es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 303 suscriptores, ocupando la posición 8 130 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 026 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 303 suscriptores.

Según los últimos datos del 25 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 77, y en las últimas 24 horas de -2, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 19.07%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 8.07% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 155 visualizaciones. En el primer día suele acumular 912 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 46.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 26 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 303
Suscriptores
-224 horas
+227 días
+7730 días
Archivo de publicaciones
জরুরি।
জরুরি।

স্বেচ্ছাসেবী কাফেলার পক্ষ থেকে দেশবাসীর উদ্দেশ্যে উদাত্ত আহ্বান। আলহামদুলিল্লাহ আজকে ২ হাজারের উর্ধ্ব পরিবারের প্যাকেট অলরেডি ২৬ টি এলাকায় বিতরণের জন্য চলে গিয়েছে। আল্লাহ পাকের অশেষ মেহেরবানি। আমাদের আরও অনেক এলাকা থেকে তাকাজা আসছে। সেগুলোও আল্লাহর খাজানা থেকে ব্যবস্থা হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। আপনারা যারাই হাদিয়া নোয়াখালী ঢুকবেন। তারা অবশ্যই স্থানীয়দের সাথে যোগাযোগ করে আসবেন। তাহলেই প্রকৃত হকদারগণ হাদিয়া পাবেন ইনশাআল্লাহ। সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম: 01729-714125 (বিকাশ) 01954-248187 (নগদ) 01865-125300 (বিকাশ, নগদ) (সবগুলো নাম্বার পার্সোনাল)

আফগানিস্তানে সম্প্রতি কিছু শরীয়া আইন বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যার মাঝে পুরুষের জন্য একমুষ্টি দাঁড়ি, নারীদের নিকাব বাধ্যতামূলক, ও পুরুষ ছাড়া দূরপাল্লার সফর নিষিদ্ধ ইত্যাদি। বিধানগুলো বাস্তবায়িত হওয়াতে জাতিসংজ্ঞ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং বিবৃতি দিয়েছে। এর পালটা বিবৃতি দিয়েছেন ছাত্র ভাইদের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ। এবং বেশ শক্ত ভাষায় দিয়েছেন। বিবৃতির ভাষ্যটি প্রতিটি ইসলামি দলের সমর্থক ভাইদের পড়ার আহবান করছি। “উক্ত বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, আফগানিস্তানে সদ্য অনুমোদিত এই আইনে ৪টি অধ্যায় ও ৩৫টি অনুচ্ছেদ রয়েছে, যা আমির-উল-মুমিনীন কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত এবং প্রকাশিত হয়েছে। এই আইনগুলি ইসলামি শরিয়ার সাথে গভীরভাবে জড়িত, যা হানাফি ফিকাহের উপর ভিত্তি করে প্রণীত হয়েছে। এ আইনের প্রতিটি ধারা স্পষ্টভাবে প্রমাণিত, ইসলামি উৎসের ভিত্তিতে নির্ধারিত ও স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এরপর তিনি বলেছেন, যারা ইসলামি শরিয়া আইন সম্পর্কে পরিচিত নন, বিশেষ করে যারা অমুসলিম তাদের এই আইন সম্পর্কে সংশয় থাকতে পারে, আমারা তাদেরকে ইসলামি মূলনীতি অনুযায়ী বিস্তারিতভাবে আইনগুলি সম্পর্কে অনুসন্ধান এবং শ্রদ্ধাশীলভাবে বিবেচনা করার আহ্বান জানাচ্ছি। কোনরকম বোঝাপড়া ছাড়া এই আইনগুলি প্রত্যাখ্যান করা আমাদের দৃষ্টিতে ঔদ্ধত্যের বহিঃপ্রকাশ। এরপর তিনি মুসলিমদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন, আমরা পরামর্শ দিচ্ছি এ আইন সম্পর্কে ভালোভাবে বুঝতে বিশেষজ্ঞ আলেমদের পরামর্শ নিন। একজন মুসলিম হিসেবে এই আইনগুলো যদি কেউ প্রত্যাখ্যান করে বা সমালোচনা করে, তাহলে তা তার ধর্মীয় জ্ঞানহীনতাকেই প্রদর্শন করে এবং এতে তার ঈমান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আফগানিস্তান একটি মুসলিম দেশ, তাই শরিয়াহ আইন এখানকার সমাজে প্রাকৃতিকভাবেই প্রযোজ্য। প্রত্যেক মুসলিম ও ইসলামিক সরকারের জন্য এটি একটি মৌলিক দায়িত্ব যে তারা পবিত্র কুরআনের নির্দেশ অনুযায়ী ভালো কাজ প্রচার এবং মন্দ কাজ প্রতিরোধ করবে। এজন্য সৎ কাজে আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে এইসব শরিয়া আইন  সুষ্ঠু যথাযথভাবে প্রয়োগের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, এই আইনগুলির প্রয়োগ নিয়ে কোনো উদ্বেগের কারণ নেই। কোনো ব্যক্তির অধিকার লঙ্ঘিত হবে না এবং কোনো ব্যক্তির প্রতি অবিচারও হবে না। এই আইনগুলি সমাজে সমানভাবে ও ন্যায়সঙ্গতভাবে প্রয়োগ করা হবে। সর্বশেষে তিনি সমালোচনাকারীদের উদ্দেশ্যে হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আমারা নিশ্চিতভাবে বলে দিচ্ছি, বিভিন্ন পক্ষের উত্থাপিত উদ্বেগ ইমারতে ইসলামিয়াকে শরিয়া আইন রক্ষা ও প্রয়োগের প্রতিশ্রুতি থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না।”

