en
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Open in Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Channel চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 15 306 subscribers, ranking 3 641 in the Politics category and 1 495 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 15 306 subscribers.

According to the latest data from 12 July, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by -266 over the last 30 days and by -1 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 9.25%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 3.95% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 1 417 views. Within the first day, a publication typically gains 605 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 30.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 13 July, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Politics category.

15 306
Subscribers
-124 hours
-617 days
-26630 days
Posts Archive
অদূর ভবিষ্যতেও আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সম্ভাবনা নেই - আসিফ নজরুল

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা আপডেট, এ মুহুর্তে ফ্লোটিলা সারা বিশ্বের এটেনশন চাচ্ছে, it’s an emergency Appeal to the world from Flot
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা আপডেট, এ মুহুর্তে ফ্লোটিলা সারা বিশ্বের এটেনশন চাচ্ছে, it’s an emergency Appeal to the world from Flotilla ‼️ গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার আয়োজকরা জাহাজে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। তারা গাজার কাছে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় আছে এবং ফ্লোটিলা থেকে ৭-২০ নটিক্যাল মাইল দূরে ২০+ ইসরায়েলি যুদ্ধজাহাজ দেখা গেছে। ইজ*রায়েলের জাহাজ ফ্লোটিলা ঘিরে ধরতেছে বলে ধারনা করছে, ইজরা*য়েল তাদের বাঁধা দিতে পারে। এখনো পর্যন্ত আক্রমণ করেনি ই*জরায়েল কিন্তু পরিস্থিতি সুবিধের নয়। উল্লেখ্য ফ্লোটিলার এই বহরে ৫০ এর অধিক নৌকা এবং ৫০০+ লোক আছে প্রায় ৪৫ টিরও বেশি দেশ থেকে।

<<ব্রেকিং>> “কয়েক দিনের মধ্যেই আমরা ইরানের বিরুদ্ধে নতুন এক আমেরিকান–জায়নিস্ট উন্মত্ততা দেখতে পারি! আমরা প্রস্তুত! আমাদের আঙুল ট্রিগারে রাখা আছে!” — ইরানি সাংবাদিক মেহরদাদ খলিলি

দ্বিতীয় দফা যুদ্ধের প্রস্তুতি কি শুরু হয়ে গেছে ইরানের সঙ্গে? কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের আল-উদেইদ এয়ারবেসে পৌঁছেছে ডজনখানেক ফাইটার জেট ও ট্যাঙ্কার বিমান। গত ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত এক ডজন KC-135 Stratotanker যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইউরোপ হয়ে মধ্যপ্রাচ্যে স্থানান্তরিত হয়েছে। আরও কয়েকটি বিমান যুক্তরাজ্যের RAF ঘাঁটিতে প্রস্তুত অবস্থায়, মোতায়েনের অপেক্ষায় রয়েছে। ইরানি UAV (গোয়েন্দা ড্রোন) পশ্চিম সীমান্তে টহল দিচ্ছে। আয়াতুল্লাহ খামেনি অফিসিয়াল একাউন্টে মাত্রই লিখেছেন: “শহীদত্বই পুরস্কার… সত্যের বিজয় আসন্ন, মিথ্যার পতন অবশ্যম্ভাবী।” সবকিছুই ইঙ্গিত দিচ্ছে — বিল্ডআপ বাস্তব।

কুমিল্লা থেকে পেশাদার ক্রিকেটার হবার নিয়তে ঢাকায় এসেছিলেন; পরে গায়ক হিসেবে হয়ে গেলেন কিংবদন্তী। গানের নেশায় মত্ত হলেও পুরনো ন
কুমিল্লা থেকে পেশাদার ক্রিকেটার হবার নিয়তে ঢাকায় এসেছিলেন; পরে গায়ক হিসেবে হয়ে গেলেন কিংবদন্তী। গানের নেশায় মত্ত হলেও পুরনো নেশা ছাড়তে পারেন নি, আজ হয়ে গেলেন বিসিবির পরিচালক। একজন সাবেক ক্রিকেটার হিসেবে স্পষ্টভাষী আসিফ আকবর বাংলাদেশের ক্রিকেটে অবদান রাখবার সুযোগ পেলেন। শুভ কামনা রইলো।

