es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 325 suscriptores, ocupando la posición 7 950 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 062 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 325 suscriptores.

Según los últimos datos del 01 septiembre, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 63, y en las últimas 24 horas de 4, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 13.27%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 5.34% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 1 502 visualizaciones. En el primer día suele acumular 605 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 31.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 02 septiembre, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 325
Suscriptores
+424 horas
-37 días
+6330 días
Archivo de publicaciones
ফিকহুল জিহাদ সম্পৃক্ত যে কয়টা কিতাব নেড়ে ছেড়ে দেখা সুযোগ হয়েছে তার মাঝে অন্যতম উপকৃত হয়েছি এই কিতাবটি পড়ে। . বেশ অবাক হবেন, লেখক এই কিতাবে মোট বিশটি মাসআলা আলোচনা করেছেন মৌলিকভাবে। এরমাঝে প্রতিটি মাসআলা বলেছেন চারো মাজহাবের আলোকে। এবং চারো মাজহাবের বক্তব্যগুলো মুকারানা করে। মজার বিষয় হলো লেখক উল্লেখযোগ্য পরিমান শেষ কথার উপর ফতোয়া দিয়েছেন হানাফি মাজহাবের বক্তব্যকেই। . কাফেরদের পক্ষে নিয়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দাগিরি করা মুসলমানদের বিধান নিয়ে লেখক যা বলেছেন, সেটার সাথে একমত নই। লেখকের দাবী হলো এর দ্বারা ব্যক্তি কাফের হয়ে যাবে। বেশকিছু হানাফী আলেম থেকেও এমন ব্যক্তব্য পাওয়া গেলেও এটা মাজহাবেত ফতোয়া না। তবে যাদের এই মাসআলা ইতকানের সাথে হল নেই তারা লেখকের একেরপর এক দলিলের ফুলঝুরি দেখে অবাকই হবেন এবং দ্বিধায়ও পড়ে যেতে পারেন। . দুঃখজনক বিষয় হলো এই বিশাল বইটি লেখকের একটি বড় বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়। আর শুধু এই অধ্যায়টিই আজ সংরক্ষিত আছে যতটুকু জানি! ইশ! পুরো বইটি সংরক্ষিত থাকলে উম্মতের কী বিশালই না ফায়েদা হতো! . যাইহোক, জি হা দ সম্পৃক্ত ফিকহের এত এত ইবারত একসাথে পেতে হলেও বইটি নেড়ে দেখতে পারেন। আশা করি উপকৃত হবেন।

সেকু শাহবাগীগুলোর জন্য বেশ দুঃখই লাগে! কয়দিন পর দেশ আফগান হয়ে যাচ্ছে এটাও বলতে পারবে না।
সেকু শাহবাগীগুলোর জন্য বেশ দুঃখই লাগে! কয়দিন পর দেশ আফগান হয়ে যাচ্ছে এটাও বলতে পারবে না।

সম্ভবত দুইবছর আগের ঘটনা। বাইতুল মুকাররম সিরাত বইমেলায় বসেছিলাম। হঠাৎ সংবাদ আসলো মুফতি তাকী উসমানী সাহেব ইনতেকাল করেছেন। ফেসবুকেও মুহুর্তে এই বিষয়ে পোষ্ট আসতে শুরু করেছে। বুকের ভিতরটা এমন ভয়ংকর চিপ দিয়ে উঠেছে, এমনটা এর আগে আমার কখনো হয়েছে বলে মনে হয় না৷ চোখের কোনায় মনের অজান্তেই দেখি পানি জমা শুরু হয়েছে! কী যেনো হারিয়্ব ফেললাম! সামনে বসা একজন মুফতি সাহেব বেদনাবিধুর স্বরে বললেন, পুরো উপমহাদেশ তো এতিম হয়ে গেলো! অল্পক্ষণের মধ্যেই ‘মৃত্যুর সংবাদ সম্পূর্ণ মিথ্যা’ এই সুসংবাদ আসলো। কী যেনো এক মহান রত্ন ফিরে এসেছে এমন একটা অনূভুতি সামনে বসা সকলের চেহারায় লক্ষ্য করলাম। ‘তাকী সাহেব নেই’ এই সংবাদ এই পুরো উপমহাদেশের মানুষ কীভাবে সহ্য করবে তার সামান্য ঝলক সেদিন দেখেছিলাম! . আজকের এক সেমিনারে হযরতের দূর্বল হাটার চিত্র দেখে দিলটা কেমন এক অজানা বিষন্নতায় ভরে উঠলো। বুকের চিনচিন ব্যাথাটা আবার অনুভব করলাম! অথচ... আল্লাহ হযরতের ছায়াকে আমাদের উপর দীর্ঘায়িত করুক। হযরতের আধুরা স্বপ্নগুলো শেষ করেই যেনো দুনিয়ার এই খেলার জীবন শেষ করে প্রিয় রবের সান্নিধ্যে যেতে পারে সেই দোয়া করি।