এদেশের হানাফি বলেন, আহলে হাদিস বলেন, বেরলবি বলেন, প্রত্যেকেই তাদের দল যে সঠিক, তাদের কাজ যে সঠিক এটা প্রমান করে কী দিয়ে? কী দিয়ে প্রত্যেকেই চেষ্টা করে, যে তারা সঠিক? স্বাভাবিক কুরআন হাদিস দিয়ে। অর্থাৎ কুরআন-সুন্নাহ দিয়ে যদি তারা প্রমান না করতে পারে তাহলে তাদের ইসলাম অনুযায়ী কোনো বৈধতা নেই। তারা একটি বাতিল দল। এখন তাদের নিজেদের পক্ষে কুরআন-সুন্নাহের ব্যাখ্যা সঠিক হোক বা ভুল, তাদের একটা দায়বদ্ধতা আছে নিজেদের সঠিক প্রমান করার জন্য কুরআন-সুন্নাহেএ কাছে। তারা ভুল হলেই কুরআনই পেশ করতে হবে নিজের জন্য এছাড়া তাদের ইসলাম হিসেবে বৈধতার কোনো অর্থ নেই। এ যে কুরআন-হাদিসের কাছে যে দায়বদ্ধতা এটাই হলো আল্লাহর হাকিমিয়্যাহ। এইযে যেকোনো কাজ, দল, আইন ওগুলোকে আপনি সঠিক আর বেঠিক, হালাল-হারাম, জায়েয নাজায়েয বলছেন বা এগুলোর সীমা নির্ধারণ করছেন কুরআন হাদিস দিয়ে, ভুল শুদ্ধ নির্নয়ের মাপকাঠি রাখছি কুরআন ও হাদিস। এটাই আল্লাহর হাকিমিয়্যাহ। আর এই হাকিমিয়্যাতই হলো আল্লাহর একটি সিফাত যার অস্বীকারকারী কাফের। . এবার বাংলাদেশসহ সকল সেকুকার রাষ্ট্রের বিষয়টি দেখি। দেশের একটি দল গঠন, একটি প্রতিষ্ঠান গঠন, দেশের যেকোনো আইন প্রনয়ন তৈরি এগুলোকে বৈধতা দেয়ার ভিত্তি কী? কিভাবে একটা দেশের দলকে অবৈধ বা বৈধ ঘোষনা করা যায়? রাষ্ট্রের কোনো কাজ আপনার পছন্দ না হলে আপনি কিসের ভিত্তিতে চ্যালেঞ্জ করতে পারবেন? আপনি বৈধ এটাকে আদালতে প্রমান করবেন কী দিয়ে? কুরআন হাদিস দিয়ে? না এগুলোর বৈধতার একমাত্র ভিত্তি হলো দেশের সংবিধান। আর যেকোনো সেকুলার রাষ্ট্রের সংবিধানের বৈধতার মাপকাঠি হলো হিউম্যানরাইটসের উসুলগুলো অনুযায়ী হচ্ছে কি না। . আশা করি। একটু হলেও জটলা খুলেছে।

