es
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Ir al canal en Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Abdullah bin bashir

El canal Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 11 329 suscriptores, ocupando la posición 7 901 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 2 063 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 11 329 suscriptores.

Según los últimos datos del 28 agosto, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 67, y en las últimas 24 horas de -8, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 15.07%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 5.70% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 1 708 visualizaciones. En el primer día suele acumular 646 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 35.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 29 agosto, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

11 329
Suscriptores
-824 horas
+157 días
+6730 días
Archivo de publicaciones
একজন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাধারণ মানুষের সাথে নিজের গায়ের রুমাল বিছিয়ে মাঠিতেই বসে যাচ্ছে!

ইংরেজ ও তাদের পরবর্তী শাসনব্যবস্থার অধিনে যে শাসকদের মুসলিম উম্মাহের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, এদের প্রায় সকলেই হয় সরাসরি তাদের কর্তৃক সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত অথবা তাদের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী মানুষকে পরিচালনা করবে, এমন মুচলেকা দিয়েই শাসনের রাজদণ্ড হাতে নেওয়া। আল্লাহ প্রদত্ত মুসলিমদের যেই কাঙ্খিত জীবন তা কস্মিনকালেও এই সেকুলার ও জাতীয়তাবাদী শাসকগুলো দিয়ে অর্জন হবে না। বরং এরা পশ্চিমের বানানো জীবন কাঠামোকে মুসলিমদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার জন্য যাবতীয় বন্দোবস্তই করবে। সেকুলার কাঠামোকে ঠিক রেখে মুসলমানদের পরিচালনার চেষ্টা করে যাবে ও ধীরে ধীরে মুসলিম প্রতিরক্ষাকে চাই তা সামাজিক হোক বা সামরিক, ধ্বংস করার চেষ্টা করে যাবে৷ সুতরাং মুসলিম উম্মাহের জন্য প্রথম করনীয় হলো, এধরণের শাসকদের অধীন থেকে নিজেদের মুক্ত করা এবং প্রকৃত মুমিন ও মুসলিম উম্মাহের নিজেদের মধ্য থেকে দ্বীন ও ইমানের বিষয়ে বিশ্বস্ত ব্যক্তিকে শাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া। . এটা হলো মৌলিক বিষয়। কিন্তু যেহেতু এই শাসন ও শাসকরা আমাদের উপর চেপে বসে আছে, আর আমরা চাইলেও শক্তির বলে এখান থেকে বের হয়ে আসতে পারতেছি না, এখন কী মুসলমানরা নিজেদের জানমাল রক্ষা, দাওয়াতি কাজের সুরক্ষা এবং নিজেদের কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য এধরণের শাসকদের সাথে একদম উঠাবসা, সৎকাজের আদেশ করা ও অসত কা থেকে নিষেধ করা, মুসলিম উম্মাহের আপত সামগ্রিক কল্যাণ অর্জনের জন্য তাদের সাথে সমন্বয় করার কাজও ছেড়ে দিবে? এক্ষেত্রে সংক্ষিপ্ত কথা হলো, সেকুলার জীবনব্যবস্থা দিয়ে পরিচালনাকারী শাসকদের সাথে আমাদের আচরণ হবে সতর্কতা ও অবিশ্বাসের। সতর্কতা হলো, তাদের থেকে দুনিয়াবি যেকোনো উপকার অর্জনের সময় থাকতে হবে সতর্ক। যেনো দুনিয়ার এই স্বার্থ দিয়ে তারা আমাদেরকে তাদের অধিনস্ত বা তাদের কার্যসিদ্ধি উদ্ধার না করতে পারে। আর অবিশ্বাস হলো, দ্বীনি ও মুসলমানদের সামগ্রিক স্বার্থের যেকোনো বিষয়ে আমরা এদেরকে অবিশ্বাসই করবো, যতক্ষণ তারা কাজটি বাস্তবায়ন না করছে। যার কারণে অমুক ফিরকাকে কাফের ঘোষণা করা হবে, আমরা ক্ষমতায় গেলে ধর্মের বিরুদ্ধে কিছুই করবো না, বা আলেমদের সান্যিধ্যে যাওয়া ইত্যাদি। . এই সাম্রাজ্যবাদীদের নিয়োগপ্রাপ্ত এধরণের শাসকদের ব্যাপারে আমাদের ধারণা যতদিন স্পষ্ট না হবে, আমরা বনি ইসর*য়েলের মত তীহের প্রান্তরে দিক বেদিক ঘুরতেই থাকবে উদ্ভ্রান্তের মত। কিন্তু কোনো দিশাই আর পাবো না। পাবো না ফিরে নিজের আত্মমর্যাদাবোধ। তখন সারাদিন এই গোলটেবিল বৈঠক করেই আমাদের কাটাতে হবে, কীভাবে আমরা সমাজে মাথা উচু করে বাঁচতে পারি। কিন্তু সেই মাথা আর কখনোই উচু হবে না। সমাজের সামান্যকিছু ধর্মহীন মানুষের করুনার পাত্র হয়ে আমাদের বেচে থাকতে হবে। .

