en
Feedback
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

Open in Telegram

📈 Analytical overview of Telegram channel বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

Channel বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (@studentsagainstdiscriminationn) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 50 411 subscribers, ranking 1 201 in the Politics category and 317 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 50 411 subscribers.

According to the latest data from 07 September, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by -729 over the last 30 days and by -45 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 11.97%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 3.51% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 6 038 views. Within the first day, a publication typically gains 1 768 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 134.

📝 Description and content policy

Channel description not provided.

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 08 September, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Politics category.

50 411
Subscribers
-4524 hours
-1777 days
-72930 days
Posts Archive
'গুলি খাওয়ার সাথে সাথে আমার পেটের নাড়িভুড়ি বাইর হয়া গেছিলো গা। প্রথমে যেই হসপিটালে নিয়া গেছিলো, ওইটাতে কোনো চিকিৎসা ছিলো না।
'গুলি খাওয়ার সাথে সাথে আমার পেটের নাড়িভুড়ি বাইর হয়া গেছিলো গা। প্রথমে যেই হসপিটালে নিয়া গেছিলো, ওইটাতে কোনো চিকিৎসা ছিলো না। ওরা জাস্ট নাড়িভুড়িগুলাসহ পেটে একটা কাপড় বাইন্ধা সোহরাওয়ার্দী হসপিটালে পাঠায়া দিছিলো। রক্ত ঝরতেছিলো লাগাতার। ওই অবস্থাতেও আমি কোনো এম্বুলেন্স পাই নাই। রিশকায় কইরা সোহরাওয়ার্দীতে যাওয়া লাগছিলো। কিডনির সাইডে গুলির গর্তটা দিয়া পেশাব বাইর হয়া যাইতো। ওইখানে একটা পলি ঝুলায়া দিছিলো। প্রথম ৩ মাস আমার চোখে কোনো ঘুম আছিলো না। পেইনের লাইগা এমন দিন যায় নাই যেইদিন আমি নিজেরে মাইরা ফেলতে নিজের গলা চাইপা ধরি নাই...' - মো: রিয়েল (পেটে লাইভ গুলিবিদ্ধ আহত, মিরপুর ১০, ঢাকা) -July Records

বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের সমস্যার সমাধানসহ তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের সফলতার ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনন্দ মিছিল করেছে চবি শাখা ছাত্রদল।

যেভাবে বিদ্যুৎ এর জোয়ারে ভেসে যাচ্ছে বাংলাদেশ!

এতে বিদ্যুতের দাম ৪-৫ গুণ পর্যন্ত বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একইসাথে বাড়বে গ্যাস, পরিবহন ব্যয়ও।
এতে বিদ্যুতের দাম ৪-৫ গুণ পর্যন্ত বাড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। একইসাথে বাড়বে গ্যাস, পরিবহন ব্যয়ও।

শেষ হয় নি জুলাই!
শেষ হয় নি জুলাই!

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নির্যাতনকারী বিএনপিপন্থী প্রভোস্টকে সুরক্ষা দিতে এসে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে এফএইচ হল ছাত্রদল। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নির্যাতক প্রভোস্ট ইলিয়াস আল মামুনকে বহাল তবিয়তে রাখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে অবস্থান নিয়েছে এফএইচ হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবিদ হাসনাত।

