es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 300 suscriptores, ocupando la posición 8 141 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 028 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 300 suscriptores.

Según los últimos datos del 23 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 85, y en las últimas 24 horas de 5, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 19.42%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 7.99% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 194 visualizaciones. En el primer día suele acumular 903 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 48.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 24 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 300
Suscriptores
+524 horas
+357 días
+8530 días
Archivo de publicaciones
আমাদের খতিব, আমাদের গর্ব।

photo content

এই শতাব্দী বিজয়ের শতাব্দী . আজকে পুরো পৃথিবীর দিকে লক্ষ্য করে দেখুন, চতুর্দিকে শুধুই এবং শুধু ইসলাম ও মুসলমানেরই আলোচনা। পশ্চিমের হাজারো কোটি ডলারের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ভেঙ্গে খানখান হয়ে যাচ্ছে। এই বিজয় যে শুধু সামরিকভাবেই ভেঙ্গে যাচ্ছে এমন নয়, বরং আদর্শিকভাবেও। লক্ষ্য করলে দেখবেন, মুসলিমদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশই পশ্চিমা কর্তৃত্ব, তাদের তৈরি বিশ্বব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে আওয়াজ তুলছে। কোয়ালিটির দিক থেকে হয়তো মুসলমানদের নামাজ-রোজার কমতি হয়েছে প্রচুর, কিন্তু সং্খ্যার বিবেচনায় এটা বাড়ছে। এটা পুরো পৃথিবীব্যাপিই হচ্ছে। . এই সবকিছু আমরা এখন দেখে হয়তো বুঝতে পারছি ও বলতে পারছি। কিন্তু ২০০১-এর আগে কল্পনা করে দেখুন, পুরো দুনিয়ার এক খোদার আসনে বসা আমেরিকা, যেখানেই একমাত্র সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি, যার সামনে মাথানত করা পুরো পৃথিবী, যার ভয়ে থর থর করে কাপছে সকল শক্তি, আমেরিকা ও তার জীবনব্যবস্থা, এটাই একমাত্র জীবন ও জীবনের মাপকাঠি, এর বিপরীত ভাবাটাও অন্যায়, ঠিক সেই সময় শায়খ উসামা বিন লাদেন বলেছিলেন, এই শতাব্দী বিজয়ের শতাব্দী! . জি, এটাই একজন আল্লাহর ওলী ও মুজাদ্দিদের ফিরাসাত। এটাই ঈমানি নূর, যার আলোকে বান্দা কুফরের অন্ধকারের মধ্যেও ঈমানের আলো দিয়ে পৃথিবীর বাস্তবতা ধরে ফেলতে পারে।

কিছুদিন আগে পাকিস্তানের জামিয়াতুর রশিদের মুহতামিম মুফতি আব্দুর রহিম সাহেবের শায়খ উসামা ও মোল্লা ওমর সংক্রান্ত একটি পডকাস্ট হয়তো অনেকেই শুনেছেন। ঐ পডকাস্টের পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের একজন সাংবাদিকও মুফতি আব্দুর রহিম সাহেবকে নিয়ে একটি ভিডিও তৈরি করেন৷ দেখতে পারেন এটাও। . https://youtu.be/upXNOJcEJuk?si=lLIy9OjotFY6wwbh

শায়খ উসামা বিন লাদেন বেনজির ভুট্টোকে ক্ষমতাচ্যূত করে পাকিস্তানের ক্ষমতায় নওয়াজ শরিফকে বসানোর জন্য শত শত কোটি টাকা ফান্ডিং করেছিলো। ফান্ডিংয়ের পূর্বে শর্ত দিয়েছিলো, পাকিস্তান সরকার শায়খকে কাশ্মীরে জিহাদের জন্য সুযোগ করে দিবে! . একটা মানুষ নিজের জীবনের সবটা কীভাবে বিলীন করে দিয়েছে জি হা দের জন্য!

