es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 300 suscriptores, ocupando la posición 8 141 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 028 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 300 suscriptores.

Según los últimos datos del 23 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 85, y en las últimas 24 horas de 5, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 19.42%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 7.99% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 194 visualizaciones. En el primer día suele acumular 903 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 48.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 24 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 300
Suscriptores
+524 horas
+357 días
+8530 días
Archivo de publicaciones
শিয়াদের অতিত ও বর্তমান -মাওলানা ইমরান রাইহান . (কথাগুলো যত বেশি সম্ভব মানুষের কাছে পৌঁছানো দরকার)

এই চ্যানেলের প্রায় প্রতিটি ভিডিও খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়। সমসাময়িক বিষয়গুলোতে তাদের বিশ্লেষণও চমৎকার। বিশেষত, এক উম্মাহের কনসেপ্ট তাদের আলোচনার মধ্যে প্রবলভাবে ফুটে উঠে। সাথে স্পষ্ট ভাষা ও সুনির্ধারিত দলিল। . সাধ্যের মধ্যে এই চ্যানেলটি নিয়মিত প্রচার করা দরকার আমাদের। . https://youtu.be/6-BnsvrAPAQ?si=aJLPf8uL1yag6vrv

ইরান আর আমেরিকা যুদ্ধ নামক যে নাটকটা করলো, এটা দেখে এখন একটাই মন্তব্য, “নাটক কম করো প্রিয়, তোমরা যে একে অপরের প্রেমে আসক্ত তা তোমাদের আচরণ দেখলেই বুঝা যায়।” . যুদ্ধ শব্দটারেই ইরানি শিয়া এই মালউনগুলো জয় বাংলা করে দিছে!

যদি গল্ফ রাষ্ট্রগুলো ইরানের আজকের আক্রমণের প্রতিক্রিয়া দেখায়, তাহলে মোটামুটি আমি যা বুঝতেছে, এতদিনের ইরানের যুদ্ধ যুদ্ধ খেলার আসল রূপ স্পষ্ট হবে। গল্ফের কোনো একটা দেশ এখন ইরানের সাথে যুদ্ধ লাগা মানি আমেরিকার বিলিয়ন/ট্রিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি হওয়া... দেখা যাক, কী হয়।

ইরানের কিছু হলে এরপর টার্গেট পাকিস্তান, পাকিস্তানের জন্য টেনশম করা জনসাধারণ। আর এদিকে পাকিস্তান....
ইরানের কিছু হলে এরপর টার্গেট পাকিস্তান, পাকিস্তানের জন্য টেনশম করা জনসাধারণ। আর এদিকে পাকিস্তান....

মাউসূআতুল ফিকহিয়্যাহ আল কুয়েতিয়্যাতে সংজ্ঞা দেওয়া হয় এভাবে: والجهاد اصطلاحا: قتال مُسْلِمٍ كَافِرًا غَيْرَ ذِي عَهْدٍ بَعْدَ دَعْوَتِهِ لِلإسْلامِ وَإِبَائِهِ، إِعْلاء كلمة الله . (الموسوعة الفقهية الكويتية في أوائل كتاب الجهاد) জিহাদ সংক্রান্ত যত আয়াত হাদীস আছে তিন চারটা ছাড়া বাকি সবগুলোতেই কাফিরদের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। ফুকাহায়ে কেরাম কিতাবুস সিয়ার বা কিতাবুল জিহাদে কিতাল সংক্রান্ত আলোচনা এনেছেন। মুহাদ্দিসীনে কেরাম হাদীসের কিতাবাদিতে কিতাবুস সিয়ার বা জিহাদে কিতাল সংক্রান্ত আলোচনাই এনেছেন। তারা জিহাদ বলতে এতো ব্যাপক অর্থ বুঝেননি,যা বর্তমান যুগে আমরা দেখতে পাচ্ছি। মুহাদ্দিস ও ফুকাহায়ে কেরামের সংজ্ঞা থেকে মূল এবং অপরিহার্য শর্ত যেটা আমরা পেয়েছি সেটা হচ্ছে, আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠা জন্য "কাফিরদের বিরুদ্ধে" সর্বশক্তি ব্যয় করা। সেটা জানের মাধ্যমে হোক বা মালের মাধ্যমে। অর্থাৎ দ্বীন প্রতিষ্ঠার নাম দিয়ে সকল প্রচেষ্টাকে জিহাদ বলা সহীহ নয়। দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য কাফিরদের লড়াই করতে গিয়ে যে চেষ্টা চালানো হবে সেটা জিহাদ বলে গণ্য হবে। আচ্ছা জিহাদের সংজ্ঞা যদি "দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য সব ধরনের চেষ্টা করে যাওয়া" এভাবে করা হয় তাহলে কী সমস্যা হয়? আমরা উপরে শাইখ আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহর লেখার মাধ্যমে স্পষ্ট করে দেখিয়েছি, এতে জিহাদের অবকাঠামো,স্বীকৃত সংজ্ঞা বিকৃত হওয়া এবং দাওয়াত তাবলীগ,তাযকিয়াহ,দ্বীন প্রচারের বাহানায় নিজের ব্যক্তি স্বার্থকেও জিহাদ বলা অবধারিত হয়ে যায়। তাছাড়া যদি দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য সব ধরনের প্রচেষ্টা জিহাদ হয় তবে যারা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে লড়াই করছে তারাও জিহাদ করছে এটাও মেনে নিতে হবে! তারা যদি দাবি করে,আমরা নির্বাচন করি না,আমরা জিহাদ করি তাহলে তাদের দাবি ভুল হবে না,কারণ তাদের উদ্দেশ্যও দ্বীন কায়েম করা। তাদের এটা তখন দ্বীনের অপব্যাখ্যা বলতে পারবেন না, বরং সেটাকে আপনার সমর্থন করে যেতে হবে। এমন যদি প্রত্যেকের তাবীল মেনে নেয়া হয় এবং জিহাদের বিষয়টাকে এতো লাগামহীন,শর্তশারায়েত মুক্ত ছেড়ে দেওয়া হয় তবে সব করতে পারবেন, কিন্তু শরয়ী জিহাদ বাস্তবায়ন করার সুযোগ হবে না। এবং যারা জিহাদের তাহরীফ করে যায় বিভিন্নভাবে,তাদেরও বিরোধিতা করতে পারবেন না। এরপর তিনি বলেন: // তিনি তার সংজ্ঞা উল্লেখ করার পর হাসসন বিন সাবিত রাযিয়াল্লাহু আনহু যে কবিতা তৈরি করতেন , নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খুব উৎসাহ দিতেন। বলতেন যে,জিব্রীল তোমার সঙ্গে। সুতরাং তুমি ওদের বিরুদ্ধে কবিতা তৈরি করো! তো জিহাদ প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করার জন্যে এবং আল্লাহর দ্বীনকে বিজয় করার জন্যে যা কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার সে সবই জিহাদ। সে হিসেবে দাওয়াতি কার্যক্রম জিহাদ, মুখের দাওয়াত, তারপর লেখাজোকা, বইপুস্তক লেখা, প্রচার পত্র এসব জিহাদ। // উনার কথার কণ্ডন উনার দলীলের মধ্যেই আছে। উনি হাসসান বিন সাবিতের কবিতা দিয়ে দলীল দিয়েছেন,যা ছিল কাফিরদের বিরুদ্ধে। আর আমরা আজকাল মুসলিমদেরকে নামাযের দাওয়াত দিই বলে দাওয়াতের একটা অংশে সাদৃশ্য থাকায় সেটাকেই একমাত্র জিহাদ বলে চালিয়ে দিচ্ছি। (চলবে)

