বাংলাদেশ সিম রোমিং
Open in Telegram
দেশের সিম বিদেশে ব্যাবহার করতে যোগাযোগ করুন। হুয়াটসঅ্যাপ: 📩 https://wa.me/966504618986
Show more199
Subscribers
No data24 hours
-37 days
-2130 days
Posts Archive
বাংলাদেশের কিশোরদের জন্য একেবারে খাঁটি বাংলাদেশী সাহিত্য, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নিয়ে হাজির হতে যাচ্ছে ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের নতুন মাসিক কিশোর পত্রিকা "ইস্কুল"
আমরা "ইস্কুল"-এর লোগো তৈরিতে আপনাদের সহযোগিতা চাইছি। একটা ওপেন ডিজাইন কম্পিটিশনের আয়োজন করেছি, যেখানে আপনার হাতের ছোঁয়ায় তৈরি ক্যালিগ্রাফি হতে পারে এই পত্রিকার চিরকালীন পরিচয়।
ইস্কুল লোগো ডিজাইন কম্পিটিশন
প্রাইজপুল: ৫,০০০ টাকা
বিজয়ীর নাম "ইস্কুল" পত্রিকার প্রথম সংখ্যায় ক্রেডিটসহ প্রকাশিত হবে
ডেডলাইন: ৫ জুন ২০২৬
📋 নিয়মাবলী:
• শুধু "ইস্কুল" শব্দটির পিওর ক্যালিগ্রাফি / হ্যান্ড-লেটারিং / টাইপোগ্রাফি লোগো হতে হবে
• অবশ্যই বাংলা বর্ণের প্রাকৃতিক গঠন বজায় রাখতে হবে
• AI-Generated ডিজাইন গ্রহণযোগ্য নয়
• হাতে আঁকা বা ডিজিটাল ব্রাশ, উভয়ই গ্রহণযোগ্য
• ফাইল ফরম্যাট: PNG/JPG (Min 1500×1500px); ভেক্টর ফাইল (AI/EPS/PDF) বিজয়ীদের কাছে পরবর্তীতে চাওয়া হবে
সাবমিশন:
কমেন্টের গুগল ফর্মে অথবা ইমেইলে পাঠান:
📧 iskoolmag@gmail.com
ইমেইলে পাঠানোর সময় অনুগ্রহ করে নাম, মোবাইল নম্বর, ফেসবুক লিংক ও লোগোর ব্যাখ্যা সংযুক্ত করবেন।
এরও কয়েকদিন পর যখন সেখানে আবারও গেলাম, ভেতরে সেখানকার পরিচিত কর্মচারীদের মুখে স্পষ্ট শুনলাম, গাড়ি ভরতি লাশ এনে ট্রিটমেন্ট প্লান্টে সব গুড়ো গুড়ো করে মিশিয়ে দেয়া হয় ময়লার সাথে। যেখানে ফেলা হয় গুড়োগুলো, সেই জায়গাটা ঘেরাও করা ছিল, প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। আরও কিছু তথ্য শুনেছি, শুনেছি অনেককিছুই।
দূর থেকেই তখন পেলাম শহীদের ঘ্রাণ, যেন বহুদিন ধরে চিনি এসব ঘ্রাণ, দুর্গন্ধময় এই জায়গায় এই ঘ্রাণ আসবে কোত্থেকে!
বলব আরও কিছু, লিখব এসব চেপে রাখা ইতিহাস, সবে তো শুরু!
