en
Feedback
অন্বেষণ - Anweshan

অন্বেষণ - Anweshan

Open in Telegram

সত্যের দর্শন

Show more
Bangladesh14 776The category is not specified
314
Subscribers
No data24 hours
-37 days
-330 days
Posts Archive
আসছে... নতুন কিছু। নতুন ভাবে৷
আসছে... নতুন কিছু। নতুন ভাবে৷

এসে সাথে আরো দশটা সাধারন মানুষেরর মাথায় "লেজ কাটা শেয়ালের মতো" আজেবাজে চিন্তাধারা সেট করতে আসবেন না। এসব বিষয় সমাজে নিষিদ্ধ (taboo) হিসেবে দেখা হয়, তাই তীব্র মতপার্থক্যের সৃষ্টি হয় একসময়। যেটা করা উচিত, সেটা করুন। কাঠামোগত সমালোচনা (Structural criticism) এবং এর চর্চা করা শিখুন। তাহলে আর কিছু না হোক, অন্তত ভুল বোঝাবুঝিগুলো সমাজ থেকে দূর হবে! লেখায় - আহমেদ আনহার নাবিল আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন - https://t.me/anweshantelegram

সমকামিতা, একটি বিকৃত যৌনাচার। প্রচলিত কিছু কাল্পনিক বা ভিত্তিহীন কথার মধ্যে একটি হচ্ছে মানবদেহে “সমকামী জিন”এর অস্তিত্ব যা, সমকামিতা সমর্থকরা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করতে গিয়ে একটা হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করে। এখানে বলে রাখা ভালো যে, বিশ্বব্যাপি এই আসন্ন এবং ক্রমবর্ধমান (upcoming & rising) বিকৃত রুচি সম্পন্ন কমিউনিটি যখন কারো সাথে বিতর্কে যায়, তখন সম্পূর্ণরূপে ধর্ম এবং নৈতিকতার দিকটাকে এড়িয়ে যায় এবং যুক্তি হিসেবে জৈবিক তথ্য (Biological Facts) উপস্থাপন করে নিজেদের ইচ্ছাকে স্বাভাবিক (Normalise) করার চেষ্টা করে। এজন্য ধর্মীয় দৃষ্টিকোণের বাইরে থেকেও এর বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা হওয়া উচিত৷ বিজ্ঞান কি আসলেই সমকামিতা বৈধতা দেয়? তা নিয়েই আজকের আলোচনা - শুরুতে এ নিয়ে হওয়া একটি গবেষণা তথ্য ও মতামত উপস্থাপন করা যাক। পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ গবেষণা ইনস্টিটিউট হলো “Broad Institute”, যা বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় Massachusetts Institute of Technology (MIT) এবং Harvard in Massachusetts, Cambridge এর অধিভুক্ত একটি Genomic research center। সেখানকার একজন প্রধান জিনতত্ত্ববিদ লম্বা সময় ধরে চলানো অনুসন্ধান রিপোর্ট থেকে বলেন, "There is no 'gay gene'. যার সরল অনুবাদ হলো, “সমকামী জিন বলে কিছু নেই।” Andrea Ganna-এর মতে, মানুষের যৌন চাহিদা কখনো সম্পূর্ণ “জীবন্ত প্রাণের আণবিক একক - জিন” দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হওয়া সম্ভব নয়। যৌন চাহিদার ক্ষেত্রে জিনের ভূমিকা খুবই নগণ্য (মাত্র ৮-২৫% সর্বোচ্চ, যেটাকে জিন দ্বারা প্রভাবিত বলাটা বৈজ্ঞানিকভাবে শতভাগ সত্য নয়!)