ইতিহাস বিশ্লেষক মুহাম্মদ ইলহামি লেখেন, ‘দীর্ঘকাল ধরে এসব বিষয় গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও চিন্তা করার পর আমার যে দৃঢ় বিশ্বাস জন্মেছে তা হলো—বর্তমান মুসলিম উম্মাহের উপর চেপে থাকা শাসকদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের ফলে যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করা হয়, তা তাদের ক্ষমতায় বহাল থাকা ও ক্রমে শক্তিশালী হয়ে ওঠার ক্ষতির তুলনায় অনেক কম। কারণ মানুষ খুব দ্রুতই নিজেদের বিষয়াদি সুবিন্যস্ত করতে, নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং নিজেদের অধিকাংশ স্বার্থ সংরক্ষণ করতে সক্ষম। অন্যদিকে, এসব শাসনব্যবস্থার টিকে থাকার অর্থ হলো বর্তমান পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থেকে ক্রমেই অবনতির দিকে যাওয়া এবং শত্রুর আধিপত্য আরও সুদৃঢ় হওয়া। এসব ব্যবস্থা হয় আমাদের সরাসরি দখলদারির দিকে নিয়ে যাবে, নয়তো তাদের স্বৈরাচার অব্যাহত থাকবে এবং প্রতিটি দিন আগের দিনের চেয়ে আরও কঠিন হয়ে উঠবে। প্রকৃতপক্ষে, বৈশ্বিক ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত জাতিরাষ্ট্রভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা জনগণের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণকারী একটি কারাগার ছাড়া আর কিছু নয়। এই রাষ্ট্রব্যবস্থার কার্যকারিতা মূলত নির্ভর করে কারাগারটি কতটা সুরক্ষিত ও দুর্ভেদ্যভাবে পরিচালিত হচ্ছে তার ওপর। সমকালীন রাজনৈতিক পরিভাষায় “ব্যর্থ রাষ্ট্র” বলতে এমন রাষ্ট্রকে বোঝানো হয়, যে এই ভূমিকা পালনে সক্ষম নয়। অথচ অনেক মানুষ মনে করেন, জনগণকে মর্যাদাপূর্ণ জীবন দিতে ব্যর্থ রাষ্ট্রই “ব্যর্থ রাষ্ট্র”—বিষয়টি আসলে তা নয়। আজকের শাসকদের বাস্তবতার সঙ্গে ইতিহাসের সবচেয়ে কাছাকাছি যে দৃষ্টান্তটি পাওয়া যায়, তা হলো ইসলাম গ্রহণকারী মঙ্গোল শাসকদের দৃষ্টান্ত। তারা প্রকাশ্যে ইসলাম গ্রহণ করলেও তাদের শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তি ছিল চেঙ্গিস খানের বিধিবিধান। তারা সেসব আইনকানুনের ভিত্তিতেই বিচার-ফয়সালা করত। ইমাম ও আলেমরা তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার ক্ষেত্রে ইবনু তাইমিয়্যাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এমনকি মামলুকদের পতাকার অধীন তিনি নিজেও তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ইতিহাসবিদরা এ কারণেই তইমুর লংকে আলেমদের কর্তৃক কা*ফির ঘোষণার কথাও উল্লেখ করেছেন। ইবনে হাজার রহিমাহুল্লাহ বলেন, ‘সে চেঙ্গিস খানের বিধিবিধানকে অগ্রাধিকার দিত এবং সেগুলোকে মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করত। এ কারণে একদল আলেম তার কুফরের ফতোয়া দিয়েছিলেন, যদিও তার দেশে ইসলামের নিদর্শনগুলো প্রকাশ্য ছিল।’ আমাদের যুগে ঔপনিবেশিক শক্তি ও তাদের সহযোগীদের মাধ্যমে শরিয়াহর পরিবর্তন সাধিত হওয়ার পর থেকে বহু সমকালীন আলেমও এসব বিষয়ে সত্য কথা উচ্চারণ করেছেন। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে তাদের বক্তব্য ব্যাপকভাবে পরিচিতি লাভ করেনি। এর একমাত্র কারণ হলো—এসব শাসকের প্রবল ক্ষমতা ও দমননীতি এবং প্রচারমাধ্যম, সংস্কৃতি, শিক্ষা ও গণমাধ্যমের ওপর তাদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। এখানে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার অবকাশ নেই। আমরা বিষয়টি উল্লেখ করেছি একটি মাত্র উদ্দেশ্যে। তা হলো—যেসব আলেম নিজেদের গ্রন্থে ক্ষমতা দখলকারী শাসকের শাসন মেনে নেওয়ার কথা লিখেছেন, তারাই শরিয়াহর বিরোধিতা করে তা পরিবর্তনকারীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন এবং তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছেন। তারা ছিলেন দ্বীনদার ও সাহসী মানুষ; সমকালীনদের অনেকে যেভাবে তাদের কল্পনা করেন, তেমন কাপুরুষ ও মুনাফিক ছিলেন না।’ . সূত্র : খুলাসাতু তারিখিল ইসলাম, ৩/১০২-১০৪