.... শরীয়ত ও সুস্থ বিবেকের দৃষ্টিতে কু]ফ]র নিজেই একটি অপরাধ আর কা]ফে]র একজন অপরাধী। বস্তুবাদের এই যুগে মানুষ এটাকে যে নামে ও শিরোনামেই ব্যক্ত করুক অথবা যে রঙ ও ঢঙ্গেই উপস্থাপন করুক ।শরীয়তের দৃষ্টিতে কু]ফ]র সাধারণ অপরাধই শুধু নয় বরং সবচেয়ে বড় অপরাধ এবং অসংখ্য অপরাধের গোড়া। দুনিয়ার সকল আইনেরই অপরাধ ও নিরপরাধ নির্ধারনের নিজস্ব মাপকাঠি ও প্রয়োগক্ষেত্র রয়েছে। এবং সে বিবেচনায় অপরাধী ও নিরাপরাধীর সাথে আচরণে পার্থক্য করা হয়। সকলের সাথে সমান আচরণ করা হয় না। ইসলামেও কা*ফে*র ও মুসলমানের সাথে একরকম আচরণ রাখা হয়নি। বড় আফসোসের বিষয় হলো বর্তমানে মানুষ চুরি, ডাকাতি, যিনা ও গুম-খুনকে অপরাধ মনে করে অথচ কু*ফ*র হলো এই সকল অপরাধ থেকেও আরো বড় অন্যায় ও সকল অপরাধের মূল! "। প্রকাশিতব্য মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক বই থেকে মুফতি উবাইদুর রহমান

মুশতাকুন্নবী সাহেবের বক্তব্যটা শুনা ও শুনানো দরকার।

অমুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও শুভেচ্ছা জানানোর বিধান। বিস্তারিত আসবে “মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক” বইতে। এখন জানার জন্য এ
অমুসলিমদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ ও শুভেচ্ছা জানানোর বিধান। বিস্তারিত আসবে “মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক” বইতে। এখন জানার জন্য এই পোষ্টটি দেখতে পারেন। https://www.facebook.com/share/p/zLEWB8KydB2uWMPR/

স্পষ্ট ও সাফ কথা, ধর্মউপদেষ্টার জন্য তাওবা করা জরুরি। উনি নিজের মুখেই বলছেন, যেটা উনি গায়ে দিয়েছেন সেটা অমুসলিমদের একটি শেয়ার বা প্রতীকী। আর কোনো মুসলমানের জন্য অমুসলিমদের প্রতীকী গায়ে দেওয়া কুফরের অন্তর্ভুক্ত। তবে এজন্য উনাকে কাফের বলা জায়েয না হলেও উনার জন্য তাওবা করা জরুরি। এটা অবশ্যই উনি নিকৃষ্ট একটি গুনাহের কাজ করেছেন। উনি প্রকাশ্যে না হলেও আল্লাহর কাছে যেনো ক্ষমা চেয়ে নেন। এটা কোনো সাধারণ বিষয় নয়, কাফে রের শেয়ার বহন করে একজন আলেম গর্ববোধ করা, এটা কত মানুষের জন্য কুফরের রাস্তা খুলে দিবে, আল্লাহই ভালো জানেন! উনি একজন আলেম উনার জন্য গ্রহণযোগ্য কোনো তাবিল আছে বলে মনে হয় না। . দ্বিতীয়ত, অমুসলিমদের সামনে তিনি যেভাবে এদেশের মুসলমানদের লাঞ্চিত করেছেন এটা ছিলো আরো বেশি দুঃখজনক। উনার উচিত প্রকাশ্য মুসলমানদের কাছে ক্ষমা চাওয়া!

ইনশাআল্লাহ মেলার প্রথম সপ্তাহে আসবে। . জীবনের একান্ত একটি ইচ্ছে ছিলো প্রথম বইটি মৌলিক আনবো। যার কারণে এই ফাইলটি বহু আগে শেষ হ
ইনশাআল্লাহ মেলার প্রথম সপ্তাহে আসবে। . জীবনের একান্ত একটি ইচ্ছে ছিলো প্রথম বইটি মৌলিক আনবো। যার কারণে এই ফাইলটি বহু আগে শেষ হলেও এবং বন্ধু Borhan Ashrafi -এর বারবার তাগাদার পরেও পাশ কেটে গিয়েছি। আসলে জীবনের সবকিছু নিজের ইচ্ছে দিয়ে হয় না। . যাইহোক, সকলের কাছে দোয়া চাই, আল্লাহ যেনো কাজগুলোকে নাজাতের উসিলা বানায়। উম্মাহের জন্য কল্যাণকর বানায়।

প্রচুর বিভ্রান্তি চলে প্রতি বছর এই জায়গাগুলোতে! আশা করি লিংকের লেখাটি পুরোটা পড়বেন এবং সাধ্যমতো অন্য মুসলিমভাইয়ের কাছে পৌঁছাব
প্রচুর বিভ্রান্তি চলে প্রতি বছর এই জায়গাগুলোতে! আশা করি লিংকের লেখাটি পুরোটা পড়বেন এবং সাধ্যমতো অন্য মুসলিমভাইয়ের কাছে পৌঁছাবেন। https://www.facebook.com/share/p/nhSfmELgze5DoKZe/

শাইখ রহ. এ দৃষ্টিভঙ্গির ঘোর বিরোধী ছিলেন যে, মুজা'হিদগণ নিজেদেরকে উম্মতের শ্রেষ্ঠ ও সেরা অংশ মনে করবে আর অবশিষ্ট উম্মতকে ফাসেক ও গোনাহগার মনে করে তাদের প্রতি অবজ্ঞাপূর্ণ মানসিকতা লালন করবে। শাইখ রহ. যেহেতু মুসলমানদের সকল শ্রেণিকে একতাবদ্ধ করে ক্রু'সে'ডারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে শামিল করতে চাইতেন তাই যেকেউ যেকোনভাবে ক্রু'সেডা'রদের বিরুদ্ধে কোন ভূমিকা রাখলে শাইখ তাকে উৎসাহিত করতেন এবং আরো জোরালো প্রচেষ্টা চালানোর প্রেরণা জোগাতেন। সুত্র: এইসে হোতে হ্যাঁয় ইসলাম কে রাহনুমা, নবম অধ্যায়, পৃ. ২৯৩ ©আবু উসামা সিরাজ