। University of Oxford, UK-এর সমাজবিজ্ঞানী Mills যিনি career-এর দীর্ঘসময় genetic basis of reproductive behaviours নিয়ে পড়ালেখা করেছেন। তিনি এটাকে একটা "solid study" হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তার মানে এই দাঁড়ায় যে, জন্মগতভাবে মানুষ কখনো সমলিঙ্গের প্রতি স্বাভাবিক পরিবেশে আকর্ষিত হতে পারে না। এই পর্যন্ত চলা সবচেয়ে বড় গবেষণা ফলাফলও এই মতবাদকে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। হাস্যকর হলেও সত্য যে এই ধারনাটির প্রবক্তাও একজন সমকামী ছিলেন! সাইকোলজিকালি সমকামিতাকে একপ্রকার বিকৃত যৌনাচার "Paraphilia" নামে medical science-এ আখ্যায়িত করা হয়েছিল। যেটাকে পরবর্তীকালে পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণের অভাবে current limited studies of paraphilias থেকে paraphilia এর সাথে "quite tentative" নামে অভিহিত করে রেখে দেওয়া হয়। মানুষের কিছু সাধারণ প্রবৃত্তি থাকে, যেমন ধরি খাবার খাওয়া। মানুষ কখন কোন খাবারটি গ্রহণ করবে, তা সম্পূর্ণ নির্ভর করে তার ইচ্ছার উপর। এজন্য তার সামনে হাজারটা অপশন্স আছে। চাইলে সে যা খুশি খেতে পারে। তেমনি যৌন আচরণ (sexual behaviour) নির্ভর করে মানুষের রুচিবোধের উপর। প্রকৃতিগতভাবে মানুষের স্বাভাবিক চাহিদা নিশ্চয়ই বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া। যখন সে প্রাকৃতিক এবং স্বাভাবিক মানব প্রকৃতি (Human nature) তথা যৌনক্রিয়া থেকে সরে যায়, যেটাকে ইংরেজিতে phrasing করা যায়—"getting tired of it," তখন সে unnatural বা অস্বাভাবিক সব যৌনাচারের দিকে ধাবিত হয়। United States of America, Canada কিংবা পশ্চিমা দেশগুলোতে সংখ্যাগরিষ্ঠরা (majority) যা বলে, সেটাকেই প্রাধান্য দেয়া‌ হয় এবং আইনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। মেজরিটি যা বলে তা যদি সত্য হয়ে যেত, তাহলে স্বাভাবিক অর্থেই কোনকিছু নিয়ে গবেষণা (research) করার কোন মানে থাকত না। একটা Poll-এ থাকা কোন choice-এ সর্বোচ্চ votes পড়লেই সেটাকে চাইলেই হুট করে কখনো বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সত্য অথবা যৌক্তিকভাবে সত্য বলা যায় না। ধর্ম কখনো আপনাকে ভুল কিংবা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক জিনিস শিক্ষা দিবে না। যেটা অস্বাভাবিক, অনৈতিক কিংবা নীতিহীন, সেটাকে বিজ্ঞানের অধীনে নিয়ে ফেলে দেওয়া স্বাভাবিক আচরণে পরিবর্তিত হয়েছে আজকাল। অথচ বাস্তবে কতজন সত্য গবেষণা সম্পর্কে ঘাঁটাঘাঁটি করে? পশ্চিমা দেশের লোকেরা যা করে যা ফলো করে তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে (automatically) ধরে নিতে হবে যে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত? দুঃখজনক হলেও সত্য অধিকাংশ লোক তাই মনে করে‌। বিজ্ঞান-ই যা সত্য প্রমাণ করতে ব্যর্থ হলো, তা নিয়ে কীসের এতো লাফালাফি? ধর্ম, নৈতিকতার থেকে দূরে সরে গিয়ে বিজ্ঞানের নামে কুরুচিপূর্ণ ও অসামাজিক বিষয়কে স্বাভাবিক করতে যাবেন না। এর থেকে বেটার এটাকে আপনার "ব্যক্তিগত