1 484
Subscribers
No data24 hours
-77 days
-2830 days
Posts Archive
1 484
(৭২-৭৫) সালের পত্রিকা পড়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানাচ্ছি!!
আমাদের সকলের অনেক ভ্রান্ত ধারণা দুর করার জন্য।
1 484
তাহলে কি আসলেই মেজর বজলুল হুদা কে হাসিনা গলা কে... হত্যা করেছিলো। এটা নিয়ে সাংবাদিক ইলিয়াস একটা ভিডিও বানাইছেন। আপনারা চাইলে ইউটিউব থেকে দেখতে পারেন।
1 484
দীপু মনি'র জেলের ভেতর প্রথম শাস্তি - ১ ঘন্টায় ৭ টা সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লিখতে হবে।
1 484
এমতাবস্থায় রুনি তাঁর করা প্রতিবেদনটি প্রকাশের জন্য মাছরাঙা টেলিভিশনে কর্মরত তাঁর স্বামী সাগর সারোয়ারের হাতে তুলে দিলে ঐদিন রাতেই মাহফুজুর রহমান তার ভাই এটিএন বাংলার পরিচালক মাকসুদূর রহমান রঞ্জুকে পাঠায় সাগর-রুনি'র ফ্ল্যাটে। যে কোন মূল্যে সাগরের ল্যাপটপ উদ্ধার করার মিশন সম্পন্ন করতে রঞ্জুর সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় ভাড়াটে খুনিরা। যেমন পরিকল্পনা তেমন কাজ। ল্যাপটপ বাজেয়াপ্ত করতে রঞ্জুর ভাড়া করা খুনিরা সফল হলেও নৃশংসভাবে নিহত হন সাগর রুনি দুজনেই। হত্যাকাণ্ডের পরদিন রঞ্জু গ্রেফতার হলেও মাহফুজুর রহমান প্রভাব খাটিয়ে তার ভাইকে ছাড়িয়ে আনে। তার একদিন পরই দেশ ছেড়ে পালায় রঞ্জু। অন্যায় অবিচার অত্যাচার জুলুম নির্যাতন দুঃশাসন সহ মেগা মাল্টি লুটপাটের বিরুদ্ধে বিপ্লবী ছাত্র জনতার দুনিয়া কাঁপানো গণঅভ্যুত্থানে পতিত পদচ্যুত ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরাচার স্বৈরশাসক শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাবার পর বাংলাদেশে ইতোমধ্যে উদিত হয়েছে স্বাধীনতার নতুন লাল সূর্য। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ১৮ আগস্ট সাফ জানিয়েছেন,"সাগর রুনি হত্যাকাণ্ড খুবই বেদনাদায়ক, খুবই নির্মম, এই হত্যাকাণ্ডের বিচার নিয়ে প্রহসন করা হয়েছে, বার বার তার প্রতিবেদনগুলা পেছানো হয়েছে। পুনঃতদন্তের মাধ্যমে আমরা দ্রুত বিচার নিশ্চিত করবো"।
এদিকে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানাচ্ছে, সাগর-রুনি খুন হবার সময় এটিএন বাংলা এবং মাছরাঙা টেলিভিশনে যারা কাজ করতো, তারা ছাড়াও ঢাকার গণমাধ্যমের মুখচেনা সাংবাদিক এবং সম্পাদক সহ সুপরিচিত অনেকেই অপ্রকাশিত সব সত্যের নিরব স্বাক্ষী। কিন্তু জানের ভয়ে কেউই মুখ খুলেনি আওয়ামী আমলে। সাগর সারোয়ার এবং মেহেরুন রুনির আদরের সন্তান মেঘ আজও বিচার পায়নি তাঁর বাবা-মা'র হত্যার। মেঘে মেঘে অনেক বেলা গড়িয়েছে, নতুন করে স্বাধীন হয়েছে আজ বাংলাদেশ। সাগর-রুনি হত্যার বিচার নিয়ে গত এক যুগের রাষ্ট্রীয় প্রহসনের দ্রুত অবসান হোক, এটাই আমাদের রক্তিম প্রত্যাশা।
🇧🇩 মাঈনুল ইসলাম নাসিম
1 484
+4
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যার বিচার আওয়ামী লীগ সরকার করেনি নিজেদের স্বার্থে। ২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় নিজেদের ফ্ল্যাটে 'টার্গেট কিলিং'-এর শিকার হবার পর গত একযুগ ধরে বিচারের বাণী কেঁদেছে নিরবে নিভৃতে। মেহেরুন রুনি কাজ করতেন এটিএন বাংলায়। সামিট গ্রুপের স্বার্থ বিনষ্ট হবে এমন একটি জ্বালানি বিষয়ক এক্সক্লুসিভ রিপোর্ট তৈরি করেছিলেন রুনি। কিন্তু এটিএন বাংলায় প্রচারের আগেই তা আটকে দেয় চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান। ভেতরে বাইরে শুরু হয় তোলপাড়।
1 484
+6