বিশিষ্ট ইতিহাস বিশ্লেষক মুহাম্মদ ইলহামি তার “খুলাসাতুত তারিখ”-এর ৩য় খণ্ডে বলেন এই কথাগুলো! . যারা না বুঝেন তারাই বেচে গেছেন!
বিশিষ্ট ইতিহাস বিশ্লেষক মুহাম্মদ ইলহামি তার “খুলাসাতুত তারিখ”-এর ৩য় খণ্ডে বলেন এই কথাগুলো! . যারা না বুঝেন তারাই বেচে গেছেন!

উনি যাত্রাবাড়ী মাদরাসার শিক্ষক। আল্লাহ আলেমদের গোমরাহি থেকে আমাদের হেফাজত করুক। . প্রত্যেক ধ্বংসপ্রাপ্ত মুসলিম জনপদ ধ্বংস হওয়ার আগে এমনই মনে করতো, এটা-সেটার মাধ্যমে তো আমাদের রক্ষা হবে, কিন্তু আখের তারা ধ্বংসই হয়েছে। . ইতিহাস, অভিজ্ঞতা, শত শত বিজ্ঞ আলেম ও চিন্তাবিদরা যে আদর্শ ও চিন্তাকে ধ্বংসের কারণ বলে চিহ্নিত করে গেছেন, সেটাকেই এই ধরনের কিছু লোকরা বারবার ধোঁকা খাচ্ছে ও উম্মতকে ধোঁকা দিয়ে যাচ্ছে। . জাতীয়তাবাদ কস্মিনকালেও রক্ষাকবচ নয়। বরং মুসলিমদের ধ্বংসের হাতিয়ার। সাইয়েদ আবুল হাসান নদভি রহ. লেখেন- 'ধর্মের প্রতি যে পরিমাণ আবেগ-উদ্দীপনা, উচ্ছ্বাস-উত্তেজনা ও প্রশ্নাতীত পবিত্রতার অনুভূতি মানুষের অন্তরে থাকে, জাতীয়তাবাদের পক্ষে সেগুলো পূর্ণ মাত্রায় সক্রিয় ছিল; বরং বলা চলে, একটি নতুন ধর্মরূপেই যেন তা আত্মপ্রকাশ করেছিল।... জাতীয়তাবাদ নামক এ নতুন ধর্মের প্রথম বিশ্বাসই ছিল এই যে, জাতি ও জাতীয়তা হচ্ছে সবকিছুর উর্ধ্বে। আমার জাতির চেয়ে উত্তম এবং আমার দেশের চেয়ে সুন্দর কোনো দেশ ও জাতি পৃথিবীতে নেই।’ মুফতি তাকী উসমানি দা. বা. লেখেন- 'জাতীয়তাবাদের দর্শন মূলত সেক্যুলার গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত। যার সাথে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। রাজনৈতিক ঐক্যের জন্য তার (সেক্যুলার গণতন্ত্রের) নিকট কোনো মৌলিক ভিত্তি নেই। তাই ঐক্যের জন্য তারা দেশ ও গোত্রকে ঐক্যের ভিত্তি রেখেছে। আর এটাই হলো সেই মূর্তি যা মুসলিম উম্মাহকে টুকরো টুকরো করে দিয়েছে। ইতিহাসের যত জায়গায় মুসলমানরা লাঞ্ছিত ও পরাজিত হয়েছে, সব জায়গায় জাতীয়তাবাদী স্লোগানই ছিল তার আসল কারণ।’ . জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে “ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা” বইটি পড়া যেতে পারে।

