইয়ের পর্যালোচনায় সংক্ষিপ্তভাবে উঠে এসেছে। আল্লাহ ভাইকে উত্তম প্রতিদান দান করুন। https://www.facebook.com/share/p/1C29q6Ee46/

সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ তুলে তিউনিসিয়ার নাহদা পার্টির সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ৩৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে সেখানের আদলত! . সন্ত্রাসবাদ বলে ঘানুশির নাহদা পার্টি ইসলামের কাটছাট করলো, যাদের খুশি করতে করলো আজ তারাই সেই একই শিরোনামে নাহদা পার্টিকে খেয়ে দিচ্ছিলো। . প্যাটার্নটি খেয়াল করেছেন, ৯/১১ এর পর এদেশে জাশির নেতা ও পোলাপানরাও ঠিক একই কাজ করেছে। বিএনপির সাথে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে তাল মিলিয়ে ইসলামের জি হা দকে কত জঘন্যভাবে ক্রিমিনালাইজ করেছে। অতপর আওয়ামীলীগ আসলো। বাকি ইতিহাস সকলের জানা। এদেশে ঘানুশির চর্চা শুরু করে জাশির কিছু ভাইরা। এরপর এই নষ্টমালের পুরো টেন্ডার নেয় চরমোনাইয়ের ফজলুল করিম মারুফরা। ঘানুশি চর্চার মাধ্যমে এদেশে মুসলমানদের মুক্তির স্বপ্ন দেখে মারুফরা, যেখানে ঘানুশি ও তার দল চূড়ান্ত ব্যর্থ। . এই ঘানুশি পশ্চিমের কাছে ও সেদেশের শাহবাগি শুয়রগুলোর কাছে ইসলামের যৌক্তিকতা তুলে ধরতে ইসলামের মৌলিক সকল বিধানেই আপোষ করেছে ও বিকৃত সাধান করেছে! নারীর পর্দা থেকে নিয়ে ইসলামি সিয়াসাতের প্রায় সকল পরিভাষাকেই ঘানুশি বিকৃত করেছে। কিছুদিন পূর্বে চর্মোনাইয়ের মারুফের—গণতন্ত্র হলো ইসলামি শুরার আধুনিক ভার্সন, এই বিকৃতও মারুফের নিজের না৷ ঘানুশি থেকে ধার করাই! বুঝতে পারছেন কিছু! . বি.দ্র. ঘানুশির ইসলাম ও গণতন্ত্রের বিকৃতের একটা নমুনা দেখেন। https://www.facebook.com/share/p/1GZKax1xpR/ বি.দ্র. ২ : চরমোনাইয়ের ফজলুল করিম মারুফের ঘানুশি প্রেমের একটা নমুনা হলো, ইসলাম এলজিবিটিদেরও মুসলিমদের সাথে মেনে নেয়! https://www.facebook.com/share/v/1AdY5ekmp5/

“ডারতের সেনাবাহিনী যদি বর্ডার রক্ষায় ক্লান্ত হয়ে যায়, তাহলে আমাদের আলেম-মাদরাসার মানুষদের বর্ডারে পাঠিয়ে দিন। আমরা এমনভাবে তা রক্ষা করবো, যদি জিব্রিলও পাকিস্তান থেকে আসে, তাকেও ঢুকতে দিবো না।” . এগুলো শুধুই মঞ্চ কাপানো কথা না, ভারতের মুসলমানদের মধ্য এই জাতীয়তাবাদ খুবই ভয়ংকরভাবে রোপিত! এরা ব্যাপকভাবেও ডারতের গেন্দুদের নিজেদের জন্য যতটা আপন মনে করে তার শিখিভাগ আপন পাকিস্তান বা বাংলাদেশের মুসলমানদের মনে করে না! আমার নিজের কয়েকটা অভিজ্ঞতা যার সাক্ষি!