es
Feedback
Writing-Therapy🌻

Writing-Therapy🌻

Ir al canal en Telegram

This is Sharin Shafi Odrita's Sadaqaye Jariyah storage as form of her personal write-ups Alhamdulillah 👉🏼https://t.me/Writing_Therapy

Mostrar más

📈 Análisis del canal de Telegram Writing-Therapy🌻

El canal Writing-Therapy🌻 (@writing_therapy) en el segmento lingüístico de Bengalí es un actor destacado. Actualmente la comunidad reúne a 12 911 suscriptores, ocupando la posición 6 801 en la categoría Religión y espiritualidad y el puesto 1 796 en la región Bangladesh.

📊 Métricas de audiencia y dinámica

Desde su creación el невідомо, el proyecto ha mostrado un crecimiento acelerado, reuniendo a 12 911 suscriptores.

Según los últimos datos del 01 septiembre, 2026, el canal mantiene una actividad estable. En los últimos 30 días la variación de miembros fue de 59, y en las últimas 24 horas de 0, conservando un alto alcance.

  • Estado de verificación: No verificado
  • Tasa de interacción (ER): El promedio de interacción de la audiencia es 17.43%. Durante las primeras 24 horas tras publicar, el contenido suele obtener 6.17% de reacciones respecto al total de suscriptores.
  • Alcance de las publicaciones: Cada publicación recibe en promedio 2 250 visualizaciones. En el primer día suele acumular 797 visualizaciones.
  • Reacciones e interacción: La audiencia responde de forma activa: el promedio de reacciones por publicación es 48.

📝 Descripción y política de contenido

El autor describe el recurso como un espacio para expresar opiniones subjetivas:
This is Sharin Shafi Odrita's Sadaqaye Jariyah storage as form of her personal write-ups Alhamdulillah 👉🏼https://t.me/Writing_Therapy

Gracias a la alta frecuencia de actualizaciones (últimos datos recibidos el 02 septiembre, 2026), el canal mantiene la vigencia y un amplio alcance. La analítica demuestra que la audiencia interactúa activamente con el contenido, lo que lo convierte en un punto de referencia dentro de la categoría Religión y espiritualidad.

12 911
Suscriptores
Sin datos24 horas
+137 días
+5930 días
Archivo de publicaciones
আপনি কি জানেন, দাম্পত্যে বারাকাহ' প্রি অর্ডার করলে 'পবিত্র ভালোবাসার দুআ সমগ্ৰ' মিনি বুকটা গিফট পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ? বইটা আসমাউল হুসনা মিনিবুকের মতন। বিশেষ করে কিশোর/কিশোরী/পরকীয়ার আসক্তদের মাঝে ব্যাপক ভাবে দাওয়াতি প্রচারণার জন্য ছোট এই দাওয়াহ মিনি বুকটা ব্যবহার করতে পারবেন, ইন শা আল্লাহ... আর দাম্পত্যে বারাকাহ' প্রি অর্ডার করলে আপনি এমনি পেয়ে যাবেন বইটা উপহার! 📌 কোথা থেকে প্রি অর্ডার করবেন? আপনার যে কোন পছন্দের বুকশপে পাবেন ইনশাআল্লাহ এই পেইজগুলোতে নক দিয়েই অর্ডার করতে পারেন ইন শা আল্লাহ ১) Ilma Emporium ২) দ্বীনি বুকশপ ৩) Iffah Shop ৪) Nobarun Empire ৫) পর্দা - Online Shop আর‌ কোন কোন পেইজ প্রি অর্ডার নিচ্ছেন? কি কি অফার বা, কন্টেস্ট রাখছেন ? সব কমেন্ট বক্সে শেয়ার করে যান।‌ আমি তো সব বুকশপের কথা জানি না/ চিনি না। আপনারাই জানিয়ে দিন তাহলে আমার পাঠকদের সুবিধা হবে, ইন শা আল্লাহ। #PreOrderNow #Alhamdulillah

photo content

আপনি কি জানেন যে, সমসাময়িক সময়কার সাইকোলজির গবেষণাগুলো থেকে জানা গিয়েছে যে, "যদি আপনি একজন ধার্মিক মানুষ হোন, যদি আপনি নিয়মিত একজন সুপ্রিম সৃষ্টিকর্তার সাথে আপনার কানেকশোন বজায় রাখেন, তাহলে ইতোমধ্যে আপনার জীবনে ডিপ্রেশনের রিস্ক ৩ গুণ বেশি কমে যায়?" সুবহানআল্লাহ! বিখ্যাত Neurscientist Dr. Daniel Amen এর একটা পডকাস্টে তিনি এই কথাগুলো বলছিলেন, আমি অবাক হয়ে শুনছিলাম ... কি অবাক কাণ্ড, তাই না? সাদা চামড়ার বয়স্ক একজন ভদ্রলোক দুনিয়া কাঁপানো রিসার্চ করে যে বিষয়গুলো খুঁজে পাচ্ছেন, সেগুলোই আমার এবং আপনার মতন সাধারণ সাদামাটা মানুষেরা প্রতিদিন অসংখ্যবার করে জায়নামাজে উপভোগ করতে পারছি! দুই হাত তুলে উপভোগ করতে পারছি বিনা পয়সায়! সুবহানআল্লাহ! হে আল্লাহ, আমরা আপনার কোন কোন নিয়ামতকে অস্বীকার করবো? #রাইটিং_থেরাপি শারিন

photo content

Do you feel truly happy, or just busy surviving?