photo content

একজন মুহাদ্দিস হাদিস পড়াচ্ছেন আর তার দরসে একজন মন্ত্রী উপস্থিত হয়ে হাদিস শ্রবণ করছেন! . এগুলো বইয়ের পাতায় পড়েই অভ্যস্ত ছিলাম আমরা। কিন্তু আল্লাহর শুকরিয়া যে, বইয়ের পাতার ঘটনাগুলো আজ আমাদের সামনে জীবন্ত হয়ে ধরা দিয়েছে! . আফগানিস্তানের প্রখ্যাত আলেম মুফতি নাজিবুল্লাহ সাহেব সহিহ বুখারির দরস প্রদান করছিলেন। সেখানে তার দরসে উপস্থিত হয়ে মনোযোগ দিয়ে দরস শ্রবণ করছিলেন আফগানিস্তানের পরিবহন ও বেসামরিক বিমান চলাচলমন্ত্রী হাজি মোল্লা ফাজিল আখুন্দ। .

যারা আরবী পারেন তারা নিচের এই আলোচনাটা মিস কইরেন না। ইনশাআল্লাহ, ইসলামের ব্যাপারে দৃঢ়তা, নিজের চিন্তার জগতে একটা পরিবর্তন পাবেন। https://youtu.be/viZjmgx8C5Q?si=78kKbkT_Tp-XePAs

photo content

🙂
🙂

মিস দিয়েন না।
মিস দিয়েন না।

photo content

রাহমানি সাহেবের বয়স হয়েছে তাই তিনি অভিজ্ঞ হয়েছেন। তার বক্তব্যটা এখন আপনার কাছে পরিপক্ক মনে করছেন; অথচ আপনারই এখনো বয়স হয় নাই। হতে পারে আরেকটু বয়স হলে রহমানি সাহেবের এই বক্তব্যটাও আপনার কাছে অপরিপক্ক মনে হবে। আবার এও হতে পারে আপনার মূলনীতি অনুযায়ী রাহমানি সাহেবের আরেকটু বয়স হলে, অভিজ্ঞতা বাড়লে - তিনি নিজেই এই মতামত বদলে ফেলছেন। তখন কী বলবেন? আসলে অভিজ্ঞতা আর পরিপক্কতা কিছুই না। আমার মতের সাথে মিললে সেটাই অভিজ্ঞতা লব্ধ আলাপ; আর না মিললে সেটার কোনও ভেল্যুই নেই। ©মহিউদ্দিন কাসেমী ভাই

বুরকিনা ফাসোর ইবরাহিম ত্রাওরেকে যখন হিরো হিসেবে মিডিয়াতে উপস্থাপন করা হয়, তখন আমরা স্পষ্ট করেই তো বলেছিলাম, সেখানের উদীয়মান ইসলামি শক্তির বিজয়কে আটকানোর জন্যই মূলত একে হিরো বানানো হচ্ছে। অথচ এখন আমাদের উপরই ইলজাম দেওয়া হচ্ছে, আমরা নাকি ওরে গণতন্ত্রের বিরোধিতার কারণে হিরো বানিয়েছি! মিথ্যাই যখন হাতিয়ার তখন আর আসলে আলোচনার কোনো ফায়দা থাকে না। ফেসবুকের এক প্রবাসী বিশ্লেষক ভাইকে দেখি, জামাতের ভাইদের মত খুব চমৎকার করেই অন্যদের নামে মিথ্যাচার করতে পারেন। . যাইহোক, ত্রাওরে মিয়া যখন দেখলো ইসলামি লেবাস লাগিয়েও ইসলামপন্থীদের বিজয় থামানো যাচ্ছে না। আলেম-ওলামাদের সশস্ত্র গোষ্ঠী থেকে দূরে সরানো যাচ্ছে না, তখন সে বুঝে গেছে, গুপ্ত থেকে আর লাভ নাই। ইসলাম বিদ্বেষের প্রকাশ্য রূপই কার্যকর। বাস, সে তাই করেছে। এটা সাময়িকভাবে সেই অঞ্চলের মুসলামানদের হয়তো কিছুটা কষ্ট দিবে, কিন্তু তার গুপ্ত থেকে প্রকাশ্যে আসাটা ইনশাআল্লাহ, দীর্ঘ মেয়াদে সেখানের মুসলমানকদের ফায়দাই দিবে।

