es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 290 suscriptores, ocupando la posición 8 155 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 033 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 290 suscriptores.

Según los últimos datos del 21 junio, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 76, y en las últimas 24 horas de -3, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 18.18%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 7.96% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 052 visualizaciones. En el primer día suele acumular 899 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 49.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 22 junio, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 290
Suscriptores
-324 horas
+387 días
+7630 días
Archivo de publicaciones
স্যুট টাই পড়া লোকরাও এখন আর চুপ করে থাকতে পারতেছে না!

মাওলানা হুজ্জাতুল্লাহ সাহেবের পোষ্ট থেকে। দোয়াটি মুখস্ত করে নিতে পারি।
মাওলানা হুজ্জাতুল্লাহ সাহেবের পোষ্ট থেকে। দোয়াটি মুখস্ত করে নিতে পারি।

জুলানিকে এক কথায় মূল্যায়নের এখনো সময় আসে নাই, শুধু এতটুকু মনে রাখবেন। https://madhyaprachya.com/2026/11941/?fbclid=IwY2xjawRu
জুলানিকে এক কথায় মূল্যায়নের এখনো সময় আসে নাই, শুধু এতটুকু মনে রাখবেন। https://madhyaprachya.com/2026/11941/?fbclid=IwY2xjawRu3glleHRuA2FlbQIxMABicmlkETF1RmgzcWg3OG13cDdJeHZ0c3J0YwZhcHBfaWQQMjIyMDM5MTc4ODIwMDg5MgABHjq1plD-dWtqKZur-mvKoR2z_iDd4SllXX1Aroirgkg3_HselTUjSyM_x6tZ_aem_IcKhQoIveQbeI5AKTXQluQ

সবচেয়ে সাহসী সাহাবী . হযরত আলী রা.-এর খেলাফত কাল চলছিলো। মিম্বরে দাঁড়িয়ে খলিফা খুতবা দিচ্ছিলেন। হঠাৎ সকলের সামনে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন-'সাহাবাদের মধ্যে সবচেয়ে সাহসী সাহাবা কে?' 'আপনিই' হে আমিরুল মুমিনিন, সকলেই সমস্বরে জবাব দিলো। খলিফা সামান্য মুসকি হাসলেন। বললেন, 'না, আমি সবচেয়ে সাহসি নই। আমি তো হলাম এমন যে, যে কেউ আমার সাথে মুকাবেলা করতে আসে আমি তার সাথে লড়াই করি। এতে বিশেষ সাহসের কিছু নেই।' উপস্থিত সকলে স্বপ্রশ্ন দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো খলিফার উত্তরের দিকে। হযরত আলী বলে চললেন, 'বিষয়টি বুঝার জন্য একটি ঘটনা শুনো। ইসলামের তখন প্রথম জামানা। আমিসহ আরো কয়েকজন সাহাবী কাবার প্রাঙ্গনে বসে ছিলাম। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করলেন। এবং নামাজে দাঁড়ালেন। এমন সময় মক্কার কাফের সর্দার উকবাসহ আরো কয়েকজন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর ঝাপিয়ে পড়লো। পবিত্র দেহ মোবারকের উপর একের পর এক আঘাত করতেছিলো নরধামগুলো। প্রিয় নবিকে প্রহার করছিলো আর বলছিলো, 'আমাদের সকল ইলাহকে তুই এক ইলাহ বানিয়েছিস, তোর আজ রক্ষা নেই।' আমরা তা দেখতেছিলাম, কিন্তু কারোই সাহসে কুলোইনি এগিয়ে গিয়ে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে রক্ষা করবো। এমন সময় হযরত আবু বকর মসজিদে এসে এ মর্মান্তিক দৃশ্য দেখলেন। আর কালবিলম্ব না করে কাফেরদের সেই জটলার উপর ঝাপিয়ে পড়লেন। কাউকে ঘুষি দিয়ে, কাউকে ধাক্কা দিয়ে রাসুল থেকে দূরে সরাতে দিতে থাকলেন। আর চিৎকার করে বলতে লাগলেন, 'তোদের ধ্বংস হোক, তোরা এমন ব্যক্তিকে হ*ত্যা করতে চাচ্ছিস, যে বলে, আল্লাহ আমার রব?' এতটুকু বলেই হযরত আলী রা. কান্না শুরু করে দিলেন। এরপর সকলকে উদ্দেশ্য করে জিজ্ঞাসা করলেন, 'আমি তোমাদের আল্লাহর কসম দিয়ে জিজ্ঞাসা করছি, বলো তো, ফিরআউনের ঐ বংশের ঐ মুমিন ব্যক্তি বেশি উত্তম যে, ঈমান গোপন করে ফিরআউনকে বলেছিলো, "আপনি এমন একজনে হত্যা করতে চান, যে বলে আমার রব আল্লাহ", নাকি হযরত আবু বকর উত্তম?' উপস্থিত সকলেই চুপ করে রইলো। কারো মুখে কোনো শব্দ নেই। হযরত আলী রা. বললেন, 'আল্লাহর কসম হযরত আবু বকরের জীবনের এক মুহুর্ত ঐ মুমিন ব্যক্তির পুরো জীবন থেকে উত্তম। কেননা সে ঈমানকে গোপন করেছিলো আর হযরত আবু বকর এক মুহুর্তের জন্যও নিজের ঈমানকে গোপন করেনি। মনে রাখো, হযরত আবু বকরই হলেন সবচেয়ে সাহসী সাহাবী।' . সূত্র : ফাতহুল বারী, ৭/১৬৯, কিতাবু মানাকিবিল আনসার, বাবু মা লাকিয়ান নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওয়া আসবুহু মিনাল মুশরিকিনা বিমাক্কাহ

মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহের ছোট্ট এই রিসালাটির অনুবাদ শেষ করলাম আলহামদুলিল্লাহ। ইনশাআল্লাহ দ্রুতই অন্যান্য ঘোষ
মুফতি উবাইদুর রহমান মারদান হাফিজাহুল্লাহের ছোট্ট এই রিসালাটির অনুবাদ শেষ করলাম আলহামদুলিল্লাহ। ইনশাআল্লাহ দ্রুতই অন্যান্য ঘোষণা সামনে আসবে। . আজকে বইটির অনুবাদ যখন শেষ হচ্ছিলো, তখন মহা খুশির সংবাদ পেলাম! এতটাই খুশি হলাম সংবাদটি পেয়ে যে, অনেক্ষণ পর্যন্ত কোনো কাজ করতে পারেনি। মূল উর্দু বইটির জন্য পাকিস্তানের বিখ্যাত ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য দ্বীনি প্রতিষ্ঠান বানুরীটাউনের প্রধান মুফতি, মুফতি ইনআমুল হক্ব কাসেমী সাহেব একটি চমৎকার তাকরিজ দিয়েছেন। তাকরিজটি দেখে এত খুশি লাগলো যে, বলে বুঝাতে পারবো না। তাকরিজটি বইটির গুরুত্ব ও গ্রহণযোগ্যতা আরো বাড়িয়ে দিয়েছে আলহামদুলিল্লাহ। . আল্লাহ গুনাহগার এই বান্দাকে গুরুত্বপূর্ণ এই কাজটি শেষ করার তাওফিক দিয়েছেন, সে জন্য রবের দরবারে অসংখ্য শুকরিয়া। বাস, এই কাজগুলো আমার কবর, হাশর, পুলসিরাতের সেই ভয়াবহ সময়গুলোতে নাজাতের উসিলা হোক সেই দোয়া চাই সকলের কাজে। . সবার কাছে আবেদন পোষ্টটি দেখে মাশআল্লাহ বলবেন। আল্লাহ আমাকে সকল বদ নজর ও হাসাদ থেকে হেফাজত করুক।

হক্কানিয়ার শাইখুল হাদিস মাওলানা ইদরিস রহিমাহুল্লাহের মৃত্যুতে পাকিস্তানের অন্য আলেমদের আলোচনার আন্দাজ তো শুনলেন, এবার হক্কানিয়ার উস্তাদদের আলোচনার ঢঙটাও শুনেন। আপনারা বুঝবেন না তা আমরা জানি। তাও শুনেন। . 'কাল হোক বা আজ হোক, আমরা জানি আমাদের পালা চলে আসবে। তবে যতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবে হক্কের আওয়াজ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবো। এই তা*গু* তি এই কু*ফরি শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে আমাদের বাবা-দাদারা কাজ করে গিয়েছে, ইনশাআল্লাহ আমরা এদের বিরুদ্ধে কাজ করে যাবো।' আব্দুল হক সানী, নাতি, সমিউল হক হক কানী রহিমাহুল্লাহ