আজকে আমার হল এর প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুন আমাকে তার রুম এ অবরুদ্ধ করে তার অনুগত স্টাফ দের নিয়ে রুম এ আমার সাথে যা করলো আমার লাইফে এমন ট্রমা কখনো ফেইস করি নাই। আমি একটা পোস্ট শেয়ার করার কারণে (যেটা আমার টাইমলাইনে আছে এবং এই গ্রুপ এ ও আছে) উনি আমাকে হল অফিসে ওনার রুম এ ডাকলো, উনি এর আগেও ২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এক জুনিয়রকে রুম এ ডেকে এইভাবে অনেক্ষন চিল্লাফাল্লা/ভয় ভীতি দেখিয়েছিলো পরে ছেলেটা কাঁদতে কাঁদতে বের হয়েছিলো। আমার ওই জিনিস টা মাথায় ছিলো এইজন্য আমি রুম এ ঢুকার আগে ফোন এ অডিও রেকর্ড অন করে, ফোন পকেটে নিয়ে তারপরে রুম এ ঢুকসিলাম যাতে আমাকে যা ভয় ভীতি দেখাবে তা রেকর্ড করতে পারি। এরপর উনি কথাবার্তা শুরু করতেসিলো এর মাঝেই হঠাৎ বলে আমার পকেট এ কোনো ফোন থাকলে সেইটা বের করতে। আমি ফোন বের করতে চাইসিলাম না এরপর উনি চিল্লায় উঠে উনার চেয়ার থেকে উঠে আসে, সাথে উনার অনুগত স্টাফ গুলা (ইলেকট্রিশিয়ান মারুফ, প্রধান সহকারি আরিফ হোসেন সহ আরো ৪-৫ জন, বিশেষ করে মারুফ আমার ফোন চেক করেছে) এসে আমার থেকে আমার ফোন জোর করে কেড়ে নেয়। এমনভাবে কেড়ে নেয় যে মনে হইতেসে কয়েকটা গুন্ডা আমাকে ধরে ফেলসে, আমি লিটারেলি রুম থেকে বের হইতে চাইসিলাম আর ওই স্টাফ গুলা আমাকে ধরে রাখে আর একজন দরজা বন্ধ করে দেয়। এরপর আমি যখন এইসব দেখে ভয় পেয়ে গেসি তখন এরপর যা হইসে তা লিখতে গিয়েও আমার কান্না আসতেছে। পুরা ১.৫ ঘন্টা আমার উপর যে মেন্টাল টর্চার করা হইসে সেইটা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। প্রোভোস্ট রুম এর সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলেই সবার কাছে ক্লিয়ার হয়ে যাবে। হল এর সিট বাতিল করে দিবে এইটা তো শুরু থেকেই বলসে,,তারপর "ছাত্রত্ব বাতিল করা কোনো বিষয় না। “ভিসি স্যার কে একটা এপ্লিকেশন লিখলেই ছাত্রত্ব বাতিল করে দিতে পারবে" , সামান্য এই পোস্ট লিখার কারণে আমার বিরুদ্ধে সাইবার মামলা করবে বলে হুমকি ধামকি দিচ্ছে, এমন সিচুয়েশনে কি করবো কিছু বুঝতে পারতেসিলাম না। নিজেকে এতো অসহায় লাগতেসিলো। চারপাশ থেকে সব দরজা বন্ধ করে দিয়ে এরপর সে আরেকটা যে ক্রাইম করসে সেইটা হলো তার স্টাফ দের নিয়ে একটা নিজেদের মতো স্ক্রিপ্ট বানিয়ে জোর করে ওইটা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে পুরা জিনিস আমাকে দিয়ে লিখালো, এরপর আমার সাইন নিলো (আমাকে দিয়ে জোর করে যেই স্টেটমেন্ট নিয়েছে সেখানে লেখা ছিল আমি হল সংসদ এর ভিপি , জিএস, এজিএস সহ বাকিদের প্ররোচনায় পড়ে তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখি করেছি)। ওই স্ক্রিপ্ট প্রভোস্ট স্যার আবার পড়ে দেখে যখন দেখলো তার মন মতো হয় নাই তখন তিনি সেইটা নিজ হাতে আরেকটু ইডিট করে আবার আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে লিখতে বললো। এরপর আমার আম্মুকে ফোন দিলো। এইভাবে ক্রমাগত মেন্টাল ট্রমা না নিতে পেরে আমি চিল্লাইয়া কান্না করতেসিলাম অনেক্ষন। আমার কান্না দেখে তারপর সে একটু নরম হলো, এরপর আমি ওইখান থেকে বের হইতে পারলে বাঁচি। এইজন্য বার বার ক্ষমা চাচ্ছিলাম স্যার ভুল হয়ে গেসে আর এইধরনের পোস্ট করবো না, তারপর সে একটু নরম হইসে। এরপর আমাকে পানি /ফ্রুটস ইত্যাদি খেতে দিলো, পানি খাবার সময়ও আমার হাত কাঁপতে ছিল। আমিও খেয়ে স্যারকে বলতেসিলাম আমাকে যেন ক্ষমা করে দেয়। কারণ আমাকে এইখান থেকে বের হওয়া লাগবে,এরপর আমাকে বলে এই ঘটনা যাতে কারো সাথে শেয়ার না করি। সে বললো বাহিরে গিয়ে সবাইকে যেন বলি ঝামেলা মিটে গেসে। কিন্তু আমার সাথে এমন একটা ঘটনা ঘটছে আমি মেনে নিতে পারছি না। আমি জানি না এই পোস্ট দেওয়ার কারণে আমার বিরুদ্ধে সে ক্ষমতা প্রয়োগ করে কি করবে? হয়তো আমার অনেক বড়ো ক্ষতি করে ফেলবে। কিন্তু তারপর ও আমি বলতে চাই, আমার সাথে একজন জঘন্য প্রোভোস্ট ঠিক কি করলো। সে আমাকে লাস্ট এ এইটা বুঝানোর ট্রাই করলো হল সংসদ কে শেয়ার করলে কোনো লাভ হবে না তার পাওয়ার ই সর্বোচ্চ পাওয়ার। যে ছেলেটা পিয়াস (EEE ২০-২১) এই মুল পোস্ট দিসিলো তাকেও নাকি স্যার খুজছিলো কিন্তু সে অনাবাসিক হবার কারণে তাকে পায় নাই এইজন্য আমাকে হাতের কাছে পেয়ে এমন টা করসে, প্রোভোস্ট স্যার এইটা উনি নিজের মুখে বলসে। অথচ আমি পোস্ট শেয়ার করে তেমন কিছুই লিখি নাই। উনি এরপর বললো পিয়াস কে খুজে বের করে ওকে শায়েস্তা করবে। যৌক্তিক সমালোচনা করার কারণে হলের দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে একজন শিক্ষার্থীর উপরে এমনভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এর বিচার চাই। ছাত্রলীগের আমলে শিক্ষার্থীদের উপরে যেভাবে সিঙ্গেল গেস্ট রুম নামক ভয়াবহ কালচার ছিল আমার কাছে আজকের ঘটনা তার চেয়েও বেশি ভয়াবহ মনে হয়েছে। সত্যি বলতে ছাত্রলীগের আমলে সিঙ্গেল গেস্ট রুম নিলেও আমার কখনো এমন ভয় হইতো না,,, -মো: ইব্রাহীম (ভিক্টিম)

