স্বাধীন বাংলাদেশ Media
Open in Telegram
মিডিয়া হলো জিহাদের অর্ধেক বা তার চাইতেও বেশি! (শাইখ ডঃ আব্দুল্লাহ আযযাম রহঃ)।
Show more604
Subscribers
No data24 hours
-37 days
-830 days
Posts Archive
+2
গণহত্যাকারী, খুনীদের দল আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ছাত্রজনতার ওপর গণহত্যাকারী নওফেলের চিহ্নিত দোসর অনুপম সেন এখনো কিভাবে চট্টগ্রামের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদ দখল করে আছে?
আজ থেকে বাংলাদেশী নাগরিকদের হোটেল পরিসেবা না দেওয়ার ঘোষণা দিলো ত্রিপুরা রাজ্যে।
আমাদের ইন্ডিয়া বয়কটের সাথে অংশগ্রহণ করার জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ 😃
ভারতে উগ্র হি*ন্দুত্ববাদী গোষ্ঠী কর্তৃক বাংলাদেশ হাইকমিশনে ন্যাক্কারজনক হাম*লার নিন্দা জানিয়ে মশাল মিছিল করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
যদি ভারতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী হাইকমিশনের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা বাহিনীর সহায়তা চাইতে পারে।
সেক্ষেত্রে শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য সহায়তা বাড়িয়ে সহযোগিতা করতে পারে বাংলাদেশ।
-Asif Mahmud
বাংলাদেশি দূতাবাসে ভারতীয় জ'ঙ্গি হামলার প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ ...
ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাই কমিশনে গেরুয়া পতাকা নিয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে প্রতিবছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। অর্থনীতিতে অনিয়ম ও দুর্নীতি তদন্তে গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে।
আলেপ্পোতে সাধারণ জনগণ এবং বিদ্রোহী বাহিনীর বিজয়োৎসবে রাশিয়ার এলোপাতাড়ি বিমান হামলা।
প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানের সাথে আমরা একমত। আশা রাখছি মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেবও একমত হবেন।
তারেক জিয়ার সাথে জেনারেল ইব্রাহীমের একটা ফোনালাপ ফাঁস হয়। তারেক জিয়া ইব্রাহীমকে বলেছিলেন যে একাত্তরে এক থেকে দেড় লাখ লোক নেমেছিল। সংখ্যাটা আরও কম হওয়া স্বাভাবিক।
চব্বিশের ৫ই আগস্ট সকালবেলা শুধু ঢাকা শহরেই আপনারা কোটির কাছাকাছি মানুষ নেমেছিলেন। ওটা কিন্তু আন্দোলনে নামা না। সাক্ষাত মৃত্যু প্রস্তুতি নিয়ে নামা। আমরা কেউ জানতাম না যে সেদিন হাসিনাকে উতখাত করা হবে।
আমার স্কুল-ভার্সিটির বন্ধু, সিনিয়র-জুনিয়ররা আমাকে ম্যাসেজ পাঠিয়েছিল। একজন চিঠি লিখে ছবি তুলে দিয়েছিল যে ও শহীদ হলে যেন সেটা প্রকাশ করি। একজনের গার্লফ্রেন্ডের সাথে ওর যোগাযোগ নাই মাস দুয়েক। ও বলেছে শহীদ হলে গার্লফ্রেন্ডকে যেন বলি ও স্যরি। মোবাইলের ওয়ালপেপারে নাম, পিতার নাম, ব্লাডগ্রুপ, এমার্জেন্সি কন্টাক্ট নাম্বার সেট করছিল সবাই। সবার টাইমলাইনে দোয়া-দরুদ ছিল।
৩৬শে জুলাই আমার ফ্রেন্ডলিস্টের আশি শতাংশের বেশি মানুষ রাস্তায় নেমেছিল শহীদ হতে হবে এটা ধরে নিয়ে। খালি হাতে। কোন বিদেশী শক্তির সমর্থন ছাড়াই। কোন অস্ত্র ছাড়াই।
ঘটনাচক্রে সেদিন খুব বেশি প্রাণহানি হয় নাই- মাত্র দুইশোর মত। যাত্রাবাড়িতে ৫০ এর কাছাকাছি। কিন্তু সেদিন যদি হাসিনা না পালাতো, তাহলে ৩৬ডে জুলাইতেই একাত্তরের ত্রিশ লাখের মিথ ক্রস করে যেত।
আচ্ছা, কি এমন হল যে একাত্তরে বিদেশী পরাশক্তির সমর্থন, সরাসরি সশস্ত্র ব্যাকাপ সত্ত্বেও মাত্র এক-দেড় লাখ লোক রাস্তাায় নামলো না?
অথচ চব্বিশে কোন ঢাল-তলোয়ার ছাড়াই শহীদ হওয়ার জন্য আপনারা কোটি মানুষ রাস্তায় নেমে গেলেন?