আলহামদুলিল্লাহ। সো*মা*লে বিনা যু**দ্ধেই একে একে শহর বিজয় করে নিচ্ছে আল্লাহর সে*না*রা। আজ সকালে হিরান প্রদেশের মোকোকোরি কাউন্ট
+8
আলহামদুলিল্লাহ। সো*মা*লে বিনা যু**দ্ধেই একে একে শহর বিজয় করে নিচ্ছে আল্লাহর সে*না*রা। আজ সকালে হিরান প্রদেশের মোকোকোরি কাউন্টির গুমারে এবং হাগার শহরগুলি বিনা যু**দ্ধে বিজয় হয়ে গিয়েছে। আজকেও আল কুহেলী শহরের মতো ঘটনা ঘটেছে, আল্লাহর সিংহরা আসছে এই খবর পেয়েই নিজ জান নিয়ে পালিয়েছে সো*মা*লি পু*তু*ল সরকারের সে**নারা। এ যেন আ**ফ*গ|নের পুনরাবৃত্তি ঘটতে যাচ্ছে, দো'আ জারি রাখুন বিজয় আসন্ন ইনশাআল্লাহ।

কথাগুলো হুজুরের খাস মানুষরাই কেনো জানি এখন মানতে পারছেন না! এটাই হলো সবচেয়ে বড় আশ্চর্যের একটি!
কথাগুলো হুজুরের খাস মানুষরাই কেনো জানি এখন মানতে পারছেন না! এটাই হলো সবচেয়ে বড় আশ্চর্যের একটি!

অনেক মুসলিম চিন্তাবিদ এই বিষয়ে একমত বর্তমানে মুসলমানদের অধপতনের একটি অন্যতম কারণ হলো ওয়ালা-বারার আকিদা সম্পর্কে বিস্মৃতি। মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্কে জানতে আশা করি বইটি আপনাকে সাহায্য করবে। বইটি সম্পর্কে জানতে শট পিডিএফ দেখতে পারেন। https://t.me/abdullahbinbashir/587

ইলায়ে কালিমাতুল্লাহ। মুসলমানদের মাঝে খুবই সুপরিচিত একটি শব্দ। এবং অন্যতম কাঙ্খিত একটি বিষয়। কিন্তু বর্তমান সময়ে এই শব্দটি, শব্দের মর্মটি নিয়ে চলছে বিভিন্ন রঙতামাশা। বিকৃতির এক আজিম ধরন চলছে এই শব্দ ও শব্দের মর্ম নিয়ে। কেউ বলছে, এটা আল্লাহর দায়িত্ব বান্দার নয়। কেউ বলছে এটা অর্জন দীনের যেকোনো কাজের মাধ্যমে হবে! কথাগুলো সাধারণ কেউ বললে হয়তো মেনে নেওয়া যেতো। কিন্তু এমন মানুষদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে যে, মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়া ছাড়া দ্বিতীয় কোনো উপায় নেই। . এতকিছু দেখে, এই বিষয়ে কিছু লেখার ইচ্ছা ছিলো। কিন্তু এই ছোট্ট জীবনে কাজের যতগুলো তালিকা করেছি তার অধিকাংশই দেখি মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহ করে ফেলেছেন! আল্লাহ হযরতের জীবনে খুব খুব বারাকাহ দান করুন। এবং উনার ছায়াকে আমাদের উপর আরো বৃদ্ধি করে দেন। আমীন।

নানগারহার কেন্দ্রীয় কারাগার, আফগানিস্তান। একসময় এই কারাগার ছিলো অন্ধকার ঘর। আজ তা হচ্ছে আলোর মশাল। . পাওর খান, ২০ বছরের একটি যুবক। খুনের অভিযোগে কারাগারে এসেছিলো। এখন বের হয়ে যাচ্ছে কুরআনে হাফেজ হয়ে। . এটা একটি যুবকের কাহিনী নয়, এমন হাজারো যুবক তৈরি হচ্ছে আফগান কারাগার থেকে। . ১০০-এর বেশি বন্দি কুরআন মুখস্তের পোগ্রাম, শরীয়া ও জাগতিক প্রশিক্ষন শেষ করে আলো নিয়ে জেল থেকে বের হচ্ছে। . পুরো আফগান জুড়ে শুধু জেলখানার পিছনেই প্রতিষ্ঠা হয়েছে ৯৬-এর মত দ্বীনি মাদরাসা। যেখানে বন্দিদের বিভিন্ন কারিগরি শিক্ষা, দ্বীনি প্রশিক্ষন দেওয়া হচ্ছে। শাস্তির স্থানগুলো আজ মানব তৈরির কারখানায় রূপান্তরিত হয়েছে।