যে কথাগুলো নিজেকে মনে করিয়ে দেয়া প্রয়োজন -- ১। জীবন সবসময় সরলরেখায় চলবে না। সব দিন সমান হবে না। তবুও তো কিছুই কারো জন্য থেমে থাকে না। ধীরে ধীরে চলাও তো একরকমের চলা। ছোট ছোট কদমও একদিন বড় পরিবর্তনের দিকে নিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ আমার চেষ্টাটুকুও দেখছেন। ২। কখনো কখনো আমার মন খুব এলোমেলো হয়ে যায়। কিন্তু আমার জীবনের সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেলেও আল্লাহর পরিকল্পনা কখনো এলোমেলো হয় না। আমি সব না বুঝলেও, তিনি সবকিছু নিখুঁতভাবেই সাজিয়ে দিচ্ছেন। ৩। আজকে হয়তো আমি নিজের চোখে নিজের ভেতরের সৌন্দর্য, সম্ভাবনা বা অগ্রগতি কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। কিন্তু আল্লাহ এমন অনেক কল্যাণ আমার ভেতরে রেখে দিয়েছেন, যা জায়গামতন রয়েছে এবং সময়মতন ঠিকই ফুটে উঠবে। আমি হাল ছেড়ে দিবো না। ৪। আমি যা যা কষ্টের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি, তা কোনটাই বৃথা না। এই কঠিন সময় আমার ঈমান, ধৈর্য, দুআ, আর আল্লাহর দিকে ফিরে আসাঢ় চেষ্টাকে আরো গভীর করছে। প্রতিটি অশ্রুরও হিসাব আছে আমার রবের কাছে। ৫। আমার জীবনে যা হারিয়ে গেছে, তার জন্য মন খারাপ হতেই পারে, আমার মন কাঁদতেই পারে। সাথে সাথে আমি এটাও মনে রাখি, আল্লাহ যখন কিছু আমার জীবন থেকে সরিয়ে দেন, তখন অনেক সময় তার জায়গা খালি রাখেন না; বরং আরো কল্যাণকর কিছু রাখার জন্যই জায়গা তৈরি করেন। ৬। আমার গুরুত্ব যদি কেউ না বুঝে, তাতেই কিন্তু আমার মূল্য কমে যায় না। আমার সম্মান, আমার মর্যাদা, আমার বিশ্বাস, আমার সংগ্রাম—সবকিছুই আল্লাহর কাছে গুরুত্বপূর্ণ যদি ভালো নিয়তে করি। ৭। কোনো দুআই আকাশে মিলিয়ে যায় না। আল্লাহ সঠিক সময়, সঠিক পদ্ধতিতে, সঠিক ফলাফলের মাধ্যমে উত্তর দেন। আমার কাজ হলো দরজায় কড়া নাড়া বন্ধ না করা। ৮। আমি হয়তো বহুবার ভেঙে পড়েছি, কিন্তু প্রতিবার উঠে দাঁড়ানোর তাওফীকও তো আল্লাহই দিয়েছেন। তাহলে এবারও তিনি আমাকে সামলে নেবেন, ইনশাআল্লাহ। আমি আমার রবকে নিয়ে ভালো ধারণাই রাখি। ৯। আজকে আমার চারপাশে অন্ধকার বেশি মনে হতে পারে। কিন্তু আমি জানি, অন্ধকার মানেই পথ শেষ না। অনেক সময় আলো আসার আগের সময়টাই সবচেয়ে নীরব, সবচেয়ে কালো এবং সবচেয়ে কঠিন হয়। আমি অপেক্ষা করবো, আশা রাখবো ইনশাআল্লাহ। ১০। আমি অন্য কারো জীবনের সাথে নিজের জীবনের তুলনা করে ক্লান্ত হবো না। আল্লাহ আমাকে নিয়ে আলাদা একটা গল্প লিখছেন। আলাদা পরীক্ষা, আলাদা সৌন্দর্য দিয়ে সৃষ্টি করেছেন আমার জীবনের পরিকল্পনা। আমার পথও আলাদা, আর আমার রবই আমার জন্য যথেষ্ট। #রাইটিং_থেরাপি #একগুচ্ছ_প্রশান্তি শারিন