অনেকে অনেক কথা বলবে। তারা আপনাদের ভয় পায়। আমাদের ভয় পায়। তাই আমাদের খাটো করতে চায়, দমন করতে চায়। কিন্তু নিজেকে ৩৫শে জুলাই বা ৩৬শে জুলাইয়ে ফেরত নিয়ে যান- আপনি বুঝতে পারবেন যে চব্বিশই পেরেছিল জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে। এভাবে আর কিছুই পারে নাই।
এবং পাকিস্তানের চব্বিশ বছরের শোষণ-বঞ্ছনার গল্পের সবটুকু যদি সত্য ধরেও নিই, তারপরও সেটা ফ্যাসিবাদী দু:শাসনের এক মাসের ভয়াবহতার কাছেও নস্যি। এটা আপনি ৩৫শে জুলাইয়ে জানতেন। আজকে হয়ত ওরা ভুলিয়ে দিতে চাইছে।
নতুন বন্দোবস্তকে যারা ভয় পায়, তরুনদের যারা ভয় পায়, চাঁদাবাজি-দুর্নীতির দ্বিদলীয় চক্রকে যারা ভয় পায়, তারা চব্বিশের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে গেছে। যেকোনভাবে চব্বিশকে আন্ডারমাইন না করলে তাদের রাজনীতি টিকে থাকবে না। হয়ত তারা চব্বিশকে হারিয়েও দিবে।
এদের প্রোপাগান্ডার মুখে যখন নিজেকে বিভ্রান্ত মনে হবে, তখন ৩৬শে জুলাইয়ের ফজরে ফিরে যাবেন। একদম নিরস্ত্র অবস্থায় আপনি-আমি মিলে একটা নিউক্লিয়ার পাওয়ার বৈশ্বিক পরাশক্তি ও আমাদের কলোনিয়াল মাস্টার ইন্ডিয়াকে আমরা পরাজিত করেছি। কারও সহায়তা ছাড়া। কোন আশ্বাস ছাড়া।
চব্বিশের স্বাধীনতা শুধুই আমার, আপনার - বাংলাদেশের। আর কোন দিন-তারিখ-সনের ব্যাপারে এই কথাটা আমরা বলতে পারি না।
আজকে অনেকে অনেক কথা বলবে। কিন্তু ছত্রিশে জুলাইয়ের ভোরবেলায় কিন্তু ফাহাম আব্দুস সালাম ঐ যে একাত্তরকে স্ক্যাম বলেছিল সেটাকেই আপনার ধ্রুবসত্য বলে মনে হয়েছিল। আজকে ফাহাম নিজেও হয়ত আর তার ঐ অবস্থানে নাই, কিন্তু ছত্রিশে জুলাইয়ের ফজরের ওয়াক্তের মত পবিত্র ওয়াক্ত আর কিছু আছে কিনা খোদা জানেন। ঐদিন কিন্তু আমাদের মনে সত্য-মিথ্যা নিয়ে কোন সন্দেহ ছিল না। স্বাধীনতার মানে নিয়েও কোন সন্দেহ ছিল না।
আমরা ছত্রিশে জুলাইয়ে ভাইয়ের শাসন থেকে নাজাত পেয়ে প্রতিবেশী পার্ভার্ট চাচার পারভারশনের শিকার হই নাই। প্রাচীনপন্থী, প্রতিক্রিয়াশীলরা যেটাকে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায় সেটার সম্পর্কে কিন্তু এই গর্বটা করার উপায় নাই।
১৯৭০ সালে আমাদের পূর্বসূরিরা যখন রাস্তায় নামতেন, আন্দোলন করতেন, তখন তাদের মাথায় থাকত দেশের সরকারের প্রতিক্রিয়া কি হবে।
আর ২০২৪ সালে এসে আমাদের ভাবতে হয়েছে - এখনও ভাবতে হয়- প্রতিবেশী প্রভু দেশের সরকারের ভূমিকা কি হবে, আমেরিকার ভূমিকা কি হবে। কারণ ১৯৭০ আর ২০২৪ এর মধ্যে একটা ১৯৭১ আছে।
একাত্তরের কারণে আমরা ভোটের অধিকার হারিয়ে বাকশালের খপ্পরে পড়েছিলাম। চব্বিশে ইনশাল্লাহ আমরা সেই ভোটের অধিকার ফিরে পাব- যদি না একাত্তরীরা ষড়যন্ত্র করে আমাদের হারিয়ে না দেয়।
একাত্তর না হলে চব্বিশ হত না। গোলামি ছাড়া আজাদী আসে না।
শান্তির দৃশ্য। যতবার দেখি চোখ জুড়িয়ে যায়। মনটা প্রশান্তি অনুভব করে। নিজের অজান্তে মুখ থেকে বেরিয়ে আসে "আল্লাহু আকবার - আল্লাহু আকবার" ইনকিলাব জিন্দাবাদ। ☝️
হে প্রভু, আজকে আর গুরুর রক্ষা নাই। এই হচ্ছে গুরুদের অবস্থা। পুরো ল্যাংটা হয়ে হোল তবলা বের করে দিয়ে হাতে নাতে ধরে ফেলার পরও তারা নিস্পাপ, মাসুম।
ইয়ে কেয়া হুয়া, গামছা ভি খুল গিয়া...
