ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 290 مشتركاً، محتلاً المرتبة 8 155 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 033 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 290 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 21 يونيو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 76، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -3، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 18.18‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 7.96‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 2 052 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 899 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 49.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 22 يونيو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 290
المشتركون
-324 ساعات
+387 أيام
+7630 أيام
أرشيف المشاركات
ইমারতে ইসলামি আফগানিস্তানের সরকার ভবন নির্মাণ নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। সেখানে ভবন নির্মাণের জন্য সরকারি অনুমতিপ্রাপ্তির পাশাপাশ
ইমারতে ইসলামি আফগানিস্তানের সরকার ভবন নির্মাণ নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। সেখানে ভবন নির্মাণের জন্য সরকারি অনুমতিপ্রাপ্তির পাশাপাশি দারুণ একটা নীতিমালা জুড়ে দেয়া হয়েছে। কেউ যদি নতুন করে কোনো ভবন নির্মাণ করতে চায়, তাহলে তাকে অবশ্যই স্থানীয় মসজিদের ইমামের প্রত্যয়ন পত্র দেখাতে হবে। ইমাম যদি তার ব্যাপারে পজিটিভ মতামত ব্যক্ত করে, তাহলেই কেবল সে ঐ এলাকায় বাড়ি নির্মাণ করতে পারবে। সুবহানাল্লাহ! সেক্যুলার রাষ্ট্রে যিল্লতির জীবন নিয়ে বসবাস করা আমাদের মতো হুজুররা কীভাবে বুঝবে ইমামকে কীভাবে মূল্যায়ন করতে হয়? ইমাম মানে নেতা, ইমারতে ইসলামি সেটা বাস্তবে প্রয়োগ করে দেখাচ্ছে। নেতাকে নেতা হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত করেছে। এবার পারলে নামাজে না এসে চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়ে দেখো, জুমার বয়ানে একটু সময় বেশি নিয়ে ফেললে খতিব সাহেবকে ঝাড়ি মেরে দেখো। হে আল্লাহ! আপনি আমাদেরকেও এমন সম্মানের জীবন দান করুন। লাঞ্ছনা থেকে মুক্ত করুন।

অনলাইনে লাইভে এসে এই বান্দর বক্তা রুজু করেছে সেখানে এক ভাইয়ের প্রশ্ন আর ইসলামের নাম ব্যবহারকারী এক বক্তার উত্তর! . এদেরকে স্ট
অনলাইনে লাইভে এসে এই বান্দর বক্তা রুজু করেছে সেখানে এক ভাইয়ের প্রশ্ন আর ইসলামের নাম ব্যবহারকারী এক বক্তার উত্তর! . এদেরকে স্টেজে উঠতে দেওয়া হয় কীভাবে? এর থেকে এদেশের মুসলমানকে রক্ষাকারী কেউ কী নাই?

কোনো "যদি" ও "কিন্তু" ছাড়া এই বাজারি বক্তার ক্ষমা চাইতে হবে! কত বড় খবিস! সাহাবায়ে কেরাম, বিশেষ করে হযরত আলী রা.-এর মত সম্মানিত সাহাবীর শানে এমন নিকৃষ্ট উপমা দিতে পারে! . কোনো আশেকে আলী বা সাহাবায়ে কেরাম এই বান্দর বক্তাকে ধরে উত্তম মাধ্যম দিলে এর দায়ভার আমার নয়। আমার উদ্দেশ্য শুধু এই খবিস যেনো তাওবা করে। অন্যথায় যে এলাকায় তার মাহফিল থাকবে সেখানের ওলামায়ে কেরাম তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন।