فأقبل رسول الله صلى الله عليه و سلم بوجهه وقال كذبوا، الآن الآن جاء القتال، ولا يزال من أمتي أمة يقاتلون على الحق، ويزيغ الله لهم قلوب أقوام، ويرزقهم منهم حتى تقوم الساعة، وحتى يأتي وعد الله". আমি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বসা ছিলাম, এমতাবস্থায় এক লোক জিজ্ঞাসা করলো হে আল্লাহর রাসূল! লোকেরা অশ্বের প্রতি গুরুত্ব কম দিচ্ছে এবং অস্ত্র রেখে দিচ্ছে। তারা একথা বলছে: এখন জিহাদ আর নেই, জিহাদ তো তার বোঝা রেখে দিয়েছে। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর চেহারা ফিরালেন এবং বললেন: তারা মিথ্যা বলেছে, কিতাল তো সবেমাত্র শুরু হয়েছে, আর আমার উম্মতের একটি দল হকের উপর সবসময় কিতাল করতেই থাকবে..."। (সুনানুন নাসাঈ ২/১০৪) লক্ষ করার বিষয় হচ্ছে, সাহাবী জিজ্ঞেস করছেন জিহাদ বলে, আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উত্তর দিচ্ছেন কিতাল বলে। যা থেকে বুঝে আসে তাঁরা জিহাদ বলতে কিতালই বুঝতেন। হাদীসের ব্যাখ্যাগ্রন্থ দেখা যাক, মুল্লা আলী কারী(১০১৪হিঃ) মিরকাতে লেখেন: الْجِهَادُ : بِكَسْرِ أَوَّلِهِ، وَهُوَ لُغَةُ الْمَشَقَّةُ، وَشَرْعًا بَذْلُ الْمَجْهُودِ فِي قِتَالِ الْكُفَّارِ مُبَاشَرَةً، أَوْ مُعَاوَنَةٌ بِالْمَالِ، أَوْ بِالرَّأْيِ، أَوْ بِتَكْثِيرِ السَّوَادِ، أَوْ غَيْرِ ذَلِكَ. ইবনু হাজার আসকালানী (৮৫২হিঃ) রহ. ফাতহুল বারীতে লেখেন: وَشَرْعًا: بَذْلُ الْجُهْدِ فِي قِتَالِ الْكُفَّارِ . বদরুদ্দীন আইনী (৮৫৫হিঃ) রহ. উমদাতুল কারীতে লেখেন: وفي الشرع: بذل الجهد في قتال الكفار لإعلاء كلمة الله تعالى. আল্লামা সুয়ূতী (৯১১হিঃ) তাওশীহে লেখেন: وشرعا: بذل الجهد في قتال الكفار . হাফিয কিরমানী রহ. তার ব্যাখ্যা গ্রন্থে লেখেন: كتاب الجهاد والسير : وهو مصدر جاهدت العدو إذا قاتلته ببذل كل واحد منهما أي طاقته في دفع صاحبه، وبحسب الاصطلاح قتال الكفار لتقوية الدين. অন্যান্য ব্যাখ্যাকারের বক্তব্য এমনই। এবার ফুকাহায়ে কেরামের বক্তব্য দেখা যাক: وَالْجِهَادُ هُوَ الدُّعَاءُ إِلَى الدِّينِ الْحَقِّ ، وَالْقِتَالُ مَعَ مَنْ امْتَنَعَ عَنْ الْقَبُولِ بِالنَّفْسِ، وَالْمَالِ. البحر الرائق، العناية شرح الهداية، في أول كتاب السير). “জিহাদ হচ্ছে, সত্য দ্বীনের দিকে ডাকা এবং সত্য দ্বীন গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানালে তার বিরুদ্ধে জান-মাল দিয়ে যুদ্ধ করা"। - (আলবাহরুর রায়েক, আলইনায়াহ, কিতাবুস সিয়ার) অনুরূপ সংজ্ঞা রয়েছে তুহফাতুল