en
Feedback
Ruhaail - রুহাইল

Ruhaail - রুহাইল

Open in Telegram

দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ!

Show more
Bangladesh8 431The category is not specified
1 360
Subscribers
No data24 hours
+17 days
-1030 days
Posts Archive
Repost from Signature Noor
photo content
+15

Repost from Signature Noor
ইন্ডিয়াকে বয়কট করতে হলে: ১. জি বাংলা, স্টার জলসা সহ ইন্ডিয়ান সব চ্যানেল, ইন্ডিয়ান পণ্যের এড, আনন্দবাজার, এসপি বাংলা সহ সবকিছুই এই দেশে সম্প্রচার বন্ধ করতে হবে। টিভি নেটওয়ার্ক, ব্রডব্যান্ড সার্ভিস, ডিসের লাইন থেকে যেন এদের চ্যানেল কোনোভাবে সংযোগ স্থাপন না করতে পারে সেদিকে কঠোর দৃষ্টি রাখতে হবে। ২. দেশের অলিতে-গলিতে থাকা ইন্ডিয়ান ফ্যাক্টরি, ইন্ডিয়ান প্রতিষ্ঠান, ইন্ডিয়ান পণ্য ছুঁড়ে ফেলে দিতে হবে। ইন্ডিয়ানরা এই দেশে কাজ করতে গেলে ন্যায্য ওয়ার্ক পারমিট দিয়ে করবে। ভিসার মেয়াদ শেষ হলে পুনরায় মেয়াদ বাড়াবে। অন্যথা করলে আইনের আওরায় এনে তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হবে। ৩. পাকিস্তানি, তুর্কি, সৌদি, কোরিয়া সহ অন্যান্য সব দেশের পণ্য এক্সপোর্টে গুরুত্ব দিতে হবে যেন বাজারে ইন্ডিয়ান পণ্যের বিকল্পে ভিন্ন মানসম্মত পণ্য পাওয়া সহজ হয়। যেমন: তেল, স্কিনকেয়ার, শ্যাম্পু, পোশাক ইত্যাদি। ৪. দেশীয় সকল পণ্যের ব্যাপারে জনমতে সচতেনতা বাড়াতে হবে। দেশীয় পণ্যের মান উন্নয়তে নজর দেওয়ার পাশাপাশি সিন্ডিকেট ভেঙ্গে সহজলভ্য করতে হবে। ইন্ডিয়ান পণ্য ১০০৳ দিয়ে কিনতে পারলে ওরচে বেস্ট কোয়ালিটিতেই দেশীয় পণ্য যেন ৯০৳ তে আমরা পাই বাণিজ্যিকভাবে সেদিকে নজর দিতে হবে। দেশের জিনিস বেস্ট হলে দেশ ও দশের উন্নতি নিশ্চিত। ৫. প্রথম আলোর মতো দালাল পত্রিকাগুলো যারা ওই কুফফারদের সাথে আঁতাত করে তাদেরকে হয় নিষিদ্ধ করতে হবে না হয় উত্তম-মধ্যম দিয়ে লাইনে আনতে হবে। এদেশের কোনো মিডিয়া ওদের সাফাই গাইতে পারবে না। কোনো মিডিয়া বা চ্যানেল ওদের পণ্যের প্রচারণা করতে পারবে না। ৬. পেঁয়াজ, আলু, চিনি, শ্যাম্পু ইত্যাদি সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জরুরী জিনিস দেশীয় প্রোডাক্ট বাদে সাধারণ দোকানিরা যেন না রাখতে পারে সেদিকে নজরদারির পাশাপাশি সব বর্ডারে স্পেশাল পাহারা দিতে হবে। চোরাচালানি, অতিরিক্ত মজুদ ঠেকানোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ৭. আমাদের যেসব পথ, বন্দর ইত্যাদি ইন্ডিয়া ব্যবহার করছে সবকিছুর পাই টু পাই হিসাব নিতে হবে। গ্যাসের লাইন বন্ধ করতে হবে। ওদেরকে কোনোর‍রূপ সুবিধা দেওয়া চলবে না। ৮. ইন্ডিয়া যে আমাদের জাতশত্রু জনমনে এই বিশ্বাস বদ্ধমূল করতে এলাকাভিত্তিক লিফলেট প্রচারণা, মাইকিং, আলোচনা সভা ইত্যাদি করতে হবে। . বন্যায় যদি মানুষ মরে, সেভেন সিস্টার থাকবে না রে। . পেতে চাইলে মুক্তি, ছাড়ো ভারত ভক্তি। . এখানে অতি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, সিগারেটের প্যাকেটের মতো যেন "ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর" লিখে বাজারজাত না করা হয়। পাবলিক কিনছে বলে দোকানিরা বেঁঁচতে পারবে না। দোকানিরা বেঁচছে বলে পাবলিক কিনতে পারবে না। না মানে না। কোনোভাবেই না। . সর্বোপরি, আজ এই মুহূর্ত থেকে ইন্ডিয়ার একটা সূতাও ব্যবহার করব না এই নিয়ত পোক্ত করতে হবে। আমি একা বাদ দিলে কী হবে? উত্তর: নিশ্চয়ই জানেন, কোকাকোলা এভাবেই ডুবে গেছে। সুতরাং, আমি একাই দেশ, আমিই বাংলাদেশ। #boycottindian_product #Boycott #BoycottIndia