photo content

যে কথাগুলো নিজেকে মনে করিয়ে দেয়া প্রয়োজন -- ১। আমার কি খুব আশাহত লাগছে নিজের ব্যপারে? ওয়েল, আল্লাহ চাইলে আমার একদম ভেঙ্গে যাওয়া অংশ থেকেও সবচেয়ে সুন্দর পরিশোধিত একটি অধ্যায় শুরু করিয়ে দিবেন। আল্লাহর রহমত থেকে আমি কখনো হতাশ হবো না। আমি আবার নতুন করে শুরু করবো ইনশাআল্লাহ। ২। হয়তো আজকে আমার কোন কারণে খুব দুর্বল লাগছে। আমি যতই দুর্বল বোধ করি না কেন, আমার রবের সাহায্য ও শক্তি আমার দুর্বলতার চেয়েও অনেক বড়। ৩। আমার সব প্রশ্নের উত্তর আমি আজকে পাবো না। সব উত্তর আজকে না পেলেও সমস্যা নেই। কিছু দরজা সময় হলেই খুলবে। দুআ এবং সবর তো আমার জীবনের অলংকার। ৪। মানুষ আমার বর্তমান অবস্থাটুকু বাইরে থেকে সামান্যই দেখছে। আমার রব, আল্লাহ আমার পুরো পথটাই জানেন। তিনি আমাকে সবচেয়ে ভালো বোঝেন। তিনি জানেন আমাকে কোথা থেকে কোথায় কল্যাণকর ভাবে পৌঁছে দিতে হবে, কোথায় গেলে আমার ক্লান্ত আত্মার শান্তি মিলবে, সবই তাঁর ইলমে আছে। আমি তাঁর উপরেই দৃঢ় তাওয়াককুল করলাম। আল্লাহর উপর ভরসা শুধু মুখে বললেই তো হবে না। আমি এবার আমল করলাম ইনশাআল্লাহ। ৫। আমার জীবনে অনেক বিষয়েই দেরিতে হতে পারে, কিন্তু আল্লাহর পক্ষ থেকে কোন কিছুই ভুল সময়ে আসে না। আমি আল্লাহর টাইমিং এর উপর ভরসা রাখি, এই টাইমিংকে স্বাগত জানাই। আমি হতাশ না হয়ে আশা ধরে রাখি, ইনশাআল্লাহ। #রাইটিং_থেরাপি #একগুচ্ছ_প্রশান্তি শারিন