ফুকাহা, বাদাইউস সানায়ে, মাজমাউল আনহুর, আললুবাব, দুররে মুখতার ইত্যাদি কিতাবে। উদ্ধৃতিগুলো বিস্তারিত দেখা যাক: আলাউদ্দীন সামারকান্দী রহ. লেখেন: فَهُوَ الدُّعاء إلى الدين الحق والقتال مع من امتنع عن الْقَبُولِ بِالْمَالِ وَالنَّفْسِ، قَالَ اللهُ تَعَالَى انفروا حفافا وثقالا وجاهدوا بأموالكم وَأَنْفُسِكُمْ وَقَالَ { إن الله اشترى من الْمُؤْمِنِينَ). (تحفة الفقهاء ٢٩٣/٣ص دار الكتب العلمية. ) আল্লামা কাসানী রহ. (৫৮১/৮৭হিঃ) লেখেন: وَأَمَّا الْجِهَادُ فِي اللُّغَةِ فَعِبَارَةٌ عَنْ بَذْلِ الْجُهْدِ بِالضَّمِّ وَهُوَ الْوُسْعُ وَالطَّاقَةُ، أَوْ عَنْ الْمُبَالَغَةِ فِي الْعَمَلِ مِنَ الْجَهْدِ بِالْفَتْحِ، وَفِي عُرْفِ الشَّرْعِ يُسْتَعْمَلُ فِي بَذْلِ الْوُسْعِ وَالطَّاقَةِ بِالْقِتَالِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ - عَزَّ وَجَلَّ - بِالنَّفْسِ وَالْمَالِ وَالنِّسَانِ، أَوْ غَيْرِ ذَلِكَ، أَوْ الْمُبَالَغَةِ فِي ذَلِكَ وَاللَّهُ - تَعَالَى - أَعْلَمُ (بدائع الصنائع في أول كتاب السير). ফকীহ ইব্রাহীম হালবী (৯৫৬হিঃ) রহ. লেখেন: (الْجِهَادُ فِي اللُّغَةِ: بَذْلُ مَا فِي الْوُسْعِ مِنَ الْقَوْلِ، وَالْفِعْلِ. وفِي الشَّرِيعَةِ : قَتْلُ الْكُفَّارِ وَنَحْوُهُ مِنْ ضَرْهِمْ، وَنَهْبِ أَمْوَالِهِمْ وَهَدْمِ مَعَابِدِهِمْ وَكَسْرِ أَصْنَامِهِمْ وَغَيْرِهِمْ. (مجمع الأنهر في شرح ملتقى الأبحر ٤٠٧/۲ دار الكتب العلمية.) ফাতওয়ায় হিন্দিয়াতে আছে: فَالْجِهَادُ هُوَ الدُّعَاءُ إِلى الدِّينِ الْحَقِّ وَالْقِتَالُ مَعَ مَنْ امْتَنَعَ وَتَمَرَّدَ عَنْ الْقَبُولِ إِمَّا بِالنَّفْسِ أَوْ بالمال. ( الفتاوى الهندية ٢ / ۱۸۸) আল্লামা আব্দুল গণী গুনাইমী (১২৯৮হিঃ) লেখেন: وهو لغة: مصدر جاهد في سبيل الله، وشرعا الدعاء إلى الدين الحق وقتال من لم يقبله، ( الشمنى اللباب في شرح الكتاب في أول كتاب السير). দুর এবং তার হাশিয়াতে আছে: وَهُوَ لُغَةٌ: مَصْدَرُ جَاهَدَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ. وَشَرْعًا: الدُّعَاءُ إِلَى الدِّينِ الْحَقِّ وَقِتَالُ مَنْ لَمْ يَقْبَلْهُ سمي وَعَرَّفَهُ ابْنُ الْكَمَالِ بِأَنَّهُ بَدِّلُ الْوُسْعِ فِي الْقِتَالِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ مُبَاشَرَةً أَوْ مُعَاوَنَةٌ بِمَالٍ، أَوْ رَأَي أَوْ تَكْثِيرٍ سَوَادٍ أَوْ غَيْرِ ذَلِكَ. اهـ.. (الدر المختار مع حاشية ابن عابدين، في أوائل كتاب الجهاد).