পছন্দ" বলেন, তাতে কারো কোন সমস্যা নেই। তাই বলে Adam & Eve (আদম ও হাওয়া) থেকে সূত্রপাত হওয়া মানব বংশগতিধারার ইতিহাসকে তো আর বদলাতে পারবেন না! নাকি বলবেন সমকামিতা বংশগতিধারা অব্যাহত রাখা বা প্রজননের কোন মাধ্যম? যদি না হয়, তাহলে সেটাকে স্বাভাবিক আচরণ বলবেন না। হ্যাঁ, সেটা আপনার বিকৃত রুচি অনুযায়ী একটি “পছন্দ" হতে পারে মাত্র। ব্যস এতটুকুই! এর থেকে বেশি কিছু নয়। নিজের বিকৃত মস্তিষ্কের বিকৃত চিন্তাভাবনাগুলো নিজের মধ্যেই রাখুন। এই বিষয়গুলোকে স্বাভাবিক করতে

তবে উপরের আলোচনা থেকে এটুকু স্পষ্ট যে, যতই ন্যারেটিভ চেঞ্জ করার চেষ্টা করা হোক না কেন, আন্দোলন থেকে ইসলামকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা হোক না কেন, আন্দোলনে ইসলামের ভূমিকা ছিলো এবং এটাই চিরন্তন সত্য৷  লেখায়:- নাঈম খন্দকার রুম্মান  আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এই চ্যানেল জয়েন হয়ে নিনঃ https://t.me/anweshantelegram

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ইসলাম। বাংলাদেশের ইতিহাস গৌরবের ইতিহাস৷ ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান নতুন করে যুক্ত হয়েছে সেই গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের পাতায়৷ ছাত্র-জনতার এমন আন্দোলন পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল৷ এই আন্দোলনের পিছনে ধর্মীয় মূল্যবোধ কাজ করেছে ব্যাপকভাবে৷ তবে কেন যেনো বামপন্থী শাহবাগীরা ধর্মীয় মূল্যবোধের অবদানের কথা এড়িয়ে যেতে চায়৷ বিশেষ করে ইসলামী মূল্যবোধের কথা তারা স্বীকারই করতে চান না৷ এমন ভাব ধরেন যেনো আন্দোলনের সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্কই ছিলো না৷ এক্ষেত্রে এই প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক যে, বাস্তবিক অর্থেই কি এই গণঅভ্যুত্থানে ইসলামের কোনো সম্পর্ক ছিলো না? এক্ষেত্রে ইসলাম আদৌ ছিলো কিনা তার জবাব পাওয়া যাবে কিছু বিষয় জানার মাধ্যমে৷ প্রথমত, যারা ইসলামী এক্টিভিস্ট তারা কতটুকু প্রভাব রেখেছেন এই আন্দোলনে। দ্বিতীয়ত, যারা ইসলামী রাজনীতি করে তাদের কার্যক্রম কতটুকু৷ যেহেতু প্রসঙ্গটা আন্দোলন এবং ইসলাম তাই আলোচনার বিষয়বস্তুতে শুধু আন্দোলন এবং ইসলামই থাকবে৷  কোটা আন্দোলন থেকে শুরু করে ফ্যাসিস্ট বিরোধী আন্দোলনের ব্যাপারে ইসলামিস্টরা ছিলেন সরব৷ মসজিদ, ওয়াজের ময়দান থেকে শুরু করে নিজেদের ফেইসবুকে ছাত্রদের পক্ষে কথা বলেন ইসলামী এক্টিভিস্টরা৷ এমনকি মাদ্রাসার ছাত্রদেরও আন্দোলনে যোগদানের ব্যাপারে ব্যাপক উৎসাহী করে তোলেন তারা৷ আন্দোলনের গতিপথ যেনো বদলে না যায়, তাই মাদ্রাসা স্টুডেন্টদের শুরুতে অংশ নিতে মানা করা হয়৷ এটিও আন্দোলনের গতিকে বেগবান করতে ব্যাপক হেল্প করে৷ ইসলামিস্টরা আন্দোলনকে জালেম ও মাজলুমের আন্দোলন হিসেবে পেশ করেন৷ একই সাথে শহীদের মর্যাদার ব্যাপারেও আলোকপাত করেন