photo content

আমি কীভাবে বললে আপনারা বুঝবেন আমি শিওর না, তবে প্লিজ ছোট ছোট বাচ্চাদের অল্পতেই হাতে স্ক্রিন দিয়ে দিবেন না। বিশেষ করে ২ বছরের ছোট বাচ্চাদেরকে তো একদমই স্ক্রিন দিবেন না। অসম্ভব ক্ষতি হয়ে যায় ওদের মগজের, ওদের মানসিক বিকাশ, শারীরিক বিকাশ খুব খারাপ ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এত ছোট বাচ্চাদের মস্তিষ্ক স্ক্রিনের দ্রুতগতিতে চলতে থাকা কার্টূন বা, এনিমেশন হ্যান্ডেল করতে পারে না। এতে ছোটমনিদের ব্লাড প্রেশার বেড়ে যায়, ওদের ভেতরের স্ট্রেস বেড়ে যায়, হয়তো ঐ কিছুক্ষণ তারা চুপচাপ বসে থাকবে, কিন্তু এরপর আরো চঞ্চল আচরণ করবে কারণ আপনি তাদের unsupervised ভাবে স্ক্রিন দেখতে দিয়েছেন। আমি জানি, স্ক্রিন ছাড়া অনেক কষ্ট হয়। অনেক ক্লান্তি লাগে। কিন্তু, আপনি খুব টায়ার্ড, সেজন্য কি আপনার বাচ্চাকে একটা ছুড়ি দিয়ে খেলতে দিবেন? এই কথাগুলো একটু শুনুন, দেখুন কেমন লাগে?? 'আপু, কিছুতেই কাজ হচ্ছে না, তার চেয়ে সন্তানের হাতে একটা ছুঁড়ি দিয়ে আমি একটু রেস্ট করি ? আমি কি করতে পারি আপু, আমি তো দিতে চাই না, কিন্তু অন্য মানুষ ওর হাতে ছুঁড়ি দিয়ে দিলে আমার কি করার আছে? ছুঁড়ি টা হাতে দিলেই একমাত্র চুপ করে খাবার খায়, সেজন্য খাওয়ার সময় ধারালো ছুঁড়ি দিয়ে খেলতে দেই ... দেখুন কেমন লাগে শুনতে? আপনারা কেউ কি কখনো কোনদিন এই অজুহাতে ধারালো ছুঁড়ি ধরিয়ে দিবেন আপনার সোনামণির হাতে? দিবেন না । অথচ এই অজুহাতে আমরা ওদের হাতে স্ক্রিন দিয়ে দিচ্ছি, এই স্ক্রিন ওদের জন্য ধারালো ছুড়ির চেয়েও খারাপ। ওদের ক্ষতি করে। কয়দিন আগে শুনলাম, একজন মা এমন ভাবে তার বাচ্চাকে দিনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা, ৭ ঘণ্টা, ১০ ঘণ্টা ধরে স্ক্রিন দেখতে দিত যে বাচ্চাটার চোখ ব্ল্যাংক হয়ে মাথা হ্যাং হয়ে যেত। কিছু দিন আগে এই ৫ বছরের বাচ্চাটা নাকে- মুখে রক্ত উঠে মারা গিয়েছে!! ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন ... বাচ্চাটার আরো কিছু বিহেভিয়ার/ অসুখ/ সমস্যা ছিল, কিন্তু এই অনিয়ন্ত্রিত স্ক্রিন দেখা একটা বিগ ফ্যাক্টর !! ঘরে ঘরে এখন বাচ্চাদের ADHD, এগ্রিসেভনেস এত বেড়ে গেছে, ওদের সোশাল স্কিল এতো কমে গেছে, ম্যানার্স কমে গেছে, এর পেছনে স্ক্রিন এর ভূমিকা আছে ... প্লিজ এভাবে বাচ্চাদের কষ্ট দিয়েন না!! আমি জানি আপনারা আপনাদের বাচ্চাদেরকে সবচেয়ে ভালোবাসেন, হয়তো কতটা গুরুতর ক্ষতিকর এটা বুঝতে পারছেন না দেখেই, স্ক্রিন দিয়ে দিচ্ছেন অনায়াসে। এটা স্টপ করতেই হবে। এই বাচ্চাগুলো আপনার কাছে পাঠানো আল্লাহর আমানত। আল্লাহ আপনাকে অবশ্যই এই সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে, তখন কি উত্তর দিবেন আল্লাহর কাছে? এখন প্রশ্ন আসতে পারে, স্ক্রিন না দেখিয়ে কীভাবে রাখব? এটা খুব কঠিন কাজ। এটার কোন শর্ট কাট নেই। আপনাকে পরিশ্রম করতে হবে। কষ্ট হবে। তবে এই অল্প কয়েক বছরের কষ্ট হয়তো আপনাকে সারাজীবনের কান্না থেকে বাঁচিয়ে দিবে ... ছবি গুলো দেখেন... আমি আমার ২ বছরের বাবুর সাথে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে এঁকেছি, সে আমাকে বলেছে একটার পর একটা বলে গেছে, "আম্মু কাশি আঁকো ... " "আম্মু চিনি আঁকো ... " "আম্মু, হালাল আঁকো ... " "আম্মু, বুম-বুম আঁকো ..." "আম্মু, ব্যথা আঁকো, ব্যথা ... " ওয়েল সুবহানআল্লাহ! আপনাকেও হয়তো বসে বসে 'ব্যথা', হালাল আঁকতে হবে, একই বই আপনাকে ১৫ বার পড়ে শোনাতে হবে, বাসা ভীষণ অগোছালো থাকবে, এটার সাথে অভ্যস্ত হয়ে যেতে হবে, বাচ্চার সাথে সাবানের ফেনা দিয়ে খেলতে হবে ... বাচ্চার সাথে কালারিং করতে করতে হবে ... ছাদে নিয়ে গিয়ে খেলতে হবে ... প্রচুর প্রচুর গল্প করতে হবে, নিজের স্ক্রিন-টাইম কমিয়ে খিল খিল করে হাসতে হবে বাচ্চার সাথে ... ছেঁড়া বই, ময়লা কাপড়, এগুলো চলবে ... তবে এই কষ্টটা সাময়িক। এই একই জার্নিতে যে কি তৃপ্তি, আনন্দ এবং বারাকাহ আল্লাহ রেখেছেন, সেটাই ঐ সাময়িক কষ্টগুলোকে স্বস্তিতে বদলে দেয়। সো প্লিজ মায়েরা, বাবারা! রেডি হয়ে যান আপনার বাচ্চাদের এই পৃথিবীর সেরা শৈশব এবং সেরা তারবিয়াহ দিতে রেডি হয়ে যান ... কারণ, এর ব্যপারে আপনি জিজ্ঞাসিত হবেন, আমিও জিজ্ঞাসিত হবো। আল্লাহ আমাদেরকে, আমাদের সন্তানদেরকে হেফাজত করুন যেন সবাই জান্নাতের বাগানে একসাথে থাকতে পারি। #প্যারেন্টিং #রাইটিং_থেরাপি © শারিন