আমরা জি হা দের জন্য আলেমদের ফতোয়ার অপেক্ষায় ছিলাম, অতপর যখন ফতোয়া আসলো আমাদের আর খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। . আল্লাহ আমাকে ও আমাদে
আমরা জি হা দের জন্য আলেমদের ফতোয়ার অপেক্ষায় ছিলাম, অতপর যখন ফতোয়া আসলো আমাদের আর খুজে পাওয়া যাচ্ছে না। . আল্লাহ আমাকে ও আমাদেরকে ক্ষমা করুন, কুরআনে বর্ণিত মুনাফিকদের বহু গুণ আমাদের মধ্যে পাওয়া যায়, এর মধ্যে একটি হলো জি হা দের কথা তো বলি, কিন্তু কোনো প্রস্তুতিতে নেই!

📌 রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে! দি মুসলিম মাইন্ডস কনফারেন্স' ২৫ বিষয়: Clash Of Civilisation – সভ্যতার সংঘাত তারিখ: ১২ জুলাই, ২০২৫ সময়: দুপুর ২.৩০ - রাত ৮.৩০ স্থান: আইডিইবি ভবন, কাকরাইল ভিআইপি রোড, ঢাকা স্যামুয়েল হান্টিংটন তার 'Clash Of Civilisation' তত্ত্বে বলেছিলেন– আগামী দিনের যুদ্ধ ভৌগলিক সীমান্তে হবে না, বরং হবে মূল্যবোধ ও বিশ্বাসের ময়দানে। আমাদের জীবনযাত্রা, চিন্তাধারা, সংস্কৃতি— সবখানে আধুনিকতার প্রভাব। কিন্তু এই আধুনিকতা কি নিরপেক্ষ ও সার্বজনীন? নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে একটি বিশেষ সভ্যতার আধিপত্যবাদী দর্শন? এই প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে 'The Muslim Minds' আয়োজন করেছে 'Clash Of Civilisation – সভ্যতার সংঘাত' কনফারেন্স। যেখানে একঝাঁক স্বপ্নদীপ্ত তরুণদের সাথে চিন্তার বিনিময়ে আলোচনায় থাকবেন– ১. আসিফ আদনান– সভ্যতার উত্থান ও পতন ২. রেজাউল করিম রনি– বেঙ্গল ওরিয়েন্টালিজমঃ বাঙালি জাতির সভ্যতাগত রূপান্তর ৩. ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি–পশ্চিমা সভ্যতার পতন কি অবশ্যম্ভাবী? ৪. ইমরান রাইহান– মুসলিম বিশ্বে পশ্চিমা উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ৫. ডা. রাফান আহমেদ– আধুনিক সভ্যতা ও ক্ষমতায় আপন-পর প্রশ্ন ৬. আম্মারুল হক– পশ্চিমা সভ্যতার বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসন মোকাবিলায় উলামাদের সিলসিলা এই কনফারেন্স শুধু একটি প্রোগ্রাম নয়, বরং চিন্তার খোরাক এবং আত্মবিশ্লেষণের ময়দান। আমরা কে? আমাদের বিশ্বাস কোন ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে? আধুনিকতার রঙিন প্রলেপের নিচে আমাদের চেতনা কতটা স্বাধীন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতেই আমরা একত্র হবো। 📌 রেজিস্ট্রেশন করুনঃ লিংক: https://themuslimminds.org/registration/ 🔰আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন কনফার্ম হবে। যারা আগে থেকে আছেন তারা রেজিষ্ট্রেশন করলেই হয় যাবে। ইসলাম ও আধুনিকতার দ্বন্দ্বকে বুঝে, সভ্যতার অবশ্যম্ভাবী সংঘাত অনুভব করে, সত্যের পক্ষে অবস্থান নিই। আপনার চিন্তা, প্রশ্ন ও অনুসন্ধান নিয়ে আমন্ত্রণ রইল 'দি মুসলিম মাইন্ডসের' এই ময়দানে.. #MuslimMindsConference #ClashOfCivilisations #IslamVsModernity #IntellectualResistance