কাল ট্যাংকারগুলা আনছে, আজ B-2 আনতেছে। ইউরোপ সহ সব দেশ থেকে যুদ্ধ বিমানগুলা কাতার সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলায় আসছে অলরেডি। এদিকে কাল সকল জেনারেলদের নিয়ে মিটিং করছে ট্রাম্প ও পররাষ্ট্র মন্ত্রী। তারা বলেছে, "যুদ্ধ দিয়ে শান্তি আনবে তারা।" এদিকে কাতারে হামলা করলে তা নাকি আমেরিকার উপর-ই হামলা বলে বিবেচিত হবে এটা ট্রাম্প বলছে। এর মানে কাতারে আমেরিকান বেইজে হামলা চালালে সেটাকে অজুহাত করবে। অথচ, ইজরাইল হামলা করলে সেটার কূটনীতিক সমাধান দেয় এরা। এক কথায় আজারবাইজান, কাতার এসব দিক থেকে ইরানকে ঘিড়ে ফেলা হয়েছে। এর মাঝেই আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এর অফিস থেকে বিবৃতি আসছে, "আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।" ------------ আমাদের প্রতিরোধ গোষ্ঠীদের অসহায়ত্ব দেখেন: ১. হামাসকে সন্ত্রাসী বলে ঘোষণা দিচ্ছে মুসলিম দেশগুলা, হামাসকে অস্ত্র জমা দিতে বলতেছে, গাজা ছেড়ে দিতে বলছে। স্বয়ং মুসলিম দেশগুলা (পাকিস্তান, তুর্কি সহ) এগুলার সাথে একমত প্রকাশ করছে। ২. হিজবুল্লাহকে নিজ দেশের আর্মির সামনে দাড় করা হয়েছে, এক সাইডে ইজরাইল যখন ইচ্ছা তখন হামলা চালাচ্ছে কিন্তু হিজবুল্লাহর হাত বাধা অবস্থায়। কিছু করলে সিভিল ওয়্যার শুরু হতে পারে এবং এটা হলে হিজবুল্লাহকে দোষী করবে বাকি সব মুসলিম দেশগুলা। ৩. ইরান জানে তাদের উপরে হামলা হবে কিন্তু তারা শুরুতেই আক্রমণ করতে পারতেছে না কারণ কাতারে আমেরিকান বেইজে হামলার পরে মুসলিন বিশ্বে নিন্দা ও দোষী হিসেবে ইরানকেই দেখানো হয়েছে৷ আর ইরানের জন্য আরো দু:খের ব্যাপার হলো ইজরাইল আমেরিকা আজারবাইজান, ইরাক বা অন্যান্য দেশের বর্ডার থেকে তাদের উপর বিমান হামলা চালাতে পারবে যার অর্থ হলো ইরানের রেডারে তাদের আসতেই হচ্ছে না। তারা অন্য দেশের আকাশ সীমা ব্যবহার করে ইরানে হামলা চালাবে একসাথে ৬০-১০০ টা বিমান নিয়ে অর্থাৎ একসাথে প্রায় ২০০-৪০০ মিসাইল মেরে। আর এসব হবে মুসলিম বিশ্বের রিসোর্স ব্যবহার করেই৷ এই অসহায় অবস্থায় আমাদের একটাই স্লোগান — "আল্লাহু আকবর।" আল্লাহ-ই আমাদের জন্য যথেষ্ট। হে আল্লাহ, আপনার রহমতের চাদরে আমাদেরকে ঢেকে দেন, রক্ষা করুন।

টুইটারে যারা কাজ করেন বা এক্টিভিজম কনে তারা গাজ্জা ইস্যুতে আগামী ২-৩ দিন খুব জোরতোরভাবে প্রচারণা চালাণ প্লিজ। বিশ্বব্যাপী যে বহর গাজ্জা অভিমূখে যাচ্ছে তা আহ রাতের শেষ দিকেই পৌছে যাবে। সেখানে ইজরাইল তাদের হত্যা করার মত সাহস দেখাবে না। কারন বহু মন্ত্রী-এমপি্-এক্টিভিস্ট আছে। তবে তাদের সাথে খারাপ আচরণ করতে পারে। তাই এটা নিয়ে নিয়মত প্রচারণা চালানোর অনুরোধ। হ্যাশট্যাগে #GlobalSumudFlotilla এটা রাখবেন প্রতিটি পোস্টে।