photo content

নিজেকে মনে করিয়ে দিন -- ১) আজ যে বিষয়টা আমাকে খুব কষ্ট দিচ্ছে, আল্লাহ চাইলে একদিন সেই বিষয়টাই আমার ঈমান, সবর আর শক্তির সবচেয়ে সুন্দর গল্প হবে, ইনশাআল্লাহ। ২) আমি হয়তো এখন পুরো পিকচারটা দেখতে পাচ্ছি না, কিন্তু আমার রব ঠিকই জানেন কোন ঘটনাপ্রবাহগুলো আমাকে শান্তি ও কল্যাণের দিকে নিয়ে যাবে। ৩) আমার অনেক দেরি হয়ে যাচ্ছে মনে হলেও, আল্লাহর কাছে কিছুই দেরি নয়; তিনি সঠিক সময়েই সবকিছু সুন্দরভাবে খুলে দেন। ৪) আমি ভেঙে পড়তে পারি, কিন্তু আমার ভয় নেই। কারণ আমাকে আবার তুলে দাঁড় করানোর জন্য আমার রব, আল্লাহই যথেষ্ট। ৫) মানুষের তৈরি দরজাগুলো বন্ধ হয়ে গেলেও আমি নিরাশ নই, কারণ আসমানের দরজা এখনো আমার জন্য খোলা আছে। ৬) আমি যা হারিয়েছি, তার জন্য কষ্ট পাই ঠিকই; কিন্তু আমি জানি, আল্লাহ চাইলে এই হারানোর ভেতরেও আরো উত্তম কিছু পাওয়ার পাওয়ার রহস্য লুকিয়ে রাখেন। ৭) আমার দুআগুলো কোনটাই হারিয়ে যায়নি; সেগুলো আরশের নিচে পৌঁছেছে, আর আমার রব সেগুলোর উত্তম জবাব ঠিকই নির্ধারণ করে রেখেছেন। আমি এগুলোর প্রকাশ দেখবো, যখন এটা দেখা আমার জন্য উত্তম, ইনশাআল্লাহ। ৮) আজ আমি হয়তো অনেক ক্লান্ত। আমার আল্লাহ ঠিকই আমার অব্যক্ত কষ্ট, অদেখা যুদ্ধ আর নীরব ধৈর্য— এগুলো কোনটাই তাঁর দৃষ্টির অগোচরে নয়। ৯) আমি হয়তো মানুষকে আমার ব্যথার গভীরতা বোঝাতে পারি না, কিন্তু এই গভীরে না পৌঁছালে হয়তো আজকে এতটা স্ট্রং হতে পারতাম না। ১০) আমার জীবনে যা কিছু আটকে আছে বলে মনে হচ্ছে, হয়তো তার ভেতরেই আল্লাহ আমাকে গুনাহ থেকে, ভুল সিদ্ধান্ত থেকে, কিংবা বড় ক্ষতি থেকে বাঁচিয়ে রাখছেন। ১১) আমি এখনো ভালো কিছুর অপেক্ষায় আছি, কারণ আমি এমন একজন রবের ওপর ভরসা করি, যিনি বান্দার আশা কখনোই বৃথা যেতে দেন না। #রাইটিং_থেরাপি শারিন

