en
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Open in Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Channel চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 15 465 subscribers, ranking 3 633 in the Politics category and 1 474 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 15 465 subscribers.

According to the latest data from 23 June, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by -220 over the last 30 days and by -13 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 11.04%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 3.66% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 1 707 views. Within the first day, a publication typically gains 566 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 30.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 24 June, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Politics category.

15 465
Subscribers
-1324 hours
-747 days
-22030 days
Posts Archive
যশোর বিএনপি,র নির্বাচনী জনসমাবেশ ২০২৬ এর ছবি। এখানে ২২ টা আসনের এমপি প্রার্থীদের জনসমাগম, মানা যায়।
+1
যশোর বিএনপি,র নির্বাচনী জনসমাবেশ ২০২৬ এর ছবি। এখানে ২২ টা আসনের এমপি প্রার্থীদের জনসমাগম, মানা যায়।

জনগণের ভালোবাসা❤️

এটা কেডা?
এটা কেডা?

যারা জুলাইকে ভুলে গিয়ে লীগ পুনর্বাসনে ব্যস্ত তাদের কী করা উচিৎ?

সে হিসেবে প্রতি মাসের আইয়ামে বীযে রোযা রাখা সুন্নত। শাবান মাসও এর ব্যতিক্রম নয়। তাই শাবান মাসের আইয়ামে বীযে (১৩, ১৪, ১৫) রোযা রাখাও সুন্নত। ১৫ তারিখ আইয়ামে বীযের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে ১৫ তারিখ রোযা রাখাও সুন্নত। বাকি থাকল একটি বর্ণনায় বিশেষভাবে ও পৃথকভাবে ১৫ শাবান রোযা রাখার কথা বর্ণিত হয়েছে। (দ্রষ্টব্য : সুনানে ইবনে মাজাহ, বর্ণনা ১৩৮৪) কিন্তু বর্ণনাটি শাস্ত্রীয় বিচারে দুর্বল। শাস্ত্রীয় বিচারে দুর্বল হওয়ার কারণে কেবল এই বর্ণনার ওপর ভিত্তি করে ১৫ শাবানের রোযাকে পৃথকভাবে সুন্নত কিংবা মুস্তাহাব মনে করা সঠিক নয় বলে মতামত দিয়েছেন মুহাক্কিক আলেমগণ। তবে, যেমনটি পূর্বে বলা হল, ১৫ তারিখ আইয়ামে বীযের অন্তর্ভুক্ত―এ হিসেবে এই দিনের রোযাকে (১৩ ও ১৪ তারিখের রোযাসহ) নিঃসন্দেহে সুন্নত মনে করা যাবে। মোটকথা, সর্বাবস্থায় শাবান মাসের ১৫ তারিখে রোযা রাখা যাবে। পূর্বের দুই দিন তথা ১৩ ও ১৪ তারিখের সঙ্গে মিলিয়ে একসঙ্গে তিন দিন রোযা রাখা যেমন যাবে, তেমনি পৃথকভাবে কেবল ১৫ তারিখও রোযা রাখা যাবে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। তবে তিন দিন রাখাই উত্তম। এমনিভাবে ১৫ তারিখ আইয়ামে বীযের একটি দিন হিসেবে ১৫ তারিখের রোযাকে সুন্নতও মনে করা যাবে। কিন্তু পৃথকভাবে শাবান মাসের ১৫ তারিখ বিশেষ একটি দিন, সে হিসেবে পৃথকভাবে এ দিনে রোযা রাখা সুন্নত―এমন ধারণা রাখা যাবে না। এ প্রসঙ্গে শাইখুল ইসলাম মুফতী মুহাম্মাদ তাকী