এতদিন যিনি গণ'তন্ত্র ইস্যুতে অন্যদের নিয়ে বাড়াবাড়ি করেছেন, অতিরঞ্জিত বক্তব্য দিয়ে ঘৃণা ছড়িয়েছেন, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছেন; তার ব্যাপারেও এখন এই ইস্যুতে বাড়াবাড়ি করা হবে, অতিরঞ্জিত মন্তব্য করা হবে, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হবে—এটাই স্বাভাবিক। ময়দানের শাইখরা কখনোই গণ'তান্ত্রিক পদ্ধতিতে দ্বীন কায়েমে প্রত্যাশী ব্যক্তিবর্গের ব্যাপারে ঘৃণাপূর্ণ, বি'দ্বে'ষমূলক বা তাচ্ছিল্যপূর্ণ মন্তব্য করেন না। প্রশ্নই আসে না। এটা তারা কীভাবে করবেন যেখানে “আবু তালে'বান” খ্যাত মাওলানা সামি'উল হক হক্কানি রহ. ছিলেন পাকিস্তান জমিয়তের একাংশের নেতা এবং দুই মেয়াদে পাকিস্তান সিনেটের (পার্লামেন্টের আইনসভার উচ্চ পরিষদ) সদস্য। তাঁর কাজ ছিল তাঁর নির্বাচনী অঞ্চলে শরি'য়াকামি মুসলমানদের জন্য পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা করা। এখন কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যদি রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে ইসলামের পক্ষে কাজ করার জন্য এবং জাতীয় পর্যায়ে মুসলমানদের রাজনৈতিক সুযোগ সুবিধার জন্য প্রচলিত গণ'তান্ত্রিক রাজনীতি করেন তাহলে আমরা শুধুমাত্র গণ'তান্ত্রিক রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অপরাধে (?) তাকে ধুলোয় মিশিয়ে দিবো? এটাই কি শরি'য়তের বুঝ? এই কি তবে জিহা'দি চেতনা? আঞ্চলিক পর্যায়ে আপনার জিহা'দের দ্বারা উদ্দেশ্যটা কী? দ্বীন ও শরিয়তের সুরক্ষাই তো? তাহলে লক্ষ্মীপুর, কমলনগর থানার চেয়ারম্যান মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহর ব্যাপারে আপনি কী সিদ্ধান্ত নিবেন, যাঁর ব্যাপক দাওয়াতি মেহনত এবং রাজনৈতিক প্রভাবে কমল নগর উপজেলা বিশেষত চরকাদিরা ইউনিয়নে আজ কয়েক বছর যাবৎ প্রকাশ্যে শরি'য়া পরিপন্থি কর্মকাণ্ড সব বন্ধ হয়ে গেছে। এসবই স্থানীয় জনতাকে সঙ্গে নিয়েই হয়েছে। যা নিয়ে একাত্তর টিভির হাইপ্রেশার উঠে গেছিলো। দেখুন, গণ'তন্ত্রের মধ্যে দুটি বিষয় আছে। এক হল তার ম্যানেজমেন্ট বা ব্যবস্থাপনাগত বিষয়। আরেক হল তার নৈতিক দর্শন বা আইনি উৎস। গণ'তন্ত্রের ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে শির'ক কুফ'রের বিশেষ সম্পর্ক নেই। শির'ক-কুফ'রের সম্পর্ক হল গণ'তন্ত্রের নৈতিক দর্শন বা আইনি উৎসের সঙ্গে। কারণ পশ্চি'মা গণ'তন্ত্র স্বাভাবিকভাবে তার দর্শন বা আইনি উৎস হিসেবে সে'ক্যু'লারিজমকে মান্য করে। যা সুস্পষ্ট শির'ক ও কুফ'র। আমাদের আকাবির আলিমদের মধ্যে হাফেজ্জি হুজুর, আমিনি সাহেব এবং কাসেমি সাহেবদের মতো যারা গণ'তান্ত্রিক রাজনীতি করেছেন তাঁরা এখানেই ছিলেন ব্যতিক্রম। তারা গণ'তন্ত্রের ম্যানেজমেন্টটা গ্রহণ করেছিলেন বটে কিন্তু তার দর্শন বা আইনি উৎসটাকে সতর্কভাবে সবসময়ই প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এখন আপনি তাদেরকে কুফরে লিপ্ত কীভাবে দাবি করবেন? মুফতি আমিনি রহ. সংসদে দাঁড়িয়ে সংবিধানে কুরআন বিরোধী ও ফত'ওয়া বিরোধী ধারার অন্তর্ভুক্তির কারণে সেই সংবিধান ডাস্টবিনে ছুঁড়ে ফেলার প্রকাশ্য হুম'কি দিয়েছিলেন৷ একারণে তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদোহের মামলা পর্যন্ত হয়েছিল। এখন আপনি তাকে কুফ'রে লিপ্ত দাবি করবেন? যাইহোক, আলী হাসান ভাইকে আমি সবসময়ই একজন যথেষ্ট যোগ্য এবং ইলমি মানুষ হিসেবে মুহাব্বত করতাম, সমীহ করতাম। কিন্তু আমি তাকে কখনোই জিহা'দ বা ইকামতে দ্বীনের দাওয়াতের ক্ষেত্রে আদর্শ বা অনুসরণীয় ব্যক্তি মনে করতাম না। আমি আমার ছাত্রদেরকেও মাঝেমধ্যে এ ব্যাপারে সতর্ক করতাম। কারণ দাওয়াতের ক্ষেত্রে ময়দানের শাইখদের পক্ষ থেকে যে নির্দেশনাবলী আছে সেসবের সাথে তার কোনই মিল পেতাম না। দেখুন, গণ'তান্ত্রিক পদ্ধতিতে দ্বীন কায়েমের মেহনতকারী ব্যক্তিবর্গের ব্যাপারে শাইখ আই'মান রহ. এর দৃষ্টিভঙ্গি কেমন ছিল— শাইখ আই'মান রহ. মুসলমানদেরকে দাওয়াত দেয়ার ক্ষেত্রে এ বিষয়টি খুব গুরুত্ব দিতেন যে, আমাদের আর অন্যান্য সাধারণ মুসলমানদের মধ্যে মূল সম্পর্ক হল ওয়ালা বা মৈত্রীর। অর্থাৎ বন্ধুত্ব, ভালোবাসা ও সহযোগিতার। সে হিসেবে মুসলমানদেরকে দাওয়াত দেয়ার পন্থা তেমনই হওয়া চাই, যেমনটা নিজেদের প্রিয়জন ও বন্ধুদের বেলায় হয়ে থাকে। শাইখ রহ. মনে করতেন, যেখানে আল্লাহ তাআলা ফেরআউনকে দাওয়াত দেয়ার ক্ষেত্রেও মুসা আ. কে নম্রতা অবলম্বন করতে বলেছেন, সেক্ষেত্রে সাধারণ মুসলমান নিজেদের সকল অজ্ঞতা ও গোমরাহি সত্ত্বেও আমাদের ভাই। সুতরাং তাদেরকে তো আরো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কোমলতা ও ভালোবাসার সাথে দাওয়াত দেয়া উচিত। এজন্য শাইখ আই'মান রহ. গণ'তন্ত্র বিরোধী দাওয়াত দেয়ার সময় অভদ্রতাপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করা, কটাক্ষ করা, তাচ্ছিল্যপূর্ণ ভাষায় কথা বলা এবং ধমকের সুরে কথা বলা অপছন্দ করতেন। বরং শাইখ রহ. যেখানে গণ'তন্ত্রের নিন্দা প্রকাশ করতেন সেখানেও ঐ সকল ব্যক্তিত্বের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা রেখে কথা বলতেন যারা ইখলাসের সাথে গণ'তন্ত্রের মাধ্যমে ইসলামী শাসন ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টায় রত আছেন। তিনি তাদের ইখলাস ও কুরবানির যথাযথ মূল্যায়ন করার চেষ্টা করতেন এবং তাদেরকে তাদের পূর্বসুরিদের ত্যাগ ও অবিচলতার ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে হকের উপর দৃঢ়পদ থাকার উপদেশ প্রদান করতেন।

