আকাবির-কথন
Ir al canal en Telegram
Mostrar más
El país no está especificadoLa categoría no está especificada
1 194
Suscriptores
+224 horas
+77 días
+2930 días
Archivo de publicaciones
1 194
গতকাল বন্ধু মারফত এক শায়খের নসিহত পেলাম। পারিবারিক জীবন নিয়ে এমন বাস্তববাদী কথা কোনো বইতে পাইনি।
.
২ ঘণ্টার পুরো নসিহতের সারাংশটা বলি, সবার কাজে দেবে-
.
দুনিয়া হলো, দারুল ইমতিহান, মুমিনের কারাগার। আর সেই দুনিয়ার ভিতর আরেকটা দুনিয়া আছে। সেটা হলো, নারীর দুনিয়া। নারীর কল্পনা জগতের দুনিয়া।
.
এটা আসল দুনিয়ার কারাগার থেকে আরও বেশি সংকীর্ণ। আরও বেশি ফিতনাময়। যে পুরুষ একবার এই কারাগারে ঢুকেছে, সে নিজেকে চিরজীবনের জন্য হারিয়েছে। চোখের পানি, নাকের পানি এক করা ছাড়া আর কিছুই তখন করার থাকে না।
.
তবে দোষটা নারীদের নয়। নারীর মনকে বানানোই হয়েছে এভাবে, সে বাস্তববাদী কম হবে, আগাম ভবিষ্যৎ কম আঁচ করতে পারবে, কল্পনা ও আবেগময় দুনিয়ায় বেশি বাস করবে।
.
এজন্য পুরুষকেই দূরদর্শী হতে হয়। একটা সুনির্দিষ্ট উসুল বা মূলনীতিকে শক্ত করে আকড়ে ধরতে হয়। সংসার জীবনে যেকোনো 'বড় বিরোধ' হলে সেই উসুলের মানদণ্ডে সমাধানে আসা লাগে। আর মুমিনের উসুল হচ্ছে, দ্বীন ইসলাম।
.
যে দ্বীনকে ছুড়ে মেরে শুধু "কৌশল" বা "যুক্তির" দ্বারস্ত হয়েছে, সে কখনই সফল হয়নি। একবার বিজয় হলে নিরানব্বই বারই হেরেছে।
.
আল্লাহ তাআলা সূরা নিসার ৩৪ নং আয়াতে বলেছেন, নারীদের ওপর পুরুষদেরকে তিনি কওয়াম বা তত্ত্বাবধায়ক বানিয়েছেন।
.
তবে এজন্য সবার আগে যেটা জরুরী সেটা হচ্ছে, আল্লাহর বিধানের সামনে আত্মসমর্পণ। যদি আত্মসমর্পণ না থাকে, অন্যদের মতো আপনিও দ্বীনকে নিজের স্বার্থ হাসিলের অস্ত্র বানিয়ে ফেলবেন।
.
এজন্য আত্মিক ও শারীরিক, উভয় ক্ষেত্রেই দ্বীনের তাবেদারি জরুরী, দ্বীনের শক্তিতে নিজেকে শক্তিশালী করা জরুরী।
.
তাহলেই ঘরের মা, বোন, স্ত্রী, কন্যা—সবার 'কওয়াম' হওয়া যাবে। অন্যথায় 'ভণ্ডামী' শোনা লাগবে।
.
তাই পুরুষ মানুষের উচিত আগে নিজের পৌরুষ্য দ্বীনের আদলে ঠিক করা। নিজের বাড়াবাড়ি, ছাড়াছাড়ি—এগুলো মনমর্জি অনুযায়ী না করে দ্বীনের আদলে করা। তাহলেই ঘরের 'কওয়াম' হতে পারবেন।
.