উসমানী দামাত বারাকাতুহুম বলেন, ‘আরো একটি বিষয় হচ্ছে, শবে বরাত-পরবর্তী দিনে অর্থাৎ শাবানের পনেরো তারিখে রোযা রাখা। গভীরভাবে বিষয়টি উপলব্ধি করা প্রয়োজন। হাদীসে রাসূলের বিশাল ভাণ্ডার হতে একটি মাত্র হাদীস এর সমর্থনে পাওয়া যায়। তাতে বলা হয়েছে, ‘শবে বরাতের পরবর্তী দিনটিতে রোযা রাখ’। সনদ ও বর্ণনার সূত্রের দিক থেকে হাদীসটি দুর্বল। তাই এ দিনের রোযাকে এই একটি মাত্র দুর্বল হাদীসের দিকে তাকিয়ে সুন্নত বা মুস্তাহাব বলে দেওয়া অনেক আলেমের দৃষ্টিতেই অনুচিত। তবে হাঁ, শাবানের গোটা মাসে রোযা রাখার কথা বহু হাদীসে পাওয়া যায়। অর্থাৎ ১ শাবান থেকে ২৭ শাবান পর্যন্ত রোযা রাখার যথেষ্ট ফযীলত রয়েছে। কিন্তু ২৮ ও ২৯ তারিখে রোযা রাখতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেই বারণ করেছেন। ইরশাদ করেন, ‘রমযানের দু-একদিন পূর্বে রোযা রেখো না।’ যাতে রমযানের জন্য পূর্ণ স্বস্তির সাথে স্বতঃর্স্ফূভাবে প্রস্তুতি নেওয়া যায়। কিন্তু ২৭ তারিখ পর্যন্ত প্রতিদিনের রোযাই অত্যন্ত বরকতপূর্ণ। একটি লক্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে, শাবানের এই ১৫ তারিখ তো ‘আইয়ামে বীয’ এর অন্তর্ভুক্ত। আর নবীজী প্রতি মাসের আইয়ামে বীয এ রোযা রাখতেন। সুতরাং যদি কোনো ব্যক্তি এই দুই বিষয়কে সামনে রেখে শাবানের ১৫ তারিখের দিনে রোযা রাখে যা ‘আইয়ামে বীয’ এর অন্তর্ভুক্ত, পাশাপাশি শাবানেরও একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন, তবে ইনশাআল্লাহ নিশ্চয়ই সে সওয়াব পাবে। তবে শুধু ১৫ শাবানের কারণে এ রোযাকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে সুন্নত বলে দেওয়া অনেক আলেমের মতেই সঠিক নয়। আর সে কারণেই অধিকাংশ ফুকাহায়ে কেরাম মুস্তাহাব রোযার তালিকায় মুহাররমের ১০ তারিখ ও ইয়াওমে আরাফা (যিলহজ্জের ৯ তারিখ) এর কথা উল্লেখ করেছেন। অথচ শাবানের ১৫ তারিখের কথা পৃথকভাবে কেউই উল্লেখ করেননি। বরং তারা বলেছেন, শাবানের যেকোনো দিনই রোযা রাখা উত্তম। সুতরাং এ সকল বিষয়ের দিকে দৃষ্টি রেখে যদি কেউ রোযা রাখে, ইনশাআল্লাহ সে সওয়াব পাবে। তবে মনে রাখতে হবে যে, রোযা রাখার ব্যাপারে এ মাসের নির্দিষ্ট কোনো দিনের পৃথক কোনো বৈশিষ্ট্য নেই।’ ―ইসলাহী খুতুবাত ৪/২৬৭-২৬৮ শবে বরাতের ফযীলত শবে কদরের সমান নয় অনেকে মনে করেন শবে বরাতের ফযীলত শবে কদরের মতো। এ ধারণা সঠিক নয়। শবে বরাতের ফযীলত আপন জায়গায় স্বীকৃত, তবে তার ফযীলত শবে কদরের মতো নয়। কুরআন-হাদীসে শবে কদরের যত ফযীলত এসেছে শবে বরাত সম্পর্কে আসেনি। বিশেষত শবে কদরে কুরআন মজীদ নাযিল হওয়ার মতো বরকতময় ঘটনা ঘটেছে। এ ফযীলত অন্য কোনো রজনীর নেই। আবার অনেকে মনে করেন কুরআন মজীদের সূরা দুখানে ‘লাইলাতুম মুবারাকাহ’ বলে শবে বরাত উদ্দেশ্য। এ ধরাণাও সঠিক নয়। ‘লাইলাতুম মুবারাকাহ’ বলে শবে কদর উদ্দেশ্য, সূরা কদরে বিষয়টি স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে, তাই ভিন্ন কোনো ধারণা পোষণ করার সুযোগ নেই। (দ্রষ্টব্য : লাতায়েফুল মাআরেফ, পৃ. ২৬৮; মাকালাতুল কাওছারী, পৃ. ৪৯-৫০।