লেখেছেন মাওলানা মাহফুজ সাল্লামাহুল্লাহু . পৃথিবীতে জিহাদ একমাত্র বিধান, যেটাতে যে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে হস্তক্ষেপ করার অধিকার রাখে। যেভাবেই শর্ত,কায়েদ লাগাক না কেন,জিহাদের কাঠামো কখনোই পরিবর্তন হবে না। সম্প্রতি শাইখ আবুল বাশার সাইফুল ইসলাম হাফিযাহুল্লাহর একটা ভিডিও বক্তব্য নযরে এল, যেখানে তিনি জিহাদ সংক্রান্ত আলোচনা পেশ করেছেন। মৌলিকভাবে কয়েকটা পয়েন্ট নিয়ে লেখার ইচ্ছা, যেহেতু এধরনের আপত্তি, দাবি, সংশয় প্রায় অনেকেরই। সেজন্য এটা ওজাহাত করা জরুরি মনে হচ্ছে। শাইখ প্রথমে বলেন: // জিহাদ কী? ই'লায়ে কালিমাতুল্লাহর জন্য যে সংগ্রাম হয় সেটাই জিহাদ! // তার এই কথার বিশ্লেষণ আমরা হাদীস, মুহাদ্দিস ও ফকীহগণের বক্তব্যের মাধ্যমে দেখবো, জিহাদ আসলে কী?! সব রকমের প্রচেষ্টাই জিহাদ? চর্মোনাইয়ের নির্বাচন পদ্ধতিও তবে জিহাদ?! এব্যাপারে শুরুতে আমি শাইখ আব্দুল মালেক হাফিযাহুল্লাহর বক্তব্য উল্লেখ করছি, যা তিনি কিতাবুল জিহাদের ভূমিকায় লেখেছেন: ১. দ্বীন প্রতিষ্ঠার সকল প্রচেষ্টাই কি "জিহাদ”? কোন কোন বন্ধুকে বলতে শোনা যায় যে, ই'লায়ে কালিমাতুল্লাহ, দ্বীন প্রতিষ্ঠা বা দ্বীনের প্রচার প্রসারের নিমিত্ত যে কোন কর্ম-প্রচেষ্টাই জিহাদের অন্তর্ভুক্ত। বলা বাহুল্য "জিহাদ” আভিধানিক অর্থে শরীয়ত সম্মত সকল দ্বীনি প্রচেষ্টাকেই বুঝায় এবং শরয়ী নুসুসমূহের (কুরআন হাদীসের ভাষা) কোথাও কোথাও এই শব্দটি জিহাদ ছাড়া অন্যান্য দ্বীনি মিহনতের ব্যাপারেও ব্যবহৃত হয়েছে কিন্তু জিহাদ যা শরীয়তের একটি বিশেষ পরিভাষা এবং যার অপর নাম "ক্বিতাল ফী সাবীলিল্লাহ" তা কখনো এই সাধারণ কর্ম প্রচেষ্টার নাম নয় বরং এই অর্থে "জিহাদ” হল, "আল্লাহর কালিমা বুলন্দ করার জন্য, ইসলামের হিফাজত ও এর মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য, কুফরের শক্তিকে চুরমার করার জন্য এবং এর প্রভাব প্রতিপত্তিকে বিলুপ্ত করার জন্য কাফের মুশরিকদের সাথে যুদ্ধ করা।" ফিকহের কিতাবসমূহে এই জিহাদের বিধি-বিধানই উল্লেখিত হয়েছে। সীরাত প্রন্থসমূহে এই জিহাদেরই নববী যুগের ইতিহাস লিপিবদ্ধ হয়েছে, কুরআন হাদীসে জিহাদের ব্যাপারে যে বড় বড় ফযীলতের কথা বলা হয়েছে তা এই জিহাদের ব্যাপারেই বলা হয়েছে এবং এই জিহাদে শাহাদাতের মর্যাদায় বিভূষিত ব্যক্তিই হলেন প্রকৃত "শহীদ"। শরয়ী নুসূস এবং শরয়ী পরিভাষাসমূহের উপর নেহায়েত জুলম করা হবে যদি আভিধানিক অর্থের অন্যায় সুযোগ নিয়ে পারিভাষিক জিহাদের আহকাম ও ফাযাইল দ্বীনের অন্যান্য মেহনত ও কর্ম প্রচেষ্টার ব্যাপারে আরোপ করা হয়। এটা এক ধরনের অর্থগত বিকৃতি সাধন, যা থেকে বেঁচে থাকা ফরয। তা'লীম, তাযকিয়া, দাওয়াত ও তাবলীগ, ওয়ায-নসীহত বা দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনৈতিকভাবে কোন কর্ম প্রচেষ্টা (যদি শরয়ী নীতিমালা ও ইসলামী নির্দেশনা মোতাবেক হয় তবে তা আমর বিল মা'রুফ ও নাহী আনিল মুনকারের একটি নতুন পদ্ধতি) এসবই স্ব স্ব স্থানে কাম্য বরং এসব কর্মপ্রচেষ্টার প্রত্যেকটাই খিদমতে দ্বীনের এক একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা। এসবের ভিন্ন ফাযাইল, ভিন্ন আহকাম এবং ভিন্ন মাসাইল রয়েছে এবং কোনটিকেই খাটো করে দেখার অবকাশ নেই কিন্তু এসবের কোনটাই এমন নয় যাকে পারিভাষিক জিহাদের অন্তর্ভূক্ত করা যায় এবং যার ব্যাপারে জিহাদের ফাযাইল ও আহকাম আরোপ করা যায়। এই বিষয়টি ভালোভাবে অনুধাবন করা ও মনে রাখা নেহায়েত জরুরী, কেননা আজকাল জ্ঞাতসারে বা অজ্ঞাতসারে ইসলামের বহু পরিভাষার মধ্যে পূর্ণ বা আংশিক তাহরীফের (বিকৃতি সাধন) প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কেউ তাবলীগের কাজকে "জিহাদ" বলে দিচ্ছেন, কেউ তাযকিয়া বা আত্মশুদ্ধির কাজকে, আবার কেউ রাজনৈতিক কর্মপ্রচেষ্টা বরং ইলেকশনে অংশগ্রহণ করাকেও জিহাদ বলে দিচ্ছেন। কারো কারো কথা থেকেতো এও বোঝা যায় যে, পাশ্চাত্য রাজনীতির অন্ধ অনুসরণ ও জিহাদের শামিল। আল্লাহর পানাহ! (কিতাবুল জিহাদের ভূমিকা: ৩৬,৩৭পৃঃ) হযরত যে পরিচয় দিয়েছেন তাঁর সংজ্ঞা দাঁড়ায় এমন: بذل الوسع لإعلاء كلمة اللّه بوجه من الوجوه . এবার আমরা হাদীস ও মুহাদ্দিসীনে কেরাম,ফুকাহায়ে কেরামের বক্তব্যের আলোকে দেখবো জিহাদ আসলে কীসের নাম! হাদীসে আছে: عن عمرو بن عنبسة قال: قال رجل يا رسول الله ! ... وما الجهاد ؟ قال: أن تقاتل الكفار إذا لقيتهم . "আমর ইবনে আবাসা থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! জিহাদের পরিচয় কী? রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যুদ্ধের ময়দানে কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা"। -মুসনাদে আহমদ, হাদীস নং ১৭০২৭ সালামাহ ইবনু নুফাইল রাযিয়াল্লাহু আনহুর হাদীস,ইমাম নাসায়ী রহিমাহুমুল্লাহ সুনানে উল্লেখ করেন, তিনি বলেন: "كنت جالسا عند رسول الله صلى الله عليه و سلم، فقال رجل يا رسول الله، أذال الناس الخيل ووضعوا السلاح، وقالوا لا جهاد قد وضعت الحرب أوزارها.