photo content

যে বোনগুলো এই পরীক্ষার মধ্যে আছেন, তাদের বলি, নিজেকে বিছিন্ন করবেন না, হতাশাকেই নিজের personality বানাবেন না। এই একটা বিষয়কে কেন্দ্র করে জীবনের সবকিছুকে পরিমাপ করবেন না। আল্লাহর রহমত অনেক ব্যপক। marriage anxiety-কেই আপনার identity বানাবেন না। আপনার মাঝে এখনো যথেষ্ট ভ্যালু আছে। আপনি এখনো capable আলহামদুলিল্লাহ। আপনি এখনো beautiful in the sight of Allah কারণ আল্লাহ আপনাকে সেরা আকৃতিতে বানিয়েছেন। এবং আপনার জীবনে এখনো অনেক খায়ের এবং ভালো ভালো বিষয় চলমান আছে— যদিও আপনার মন এই মুহূর্তে শুধু একটা না-পাওয়া জিনিসই দেখতে পাচ্ছে। বিয়ের জন্য দুয়া চলবে, চেষ্টা চলবে, halal means ব্যবহার হবে—কিন্তু এর ফাঁকে ফাঁকে জীবন থামিয়ে রাখা যাবে না। productive থাকাটাও জরুরি, কারণ stagnant মন এবং অলস মস্তিষ্কে শয়তানের কারখানা জমা হবে! ঐ অবস্থায় আপনি খুব দ্রুত waswasa-র শিকার হবেন। তাই আপনার জন্য ধীর স্থির থাকাটাও জরুরি। কারণ মনের অস্থিরতা সিদ্ধান্ত নষ্ট করে। আর আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক শক্ত রাখা সবচেয়ে জরুরি! এটাই আপনার লাইফ-লাইন। এটাই আপনার অক্সিজেন। এটাই আপনাকে সকল অন্ধকার থেকে আলোতে নিয়ে আসবে, তাই আল্লাহর সাথে সম্পর্কটা ধরে রাখবেন, যত যাই হোক। মানুষ না বুঝলেও আপনার রব বোঝেন। একটা মানুষ যে কতটা চুপচাপ হয়ে যেতে পারে, কীভাবে মনের ক্ষততে মলম লাগিয়ে লাগিয়ে বারবার অপেক্ষা করে, কতটা চুপচাপ নিজেকে বোঝায়, নিজেকেই কাউন্সেলিং করে, নিজেই জায়নামাজে পানি ফেলে --- এগুলো সব ফেরেশতারা লিখে রাখছে আপনার জন্য -- ইনশাআল্লাহ আপনার গুড-ডিডস হিসেবেই লেখা হবে! এই তো আর অল্প কয়টা দিন! প্রিয় বোন, প্রিয় পাঠক ... আপনার গল্প এখনো শেষ হয়নি ইনশা-আল্লাহ! আর আজকে যে বিষয়টা আপনাকে মুহুর্তে মুহুর্তে কাঁদাচ্ছে, খুব সম্ভব একদিন সেটার দিকেই তাকিয়ে আপনি বলবেন, 'ভাগ্যিস! আল্লাহর টাইমিং টাই তো পারফেক্ট ছিল, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ সঠিক সময়েই আমাকে সঠিক ব্লেসিংটা দিয়েছেন।” #রাইটিং_থেরাপি শারিন