সেক্যুলারিজমের ইসলামি দৃষ্টিকোণ সেক্যুলারিজমের ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার পূর্বে ইসলাম গ্রহণযোগ্য হওয়ার চারটি শর্ত আমাদের ভালোভাবে বুঝতে হবে, যেগুলো ছাড়া ঈমান ও ইসলাম গ্রহণযোগ্য নয়: ১) ইসলাম ও তার প্রতিটি বিধানের প্রতি পরিপূর্ণ সন্তুষ্টি ও পূর্ণাঙ্গ ভালোবাসা রাখা, ২) দ্বীনের প্রতিটি বিষয়কে সম্মান ও মহত্ত্বের দৃষ্টিতে দেখা, ৩) শরিয়তের বিধিবিধানের সামনে পরিপূর্ণ আত্মসমর্পণ করা, ৪) ইসলাম ছাড়া অন্য সকল ধর্ম থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করা এবং সেগুলোকে ঘৃণা করা। এই চারটি বিষয় ঈমানের আবশ্যকীয় অংশ। এখানের কোনো একটি কারও থেকে ছুটে গেলে, সে ইসলামের গণ্ডি থেকে বের হয়ে যাবে। বিষয়টি আরও স্পষ্ট হওয়ার জন্য এখানে একটি নুকতা মনে রাখা প্রয়োজন। তা হলো, ইসলামের যেকোনো বিধান, যদি তা অকাট্যভাবে প্রমাণিত হয়ে যায় তাহলে তার ক্ষেত্রে উপর্যুক্ত শর্তসমূহ-সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা, সম্মান ও মহত্ত্ব স্বীকার, আত্মসমর্পণ-প্রযোজ্য হবে। প্রমাণিত কোনো একটি বিধানের ক্ষেত্রেও যদি এই শর্তগুলোর কোনো একটি অনুপস্থিত থাকে, তাহলে ঈমান ও ইসলামের দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না, যদিও ইসলামের অন্য সকল বিধান মনেপ্রাণে মেনে চলা হয়। উদাহরণত, কোনো ব্যক্তি ইসলামের সকল বিধান উপযুক্ত শর্তাবলির আলোকে গ্রহণ করে নিয়েছে, কিন্তু সুদের বিধানের বিষয়ে সে সন্তুষ্ট না, বা সন্তুষ্ট কিন্তু এটা নিয়ে সে হাসি-মজাক করে, তাহলে ইসলামের সকল বিধান মেনে নেওয়া সত্ত্বেও সে শরিয়তের বিধান অনুযায়ী কাফের বলে গণ্য হবে। এখন সেক্যুলারিজমের পুরো বাস্তবতাকে যদি আমরা এই চারটি শর্ত বা মূলনীতির আলোকে ওপরের নুকতা সামনে রেখে পর্যালোচনা করি, তাহলে এই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায় যে, সেক্যুলার মতবাদে এই চারটি মূলনীতি সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। এই মতবাদটি দ্বীনের শুধু একটি-দুটি নয়; বরং অধিকাংশ বিধানের সাথেই বিদ্বেষমূলক অবস্থান গ্রহণ করেছে। রাজনীতি, শাসনব্যবস্থা, ব্যবসা, অর্থনীতি, শিক্ষা, বিবাহ ও সামাজিক অন্যান্য সম্পর্কসহ ইসলামের প্রতিটি অধ্যায়ের সাথেই সেক্যুলারিজমের রয়েছে অবজ্ঞা ও ঘৃণার সম্পর্ক; বরং ইসলাম ধর্মকে সে একটি অনুপযুক্ত ধর্মই জ্ঞান করে থাকে। এখানে একটি কথা বিশেষভাবে মনে রাখা প্রয়োজন যে, মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রগুলোতে যদিও সেক্যুলার মতবাদ প্রতিষ্ঠিত, কিন্তু এখানকার অধিকাংশ মুসলিমের কাছে সেক্যুলার মতবাদ তার পূর্ণ বাস্তবতা ও উদ্দেশ্যসহ স্পষ্ট নয়। যার কারণে তারা সেক্যুলারিজমের স্বীকারোক্তির পাশাপাশি দ্বীনের অকাট্য বিধানগুলোকে স্বীকার করে এবং ইসলামের প্রয়োজনীয়তা ও শ্রেষ্ঠত্ব নিয়ে কোনো রকম দ্বিধায় থাকে না। প্রতারণাপূর্ণ সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যাগুলো সামনে রেখেই সে সেক্যুলারিজমের কথা বলে। তাই সেক্যুলারিজমের কথা বললেই কাউকে ঢালাওভাবে কাফের বলা অনুচিত ও অসতর্কতামূলক একটি কাজ। সুতরাং সেক্যুলারিজমে বিশ্বাসী কাউকে সুনির্দিষ্টভাবে কাফের বলা থেকে যেমন বেঁচে থাকা উচিত, তেমনি এই কথাও সকলকে জানিয়ে দেওয়া একটি ঈমানি দায়িত্ব যে, সেক্যুলারিজম একটি কুফরি মতবাদ এবং যারা সেক্যুলারিজমের বাস্তবতা অনুধাবন করার পরেও তা সমর্থন করবে, বা তা বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে যাবে অথবা এটাকে একটি উন্নত কিছু মনে করবে, সে কাফের বলেই বিবেচিত হবে। বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা লেখক: আব্দুল্লাহ বিন বশির মূল্য: ৩৬০৳ (২৫% ছাড়ে!)