দ্বিতীয়ত, পিঁপড়া আর হাতির গল্পটা ভালোভাবে বুঝতে হবে। পিঁপড়া ক্ষুদ্র প্রাণী। কোথাও মরে পড়ে থাকলে কেউ টেরও পায় না। কিন্তু হাতি? একবার মরলে পুরো দুনিয়া যেন কেঁপে উঠে।
.
তাই পারিবারিক যেসব বিষয়কে পিঁপড়ার মতো ক্ষুদ্র ভেবে ছাড় দেবার কথা ভাবছেন, তা যদি দ্বীনের মানদণ্ডে সাংঘাতিক পর্যায় যাওয়ার শঙ্কা থাকে, তাহলে পিঁপড়ার আকার থাকতেই সেটাকে প্রতিহত করুন। হাতির আকার ধারণ করে তারপর মারার চিন্তা করলে ফলাফল ভূমিকম্পই হবে।
.
পরিশেষে নিজের ধ্যান জ্ঞান সবকিছুর কেন্দ্রে দ্বীনকে রাখুন। দ্বীনের আদলেই পরিবার সাজান। পরিবারের আদলে দ্বীন সাজাতে যাবেন না।
.
অন্যথায় দুনিয়া তো হারাবেনই, আখিরাতও হারাতে হবে। ঈমান, আমল কিচ্ছুই অবশিষ্ট থাকবে না।
.
আল্লাহ হেফাজত করুক।
© মহিউদ্দিন রূপম
1 194
শায়খ ড. মুহাম্মদ আওয়ামা হালবী হাফি. বলেন—
আমাদের শহরের বড় একজন আলেম। যিনি আমার শায়েখের শায়েখ। নাম শায়েখ রাগিব আত-তব্বাখ। শায়েখের বড় সাহেবজাদা ছিলেন ইলমি কাজসমূহে, বিশেষকরে কিতাবপত্র ছাপার কাজে শায়েখের সহযোগী। তার নিজস্ব ছাপাখানাও ছিল, যার দায়িত্ব সে নিজেই পালন করত। একদিন দুঃখজনকভাবে শায়েখের এই সন্তান ইন্তেকাল করলেন। ছাত্ররা ভাবল, শায়েখ আগামীকাল সবকে আসবেন না। কেননা সন্তানের বিয়োগাত্মক ঘটনায় স্বভাবতই তিনি মর্মাহত হয়ে থাকবেন।
কিন্তু কী দেখা গেল পরের দিন?
শায়েখ যথারীতি তাশরিফ আনলেন এবং সবার আগেই দরসগাহে হাজির হলেন। এতে ছাত্ররা বিস্ময়াভিভূত হয়ে পরস্পরকে জিজ্ঞাসা করতে শুরু করল-ঘটনা কী? শায়েখ যে এসে গেছেন!
শায়েখ তাদের কানাঘুষা দেখে জিজ্ঞেস করলেন, 'কী বলাবলি করছো তোমরা?' ছাত্ররা নীরব। কেউ কোনো উত্তর দিল না। শায়েখ পুনর্বার জিজ্ঞেস করলেন, 'বলো, কী বলাবলি করছিলে তোমরা?' এবার ছাত্ররা মুখ খুলল। বলল, 'হযরত! আমরা ধরে নিয়েছিলাম, আজ আপনি আসবেন না। ফলে আমাদের সবকও পড়া লাগবে না। কিন্তু...।'
শায়েখ আফসোস করে এবং ইলমি গায়রত জাহির করে বললেন, 'শোনো বাবারা! আমি আমার সন্তান হারিয়েছি ঠিক, তাই বলে কি ইলমি বরকতও খুয়ে বসব!? এটা তো বরবাদিই বরবাদি।'
মাশায়িখে কেরাম ইলমি বরকত ধরে রাখা এবং ইলম শিক্ষা দেওয়ার ধারা অব্যাহত রাখার প্রতি ছিলেন এমনই আগ্রহী।
📖'পথের মানচিত্র'। আসছে 'দারুল ফিকর' থেকে ইনশাআল্লাহ।
1 194
যে বা যারাই অনুবাদ করাক, যে-ই অনুবাদ করুক, সালেহ আহমদ শামির বই অবশ্যই সংগ্রহ করব ইনশাআল্লাহ।
1 194
+1