শোনেন, খেলাফত, ইমারত সব বাদ। ধরে নিলাম এগুলো ঐশী কোন কিছু না। আসেন একটা সোজাসাপটা কথা আমরা একমত হই। 'স্রষ্টার অবাধ্যতায় সৃষ্টির আনুগত্য নাই'। এই ক্লজ আপনাদের নতুন সংবিধানে ঢুকান। সুদ বাদ, মিডিয়ায়, সিনেমায় গলা থেকে পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত মেয়েদের নগ্ন শরীর নিষিদ্ধ করেন। এটুকু পারবেন? পারবেন না। কোন চুলই পারবেন না। তাহলে এতো ত্যানা না পেঁচিয়ে বলেন, 'আমরা মার খেতে চাই না। এমন কোন কিছু করেন না যাতে আমাদের পুচ্ছে মার পরে'।  তাহলেই কেচাল শেষ। আপনারাতো শুধু মিশর এবং সিরিয়ার উদাহরণ টানেন। তিউনিসিয়া টানেন না কেন? সেখানেতো সেক্যুলারদের খুশি করতে প্যান্ট খুলে রাস্তায় শুয়ে পরেছিলেন। তাহলে ফেল করলেন কেন? আমি জানি আপনারা এতোটাই চুতিয়া যে যদি বাংলাদেশে প্রতিবিপ্লব হয় এবং হার্ডলাইনাররা একটা ফুলও না ছুড়ে তবু আপনারা এই ব্যর্থতার দায় কিছু অংশ হলেও তাদের উপর চাপাবেন। আপনাদের শুয়োরপনা দেখলে জর্জ অরওয়েলের 'এনিমেল ফার্ম' এর কথাই শুধু মনে পরে। ইরাক, মিশর, সিরিয়ায় কট্টরপন্থীরা অনেক আজেবাজে কাজ করেছে সন্দেহ নাই কিন্তু এটুকু স্বীকার করেন কথিত মডারেটরাও প্রচুর অযোগ্যতা দেখিয়েছে এবং শয়তানি করেছে। লুঙ্গি খুলে পশ্চাৎদেশ খুলে দিলেই বিপ্লব টিকে যায় এসব কাঁচা কথা আপনাদের কে শেখায়? ©

মাদানীনগর মাদরাসা থেকে আজ একটি কাফেলা মাদরাসাতুস সুন্নাহতে এসেছেন বর্নাত্য মানুষের জন্য হাদিয়া নিয়ে। তাদের দাবী ছিলো যতটুকু ভিতরে আমাদের পাঠাবেন আমরা যাবো। আলহামদুলিল্লাহ দুটি গ্রুপ করে উস্তাদদের পাঠানো হয়। মাগরিবের সময় কাজ শেষ করে এসে, ফায়সাল সাহেব জানালেন, ‘আমরা যে উদ্দেশ্যে এসেছি তাতে সফল। বেশ ভিতরেই আজ যাওয়া হয়েছে।’ . সিলেটের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজকে ভাইরা হাদিয়া নিয়ে এসেছেন। তাদেরকেও দূর্গম এলাকাগুলোতে পাঠানো হয়েছে। . নোয়াখালীতে এখন দুধরনের খিদমতই প্রয়োজন—শুকনো খাবার ও চালডাউল। . যারা নোয়াখালীতে আসবেন অবশ্যই স্থানীয় কাজ করছে তাদের সাথে যোগাযোগ করে কাজ করবেন। এটার দ্বারা ফায়েদা বেশি হয়।

এরাই হলো আমার পরিভাষার কওমীর শাহবাগি। আশআরি সালাফি ইখতিলাফ যারা করেন তারা নয়, কস্মিনকালেও নয়।
এরাই হলো আমার পরিভাষার কওমীর শাহবাগি। আশআরি সালাফি ইখতিলাফ যারা করেন তারা নয়, কস্মিনকালেও নয়।

সেপ্টেম্বরে ঢাবিতে সিরাত মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের রাম-বাম-শাম ও গোসল না করা প্রগতিশীলদের আগষ্টের দুঃখব্যাথা ও কান্না না থামতেই এমন একটি আয়োজন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে বলে বিজ্ঞমহল আশা ব্যক্ত করেছেন। . নেটিজেনদের অনেকের দাবী হলো, এতে অনেক রাম-বামদের হার্ট অ্যাটাকসহ বিভিন্ন ভয়াবহ সুসংবাদ আসতে পারে। এছাড়া কান্না না থামার কারনে টিস্যু সংকটে আছে এই সং্খ্যালঘুরা। তাই আমরা তাদের সাহায্যের জন্য ফাণ্ড কালেকশনের সিন্ধান্ত নিয়েছি। মানবতার সেবায় আমরাই প্রথম। এই স্লোগানে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম: 01865-125300 (বিকাশ, নগদ, রকেট) 01729-714125 (বিকাশ) 01954-248187 (নগদ) 01919663862 (বিকাশ, নগদ)