Repost from Signature Noor
ইন্ডিয়াকে বয়কট করতে হলে: ১. জি বাংলা, স্টার জলসা সহ ইন্ডিয়ান সব চ্যানেল, ইন্ডিয়ান পণ্যের এড, আনন্দবাজার, এসপি বাংলা সহ সবকিছুই এই দেশে সম্প্রচার বন্ধ করতে হবে। টিভি নেটওয়ার্ক, ব্রডব্যান্ড সার্ভিস, ডিসের লাইন থেকে যেন এদের চ্যানেল কোনোভাবে সংযোগ স্থাপন না করতে পারে সেদিকে কঠোর দৃষ্টি রাখতে হবে। ২. দেশের অলিতে-গলিতে থাকা ইন্ডিয়ান ফ্যাক্টরি, ইন্ডিয়ান প্রতিষ্ঠান, ইন্ডিয়ান পণ্য ছুঁড়ে ফেলে দিতে হবে। ইন্ডিয়ানরা এই দেশে কাজ করতে গেলে ন্যায্য ওয়ার্ক পারমিট দিয়ে করবে। ভিসার মেয়াদ শেষ হলে পুনরায় মেয়াদ বাড়াবে। অন্যথা করলে আইনের আওরায় এনে তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হবে। ৩. পাকিস্তানি, তুর্কি, সৌদি, কোরিয়া সহ অন্যান্য সব দেশের পণ্য এক্সপোর্টে গুরুত্ব দিতে হবে যেন বাজারে ইন্ডিয়ান পণ্যের বিকল্পে ভিন্ন মানসম্মত পণ্য পাওয়া সহজ হয়। যেমন: তেল, স্কিনকেয়ার, শ্যাম্পু, পোশাক ইত্যাদি। ৪. দেশীয় সকল পণ্যের ব্যাপারে জনমতে সচতেনতা বাড়াতে হবে। দেশীয় পণ্যের মান উন্নয়তে নজর দেওয়ার পাশাপাশি সিন্ডিকেট ভেঙ্গে সহজলভ্য করতে হবে। ইন্ডিয়ান পণ্য ১০০৳ দিয়ে কিনতে পারলে ওরচে বেস্ট কোয়ালিটিতেই দেশীয় পণ্য যেন ৯০৳ তে আমরা পাই বাণিজ্যিকভাবে সেদিকে নজর দিতে হবে। দেশের জিনিস বেস্ট হলে দেশ ও দশের উন্নতি নিশ্চিত। ৫. প্রথম আলোর মতো দালাল পত্রিকাগুলো যারা ওই কুফফারদের সাথে আঁতাত করে তাদেরকে হয় নিষিদ্ধ করতে হবে না হয় উত্তম-মধ্যম দিয়ে লাইনে আনতে হবে। এদেশের কোনো মিডিয়া ওদের সাফাই গাইতে পারবে না। কোনো মিডিয়া বা চ্যানেল ওদের পণ্যের প্রচারণা করতে পারবে না। ৬. পেঁয়াজ, আলু, চিনি, শ্যাম্পু ইত্যাদি সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জরুরী জিনিস দেশীয় প্রোডাক্ট বাদে সাধারণ দোকানিরা যেন না রাখতে পারে সেদিকে নজরদারির পাশাপাশি সব বর্ডারে স্পেশাল পাহারা দিতে হবে। চোরাচালানি, অতিরিক্ত মজুদ ঠেকানোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ৭. আমাদের যেসব পথ, বন্দর ইত্যাদি ইন্ডিয়া ব্যবহার করছে সবকিছুর পাই টু পাই হিসাব নিতে হবে। গ্যাসের লাইন বন্ধ করতে হবে। ওদেরকে কোনোর‍রূপ সুবিধা দেওয়া চলবে না। ৮. ইন্ডিয়া যে আমাদের জাতশত্রু জনমনে এই বিশ্বাস বদ্ধমূল করতে এলাকাভিত্তিক লিফলেট প্রচারণা, মাইকিং, আলোচনা সভা ইত্যাদি করতে হবে। . বন্যায় যদি মানুষ মরে, সেভেন সিস্টার থাকবে না রে। . পেতে চাইলে মুক্তি, ছাড়ো ভারত ভক্তি। . এখানে অতি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, সিগারেটের প্যাকেটের মতো যেন "ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্যে ক্ষতিকর" লিখে বাজারজাত না করা হয়। পাবলিক কিনছে বলে দোকানিরা বেঁঁচতে পারবে না। দোকানিরা বেঁচছে বলে পাবলিক কিনতে পারবে না। না মানে না। কোনোভাবেই না। . সর্বোপরি, আজ এই মুহূর্ত থেকে ইন্ডিয়ার একটা সূতাও ব্যবহার করব না এই নিয়ত পোক্ত করতে হবে। আমি একা বাদ দিলে কী হবে? উত্তর: নিশ্চয়ই জানেন, কোকাকোলা এভাবেই ডুবে গেছে। সুতরাং, আমি একাই দেশ, আমিই বাংলাদেশ। #boycottindian_product #Boycott #BoycottIndia