"আমি ইতোপূর্বে কখনো ভোট দেইনি আর বর্তমানেও ভোট দিচ্ছি না এবং ভবিষ্যতেও কখনো ভোট দেবো না। আমি কখনো ভোট দেইনি। আমার এ কথা মিথ্যা মনে হলে, কোনো মায়ের বেটা প্রমান করুক যে মাওলানা মনজুর ভোট দিয়েছিলো! আগে কখনো আমি ভোট দেইনি এবং ভবিষ্যতেও দেবো না, কোনোভাবেই দেবো না। আমাকে টুকরো টুকরো করলেও ভোট দেবো না। এমনিতেও এসব নির্বাচন করে মাওলানা ফজলুর রহমান বা মাওলানা ওবায়দুল্লাহ'রা কখনো প্রধানমন্ত্রী হতে পারবে না। ক্ষমতায় তারাই যাবে যাদেরকে আগেই গোপনে নির্ধারন করেছে (ডিপ স্টেট)। এসব নির্বাচনী সরকার নিয়ে আমাদের ফারসি বেলুচদের একটা প্রবাদ আছে যে, 'তারা নেকড়েকে বানিয়েছে রাষ্ট্রপতি, কুকুরকে বানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী আর ইদুরকে বানিয়েছে রাষ্ট্র চালানোর গাড়ী।" বক্তব্যঃ~ শাইখুল হাদিস মাওলানা মনজুর মেঙ্গল (হাফিঃ), পাকিস্তান। অনুবাদঃ~ Ahmed Ibn Rahman