আপনারা জানেন, আমরা মাদরাসাতুস সুন্নাহ নোয়াখালীর পক্ষ থেকে আটদিন যাবত নোয়াখালী জেলায় বন্যার্তের ত্রাণ বিতরণের কাজ মরে আসছি। এই আটদিনে খাদ্যসামগ্রীসহ সর্বমোট ২৬ লাখ ৪২ হাজার টাকা আমাদের হাতে এসে পৌঁছেছে, আলহামদুলিল্লাহ! আজকে আমরা ১৬০০ পরিবারে হাদিয়া পৌঁছাতে পেরেছি, আজকেসহ সর্বমোট ৯ হাজার ১০০ পরিবারে হাদিয়া পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছি আলহামদুলিল্লাহ! যেসব এলাকায় আজকে হাদিয়া পৌঁছানো হয়েছে— খেজুর তলা,আফানিয়া,নজরপুর, পশ্চি এখলাশপুর, জীরতলি, মুজাহিদপুর, মিরওয়ারিশপুর, নাজিরপুর খালপাড়, তালতলা, ফুলতলা, এখলাশপুর, সেনবাগ, কাজির হাট, শরিফপুর, নরোত্তমপুর, সাহেবের হাট, লাঙ্গলকোট, লেমুয়া, ৪নং কাদির হানিফ ইউনিয়ন, নাটেশ্বর, লতিফপুর, জমিদার হাট, খাজুরিয়া, সেনবাগ হাজিপুরসহ প্রায় ২৫এর অধিক এলাকা। প্রিয় দেশবাসী! তবে বন্যার্তদের প্রয়োজনের তুলনায় আসলে এই পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী কিছুই না। অথচ আমাদের আর্থিক ফান্ডিং শূন্যের কোঠায়! তাই সকলের কাছে আমাদের আবেদন থাকবে, আপনারা আর্থিক সহযোগিতার সুবর্ণ সুযোগ লুফে নিবেন! সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম: 01865-125300 (বিকাশ, নগদ, রকেট) 01729-714125 (বিকাশ) 01954-248187 (নগদ) (সবগুলো নাম্বার পার্সোনাল)

ইফতেখার জামিল ভাই জ্ঞানী মানুষ, তার থেকে এমন মূর্খতা ভালো দেখায় না। . ইফতেখার জামিল ভাই একটি বিশ্রি পোষ্টে দুটো দাবী করেছেন। এক. জি হা দের মাধ্যমে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবী যারা করে তারা নাকি হয় মূর্খ না হয় প্রতারক। দুই. মুসলিমদের সাথে যে যুদ্ধ এটা নাকি জি হা দ না। এটা ভিন্ন, জি হা দ শুধু যা কাফেরের সাথেই হয়। উভয় দাবীতেই তিনি নিজেই ভুল করেছেন। এবং সত্য হলো মূর্খতার পরিচয় দিয়েছেন। এধরনের মূর্খতা উনার থেকে কাম্য না। বিস্তারিত বলার মত অবস্থা আমার না। উনার দুটো দাবীর ভুলের পক্ষে দুজন ইমামের শুধু দুটো বক্তব্য দিচ্ছি। ১. ইসলামি খিলাফত প্রতিষ্ঠা স*শ*স্ত্র জি]হা]দ ছাড়া দ্বীনের বিজয় সম্ভব নয় . শাহ ওলিউল্লাহ মুহাদ্দেসে দেহলবি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ১১৭৬ হি.) বলেন, اعلم أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث بالخلافة العامة، ‌وغلبة ‌دينه على سائر الأديان لا يتحقق إلا بالجهاد وإعداد آلاته، فإذا تركوا الجهاد، واتبعوا أذناب البقر أحاط بهم الذل؛ وغلب عليهم أهل سائر الأديان. (حجة الله البالغة 2/267، باب الجهاد) " আল্লাহ তাআলা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে ‘খিলাফতে আম্মাহ’ (ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করা) দিয়ে প্রেরণ করেছেন। (এবং পুরো দুনিয়ার সকল জীবনব্যবস্থার উপর খে]লা]ফত]কে প্রতিষ্ঠা করা) আল্লাহর দীনকে সকল দীনের উপর বিজয় করা শুধু মাত্র জি]হা]দ ও জি]হা]দের হাতিয়ার প্রস্তুত করার মাধ্যমেই বাস্তবায়িত হবে। আর যখন তোমরা জি]হা]দ ছেড়ে দিবে তখন লাঞ্চনা তোমাদের ঘিরে ফেলবে এবং সকল ধর্ম তোমাদের উপর বিজয়ী হয়ে যাবে।" -হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা ২/২৬৭ ২. মুসলিম শাসকের বিপক্ষে যুদ্ধও জি হ দ দেখুন ফতোয়ায়ে শামীর ইবারতটুকু। ولم يترجم له بكتاب إشارة إلى دخوله تحت كتاب الجهاد. لأن القتال معهم في سبيل الله ولذا كان المقتول منا شهيدا... إذ لا يختص الجهاد بقتال الكفار.. ইমাম শামীর ইবারত কত স্পষ্ট। জি হা দ শুধুই কাফেরদের সাথেই খাস নয়। মুসলিম শাসকদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহও জি*হা*দের অন্তর্ভুক্ত। . আসলে উনি যেগুলো মাঝে মাঝে বলেন এগুলো বেশিরভাগই হলো কারযাবির মডারেট ইসলামের কপি পেষ্ট। তবে তিনি বিষয়গুলোকে ভিন্ন শব্দে ও সুন্দর যুক্তি দিয়ে তুলে ধরেন। এতটুকুই পার্থক্য। . এখানে একটি কথা বলে নেয়া দরকার, যারা পুরো পৃথিবীতে জি হ দের কথা বলেন, বিশেষত মুসলিম প্রধান ভুখণ্ডগুলোতে তাদের ফিকহি তাকয়িফ হল এই ভুখণ্ডগুলো কাফেররা দখল করে রেখেছে। আর মুসলিমরা তাদের ভুখণ্ডগুলো পুনরুদ্ধার করছে। এগুলো এখনো কুফরের অধিনেই আছে। কাফেরের এজেণ্ডগুলো ও তাদের সংবিধান দিয়েই এখনো মুসলিম দেশগুলো পরিচালিত হচ্ছে।