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের এক শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে হেনস্তা ও গেস্টরুম নেওয়ার প্রতিবাদে প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল-মামুনের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি। ঢাবির সাদা দলের বিএনপিপন্থী এই শিক্ষক বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় সিটি ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগের উপদেষ্টার পদেও আছেন। সিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরাও দুর্নীতিসহ নানান অভিযোগে তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছে এই মাসের শুরুতে।

মো: ইব্রাহীম রোবটিক্স এন্ড মেকাট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং আবাসিক শিক্ষার্থী ফজলুল হক মুসলিম হল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবর্ষ: ২০২০-২১

আজকে আমার হল এর প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুন আমাকে তার রুম এ অবরুদ্ধ করে তার অনুগত স্টাফ দের নিয়ে রুম এ আমার সাথে যা করলো আমার লাইফে এমন ট্রমা কখনো ফেইস করি নাই। আমি একটা পোস্ট শেয়ার করার কারণে (যেটা আমার টাইমলাইনে আছে এবং এই গ্রুপ এ ও আছে) উনি আমাকে হল অফিসে ওনার রুম এ ডাকলো, উনি এর আগেও ২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের এক জুনিয়রকে রুম এ ডেকে এইভাবে অনেক্ষন চিল্লাফাল্লা/ভয় ভীতি দেখিয়েছিলো পরে ছেলেটা কাঁদতে কাঁদতে বের হয়েছিলো। আমার ওই জিনিস টা মাথায় ছিলো এইজন্য আমি রুম এ ঢুকার আগে ফোন এ অডিও রেকর্ড অন করে, ফোন পকেটে নিয়ে তারপরে রুম এ ঢুকসিলাম যাতে আমাকে যা ভয় ভীতি দেখাবে তা রেকর্ড করতে পারি। এরপর উনি কথাবার্তা শুরু করতেসিলো এর মাঝেই হঠাৎ বলে আমার পকেট এ কোনো ফোন থাকলে সেইটা বের করতে। আমি ফোন বের করতে চাইসিলাম না এরপর উনি চিল্লায় উঠে উনার চেয়ার থেকে উঠে আসে, সাথে উনার অনুগত স্টাফ গুলা (ইলেকট্রিশিয়ান মারুফ, প্রধান সহকারি আরিফ হোসেন সহ আরো ৪-৫ জন, বিশেষ করে মারুফ আমার ফোন চেক করেছে) এসে আমার থেকে আমার ফোন জোর করে কেড়ে নেয়। এমনভাবে কেড়ে নেয় যে মনে হইতেসে কয়েকটা গুন্ডা আমাকে ধরে ফেলসে, আমি লিটারেলি রুম থেকে বের হইতে চাইসিলাম আর ওই স্টাফ গুলা আমাকে ধরে রাখে আর একজন দরজা বন্ধ করে দেয়। এরপর আমি যখন এইসব দেখে ভয় পেয়ে গেসি তখন এরপর যা হইসে তা লিখতে গিয়েও আমার কান্না আসতেছে। পুরা ১.৫ ঘন্টা আমার উপর যে মেন্টাল টর্চার করা হইসে সেইটা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। প্রভোস্ট রুম এর সিসিটিভি ফুটেজ চেক করলেই সবার কাছে ক্লিয়ার হয়ে যাবে। হল এর সিট বাতিল করে দিবে এইটা তো শুরু থেকেই বলসে,,তারপর "ছাত্রত্ব বাতিল করা কোনো বিষয় না। “ভিসি স্যার কে একটা এপ্লিকেশন লিখলেই ছাত্রত্ব বাতিল করে দিতে পারবে" , সামান্য এই পোস্ট লিখার কারণে আমার বিরুদ্ধে সাইবার মামলা করবে বলে হুমকি ধামকি দিচ্ছে, এমন সিচুয়েশনে কি করবো কিছু বুঝতে পারতেসিলাম না। নিজেকে এতো অসহায় লাগতেসিলো। চারপাশ থেকে সব দরজা বন্ধ করে দিয়ে এরপর সে আরেকটা যে ক্রাইম করসে সেইটা হলো তার স্টাফ দের নিয়ে একটা নিজেদের মতো স্ক্রিপ্ট বানিয়ে জোর করে ওইটা আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে পুরা জিনিস আমাকে দিয়ে লিখালো, এরপর আমার সাইন নিলো (আমাকে দিয়ে জোর করে যেই স্টেটমেন্ট নিয়েছে সেখানে লেখা ছিল আমি হল সংসদ এর ভিপি , জিএস, এজিএস সহ বাকিদের প্ররোচনায় পড়ে