তারা। ফলে মুসলিমদের আন্দোলনের স্পৃহা আরো বেড়ে যায় এবং তারা আন্দোলনে অংশ নেন৷  ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলোর অবদান অনস্বীকার্য। বিশেষ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সর্বপ্রথম রাজনৈতিক দল হিসেবে ছাত্রদের পাশে দাঁড়ায়৷ অপর দিকে আরেক ইসলামী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিক ব্যানারে কোনো কিছু না করলেও গোপনে আন্দোলনের সাথে যুক্ত থেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পাদন করে। জামায়াতের এই কর্মপদ্ধতি একপ্রকার ওপেন সিক্রেট৷ গোপনে নিজেদের কার্যক্রম চালানো, মিছিলের ফর্মেশন ঠিক করে দেওয়া সহ ফ্রন্ট লাইনে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে জামায়াতে ইসলামী। আন্দোলনে সমন্বয়কদের অকল্পনীয় হেল্প করেছিলো ছাত্র শিবির তা অস্বীকার করার সুযোগ কারো নেই। তবে রাজনৈতিক দল হিসেবে ব্যানারের সাথে কোনো পদক্ষেপ (বিক্ষোভ মিছিল, বক্তৃতা, বিবৃতি ইত্যাদি) না নেওয়ায় তাদের নিয়ে বেশি কথা বলার সু্যোগ নেই।  ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল হিসেবে সর্বাধিক সক্রিয় ছিলো চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ৷ লাগাতার বিক্ষোভ মিছিল, বিবৃতি, বক্তৃতার মাধ্যমে আন্দোলনে ইসলামকে প্রতিনিধিত্ব করেছে দলটি। এমনকি ৫ই আগস্ট সকালে কারফিউ ভেঙে সর্বপ্রথম মিছিল বের করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ৷ দলটির কর্মীরা আন্দোলনেও সরব ছিলেন৷ পরবর্তীতে পরিস্থিতি মোতাবেক খেলাফত মজলিস সহ অন্যান্য ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেয় আন্দোলনে।  আন্দোলনের সবচেয়ে বড় মুভ ছিলো হেফাজতের আন্দোলন সমর্থন এবং ৫ আগস্ট লং মার্চ টু ঢাকা ঘোষণা৷ এর ফলে কওমী অঙ্গনের প্রত্যেকে নিজেদের সবকিছু নিয়ে রাজপথে নেমে পড়েন৷ যদিওবা এর আগে থেকেই হেফাজত কর্মীরা আন্দোলনে সরব ছিলেন৷ অরাজনৈতিক দল হিসেবে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশে ইসলাম রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য৷ তাই যখন হেফাজত আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করে ঘোষনা দেয় তখন মুসলিমরা নির্দ্বিধায় আন্দোলনে অংশ নিতে শুরু করে৷  আন্দোলনে আলেম সমাজের ভূমিকা ছিলো অভাবনীয়। উপরের বিষয়গুলো পরিচালনা করেছেনই আলেমরা। আবার আন্দোলনে মাদ্রাসা ছাত্ররা ছিলো একটি মেজর পয়েন্ট৷ তারা এই আন্দোলনে অংশ নিয়ে গণঅভ্যুত্থানের পূর্ণমাত্রা যোগ করে৷  আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের মধ্যেও ছিলেন ইসলামী দলগুলোর কর্মীরা। বিশেষ করে আবু সাঈদ এবং মূগ্ধ, যারা ছিলেন যথাক্রমে শিবির এবং ছাত্র আন্দোলন (চরমোনাই) এর সদস্য। এছাড়া মাদ্রাসার ছাত্রদের মধ্য থেকেও শহীদের সংখ্যা অনেক৷ হতাহতের সংখ্যা বলতে গেলে অগণিত।  