photo content

যে দেশে ইসলাম ও মুসলমান কোনঠাসা, সেই দেশের আলেমদের চিন্তাভাবনা ইসলামের নিরাপদ দেশের জন্য সবসময় উপযুক্ত হবে না। দারুল কুফর ও দারুল ইসলামের আলেমদের চিন্তাভাবনার মধ্যে পার্থক্য থাকবেই। তাই নিজেদের দেশের অবস্থা সবচেয়ে ভালো বুঝেন সেই দেশের আলেমগণ। ইতিহাস বলে, শতশত বছর ইসলাম ও কুফর পাশাপাশি থাকার ফলে মুসলমানরা বারবার কুফরের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। মুসলমানদের চিন্তাভাবনারও যুগে যুগে সংশোধন করতে হয়েছে। এ সংশোধনের পরিসরে আলেমগণও শামিল ছিলেন। নবীজি ﷺ এর মক্কি জীবনের অবস্থান এবং মাদানী জীবনের অবস্থান এক ছিল না; উভয়ের বাস্তবতা ছিল ভিন্ন। এই পার্থক্যটি অনুধাবন করতে পারা অত্যন্ত জরুরি। ©

হিযবুত তাওহীদ নামক এই যিন্দিকদের জামাত মুসলমানদের জন্য এক বিশাল ফিতনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলো আমরা ওদের নিয়ে সচেতনই
হিযবুত তাওহীদ নামক এই যিন্দিকদের জামাত মুসলমানদের জন্য এক বিশাল ফিতনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলো আমরা ওদের নিয়ে সচেতনই হচ্ছি না। . নোয়াখালীতে ওদের কার্যক্রম অনেক অনেক বেশি। তাই নোয়াখালীর কিছু সচেতন আলেমের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানটি হবে আগামী এক তারিখ। . প্রত্যেক ভাইদের কাছে আবেদন, এই অনুষ্ঠানকে একটি জাতীয় ইস্যুতে পরিনত করতে সহযোগিতা করুন।

আমাদের কাশ্মীরের মুসলিম প্রেম এমনই। পাকিস্তানে মারলে কুচ পরওয়া নেহি। ইন্ডিয়ায় মারলেই প্রেম জেগে উঠে
আমাদের কাশ্মীরের মুসলিম প্রেম এমনই। পাকিস্তানে মারলে কুচ পরওয়া নেহি। ইন্ডিয়ায় মারলেই প্রেম জেগে উঠে