শাহবাগে ব্যাটারি চালিত রিক্সা আর সাধারন রিক্সার ভাইরা এলক্লাসিকো/মহাযুদ্ধের জন্য জমায়েত হচ্ছে। তাদের সাহায্যের জন্য আর্থিক টা
শাহবাগে ব্যাটারি চালিত রিক্সা আর সাধারন রিক্সার ভাইরা এলক্লাসিকো/মহাযুদ্ধের জন্য জমায়েত হচ্ছে। তাদের সাহায্যের জন্য আর্থিক টাকা কিছু অনুদান লাগবে। সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম: 01865-125300 (বিকাশ, নগদ, রকেট) 01729-714125 (বিকাশ) 01954-248187 (নগদ) উপরের বিকাশ নাম্বারগুলোতে লিমিট শেষ হয়ে গেছে। আমরা যারা বিকাশে টাকা পাঠাবো, নীচের নাম্বারে পাঠাতে পারি 01919663862 (বিকাশ, নগদ)

আল্লাহর খাজানা অনেক বড়! . আমাদের কাছে প্রায় বারো হাজার পরিবারকে খাবার পৌঁছানোর তাকাজা আছে। অথচ গতকাল মাগরিবের সময় আমাদের কাছে শুধু কিছু পানি ছাড়া আর কোনো সাহায্যই ছিলো না। মাগরিবের পর জিম্মাদার চোখ ছলছল করে রুমে এসে বসেছিলেন। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, যত সকাল হয়েছে আল্লাহ তার খাজানা থেকে সাহায্য ধীরে ধীরে আসতে শুরু করেছে। . মাত্রই ময়মনসিংহ থেকে একদল ভাই সাহায্য নিয়ে এসেছেন। তাদেরকে দূর্গম এলাকায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। কেরানীগঞ্জ থেকে একদল ভাই বড় কাফেলা নিয়ে লক্ষীপুরের দিকে আসতেছে। আল্লাহই সকল কিছুর উত্তম ব্যবস্থাপক। আলহামদুলিল্লাহ। . বৃষ্টি এখনো হচ্ছে, অরা যে যেখানেই আছি ইসতিগফারের আমল বাড়িয়ে দেই। সম্মেলিত ইসতিগফারের আমল করি বিভিন্ন মসজিদে।

ব্যাপকভাবে আমরা ইসতিগফার করি। গতকাল সারারাত নোয়াখালীর চৌমুহনীতে বৃষ্টি হয়েছে। সকাল থেকে বৃষ্টি আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এভাবে বৃষ্টি হতে থাকলে... আমরা প্রত্যেকেই নিজের গুনাহকে স্মরণ করি। আল্লাহর সামনে নিজেদের অসহায়ত্বকে খুব জাহের করি। আমার আপনার ত্রান দিয়ে কিছুই হবে না। আল্লাহই আমাদেরকে এই বিপদ থেকে উদ্বার করতে পারবে। তিনিই একমাত্র মুক্তিদাতা৷ পুরো দেশবাসী, বিশেষত সকল মাদরাসাগুলোতে সম্মেলিত সাহায্যের সাথে সাথে ইসতিগফারের আমল করা প্রয়োজন।