জগন্নাথ হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
জগন্নাথ হল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

মহিষাসুরের দাঁড়ি নিয়ে নানান জনে নানা কথাই বলছে। তো প্রথমেই এক সনাতন বন্ধুর কাছে এই ব্যপারে জানতে চাইলে সে বললো,“মধ্যযুগীয় প্র
+1
মহিষাসুরের দাঁড়ি নিয়ে নানান জনে নানা কথাই বলছে। তো প্রথমেই এক সনাতন বন্ধুর কাছে এই ব্যপারে জানতে চাইলে সে বললো,“মধ্যযুগীয় প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনে মহিষাসুরের দাঁড়ি ও গোঁফ থাকার প্রমান পাওয়া যায় এবং তাদের মূল ধর্মগ্রন্থ যজুর্বেদে মহিষাসুরের দাঁড়ি-গোঁফ থাকার কথা উল্লেখ আছে।” অর্থ্যাৎ মহিষাসুরের দাঁড়ি দেয়াটা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্যে খুব স্বাভাবিক ব্যপার। যদিও সে আমাকে দু'বারই দাঁড়ি ও গোঁফের কথা স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করে দিয়েছে। কিন্তু তা না করে শুধুই দাঁড়ি দিতেও দেখেছি বেশ কিছু মণ্ডপে। তবুও সেসব বাদ দিচ্ছি। কিন্তু তবুও প্রশ্ন থেকে যায় যে প্রশাসন কী কম যন্ত্রনায় দাঁড়ি ভেঙে দিয়েছে বা ঢেকে দিয়েছে? তারা মহিষাসুরের দাঁড়ি দিয়েছে মানলাম তা তাদের শাস্ত্রগ্রন্থে আছে। কিন্তু এমন কোথাও কী লেখা আছে যে, মহিষাসুর আফগান টুপি মাথায় দিতো? আমার তো তা মনে হয় না। যদি থেকে থাকে তাহলে আমার লিস্টে থাকা সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই ও বন্ধুরা দয়াকরে তা আমাকে জানিয়ে দিবেন। আর যদি না থাকে তবে জনাবেন, এটা কী সরাসরি উস্কানী নয়? সারা বিশ্বের মানুষ জানে আফগান টুপি কারা পরে। এটাকে অনিচ্ছাকৃত ভুল তো বলা যায় না। এটা কী চরম সাম্প্রদায়িক আচরণ নয়? আসলে আমরা সবই বুঝি। এতবছর ধরে দেশে দূর্গা পূজা হচ্ছে কিন্তু কোনো বারই তো মহিষাসুরের মুখে দাঁড়ি দেয়ার প্রয়োজন পরেনি। এবারই কেনো পরলো? পশ্চিমবঙ্গেও প্রধান উপদেষ্টার আদলে অসুর বানানো হলো। কার কলকাঠির নাড়ায় এসব হচ্ছে তা বুঝতে রকেট সায়েন্স তো জানা লাগে না। আসলে আমাদের দেশের অধিকাংশ সনাতনীরা দাবার কোটের পন মাত্র। রুক,বিশপেরা এদের চালায় কাঁটাতারের ওপারে থাকা কিং-কুইনের ইচ্ছা মতো। রুক, বিশপেরা কোনো দিনই এই দেশটাকে নিজেদের দেশ বলে ভাবতে পারেনি। যার খেসারত দিতে গিয়ে সব-সময় হৃদয় ভাঙে পন-এর অবস্থানে থাকা সাধারণ সনাতনীদের।

পাহাড় দখল করতে এসে, সেনাবাহিনীর কাছে পরাস্ত....
পাহাড় দখল করতে এসে, সেনাবাহিনীর কাছে পরাস্ত....