সাইয়েদ নদভী রহ. বলেন: পশ্চিমা সভ্যতা হল 'নয়া ইরতিদাদ'। অর্থাৎ পুরো পশ্চিমা সভ্যতা স্বতন্ত্র দীন। আমরা মনে করি সুপারন্যাচারাল কনসেপ্ট না থাকলে তা ধর্ম না। অথচ ব্যক্তি যা ধারণ করে, তাই ধর্ম। কেউ প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম অস্বীকার করলে তার 'ধর্ম' হল ধর্মহীনতা। পশ্চিমা সভ্যতা সুপারন্যাচারালকে অস্বীকার করে, তাই 'ধর্ম' হওয়াটাও সে অস্বীকার করে। সে নিজেকে দাবি করে 'দর্শন' বা মতবাদ (ism) হিসেবে। আগেকার 'ধর্ম' আর এখনকার 'ধর্ম' শব্দদুটো এক না। আগে 'ধর্ম' মানেই ছিল তা পুরো জীবনকে প্রভাবিত করবে। ব্যক্তি-পরিবার-সমাজ-রাষ্ট্র-যুদ্ধ-অর্থ-বিচার সকল ক্ষেত্রে যেটার গুরুত্ব সর্বাগ্রে, সেটাই ধর্ম। ইউরোপে সেটা ছিল পোপতান্ত্রিক খৃষ্টবাদ। আমাদের জন্য সেটা ছিল ইসলাম। দীন মানে ধর্ম, এই বিচারে ততদিন অব্দি ঠিকই ছিল। দীন মানে জীবনব্যবস্থাপনা। ধর্ম ঠিক জীবনব্যবস্থাপনার কাজটাই করতো। রেনেসাঁ হিউম্যানিজমের উদ্ভবের পর থেকে ওহী-ধর্মের গুরুত্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লো। এনলাইটেনমেন্ট যুগে ব্যক্তিপরিসর বাদে বাকিসব ধর্মমুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হলো। ব্যক্তি চলবে চলুক ধর্ম দিয়ে। সমাজ-পরিবার-রাষ্ট্র-অর্থ-বিচার-যুদ্ধ এগুলো চলবে হিউম্যানিজম দিয়ে। সবার উপরে মানুষ, মানুষের কল্যাণ, মানবজনমের ভোগই সাফল্য। ধর্মকে বাদ দিয়ে কীভাবে এগুলো চলবে, কীসে সর্বোচ্চ কল্যাণ, তা বের করতে জন্ম নিল নানান মতবাদ (ism)। পরিবার চলবে : ব্যক্তিবাদ, ক্যারিয়ারিজম, নারীবাদ দিয়ে। সমাজ চলবে: ব্যক্তিবাদ, বিচ্ছিন্নবাদ দিয়ে। রাষ্ট্র চলবে: ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র দিয়ে। অর্থব্যবস্থা চলবে: পুঁজিবাদ, লিবারেল অর্থনীতি দিয়ে। বিচার চলবে: লিবারেল ইথিক্স ও মানবজ্ঞান দিয়ে। যুদ্ধ চলবে: দেশের জন্য, মতবাদের জন্য। এর কোনোটাতে কেউ ধর্ম নিয়ে এলে সে বর্বর, মধ্যযুগীয়, খ্যাত। ধর্ম যখন দীন ছিল, তখন এগুলো সবই ধর্ম দিয়ে চলতো। আজকের