মুসলিম-অমুসলিম সম্পর্ক বই থেকে . কা*ফে*রদের জন্য দোয়া করা ১. কোনো ব্যক্তি কা*ফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে তার জন্য মাগফেরাতের দোয়া করা জায়েয নয়, তাই সান্ত্বনা দেওয়ার কালে এবিষয়ে সতর্ক থাকা কাম্য। কুরআনে কারীমে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন : ﵟ‌مَا ‌كَانَ ‌لِلنَّبِيِّ وَٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ أَن يَسۡتَغۡفِرُواْ لِلۡمُشۡرِكِينَ وَلَوۡ كَانُوٓاْ أُوْلِي قُرۡبَىٰ مِنۢ بَعۡدِ مَا تَبَيَّنَ لَهُمۡ أَنَّهُمۡ أَصۡحَٰبُ ٱلۡجَحِيمِﵞ নবী ও ঈমানদারদের পক্ষে মুশ*রিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা সংগত নয়—যদিও তারা আত্মীয়-স্বজন হোক—যখন এ কথা স্পষ্ট হয়ে গেল যে, ওরা দোযখী। আলবাহরুর রায়েক গ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে, ‌والحق ‌أنه ‌يكون ‌عاصيا بالدعاء للكافر بالمغفرة غير عاص بالدعاء بالمغفرة لجميع المؤمنين. (البحر الرائق 1/350، كتاب الصلاة، باب صفة الصلاة، آداب الصلاة) সঠিক কথা হলো কা*ফে*রদের জন্য মাগফেরাতের দোয়া করার দ্বারা ব্যক্তি গুনাহগার হবে। কিন্তু সমস্ত মুসলমানের জন্য মাগফিরাতের দোয়া করার দ্বারা গুনাহগার হবে না। আননাহরুল ফায়েক গ্রন্থে আরো উল্লেখ হয়েছে, (ودعا) لنفسه ولأبويه المؤمنين والمؤمنات أما الدعاء للكافرين بالمغفرة فلا يجوز ‌بل ‌ادعى ‌القرافي المالكي البهنسي أنه كفر. (النهر الفائق 1/224، كتاب الصلاة، باب صفة الصلاة) নিজের জন্য, নিজের মুসলিম পিতামাতার জন্য মাগফিরাতের দোয়া করা জায়েয। আর কা*ফে*রদের জন্য মাগফিরাতের দোয়া করা জায়েয নয়। বরং কারাফি আল মালিকি রহিমাহুল্লাহ তো দাবি করেছেন যে এটা (কা*ফে*রদের জন্য মাগফিরাতের দোয়া করা) কু*ফ*র।

photo content

ইমাম বাইহাকী রহিমাহুল্লাহ রচিত "মানাকেবুল ইমাম আশশাফেয়ী" কিতাবে এসেছে, যা তরজমা করলে চাকরি থাকবে না, «مناقب الشافعي للبيهقي» (2/ 192): قال: وسمعت الشافعي يقول: سمعت بعض أصحابنا ممن أثق به قال (1): تزوجت لأصون ديني فذهب ديني ودين أمي ودين جيراني!

জামাত আর আলেম বিদ্বেষ এটা মোটামুটি কাছাকাছি জিনিষ! যতই চেষ্টা করেন লুকিয়া রাখা সম্ভব না।
জামাত আর আলেম বিদ্বেষ এটা মোটামুটি কাছাকাছি জিনিষ! যতই চেষ্টা করেন লুকিয়া রাখা সম্ভব না।

মাঝে মাঝেই আইনুল হক কাসেমি ভাইয়ের কথা মনে পড়ে। ঐদিন তার জায়গায় তো আমিও থাকতে পারতাম। কম বা বেশী, প্রথম আলো নিয়ে তো আমরা প্রায় সবাই পোষ্ট করেছিলাম। কেউ হয়তো একটু রয়েসয়ে করেছিলাম আর কেউ হয়তো একটু বেশি আবেগী। এতটুকুই পার্থক্য! . স্বামী জেলে, এটা একজন স্ত্রীর জন্য কী, তা শুধু যার সাথে হয়েছে সেই বুঝতে পারবে। একজন মায়ের জন্য তার নির্দোষ সন্তানের জেল জীবন কতটা কষ্টের তা হয়তো আমাদের পক্ষে কল্পনা করাও সম্ভব না। . আইনুল হক কাসেমি ভাইয়ের মত আমাদেরও সন্তান আছে। ছোট ছোট সন্তান। নিজের সন্তানকে কোলে নিয়ে একটি বারের জন্যও ভাবলে শরীরটা পুরো নাড়া দিয়ে উঠে, আমার সন্তানরা আমার সাথে জেলে দেখা করতে আসছে! . জানিনা, কাসেমী ভাইয়ের মুক্তির কাজ কতটুকু আগালো। কবে নাগাদ এই নির্দোষ মানুষটি মুক্তি পাবে। আসলে সেদিন তো কাসেমি ভাই একা না, আরো কত নির্দোষ মানুষকেই আসামী করা হয়েছে! কাসেমি ভাই হয়তো যোগ্য ও পরিচিত আলেম দেখে আমাদের এক দুইশব্দে তার প্রতি কিছুটা আবেগ আসে। কত অপিরিচিত গরিব মানুষ তা*গু*তি সিস্টেমের বলি হচ্ছে, তার হিসেব রাখা তো আমরা চাইই-না! সেগুলো নিয়ে হিসেব করতে চাওয়াও তো একটি অন্যায়!