ওইসব গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা, যেগুলো এ রাতের সাধারণ ক্ষমা ও দুআ কবুল হওয়া থেকে মানুষকে বঞ্চিত করে দেয়। যথা : শিরক, হত্যা, বিদ্বেষ। এগুলো সবই কবীরা গুনাহ। আর বিদ্বেষ তো এতই গর্হিত বিষয় যে, এটা অধিকাংশ সময়ই মানুষকে আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত থেকে দূরে সরিয়ে দেয়। যেকোনো মুসলমান সম্পর্কেই বিদ্বেষ পোষণ করা অত্যন্ত মন্দ প্রবণতা। তবে সাহাবায়ে কেরাম ও সালাফে সালেহীন সম্পর্কে অন্তরে বিদ্বেষ বিদ্যমান থাকা অত্যন্ত ভয়াবহ ও গর্হিত অপরাধ। এজন্য মুসলমানদের কর্তব্য হল, সর্বদা অন্তরকে পরিষ্কার রাখা এবং হিংসা-বিদ্বেষ থেকে পাক-পবিত্র রাখা। বিশেষত উম্মাহ্র পূর্বসূরি ব্যক্তিদের সম্পর্কে অন্তর পুরোপুরি পরিষ্কার থাকা অপরিহার্য, যাতে রহমত ও মাগফিরাতের সাধারণ সময়গুলোতে বঞ্চিত না হতে হয়।’ ―লাতাইফুল মাআরিফ, পৃ. ২৬৫ এ রাতের নফল আমলসমূহ সম্মিলিত নয়, ব্যক্তিগত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, এ রাতের নফল আমলসমূহ, বিশুদ্ধ মতানুসারে একাকীভাবে করণীয়। ফরয নামায তো অবশ্যই মসজিদে আদায় করতে হবে। এরপর যতটুকু নফল পড়ার তা নিজ নিজ ঘরে একাকী পড়বে। এসব নফল আমলের জন্য দলে দলে মসজিদে এসে সমবেত হওয়ার কোনো প্রমাণ হাদীস শরীফেও নেই আর সাহাবায়ে কেরামের যুগেও এর রেওয়াজ ছিল না। (দ্র. ইক্তিযাউস সিরাতিল মুসতাকীম ২/৬৩১-৬৪১; মারাকিল ফালাহ, পৃ. ২১৯) তবে কোনো আহ্বান ও ঘোষণা ছাড়া এমনিই কিছু লোক যদি মসজিদে এসে যায়, তাহলে প্রত্যেকে নিজ নিজ আমলে মশগুল থাকবে, একে অন্যের আমলের ব্যাঘাত সৃষ্টির কারণ হবে না। কোনো কোনো জায়গায় এই রেওয়াজ আছে যে, এ রাতে মাগরিব বা এশার পর থেকেই ওয়াজ-নসীহত আরম্ভ হয়। আবার কোথাও ওয়াজের পর মিলাদ-মাহফিলের অনুষ্ঠান হয়। কোথাও তো সারা রাত খতমে-শবীনা হতে থাকে। উপরন্তু এ সবকিছুই করা হয় মাইকে এবং বাইরের মাইকও ছেড়ে দেওয়া হয়। মনে রাখতে হবে, এ সবকিছুই ভুল রেওয়াজ। এ রাতে মাইক ছেড়ে দিয়ে বক্তৃতা-ওয়াজের আয়োজন করা ঠিক নয়। এতে না ইবাদতে আগ্রহী মানুষের পক্ষে ঘরে বসে একাগ্রতার সাথে ইবাদত করা সম্ভব হয়, আর না মসজিদে। অসুস্থ ব্যক্তিদের বিশ্রামেও মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটে। আল্লাহ আমাদের এসব ভুল কাজকর্ম পরিহার করার তাওফীক দিন। এ রাতের আপত্তিকর কাজকর্ম এছাড়া এ রাতে বেশ কিছু আপত্তিকর কাজকর্মও দেখা যায়। যেমন, মসজিদ, ঘর-বাড়ি বা দোকানপাটে আলোকসজ্জা করা, পটকা ফুটানো, আতশবাজি, কবরস্থান ও মাযারে ভিড় করা, কবরস্থান ও মাযারে আলোকসজ্জা করা, মহিলাদের বিনাপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে যাওয়া, বিশেষত বেপর্দা হয়ে দোকানপাট, মাযার ইত্যাদিতে ভিড় করা, তরুণ ও যুবক ছেলেদের সারারাত শহরের অলিতে গলিতে ঘুরে বেড়ানো, হৈ-হুল্লোড় করা―এসব কিছুই আপত্তিকর কাজ। শায়েখ আবদুল হক মুহাদ্দিসে দেহলভী রাহ. বলেন, এই রাতের নিকৃষ্ট বেদআতসমূহের মাঝে নিচের বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত―ঘর-বাড়ি, দোকানপাট আলোকসজ্জা করা, হৈ চৈ ও আতশবাজির উদ্দেশ্যে সমবেত হওয়া ইত্যাদি। এগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এগুলোর স্বপক্ষে কোনো জাল রেওয়ায়েতও পাওয়া যায় না। সম্ভবত হিন্দুদের ‘দেওয়ালী’ প্রথা থেকে তা গ্রহণ করা হয়েছে। ―মা ছাবাতা বিস সুন্নাহ, পৃ. ৩৫৩-৩৬৩ শবে বরাতে কৃত কিছু কাজ তো অন্য সময়েও হারাম। আর কিছু কাজ আছে, যা অন্য সময় করা জায়েয, কিন্তু শবে বরাতে সেগুলোর পেছনে পড়ে শবে বরাতের আমল থেকে বঞ্চিত হওয়া কিছুতেই ঠিক নয়। যেমন খিচুড়ি বা হালুয়া-রুটি রান্না করে নিজেরা খাওয়া বা গরিবদের খাওয়ানো। সাধারণ সময়ে এগুলো করা জায়েয। কিন্তু শবে বরাতে এগুলোর পেছনে পড়ে শবে বরাতের মূল কাজ তওবা-ইস্তেগফার, নফল ইবাদত প্রভৃতি থেকে বঞ্চিত থাকা একেবারেই ঠিক নয়। বস্তুত এগুলোও শয়তানের এক প্রকারের ধোঁকা, মানুষকে মূল কাজ থেকে বিরত রাখার জন্য শয়তান এসব কাজকর্মে মানুষকে ব্যস্ত করে দেয়। শবে বরাতের পরের দিন শাবান মাসের ১৫ তারিখের রোযা শবে বরাতের পরের দিন শাবান মাসের ১৫ তারিখ। এ দিন অনেকে রোযা রেখে থাকেন। এ সম্পর্কে একটি বিষয় জেনে রাখা প্রয়োজন। প্রতি চান্দ্র মাসে তিন দিন রোযা রাখা সুন্নত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও প্রতি মাসে তিন দিন রোযা রাখতেন, সাহাবীগণকেও মাসে তিন দিন রোযা রাখতে বলতেন। (দ্র. জামে তিরমিযী, হাদীস ৭৬০; ৭৬৩) সে হিসেবে মাসে তিন দিন রোযা রাখা সুন্নাত। এই তিন দিন মাসের শুরুতেও হতে পারে, মাঝেও হতে পারে, আবার শেষেও হতে পারে। কিন্তু কিছু কিছু হাদীসে স্পষ্ট আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদেরকে বিশেষভাবে মাসের ১৩, ১৪, ১৫ তারিখ (যাকে আইয়ামে বীয বলা হয়) রোযা রাখতে বলেছেন। (দ্র. জামে তিরমিযী, হাদীস ৭৬১; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ২৪৪৯; ফাতহুল বারী, ১৯৮১ নং হাদীসের আলোচনা) এই হাদীসগুলোর ওপর ভিত্তি করে হাফেয ইবনে হাজার রাহ. বলেছেন, যে তিন দিনের কথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলে গেছেন, সেই তিন দিন রোযা রাখাই সর্বোত্তম। (দ্র. ফাতহুল বারী, ১৯৮১ নং হাদীসের আলোচনা)