নবিয়ে রহমতের কয়েকটা অনুবাদ সংগ্রহের ইচ্ছা আছে। আল্লাহ চাইলে হয়তো সেই সখ/লোভ পূরণ হবে।
নবীজির ব্যক্তিত্ব ও দাওয়াহ—বইটার নামেই মনে হচ্ছে ইউনিক বই হবে।
বইদুটি বের করেছে দারুল আরকাম। আমার দুর্ভাগ্য, সম্ভবত আমি আসার পরপর কিংবা আসার মুহূর্তে বইদুটি বাজারে এসেছিল। ছুঁয়েও দেখার সুযোগ হয়নি।
1 194
যারা ইফতেখার সিফাত ভাই, সাইয়িদ কুতুবের বইটই পড়েন, তারা এটা কেন এড়িয়ে যান? নাকি বইটা সম্পর্কে জানেন না? 🙂
1 194
খাওয়ারিজম সাম্রাজ্যের ইতিহাস অনুবাদ করে আলমগীর মুরতাজা ভাই আলোচনায় এসেছিলেন। এরপর আর তেমন বড় কোনো কাজ করা হলো না তার।
আব্বাসি খিলাফাহ কিনেছিলাম না হাদিয়া পেয়েছিলাম ইয়াদ নেই। তবে উপরেরটা হাদিয়া পেয়েছিলাম।
২০/২১ সাল পর্যন্তও অনেক বই এসেছিল। বইয়ের অঙ্গনে নতুন কোনো বই এলেই কী একটা উত্তেজনা কাজ করত সবার মনেই। পুরো ফিড বইয়ের আলোচনায় ভরে যেত। প্রতি সপ্তাহে, কমপক্ষে দু-সপ্তাহ পরপর একবার কুরিয়ারে যেয়ে নতুন পার্সেল নিয়ে আসতাম।
বইয়ের বাজার নষ্টের পেছনে অনেক কিছুই দায়ী। তবে, অনুবাদক-পাঠকদেরও বড় একটা অংশ 'বড়' হয়ে যাওয়ায় তারও একটা প্রভাব পড়েছে। অনেকেই বিয়েশাদি করে সংসার নিয়ে ব্যস্ত। কেউ কেউ বিয়ে ছাড়াই...
1 194
আলী মিয়ার সব বই সবার জন্য না। এ ছাড়া যেগুলো অনুবাদ হয়েছে, সব অনুবাদও সাবলীল না। যে কয়টা বই আমি আমার ভাইবোনদের পড়তে বলব, তন্মধ্যে 'ইসলামী জীবনের রূপরেখা', 'ঈমান ও বস্তুবাদের সংঘাত', 'তাজা ঈমানের ডাক', 'তারুণ্যের প্রতি হৃদয়ের তপ্ত আহ্বান' অন্যতম। তালিবুল ইলমদের জন্য 'জীবন পথের পাথেয়'। বোনদের জন্য 'আমার আম্মা/মহীয়সী মা'।
এ ছাড়া আরকানে আরবায়া পড়ে দেখতে পারেন। এটা একটু কঠিন লাগতেও পারে। আলোচনা একটু গভীর আছে যদ্দূর মনে পড়ছে।
1 194
মোটকথা, একজন আবদুল হাই লাখনোবি তৈরির পেছনে দানবীর একজন নবাব তুরাব আলী খানের কী পরিমাণ আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা ছিল—এবার কিছুটা অনুমান করুন! তিনি তো খুব বেশি আগের জমানার আলেম নন। এর আগের যুগসমূহে তো এমন পৃষ্ঠপোষকতার বহু নজির রয়েছে ইতিহাসের পাতায় পাতায়।
প্রকৃতপক্ষে, মেধাবী ও যোগ্য আলেমদের দ্বারা যদি আমরা উম্মাহকে উপকৃত করতে চাই, তাহলে আমাদেরও অনেক দায়িত্ব আছে। একজন আলেম ও তালিবুলইলম যদি আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে থাকেন, তাঁর মানসিক অবস্থাটা কেমন হতে পারে—চিন্তা করুন। অধুনা বিশ্বে এমন পেরেশান মানুষ দিয়ে সৃজনশীল কাজের কতটুকু অবকাশ আছে?