Repost from Security Glimpse!
আনসার বাহিনী বিলুপ্তি ঘোষণা করা হোক। এরা ১৬ বছর স্বৈরাচারের গোলামী করে এসে এখন দাবি আদায় করতে আসছে। সারা দেশে এখন বন্যায় অচল অবস্থা আর এরা আসছে ব্ল্যাকমেল করতে।বন্যার্তদের পাশে না থেকে যে বাহিনী এমন করে, তাদের বাংলাদেশের মানুষের দরকার নাই।

Repost from Security Glimpse!
আনসার বাহিনী বিলুপ্তি ঘোষণা করা হোক। এরা ১৬ বছর স্বৈরাচারের গোলামী করে এসে এখন দাবি আদায় করতে আসছে। সারা দেশে এখন বন্যায় অচল অবস্থা আর এরা আসছে ব্ল্যাকমেল করতে।বন্যার্তদের পাশে না থেকে যে বাহিনী এমন করে, তাদের বাংলাদেশের মানুষের দরকার নাই।

Repost from Security Glimpse!
সবাই রাজুতে আসেন। স্বৈরাচারীশক্তি আনসার হয়ে ফিরে আসতে চাচ্ছে। দাবি মানার পরও সমন্বয়কদের সচিবালয়ে আটকে রাখা হয়েছে।

Repost from Security Glimpse!
সবাই রাজুতে আসেন। স্বৈরাচারীশক্তি আনসার হয়ে ফিরে আসতে চাচ্ছে। দাবি মানার পরও সমন্বয়কদের সচিবালয়ে আটকে রাখা হয়েছে।