আমাদের বোনদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন, যারা বিয়ের বিষয়টা নিয়ে গভীর কষ্ট, অস্থিরতা, হতাশার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। নিদারুণ এক অদৃশ্য মানসিক চাপের মধ্যে আছেন সবসময়! যদিও বাইরে থেকে তারা স্বাভাবিক থাকেন, দ্বীন মেনে চলার চেষ্টা করছেন, ইলম অর্জন করছেন যথাসাধ্য, দায়িত্ব পালন করেন যেটা না করলেই নয়—কিন্তু ভিতরে ভিতরে তাদের এই একটা প্রশ্ন--কবে আমি নিজের বিয়ের সুখবর পাবো? একটা শূন্যতা, একটা দীর্ঘ অপেক্ষা তাদেরকে ভীষণ ক্লান্ত করে দেয়। পরিচিত কারো জন্যই যেন পাত্র পাওয়া যাচ্ছে না, প্রত্যাশিত বয়সও পার হয়ে যাচ্ছে, অনেক দুয়া করেও ফল স্বচোখে দেখা যাচ্ছে না—এসব মেনে নেওয়া সত্যিই সহজ না। সমস্যাটা শুধু “বিয়ে হচ্ছে না”, এতটুকুতেই কিন্তু সীমাবদ্ধ না। এর সঙ্গে জড়িয়ে যায় আত্মসম্মান, ভবিষ্যৎ নিয়ে ভয়, সমাজের চাপ, অন্যদের ছুঁড়ে দেয়া প্রশ্ন বাঁ খোঁটা দেওয়া কথা, কখনো অযাচিত comparison, এবং নিজের ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়া তো আছেই। অনেক সময় বোনেরা আল্লাহর ফয়সালার উপর ঈমান রাখেন, তারা জানেন যে, নিশ্চয়ই আল্লাহই উত্তম পরিকল্পনাকারী। বোনেরা জানেন—যা হওয়ার, সঠিক সময়েই হবে। তবুও কিন্তু মনকে বোঝানো কঠিন হয়ে যায়। আর এই অস্থিরতা ধীরে ধীরে ইবাদাতে, ইলমে, কাজে, পড়াশোনায়, প্রোডাক্টিভিটি এবং মানসিক স্থিরতায় প্রভাব ফেলে। এক বোন আমাকে মেসেজে বললেন, তিনি বারবার matrimonial site বা marriage-related platform স্ক্রল করছেন পাগলের মতন। ভাবছেন, “হয়তো এবার কিছু হয়েই যাবে”, “হয়তো আজ একটা ভালো match পেয়ে যাব', “হয়তো এই profile-টাই চূড়ান্ত হবে…”। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে অনেক সময় এই scrolling অন্তরকে আরও অস্থির করে তুলে। তাওয়াক্কুল কমিয়ে দেয়, comparison বাড়িয়ে দেয়, productivity নষ্ট করে, এবং এমন এক মানসিক আসক্তি তৈরি করে—যেখানে মানুষ কাজ করছে কম, নেগেটিভ চিন্তা ভাবছে বেশি; তারা দুয়া করছে কম, উদ্বিগ্ন হচ্ছে বেশি। প্রিয় বোন, প্রিয় পাঠক শুনুন, বিয়ে জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। অবশ্যই আমি দুআ করি আল্লাহ আপনার জন্য চোখ শীতলতাকারী সঙ্গী মিলিয়ে দিন। তবে, বিয়ে না হওয়া মানেই আপনি খুব খারাপ অথবা আপনার সাথে খুব খারাপ কিছু হচ্ছে —এটা সত্য না। এভাবেই হয়তো আল্লাহ আপনাকে প্রস্তুত করছেন, আল্লাহ আপনাকে শোধরাচ্ছেন, সবরের মাধ্যমে আল্লাহ আপনার মর্যাদা উঁচু করছেন। এই অপেক্ষার দিনগুলো মোটেও বৃথা যাবে না। এই সময়টাতেও আপনি আল্লাহর খুব প্রিয় বান্দা হওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পাচ্ছেন। আপনি এই কয়টা দিন কাজে লাগিয়ে অনেক অনেক মানুষের উপকারে আসতে পারেন, ইলমে এগিয়ে যেতে পারেন, character build করতে পারেন, নিজের আখিরাতের জন্য বিশাল সঞ্চয় করতে পারেন। শয়তান চায় আপনি ভাবতে থাকুন—“যতদিন আমার বিয়ে না হচ্ছে, ততদিন কিছুই ঠিক হবে না, আমার কিছুতেই মন বসবে না।” এটা কিন্তু ধোঁকা - বিশ্বাস করুন মুমিনের জীবন এমন না। মুমিন অপেক্ষার মধ্যেও ফুল ফোটায়। মুমিনের অবস্থা খুব আশ্চর্যের - সবই তার জন্য ভালো! আমি জানি এখন এটা বিশ্বাস করতে আপনার কষ্ট হবে। কিন্তু জোর করে হলেও চেষ্টা করুন, আল্লাহ কখনো আপনার ক্ষতি চান না। তাই এই সময়টাতে নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন না। marriage site endless scrolling-এর জন্য নিজের একটা টাইম ঠিক করুন। দিনের নির্দিষ্ট ছোট্ট সময় ছাড়া এসব site-এ ঢুকবেন না। বাকি সময়ে নিজেকে beneficial routine-এ বেঁধে ফেলুন। একটা goal রাখুন নিজের মনের শান্তির জন্য, নিজের জন্য একটা Qur’an goal রাখুন, একটা skill-building goal রাখুন, health goal রাখুন, family contribution goal রাখুন। কারণ শূন্য সময়, অগোছালো সময়, উদ্দেশ্যহীন সময়— এসব ব্যবহার করে শয়তান আপনার হতাশাকে বড় করে। আর একটা কথা খুব মনে রাখবেন, আপনার value কোনো proposal-এর উপর depend করে না। কেউ পছন্দ করলো কি করলো না, profile দেখলো কি দেখলো না, বয়স কত হলো— এসব দিয়ে আপনার মর্যাদা মাপা হয় না। যতই অন্যান্য খোঁটা দিক, বা বাঁকা চোখে তাকিয়ে থাকুক। আপনার মর্যাদা কিন্তু আপনার রবের কাছে। আপনি তাঁর বান্দা। তিনিই আপনার দেখভাল করছেন। এই যে আপনি চোখের পানি ফেলছেন, অপেক্ষা করছেন, যতটা সম্ভব ভেঙে না পড়ে নিজেকে সামলানোর চেষ্টা করছেন—এসবই ইবাদাতের অংশ! এই যে আপনার সবর, তাওয়াক্কুল, হায়াহ আর হালাল পথে থাকার সংগ্রাম -- এগুলো আল্লাহর কাছে অনেক দামী। কখনো কখনো হয়তো দেরি হচ্ছে অনেক, দেরি মানে এটা আপনার জন্য শাস্তি হিসেবে না, বরং এটাই হিফাযত হিসেবে। কখনো দেরি হয়, কারণ আপনি হয়তো আল্লাহ আপনাকে ভুল মানুষের হাত থেকে বাঁচিয়ে দিচ্ছেন। কখনো দেরি হয়, কারণ আপনার জন্য এমন কিছু লেখা আছে, যা এই মুহূর্তের তাড়াহুড়োতে এলে বরকত হারিয়ে যেত। আমরা সব বুঝি না, কিন্তু এটুকু জানি, আল্লাহ কখনো বান্দার ক্ষতির জন্য পরিকল্পনা করেন না।