📌 রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে! দি মুসলিম মাইন্ডস কনফারেন্স' ২৫ বিষয়: Clash Of Civilisation – সভ্যতার সংঘাত তারিখ: ১২ জুলাই, ২০২৫ সময়: দুপুর ২.৩০ - রাত ৮.৩০ স্থান: আইডিইবি ভবন, কাকরাইল ভিআইপি রোড, ঢাকা স্যামুয়েল হান্টিংটন তার 'Clash Of Civilisation' তত্ত্বে বলেছিলেন– আগামী দিনের যুদ্ধ ভৌগলিক সীমান্তে হবে না, বরং হবে মূল্যবোধ ও বিশ্বাসের ময়দানে। আমাদের জীবনযাত্রা, চিন্তাধারা, সংস্কৃতি— সবখানে আধুনিকতার প্রভাব। কিন্তু এই আধুনিকতা কি নিরপেক্ষ ও সার্বজনীন? নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে একটি বিশেষ সভ্যতার আধিপত্যবাদী দর্শন? এই প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে 'The Muslim Minds' আয়োজন করেছে 'Clash Of Civilisation – সভ্যতার সংঘাত' কনফারেন্স। যেখানে একঝাঁক স্বপ্নদীপ্ত তরুণদের সাথে চিন্তার বিনিময়ে আলোচনায় থাকবেন– ১. আসিফ আদনান– সভ্যতার উত্থান ও পতন ২. রেজাউল করিম রনি– বেঙ্গল ওরিয়েন্টালিজমঃ বাঙালি জাতির সভ্যতাগত রূপান্তর ৩. ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি–পশ্চিমা সভ্যতার পতন কি অবশ্যম্ভাবী? ৪. ইমরান রাইহান– মুসলিম বিশ্বে পশ্চিমা উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ৫. ডা. রাফান আহমেদ– আধুনিক সভ্যতা ও ক্ষমতায় আপন-পর প্রশ্ন ৬. আম্মারুল হক– পশ্চিমা সভ্যতার বুদ্ধিবৃত্তিক আগ্রাসন মোকাবিলায় উলামাদের সিলসিলা এই কনফারেন্স শুধু একটি প্রোগ্রাম নয়, বরং চিন্তার খোরাক এবং আত্মবিশ্লেষণের ময়দান। আমরা কে? আমাদের বিশ্বাস কোন ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে? আধুনিকতার রঙিন প্রলেপের নিচে আমাদের চেতনা কতটা স্বাধীন? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতেই আমরা একত্র হবো। 📌 রেজিস্ট্রেশন করুনঃ লিংক: https://themuslimminds.org/registration/ 🔰আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হওয়ার মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন কনফার্ম হবে। যারা আগে থেকে আছেন তারা রেজিষ্ট্রেশন করলেই হয় যাবে। ইসলাম ও আধুনিকতার দ্বন্দ্বকে বুঝে, সভ্যতার অবশ্যম্ভাবী সংঘাত অনুভব করে, সত্যের পক্ষে অবস্থান নিই। আপনার চিন্তা, প্রশ্ন ও অনুসন্ধান নিয়ে আমন্ত্রণ রইল 'দি মুসলিম মাইন্ডসের' এই ময়দানে.. #MuslimMindsConference #ClashOfCivilisations #IslamVsModernity #IntellectualResistance