আগামী মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, পবিত্র শবে বরাত প্রসঙ্গ: শবে বরাত। মুল: মাসিক আল কাওসার। লাইলাতুন নিসফি মিন শাবানের ফযীলত: শাবান মাসের একটি ফযীলত হল, অর্ধ-শাবানের রাত। অর্থাৎ চৌদ্দ শাবান দিবাগত রাত। এ রাতের বিশেষ ফযীলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। একটি হাদীসে আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন― يَطَّلِعُ اللهُ إِلَى خَلْقِهِ فِي لَيْلَةِ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ فَيَغْفِرُ لِجَمِيعِ خَلْقِهِ إِلَّا لِمُشْرِكٍ أَوْ مُشَاحِنٍ. আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে সৃষ্টির দিকে (রহমতের) দৃষ্টি দেন; অতঃপর তিনি তার সকল সৃষ্টিকে ক্ষমা করে দেন, কেবল শিরককারী ও বিদ্বেষপোষণকারী ব্যতীত (এই দুই শ্রেণিকে ক্ষমা করেন না)। ―সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস ৫৬৬৫; শুআবুল ঈমান, বাইহাকী ৩/৩৮২, হাদীস ৩৮৩৩ قال البيهقي: وقد روينا هذا من أوجه، وفي ذلك دلالة على أن للحديث أصلا من حديث مكحول. এই হাদীসটি নির্ভরযোগ্য ও আমলযোগ্য। ইমাম ইবনে হিব্বান, ইমাম যাকীউদ্দীন মুনযিরী, যাইনুদ্দীন ইরাকী প্রমুখ হাদীস বিশারদ ইমামগণ হাদীসটিকে নির্ভরযোগ্য বলে মতামত দান করেছেন। (দ্র. সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীস ৫৬৬৫; আততারগীব ওয়াত তারহীব ২/১১৮; শরহুল মাওয়াহেব ৭/৪১২) এই হাদীসের ভাষ্য অনুযায়ী অর্ধ-শাবানের রাতে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে সবার জন্য রহমত ও মাগফিরাতের দ্বার উন্মুক্ত করা হয়। কেবল শিরকে লিপ্ত ব্যক্তি এবং অন্যের প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া সবাই এই মাগফিরাত ও রহমত প্রাপ্ত হয়। কোনো বিশেষ সময়ের ব্যাপারে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত ও মাগফিরাতের ঘোষণা আসলে করণীয় হল, সেই সময়ে সকল গুনাহ থেকে বিরত থেকে নেক আমলের প্রতি যত্নবান হওয়া, যেন আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাতের উপযুক্ত হওয়া যায়। এ হাদীস ও অন্যান্য হাদীসে মাগফিরাতের ঘোষণা থাকার কারণে বহু আগ থেকেই গুনাহ মুক্তির রাত হিসেবে এ রাতকে শবে বরাত তথা ‘মুক্তির রজনী’ নামে অভিহিত করা হয়। কাজেই এ রাতে গুনাহ মুক্তির জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা কাম্য। পাশাপাশি অধিক নেক আমল ও দুআ-ইস্তিগফারের মাধ্যমে আল্লাহর মাগফিরাত ও রহমত প্রাপ্তির ঐকান্তিক চেষ্টা করাও কর্তব্য। এ সম্পর্কে আরেকটি হাদীস হযরত আলা ইবনুল হারিস রাহ. থেকে বর্ণিত, আয়েশা রা. বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতে নামাযে দাঁড়ান এবং এত দীর্ঘ সিজদা করেন যে, আমার ধারণা হল, তিনি হয়তো মৃত্যুবরণ করেছেন। আমি তখন উঠে তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলি নাড়া দিলাম। তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলি নড়ল। যখন তিনি সিজদা থেকে উঠলেন এবং নামায শেষ করলেন, আমাকে লক্ষ করে বললেন, হে আয়েশা অথবা বলেছেন, হে হুমাইরা, তোমার কি এই আশঙ্কা যে, আল্লাহর রাসূল তোমার হক নষ্ট করবেন? আমি উত্তরে বললাম, না, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনার দীর্ঘ সিজদা থেকে আমার এই আশঙ্কা হয়েছিল, আপনি মৃত্যুবরণ করেছেন কি না। নবীজী জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি জানো, এটা কোন্ রাত? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন ইরশাদ করলেন― এটা হল অর্ধ-শাবানের রাত (শাবানের চৌদ্দ তারিখের দিনগত রাত)। আল্লাহ তাআলা অর্ধ-শাবানের রাতে তাঁর বান্দাদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেন এবং ক্ষমপ্রার্থনাকারীদের ক্ষমা করেন এবং অনুগ্রহ প্রার্থীদের অনুগ্রহ করেন আর বিদ্বেষপোষণকারীদের ছেড়ে দেন তাদের অবস্থাতেই। ―শুআবুল ঈমান, বাইহাকী ৩/৩৮২-৩৮৬ ইমাম বাইহাকী রাহ. এই হাদীসটি বর্ণনার পর এর সনদের ব্যাপারে বলেছেন― هذا مرسل جيد. শবে বরাতের আমল উপরোক্ত হাদীসে দীর্ঘ নফল নামায, দীর্ঘতম সময় সিজদা করার কথা আছে। সুতরাং এ রাতে নফল নামাযসহ অন্যান্য ইবাদত-বন্দেগীর প্রতি যত্নবান হওয়া কাম্য। যেমন নফল নামাযের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী দুই রাকাত করে যত রাকাত সম্ভব পড়তে থাকা, কুরআন কারীম তিলাওয়াত করা, দরূদ শরীফ পড়া, তওবা-ইস্তেগফার করা, দুআ করা এবং কিছুটা ঘুমের প্রয়োজন হলে ঘুমিয়ে নেওয়া। এমন যেন না হয় যে, সারা রাতের দীর্ঘ ইবাদতের ক্লান্তিতে ফজরের নামায জামাআতের সাথে পড়া সম্ভব হল না। খেয়াল রাখতে হবে, ফরয নামাযে যেন কোনোরূপ শৈথিল্য না হয়। কারণ, ফরয ইবাদতের গুরুত্ব সর্বাবস্থায় নফল ইবাদতের চেয়ে বেশি। একটি বিষয় মনে রাখতে হবে, অনেক অনির্ভরযোগ্য ওযীফার বই-পুস্তকে এই রাতে নামাযের যে নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন লেখা আছে, যেমন এত রাকাত হতে হবে, প্রতি রাকাতে এই সূরা এতবার পড়তে হবে ইত্যাদি―এগুলো ঠিক নয়। বরং স্বাভাবিকভাবে যেকোনো সূরা দিয়ে দুই রাকাত করে নফল নামায পড়বে। (দ্রষ্টব্য : আলআছারুল মারফূআ, আবদুল হাই লাখনোভী, পৃ. ৮০-৮৫) এ রাতের করণীয় সম্পর্কে ইমাম ইবনে রজব রাহ. বলেছেন, (মর্ম) ‘মুমিনের কর্তব্য এই যে, এ রাতে খালেস দিলে তওবা করে যিকির, দুআ ও ইস্তেগফারের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে। যত্নের সঙ্গে নফল নামায পড়বে। সওয়াব লাভের আশা নিয়ে পনেরো তারিখের রোযাও রাখবে। কেননা কখন মৃত্যু এসে যায় বলা যায় না। তাই কল্যাণের মওসুম শেষ হওয়ার আগেই তার মূল্য দেওয়া কর্তব্য। তবে অত্যন্ত জরুরি বিষয় হল,

বিএনপির বাঘা বাঘা নেত্রী! এদের উপর ভর করেই বিএনপি টিকে আছে

বিমান বাংলাদেশের এমডি এরেস্ট!

বিএনপির নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য এর মাঝে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান! আরো লীগ ঢুকাও দলে

বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার মুখে পড়েছে
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের বাধার মুখে পড়েছে বরিশাল জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এভাবেই সারাদেশে বিএনপি আওয়ামীলীগকে শেল্টার দিচ্ছে।

চান্দা দে নইলে...
চান্দা দে নইলে...

ব্রেকিং: জামায়াত কর্মীদের বাড়িতে হা’মলা-ভাঙচুর ও বো’মা বি’স্ফোরনের অভিযোগ

পোলাপান🤣

ধানের বিষ
ধানের বিষ