অতএব, বর্তমান সময়ের আলেমগণ কেন আগের যুগের আলেমদের মতো অবদান রাখতে পারছেন না—এমন প্রশ্ন করার আগে আমাদের নিজেদেরকে জিজ্ঞেস করা উচিত; ওইরকম আলেম তৈরি করতে আমি কতটুকু অবদান রাখছি?
© মাহফুয আহমদ
1 194
যে পৃষ্ঠপোষকতায় তৈরি হলেন একজন কালজয়ী আলেম
দ্বীনি ইলম চর্চায় নিয়োজিত যারা, তাদের নিকট আল্লামা আবদুল হাই লাখনোবি খুবই পরিচিত এক নাম। ১৩০৪ হিজরি সনে মাত্র ৩৯ বছর ৪ মাস বয়সে তিনি ইন্তেকাল করেন। অথচ এই সংক্ষিপ্ত জীবনে প্রায় ১১৭টি গ্রন্থ রচনা করেন; যেগুলোর মধ্যে কিছু কয়েক খণ্ডের বৃহৎ গ্রন্থ, আবার কিছু কয়েক পৃষ্ঠার পুস্তিকা। কিন্তু লাখনোবি রচিত প্রায় সবকটি গ্রন্থই শাস্ত্রীয় মানে উত্তীর্ণ এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে রেফারেন্সবুক হিসেবে পরিগণিত হয়। বেশিরভাগই আরবি ভাষায়, আর কিছু ফারসি কিংবা উর্দু ভাষায়।
নিঃসন্দেহে আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমত ও মেহেরবানি ছিল তাঁর ওপর; যে কারণে এত কম বয়সেই তিনি এমন কালজয়ী সব ইলমি কাজ সম্পন্ন করতে পেরেছিলেন।
কথা হলো, আল্লামা লাখনোবি রাহিমাহুল্লাহর এই বিশাল অর্জনের পেছনে বাহ্যিক কোন বিষয়টি সবচেয়ে বেশি সহায়ক ছিল? অনেক কারণ উল্লেখ করা যেতে পারে। আমাদের শায়খ, নন্দিত মুহাদ্দিস, শায়খ মুহাম্মাদ আওয়ামা হাফিযাহুল্লাহ বলেন, এর পেছনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ছিল— তৎকালীন আমির আল্লামা আবদুল হাই লাখনোবির আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা করতেন। বস্তুত, আমির যখন এমন প্রতিভাবান আলেম সম্পর্কে অবগত হলেন, তিনি আল্লামা লাখনোবিকে ডেকে নিলেন। ডেকে নিয়ে কী বললেন—সেটা জানার আগে একটা কথা মনে রাখুন।
শায়খ আওয়ামা বলেন, যে আলেম আমাকে আল্লামা লাখনোবির এই তথ্য দিয়েছেন, তিনি আমাকে জানালেন যে, তাঁদের পরিবারে ছিলেন ছয় সদস্য। এই পুরো পরিবারের মাসিক খরচ ছিল মাত্র চার রুপি। এই আলেমের জন্ম হয় আল্লামা লাখনোবির ইন্তেকালের ত্রিশ বছর পরে।
এবার শুনুন, ওই আমির আল্লামা লাখনোবিকে ডেকে নিয়ে কী বলেছিলেন! তিনি বললেন, আপনি যেহেতু ইলমে দ্বীন চর্চা, লেখালেখি আর শিক্ষাদানে নিজের পুরো সময় অতিবাহিত করছেন, সেজন্য আপনার যাবতীয় খরচের দায়িত্ব আমি নিতে চাই। এখন থেকে প্রতি মাসে আপনার জন্য চারশো রুপি হাদিয়া বরাদ্দ করা হলো।
যেখানে লাখনোর ছয় সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিবারের পুরো মাসের খরচ ছিল মাত্র চার রুপি, সেখানে আমির সাহেব আল্লামা লাখনোবির জন্য চারশো রুপি মাসিক হাদিয়া দিচ্ছেন!