মূল পয়েন্ট নিয়ে কথা বলার আগে কয়েকটা বিষয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়া প্রয়োজন। (১) এদেশের মাটিতে, রন্ধ্রে রন্ধ্রে ইন্টারেস্ট বা সুদ মিশে আছে। দু চার দিনের চেষ্টায় বা দু'চার কোটি মানুষের ইচ্ছেমাফিক এই সিস্টেমকে তড়িঘড়ি পাল্টে ফেলা অকল্পনীয় বা অসম্ভব। (২) ইন্টারন্যাশনাল ইকনোমি অথবা জায়োনিজমের অন্যতম উদ্দেশ্য, সুদি অর্থব্যবস্থার মাধ্যমে মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ নিজেদের পকেটে ঢোকানো। মানুষের রক্তচোষার জন্য এই সিস্টেমের চেয়ে ভালো কোনও ধারণা বা থিউরি তাদের কাছে নেই। (৩) ইন্টারেস্টভিত্তিক অর্থব্যবস্থাকে পুরো বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় করে তোলার অন্যতম মাধ্যম হলো শিক্ষাক্ষেত্রে ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এই থিউরিকে জনপ্রিয় করে তোলা। মন মগজে এটা বসিয়ে দেয়া যে, ইন্টারেস্টভিত্তিক অর্থব্যবস্থা ছাড়া অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি লাভ করা অসম্ভব। (৪) এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ কখনোই সুদী সিস্টেমকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হিসেবে গ্রহণ করবে না। নিরুপায় হয়ে গ্রামের কিছু মানুষ ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণ করে ঠিকই কিন্তু মনে মনে তারাও এই সিস্টেমের সাথে অংশীদার হওয়ার কারণে অন্তর জ্বালায় ভোগে। (৫) ইসলামী অর্থনীতি নিয়ে আমাদের কওমি মাদ্রাসাগুলোতে, আরো ব্যাপকভাবে বলতে গেলে যেসব মাদ্রাসায় ইফতার আছে সেখানেও পড়াশোনা ও তামরীন হয় খুবই সামান্য। প্রাক্টিক্যালি যাচাই-বাছাই বা হাতে কলমের অনুশীলন শূন্যের কোঠায়। ‌এমনকি ইসলামী অর্থনীতি নিয়ে কথা বলা, সঠিক বিষয়টা বোঝানো বা দেশব্যাপী প্রচারণা চালানোর মানুষও হাতেগোনা ও খুবই সামান্য। (৬) জেনারেল লাইনে যারা ইসলামী ইকোনমি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন ইসলামি ব্যাংক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানে যারা কর্মরত আছেন ইসলামের প্রকৃত অর্থনৈতিক রূপরেখা সম্পর্কে তাদেরও ধারণা সামান্য অথবা তারাও বিকৃত ধারণার অধিকারী। এর মূল কারণ, শিক্ষাক্ষেত্রে বাস্তব ইসলামী অর্থনীতির বিকৃতচর্চা অথবা অবমূল্যায়ন। (৭) জেনারেল ঘরানার যারা ইকোনমি বা অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেন তাদের সাথে সচেতন, দূরদর্শী আলেম ও ইসলামী অর্থনীতি সম্পর্কে পরিপূর্ণ জ্ঞানবান মানুষদের সুসম্পর্কের অভাব স্পষ্ট। (৮) ইসলামী অর্থনীতি নিয়ে বাংলা ভাষায় গবেষণা, পর্যালোচনা, বইপত্র লেখা, আলোচনা, সেমিনার, সভার অনেক বেশি অভাব। বাংলাদেশে_ইসলামী_অর্থনীতি_সিরিজ