প্রথম দিক থেকেই এই মেয়েরে নিয়ে সন্দেহ জাগছিলো অবশেষে সেটাই হলো। অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালোনা এদেরকারনে বাকি ১০ জনকে মানুষ খারাপ ভাবে দেখবে।
1 484
+6
ফিলিস্তিন 😑
আরো এমন দৃশ্য আছে ছোট বাচ্চার পুরা শরীর ঝলসে গেছে। মাথা পর্যন্ত নেই । যা সহ্য করার মতো না তাই দি নাই 🙂
1 484
মৌমিতাকে রেইপ করার সময় যে দুইজন দুপাশ থেকে ওর হাত ধরে রেখেছিলো তাদের মধ্যে একজন মৌমিতারই ফিমেল কলিগ।🙂
1 484
কলকাতার পাশের একটি মেডিকেল কলেজ। আরজিকর।পূর্ব ভারতের একসময়ের সবচেয়ে নামী মেডিকেল কলেজ।
সেই মেডিকেল কলেজের একজন মেয়ে ডাক্তার মৌমিতা দেবনাথ। টানা ৩৬ ঘন্টা নাইট ডিউটি দেওয়ার পর সেমিনার রুমে রেস্ট নেয়ার সময় কিছু পশুর দ্বারা নির্মমভাবে রেইপড হয়েছেন।কতবার হিসেবে নেই।শুধু জীবিত অবস্থায় নয়,মৃত্যুর পরও অসংখ্যবার। এই ঘটনার বর্ণনা পড়তে গিয়ে আমার গা গুলিয়ে ওঠেছে।
ত্রিশ সেকেন্ডের বেশি তার গলা সর্বশক্তিতে চেপে ধরে রাখা হয়েছে যতোক্ষণ পর্যন্ত তার চোখ দিয়ে রক্ত আসতে থাকে,যতক্ষণ পর্যন্ত না, মুখ দিয়ে অনবরত রক্ত না আসতে থাকে। চেপে ধরে রাখার জন্য কোনো শব্দ করতে পারে নি সে,অসীম যন্ত্রনা সহ্য করেছে সে।
তার সারা শরীরে ১১৩ টি কামড়ের দাগ!১১৩ টি ইনজুরি করতে ঠিক কি পরিমাণ অত্যাচার করতে হয় আমি জানি না।তার শরীর থেকে প্রায় ১৫০ গ্রাম রক্ত ও সিমেন মিশ্রিত ফ্লুইড পাওয়া গেছে। যার এক তৃতীয়াংশ মেয়েটির নিজের রক্ত হলেও অবশিষ্ট এমাউন্ড থেকে স্পষ্ট মেয়েটিকে অন্তত দশ থেকে পনেরো বার রেইপ করা হয়েছে।
এতোটাই তার পায়ে ফোর্সফুলি করা হয়েছে যে তার কোমড়ের অস্থি - হিপ বোন ফ্রেকচার হয়ে গেছে, গলার উপরের হায়অয়েড বোন ফ্রেকচার হয়ে গেছে।কতবার তা ডাক্তাররা পরীক্ষার পরও নিশ্চিত হয়ে এখনো বলতে পারেন নি।
অন্তত দশ থেকে পনেরো বার?এই ইনসিডেন্ট কয়বার তার জীবন দশায় হয়েছে, কয়বার তার মারা যাবার পর সেটাও বলা যায় নি।কতোটা পশু হলে মৃত্যুর পরও অনবরত রেইপ করা যায় আমি ভাবতে পারি না। মেয়েটার অপরাধ কি ছিলো? মেয়েটি একটা হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা দিতে নাইট ডিউটি দিচ্ছিলো।যেখানে একটা ডাক্তার নিরাপদ না, সেই হসপিটালের রোগীরাও কি আদৌ নিরাপদ?
সেই কলেজের প্রিন্সিপাল ডা. সন্দ্বীপ ঘোষ এর থ্রোতে এই ঘটনাটি ঘটবার পর বাসায় জানানো হয়েছে, 'আপনার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে।' ডা. সন্দ্বীপ ঘোষ একজন ডাক্তার হয়ে দেখেই বোঝার কথা কোনটা আত্মহত্যা আর কোনটা রেইপ!গায়ে শ খানেক ইনজুরি,কোনো কাপড় নেই, এভাবে মানুষ আত্মহত্যা করে?কার প্রশ্রয়ে উনি মিথ্যা স্টেটমেন্ট দিয়েছেন পরিষ্কার নয়।কেউ তো আছেই।
সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার সেই ঘটনার তিনদিন হয়ে যাবার পরও পুলিশ নাকি বুঝতে পারছে না এটা একজনের কাজ নাকি একাধিক জনের কাজ! উচ্চমহলের হাত ছাড়া একজন পুলিশ এই কথা কিভাবে বলেন? এই ঘটনার প্রতিবাদে ভারতে গতকাল চলেছে,'মেয়েরা রাত দখল করো!' আন্দোলন, সমাবেশ। যে যে জায়গা থেকে প্রতিবাদ করেছে একত্রে জড়ো হয়ে।একই কমিউনিটির মানুষ হিসেবে এর প্রতিবাদ করছি ও একাত্মতা প্রকাশ করছি।
বর্ণনাটা এখনো চোখে ভাসছে...
'A broken hyoid bone, blood spilled from eyes, black mark all over the body, blood from the private part, seminal fluid of multiple persons inside the body...'
#justiceformoumita
#justiceforRGKar
#DhakatoKolkata
