en
Feedback
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ( অফিসিয়াল চ্যানেল )

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ( অফিসিয়াল চ্যানেল )

Open in Telegram

News | Analysis সংবাদ | বিশ্লেষণ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন provides important news in brief. 'বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন' চ্যানেলে কোনও চ্যানেল, পেইজ,গ্রুপ বা কোনও পণ্য প্রমোট করার জন্য যোগাযোগ করুন: @Farhanmuhib777

Show more
1 762
Subscribers
No data24 hours
-57 days
-2130 days
Posts Archive
প্রোপাগাণ্ডার শুরু হয়ে গেছে.... এরা কি মানুষ?
প্রোপাগাণ্ডার শুরু হয়ে গেছে.... এরা কি মানুষ?

রাজশাহী রেলগেটে অস্ত্রসহ আটক আওয়ামী সন্ত্রাসীরা...

টাকা দিয়ে লোক ভাড়া করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধাচ্ছে আওয়ামিলীগ নেতারা।

#যশোর ক্যান্টনমেন্ট থেকে আর্মির গাড়ি ট্যাংক সিদ্ধ রওনা করছে গোপালগঞ্জের উদ্দেশ্যে..সোর্স সঠিক। বেগম জিয়া কি জানি একটা ডায়ালগ দিছিলো.. ভুইলা গেছি,একটু বলেন ত কেউ.. #follower #Gopalganj #army

গোপালগঞ্জে আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং চলছে

গোপালগঞ্জে মুজিবের পুত্রদেরকে ডিম থেরাপি চলছে

৫ই মে ২০১৩ শাপলা গণহত্যাঃ ভিডিও লিক...হাসিনার মিথ্যাচার ও বাস্তবতা ভিডিওতে দেখা যায় কিভাবে লাশ গুলো রাস্তায় পড়ে আছে,আর সেগুলো কিভাবে লুকাচ্ছে গাড়ি করে.. শেখ হাসিনা এক পর্যায়ে সংসদে বলে,তারা নাকি রঙ মেখে রাস্তায় শুয়ে ছিলো, সেগুলোকেই লাশ বলে চালিয়েছে,হেফাজতে ইসলাম.. আমরা ঐ প্রতিবাদ করিনি,হয়তো তাই আল্লাহ এত দিন এই গজবের ভিতর রেখেছিলো আমাদের..

অ'বৈধ/ দু'র্নীতিতে বিভিন্ন সেক্টরে নিয়োগের বিরুদ্ধে ইনশাআল্লাহ সর্বোচ্চ লেখালেখি/ পোস্ট চলবে বিভিন্ন গ্ৰুপে... বিজয় আমাদের আসবেই 😊

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শনিবার (১০ আগস্ট) তাদের নিয়োগ প্রদানের প্রজ্ঞাপন জা
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। শনিবার (১০ আগস্ট) তাদের নিয়োগ প্রদানের প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় !!

ষড়যন্ত্র ফাঁস। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের পদত্যাগের নেপথ্যে কঠিন ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়ে গেছে। শেখ হাসিনাকে এক্স প্রধান বিচারপতি সিনহা যেভাবে অবৈধ ঘোষণা করতে চেয়েছিলেন ঠিক তেমনি ষড়যন্ত্র করেছিল ওবায়দুল হাসান সহ কয়েকজন। যে রিপোর্ট এখনো মিডিয়া প্রকাশ করেনি তা নিম্নরূপ: সজীব ওয়াজেদ জয় এতদিন আপনাদের সাথে 'আমি নাই, মা নাই' বলে বলে হটাৎ গতকাল রয়টার্সকে বলেছে তার মা পদত্যাগ করেননি। এটি একটি পরিকল্পিত ঘোষণা ছিল যা বোঝা গেছে আজ। সেনাবাহিনীর নিচের দিকের অফিসাররা যদি জনগণের পক্ষে না থাকতো, তাহলে আজকে আরেকটা রক্তের বন্যা বয়ে যেত। আজকেও সেনাবাহিনীর ছোট অফিসাররা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ থেকে ছাত্র জনতাকে বাঁচিয়েছে। আজকে একটা ক্যু এর প্ল্যান করেছিল জয় এবং আরাফাত। কিন্তু সঠিক সময়ে সেনাবাহিনীর গোয়েন্দারা ছাত্রদের কাছে তথ্য ফাঁস করে দেয়। এই তথ্য জানার পরে জুডিশিয়াল ক্যু রুখে দেয় ছাত্ররা। জয় আরাফাত আর তাদের গাইডদের গোপন প্ল্যান ছিল এইরকম। ডক্টর মোহাম্মদ ইউনুস যখন রংপুরে আবু সাঈদের বাড়ি পরিদর্শন এবং কবর জিয়ারতের জন্য যাবেন এবং তারপরে উনার হেলিকপ্টার যখন আকাশে থাকবে ঠিক সেই সময়ে হাইকোর্টের অ্যাপিলিয়েট ডিভিশনের বিচারপতিরা ফুল কোর্ট বসিয়ে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করবে। সাথে সাথে এই ক্যু এর সাথে জড়িত সেনাবাহিনীর ২৫ কর্মকর্তা, চাকুরি থেকে কর্মবিরতিতে থাকা দুর্নীতিবাজ পুলিশের একটি দল রাজধানীতে হট্টগোল শুরু করবে আর শেখ হাসিনা ভারত থেকে বাংলাদেশে চলে আসবেন এবং সাথে সাথে আওয়ামী লীগের আত্মগোপনে থাকা নেতাকর্মীরা মাঠে চলে আসবে। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রধান বিচারপতি সরকারের সাথে কোনো আলোচনা না করে হটাৎ ৫৭ বিচারপতিকে জরুরী মিটিংয়ে ডাকেন। স্ক্রলে জরুরি মিটিং ডাকার সংবাদ দেখে দর্শকরাও কনফিউজড হন। কিন্তু আগে থেকে গোপন খবর পাওয়া ছাত্র জনতা সকাল ৯ টা বাজার আগেই চতুর্দিক থেকে ছুটে এসে হাইকোর্ট ঘেরাও করে। সেনাবাহিনীর সমর্থনে প্রধান বিচারপতি পিছু হটতে বাধ্য হন এবং পালিয়ে থাকেন। মিটিং স্থগিত হয়। ছাত্ররা বিচারপতির বাসা ঘেরাও করে রাখে। সেনাবাহিনী শৃংখলা রক্ষার আবরণে সেখানে ছিলো। পদত্যাগ পত্র সরকারকে দেয়া হয়েছে নিশ্চিত হয়ে ছাত্ররা হাইকোর্ট এবং বাসভবন ত্যাগ করে। এই ঘটনার সাথে জড়িত আপিল বিভাগের আরো পাঁচজন বিচারপতিকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। Musaddiq Ali Ibne Mohammad সহ-সমন্বয়ক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন

