es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 329 suscriptores, ocupando la posición 7 901 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 063 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 329 suscriptores.

Según los últimos datos del 28 agosto, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 67, y en las últimas 24 horas de -8, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 15.07%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 5.70% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 1 708 visualizaciones. En el primer día suele acumular 646 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 35.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 29 agosto, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 329
Suscriptores
-824 horas
+157 días
+6730 días
Archivo de publicaciones
photo content

আজ মাগরিব থেকে হিজরী নববর্ষ শুরু হতে পারে : ১ মুহাররম ১৪৪৮ হিজরী “সাহাবায়ে কেরাম নতুন মাস বা নতুন বছর শুরুর এ দুআটি তেমন গুরুত্ব দিয়ে শিখতেন, যেভাবে কুরআনুল কারিম শিখতেন।" اَللّٰهُمَّ أَدْخِلْهُ عَلَيْنَا بِالْأَمْنِ وَالْإِيْمَانِ وَالسَّلَامَةِ وَالإِسْلَامِ وَجِوَارٍ مِنَ الشَّيْطَانِ وَرِضْوَانٍ مِنَ الرَّحْمٰن হে আল্লাহ! আপনি আমাদের মাঝে এ মাস/বছরের আগমন ঘটান- শান্তি ও নিরাপত্তা এবং ইমান ও ইসলামের (উপর অবিচলতার) সাথে; শয়তান থেকে সুরক্ষা ও দয়াময় আল্লাহর সন্তুষ্টির সাথে। ©মাওলানা জাহিদ

দুইটা বোমা প্রিন্ট করালামা। . বামেরটি হলো বানুরীটাউনের শান অসংখ্য আলেম ও মু*জা*হি*দদের উস্তাদ হযরত মাওলানা ফজল মুহাম্মদ ইউসুফ
দুইটা বোমা প্রিন্ট করালামা। . বামেরটি হলো বানুরীটাউনের শান অসংখ্য আলেম ও মু*জা*হি*দদের উস্তাদ হযরত মাওলানা ফজল মুহাম্মদ ইউসুফজায়ী হাফিজাহুল্লাহের লেখা। লেখাটি মূলত পাকিস্তানের এক আহলে হাদিস আলেম হাফেজ যুবায়ের রদে লেখা। সেই আলেম বর্তমান পৃথিবীর মু***দদের উপর বেশ কিছু ভিত্তিহীন আপত্তি করেন। সেগুলোর জবাবে হযরত কিছু কথা লেখেন, যেখানে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে, যেগুলো বলার কারণে আমরা দেশের বহু ভাইদের কাছে বহু কিছু হয়ে বসে আছি! . আর দ্বিতীয়টি হলো আরো বড় বোমা। যাহেদ সিদ্দিক মোগল সাহেব হলেন বর্তমানে ইলমে কালামের একজন বিশেষজ্ঞ আলেম। আর মুতাকাল্লিম ওলামায়ে কেরাম যখন কোনো বিষয়ে কলম ধরেন তখন কী হয় তা তো যারা মুতাকাল্লিমদের লেখা পড়েন তারা জানেন। খুরুজ বিষয়ক এত চমৎকার একটি লেখা! যা বহু প্রশ্নের তৃপ্তিদায়ক উত্তর দেয়। এমন আন্দাজে লেখা এখনো পর্যন্ত নজরে পড়েনি। বিশেষত, খুরুজ নিয়ে প্রসিদ্ধ আপত্তিগুলোর জবাব ইলমি ও যুক্তির আলোকে তুলে ধরার আন্দাজটি ছিলো বেশ চমৎকার। যা অনেক বিষয়ের বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। . লেখা দুটো নিয়ে কিছু পরিকল্পনা আছে। দোয়া চাই।

রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন «وَأَنَا آمُرُكُمْ بِخَمْسٍ: بِالْجَمَاعَةِ، وَالسَّمْعِ وَالطَّاعَةِ، وَالْهِجْرَةِ، وَالْجِهَادِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ» অর্থঃ “আমি তোমাদেরকে পাঁচটি বিষয়ের নির্দেশ দিচ্ছি: জামাআত, শ্রবণ ও আনুগত্য, হিজরত এবং আল্লাহর পথে জিহাদ।” (জামে তিরমিযী) প্রখ্যাত আলেম হযরত মাওলানা কারী মুহাম্মাদ তৈয়্যব রহমাতুল্লাহি আলাইহি আকিদাতুত তহাবীর শেষাংশে পরিশিষ্টে ইসলামী রাজনীতি বিষয়ক আলোচনায় এ হাদীসকে ইসলামী রাজনীতির মৌলিক ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং একে «أصل السياسة خمسة» বলে আখ্যায়িত করেছেন। অর্থাৎ ইসলামী সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার মূল স্তম্ভ পাঁচটি,জামাআত, নেতৃত্বের আনুগত্য, হিজরত, জিহাদ এবং উম্মাহর ঐক্যবদ্ধ শৃঙ্খলা। এ প্রেক্ষাপটে মাওলানা মামুনুল হক সাহেব যখন বলেন, “আমাদের العقيدة الجهادية ঠিক করতে হবে”, তখন এটিকে কোনো নতুন পরিভাষা বা বিচ্ছিন্ন মতবাদ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ ইসলামের মৌলিক শিক্ষাতেই জিহাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যেমনটি উপরোক্ত হাদীসে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ হয়েছে। জিহাদ সম্পর্কে সঠিক আকীদা ও সঠিক ধারণা না থাকলে ইসলামের সামষ্টিক জীবন, উম্মাহর দায়িত্ববোধ, ত্যাগ-কুরবানির চেতনা এবং দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম সম্পর্কেও সঠিক উপলব্ধি তৈরি হয় না। যার কারণে হযরত মাওলানা কারী তৈয়ব রহমাতুল্লাহি আলাইহি তিনি আকিদার সাথে এই বিষয়টাকে জুড়ে দিয়েছেন। অতএব, জিহাদ সম্পর্কে বিশুদ্ধ আকীদা, সঠিক ফিকহ এবং শরঈ সীমারেখার জ্ঞান অর্জন করা মুসলমানদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ইসলামের সামষ্টিক ব্যবস্থার ভিত্তি গঠনকারী বিষয়গুলোর মধ্যে জিহাদও একটি মৌলিক উপাদান, যা রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর নির্দেশিত পাঁচটি মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত। মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সাহেব

শাফেয়ে মাযহাবের বক্তব্য হলো গায়রে মুহসিন বা অবিবাহিত যদি যিনা করে তাহলে তার শাস্তি হলো দোররা এবং একবছরের দেশান্তর। তবে হানাফিদের বক্তব্য হলো, দেশান্তর এটা শরীয়ত নির্ধারিত শাস্তি নয় বরং ইমাম বা রাষ্ট্র প্রধান চাইলে তা দিতে পারবেন। তবে হানাফিরা দেশান্তরের শাস্তিকে একটি সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে। এটার কারণ যাইলায়ি রহিমাহুল্লাহ চমৎকার লেখেছেন। বিশেষত অভিজ্ঞতা থেকে এটা গুরুত্বপূর্ণই মনে হয়, পরিচিতজনদের থেকে দূরে থাকলে অনেকে আরো বেপরোয়া হয়ে যায়। «تبيين الحقائق شرح كنز الدقائق وحاشية الشلبي» (3/ 174): ولأن في التغريب تعريضا لها على الزنا لأنها إذا تباعدت عن العشائر والأقارب ارتفع الحياء وإذا نزلت في الرباطات أو الخانات أحوجها انقطاع مواد المعاش إلى اتخاذ الزنا مكسبه لارتفاع الاستحياء من المعارف وهو أقبح وجوه الزنا لأنه يقع جهرا لكونه ناشئا عن وقاحة ومع العشائر إن وقع يقع خفية ومكتوما لكونه ناشئا عن استحياء ولهذا قال علي رضي الله عنه كفى بالنفي فتنة দ্বিতীয়ত হাদিসে যে দেশান্তরের কথা উল্লেখ হয়েছে, তার জন্য শব্দ ব্যবহার হয়েছে তাগরিব। তাগরিবের একটি অর্থ বন্দিও হয়। তাই ফখরুদ্দিন যাইলায়ীর বক্তব্য হলো, যদি তাগরিবের শাস্তি দেওয়াই লাগে তাহলে দেশান্তর না করে বরং বন্দি করে রাখাই বেশি উত্তম। তিনি লেখেন, «تبيين الحقائق شرح كنز الدقائق وحاشية الشلبي» (3/ 174): قال رحمه الله (ولو غرب بما يرى صح) أي لو غرب الإمام الجاني بما يرى من التغريب جاز لما ذكرنا وقال في النهاية المراد بالتغريب الحبس قال الشاعر ومن يك أمسى بالمدينة رحله … فإني وقيار بها لغريب أي لمحبوس و هو أحسن وأسكن للفتنة من نفيه إلى إقليم آخر لأنه بالنفي يعود مفسدا كما كان