⭕ হুজুরের উপর স্কনের হামলা
ইয়া উম্মাত আল ইসলাম!
আর কত ঘুমাবেন?
মসজিদে হ| ম ল| হল, এক ভাইকে প্রকাশ্যে জ°°ব|ই তবুও আপনাদের গাফেলতির ঘুম ভাঙ্গছে না।
এবার আবারও স//ন্ত্রা//সী ই**ক°ন
নিয়ে কথা বলাতে এক আলেম কে পি**টি**য়ে
হসপিটালে পাঠিয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছে দিনে বেশ কয়েক ঘন্টা হয়ে গিয়েছে, অথচ এটা মিডিয়াতে আসেনি,
তাই আমরা জানতেও পারিনি।
আলেম বলেই কী এই দ্বিচারিতা নয়?
আলিফ ভাই ওদের হাতে নি -হ ত হয়েছে সারাদেশ তোলপাড় শুরু হয়েছে,
জাতি জেগে উঠেছে ( আলহামদুলিল্লাহ এটা ভালো দিক) কিন্তু একজন আলেম ওদের হাতে আ- হ ত হয়ে হসপিটালে এটা মিডিয়াতেও আসে নি,
কেউ জানেও না!কী আজিব না?
মূল ঘটনাটি হল,
গত কাল মানিকগন্জ উপজেলা কৃষ্নপুর ইউনিয়ন তানজিমুল উলুম মাদ্রাসায় ওয়াজ মাহফিলে একজন আলেম ই**ক*-ন নিয়ে কথা বলায়,
উক্ত মাহফিলের সভাপতি আলেমকে বাঁ*ধা দেয় ও অ*প-মান করে।
তখন তাওহিদি জনতা এটা ব্যাপক প্রতি/বাদ করেন। তারই জের ধরে অত্র মাদ্রাসার মোহতামিম কে
আজ ই*ক*ন ও লীগের স//ন্ত্র|°°সী°রা মিলে তার মাদ্রাসায় ঢুকে পি**টি**য়ে নি*র্ম*ম ভাবে যখ*ম করেছে।
আপনি ভাবতে পারেন আমাদের গাফেলতির কারণে, আমরা লোহার ব্যাবহার ভুলে যাওয়ার কারণে ওদের দৌরাত্ম্য আজ কত দূর পোঁছেছে?
এখনও যদি এই হে*দুদে*র,ই**ক*ন*দের,লীগদের রুখে দেওয়া না হয় তাহলে ভবিষ্যতে ওরা আরও ভয়া*বহ রূপে আত্মপ্রকাশ করবে।
জেগে উঠুন, প্রস্তুতি নিন, এদের কে রুখে দিন
কেউ এ্যাংরি দিবেন না, কপি বা প্রচার করুন হাইলাইটস করুন।
আবার পেছালো সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনের দিনক্ষণ। ২০২৩ সালে প্রথম দফায় পেছানোর পর চলতি বছরের ডিসেম্বরে বিদ্যুৎকেন্দ্রটির একটি ইউনিট চালু হওয়ার কথা ছিল।
প্রকল্পটির দায়িত্বে থাকা শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে বেশ কয়েক মাস বিদ্যুতের সঞ্চালন লাইনের নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকায় সেটি সম্ভব হচ্ছে না। সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করে পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যেতে আরো কমপক্ষে ছয় মাস সময় লাগবে।
কর্মকর্তারা এমন সময় এসব কথা জানালেন, যখন ডলার ও জ্বালানির অভাবে দেশের বিদ্যুৎখাত মারাত্মক সঙ্কটের মধ্যে রয়েছে।
গ্যাস ও কয়লা সঙ্কটে ইতোমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র। বকেয়া অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানিও ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।
দিল্লি নয়, এখন ঢাকা থেকেই শেনজেন ভিসা! 🇪🇺
ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে শেনজেন ভিসা আবেদন কেন্দ্র।
এখন থেকে ক্রোয়েশিয়া, অস্ট্রিয়া, ডেনমার্ক, জার্মানি এবং সুইডেনের ভিসা আবেদন করতে পারবেন সরাসরি ঢাকায়।
আপনার ইউরোপ ভ্রমণের স্বপ্ন আরেক ধাপ কাছে!
• দিল্লি যাওয়ার ঝামেলা শেষ।
• দ্রুত, সহজ এবং সুবিধাজনকভাবে আবেদন করুন।
• শেনজেন ভিসায় ২৭টি দেশে ভ্রমণের সুযোগ!
আজই আবেদন করুন এবং আপনার ইউরোপ যাত্রার প্রস্তুতি নিন!
বিশেষ সুবিধা এখন ঢাকাতেই।
এবার ভারতীয় হিন্দুত্ববাদী আন্দোলনকারীরা সিমান্তে এসে বাংলাদেশ ঢুকার চেষ্টা করলো।
এ সময় বি এস এফ সৈনিকরা তাদের কে বাধা প্রদান করেন।
চিন্তা করুন দাদা বাবুদের কত সাহস 😡