পাকিস্তানে বর্তমান যে কজন আলেম ইসলামি খি লা ফ ত এবং সিয়াসাত বিষয়ক কাজ করছেন তাদের মধ্যে তরুন একজন আলেম হলেন মাওলানা আব্দুর রহমান সাত্তি সাহেব। তার একটি মুনাজারা থেকে তাকে প্রথম চিনি। . খি লা ফ ত, খুরুজ আলাল হুক্কামসহ পুরো ইসলামি সিয়াসাত আমাদের বুঝতে হবে ও হল করতে হবে কুরআন সুন্নাহের ধারকবাহক ফকিহদের ব্যাখ্যার আলোকে। এর বাহিরে অন্যকোনো মাপকাঠি দিয়ে আমি বুঝতে যাবো বা বুঝাতে যাবো তখনই আমি ধোঁকা খাবো ও ধোঁকা দিবো। . আব্দুর রহমান সাত্তি সাহেব মাত্র কয়েক পৃষ্ঠায় ইসলামের খিলাফাতের এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টিকে তুলে এনেছেন, কুরআন হাদিস ও চৌদ্দশত বছরের ফকিহদের বক্তব্যের আলোকে। বইটি আশা করি আলেম ও তালেবে ইলম ভাইরা পড়বেন ইনশাআল্লাহ। . লেখক এখানে আমাদের একজন ফকিহের বক্তব্যের আলোকে একটি মাসআলা বলেছেন, খিলা ফ ত অস্বীকারকারী কাফের। এই মাসআলায় কিছুটা ব্যাখ্যা সাপেক্ষ। লেখক সেটা সেভাবে উল্লেখ করেননি কোনো কারনে। পড়ার সময় বিষয়টি যেহেনে রাখবো ইনশাআল্লাহ। .