একটা আকিদা সংশোধন হওয়া লাগবে, চাই সে হানাফি হোক, সালাফি হোক, সুন্নী হোক বা যেই হোক। মাওলানা মামুনুল হক

যিনার আয়াতে প্রথমে নারীদের বিষয়টি কেনো উল্লেখ হলো, এই বিষয়ে হানাফী ফকিহ ফাখরুদ্দিন যাইলায়ী রহিমাহুল্লাহ লেখেন, «تبيين الحقائق شرح كنز الدقائق وحاشية الشلبي» (3/ 169): وقدمت الزانية بالذكر لأنها هي المادة في هذه الجناية إذ لو لم تطمعه ولم تمكنه لم يطمع ولم يتمكن أو لأن الفاحشة منهن أكثر لغلبة شهوتهن وقلة دينهن وعدم حفظهن للمروءة নারীবাদীরা তো ক্ষেপবোই, নারীবাদী কিছু যোয়ান হুজুররাও এগুলো দেখলে ক্ষেপবো। যে ক্ষেপবে সে যেনো আরো ক্ষেপে।

ভাগিনা মাওলানা তামিম এই কাজে নেমেছে। তার জন্য শুভ কামনা রইলো।
ভাগিনা মাওলানা তামিম এই কাজে নেমেছে। তার জন্য শুভ কামনা রইলো।

সেনাবাহিনীর নুসরা নিয়ে এভাবেই খেলাফত কায়েম করবে এই ভাইরা! কওমী মাদরাসায় অনেক সমস্যা আছে। কিন্তু ভাইয়ের কাছে কওমী মাদরাসা হলো
সেনাবাহিনীর নুসরা নিয়ে এভাবেই খেলাফত কায়েম করবে এই ভাইরা! কওমী মাদরাসায় অনেক সমস্যা আছে। কিন্তু ভাইয়ের কাছে কওমী মাদরাসা হলো একটা সেকুলার প্রতিষ্ঠান। যা খিলাফত শিখায় না। শিখায় গণতন্ত্র! বুঝতেছেন তো ভাই! এই লেখক নিয়ে ভাইদের আবেগ দেখলে অবাক!

ইবনে তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ বলেন, «مجموع الفتاوى» (8/ 217): وهذا الذي في فرعون وإبليس غاية الظلم والجهل، وفي نفوس سائر الإنس والجن شعبة من هذا، وهذا إن لم يعن الله العبد ويهده وإلا وقع في بعض ما وقع فيه فرعون وإبليس بحسب الإمكان، قال بعض العارفين: ما من نفس إلا وفيها ما في نفس فرعون، إلا أنه قدر فأظهر، وغيره عجز فأضمر. প্রত্যেক মানুষের অন্তরেই ফিরআউনের স্বভাবের কিছু না কিছু অংশ লুকিয়ে থাকে। তবে পার্থক্য হলো, ফিরআউন ক্ষমতা পেয়েছিল বলে তা প্রকাশ করতে পেরেছিল; আর অন্যরা ক্ষমতা না পাওয়ায় তা অন্তরে গোপন রেখেছে।

