en
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Open in Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Channel চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 14 915 subscribers, ranking 3 688 in the Politics category and 1 572 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 14 915 subscribers.

According to the latest data from 03 September, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by -232 over the last 30 days and by -12 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 7.38%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 3.59% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 1 101 views. Within the first day, a publication typically gains 535 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 27.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 04 September, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Politics category.

14 915
Subscribers
-1224 hours
-597 days
-23230 days
Posts Archive
খুব কম মিডিয়া এগুলা প্রচার করছে। এলারমিং!
খুব কম মিডিয়া এগুলা প্রচার করছে। এলারমিং!

চাঁদা দাও নাহলে মরে যাও
চাঁদা দাও নাহলে মরে যাও

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেলে বিএনপির ফ্যা'সি'বা'দী ম'ব তার ওপর হা'ম'লা চালায়।

ইন্না লিল্লাহ!
ইন্না লিল্লাহ!

তারেক রহমানের কী কুদরত! ১০০ একর বনভূমি দখলের অভিযোগে অভিযুক্ত মিন্টু এখন বন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। বনের জায়গা মেরে দেওয়া এক্সপ
তারেক রহমানের কী কুদরত! ১০০ একর বনভূমি দখলের অভিযোগে অভিযুক্ত মিন্টু এখন বন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী। বনের জায়গা মেরে দেওয়া এক্সপেরিয়েন্স দেখেই কি এই পদ দেওয়া হয়েছে?

১৯৫৩ সালের পর আবারও শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে মুনাজাত করা হলো। ভাষা আন্দোলনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা দিতে এসে
১৯৫৩ সালের পর আবারও শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে মুনাজাত করা হলো। ভাষা আন্দোলনে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা দিতে এসে মুনাজাত করার ছবি পাওয়া যায় ১৯৫৩ সালে। তারপর সেভাবে আর এই দুয়া করার প্রচলণ দেখা যায়নি। বহু বছর পর স্বৈরাচারী শাসন শেষে কিছুক্ষণ আগে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা শেষে রাষ্ট্রীয়ভাবে মুনাজাতের আয়োজন করা হলো। এটি নিঃসন্দেহে এক তাৎপর্যপূর্ণ উদ্যোগ।

বিএনপির নতুন নবী কী তাহলে তারেক রহমান?
বিএনপির নতুন নবী কী তাহলে তারেক রহমান?

পাগলের দলদের আর কী বলবো!
পাগলের দলদের আর কী বলবো!

চাঁদা না দেয়ায় ব্যবসায়ীর ডাব নিয়ে গেলেন সাবেক ছাত্রদল নেতা।

মনে করেছিলাম এগুলো থেমে গেছে। কিন্তু কিছুক্ষণ পূর্বে, সন্দ্বীপের বাউরিয়ায়, তারাবির নামাজ আদায়কালে মসজিদ থেকে বের করে শিবিরের
মনে করেছিলাম এগুলো থেমে গেছে। কিন্তু কিছুক্ষণ পূর্বে, সন্দ্বীপের বাউরিয়ায়, তারাবির নামাজ আদায়কালে মসজিদ থেকে বের করে শিবিরের এক কর্মীর উপর বর্বরোচিত হামলা করেছে স্থানীয় বিএনপির ক্যাডাররা। ভোটের সময় দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কেন কাজ করেছে বলে বলে তাকে পেটানো হয়!!

“আমার ঘরটা তো দেখতেছেন এই এক শতক জমিই আমার সম্বল৷ ছেলের স্বপ্ন ছিলো চাকরি বাকরি করে নতুন জমিন কিনবে৷ একটা নতুন বাড়ি বানাবে৷
“আমার ঘরটা তো দেখতেছেন এই এক শতক জমিই আমার সম্বল৷ ছেলের স্বপ্ন ছিলো চাকরি বাকরি করে নতুন জমিন কিনবে৷ একটা নতুন বাড়ি বানাবে৷ এখন তো ছেলের লাশের সাথে জুতাটাও খুজে পাই নাই যেটা দেখে ছেলেরে মনে করতে পারব দুই ফোটা চোখের পানি ফেলব৷ আমার ঘরটা ঠান্ডা হয়ে গেছে জানেন, ঘরকে আর ঘর মনে হয়না ৷ কোনো আনন্দের আমেজই নাই আমার ঘরে৷” - মোজাম্মেল হোসেন (জুলাই রেকর্ডসকে দেয়া ইন্টারভিউতে শহীদ রায়হানের বাবা)