চৌমহনীতে এই কঠিন মূহুর্তে ডাকাত এসেছে৷ মসজিদের মাইক থেকে ঘোষনা আসছে! . কল্পনা করা যায়, যখন মানুষরা অনিশ্চিত জীবন কাটাচ্ছে, তখন কিছু অমানুষ মানুষদের সর্বোচ্চ লুটে নেয়ার কাজে লিপ্ত! কেন ইসলামে ডাকাতের শাস্তি এত ভয়ংকর! . মুমিন কত পবিত্র পানি—শরী*য়া তোমাদের আল্লাহ দিয়েছে, আর তোমরা গুয়ের পানি—গ*ণ*ত*ন্ত্রকে নিজেদের আদর্শ বানাচ্ছো! আলেম তালেবে ইলম ভাইরা ডাকাতে শাস্তি বিষয়ে শামীর এই পুরো ইবারতটুকু দেখে রাখুন। "(باب قطع الطريق) و هو السرقة الكبرى. (من قصده) و لو في المصر ليلًا به يفتى (و هو معصوم على) شخص (معصوم) و لو ذميًّا، فلو على المستأمنين فلا حد (فأخذ قبل أخذ شيء وقتل) نفس (حبس) وهو المراد بالنفي في الآية: وظاهر أن المراد توزيع الأجزية على الأحوال كما تقرر في الأصول (بعد التعزير) لمباشرة منكر التخويف (حتى يتوب) لا بالقول بل بظهور سيما الصلحاء (أو يموت) (وإن أخذ مالا معصوما) بأن يكون لمسلم أو ذمي كما مر (وأصاب منه كلا نصاب قطع يده ورجله من خلاف إن كان صحيح الأطراف) لئلايفوت نفعه وهذه حالة ثانية. (وإن قتل) معصوما (ولم يأخذ) مالاً (قتل) وهذه حالة ثالثة (حدًّا) لا قصاصًا(ف) لذا (لا يعفوه ولي، ولا يشترط أن يكون) القتل (موجبا للقصاص) لوجوبه جزاء لمحاربته لله تعالى بمخالفة أمره وبهذا الحل يستغنى عن تقدير مضاف كما لايخفى. (و) الحالة الرابعة (إن قتل وأخذ) المال خير الإمام بين ستة أحوال: إن شاء (قطع) من خلاف (ثم قتل أو) قطع ثم (صلب) أو فعل الثلاثة (أو قتل) وصلب أو قتل فقط ثم (صلب) أو فعل الثلاثة (أو قتل) وصلب أو قتل فقط (وصلب فقط) كذا فصله الزيلعي ويصلب (حيًّا) في الأصح وكيفيته في الجوهرة (ويبعج) بطنه (برمح) تشهيرا له ويخضخضه به (حتى يموت ويترك ثلاثة أيام من موته) ، ثم يخلى بينه وبين أهله ليدفنوه و (لا أكثر منها) على الظاهر وعن الثاني يترك حتى يتقطع (وبعد إقامة الحد عليه لا يضمن ما فعل) من أخذ مال وقتل وجرح زيلعي (وتجري الأحكام) المذكورة (على الكل بمباشرة بعضهم) الأخذ و القتل و الإخافة. (و) الحالة الخامسة: (إن انضم إلى الجرح أخذ قطع) من خلاف (وهدر جرحه) لعدم اجتماع قطع وضمان (وإن جرح فقط) أي لم يقتل ولم يأخذ نصابا. قال الزيلعي: ولو كان مع هذا الأخذ قتل فلا حد أيضا؛ لأن المقصود هنا المال وهي من الغرائب (أو قتل عمدا) وأخذ المال (فتاب) قبل مسكه، ومن تمام توبته رد المال ولو لم يرده قيل لا حد (أو كان منهم غير مكلف) أو أخرس (أو) كان (ذو رحم محرم من) أحد (المارة) أو شريك مفاوض (أو قطع بعض المارة على بعض أو قطع) شخص (الطريق ليلا أو نهارا في مصر أو بين مصرين) وعن الثاني إن قصده ليلا مطلقا أو نهارا بسلاح فهو قاطع، وعليه الفتوى بحر ودرر وأقره المصنف (فلا حد) جواب للمسائل الست. (قوله: و هو معصوم) أي بالعصمة المؤبدة وهو المسلم أو الذمي قهستاني. والعصمة: الحفظ، والمراد عصمة دمه وماله بالإسلام أو عقد الذمة. وفي حاشية السيد أبو السعود: مفاده لو قطع الطريق مستأمن لا يحد، وبه صرح في شرح النقاية معللا بأنه لا يخاطب بالشرائع. وحكى في المحيط اختلاف المشايخ فيه (قوله: فلو على المستأمنين فلا حد) لكن يلزمه التعزير والحبس باعتبار إخافة الطريق وإخفاره ذمة المسلمين فتح. قال في الشرنبلالية: ويضمن المال لثبوت عصمة مال المستأمن حالا وإن لم يكن على التأبيد، ومحل عدم الحد بالقطع على المستأمن فيما إذا كان منفردا، أما إذا كان مع القافلة فإنه يحد ولا يصير شبهة، بخلاف اختلاط ذي الرحم بالقافلة كما في الفتح. اهـ. قلت: لكن لو لم يقع القتل والأخذ إلا في المستأمن فلا حد كما في الفتح أيضاً. [تنبيه] قد علم من شروط قطع الطريق كونه ممن له قوة ومنعة، وكونه في دار العدل، ولو في المصر،و لو نهارًا إن كان بسلاح، وكون كل من القاطع والمقطوع عليه معصوما، ومنها كما يعلم مما يأتي كون القطاع كلهم أجانب لأصحاب الأموال، وكونهم عقلاء بالغين ناطقين، وأن يصيب كلا منهم نصاب تام من المال المأخوذ، وأن يؤخذوا قبل التوبة".