আন্দোলনকে সচল রাখতে এবং বেগবান করতে ব্যবহার করা হয় ধর্মীয় আবেগকে৷ যেমন - আন্দোলনের মাঝে রাজপথে নেমে আসতে বলা হয় আল্লাহর উপর ভরসা করে। মরলে শহীদ বাঁচলে গাজী স্লোগানও দেওয়া হয়। হায়াতের মালিক আল্লাহ এ কথাও স্বীকার করা হয়৷ মসজিদের মাইক ব্যবহার করে জনগণকে রাজপথে নামতে বলা হয়। মাদ্রাসার ছাত্রদের নেমে আসতে বলা হয়৷ আলেম সমাজকে ভূমিকা নিতে বলা হয়৷ ইত্যাদি।  ইসলামী মূল্যবোধকে ব্যবহার করে আন্দোলন পরিচালনা করা হয় এবং বিজয় অর্জন করা হয়৷  আর বিজয় অর্জনের শেষে ক্রেডিট নিতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে কথিত বুদ্ধিজীবী শাহবাগীরা৷ ইসলামের কথা শুনলে তখন তাদের শরীরে জ্বালা ধরে যায়৷ 

অন্বেষণ হলো একটি ব্যতিক্রমধর্মী টেলিগ্রাম চ্যানেল, যেখানে ট্রেন্ডিং টপিক থেকে শুরু করে ইতিহাস, দর্শন, রাজনীতি, সাহিত্য, বিজ্ঞ
অন্বেষণ হলো একটি ব্যতিক্রমধর্মী টেলিগ্রাম চ্যানেল, যেখানে ট্রেন্ডিং টপিক থেকে শুরু করে ইতিহাস, দর্শন, রাজনীতি, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিসহ প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ের উপর তথ্যনির্ভর, যুক্তি সমৃদ্ধ এবং গ্রহণযোগ্য আর্টিকেল তথা প্রবন্ধ প্রকাশিত হবে৷ একই সাথে যেকোনো বিষয়ের উপর পাঠকদের করা প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া হবে।
আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে নিচের চ্যানেলটিতে জয়েন হয়ে নিনঃ https://t.me/anweshantelegram

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার মূল্য বৃদ্ধি! পেছনে রহস্য কী? হাসিনা সরকারের পতনের পরপর জনগণের মাঝে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্যণীয়। এরই মাঝে দেশের অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতে এবং মুদ্রাস্ফীতি রোধে ইউনুস সরকার কাজ করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে অন্যান্য ব্যাংকগুলোর থেকে ইসলামী ব্যাংকের প্রত্যাবর্তন নজরকাড়া। গেল ৮ই আগস্টও যেখানে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য ছিল ৩২.৪০ টাকা, এখন তা ৭০ টাকায় এসে পৌঁছেছে। প্রায় ১১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এই ব্যাংকের শেয়ার মূল্য। বিষয়টি একদিকে যেমন অবাক করা, তেমনি অপরদিকে সন্দেহজনক। তাই পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা "বিএসইসি" কর্তৃপক্ষ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের মূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। তবে ঠিক কি কারনে শেয়ার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে?  