মূল পয়েন্ট নিয়ে কথা বলার আগে কয়েকটা বিষয়ে পারস্পরিক বোঝাপড়া প্রয়োজন। (১) এদেশের মাটিতে, রন্ধ্রে রন্ধ্রে ইন্টারেস্ট বা সুদ মিশে আছে। দু চার দিনের চেষ্টায় বা দু'চার কোটি মানুষের ইচ্ছেমাফিক এই সিস্টেমকে তড়িঘড়ি পাল্টে ফেলা অকল্পনীয় বা অসম্ভব। (২) ইন্টারন্যাশনাল ইকনোমি অথবা জায়োনিজমের অন্যতম উদ্দেশ্য, সুদি অর্থব্যবস্থার মাধ্যমে মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ নিজেদের পকেটে ঢোকানো। মানুষের রক্তচোষার জন্য এই সিস্টেমের চেয়ে ভালো কোনও ধারণা বা থিউরি তাদের কাছে নেই। (৩) ইন্টারেস্টভিত্তিক অর্থব্যবস্থাকে পুরো বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় করে তোলার অন্যতম মাধ্যম হলো শিক্ষাক্ষেত্রে ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এই থিউরিকে জনপ্রিয় করে তোলা। মন মগজে এটা বসিয়ে দেয়া যে, ইন্টারেস্টভিত্তিক অর্থব্যবস্থা ছাড়া অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি লাভ করা অসম্ভব। (৪) এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ কখনোই সুদী সিস্টেমকে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হিসেবে গ্রহণ করবে না। নিরুপায় হয়ে গ্রামের কিছু মানুষ ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণ করে ঠিকই কিন্তু মনে মনে তারাও এই সিস্টেমের সাথে অংশীদার হওয়ার কারণে অন্তর জ্বালায় ভোগে। (৫) ইসলামী অর্থনীতি নিয়ে আমাদের কওমি মাদ্রাসাগুলোতে, আরো ব্যাপকভাবে বলতে গেলে যেসব মাদ্রাসায় ইফতার আছে সেখানেও পড়াশোনা ও তামরীন হয় খুবই সামান্য। প্রাক্টিক্যালি যাচাই-বাছাই বা হাতে কলমের অনুশীলন শূন্যের কোঠায়। ‌এমনকি ইসলামী অর্থনীতি নিয়ে কথা বলা, সঠিক বিষয়টা বোঝানো বা দেশব্যাপী প্রচারণা চালানোর মানুষও হাতেগোনা ও খুবই সামান্য। (৬) জেনারেল লাইনে যারা ইসলামী ইকোনমি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন অথবা বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন ইসলামি ব্যাংক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানে যারা কর্মরত আছেন ইসলামের প্রকৃত অর্থনৈতিক রূপরেখা সম্পর্কে তাদেরও ধারণা সামান্য অথবা তারাও বিকৃত ধারণার অধিকারী। এর মূল কারণ, শিক্ষাক্ষেত্রে বাস্তব ইসলামী অর্থনীতির বিকৃতচর্চা অথবা অবমূল্যায়ন। (৭) জেনারেল ঘরানার যারা ইকোনমি বা অর্থনীতি নিয়ে পড়াশোনা করেন তাদের সাথে সচেতন, দূরদর্শী আলেম ও ইসলামী অর্থনীতি সম্পর্কে পরিপূর্ণ জ্ঞানবান মানুষদের সুসম্পর্কের অভাব স্পষ্ট। (৮) ইসলামী অর্থনীতি নিয়ে বাংলা ভাষায় গবেষণা, পর্যালোচনা, বইপত্র লেখা, আলোচনা, সেমিনার, সভার অনেক বেশি অভাব। বাংলাদেশে_ইসলামী_অর্থনীতি_সিরিজ

Repost from Security Glimpse!
ফেনীর লালপোলে হাইওয়ে রোডের পাশেই এভাবে ভেসে এসেছে একটি শিশুর লা*শ! আল্লাহ! বন্যার ভয়াবহতা কত ভয়াবহ! জানাজা পড়িয়েছেন হাফিজ আল
ফেনীর লালপোলে হাইওয়ে রোডের পাশেই এভাবে ভেসে এসেছে একটি শিশুর লা*শ! আল্লাহ! বন্যার ভয়াবহতা কত ভয়াবহ! জানাজা পড়িয়েছেন হাফিজ আল মুনাদি ২৫ আগস্ট ২০২৪ লোকেশন লালপোল ফেনী

Repost from Security Glimpse!
সচিবালয় এড়িয়া! আনছার সদস্যবৃন্দ, কি করছেন আপনারা???? দেশের এই ক্রান্তি লগ্নে যেখানে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তর প্যারামিলিটারি বাহ
সচিবালয় এড়িয়া! আনছার সদস্যবৃন্দ, কি করছেন আপনারা???? দেশের এই ক্রান্তি লগ্নে যেখানে বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তর প্যারামিলিটারি বাহিনী হিসেবে আপনারা উদ্ধার ও ত্রান কার্যক্রম এ ঝাপিয়ে পরবেন, সেখানে আপনারা কি করছেন এটা??? দেশের আপামর সাধারণ মানুষের অপছন্দের যায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন কেন নিজেদের? এই ১৫ বছরে কেন আপনাদের মনে হয়নি এই দাবি দাওয়ার কথা?? এখনি এই অবস্থাতেই কেন এসব করতে হবে?? সময় দিন একটু, বন্যার দুর্যোগ টা মোকাবেলা করুন, এরপর দাবি তুলুন, দাবি যৌক্তিক হলে নিশ্চই মানুষের সহানুভূতি পাবেন আপনারাও। যে জনগনের গণআন্দোলনের ফলে আজ এই যা ইচ্ছা তাই করার সুযোগ টা পাচ্ছেন, সেই জনগনকেই নিজেদের মুখোমুখি দাড় করিয়ে দিচ্ছেন!!! - PUSAB