যাদের সম্ভব হয় অংশগ্রহণ করতে পারেন। আশা করি চিন্তার জায়গায় ফায়দা দিবে। বিশেষত খতিব সাহেবগণ ও বিভিন্ন স্থানে দাওয়াতি কাজে আছেন
যাদের সম্ভব হয় অংশগ্রহণ করতে পারেন। আশা করি চিন্তার জায়গায় ফায়দা দিবে। বিশেষত খতিব সাহেবগণ ও বিভিন্ন স্থানে দাওয়াতি কাজে আছেন এমন ব্যক্তিরা আসার যথাসম্ভব চেষ্টা করবেন।

জালেম ও কাফেরকে ঘৃণা করা আহলে সুন্নাত ওয়াল-জামাতের আকিদার অংশ ইমাম তাহাবি রহিমাহুল্লাহ ইমাম আবু হানিফা, আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহা
জালেম ও কাফেরকে ঘৃণা করা আহলে সুন্নাত ওয়াল-জামাতের আকিদার অংশ ইমাম তাহাবি রহিমাহুল্লাহ ইমাম আবু হানিফা, আবু ইউসুফ ও ইমাম মুহাম্মাদ রহিমাহুল্লাহ থেকে বর্ণিত আহলুস সুন্নাহর আকিদাসমূহ একটি সংক্ষিপ্ত পুস্তিকায় একত্র করেছেন। সেখানে মুমিনের প্রতি বন্ধুত্ব আর কাফেরের সাথে শত্রুতার আকিদাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ইমাম তাহাবি বলেন, ونحب أهل العدل والأمانة ونبغض أهل الجور والخيانة. আমরা ন্যায়নিষ্ঠ ও ইনসাফকারীদের ভালোবাসি আর অপরাধী ও খেয়ানতকারীদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করি। বলাবাহুল্য, অপরাধ, জুলুম ও খেয়ানতের বড় একটি বহিঃপ্রকাশই হলো কুফরি গ্রহণ করা। আমাদের সালাফদের আকিদার কিতাবসমূহে এই মাসআলাটির অন্তর্ভুক্তি দ্বারা বিষয়টি তাদের নিকটও কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল তার কিছুটা আঁচ করা যায়। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ: আব্দুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

Shamsul Arefin Shakti ভাইয়ের “ফিলিস্তিনের মুক্তি ও আরব শাসকদের ব্যর্থতা” এই আলোচনাটা সকলের শুনা দরকার। https://youtu.be/W8yy5yB5u3w?si=7y7iP-eFtipelofb

কিছুদিন আগে জি হা দ বিষয়ে একজন মুতাদিল আলিমের কথা শুনলাম। তিনি দরসে স্পষ্ট জি হা দ বিষয়ে উনার ইতিদাল মেজাজ বিষয়ক কথা বলেন। একদিন দরসে বলতেছেন, “আমি শায়খ উসামা রহিমাহুল্লাহকে ইমামুল মু জা হিদ মনে করি। তবে এই বাস্তবতাও বলতে বাধ্য, তিনি একজন তাকফিরি ছিলেন। তিনি উগ্র ছিলেন। তিনি অন্যায়ভাবে মুসলমানদের হত্যা করছেন। তিমি যেখানে-সেখানে বো*ম ফেলে মুসলমানদের জান-মাল ক্ষতি করতেন। তিনি ওলামাদের লাঞ্চিত করতেন। তিনি যুবকদের আলেম বিদ্বেষী করে তুলেছেন। সর্বোপরি উনার মানহাজ ভুল ছিলো এবং মুসলমানদের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। তবে, আমি উনাকে অবশ্যই একজন ইমামুল মু জা হিদ মনে করি।” . আসমানের নীচে আর যমীনের উপর এমন ইতিদাল হয়তো পৃথিবীবাসী আর দেখবে না।

একজন সাধারণ মানুষের জন্য দ্বীনের খেদমত। ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি . https://www.facebook.com/share/171fYjXZnD/