এভাবেই যখন আলেম ও তালিবুলইলমের মূল্যায়ন করা হয়, তাঁদের পার্থিব প্রয়োজন পূরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাঁদের আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা করা হয়, তখনই একজন আলেমের জন্য একাগ্রচিত্তে জ্ঞান ও গবেষণার কাজে আত্মনিয়োগ করা সম্ভব। কেবল তখনই একজন আলেমের দ্বারা দ্বীন ও সমাজের জন্য অতুলনীয় খেদমত করে যাওয়া এবং কালজয়ী অবদান রেখে যাওয়া সম্ভব হয়।
শায়খ মুহাম্মাদ আওয়ামা হাফিযাহুল্লাহ কথাগুলো ‘মাআলিমু ইরশাদিয়্যাহ’ গ্রন্থপাঠের খতম বা সমাপনী মজলিসে বলেছিলেন। শায়খের উপর্যুক্ত বক্তব্যের সঙ্গে পাঠকদের জন্য আরও কিছু তথ্য যুক্ত করতে চাই।
২০১৯ সালে আমি যখন ‘আল-মাদখাল ইলা কিতাবিল হিদায়া’-এর কাজ শুরু করি, তখনকার ঘটনা। আল্লামা আবদুল হাই লাখনোবির ‘মুকাদ্দিমাতুল হিদায়া’-এর ওপর কাজ করতে গিয়ে ভূমিকায় দেখি, নবাব তুরাব আলী খানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি।
কাকতালীয় ব্যাপার হলো, এর মাত্র কিছুদিন আগে আমি আরেকটি বইয়ের কাজ সম্পন্ন করেছিলাম। সেটা ছিল মাওলানা আবদুল আলীম সিলেটি রাহিমাহুল্লাহর ছোট্ট একটি আরবি পুস্তিকা। ওই পুস্তিকার সূচনাতেও তিনি নবাব তুরাব আলী খানের খুব প্রশংসা করেছেন। বান্দার তাহকীককৃত মাওলানা আবদুল আলীম সিলেটি রচিত ‘রিসালাহ ফি তাহকিকি মা‘নাল হিদায়া’ (পৃ. ১৯-২১) দেখতে পারেন।
মাওলানা আবদুল আলীম সিলেটি মূলত আল্লামা আবদুল হাই লাখনোবির সমসাময়িক আলেম ছিলেন। তাহলে কী ব্যাপার? কে ছিলেন ওই নবাব তুরাব আলী খান?