Repost from Security Glimpse!
আপনারা মেহেরবানী করে কেউ এই সময় ক্যামেরা চালাবেন না 🖤

গতকাল ২৫ কেজির যে চিড়ার বস্তা ১৩শ, ১৩শ ৫০ টাকা ছিলো; আজকে সেটা ২ হাজার! যে দোকানে সন্ধ্যা ৭.০০টায় মোমবাতির প্যাকেট ৪২ টাকা, সেই একই দোকানে সেইম মোমবাতি রাত ১০.০০ টায় প্যাকেট ৫০ টাকা। কিছু ভাই বাজার মনিটরিং এ থাকেন। আমরা ক্লান্ত, তাদের সাথে তর্ক করার শক্তিও আমাদের নাই!

ত্রাণের জন্য রাইস স্যালাইন কিনতে ফার্মেসীতে নামলাম। তারা গাড়ি ভরে জিনিস ফ্রীতে দিয়ে দিলেন। এই কাহিনি মোট ৩টা ফার্মেসীতে হলো। ছোট ছোট লোকাল ফার্মেসী, বড়সড় কেউ না। শেষ ফার্মেসীটাতে তাকে থাকা সব বেবি ফুড দিয়ে দিল। আমি মানা করতে চাইলাম, ফ্রীতে এত দামী জিনিস নিতে খারাপ লাগছিল। ভদ্রলোক জানালেন তার বাড়ী ফুলগাজিতেই ছিল, বেশ কয়েকবছর আগে পরিবারসহ ঢাকা শহরে এসেছেন। বললেন, "আল্লাহ আমাকে এই শহরে নিয়ে আসছে এই দিনের জন্যই, বুজছেন না? নিয়ে যান।" ৩টা বস্তায় কাপড় নিয়ে বের হয়েছিলাম, টিএসসি পৌঁছালাম গাড়ি ভরা জিনিস নিয়ে। ইয়া আল্লাহ, তুমি এই নরম মনের মানুষের দেশে আর কঠিন দুর্যোগ দিয়ো না! © Marwa Kazi Mohammed

Repost from Security Glimpse!
শায়খ আহমাদুল্লাহ সৌদি আরবে থেকেছেন অনেক বছর। তারপর প্রতি বছরই একাধিকবার হজ্জ উমরার সফরে আসেন। কিন্তু তিনি এখনো মাদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস দেখেননি। . গল্পে গল্পে এটা শুনে অবাক হলাম। কারণ, মাদীনা বিশ্ববিদ্যালয় খুব দূরে না। হারাম এরিয়ার মধ্যে। আর তাছাড়া আলিম উলামা থেকে নিয়ে যত মানুষ দেখেছি, মাদীনায় আসলে যিয়ারাতের প্রয়োরিটি লিস্টের প্রথম দিকে থাকে মাদীনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। . গত রমাদানে আমি শায়খকে বললাম, শায়খুনা! তাহলে চলুন একদিন। . তিনি বললেন, না, আমি মসজিদে নববীতে এসেছি। এখন যদি আপনার ইউনিভার্সিটি দেখতে চলে যাই, তাহলে একটা ওয়াক্ত নামাজ আমি প্রিয়নবী সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মসজিদে আদায় করতে পারবোনা। এখানের নামাজ পড়লে যে এক হাজার গুণ সওয়াব, ঐ ফায়দাটা মিস হয়ে যাবে। আর বারবার এই চিন্তা করেই এখন পর্যন্ত মাদীনা বিশ্ববিদ্যালয় দেখা হয়নি। . আমি বুঝতে পারলাম একটা মানুষের গোল কত উজ্জ্বল। . তিনি সরকারের উপদেষ্টা হবার মত প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছেন, এতে আমি সবার মত অতটা অবাক হইনি। . কারণ আমি জানি, উম্মাহকে নিয়ে উনার যে গোল, উপদেষ্টা হলে সেটাতে ব্যাঘাত ঘটতো। আজকের এই কাজগুলো এত সাবলীলভাবে করতে পারতেন না। . ওনার থেকে যে শিক্ষাটা নিলাম, সবার আগে লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যটা পূরণের আগে কোনো এদিক সেদিক না। একটুও না। - ফয়সাল ভাই