ধর্মগুলোকে দীন বললে সঠিক চিত্রটা সামনে আসে না। ইসলাম যেমন দীন। এই পশ্চিমা সভ্যতাও তেমন দীন। স্বতন্ত্র ও পরিপূর্ণ দীন। আজকের ধর্ম শব্দটা আর আগেকার দীন শব্দটার অর্থ আর একই নেই। একই সাথে কেউ পশ্চিমা সভ্যতা ও ইসলামকে একসাথে ধারণ করতে পারে না। একইভাবে পশ্চিমা সভ্যতার কোনো উপাদান ধারণ করলে তাকে ইসলামী একটা উপাদান অস্বীকার করতে হবে, অদরকারী মনে করতে হবে বা অস্বীকার করার রাস্তা খুঁজতে হবে। ভোটাভুটি/মিছিলমিটিং করলে কিতাল অস্বীকার গণতন্ত্র করলে খিলাফত-ইমারত অস্বীকার নারীবাদ করলে ইসলামী পরিবারব্যবস্থাপনা অস্বীকার ধর্মনিরপেক্ষতা করলে ওয়ালা-বারাআ, ইসলামী শাসনব্যবস্থা অস্বীকার ব্যক্তিবাদ করলে সৎকাজে আদেশ, অসৎকাজে নিষেধ অস্বীকার। ক্যারিয়ারিজম, পুঁজিবাদ, ভোগবাদ করলে সাদাসিধে জীবন, আখিরাত, দানখয়রাত অস্বীকার। বিবর্তনবাদ করলে আদমসৃষ্টি অস্বীকার বিজ্ঞানবাদ করলে ওহীর গুরুত্ব অস্বীকার বস্তুবাদ করলে আত্মা-রুহ, আখিরাত সব অস্বীকার এভাবে পশ্চিমাসভ্যতার প্রতিটি উপাদান ইসলামের একেকটা আমল, আকীদা ও শাখাকে অস্বীকার করে। ১ম প্রজন্ম একে একটা কৌশল হিসেবে নেয়। যেমন আলীগড়ীরা পশ্চিমা জ্ঞানতত্ত্বকে নিয়েছিল। আজ আমরা গণতন্ত্রকে নিচ্ছি। ২য় প্রজন্ম কৌশলটাকেই একমাত্র কৌশল এবং বাঁচার একমাত্র রাস্তা হিসেবে নেয়। ফলে ঐ টপিকে ইসলামের বিধানটা অপ্রাসঙ্গিক ও হাস্যকর হয়ে পড়ে। ৩য় প্রজন্ম ঐ কৌশলটাকেই আরও জরুরি ধরে ইসলামের ছিটেফোঁটাও রাখতে চায় না। যেমন এবি পার্টি বা আন-নাহদা পার্টি। এজন্যই গণতান্ত্রিক মুসলিমরা ইসলামের নানান দিককে অপ্রাসঙ্গিক সাব্যস্ত করে। কাটছাঁট করে। টুপিদাড়ি থেকে নিয়ে খিলাফত - কিতাল - পর্দা সবকিছুই। দীন উদ্ধার করতে গিয়ে দীনকেই পঙ্গু করে বসে। গণতন্ত্র স্বতন্ত্র দীন না হতে পারে। তবে গণতন্ত্র আরেকটা ভিন্নধর্মের (পশ্চিমাসভ্যতা) একটা গুরুত্বপূর্ণ আকীদা। যে রাস্তা আমাদেরকে ঐ দীনের দিকেই নেবে। কৌশল হিসেবে নিলেও এটা ৩ প্রজন্ম পরে আর কৌশল থাকে না। আকীদাই হয়ে যায়। আমাদের সামনেই এর প্রমাণ আছে।