আল্লামা সায়্যিদ আবুল হাসান আলী নদবি রাহিমাহুল্লাহর গর্বিত পিতা, হিন্দুস্তানের প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ আল্লামা সায়্যিদ আবদুল হাই আল-হাসানি তদীয় ‘নুযহাতুল খাওয়াতির’ (৭/৯৩৯) গ্রন্থে নবাব তুরাব আলী খানের চমৎকার জীবনী লিখেছেন। তুরাব আলী খান ছিলেন হায়দরাবাদ ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের নবাব। সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান এই তুরাব আলী খান ছিলেন চরিত্রবান, গুণী, সমাজসেবী এবং দাতাশীল ব্যক্তিত্ব।
তাহলে সহজেই অনুমেয় যে, এই নবাব তুরাব আলী খান কেবল আল্লামা আবদুল হাই লাখনোবির আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা করতেন—এমন নয়। মাওলানা আবদুল আলীম সিলেটি সহ তৎকালীন অনেক যোগ্য আলেমের ইলমি কাজে তিনি সাগ্রহে নিজে থেকেই সহায়তা করতেন।
‘আল-মাদখাল ইলা কিতাবিল হিদায়া’-এর কাজের খাতিরে অনুসন্ধান করতে গিয়ে দেখি, আল্লামা লাখনোবি যে ‘মুকাদ্দিমাতুল হিদায়া’-এ নবাবের প্রশংসা করেছেন—শুধু তাই নয়। বরং ‘আত-তা‘লীকুল মুমাজ্জাদ’ (১/৬২), ‘উমদাতুর রিআয়াহ’ (পৃ. ২১), ‘আল-হাদিয়্যাতুল মুখতারিয়্যাহ’ (পৃ. ৪) প্রভৃতি গ্রন্থেও তিনি নবাবের প্রসঙ্গ টেনে প্রশংসা করেছেন। উপরন্তু, তিনি তাঁর কিছু গ্রন্থ ওই নবাবের জন্য ইহদা বা উৎসর্গ করেছেন। এইসব তথ্য ও উদ্ধৃতির জন্য বান্দার ‘আল-মাদখাল ইলা কিতাবিল হিদায়া’ (পৃ. ১৩৮-১৪১) দেখতে পারেন।
1 194
দানিশমান্দ নিয়ে ভালোই হাইপ উঠছে। বইটা নিয়ে পাঠকের আগ্রহ দেখেও ভালো লাগছে। বিশেষ করে ভালো লাগছে বদরের হাতে অনুবাদ হওয়ায়। অসম্ভব মেধাবী ও প্রচুর বইপড়ুয়া। দুঃখবিলাস করতে হয়তো ভালো লাগে, কিন্তু আড্ডায় প্রাণবন্ত থাকে। সবসময় হাসিখুশিই দেখেছি তাকে। দেশে থাকলে হয়তো এক কপি মাদরাসাতুল বানাতের ঠিকানায় চলেই আসত। যাকগে, উপন্যাস তো পড়ি না সেই কবে থেকে... এই একটা বই পড়ার লোভ হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ সংগ্রহ করে পড়ব।
উপন্যাস খুব বেশি পড়া হয়নি। একেবারে কম পড়েছি। শুধু দুইটা স্মৃতি আছে উপন্যাস নিয়ে। মোবাইলের আগের যুগে এক আত্মীয়ের বাড়ি গিয়েছিলাম। আমি একেবারে একেলা। ছেলে একজন ছিল। অনেক সিনিয়র। বাউণ্ডুলে। মেয়ে দুজন ছিল। আমি তাদের থেকে তিন হাত দূরে দূরে... অগত্যা দেখলাম পুরোনো আলমারিতে কিছু উপন্যাস। সন্ধ্যার পর থেকে ঘুমোতে যাওয়ার আগেই ৩টা পড়ে ফেললাম। সকালে আরেকটা...
আরেকবার পরীক্ষা শেষ হলো। আম্মা বললেন সেদিনই পড়তে বসতে। সম্ভবত সেভেনে ছিল। মেজাজটা হলো খারাপ। কী বুঝে চাচাতো ভাই একজনের ঘরে গেলাম। উপন্যাস পেয়ে গেলাম কিছু। তিনটা নিয়ে এক রাতেই...
মোবাইল আসার আগে বন্ধুবান্ধব ছিল। খেলা, আড্ডা ছিল। হাতেও প্রচুর সময় ছিল। সময়েও বরকত ছিল। এখন সবকিছুই...