সারাদিন রাত দেওবন্দীদের সমালোচনা করা যায়, সবার অধিকার আছে করার কিন্তু দিনশেষে এটা ইনসাফপরায়ণ সবাই এটার স্বীকৃতি দিতে বাধ্য যে দেওবন্দ বর্তমান মুসলিম দুনিয়ার সবথেকে সফল ও প্রভাবশালী আন্দোলন। আপনি তাদের জ্ঞানচর্চা, রাজনীতি, তাযকিয়া সব জায়গায় অসাধারণ সফলতার চূড়ায় দেখতে পাবেন। সামান্য ডালিম গাছের গোড়া থেকে একজন তালিবে ইলম নিয়ে শুরু হওয়া এক ছোট্ট মাদ্রাসা আজ পৃথিবীর সবথেকে সফল ও প্রভাবশালী মুসলিম আন্দোলন। কী নেই তাদের? সব আছে। জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ, উপমহাদেশের সকল আলেমদের একটা নেটওয়ার্কে সেন্ট্রালাইজ করে রাখার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। কে তৈরি করেছে? দেওবন্দ। তাবলিগ জামাত, সাধারণ মুসলমানদের দ্বীন শেখানোর জন্য তৈরি এই আন্দোলন আজ পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষকে সাথে নিয়ে চলছে। এটা কারা তৈরি করেছে? দেওবন্দ। অল ইন্ডিয়া মুসলিম পার্সোনাল ল বোর্ড যেখানে আইনিভাবে মুসলমানদের অধিকারের কথা বলা হয়। কারা তৈরি করেছে? দেওবন্দ। পৃথিবীর বুকে লক্ষ লক্ষ কওমি মাদ্রাসা যেখান থেকে কোটি কোটি কুরআনের হাফেজ বের হয় ও হচ্ছে। কারা তৈরি করেছে? দেওবন্দ। আফগানে আল্লাহর পথে পরাশক্তির সাথে জিহাদ করে ইমারাহ প্রতিষ্ঠা করে রাষ্ট্র পরিচালনা কারা করছে? দেওবন্দীরা। বুদ্ধিবৃত্তিক গবেষণামূলক কাজের জন্য তৈরি করা বিশাল নাদওয়াতুল মুসান্নিফীন কাদের? দেওবন্দীদের। খেলাফত পুনরুদ্ধারের তাহরিক ই রেশমি রুমাল আন্দোলন কারা করেছিল? দেওবন্দীরা। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে ভারতের বুকে ৫০ হাজার রক্তাক্ত গলাকাটা লাশ কাদের রাস্তার পাশের গাছগুলোতে ঝুলে ছিল? দেওবন্দীদের। ইউরোপের মুসলমানদের শরয়ী অধিকার আদায়ের জন্য তৈরি ইসলামিক শরিয়া কাউন্সিল কাদের? দেওবন্দীদের। আর কত কত শাখা সংগঠন ও সফল আন্দোলন আছে তাদের বলে শেষ করা যাবে না। এই সফলতা গত ৫০০ বছরে আর কোনো আন্দোলনের ক্ষেত্রে কি দেখানো সম্ভব? সম্ভব না। . কপি