একদল ছাত্র আছে যারা উস্তাদদের সাথে পরামর্শ করে নিজেদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয় না৷ কিন্তু একদল এমন ছাত্রও তো আছে যারা নিজেদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো উস্তাদদের হাতে সঁপে দেয়। তাদেরকে কী আমরা সঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারি? তার মনের আকাঙ্খাগুলো সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পারি? বা তার জন্য যেটা উপযুক্ত না, সেটাকে সঠিক আন্দাজে তাকে বুঝিয়ে দিতে পারি? . কথাগুলো এজন্য বলা সম্প্রতি পাকিস্তানে প্রচুর বাংলাদেশের মাদরাসার তালেবে ইলম গিয়েছে। যাদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই অনেকেই ভালো প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি হতে পারেনি। এটা নিয়ে অনেকেই দেখছি, খুবই মুরব্বিয়ানা আন্দাজে পোষ্ট দিচ্ছেন। কেনো পরামর্শ করে যাওয়া হয় না, আবেগের বসত কেনো দেশের বাহিরে যাওয়া হলো ইত্যাদি। . যারা লেখেছেন প্রত্যেকেই দিলে হাত দিয়ে বলেন তো, ইলমের জন্য রিহলার তলাবুল ইলমের যে স্বভাবজাত চাহিদা ও তীব্র স্বপ্ন ও আকাঙ্খা, সেটা নিয়ে যখন তালেবে ইলমরা আপনাদের কাছে যায় তখন আপনাদের প্রতিক্রিয়া কেমন হয়? কয়জন মানুষ বাস্তবতা সামনে রেখে, তালেবে ইলমের ভিতরের তীব্র আকাঙ্খার প্রতি সম্মান দিয়ে তাকে পরামর্শ দেন! . আমি নিজের একটি কারগুজারি শুনাই। পাকিস্তানের বানুরীটাউনে ইফতা পড়েছে এরপরও বাংলাদেশেরও একটি বড় জায়গায় ইফতা পড়েছে এমন একজন মানুষের কাছে পাকিস্তানে গিয়ে ইফতা পড়তে যাবো ইত্যাদি বিষয়ে পরামর্শের জন্য ফোন দিলাম। সেই মুহতারাম আমার কথা শুনেই আগেপরে কোনো ভূমিকা ছাড়াই মুখের উপর বললো, ‘পাকিস্তানে কেনো যাবেন, সেখান থেকে তো আমাদের দেশের ইফতাগুলো আরো বেশি ভালো!’ অন্তরটা চুরমার হয়ে গিয়েছিলো! এত কষ্ট পেয়েছিলাম! একবার মুখখুলে বলে ফেলতে চেয়েছিলাম, যদি বাংলাদেশের ইফতাই ভালো হয়, তাহলে বানুরীটাউনের ইফতা ফারেগ এমন শিরোনাম সব জায়গায় কেন ব্যবহার করেন। বিশ্বাস করেন, বিদেশে গিয়েছেন এমন উল্লেখযোগ্য ছাত্রদের জিজ্ঞাসা করেন, তারা যখন অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সাথে বিদেশ বিষয়ে পড়ামর্শের জন্য যান, তাদের অভিজ্ঞতা আমার থেকে ভিন্ন না। বরং আরো খারাপ! . দেখুন, পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশের ইফতা ভালো, তার এই উপলব্ধিটা তো তিনি ভিন্নভাবেও তো উপস্থাপন করতে পারতেন। বা সেটা বলে দেওয়ার পর অন্যান্য লাইনে কিছুটা সহযোগিতা ও পরামর্শ দিতে পারতেন। কিন্তু করলেন না। তার সাথে লম্বা সময় কথা বলে আমি সামান্যতম উপকারও পাইনি! এমন অভিজ্ঞতা পাকিস্তান পড়তে গিয়েছেন আরো কয়েকজনের সাথেই হয়েছে! . বিদেশে যাচ্ছেন, এমন বেশিরভাগ তালেবে ইলমই, চাই সে মিশরে যাক বা মাদারে ইলম দেওবন্দ, তারা রিহলার হিম্মত করার পর খুব কম উস্তাদ থেকেই সাড়া পান আর যাদের থেকে সাড়া পান তাদের থেকে কমই সহযোগিতা পান। যার কারণে জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটায় তার একাই চলতে হয়। . দেখুন, আমার এই পোষ্টের উদ্দেশ্য তালেবে ইলম ভাইদের উস্তাদ বা অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সাথে রিহলার বিষয়ে পরামর্শ করা থেকে অনুৎসাহিত করা নয়, আল্লাহর কাছে এমন চিন্তা ও কর্ম থেকে পানাহ চাই, বরং একটি বাস্তব বিষয় আপনাদের সাথে তুলে ধরাই উদ্দেশ্য। যে ছাত্ররা রিহলার কঠিন এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে তাদেরকে অনুৎসাহিত কইরেন না, আল্লাহর ওয়াস্তে। যারা রিহলার যোগ্য না, তাদেরকে বুঝান, বাস্তব সম্মত পদ্ধিতে বুঝান, কিন্তু তার রিহলার ইচ্ছেকে অনুৎসাহিত করে না। মনে রাখবেন, ইলমের জন্য রিহলা এটা ইলমের একটি স্বভাবজাত বিষয় এবং আমাদের সালাফদের হাজার বছরের আমলি তুরাস। এটাকে আপনি জীবনেও বন্ধ করতে পারবেন না। বর্ডারের কাটাতার পারেনি! এত কিছুর পরেও গত বছরও কিছু বাংলাদেশি ভাইরা দেওবন্দ থেকে পড়ে এসেছে! সুতরাং ইলমের স্বভাবজাত চাহিদা ছাত্ররা পূরণ করবেই, আপনি এই কাজে তাদের সহযোগী হবেন, নাকি অন্যকিছু হবেন সেটা আপনার সিদ্ধান্ত।