Repost from Security Glimpse!
এসব থেকে আমাদের বেচে থাকা উচিত। আমাদের উচিত, মানুষের কল্যাণে কাজ করা। আমাদের কারো এমাউন্ট কম হলে। আস সুন্নাহ বা আপনাদের বিশস্
এসব থেকে আমাদের বেচে থাকা উচিত। আমাদের উচিত, মানুষের কল্যাণে কাজ করা। আমাদের কারো এমাউন্ট কম হলে। আস সুন্নাহ বা আপনাদের বিশস্ত ও এক্টিভ সস্থাকে দিয়ে দেওয়া। সাওয়াব পেয়ে যাবেন ইনশাআল্লাহ

Repost from Security Glimpse!
খুশির খবর হচ্ছে, আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্যাকেজিং কাজে স্বেচ্ছাসেবা দিতে হিন্দু ভাইয়েরাও এসেছেন। অন্যান্য মুসলিম ভাইয়েরা তা
খুশির খবর হচ্ছে, আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্যাকেজিং কাজে স্বেচ্ছাসেবা দিতে হিন্দু ভাইয়েরাও এসেছেন। অন্যান্য মুসলিম ভাইয়েরা তাদের সাদরে গ্রহণ করছেন। একজন সংকোচ বোধ করতেছিল দেখে হাত ধরে ডাল-প্যাকেজিং গ্রুপে যুক্ত করে দিলাম। কী অপূর্ব সম্প্রীতি আর সমন্বয় দেখলাম আজ, দৃঢ় বিশ্বাস, এদেশের বিপ্লবী জনতাকে কেউ হারাতে পারবে না। Khalid muhammad saifullah আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনে হিন্দু ভাইয়েরা দান করছেন, স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে আসছেন।কে হিন্দু,কে মুসলিম এসব বাছ বিচারে না গিয়ে সবাই দেশের স্বার্থে একাট্টা! সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এ এক অনন্য বাংলাদেশ!🌸 হিংসুক,অহংকারী,হিংস্র,মূর্খ প্রতিবেশী দেশের উগ্র হিন্দু, আমাদের দেশ থেকে কিছু শিক্ষা অন্তত নে এবার। মানুষ হ!

Repost from Security Glimpse!
খাগড়াছড়িতে রোদ উঠেছে। পানি কমতে শুরু করেছে। যারা ত্রাণ নিয়ে এসেছেন দুর্গম এলাকাগুলোতেও কভার করার চেষ্টা করুন।
খাগড়াছড়িতে রোদ উঠেছে। পানি কমতে শুরু করেছে। যারা ত্রাণ নিয়ে এসেছেন দুর্গম এলাকাগুলোতেও কভার করার চেষ্টা করুন।

Repost from Security Glimpse!
বন্ধুর সাথে কিছুক্ষণ আগেই কথা হলো। কণ্ঠ শুনে বুঝলাম ও পা/থর হয়ে গেছে। ছোট করে বললো শুধু_ 'ভাই রাত তিনটা থেকে আম্মার লা*শ নিয়ে বসে আছি। আব্বা কেও হা/রিয়ে ফেলেছি। আর ছোট বোনটাকে ধমক দিয়েও কা/ন্না থামাতে পারছিনা। আমার সবকিছু কেঁ/ড়ে নিলো ভাই। তারপর ফোনটা কেটে দিলো😅 - Asaduzzaman Ishan

Repost from Security Glimpse!
নূন্যতম মনুষত্ববোধ থাকলে আজ থেকে আর ইন্ডিয়ান কোনো আইটেম কিনবো না, বিক্রিও করবোনা ইনশাআল্লাহ।
+6
নূন্যতম মনুষত্ববোধ থাকলে আজ থেকে আর ইন্ডিয়ান কোনো আইটেম কিনবো না, বিক্রিও করবোনা ইনশাআল্লাহ।