তার বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখি করেছি)। ওই স্ক্রিপ্ট প্রভোস্ট স্যার আবার পড়ে দেখে যখন দেখলো তার মন মতো হয় নাই তখন তিনি সেইটা নিজ হাতে আরেকটু ইডিট করে আবার আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে লিখতে বললো। এরপর আমার আম্মুকে ফোন দিলো। এইভাবে ক্রমাগত মেন্টাল ট্রমা না নিতে পেরে আমি চিল্লাইয়া কান্না করতেসিলাম অনেকক্ষণ। আমার কান্না দেখে তারপর সে একটু নরম হলো, এরপর আমি ওইখান থেকে বের হইতে পারলে বাঁচি। এইজন্য বার বার ক্ষমা চাচ্ছিলাম স্যার ভুল হয়ে গেসে আর এইধরনের পোস্ট করবো না, তারপর সে একটু নরম হইসে। এরপর আমাকে পানি /ফ্রুটস ইত্যাদি খেতে দিলো, পানি খাবার সময়ও আমার হাত কাঁপতে ছিল। আমিও খেয়ে স্যারকে বলতেসিলাম আমাকে যেন ক্ষমা করে দেয়। কারণ আমাকে এইখান থেকে বের হওয়া লাগবে,এরপর আমাকে বলে এই ঘটনা যাতে কারো সাথে শেয়ার না করি। সে বললো বাহিরে গিয়ে সবাইকে যেন বলি ঝামেলা মিটে গেসে। কিন্তু আমার সাথে এমন একটা ঘটনা ঘটছে আমি মেনে নিতে পারছি না। আমি জানি না এই পোস্ট দেওয়ার কারণে আমার বিরুদ্ধে সে ক্ষমতা প্রয়োগ করে কি করবে? হয়তো আমার অনেক বড়ো ক্ষতি করে ফেলবে। কিন্তু তারপর ও আমি বলতে চাই, আমার সাথে একজন জঘন্য প্রভোস্ট ঠিক কি করলো। সে আমাকে লাস্ট এ এইটা বুঝানোর ট্রাই করলো হল সংসদ কে শেয়ার করলে কোনো লাভ হবে না তার পাওয়ার ই সর্বোচ্চ পাওয়ার। যে ছেলেটা পিয়াস (EEE ২০-২১) এই মুল পোস্ট দিসিলো তাকেও নাকি স্যার খুজছিলো কিন্তু সে অনাবাসিক হবার কারণে তাকে পায় নাই এইজন্য আমাকে হাতের কাছে পেয়ে এমন টা করসে, প্রোভোস্ট স্যার এইটা উনি নিজের মুখে বলসে। অথচ আমি পোস্ট শেয়ার করে তেমন কিছুই লিখি নাই। উনি এরপর বললো পিয়াস কে খুজে বের করে ওকে শায়েস্তা করবে। যৌক্তিক সমালোচনা করার কারণে হলের দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে একজন শিক্ষার্থীর উপরে এমনভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন এর বিচার চাই। ছাত্রলীগের আমলে শিক্ষার্থীদের উপরে যেভাবে সিঙ্গেল গেস্ট রুম নামক ভয়াবহ কালচার ছিল আমার কাছে আজকের ঘটনা তার চেয়েও বেশি ভয়াবহ মনে হয়েছে। সত্যি বলতে ছাত্রলীগের আমলে সিঙ্গেল গেস্ট রুম নিলেও আমার কখনো এমন ভয় হইতো না,,, আর ছাত্রলীগ তো কখনো গায়ে হাত দিয়ে অবরুদ্ধ ও করেনাই স্টাফ দের হাতে,,,আমার সাথে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার বিচারের ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ডাকসু, ফজলুল হক মুসলিম হল সংসদ, সাংবাদিকবৃন্দ এবং সকল ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধিদের পাশে থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।

আমার বন্ধু মহাজাদু জানে!
আমার বন্ধু মহাজাদু জানে!

একদিনের আন্দোলনেই পল্টি নিচ্ছে সরকার! সাবাশ জেন জি!
+2
একদিনের আন্দোলনেই পল্টি নিচ্ছে সরকার! সাবাশ জেন জি!

এনটিআরসিএর বদলে ম্যানেজিং কমিটির হাতে শিক্ষক নিয়োগের নিয়ন্ত্রণ, তারেক সরকারের গণবিরোধী এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে জবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ।

অদ্ভুত এক ঘোড়ার পিঠে চলছে দেশ!
অদ্ভুত এক ঘোড়ার পিঠে চলছে দেশ!

ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না!
ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না!

'রক্তের কবিতা' শিল্পীঃ আরিফিন রাফি কথা ও সুরঃ ওরাকা বিন বাশার সংগীত পরিচালক ও প্রযোজকঃ আরাফাতুল হাসান শান্ত #JulyMassacre