এই বইটা সবধরনের শিক্ষার্থীদের জন্য। এই বই আপনাকে হুজুর বানাবে না। দুনিয়ার স্বার্থে হলেও বইটি স্কুল-কলেজ-ভার্সিটির ভাইরা হাতে
এই বইটা সবধরনের শিক্ষার্থীদের জন্য। এই বই আপনাকে হুজুর বানাবে না। দুনিয়ার স্বার্থে হলেও বইটি স্কুল-কলেজ-ভার্সিটির ভাইরা হাতে নিন! পড়ুন। নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে চিন্তা করুন৷ . স্কুল-কলেজের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ছাত্রদের গিফটের মধ্যে এই বইটি রাখুন। বইটি তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়াটা তাদের জন্য অনেক বড় একটি ইহসান আমাদের পক্ষ থেকে।

প্রতি মাসে একবার শেরপুর যাওয়া হয়। মহাখালী থেকে রাতে নাইটে উঠি। সকালে ফজর পড়ি মাদরাসায়। আমি যেদিন যাই নাজেম সাহেব হুজুর তার কা
প্রতি মাসে একবার শেরপুর যাওয়া হয়। মহাখালী থেকে রাতে নাইটে উঠি। সকালে ফজর পড়ি মাদরাসায়। আমি যেদিন যাই নাজেম সাহেব হুজুর তার কামরা আমার জন্য ছেড়ে দেন৷ সকালের স্নিগ্ধ বাতাস যখন নাজেম সাহেবের রূমে বারান্দা দিয়ে শরীরে এসে স্পর্শ করে সফরের পুরো ক্লান্তি যেনো নিমেষেই দূর হয়ে যায়। একদম সীমিত সামর্থ্য দিয়েও একটি মাদরাসার পরিবেশকে কতটা সুন্দর, পরিপাটি ও অপূর্ব রূপে সাজানো যায় তার একটি আদর্শ নমুনা হলো মারকাযুত তুরাস। আল্লাহ মাদরাসার যাবতীয় হাজত গায়েবি খাজানাহ থেকে পূরণ করে দিক। আমীন। . মাদরাসার ছাত্রদের পড়ালেখার মানকে আরো উন্নত করতে বড় পরিসরে একটি ইলমি মাকতাবার উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন কর্তৃপক্ষ গতকাল নাজেম সাহেব ও Abu Usama Jafar ভাই শুনালেন। শুনে অনেক খুশি লাগলো। জিজ্ঞাসা করলাম, প্রাথমিক বাজেট কত৷ আপাতত শূণ্য, জানালন উনারা। আল্লাহ উত্তমরূপে ও আদর্শের উপর অবিচল রেখে যাবতীয় বন্দোবস্ত করে দেন সে দোয়া রইলো। . মাদরাসার পক্ষ থেকে আমি আপনাদের কাছে দোয়া চাই৷

শুনতে পারেন স্বল্প সময়ের এই রিলসটি https://youtube.com/shorts/Xufrf88Ta-k?si=GwgMlYsyFmmtXwkR

বইটা কেন পড়তেছেন না, কোন অজুহাত আপনার বলেন আমাকে, শুনি।
বইটা কেন পড়তেছেন না, কোন অজুহাত আপনার বলেন আমাকে, শুনি।

নতুন বই। মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা বইটার সিক্যুয়েল বলা যায়। এই বই লিখতে গিয়ে এমন অনেক কিছু জেনেছি, যা ছাত্রজীবনে জানতে পারলে ভা
নতুন বই। মুমিনের ক্যারিয়ার ভাবনা বইটার সিক্যুয়েল বলা যায়। এই বই লিখতে গিয়ে এমন অনেক কিছু জেনেছি, যা ছাত্রজীবনে জানতে পারলে ভাল হত। হয়ত কাজের দুয়েকটা কথা পেয়েও যেতে পারেন। ৬ষ্ঠ শ্রেণী থেকে ভার্সিটি পড়ুয়া, কর্মজীবী থেকে গৃহিণী, জেনারেল-কওমী... সবাই কিছু না কিছু হেল্প পাবেন আশা করি। স্কুলভিত্তিক দাওয়াতী কাজ যারা করছেন, তারা একটা লিটারেচার পাবেন, কি কি বিষয় সামনে নিয়ে দাওয়াতী কাজ করবেন।

আল্লাহ বইটিকে আমার নাজাতের উসিলা বানাক। . এখন পর্যন্ত বইটির মাধ্যমে অনেক মুরব্বিদের দোয়া আমার কপালে জুটেছে। আল্লাহ আমার ব্যাপ
আল্লাহ বইটিকে আমার নাজাতের উসিলা বানাক। . এখন পর্যন্ত বইটির মাধ্যমে অনেক মুরব্বিদের দোয়া আমার কপালে জুটেছে। আল্লাহ আমার ব্যাপারে করা তাদের সেই দোয়াগুলো কবুল করুন।

ফ্যাসিস্ট ফেরআউনের কবল থেকে মুক্তি পেয়ে ওপারে গিয়ে বনি ইসরাইলও মুসা আলাইহিস সালামকে বলেছিল, 'হে মুসা! তাদের যেমন উপাস্য আছে আমাদের জন্যও তেমনি উপাস্য নির্ধারিত করে দিন'। [সুরা আল আরাফ - ১৩৮] ঠিক যেভাবে বাঙ্গালী হুজুরেরা বলেন, 'তাদের যেমন বৈশাখ আছে আমাদের জন্যও তেমন বৈশাখ নির্ধারণ করে দিন।' মহিউদ্দিন কাসেমী ভাই