নতুন শিক্ষকদের জন্য অত্যন্ত জরুরি কিছু কথা লেখেছেন মুহতারাম মাওলানা সাবের চৌধুরী। শিক্ষকতার জীবনে প্রবেশের পর নতুন শিক্ষকদের জন্য ভয়াবহ রকমের একটা পড়াশোনা দরকার। এ ছাড়া জ্ঞানের ভীতটাই তৈরী হবে না। মিনিমাম দশ বছর। তিনি যে বিষয়গুলো পড়াবেন, সেগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট আউট বইগুলো যেমন পড়তে হয়, তেমনি নিজের আগ্রহ ও পছন্দের বিষয়গুলোও পড়তে হয়। এই পড়াটাই মূলত তাকে কর্মযোগ্য ও বিজ্ঞরূপে গড়ে তুলে। এই পড়াটার উপর দাঁড়িয়ে তিনি পরবর্তী সময়গুলোতে যেমন সহজভাবে শিক্ষকতাটা চালিয়ে যেতে পারবেন, তেমনি লেখালেখি, গবেষণা, সেমিনার-আলোচনা, খেতাবাত, বা প্রকল্প পরিচালক হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারবেন। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, নতুন শিক্ষকগণ শিক্ষকতায় প্রবেশের পর পড়ে যান নানামুখি সংকটে। ১. মাদরাসা তাকে ক্লাসের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন দায়িত্ব দিয়ে আবদ্ধ করে ফেলে। ২. তিনিও বিয়েশাদি করে একটা সাংসারিক ব্যস্ততার ভিতরে ঢুকে পড়েন। বিয়েশাদি তো করতেই হবে। এটা সমস্যা না। বলছি, জিনিসটার ভিতরে ‘ঢুকে পড়া’ ও স্বেচ্ছায় বেরোতে না চাওয়া। ৩. সুনির্দিষ্ট জীবনলক্ষ স্থির না করার কারণে জেদের সাথে পরিশ্রম করতে পারেন না। বা পরিশ্রম করার প্রেরণাটা খুঁজে পান না। ৪. ইদানিং নতুন আরেকটা সমস্যা যুক্ত হয়েছে--নিজেকে গড়ার কাজ বাদ দিয়ে সীমিত সামর্থ নিয়েই জাতিয় সমস্যাগুলোতে নিজের মিনিমাম হলেও একটা অংশগ্রহণ ধরে রাখতে চাওয়া। এতে প্রচুর গলদঘর্ম হতে হয়। প্রচুর সময় চলে যায়। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়া অসময়ে ভুল কাজে হাত দিলে এমনই হওয়ার কথা ছিল। ৫. অথবা ক্লাস, খাবার, ঘুম, গল্প, ফেসবুক, ইউটিউ--এসবে জড়িয়ে একটা গতানুগতিকতায় নিজেকে সীমিত করে ফেলেন। এরপর চট করে দশ বছর পেরিয়ে যায়, টেরও পান না। ভিতরে ভিতরে পুড়তে থাকেন। কোনো কোনো দিন বিকেল বেলা একা হাঁটতে গিয়ে হঠাৎ মনটা অনেক বেশি খারাপ হয়ে যায়। তখন হাঁটার গতি মন্থর হয়ে আসে। জীবনটা ফুরিয়ে যাচ্ছে। কিছুই তো হলো না। কত স্বপ্ন ছিল। আহা! এই সব ভেবে তারপর তার আর কিছুই ভালো লাগে না। সেই মানুষটার তখনকার চোখ দুটোর দিকে তাকিয়ে আমার ভীষণ খারাপ লাগে। যারা মাত্রই পড়ালেখা শেষ করে শিক্ষকতায় ঢুকছেন, এখনই সতর্ক হোন! বিশ্বাস করুন, দশ বছর পর আপনার মনে হবে এই তো মাত্রই দেড়ে বছর পার হলো বুঝি!

যেসব তাওহীদবাদী বোনেরা বিভিন্ন ক্যাম্পাসে হলে থেকে পড়াশোনা করছেন, হলে দাওয়াতী টীম গঠন করুন। হলে নামাজঘর-ভিত্তিক দাওয়াহর রূপরেখা: ১. নামাজঘরে পাঠাগার স্থাপন ২. সাপ্তাহিক পাঠচক্র ও হালাকা ৩. দৈনিক একটি রুমে বোনদের সাথে দাওয়াতী মোলাকাত। ৪. আত্মশুদ্ধির জন্য কোন একজন শায়খের লেকচার ইউটিউব থেকে একসাথে অনেক বোন মিলে শোনা ও নিজেদের মাঝে আলোচনা। আমার শায়খের ইউটিউব চ্যানেল লিংক কমেন্টে। অন্তরের খোরাক পাবেন ইনশাআল্লাহ। ৫. ভূরাজনীতি, রাষ্ট্রনীতি, ইতিহাস-দর্শন ও শরীয়াহ-সচেতন নারী তৈরি করা। ৬. শরীয়াহর সকল বিষয়ে অনড় অনমনীয় দাওয়াহ। আখলাকী, আধ্যাত্মিক, বুদ্ধিবৃত্তিক, আমলী। ৭. নবীনদের তৈরি করে দাওয়াতী চেইন তৈরি। যাতে আপনি হোস্টেল ছাড়লেও কাজ বন্ধ না হয়। ৮. দৈনিক হাদিসের হালাকা ও সেখানে নতুন নতুন বোনদের জুড়াতে হবে। আখলাক ও মুহাব্বতের মাধ্যমে দীনহারা বোনদের মাঝে আকর্ষণ তৈরি। অন্যান্য মেহনতের সাথে তর্কাতর্কিতে না যাওয়া। ৯. হলে কেন বোনের যেকোন সাহায্য লাগলে তা সলভ করার চেষ্টা করা। (আর্থিক ইত্যাদি) ঘরে ঘরে মু%জাহি#দা মা তৈরি হলে মু%জাহি#দ প্রজন্ম তৈরি হবে। শামসুল আরেফিন শক্তি ভাই