নোয়াখালীর Madrasatus Sunnah জালালাইন পর্যন্ত একটি ছোট মাদরাসা। সীমিত জায়গায় আড়াইশোর মত ছাত্র। ছাত্রগুলোর গড় বয়স ১৫ থেকে ২০/২১। এরভিতরে কাজ করছে মাত্র তৃতীয় থেকে পঞ্চম বর্ষের ছাত্ররা শুধু। কিন্তু উস্তাদদের তত্ত্বাবধানে কী কাজ আঞ্জাম দিচ্ছেন আর কীভাবে আঞ্জাম দিচ্ছেন এটা নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করার মত না। . আগামীকাল আমাদের এখানে প্রায় ১২ হাজার পরিবারের খাদ্যের তাকাজা এসেছে। আর এখানের বাস্তবতা হলো সন্ধ্যার পরেও দুই লক্ষ টাকা ঋন ছাড়া কিছুই ছিলো না। সাহায্যের জিম্মাদার উস্তাদ মাওলানা ইলিয়াস চোখ ছলছল অবস্থায় নিজ রুমে এসে বসেছিলেন—প্রয়োজন থাকা পরিবারদের ফিরিয়ে দিয়েছিলো কিছু নেই বলে। . যারা ত্রান নিয়ে আসছেন বিভিন্ন মার্কেট ইত্যাদির পক্ষ থেকে ফেনীর মেইন রোডে দাঁড়িয়ে না থেকে কুমিল্লা, নোয়াখালী, সেনবাগ এসব জায়গায় যারা কাজ করছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করুন। অবস্থার ভয়াবহতা বুঝানো সম্ভব নয়। . সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম: 01865-125300 (বিকাশ, নগদ, রকেট) 01729-714125 (বিকাশ) 01954-248187 (নগদ) উপরের বিকাশ নাম্বারগুলোতে লিমিট শেষ হয়ে গেছে। আমরা যারা বিকাশে টাকা পাঠাবো, নীচের নাম্বারে পাঠাতে পারি 01919663862 (বিকাশ, নগদ)