আমার বন্ধু মফিজের নতুন এক বন্ধু জুটেছে আবুল নামের। ইদানীং তার সাথেই বন্ধু মফিজের বেশ সখ্যতা। মফিজের সেই বন্ধু বাংলাদেশের ইসলামি মডার্ন লিবারেল ডেমোক্রেসি একটি দলের সক্রিয় কর্মী। বন্ধু মফিজ গতকাল আমার সাথে দেখা করাতে নিয়ে আসলো আবুলকে। আমার ব্যাপারে আবুলকে কী বলেছে মফিজ তা তো জানি না। কিন্তু সাক্ষাতের কিছুক্ষণ পরেই আবুল ভাই খুবই উচ্ছাসের সাথে তার মডার্ন লিবারেল ডেমোক্রেটিক ইসলামি দলের বিভিন্ন কার্যক্রম ও সফলতার গল্প আমাকে শুনাতে লাগলো। এর মধ্যে পহেলা বৈশাখকে শিরকমুক্তভাবে পালন করে তার দল যে মাস্টারস্ট্রোক দিয়েছে, তা অত্যন্ত আকর্ষণীয় ভঙ্গিতে তুলে ধরলো। এরপর আমার দিকে একটি তেরাইচ্ছা হাসি দিয়ে বললো, আমাদের দল যেটা ১০/২০ বছর আগে বুঝে এদেশের হুজুর-মোল্লারা তা ১০/২০ বছর পরে বুঝে। আবুল ভাইয়ের কথাটা শুনে আমি লাজুক একটি হাসি দিয়ে বললাম, জি ভাই, এটা আপনি একটা গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট বলেছেন। আমারও বহুদিনের পর্যবেক্ষণ তাই। লিবারেল ডেমোক্রেটিক মডার্ণ ইসলামি দল যে গোমরাহিতে ১০/২০ বছর আগেই পতিত হয় সেই পর্যায়ের গোমরাহ হতে এদেশের হুজুরদের ১০/২০ বছর সময় লাগে। কথাটি বলতেই আবুল ভাইয়ের চেহারায় কাল বৈশাখি ঝড়ের আগে যে কালো মেঘ তা ভেসে উঠলো। আর বন্ধু মফিজের চেহারায় শরীরে ফোসকা ফেলে দেয় এমন তীব্র রোদের ঝলক! প্রাণের বন্ধু মফিজ আমার দিকে কট্মট করে তাকিয়ে কী জানি একটা গালির মত বলতে বলতে উঠে চলে গেলো! বুঝলাম না আমার ভুলটা কী ছিলো এখানে! আমি তো বন্ধু মফিজের লিবারেল ডেমোক্রেটিক মডার্ণ ইসলামি দলের লোকটির কথাকে সমর্থন করলাম!

পহেলা বৈশাখ নিয়ে এই আলাপটা শুনতে ও প্রচার করতে পারেন। https://youtu.be/11-ieJnKcS8?si=Z0ASiqYo0zGKpkO3

চরমোনাইয়ের ভাইদের কাছে জানার একদিকে বৈশাক পালন নিয়ে চরমোনাই পীর সাহেবের কড়া বয়ান! আরেকদিকে মাঠপর্যায়ের চরমোনাই কর্মীদের বৈশাখ পালন! কোনটা চরমোনাইয়ের আসল রূপ? . জামাতের ভাইদের কাছে জানার সেকুলার রাষ্ট্র যে সকল উৎসব পালন করতে বলে, যে সকল কাজ করার জন্য পলিসি মেকিং করে, যেমন পহেলা বৈশাখ, শহিদ মিনারে ফুল, নারী পুরুষের সংমিশ্রণ ইত্যাদি, তার কোনটা জামাতের ভাইরা শুধু ইসলাম নাজায়েয বলে দেখে দৃঢ়ভাবে তা থেকে বেচে আছে?