'সিফাত, গুলি কইরা দিছে রে!' বলতে বলতেই বাবা বাইক থেকে পড়ে গেছেন— "৫ আগস্ট অন্য সবার মতো বাবাও উৎফুল্ল ছিলেন, খুব খুশি ছিলেন যে এতো মানুষের জানের বিনিময়ে এরকম এক স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। বিকাল হয়ে আসলো যখন আমি আর বাবা গণভবন থেকে বের হয়ে গেলাম৷ ক্যান্টনমেন্টে আমার খালার বাসায় আমার ছোটবোন সিনথিয়া ছিল। ওকে পিক করে মিরপুর-১৪ হয়ে আমাদের বাসায় ফিরার প্ল্যান৷ ক্যান্টনমেন্টে ঢুকার রাস্তায় দেখি অনেক আর্মির মোটরসাইকেল অস্ত্রসহ দাঁড়িয়ে আছে৷ আমরা ভেবেছি, হাসিনার পতন হয়েছে, ওরা নিশ্চয়ই জনগণের নিরাপত্তার জন্য অস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে৷ তাই আমরা তেমন ভয় পাচ্ছিলাম না৷ যখন মিরপুর-১৪ আসলাম তখন আমার বাবা বাইক চালাচ্ছেন, মাঝখানে আমার বোন, শেষে আমি বসা ৷ আনুমানিক সন্ধা সাড়ে ছয়টা মিরপুর-১৪ মোড়ে কিছু রিকশাওয়ালা আব্বুকে বললো 'সামনে যায়েন না, সামনে মনে হয় পুলিশ গুলি করতেছে৷' বাবা যখন বাইকটা ঘুরায় পিছনের রাস্তার দিকে, তখনই বিপরীত লেনের থানার দিক থেকে ২৫-৩০ জন পুলিশের ড্রেস পরা লোক অস্ত্রসহ আমাদের দিকে এগিয়ে আসে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। কী হলো বুঝার জন্য বাবা একটু দাঁড়ায়, ওরা আমাদের উদ্দেশ্য করে বলছে, 'কুত্তার বাচ্চারা তোদের মতলব কী? কেনো বের হইছিস তোরা? তোদের দেখতেছি দাঁড়া!' বলেই গুলি করা শুরু করে দিলো। রাস্তায় আশেপাশে একটা লোকও নাই৷ আমি আর আমার বোন মুহূর্তের মধ্যে লাফ দিয়ে বাইক থেকে নেমে পড়ি৷ সাইডে থাকা ফাঁকা একটা বাসের পিছনে গিয়ে লুকাই ৷ আমি উঁকি দিয়ে দেখলাম যে আমার বাবা বাইকটা ঘুরানোর চেষ্টা করছে, আর সেই সময়েই একটা গুলি এসে বাবার পেটে এসে লাগলো। বাবা বললো 'সিফাত গুলি কইরা দিছে রে!' বলতে বলতেই বাইক থেকে পড়ে গেলেন। আমার পায়ের নিচ থেকে মাটি পুরাপুরি সরে গেছে৷ আমি কী করবো বুঝতে পারছি না৷ দৌড়ে গিয়ে বাবাকে ধরলাম, পিছন থেকে দুই হাত দিয়ে টানতে টানতে আগাচ্ছি তাকে নিয়ে। পুলিশ তখনও গুলি চালিয়ে যাচ্ছে..." — সাইফ আহমেদ খান (শহীদ আব্দুল হান্নান খানের ছেলে, জুলাই রেকর্ডসকে দেয়া ইন্টারভিউতে)

আমি জনাব তারেক রহমানের উম্মত~ ববি হাজ্জাজ

ইলিয়াসের ভিডিও আমার ভাল্লাগেনা। তাও এটা লজিক্যাল মনে হইলো

মেঘদার একটি চোখ তুলে নিলো শিবির এখন বাকি হাত পায়ের রগ 😃
মেঘদার একটি চোখ তুলে নিলো শিবির এখন বাকি হাত পায়ের রগ 😃

প্রবাসীরা প্রস্তুতি নিন। জুলাই গাদ্দারদের আমরা খুব বেশি সময় দিতে চাইনা। আমরা প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman এর বক্তব্যের অপেক্ষায় আছি। তিনি যদি জুলাই বিপ্লবের পক্ষে থাকেন তাহলে তো আর কোন কথা নেই। কিন্ত, জুলাইয়ের বিরুদ্ধে গেলেই রেমিট্যান্স বন্ধ। জুলাই বিপ্লবের অন্যতম বড় স্টেক হোল্ডার প্রবাসীরা। - Meer Zahan