বিয়ের পর থেকেই-বাস্তবতা হলো বিয়ের আগ থেকেই আম্মা ও বোনদের সাথে-একাধিক বিয়ে সংক্রান্ত বিভিন্ন ভালোমন্দ দিক নিয়ে খাদিজার আম্মুর সাথে আলোচনা করি। এটার খারাপ দিকগুলো কী কী, ভালো দিকগুলো কী কী। পুরুষের জন্য একাধিক বিয়ে কেনো প্রয়োজন, এখানে নারীর লাভটা কী, সঠিক পদ্ধতিতে একাধিক বিয়ে যদি হয় এতে সমাজের নারীদের কী লাভ ইত্যাদি। ফলাফলা আলহামদুলিল্লাহ খুব ভালো এসেছে এই মুজাকারা করার দ্বারা। আমি ছাড়া দুনিয়ার অন্যকোনো পুরুষ একাধিক বিয়ে করলে এবং সঠিকভাবে সব হলে এটা তার কাছে তেমন খারাপ লাগে না। এমনকি আমার পলটু ওমরও যদি একাধিক বিয়ে করে মা হিসেবে তার কোনো সমস্যা নাই। . ছেলে ওমর বড় হলে কী তারা অভাগা, দুখী বাবার এই অবদানের কথা স্মরণ রাখবে? সে কী বাবার এই ইহসান স্মরণ করে জোর করে, আদালতে মামলা করে হলেও বাবাকে একাধিক বিয়ে করার ব্যবস্থা করবে!? . আল্লাহ ছেলে জাহেরি-বাতেনি সর্বলাইনে যোগ্য হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমীন।

উমেদের বর্ষসেরা অফার চলতেছে। অতিরিক্ত ছাড়সহ আরো কী কী জানি দেখলাম। সুতরাং এদিক ঐদিক টাকা নষ্ট আর সময় নষ্ট না করে এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে চেতেনা হীন প্রকাশনীর বই না কিনে চেতনা প্রকাশন থেকে আমার ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা ও মুসলিম-অমুসলিম বইটি সংগ্রহ করে ফেলতে পারেন। . সকলকে অনেক অনেক শুকরিয়া। বই কিনুন আমাকে বড়লোক বানিয়ে দেশ ও জাতির খেদমত করার সুযোগ করে দিন।

জামিয়া হক্কানিয়া আখুড়াখটকের শাইখুল হাদিস হযরত মাওলানা ইদরিস সাহেবকে আজ মাদরাসায় যাওয়ার পথে আতাতায়িরা শহিদ করে দেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। আখুড়াখটকের উস্তাদরা ব্যাপকভাবেই পাক-আফগান যুদ্ধে আফগানের পক্ষে এবং মৌনভাবে তারা কাবায়েলি অঞ্চলের মুজাহিদদেরও সমর্থন করেন। নাপাক বাহিনীর জন্য এটা মেনে নেওয়ার মত না। তাই হক্কানিয়ার একের পর এক উস্তাদদের ধারাবাহিক শহিদ করে দেওয়া হচ্ছে! ইনশাআল্লাহ, নাপাক বাহিনীর এই অত্যাচার দ্রতই শেষ হবে! শাইখুল হাদিস ইদরিস সাহেব কে ছিলেন ও কী ছিলেন তা জানতে পড়ূন, https://www.facebook.com/share/v/18XpGet3mq/