দারুল হারব কখন দারুল ইসলামে রূপান্তর হবে? বাদায়িউস সানায়ে গ্রন্থে উল্লেখ আছে, لا خلاف بين أصحابنا في أن دار الكفر تصير دار إسلام بظهور أحكام الإسلام فيها. আমাদের ইমামদের মধ্যে এ-ব্যাপারে কোনো মতপার্থক্য নেই যে, দারুল কুফরে যখন ইসলামের বিধান প্রবল হয়ে যায়, তখন তা দারুল ইসলামে পরিণত হয়ে যায়। ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়াতে রয়েছে, اعلم أن دار الحرب تصير دار الإسلام بشرط واحد وهو إظهار حكم الإسلام فيها. জেনে রেখো, দারুল হারব কেবল একটা শর্তের কারণে দারুল ইসলামে বদলে যায় আর তা হলো, সেই ভূখণ্ডে ইসলামের বিধান প্রবল হয়ে যাওয়া। আল্লামা সারাখসি রাহ. (মৃত্যু: ৪৮৩ হি.) তাঁর মাবসূত গ্রন্থে লিখেছেন, إن الإمام إذا فتح بلدة وصيرها دار الإسلام بإجراء أحكام الإسلام فيها فإنه يجوز له أن يقسم الغنائم فيها. নিঃসন্দেহে ইমাম যখন কোনো শহর বিজয় করেন এবং সেখানে ইসলামের হুকুম জারি করে তাকে দারুল ইসলাম বানিয়ে নেন, তখন তাদের জন্য জায়িজ আছে, সেখানে তারা গনিমতের মাল বণ্টন করবে। এগুলো প্রাচীন ফকিহদের সংজ্ঞা। সম্প্রতি কুয়েত থেকে ফিকহ বিশ্বকোষ প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে দারুল ইসলামের সংজ্ঞায় মাবসুত, কাশশাফুল কিনা, ইনসাফ, আল মুদাওয়ানাতুল কুবরার সূত্রে সংক্ষিপ্তভাবে কেবল এতটুকু বলা হয়েছে, دار الإسلام هي كل بقعة تكون فيها أحكام الإسلام ظاهرة. দারুল ইসলাম হলো প্রত্যেক ওই ভূমি, যেখানে ইসলামি বিধিবিধান বিজয়ী থাকে। বই: আধুনিক যুগে জিহাদ মূল্য: ১৯৮৳ (২৫%) ছাড়ে

photo content

দারুন নাদওয়া, আবু জাহেল, আবু লাহাব, উতবা, শাইবা সবগুলোর মর্ম ঠিক আগের মতই আছে। শুধু শাব্দিক নামে সময়ের আবর্তনে কিছু পরিবর্তন হয়েছে! এতেই আমরা ধোকাগ্রস্থ হয়েছি। দারুন নাদওয়ার আবু জাহেলদেরকে নিজেদের নেতা মেনে নিচ্ছি, দীন রক্ষার রক্ষাকবচ মনে করছি! তো, কীভাবে আমরা অধপতন থেকে উদ্ধার হবো!

সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভি রহিমাহুল্লাহ গ্রীক সভ্যতার তিনটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন: ১. যা কিছু ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য তাতে বি
সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভি রহিমাহুল্লাহ গ্রীক সভ্যতার তিনটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেছেন: ১. যা কিছু ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য তাতে বিশ্বাস এবং যা কিছু ইন্দ্রিয়াতীত তাতে অবিশ্বাস ও সংশয়। ২. ধার্মিকতা ও আধ্যাত্মিকতায় নিরাসক্তি এবং পার্থিব জীবন ও ভোগবিলাসে অতি আসক্তি। ৩. উগ্র জাতীয়তাবাদী মানসিকতা। এরপর তিনি লেখেন, 'গ্রীক সভ্যতার এই যে বিভিন্ন মৌলিক উপাদান, এগুলোকে আমরা যদি এক শব্দে প্রকাশ করতে চাই তাহলে "বস্তুবাদিতা" হলো সবচেয়ে যথার্থ শব্দ এবং এটাই হচ্ছে গ্রীক সভ্যতার মূল পরিচয়। বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য: ৩৬০৳ (২৫%) ছাড়ে