- তানজিল আরেফিন আদনান
মাতুয়াইল ডাম্পিং গ্রাউন্ড, স্থানীয় ভাষায় বলে ময়লার পাহাড়। ঢাকা-শহরের সমস্ত আবর্জনা এখানে এনে ক্রাশিং করে গ্যাস বানানো হয়। এরিয়াটা কয়েক মাইল ব্যাপী হবে। ডেমরা কোনাপাড়ার মধ্যে পড়েছে জায়গাটা।
২০১৩ সাল, আমি তখন কাজলা ভাঙাপ্রেস কাসেমিয়া মাদরাসায় পড়ি। ৫ই মে রাতে শাপলা চত্বরে স্বশরীরে উপস্থিত ছিলাম। চোখের সামনে শহীদ হতে দেখেছি। লাশের ওপর দিয়ে ফিরেছি ভোররাতে।
পরদিন সকাল, মাদরাসা থেকে আধা কিলো দূরত্বেই সেই ময়লার পাহাড়। এর আশেপাশে খেলতে যেতাম আমরা। ঘোরার অন্যতম জায়গা ছিল এই জায়গা। ভোরে যখন মাদরাসায় ফিরলাম, জানালা দিয়ে তাকিয়ে দেখলাম একের পর এক ময়লার ট্রাক ঢুকছে ডাম্পিং গ্রাউন্ডে। মিনিমাম ১৫/২০টা হবে যদ্দূর মনে পড়ছে। তবে সবগুলোর ওপরে ত্রেপাল দিয়ে ঢাকা, যা আগে কখনো দেখিনি। পেছনে দেখলাম পুলিশ-র্যাবের গাড়ি। বিকালে হাঁটতে গেলাম সেখানে। কিন্তু মেইন গেইটের সামনে পুলিশের গাড়ি, আর স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতাদের উপস্থিতি দেখলাম। এমনিতেই আগের রাতে পুলিশের নির্মমতা দেখে মনে ঘৃণা আর ভয় জন্মেছে, এর ওপর পুলিশ দূর থেকেই সরিয়ে দিচ্ছে। আঁচ করতে পারছিলাম, ভেতরে কিছু একটা হচ্ছে। যেই গেইট এত বছরেও বন্ধ দেখলাম না, সেটা আজ বন্ধ কেন?
এই প্রকল্পে প্রতিদিন ১০ কোটি ৩০ লাখ টাকার বেশি সুদ গুনতে হচ্ছে। আর সামনের ২৮ বছর প্রতিদিন এই সুদ গুনতে হবে ২০৫৪ সাল পর্যন্ত। Can you imagine? প্রতিদিন!! এগুলা কোনো ব্যাক্তি বা কোনো সরকারের ক্রেডিটে ফালানোই উচিৎ না। সুদ পে করতেছে দেশের জনগণ। নিজের কামানো টাকায় আরেক জনের নামে মাজার বানানো। দেশ কোনো ভাড়া বাসা না যে একলোক উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে এলিট ক্লাসের বাড়ি বানালো আর দেশের জনগণ সেখানের এমিনিটিস, ফ্যাসিলিটিস ভোগ করতে ভাড়ার নামে সেই সুদের ঋণ পরিশোধ করেও সেই বাড়ির কোনো ক্রেডিট নিতে পারবেনা।২৮ বছর মেয়াদ সুদ সহ লোন পরিশোধের, মোট ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকা+ ঋণ , যা প্রকল্পের মোট ব্যয়ের ৯০%। ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে টাকার অঙ্কে এই ঋণের পরিমাণ এখন আরো ২৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি বেড়ছে। যাকে বেশি ক্রেডিট দেয়া হচ্ছে তার নামে এই প্রকল্পের ৫০০ কোটি ডলার আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।
Sahed Ahmed
১৫ বছরে আওয়ামী লীগ পাচার করেছে ২৮ লাখ কোটি টাকা।
রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্র তৈরিতে এখন পর্যন্ত খরচ হইছে ১ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকা।
এবার চিন্তা করেন যে টাকা পাচার করছে কয়টা রূপপুর বানানো যাইতো।
হেডা ভরে এখন যখন ধন্যবাদ দিতেছেন আওয়ামী লীগরে তার ১৫ বছরে জাহিলিয়াত ও মনে রাইখেন ১৪০০ মানুষের জীবন খেলো যে দুই বছরও হয় নাই।
২০ হাজারের উপর মানুষকে পঙ্গুত্ব বরণ করাইছে।
হাসিনারে আওলিয়া বানাইতে যাইয়েন না ফেরাউন ও মিশরের অনেক উন্নয়ন করেছে এই জাতি ফেরাউনের আমলে থাকলে আমি শিওর এরা সিজদা করতো ফেরাউনরে কারণ ফেরাউন জালিম হলে কি হইছে উন্নয়ন তো করছে।