এর অনেকগুলো কারন থাকতে পারে৷ তার মধ্যে অন্যতম কারন হতে পারে, ইসলামী ব্যাংকের প্রতি জনগণের আস্থা পুনরায় ফিরে আসা৷ এস আলম গ্রুপ ও তার সংশ্লিষ্টরা ইসলামী ব্যাংক দখলের পর জনগণ ইসলামী ব্যাংক থেকে আস্থা হারাতে শুরু করে৷ তবে ৫ আগস্টের পর ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদের সংস্কারের ফলে জনগণ পুনরায় আস্থা ফিরে পেতে শুরু করেছে। ইসলামী ব্যাংকের সাথে লেনদেন স্বাভাবিক করেছে। এর ফলে যেখানে কয়েক মাস আগেও ব্যাংকে ক্লায়েন্ট খুঁজে পাওয়া যেত না, বর্তমানে সেখানে ক্লায়েন্টের ভীড় অবাক করার মতো। লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, নতুন অনেক ক্লায়েন্ট সেভিংস এবং এফডিআর (FDR) এর জন্য এসেছিলেন। এফডিআরের মুনাফা হার আগে যেখানে ৬-৭ শতাংশ ছিলো, তা এখন ৯ শতাংশ করা হয়েছে। ফলে অনেকে আরও বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন আগের তুলনায়।  অপর এবং মূল কারনটি হলো, ইসলামী ব্যাংকের ৮২ শতাংশ শেয়ারের মালিক ছিলো এস আলম গ্রুপ ও তাদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। কিন্তু হাসিনা সরকার পতনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক ঐ ৮২ শতাংশ শেয়ারকে অবরুদ্ধ করেছে। ফলে শেয়ার বৈধ হওয়া সত্ত্বেও তাদের শেয়ারগুলো এক্সচেঞ্জ বা অন্য কোনো কাজে আসছে না। তাই বাজারে শেয়ারের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। আর যারা স্টক মার্কেটের বিষয়ে খোঁজখবর রাখেন, তারা নিশ্চয়ই জানেন, স্টকের ঘাটতি হলে স্টকের মূল্য বেড়ে যায় এবং বিনিয়োগকারীরা নতুন স্টক কিনতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। লেখায় - আদনান তথ্যসূত্র সমূহ - https://www.prothomalo.com/topic/%E0%A6%87%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%95 https://www.rtvonline.com/economy/292889 https://youtu.be/NLq-jkCmCJw?feature=shared আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এই চ্যানেল জয়েন হয়ে নিনঃ https://t.me/anweshantelegram

বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে ফরহাদ মাজহাররা কিন্তু আধ্যাত্মিকতার ধারণা ধর্ম থেকে নেয় নাই। তারা এই ক্ষেত্রে ধার করেছে লালনবাদকে। যেহেতু মার্ক্সিজমে ধর্মের স্বীকৃতি নেই, সেহেতু ধর্মের অন্যতম বৃহত্তর অংশ আধ্যাত্মিকতাকে বস্তুবাদী ব্যাখ্যা দিতে মজহার এখানে লালনবাদ টেনে এনেছেন। লালনের বিভিন্ন তত্ত্বকে এখানে ইমপ্লিমেন্ট করে ফরহাদ মাজহার মূলতঃ মার্ক্সিজম এবং ইসলাম, দুইটারই একটা আঞ্চলিক রূপ নির্মাণ করেছেন।  লেখায় - নাফে বিন মামুন

ফরহাদ মাজহার, মার্ক্সবাদ ও ধর্ম ধর্মভিত্তিক রাজনীতির সাথে কম্যুনিজমের সমস্যা হচ্ছে, কম্যুনিজম ধর্মের অস্তিত্বকে স্বীকৃতি দেয় না। ফলে কম্যুনিজমকে ধর্মীয় সমাজ ডিল করতে হয়। তাই আমাদের প্রথম আলাপ হচ্ছে, কম্যুনিজম ধর্মকে কিভাবে দেখে? বেশ কয়েকদিন আগে ফাহাম আব্দুস সালামের একটা বক্তব্য শুনেছিলাম। যেখানে তিনি হুবহু মার্ক্সিজমের তত্ত্বটাই উল্লেখ করেছিলেন নিজের মতো করে। মূলত এর ধরন হচ্ছে এলিয়েনেশন। ফাহাম বলেছিলেন যে, মানুষ কোনো একটা কিছুর পিছনে অনেক কষ্ট করে, অনেক মেহনত করে সেটাকে সর্বোচ্চ নিখুঁত রূপ দেওয়ার চেষ্টা করে। মানুষ স্বভাবতই সর্বোচ্চ পারফেকশন অর্জন করতে চায় এবং সে এই সর্বোচ্চ নিখুঁত এনটিটি হিসেবে স্রষ্টাকে পায়।  