সেকু.. ও গণ..ন্ত্রিক জাতিরাষ্ট্রে ধর্মের অবস্থান . সেকু ও গণধোকাতন্ত্রে ধর্মের অবস্থান কী হবে সে ব্যাপারে এর প্রতিষ্ঠাতাগণের অনেকের বক্তব্য আছে। কারো বক্তব্য ঘুরিয়ে পেছিয়ে ধোকার পূর্ন আবরণে ঢাকা। কারোটা স্পষ্ট। জেনারেল উইল নামক খোদার তৈরি রাষ্ট্রনামক প্রতিষ্ঠানে ধর্মের অবস্থান কী হবে এক্ষেত্রে খুব স্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছে রুশো। সে লেখে, “আমার কথা হচ্ছে: জাতীয় ধর্ম বলে যেমন কিছু নেই, তেমনি হতেও পারে না। ধর্মের ব্যাপারে যে-ধর্ম অপর ধর্মের ও বিশ্বাসের ক্ষেত্রে সহিষ্ণু হবে, সে- ধর্মকে আমরা রাষ্ট্রের মধ্যে স্বীকার করব। নাগরিকের দায়িত্বপালনের অন্তরায় না হলে যে-কোনো ধর্মবিশ্বাসই রাষ্ট্রের মধ্যে থাকতে পারে। কিন্তু কোনো ধর্ম যদি ঘোষণা করে তার বিশ্বাসের বাইরে কারুর আত্মার মুক্তি নেই, তবে রাষ্ট্রের মধ্যে তার স্থান হতে পারে না।” -সোশ্যাল কন্ট্রাক্ট পৃ. ১৭৪, মাওলা ব্রাদার্স . রুশোর এই কথাগুলোই সেকু ও গণধোকামনা লোকদের থেকে সময়ে সময়ে বের হয়। কেউ কিছুটা সহিষ্ণুতার সাথে বলে কেউ একটু কড়াভাবে বলে আবার কেউ দাওয়াতি মেজাজ সামনে রেখে বলে, যেনো মূর্খ মোল্লারা আবার চ্যাতে না উঠে। বাস্তবতা হলো৷ রুশোর বলা এই কথাগুলোই পুরো দুনিয়ার সকল গণ*ন্ত্র ও সেকু রাষ্ট্রের মূলভিত্তি এবং রাষ্ট্র তার সকল পলিসি ও নীতিকে রুশোর বলা কথাগুলোর আলোকে সাজায়। এর বাহিরে যদি কখনো রাষ্ট্র ধর্মের চাহিদা বাস্তবায়নের দিকে যায় তাহলে সেটা হলো শুধুই কিছু বিপদগামী মানুষের চাপে পরে ও রাষ্ট্র পদভ্রষ্ট হয়ে গেলে। এবং রুশো সেটাকেও খুবই কড়া ভাষায় চিহ্নিত করে গিয়েছে। . সুতরাং একটি জাতীরাষ্ট্রে আপনি ইসলামের জায়গা থেকে যত বেশি শক্তিশালী করবেন জাতিরাষ্ট্র আপনাকে ততই ভয় করবে এবং আপনাকে সমিহ করে চলতে বাধ্য হবে, তবে কখনোই আপনাকে তাকে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নেয়ার ব্যবস্থা করতে দিবে না। তাই সামাজিক শক্তি অর্জনের মাধ্যমে এই কাঠামোতে ইসলাম ও মুসলমানকে যেমম শক্তি করার আমাদের জন্য ফরজ। তেমনি একটি চূড়ান্ত শক্তি অর্জন করে জেনারেল উইল নামক যে খোদার রাজত্ব শয়তান ও তার পুজারিরার তৈরি করেছে তাকে চিরতরে শেষ করে দিয়ে আল্লাহর রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করাও সকল মুসলমানের আরেকটি বড় ফরজ।

বলা হলো, কনসার্ট করা গেলে, ধর্মীয় প্রোগ্রাম কেন করা যাবে না? বললো, অনেকে ধর্মীয় প্রোগ্রামের বিরোধীতা করবে। ইস্যু তৈরি হবে। গুড। ইস্যুর ভয় পাচ্ছো? আমরা এই অনুমতি না দেয়াকেই ইস্যু বানাবো৷ বুয়েট কী তোমার বাপের? নতুন বাংলাদেশে, যেখানেই বাধা আসবে সেখানেই আন্দোলন হবে। ইসলামতে দমিয়ে রাখার যে কোন প্রচেষ্টা প্রতিরোধের মুখে পড়বে। বুয়েট জেগে উঠুক। ~ ডা. মেহেদি ভাই

আমার উস্তাদ ও মাদরাসাতু আলী রা.-এর সম্মানিত শিক্ষক মাওলানা আরিফুল ইসলাম সাহেবের অনুবাদে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বই আসতেছে ইনশাআ
আমার উস্তাদ ও মাদরাসাতু আলী রা.-এর সম্মানিত শিক্ষক মাওলানা আরিফুল ইসলাম সাহেবের অনুবাদে একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ বই আসতেছে ইনশাআল্লাহ। . চেতনা প্রকাশন - Chetona Prokashon থেকে এই মাসেই আসবে ইনশাআল্লাহ। খাসভাবে সকলের নিকট দোয়া চাই।