দূর্গা বিনাসী অসূর । অনার্য অসূরেরাই ত এইখানে ভুমিপূত্র‌।
দূর্গা বিনাসী অসূর । অনার্য অসূরেরাই ত এইখানে ভুমিপূত্র‌।

দূর্গা বিনাসী অসূর । অনার্য অসূরেরাই ত এইখানে ভুমিপূত্র‌।
+1
দূর্গা বিনাসী অসূর । অনার্য অসূরেরাই ত এইখানে ভুমিপূত্র‌।

ছাত্রলীগ কখনোই নারীদের উপর হাত তুলেনি! ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে স্কুল ছাত্রীরা মুখে রং মেখে রিকশায় করে হাসপাতালে গিয়েছি
ছাত্রলীগ কখনোই নারীদের উপর হাত তুলেনি! ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে স্কুল ছাত্রীরা মুখে রং মেখে রিকশায় করে হাসপাতালে গিয়েছিলো! আগে যেমন ছিলাম!

এইভাবেই নেতারা আল্লাহ ওয়ালা হবে ইনশাআল্লাহ। আমার দেশের নেতাদের জন্য দোয়া চাই।
এইভাবেই নেতারা আল্লাহ ওয়ালা হবে ইনশাআল্লাহ। আমার দেশের নেতাদের জন্য দোয়া চাই।

শেয়ার করে ভন্ড গুলোর মুখ উন্মোচিত করে দিন ভিডিও👇 https://www.facebook.com/share/v/1Bduw9pTsZ/
শেয়ার করে ভন্ড গুলোর মুখ উন্মোচিত করে দিন ভিডিও👇 https://www.facebook.com/share/v/1Bduw9pTsZ/

মানবিক চেকপোস্ট🤣 #pookiearmy@guptoparty

গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা জানিয়েছে, তারা প্রথমবারের মতো ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জাহাজের মুখোমুখি হয়েছে। ইসরায়েলি জাহাজগুলো প
গাজামুখী গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা জানিয়েছে, তারা প্রথমবারের মতো ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জাহাজের মুখোমুখি হয়েছে। ইসরায়েলি জাহাজগুলো প্রায় ছয় মিনিট ধরে ফ্লোটিলার প্রধান নৌকা ‘আলমা’কে ঘিরে রাখে এবং দূর থেকে এর যোগাযোগ ব্যবস্থা নিষ্ক্রিয় করে দেয়। সারা রাতজুড়ে ফ্লোটিলার আশপাশে আরও কয়েকবার সামরিক জাহাজের উপস্থিতি দেখা গেছে।

দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নির্মূল এখন সময়ের দাবি। আর কোন সমঝোতা না আলোচনা নয়, দ্রুত শক্ত অভিযান
দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নির্মূল এখন সময়ের দাবি। আর কোন সমঝোতা না আলোচনা নয়, দ্রুত শক্ত অভিযানের মাধ্যমে এদের নির্মূল করা হোক।

গত ১০ দিনে জামায়াতে ইসলামী ১৫টি রাষ্ট্রের মধ্যে ডিপ্লোম্যাসিতে বসেছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটা বিরল। আপনি কি কিছু আঁচ করতে পারতেছেন? বিএনপি হেফাজতের সাথে দফায় দফায় কেন বৈঠক করতেছে? পূজাতে গিয়ে মূর্তির প্রশংসা কেন করতেছে? ইউনুস সাহেবরা কেন লীগকে নির্বাচনে আনতেছে? একটাই উত্তর! জামায়াতের নীরব বিপ্লব। জামায়াতে ইসলামীর রাষ্ট্র পরিচালনা করার জন্য সবকয়টি ইলিমেন্ট আছে। জামায়াতের প্রভাবশালী ব্যাংক আছে। ইবনে সিনার মতো হাসপাতাল আছে। অসংখ্য আইনজীবী আছে, প্রফেসর আছে, ডাক্তার আছে, ইঞ্জিনিয়ার আছে। তাহের ভাইয়ের মতো ডিপ্লোম্যাট তো আছেই। এইদিকে ডাকসু জাকসুর মতো জনগণ জামায়াতে ইসলামীর প্রতি আস্থাশীল হচ্ছে। তাই মির্জা গালিবের মতো বলা যায়, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় চলেও আসতে পারে।

ধর্ম যার উৎসব তার
+3
ধর্ম যার উৎসব তার