photo content

এই কথাগুলো নিজেকে মনে করিয়ে দিন -- বিসমিল্লাহ ১। আজকের দিনটি কঠিন হতে পারে, কিন্তু আল্লাহ চাইলে আগামীকাল আমার জন্য অনেক সুন্দর হবে, ইনশাআল্লাহ। ২। মানুষ আমাকে অনেক ভুল বুঝলেও, আল্লাহ রব্বুল আলামিন ঠিকই আমার মনের খবর জানেন এবং তিনি আমাকে ভুল বুঝবেন না। ৩। আমার মনের হাজারো অস্থিরতার চেয়েও আমার রবের কাছ থেকে আসা শান্তিটুকুই বড়। ৪। আমার সকল সমস্যার সমাধান আল্লাহর কাছেই আছে। ৫। আমি এখনো যে বেঁচে আছি—এর মানে তো আল্লাহ আমার জন্য কল্যাণের দরজা এখনো বন্ধ করেননি। তাওবার সময় আছে। নেক আমলের সময় আছে। ঝেড়ে দাঁড়ানোর সময় আছে। ৬। আমার জীবনে যা কিছুই হচ্ছে, তার সবকিছুর ভেতরেই আল্লাহর অদৃশ্য হিকমত কাজ করছে। ৭। আমি কিছুটা ধীরে ধীরে চললেও সমস্যা নেই, কারণ আল্লাহর টাইমিং পারফেক্ট ৮। আমার রব আমার হৃদয়ের অবস্থা জানেন, তাই আমি নিরাশ হবো না। ৯। আমার যে স্বপ্ন গুলো পূরণ হয়নি, আল্লাহ চাইলে তার চেয়েও ভালো কিছু আমার জন্য রেখে দিতে পারেন। ১০। প্রতিটি কান্নার সাথেই স্বস্তি আছে, প্রতিটি অন্ধকারের সাথেই আলো আছে—এটাই আমার রবের ওয়াদা। ১১। আমি নিজের জন্য দিন শেষে ভালো কিছুর আশা রাখি, কারণ আমি এমন একজন রবের বান্দা, যিনি সবসময় আমার ভালো চান, যিনি আমার জন্য কল্যাণ চান। অসম্ভবকেও সম্ভব করে দেন। #রাইটিং_থেরাপি #একগুচ্ছ_প্রশান্তি শারিন

photo content

তোমরা কি এমন ধারণা পোষণ কর যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ লাভ করবে, অথচ এখনও পর্যন্ত তোমাদের আগের লোকেদের মত অবস্থা তোমাদের সামনে আসেনি? তাদেরকে অভাবের তীব্র তাড়না এবং মুসীবত স্পর্শ করেছিল এবং তারা এতদূর বিকম্পিত হয়েছিল যে, নাবী ও তার সঙ্গের মু’মিনগণ চিৎকার করে বলেছিল- আল্লাহর সাহায্য কখন আসবে? জেনে রেখ, নিশ্চয়ই আল্লাহর সাহায্য নিকটবর্তী। Al-Baqarah ২:২১৪ আমাদেরকে সকল সময়ে সান্ত্বনা ও সাহস দেওয়ার জন্য এই আয়াত নাযিল হয়। এখন তোমাদের আগের লোকেদের মত অবস্থা তোমাদের সামনে আসেনি-- এটা বলতে কি বোঝায়? রসূল (সাঃ) এর উত্তর দিতে একসময় বললেন যে, "তোমাদের পূর্বের লোকদেরকে তাদের মাথা থেকে পা পর্যন্ত করাত দিয়ে চিরা হত এবং লোহার চিরুনী দিয়ে তাঁদের গোশত ও চামড়াকে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন করা হত। কিন্তু এই অকথ্য যুলুম-নির্যাতন তাদেরকে তাদের দ্বীন থেকে ফেরাতে পারেনি।" অতঃপর বললেন, "আল্লাহর শপথ! মহান আল্লাহ এই দ্বীনকে এমনভাবে জয়যুক্ত করবেন যে, একজন আরোহী (ইয়ামানের) সানআ' থেকে হাযরে-মাউত পর্যন্ত একা সফর করবে, তার মধ্যে আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো ভয় থাকবে না।" (সহীহ বুখারী ৩৬১২নং) এ থেকে নবী করীম (সাঃ)-এর উদ্দেশ্য, মুসলিমদের মধ্যে দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকার প্রেরণা ও অটল থাকার দৃঢ় সংকল্প সৃষ্টি করা। এর উদ্দেশ্য কী? যেন এই আয়াত পড়ে মুসলিমদের মধ্যে দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকার প্রেরণা ও অটল থাকার দৃঢ় সংকল্প সৃষ্টি হয়। এই জন্যই বলা হয়, 'যা আসবেই, তা আসন্ন'। আর ঈমানদারদের জন্য আল্লাহর সাহায্য যেহেতু সুনিশ্চিত তাই আল্লাহর সাহায্য নিকটেই। #কুরআন 📌কুরআন অ্যাপ পেতে: Quran.gtaf.org #GreentechApps

photo content