অসুস্থ কাফেরকে দেখতে যাওয়া এবং তার দুঃখে সান্ত্বনা দেওয়া জিম্মি কাফেরকে দেখাশোনা করা এবং তার দুঃখে সান্ত্বনা দেওয়ার ক্ষেত্রে শরিয়তে কোনো আপত্তি নেই, কারণ এ দুটিই আন্তরিকতা ও সহমর্মিতার প্রকার, যা শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ। আল্লামা শামি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ১২৫২ হি.) বলেন, (قوله وجاز عيادته أي عيادة مسلم ذميا نصرانيا أو يهوديا، لأنه نوع بر في حقهم وما نهينا عن ذلك، وصح أن النبي الله عاد يهوديا مرض بجواره هداية. وفي النوادر جار يهودي أو مجوسي مات ابن له أو قريب ينبغي أن يعزيه ويقول أخلف الله عليك خيرا منه، وأصلحك وكان معناه أصلحك اللهبالإسلام يعني رزقك الإسلام ورزقك ولذا مسلما كفايه (رد المحتار، کتاب الحظر والإباحة، فصل في البيع) জিম্মি ইহুদি হোক বা খ্রিষ্টান, তাদের শুশ্রূষা করা জায়েজ। কারণ এটি তাদের প্রতি একধরনের সহানুভূতি, যে ব্যাপারে আমাদের নিষেধ করা হয়নি। আর এটা প্রমাণিত যে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পার্শ্ববর্তী এক ইহুদি অসুস্থ হলে তাকে দেখতে যান। 'নাওয়াদির' কিতাবে উল্লেখ আছে, ইহুদি বা অগ্নিপূজারি প্রতিবেশীর সন্তান বা নিকটাত্মীয় কেউ মারা গেলে তাকে সান্ত্বনা দেওয়া (মুসলিমের জন্য) উচিত, তখন সে বলবে, 'আল্লাহ আপনাকে এর চেয়ে ভালো কিছু দান করুন, এবং আপনার মঙ্গল করুন।' মঙ্গল করার অর্থ হলো আল্লাহ আপনাকে ইসলাম (গ্রহণের তাওফিক) দান করুন, আর আপনাকে একটি মুসলিম সন্তান দান করুন। কিছু কিছু ফিকহি শাখাগত মাসআলায় এ (দেখাশোনা বা সান্ত্বনার) ক্ষেত্রে ইহুদি ও খ্রিষ্টানদের সাথে جار তথা প্রতিবেশীর শর্ত করা হয়। কিন্তু এই শর্ত আবশ্যকীয় কোনো শর্ত নয়, কারণ দেখাশোনা বৈধ হওয়ার যে কারণ বিবৃত হয়েছে, সেটি 'হারবি' না হলে প্রতিবেশী ও দূরে বসবাসকারী উভয়কেই অন্তর্ভুক্ত করে। আল্লামা হামাবি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ১০৯৮ হি.) 'আল-আশবাহ ওয়ান-নাযায়ের'- এর ব্যাখ্যাগ্রন্থে স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এই শর্তটি আবশ্যকীয় শর্ত নয়। বই: মুসলিম অমুসলিম সম্পর্ক লেখক: মুফতি উবাইদুর রহমান অনুবাদ: আবদুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