"উমরের রবের কসম, তুমি মিথ্যা বলেছ! নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো বান্দাকে তার প্রথম পাপের কারণে এভাবে মানুষের সামনে সোপর্দ করেন না।"— হযরত উমর (রা.) [মুসনাদুল ফারুক লি-ইবনে কাছির] . এক চোর যখন খলিফা উমর (রা.)-এর দরবারে ধরা পড়ে দাবি করেছিল যে সে জীবনে প্রথমবার চুরি করেছে, তখন আমীরুল মুমিনীন এই ঐতিহাসিক কথাটি বলেছিলেন। পরে প্রমাণিত হয়েছিল যে লোকটা আগেও বহুবার চুরি করেছিল। এই উক্তিটি আমাদের এক বিরাট বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করায়। আমরা অনেক সময় ভাবি—আমি খুব চালাক, আমার গোপন গুনাহগুলো কেউ দেখছে না, বা আমি খুব সুন্দরভাবে নিজের ভুলগুলো আড়াল করতে পারছি। কিন্তু সত্যি বলতে, এটা আমাদের কোনো কৃতিত্ব নয়। এটা সম্পূর্ণ মহান আল্লাহর 'আস-সাত্তার' (দোষ গোপনকারী) গুণের কারণে। তিনি দয়া করে আমাদের প্রথম ভুলগুলো, প্রথম গুনাহগুলো মানুষের সামনে আনেন না। আমাদের তওবা করার সুযোগ দেন। কিন্তু মানুষ যখন বারবার একই ভুল করতে থাকে, গুনাহকে অভ্যাস বানিয়ে ফেলে এবং অহংকারী হয়ে ওঠে, তখন আল্লাহ সেই আড়াল বা পর্দা সরিয়ে নেন। মহান আল্লাহ আমাদেরকে সীমালঙ্ঘন থেকে হেফাজত করুন

সেনাপ্রধানের দাঁড়ি নিয়ে পুরো উম্মাহের আবেগ একদিকে আর হিযবুত তাহরিরের ভাইদের আবেগ আরেকদিকে। তাহরিরের এক ভাই তো এই দাঁড়ি দেখে, বাংলাদেশকে রীতিমতো ইয়াসরিবের সাথে তুলনা করে ফেলছে! ভাইরে ভাই! খেলাফতের নুসরা আপকামিং! কোন লেভেলের ডার্ক কমেডি যে দুনিয়াতে আছে, তা এগুলো না দেখলে বুঝা কঠিন!

বাংলাদেশের সেনাপ্রধানের দাড়ির ছবি নিয়ে হিযবুত তাহরিরের এক ভাই পোষ্ট দিছে, "এদেশের সামাগ্রিক পরিবেশ ইয়াসরিবের মত" । ইয়াসরিব মানি বুইজ্জেননি? ইয়াসরিব মানি হইলো মদিনা। কোন মদিনা জানেন? রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগের মদিনা। . এগুলো দেখতেই ফেসবুকে আসি। একটা দল নিজেদের কোন লেভেলের কমেডিতে রূপান্তর করতেছে! আল্লাহগো আল্লাহ!

আফগানের খোশত প্রদেশে বিমান হামলা করেছে পাক বাহিনী। বিশের মত নারী ও ছোট শিশু মারা গেছে। পাকিস্তানের বাচ্চাগুলোর তাকদির কত ভালো। ওদের কিছু হলে আলেমদের চোখে পানি আসে। বড় বড় সম্পাদকীয়ের পাতায় রক্ত দিয়ে লেখা হয় দাস্তান। আর আফগানি বাচ্চাগুলো তো ভারতের দালাল। নিউক্লিয়ারধারী একটি ইসলামি বাহিনীর হাতে মৃত্যু তো সৌভাগ্যের।

বিভিন্ন শয়তান আর দেবদেবীর সিম্বলসহ পতাকা উড়ছে আশপাশে। পুরো দেশে। এর থেকে বাঁচতে রুকইয়া হিসেবে কালিমার পতাকাও খুব বেশি মনে হয় উড়ানো যাইতে পারে। বাকি যেকোনো ঔষধেরই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। সেটার কারণে তো আর ঔষধ খাওয়া বন্ধ করা যাবে না। . রোগ থেকে বাচার জন্য এগুলো করা যাইতেই পারে, যাদের অন্তরে দেবদেবী ও কু*ফ*রের প্রতিকি বহন করা পতাকা দেখলে ঈমানি রোগ হয়, তারা ঔষধ ও যার যার শক্তি হিসেবে যেকোনো কিছুই গ্রহণ করতে পারেন। ঔষধের জন্য কখনো কখনো অনেক হারামও হালাল হয়ে যায়। কী কন।