খুরুজ আলাল হুক্কাম/ শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ . শিরোনাম দেখে ভাবছেন এই বিষয়ে বিস্তারিত মাকালা, না আসলে বিস্তারিত মাকালা লেখার মত এখনো আরো অনেক পড়াশোনা করা বাকি। তবে এই বিষয়ে বেশকিছুদিন যাবৎ কিছু কিতাব দেখার তাওফিক হয়েছে, সেগুলোর একটু পরিচিত তুলে ধরা এবং কয়েকটি নুকতা আ নোট করেছি সেগুলো বলবো আরকি। . ১. খুরুজ আলাল হুক্কামের মাসআলা আমাদের ফিকহের কিতাবে সাধারণত কিতাবুস সিয়ারে বাবুল বুগাতের অধিনে আলোচনা করে থাকে। তবে এখানে মূল আলোচনা যেহেতু থাকে বাগিদের নিয়ে তাই শাসকের বিধান নিয়ে আলোচনা আসে খুবই অল্প কথায়। ২. আধুনিক ইসলামি শাসনব্যবস্থা নিয়ে লেখা কিতাবগুলোতে এই মাসআলাটি কেউ 'খুরুজ আলাল হুক্কাম' এই শিরোনামে স্বতন্ত্র আলোচনা করেছে। যেমন দুমাইজি 'ইমামাতু উজমা' কিতাবে। আবার কেউ 'ইহতিসাবুল ইমাম' শাসকের জবাবদিহিতা সংক্রান্ত অধ্যায়ে আলোচনা করেছেন যেমন ইমারতের বর্তমান উচ্চ শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল বাকি হক কা নী সাহেব 'আসসিয়াসাত ওয়াল ইদারাত' কিতাবে। ৩. এই সংক্রান্ত যে কটি রিসালা বা কিতাব দেখার তাওফিক হয়েছে তারমাঝে সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও গভির আলোচনা পেয়েছি হযরত থানবি রহিমাহুল্লাহের আলোচনা। ইমদাদুল ফতোয়ার পুরাতন এডিশনের ৫ খণ্ডের ১১০ পৃষ্ঠায় এক প্রশ্নের উত্তরে বিস্তারিত এই বিষয় আলোচনা করেছেন হযরত থানবি। এমন গভির থেকে এই মাসআলার হাদিসগুলোকে তাতবিক দিয়েছেন এবং ফিকহের ইবারতগুলোকে সমাধান করে দিয়েছেন যা আপনি এই সংক্রান্ত অসংখ্য কিতাব উল্টালে আশা করি কিছুটা বুঝবেন। রিসালার দুটো নুকতা বেশ গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়েছে। ক. 'ফাসেক শাসকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা যাবে না' এই ইজমাটি সাহাবাদের সময়কার ইজমা নয়। এটা পরবর্তীতে প্রেক্ষাপট সামনে আসায় ওলামায়ে কেরামের মাঝে হয়েছে। তবে এটাও মনে রাখতে হবে এই ইজমা খ. হযরত থানবি শাসকের ফিসককে কয়েক প্রকারে বিভিক্ত করেছেন। এক. ফিসকে লাজেম। দুই. ফিসকে মুতাআদ্দি। এরপর ফিসকে মুতাআদ্দিকে কয়েকভাগে বিভক্ত করে সবগুলোকে বিষয়কে যেভাবে সমধান দিয়েছেন এমনটি আর কোথাও পাবেন বলে মনে হয় না। বিশেষত, শাসক যদি ফিসকে মুতাআদ্দি যদি মানুষের ধর্ম সংক্রান্ত হয় আর তা মানুষকে ধীরে ধীরে ধর্মের প্রতি উদাসিন করে দেয় বা করে দিতে পারে ভবিষ্যতে এমন আশঙ্কা হয় তাহলে এটাও কুফরে বাওয়াহের অন্তর্ভুক্ত হবে এবং খুরুজ আবশ্যক হয়ে যাবে! ওয়াহ থানবি ওয়াহ! ৪. খুরুজ আলাল হুক্কাম সংক্রান্ত স্বতন্ত্র যে কটি কিতাব নেড়েচেড়ে দেখার তাওফিক হয়েছে তার মাঝে কামেল আলি রবা রচিত 'নাজরিয়াতুল খুরুজ ফিল ফিকহিস সিয়াসিল ইসলামি' কিতাবটিকে বেশ সমৃদ্ধ মনে হয়েছে। বিশেষত বইটিতে শুধুই খুরুজ নিয়েই আলোচনা হয়নি। শুরুতে খিলাফত, খলিফা নির্বাচনসহ খেলাফতের মৌলিক বিষয়গুলো অল্প কথায় বেশ ভালোই আলোচনা করেছেন। এরপর খুরুজের বিভিন্ন দিক নিয়ে লম্বা আলোচনা করেছেন পক্ষে বিপক্ষে। সাথে ইতিহাসের বিভিন্ন খুরুজ নিয়েও আলোচনার পাশাপাশি বর্তমান সময়ে যারা শাসকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কথা বলে তাদের ইতিহাস, মূলবক্তব্যগুলোও আনার চেষ্টা করেছেন। ইতিহাসের অংশসহ মাসআলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখকের সাথে দ্বিমতের অবশ্যই সুযোগ আছে এবং আমারো দ্বিমত আছে তবে সামগ্রিকভাবে যারা এই বিষয়ে পড়তে চান তাদের জন্য উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ। ৫. আলোচ্য মাসআলা নিয়ে বিস্তারিত বিভিন্ন দিককে সহজে তবে দলিল সমৃদ্ধ করে বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন দুমাইজি তার 'আলইমামাতুল উজমা' কিতাবের মাঝে। মাসআলার ছোটখাটো সবগুলো দিক এবং সেগুলোর পক্ষে বিপক্ষে আলেমদের মত ও দলিল সাথে উভয় পক্ষের দলিলের মুকারানা! পুরো বিষয়টিকেই উনি তুলে এনেছেন কিতাবটিতে। আলোচনা পড়লে তৃপ্তি আসে। উনি তার আলোচনায় আমাদের সালাফদের মাঝে জালেম ও ফাসেক শাসকের বিরুদ্ধে খুরুজ সংক্রান্ত মাসআলায় এত বিশাল ইখতিলাফ কেন হয়েছে তার একটি কারন লেখেন, 'আমাদের সালাফগণের এই ইখতিলাফের মূল কারণ বিভিন্ন নুসুসের মাঝে ভিন্নতা। কোনো নসে অনুমতি প্রমাণিত হয় আর কোনো নসে নিষেধ। এদিকে আবার শাসকদের অবস্থায় একেক রকম। কারো একদিক বিবেচনা করলে তার আদলের দিক বেশী ফুটে উঠে আবার অন্যদিক দেখলে তার জুলুম, দ্বীনের বিভিন্ন বিধানের ব্যাপারে উদাসীনতা ইত্যাদি ফুটে উঠে। এখন সালাফগণ যখন শাসকদের অবস্থা বিবেচনায় এনেছেন কেউ জুলুমের দিকটাকে বড় করে দেখেছেন আবার কেউ ভালোর দিকটা।' ৬. ইমারতে ইসলামিয়ার বর্তমান উচ্চশিক্ষামন্ত্রী তার 'আসসিয়াসাত ওয়াল ইদারাত' কিতাবে ইহতিসাবুল ইলাম সংক্রান্ত আলোচনায় বিস্তাতির মাসআলার বিভিন্ন দিক তুলে এনেছেন। তবে সেখানের আলোচনার পূর্বে 'শক্তির মাধ্যমে শাসনক্ষমতা দখলের আলোচনাতে অল্পকথাতে খুরুজের মূল যে দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন সেটা ছিলো বেশী চমৎকার। ৭. আমাদের সালাফদের খুরুজ নিয়ে পুরো ইখতিলাফটি ছিলো জালেম ও ফাসেক শাসক নিয়ে। পথভ্রষ্ট ও গোমরাহ শাসক নিয়ে আমাদের সালাফদের কোনো ইখতিলাফ নেই বললেই চলে। আর কাফের শাসক নিয়ে তো প্রশ্নই আসে না। . যাইহোক, আলোচনাগুলো হয়তো আপনার কাজে লাগতে পারে। আল্লাহ আমাদের বিষয়গুলোকে গোড়া থেকে বুঝার তাওফিক দান করুক।