“কোনো আন্দোলন বিশেষত, কোনো বিপ্লব সম্পর্কে মতামত স্থির করার জন্যে তার নেতার মতবাদ ও বিশ্বাস জানা যে একান্ত জরুরী, তা বর্ণনা সাপেক্ষ নয়। এ ব্যাপারে অবহেলাকে সেই বৈধ মনে করতে পারে, যার কাছে ঈমান ও বিশ্বাসের কোনো গুরুত্ব নেই এবং যে কেবল রাজত্ব ও ক্ষমতাকেই ধর্ম ও ঈমান মনে করে।” -মাওলানা মঞ্জুর নোমানী রহিমাহুল্লাহ ইরানী ইনকিলাব: ইমাম খোমেনি ও শিয়া মতবাদ

কী আন্তর্জাতিক এক নেতৃত্ব হারাইলাম আমরা, একদিন বুঝবো, কিন্তু কেদেও লাভ হবে না।
কী আন্তর্জাতিক এক নেতৃত্ব হারাইলাম আমরা, একদিন বুঝবো, কিন্তু কেদেও লাভ হবে না।

রয়টার্স ইরানের সরকারী টেলিভিশনের বরাতে বলতেসে, আমেরিকার প্রত্যেক নাগরিক, চাই সে সিভিলিয়ান হোক অথবা সেনা- আমাদের বৈধ লক্ষবস্তুতে পরিণত হয়েছে। আজ থেকে আরো কয়েক দশক আগে "সাপের মাথা আমেরিকা" তত্ত্বের আবিষ্কারক বিন লা//দেন রহি. এর চিন্তা ও কর্মপদ্ধতির সাথে মিলে কিনা জানায়েন। ইরান তার স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থের উপর আঘাত আসার পর এই কথা বলছে। ইসলামের "ওয়ান উম্মাহ ওয়ান বডি" নীতির উপর ভিত্তি করে সেক্যুলার ও জায়ন/বাদী কাফির টেররিস্ট আমেরিকার মুসলিম বিরোধী আগ্রাসনের কারণেও একই কথা তিনি বলেছিলেন অনেক আগে। #secularistterrorism #doyoucondemnshariah ©আব্দুল্লাহ হাশেম ভাই

আল-শাবাব জিহাদিদের প্রকাশিত একটি নতুন ১০ মিনিটের ভিডিওতে দক্ষিণ সোমালিয়ার শাবেল প্রদেশের ওয়ারঘাদা এলাকায় একটি সরকারি ঘাঁটিতে হামলার চিত্র দেখানো হয়েছে, যার সাথে গাজায় ধ্বংসযজ্ঞের ফুটেজ এবং ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিবৃতি রয়েছে। ভিডিওটি শুরুতে ওসামা বিন লাদেনের বক্তৃতা দিয়ে শুরু হয় এবং তারপর আল-শাবাবের একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে গিয়ে দেখা যায় যেখানে যোদ্ধারা "জেরুজালেমকে ইহুদী ধর্মে পরিণত করতে দেওয়া হবে না", "গাজা মুসলমানদের সম্মান," এবং "আমেরিকা ততদিন পর্যন্ত শান্তিতে থাকার কল্পনাও করতে পারবে না, যতদিন না ফিলিস্তিনে শান্তিতে বসবাস করতে পারছি। (এটা শায়খ ওসামা রহিমাহুল্লাহ এর ঐতিহাসিক বাণী) এই সমস্ত স্লোগান সম্বলিত পোস্টার প্রদর্শন করা হয়। শাবাবের অন্যতম নেতা আবু আব্দুল রহমান মাহদ ওয়ারসামি হাফিজাহুল্লাহ বলেছেন যে আল-শাবাব ফিলিস্তিনকে ভুলে যায়নি এবং তার আল কুদুস কে বিজয় করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।

কাতার ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করে যখন হাজার কোটি নষ্ট করলো বলে আমরা বলেছিলাম তখন আমার বন্ধু মফিজ জিওপলিটিক্সের মাধ্যকে বড় বড় প্রবন্ধ ফেদে ছিলো, কাতারের এই বিশ্বকাপের মাধ্যমে ইসলাম ও মুসমানের কত কত ফায়দা হয়েছে। এখন সে আমাকে ইহুদিদের দালাল বলে গালি দিচ্ছে আর বলছে, আরবের সব শাসকরা, আরবের সুন্নিরা শুধু ভোগবিলাসে লিপ্ত!