উসুলুশ শাশী বা নুরুল আনওয়ার পড়েন বা পড়ান তাদের জন্য এই কিতাবটা অত্যাবশ্যকের পর্যায়ের বলে মনে হয়। তা কেনো? উসুলুল ফিকহ পড়ানোর সময় উস্তাদ বা ছাত্রের অন্যতম যে সমস্যাটা হয় তা হলো উদাহরণ না থাকা। অর্থাৎ কিতাবে কোনো উসুল বর্ণনা করার পর যে উদাহরণ থাকে তার বাহিরে আর কোনো উদাহরণ আমরা খুজে পাই না। যার ফলে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। এক তো হলো, উদাহরণের অভাবে পড়া উসুল পূর্ণ বুঝে না আসা। আরেকটি হলো, বুঝে আসলেও উসুলের এই প্রয়োগটা কুরআন ও হাদিসে আর কোথায় না পাওয়ার কারণে ধরতে না পারা, এর ফলে উসুলুল ফিকহ যে একজন ফকিহের জীবনে কত গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝে আসে না। ফলাফল, এই গুরুত্বপূর্ণ ইলমটি আমাদের কাছে শুধু একটি রসমি ইলম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছে। এই সবগুলোর সমস্যার সমাধান আপনি খুব সহজে এই কিতাবে পেয়ে যাবেন। কিতাবে উসুলুল ফিকহের প্রতিটি আসলের প্রচুর উদাহরণ কুরআন-সুন্নাহ থেকে লেখক জমা করেছে। এবং উদাহরণগুলো কোথায় সংক্ষিপ্ত শব্দে ও কোথাও লম্বা আলোচনা করে বুঝিয়ে দিয়েছে। বইটা আমাদের জন্য সমস্যা এই হতে পারে যে, আমাদের কিতাবগুলো সাধারণত তাকসিমে ইশরিনের তারতিবে লেখা। আর এই বইয়ের মুসান্নিফ ভিন্ন তারতিবে লেখেছে। ভিন্ন তাকসিম করেছে।

মাওলানা জিয়াউর ফারুকি রহিমাহুল্লাহ পাকিস্তানের একজন সনামধন্য আলেম ছিলেন। আমৃত্যু যে মহান ব্যক্তিবর্গরা শানে সাহাবা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি তাদের মধ্যে অন্যতম। পাকিস্তানে শিয়াদের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সমস্ত ধুম্রজালকে যখন তিনি মানুষের সামনে স্পষ্ট করতে লাগলেন তখন পূর্বসূরীদের মত মাওলানাকেও অভিশপ্ত শিয়ারা শহিদ করে দেয়। ১৯৯৭ সনে লাহোরে একটি বিস্ফোরণ আক্রমণে তিনি শহিদ হন। “শিয়াদের কুফর; ধুম্রজাল ছেড়ে বাস্তবতা” এটা মাওলানা জিয়াউর রহমান ফারুকি রহিমাহুল্লাহ-এর একটি ভাষন যা তিনি জনসম্মুখে দিয়েছিলেন। সে ভাষনে যেমন ইমানি জযবা ও হুব্বে সাহাবার আলোক বিচ্ছুরণ প্রকাশ পেয়েছিলো তেমনি তা ছিলো ইতিহাস ও দলিল সমৃদ্ধ। শিয়াদের কুফরির বিষয়গুলো দলিলের আলোকে শিয়াদের নথিপত্র থেকেই একদম সহজ ভাষায় এই ভাষনে তিনি উপস্থাপন করেন। বয়ানের এই শ্রুতিলেখনে চেষ্টা করা হয়েছে বয়ানের সাথে সামঞ্জস্য রেখে অনুবাদ করতে। তাই ভাষাগত দিকটি বয়ানের অনুরূপ রাখা হয়েছে। প্রতিটি পাঠকের কাছে আবেদন তারা যেনো অবশ্যই ইউটিউব থেকে মূল বয়ানটি শুনে নেন। কারণ হুব্বে সাহাবার যে তরপ মাওলানার দিলে রক্তক্ষরণ হয়ে জবানে প্রকাশ পাচ্ছিলো সে অনুভব এই অনুবাদে আর কোথায় আসবে!