নোয়াখালীতে এখনো বৃষ্টি হচ্ছে। ফেনী থেকে প্রচুর পানি এখন নোয়াখালীর দিকে নেমে আসছে। আশা করি নোয়াখালীর অবস্থা বুঝতেছেন কেমন যাচ্ছে। . মাইজদি থেকে পূর্ব দিকে দেবীপুর, ধন্যপুর, কাসেমপুর—সবগুলো মূল শহর থেকে বহু দূরে। নৌকা, স্পিডবোর্ড ও ট্রলারে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যাওয়া লাগে। মানুষ যাচ্ছে না, তাই ত্রানও পৌঁছতেছে না। যতটুকু খবর পেয়েছি, ধন্যপুর মাদরাসায় অসংখ্য মানুষ আশ্রয়ে, সেখানের নীচতলতা ডুবে গেছে। খাদ্যের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। অথচ এই খবরও আসছে ফেনী শহরে একাধিক ত্রান পেয়ে মানুশ সেগুলো বিক্রিও করছে! মানুষের কষ্টের টাকা নিয়ে আমরা আসছি, সেটা সঠিক জায়গায় পৌঁছানো আমাদের দায়িত্ব। . Madrasatus Sunnah Noakhali থেকে আজ যেসব জায়গায় ত্রান গিয়েছে সবগুলোর অবস্থা হলো, বিভিন্ন জায়গা পর্যন্ত গাড়িতে করে গিয়ে, সেখানে নেমে দুই/তিন ঘন্টা নৌকায় যাওয়ার পর সেখানে গিয়ে মানুষকে তাদের হাদিয়া দিয়ে আসতে হচ্ছে। এমন অনেক জায়গা থেকে খবর আসতে লোকবল ও অর্থের অভাবে সেখানে পৌঁছানো যাচ্ছে না। সকলের কাছে দোয়ার দরখাস্ত৷ . আমরা যারা সাহায্য নিয়ে আসবো, আবারো বলি স্থানীয় যারা প্রথম থেকে কাজ করছে তাদের সাথে যোগাযোগ করে সাহায্যের কাজটুকু করুন। আল্লাহ আপনাদের তাওফিক দান করুক। . সহযোগিতা পাঠানোর মাধ্যম: 01865-125300 (বিকাশ, নগদ, রকেট) 01729-714125 (বিকাশ) 01954-248187 (নগদ) উপরের বিকাশ নাম্বারগুলোতে লিমিট শেষ হয়ে গেছে। আমরা যারা বিকাশে টাকা পাঠাবো, নীচের নাম্বারে পাঠাতে পারি 01919663862 (বিকাশ, নগদ)

দেখেন ভাই দেখেন, অর্জিনাল বিদ্যানন্দ।

যে এলাকায় ত্রান নিয়ে এসেছি, সেখানের একটি উচু কল। সবাই ফেনীতে যাচ্ছে কিন্তু নোয়াখালীর অবস্থা আরো ভয়াবহতার দিকে যাচ্ছে। ফেনীর প
যে এলাকায় ত্রান নিয়ে এসেছি, সেখানের একটি উচু কল। সবাই ফেনীতে যাচ্ছে কিন্তু নোয়াখালীর অবস্থা আরো ভয়াবহতার দিকে যাচ্ছে। ফেনীর পানি এখন নোয়াখালীর দিকে আসছে!

মাওলানা ইসহাক উবাইদি রহিমাহুল্লাহ। তার সারাজীবনের একক শ্রম দিয়ে গড়ে তুলেছেন নোয়াখালীর প্রত্যন্ত গ্রামে একটি মাদরাসা। আজ এখানে
+2
মাওলানা ইসহাক উবাইদি রহিমাহুল্লাহ। তার সারাজীবনের একক শ্রম দিয়ে গড়ে তুলেছেন নোয়াখালীর প্রত্যন্ত গ্রামে একটি মাদরাসা। আজ এখানে শত মানুষের আশ্রয়স্থল। যাদের বাড়িঘর ঢুবে গিয়েছে এমন প্রায় তিনশত দিক মানুষ আশ্রয়ে আছেন। এখানের আশপাশের প্রায় অনেক বাড়ি এখন পানির নীচে, পানি অর্ধেক, বিভিন্ন। এখান থেকেই আশপাশে এখন হাদিয়া নিয়ে যাওয়া হবে মানুষের জন্য।

রাত ৪.৩৬। ইন্ডিয়ার চাপিয়ে দেয়া পানি সন্ত্রাসের শিকার বন্যায় আক্রান্তদের আগামীকালের বন্যাহাদিয়া তৈরি করছে মাদরাসাতুস সুন্নাহের
রাত ৪.৩৬। ইন্ডিয়ার চাপিয়ে দেয়া পানি সন্ত্রাসের শিকার বন্যায় আক্রান্তদের আগামীকালের বন্যাহাদিয়া তৈরি করছে মাদরাসাতুস সুন্নাহের একদল ছাত্র। একদল অল্প কিছু ঘুমিয়ে নিচ্ছে, আরেকদল নির্ঘুম রাত্রি কাটিয়েছে। আল্লাহ প্রত্যেককে দীনের জন্য কবুল করে নিক। যারা সেচ্ছাশ্রম দিবেন দ্রুত যোগাযোগ করবেন। আর যারা আক্রান্ত মানুষের জন্য হাদিয়া দিতে চান: 01865-125300 (বিকাশ, নগদ, রকেট) 01729-714125 (বিকাশ) 01954-248187 (নগদ) উপরের বিকাশ নাম্বারগুলোতে লিমিট শেষ হয়ে গেছে। আমরা যারা বিকাশে টাকা পাঠাবো, নীচের নাম্বারে পাঠাতে পারি 01919663862 (বিকাশ, নগদ)