লেখেছেন সাংবাদিক মাহফুজ খন্দকার অপ্রিয় সত্য- ভারতের পক্ষ হয়ে কাশ্মীরের সাথে ইরানের বিশ্বাসঘাতকতা ১৯৯৪ সালে পাকিস্তান ওআইসি-এর মাধ্যমে জাতিসংঘে কাশ্মীরিদের পক্ষে একটি প্রস্তাব তুলতে যাচ্ছিল। এতে কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানানো হতো। এই প্রস্তাব পাস করাতে হলে ওআইসি-র সব সদস্য দেশের সম্মতি প্রয়োজন ছিল। যে কোনো একটি দেশের ‘না’ মানেই পুরো প্রস্তাব বাতিল। ভারত এই সুযোগ কাজে লাগায়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিমা রাও অসুস্থ পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিনেশ সিংহকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে বিশেষ বিমানে ইরানে পাঠান। তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট রাফসানজানি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভেলায়াতির সঙ্গে দেখা করে অনুরোধ জানান, কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের প্রস্তাবে যেন ইরান আপত্তি তোলে। মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই ইরান জানায়, তারা প্রস্তাবে একমত নয়। জেনেভায় UNHRC অধিবেশনে ইরান আপত্তি তুলতেই ওআইসি-র সর্বসম্মতির নিয়ম অনুযায়ী প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। পাকিস্তান অপমান এড়াতে প্রস্তাব প্রত্যাহার করে। এই ঘটনাকে কাশ্মীরপন্থীরা “ইরানের ছুরি পিঠে মারা” বলে অভিহিত করে। ইরানের এই অবস্থান কেবল একটিমাত্র প্রস্তাব থামায়নি, বরং কাশ্মীরের আত্মনিয়ন্ত্রণের লড়াইকেও বহু বছর পেছনে ঠেলে দেয়। আজ সেই ভারত পুরো দমে ইরানের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। ভারতীয়রা রীতিমতো উৎসব করছে ইরানে হামলার ঘটনায়। আফসোস...। নোট : অনেকে মনে করে তখন ইরানের ক্ষমতা অন্যের হাতে ছিলো। বিষয়টি তেমন না। ১৯৭৯ সালে বিপ্লবের পর থেকে ইরানের নেতৃত্ব খোমেনির হাতেই। প্রথম ১০ বছর বিপ্লবের নেতা রুহুল্লাহ খোমেনী নেতৃত্ব দিয়েছেন, তার মৃত্যুর পর ১৯৮৯ থেকে আলী খোমেনী নেতৃত্বে আছেন। সূত্র : https://www.milligazette.com/news/7-analysis/333-how-iran-saved-india-in-1994-kashmir-un-voting/?fbclid=IwY2xjawLDopVleHRuA2FlbQIxMQABHpRcCA4QlA6jwE1ZBH7-IH6IV5Mn1K7WnPSQzP_Y7V066ZkYpVaktf-j3hvA_aem_mNLKuRffwGxS999nh5c07Q

লেখেছেন সাংবাদিক মাহফুজ খন্দকার অপ্রিয় সত্য- ভারতের পক্ষ হয়ে কাশ্মীরের সাথে ইরানের বিশ্বাসঘাতকতা ১৯৯৪ সালে পাকিস্তান ওআইসি-এর মাধ্যমে জাতিসংঘে কাশ্মীরিদের পক্ষে একটি প্রস্তাব তুলতে যাচ্ছিল। এতে কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানানো হতো। এই প্রস্তাব পাস করাতে হলে ওআইসি-র সব সদস্য দেশের সম্মতি প্রয়োজন ছিল। যে কোনো একটি দেশের ‘না’ মানেই পুরো প্রস্তাব বাতিল। ভারত এই সুযোগ কাজে লাগায়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পি ভি নরসিমা রাও অসুস্থ পররাষ্ট্রমন্ত্রী দিনেশ সিংহকে হুইলচেয়ারে বসিয়ে বিশেষ বিমানে ইরানে পাঠান। তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট রাফসানজানি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভেলায়াতির সঙ্গে দেখা করে অনুরোধ জানান, কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের প্রস্তাবে যেন ইরান আপত্তি তোলে। মাত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই ইরান জানায়, তারা প্রস্তাবে একমত নয়। জেনেভায় UNHRC অধিবেশনে ইরান আপত্তি তুলতেই ওআইসি-র সর্বসম্মতির নিয়ম অনুযায়ী প্রস্তাব বাতিল হয়ে যায়। পাকিস্তান অপমান এড়াতে প্রস্তাব প্রত্যাহার করে। এই ঘটনাকে কাশ্মীরপন্থীরা “ইরানের ছুরি পিঠে মারা” বলে অভিহিত করে। ইরানের এই অবস্থান কেবল একটিমাত্র প্রস্তাব থামায়নি, বরং কাশ্মীরের আত্মনিয়ন্ত্রণের লড়াইকেও বহু বছর পেছনে ঠেলে দেয়। আজ সেই ভারত পুরো দমে ইরানের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছে। ভারতীয়রা রীতিমতো উৎসব করছে ইরানে হামলার ঘটনায়। আফসোস...। নোট : অনেকে মনে করে তখন ইরানের ক্ষমতা অন্যের হাতে ছিলো। বিষয়টি তেমন না। ১৯৭৯ সালে বিপ্লবের পর থেকে ইরানের নেতৃত্ব খোমেনির হাতেই। প্রথম ১০ বছর বিপ্লবের নেতা রুহুল্লাহ খোমেনী নেতৃত্ব দিয়েছেন, তার মৃত্যুর পর ১৯৮৯ থেকে আলী খোমেনী নেতৃত্বে আছেন। সূত্র : https://www.milligazette.com/news/7-analysis/333-how-iran-saved-india-in-1994-kashmir-un-voting/?fbclid=IwY2xjawLDopVleHRuA2FlbQIxMQABHpRcCA4QlA6jwE1ZBH7-IH6IV5Mn1K7WnPSQzP_Y7V066ZkYpVaktf-j3hvA_aem_mNLKuRffwGxS999nh5c07Q