এই যে মানুষ তার নিজের কাজটাকে ঔন করতে পারে না,  স্রষ্টার মাধ্যমে মেডিয়েটেড হয়, এটাই এলিয়েনেশন। অর্থাৎ নিজের কাজ স্রষ্টার মধ্য দিয়ে মেডিয়েটেড হওয়ার মাধ্যমে নিজেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় তার কাজের ক্রেডিট থেকে। সে নিজে যা করতে পারে না, সেটাকে স্রষ্টা নামক ধারণার মধ্যে প্রোজেক্ট করে এবং স্রষ্টার মাধ্যমে মেডিয়েটেড হয়ে সেটা সে পাওয়ার চেষ্টা করে। এই ধারণা মূলতঃ দিয়েছিলেন ফয়েরবাখ, তার এসেন্স অব খ্রিস্ট্রিয়ানিটি বইয়ে।  দুইটি বিষয় এখানে খেয়াল করার মতো। একটি হচ্ছে, মানুষ এখানে শ্রমের বিপরীতে যেই মজুরি নিচ্ছে সেটাকেই সে মুখ্য হিসেবে নিচ্ছে  এবং তার কাজ থেকে যেই আউটকাম আসে সেটা তার নিকট অবজেক্ট হয়ে যাচ্ছে।  কার্ল মার্ক্সের সমসাময়িক একজন ছিলেন বুনো বাওয়ের। বুনো বাওয়ের ছিলেন র‍্যাডিক্যাল সেকুলারিস্ট। তার কথা হলো ধর্মের মানুষ হয়ে কখনো রাজনৈতিক মুক্তির আন্দোলন করা যাবে না। রাজনৈতিক মুক্তি পেতে হলে আগে ধর্মের বাইরে আসতে হবে। কিন্তু মার্ক্স এই ধরনের র‍্যাডিক্যালিস্টিক ধারণা থেকে বের হয়ে আসেন। মার্ক্সের মতে, এইভাবে জাস্ট ধর্মের জায়গায় ধর্মনিরপেক্ষতা আসবে। এতে আল্টিমেট কোনো লাভ নাই। ফলে এলিয়েনেশনের জায়গা থেকে মুক্তি মিলবে না। তার চেয়ে মানুষকে যদি কনভিন্স করা যায়, তাকে যদি তার কাজকে ঔন করানো যায়, এই এলিয়েনেশনের জায়গার ঊর্ধ্বে উঠানো যায়, তাহলে সে নিজেই এক সময় তার কাজকে সাবজেক্ট হিসেবে নিবে। সে বুঝবে তার কাজের ক্রেডিট তারই৷ ফলে এমনিতেই সে স্রষ্টার ধার ধারবে না। দ্বিতীয় বিষয়টি হচ্ছে,  স্রষ্টা ও সৃষ্টির সম্পর্ক কিভাবে তৈরি হয়, সেটা। মানুষ তার 'অসম্ভবতা'র প্রতিকৃতি হিসেবে স্রষ্টাকে আবিষ্কার করে এবং তাঁর এবাদত করে। এই স্রষ্টার ধরন বুঝতে হবে আগে। এই স্রষ্টার ধারণা এসেছে মূলতঃ প্যাগান থেকে (খুব সম্ভবত) । হিন্দুইজমের ফিলোসোফি অনুযায়ী, ব্রহ্মা হচ্ছে স্রষ্টা এবং ব্রহ্মার বিভিন্ন বায়োলজিকাল এনটিটিই হচ্ছে মহাবিশ্বের বিভিন্ন এনটিটি। এভাবেই ব্রহ্মাণ্ড। ইসলামে ইবনে সিনার স্রষ্টাকে নিয়ে ফিলোসোফিও এমনই। আবার খ্রিস্ট্রিয়ানিটিতে ত্রিত্ববাদ আছে, অর্থাৎ পিতা-পুত্র এবং পবিত্র আত্মা মিলে ঈশ্বর। যিশু মানুষ, একইসাথে তার মধ্যে স্রষ্টা বিরাজমান, ফলে সে এক অর্থে ঈশ্বরও বটে। ক্যাথলিক এবং প্রোটেস্টেন্ট খ্রিস্টানদের মধ্যে এই ধারণা খুবই প্রবল। যাইহোক, হিন্দুইজমের এই ফিলোসোফি অনুযায়ী সকল সৃষ্টিই মূলতঃ স্রষ্টার ছায়া-অস্তিত্ব অর্থাৎ স্রষ্টা নিজেকে জাহির করার ইচ্ছা করলেন। ফলে তার সত্ত্বা থেকে মহাবিশ্ব প্রোডিউস করলেন এবং এর মাধ্যমে নিজে আত্মপ্রকাশিত হলেন, এই হিসেবে জীবাত্মার মাঝেই ঈশ্বরের অবস্থান৷ ইসলামে মহিউদ্দিন ইবনুল আরাবির ওয়াহদাতুল উজুদকে একটা সময় পর্যন্ত এভাবে "সর্বেশ্বর" ধারণার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করা হতো এবং সমকালীন অনেক স্কলার তাকে তাকফিরও করেছিলেন।  