আমেরিকান ইতিহাসবিদ Stephen Humphreys তাঁর “Mu'awiya ibn Abi Sufyan: From Arabia to Empire” গ্রন্থে বলেন, “যদি মু‘আওয়িয়া ইবন আবি সুফইয়ান না থাকতেন, তাহলে ইবন সাবা আরবদের রাষ্ট্রের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হতো এবং তাদের দীনকে ছিন্নভিন্ন করে দিত; যেমন পল খ্রিস্টধর্মের ক্ষেত্রে করেছিল এবং সেটিকে ত্রিত্ববাদে রূপান্তর করেছিল।” “আর যদি মু‘আবিয়া না থাকতেন, তাহলে আরবদের রাষ্ট্র, তাদের দীন এবং তাদের ভাষা টিকে থাকত না।” আমরা মুসলিমরা তার মত বলবো না, তবে এটা অবশ্যই বলবো যে, আল্লাহর হিকমতের তাকাদ্বা অনুসারে তিনি হাসান রাদ্বিয়াল্লাহুর পরে মুআওয়িয়্যাহ রাদ্বিয়াল্লাহুর আনহুর হাতে খেলাফত দিয়ে মুসলিমদেরকে সমূহ বিপদ থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। ষষ্ঠ খলিফা, সৎপথপ্রাপ্ত ও হিদায়াতপ্রাপ্ত নেতা Mu'awiya ibn Abi Sufyan রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর প্রতি আল্লাহ সন্তুষ্ট হোন। কপি পোষ্ট (শায়খ আবু বকর জাকারিয়া)

কল্পনা করেন একবার, পশ্চিমভঙ্গে বিজিপি ক্ষমতায় আসলো আর বাংলাদেশে আওয়ামীলীগ এখন ক্ষমতায় ছিলো! . আল্লাহ বিশাল এক দানবকে আমাদের উপর থেকে সরিয়েছে! জানিনা, কতদিন তা আমরা ধরে রাখতে পারবো। . কলকাতা, আসামের মুসলমানদের আল্লাহ হেফাজৎ করুক। একমাত্র ঈমানি শক্তির আলোকে সিদ্ধান্তই তাদের জীবনকে রক্ষা করতে পারবে! . আল্লাহ তুমি তোমার পক্ষ থেকে আমাদের জন্য (দ্রুত) একজন ওলি ও সুলতান দান করো।

আল জেরিয়ান ফিল্যান্সার সাংবাদিক রেদা বুদ্রার মালি সংক্রান্ত এই আলোচনাটি একদমই মিস কইরেন না। যারা আরবী পারেন অবশ্যই অবশ্যই শুনবেন। লেখক এখানে দুইটা বিষয় বেশ গুরুত্বের সাথে আলাপ করেছেন। ১। মালির এই অবস্থা আফগান ও সিরিয়ার অবস্থার একটা ধারাবাহিকতা ২। মালির বিজয় পুরো অঞ্চল এমনকি ইতিহাসকেই পরিবর্তন করে দিবে। মালি বিজয় হলে খুব অল্প সময়ে আলজেরিয়া, মাগরেব ও মিশরেও ইসলামপন্থীদের বিজয় আসবে। . আলোচকের আবেগ ও উচ্ছাসের সাথে আমারও ভিতরের আবেগ উচ্ছাসের এক দীর্ঘ ঢেউ উঠে গেছে। .

একটা বই কীভাবে পাঠ করতে হয়, কী কী নোট করতে হয় তার উত্তম নমুনা শিখার জন্য হযরতের বই নিয়ে লেখা নিয়মিত পড়তে পারেন। . আমার বই নিয়ে এমন খুটিয়ে পর্যালোচনা এত বড় মানুষ যখন করেন, তখন স্বাভাবিক আবেগে আপ্লুত হই! রাত জেগে মাথা গরম মাদরাসা আলীর বারান্দায় এমাথা থেকে ঐ মাথা হাটার মধুর কষ্টগুলো স্মরণ হয়। আরো অনেক কিছুই মনে পড়ে, থাকুক, সে কথাগুলো অন্যকোনো সময়ের জন্য। . মাওলানা সাঈদুর রহমান সাহেব দীর্ঘদিন ফিকহের অধ্যপনার সাথে আছেন। বর্তমানে মারকাযুল ইতেসামে ইফতার মুশরিফের দায়িত্বরত আছেন। https://www.facebook.com/share/p/1Dx8FwhrMh/

একটা বই কীভাবে পাঠ করতে হয়, কী কী নোট করতে হয় তার উত্তম নমুনা শিখার জন্য হযরতের বই নিয়ে লেখা নিয়মিত পড়তে পারেন। . আমার বই নিয়ে এমন খুটিয়ে পর্যালোচনা এত বড় মানুষ যখন করেন, তখন স্বাভাবিক আবেগে আপ্লুত হই! রাত জেগে মাথা গরম মাদরাসা আলীর বারান্দায় এমাথা থেকে ঐ মাথা হাটার মধুর কষ্টগুলো স্মরণ হয়। আরো অনেক কিছুই মনে পড়ে, থাকুক, সে কথাগুলো অন্যকোনো সময়ের জন্য। .`