ইসলামি সিয়াসাত নিয়ে সমকালীন যতজনের লেখা নেড়েচেড়ে দেখার তাওফিক হয়েছে তারমাঝে ‘ইমামাতুল উজমা’ বইটি বেশ চমৎকার ও অনন্য লেগেছে। একদিকে পশ্চিমের গ*ণত*ন্ত্রের মাদকতা আর প্রাচ্যবিদদের অপপ্রচার অন্যদিকে ইখওয়ানি হিজবুত তাহরির ধারার কিছু মডারেট চিন্তার মুসলিমের বিকৃতি—এতসবকিছুর মধ্য দিয়ে ইসলামি সিয়াসাতকে আহলুস সুন্নাহের মানহাজ ও পরিভাষা দিয়ে বুঝা ও সম্পূর্ণ নির্ভয়ে লেখে যাওয়া, এই লেখকের এক অনন্য কীর্তি ঠেকেছে আমার কাছে। আল্লাহ লেখককে জাযায়ে খায়ের দান করুক। আমীন। . বইটিতে শুধু ইসলামি খে*লা*ফ*তের প্রধান খ*লি*ফা বা আমিরুল মুমিমিনের সাথে সংশ্লিষ্ট বিধান নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। একটি ইসলামি ভূখণ্ডে খ*লি*ফা নিয়োগ দেওয়ার বিধান, কাকে নির্ধারণ করবে এবং কারা নির্ধারণ করবে এবং তার পদ্ধতি কী হবে? একজন মুসলিম শাসকের দায়িত্ব কী? খ*লিফাকে কখন তার পদ থেকে বহিষ্কার করা যাবে। আসবাবুল আজল কী কী এই সংক্রান্ত আলোচনাই পুরো ছয়শত পৃষ্ঠা জুড়ে।

খুরুজ আলাল হুক্কাম সংক্রান্ত স্বতন্ত্র যে কটি কিতাব নেড়েচেড়ে দেখার তাওফিক হয়েছে তার মাঝে এই কিতাবটিকে বেশ সমৃদ্ধ মনে হয়েছে। বিশেষত বইটিতে শুধুই খুরুজ নিয়েই আলোচনা হয়নি। শুরুতে খিলাফত, খলিফা নির্বাচনসহ খেলাফতের মৌলিক বিষয়গুলো অল্প কথায় বেশ ভালোই আলোচনা করেছেন। এরপর খুরুজের বিভিন্ন দিক নিয়ে লম্বা আলোচনা করেছেন পক্ষে বিপক্ষে। সাথে ইতিহাসের বিভিন্ন খুরুজ নিয়েও আলোচনার পাশাপাশি বর্তমান সময়ে যারা শাসকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কথা বলে তাদের ইতিহাস, মূলবক্তব্যগুলোও আনার চেষ্টা করেছেন। ইতিহাসের অংশসহ মাসআলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখকের সাথে দ্বিমতের অবশ্যই সুযোগ আছে এবং আমারো দ্বিমত আছে তবে সামগ্রিকভাবে যারা এই বিষয়ে পড়তে চান তাদের জন্য উপকারী হবে ইনশাআল্লাহ।