ফিরে যাই। অসম্ভবতার প্রতিকৃতি কেমন? যেমন ধরুন, মানুষ মেহনত করে একটা পর্যায়ে চলে যায়, যেখানে তার দর্শন মেটাফিজিক্যাল অ্যাক্ট করে। এখন একটি প্রসিদ্ধ ঘটনা উল্লেখ জরুরি উদাহরনের জন্য। বনী ইস্রাইলের এক বুজুর্গ গুহায় বহু বছর ধ্যানে মগ্ন ছিলেন। একবার একটা পাখি সেখানে বারবার তার ধ্যানে বিঘ্ন ঘটাচ্ছিল। বুজুর্গ বিরক্ত হয়ে পাখিটির দিকে তাকালে পাখিটি ভষ্ম হয়ে যায়। বুজুর্গ  ভয় পেয়ে গেলে গায়েব থেকে আওয়াজ আসে যে,❝ তুমি যে দীর্ঘকাল আমার জন্য ধ্যানে আছো, তাই এখন তোমার চোখ আর তোমার নেই, খোদার চোখ হয়ে গিয়েছে। ❞ এটাই হচ্ছে সর্বোচ্চ পারফেকশন। এই ধরনের আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব মানবসমাজে একটা সময় পূজনীয় হয়ে উঠে। যা বিশেষ করে প্যাগান ধর্মগুলোতে সচারাচর দেখা যায়।  যাইহোক, নিজের মাঝেই ঈশ্বরের অবস্থান, এই চিন্তাধারাকে ধারণ করে নিজের কর্মকে সাবজেক্ট হিসেবে ঔন করার এই মেহনতটা হচ্ছে মার্ক্সিজমের লক্ষ্য। পার্থক্য হচ্ছে এই চিন্তার মাধ্যমে ধার্মিক নিজেই ঈশ্বর হয়ে উঠে না, মার্ক্সিস্ট নিজেই ঈশ্বর হয়ে উঠে। 

অন্বেষণ - Anweshan সকলকে ❝ অন্বেষণ ❞ এ স্বাগতম। আমাদের কার্যক্রম যত দ্রুত সম্ভব শুরু করতে যাচ্ছি ইনশা আল্লাহ৷ ⭕ অন্বেষণ কী? অন্বেষণ হলো একটি ব্যতিক্রমধর্মী টেলিগ্রাম চ্যানেল, যেখানে ট্রেন্ডিং টপিক থেকে শুরু করে ইতিহাস, দর্শন, রাজনীতি, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিসহ প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ের উপর তথ্যনির্ভর, যুক্তি সমৃদ্ধ এবং গ্রহণযোগ্য আর্টিকেল তথা প্রবন্ধ প্রকাশিত হবে৷ একই সাথে যেকোনো বিষয়ের উপর পাঠকদের করা প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়া হবে। ⭕ কেনো অন্বেষণ? অন্বেষণ গড়ে তোলা হয়েছে এমন একটি চ্যানেল হিসেবে, যা শুধুমাত্র তথ্য সরবরাহ করে না, বরং বিষয়গুলোর গভীরে গিয়ে সঠিক ও যৌক্তিক বিশ্লেষণ দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে৷ এর মাধ্যমে পাঠকেরা প্রায় নির্ভরযোগ্য জ্ঞানভাণ্ডার পাবেন যা তাদের চিন্তা-ভাবনা এবং দৃষ্টিভঙ্গিকে আরও সমৃদ্ধ করতে সহায়ক হবে। ⭕ অন্বেষণ কোথায় এভেইলেবল? আপাতত অন্বেষণ শুধুমাত্র এই চ্যানেলটিতেই এভেইলেবল। বর্তমানে অন্বেষণ অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এভেইলেবল নেই। তবে ভবিষ্যতে ডকুমেন্টারি প্রচারের জন্য ফেসবুক এবং ইউটিউবে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করবে অন্বেষণ। 🔴 আর দেরি না করে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন। নিজের বন্ধুদের যুক্ত রাখুন। ধন্যবাদ৷ 🔴 অন্বেষণ - Anweshan জ্ঞান হোক বাধামুক্ত