গেন্ডিয়া যদি এই অঞ্চলের হিজ্রাইল হয় তাহলে পাকিস্তান এই অঞ্চলের মিশর। এই সহজ হিসেবটা বুঝা অত্যন্ত জরুরী।

অনৈসলামী সরকারগুলোর মতো ইসলামী সরকার কেবল 'সামষ্টিক ইচ্ছা'র (General Will) অনুগামী হয় না, বরং এটি সামষ্টিক ইচ্ছাকে সঠিক পথের দিশা দেখায়। কারণ জনগণের ইচ্ছাই ইসলামী সরকারের অস্তিত্বের প্রকৃত কারণ নয়, বরং এর মূল উৎস ইসলামী আইন। সরকার সেই আইনেরই অনুগত থাকে; কোনো ব্যক্তিগত বা সামষ্টিক আকাঙ্ক্ষার কাছে বন্দী হয় না। ধরা যাক, কোনো এক জনপদের সব মানুষ তাদের শাসকের ওপর প্রচণ্ড অসন্তুষ্ট, কিন্তু সেই শাসকের মধ্যেই কেবল দেশ পরিচালনার সঠিক যোগ্যতা রয়েছে এবং তিনি ইসলামী মূলনীতি অনুযায়ী শাসন পরিচালনা করছেন-তবে সেই জনগণের দায়িত্ব থাকে তাঁকেই নিজেদের শাসক হিসেবে মেনে নেওয়া; যদিও সেটা তাদের ব্যক্তিগত মর্জির বিরোধী হয় না কেন। একইভাবে যদি কোনো জনপদের এক হাজার মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে কোনো ইসলামী আইন ভেঙে ফেলতে চায়, তবে ইসলামী সরকার সরকার' হিসেবে সেই আইন কার্যকর রাখবে এবং সামষ্টিক চাওয়ার দোহাই দিয়ে তাতে কোনো পরিবর্তন আনবে না। . সিয়াসাত বিষয়ে প্রকাশিতব্য একটি বইয়ের পাণ্ডুলিপি থেকে। শীঘ্রই আসবে চেতনা প্রকাশন থেকে

জামাতে ইসলামকে দল হিসেবে কওমী বিদ্বেষী বলে ছোট করাটা ঠিক না। এটা তাদের প্রতি অন্যায়। তাদেরকে বলতে হবে “আলেম বিদ্বেষী”। অর্থাৎ তাদের প্রদত্ত যেই মডার্ন ফিলোসোফি, এর বাহিরে দুনিয়ায় যেই আলেমই বলবে, সেই জামাতের ভাইদের কাছে মূর্খ। বাকী শিয়াদের মহব্বতকারী জামাতের ভাইদের মধ্যে যেহেতু তাকিয়া, যার আধুনিক ভার্সন গুপ্ত, প্রচুর পরিমানে আছে, সেই হিসেবে তা অনেকে বুঝতে পারে না।

আগামীকালের রোজা খুবই ফাজিলপূর্ণ। যথাসাধ্য তা যেনো আমাদের কারো থেকে না ছুটে যায়, সেই বিষয়ে চেষ্টা করি। একটু হিম্মত করলেই হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। এই রোজার ফজিলত সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- صِيَامُ يَوْمِ عَرَفَةَ، أَحْتَسِبُ عَلَى اللهِ أَنْ يُكَفِّرَ السّنَةَ الّتِي قَبْلَهُ، وَالسّنَةَ الّتِي بَعْدَهُ. আরাফার দিনের (নয় যিলহজ্বের) রোযার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে প্রত্যাশা করি যে, (এর দ্বারা) আগের এক বছরের এবং পরের এক বছরের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১১৬২