আমার বন্ধু মফিজের চূড়ান্ত সিন্ধান্ত এটাই, শেখ হাসিনা কখনোই বাংলাদেশের মুসলমানের প্রতিনিধি নয়। সে তো একটা স্বৈরাচার। ভালো লাগলো বন্ধুর এমন কঠোর অবস্থান দেখে। কিন্তু... . ইরান আক্রমণ করার পর থেকেই বন্ধু এটা বলে ফেসবুক গরম করছে, আরবের সুন্নি শাসকগুলোই হলো আরবের সুন্নি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি।

হাজীদেরকে ইস্তিকবাল (অভ্যর্থনা) করুন এবং তাদের থেকে দুআ নিন হযরত উমর র. বলেছেন, "হজ আদায়কারী এবং যার জন্য সে দোয়া করে, তাদের উভয়কে ক্ষমা করে দেওয়া হয়—হজের কাজ শেষ হওয়ার পর যিলহজ্বের অবশিষ্ট দিনসমূহ, মহররম, সফর এবং রবিউল আওয়াল মাসের প্রথম দশ দিন পর্যন্ত।" - মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা (নতুন সংস্করণ: হাদীস নং ১২৮০০) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "হজ পালনকারীর সঙ্গে যখন তোমাদের সাক্ষাৎ হয়, তাকে সালাম দাও, মুসাফাহা করো এবং তাকে বলো—সে যেন বাড়ি ফিরে যাওয়ার আগেই তোমাদের জন্য দোয়া করে। কেননা সে ব্যক্তি আল্লাহর পক্ষ থেকে ক্ষমাপ্রাপ্ত।"- মুসনাদে আহমদ (৫৩৭১) তাবেয়ী হাবীব ইবনে আবী ছাবিত (রহ.) বলেছেন, "আমরা কাদসিয়া নামক স্থানে হাজীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতাম, মুসাফাহা করতাম এবং (দোয়ার আশায়) তাদের বাড়ি পৌঁছার আগেই দেখা করতাম।"- মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা (হাদীস ১২৭৯৬) হযরত উমর (র) -এর অন্য এক বর্ণনায় বলা হয়েছে, "তোমরা হজ্ব ও উমরাহ পালনকারী এবং মুজাহিদদের নিকট দোয়া চাও, তারা বাড়ি পৌঁছার আগেই।" #হজ ©মাওলানা রাশেদ জাবিন হাফিজাহুল্লাহ

কেনো শিয়াদের আকিদাগুলো, তাদের পিছনের ইতিহাস—আহলুস সুন্নাহকে হত্যা, ইহুদি খ্রিস্টানের সাথে বন্ধুত্বের ইতিহাস তুলে ধরা এই সময়েও
কেনো শিয়াদের আকিদাগুলো, তাদের পিছনের ইতিহাস—আহলুস সুন্নাহকে হত্যা, ইহুদি খ্রিস্টানের সাথে বন্ধুত্বের ইতিহাস তুলে ধরা এই সময়েও জরুরি, তা এই একটি পোষ্ট থেকেই স্পষ্ট। একদল মানুষ এই সুযোগে অসংখ্য মানুষকে শিয়া সিম্প বানাবে এইধরনের কথাগুলো বলেই। আর এমন অসংখ্য মানুষ পিছনের বাস্তবতা না জেনে ধোকার শিকার হচ্ছে। . সুতরাং শিয়াদের পিছনের ইতিহাসগুলোও আলোচনাগুলোও এখন সমানভাবে চালু রাখা অত্যন্ত জরুরি।

চরমোনাইয়ের পীর সাহেব কইতেছেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য কেউ যদি ভোট দেয় তার ঈমান চইলা যাইবো। আর তার দলের ফজলুল করিমরা বলতেছে, ইসলামের সাথে গণতন্ত্রের কোনো হার্থক্য নাই। এটা শুধুই ক্ষমতা বদলের মাধ্যম। . সাধারণ জনগণ কোথায় যাবে? এখানে কে সঠিক আর কে পথভ্রষ্ট, কীভাবে ঠিক হবে?