আজক ঠিক এভাবেই সশস্ত্র হামলা চালায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা..গণহত্যার সময় কেউ কেউ এই অস্ত্র ব্যবহার করেছে। যমুনা টিভি থেকে ফুটেজ নে
+1
আজক ঠিক এভাবেই সশস্ত্র হামলা চালায় আওয়ামী সন্ত্রাসীরা..গণহত্যার সময় কেউ কেউ এই অস্ত্র ব্যবহার করেছে। যমুনা টিভি থেকে ফুটেজ নেওয়া। এটার ব্যবস্থা না নিলে দেশ অনিরাপদ।

বাংলাদেশ নিয়ে উসকানিমূলক ‘ভুয়া ও মিথ্যা’ খবরের ফাঁদে পা না দিতে পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমত
বাংলাদেশ নিয়ে উসকানিমূলক ‘ভুয়া ও মিথ্যা’ খবরের ফাঁদে পা না দিতে পশ্চিমবঙ্গের মানুষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। এ ছাড়া বাংলাদেশ নিয়ে উসকানিমূলক কথাবার্তা না বলতে রাজ্যের রাজনৈতিক নেতাদের অনুরোধ করেছেন তিনি।

ইতিহাস প্রতিশোধ নেয়: ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০০৯। আমি তখন সদ্য ক্যাপ্টেন হয়েছি, Adjutant, 18 Engineers Battalion, 14 Independent Engineers Brigade, Dhaka Cantonment. আমাদের ইউনিট ১৮ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ন থেকে জানানো হল যে আমরা আজ পিলখানার ভিতর প্রবেশ করব, আটকে পড়া সেনাবাহিনীর পরিবার গুলিকে উদ্ধার করার জন্য। এমনকি আমাকে আমার সিনিয়র ইউনিট অফিসার মেজর মাহবুব স্যার পুরো পরিকল্পনা ব্রিফ করলেন। সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৫ টা অবধি আবাহনী মাঠে অপেক্ষা করছি কখন আদেশ আসবে ভিতরে যাবার। আমরা অস্ত্র, প্রাণ নিয়ে প্রস্তুত ভিতরে যেতে। বাসায় মিথ্যা বললাম যে, ইউনিটেই আছি, নিরাপদ আছি। (শুধু আশরাফ কে সত্যি বলেছি, বড় আপা, শশুর আব্বাকে মিথ্যা বলেছি)। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সেনাবাহিনী চীফ মইন ইউ. আহমেদ স্যার কোন আদেশ দিলেন না। (তারা নাকি বিদ্রোহীদের সাথে আলোচনা করছেন!) এর মাঝে আরও ভাবীরা সম্মান হারালেন, প্রাণ হারালেন আরও অফিসার। সন্ধ্যায় নাটকীয় ভাবে পিলখানার ভিতরে বিদ্যুৎ লাইন কেটে, গেট খুলে খুনী দের পালিয়ে যাবার ব্যবস্থা করে দেয়া হল। হাজারীবাগ এর দিকে র‍্যাব এর অফিসার ( আমার ভুল না হয়ে থাকলে Lt. Col Ashik Sir, Engineers, তখন ক্যাপ্টেন ছিলেন ) খুনীদের পালাতে দেখে কয়েকটাকে ধরে র‍্যাব এর গাড়িতে করে ধরে নিয়ে আবাহনী মাঠে আসলেন। আমার ঠিক সামনেই ততকালীন ডি,জি, ডি জি এফ আই আশিক স্যারকে ধমক দিলেন, তোমাকে আদেশ ছাড়া কে এদের ধরতে বলেছে? ( As if, তাদের তো পালানোর কথাই ছিল, আর সেটা নিশ্চিত করা উনার দায়িত্ব ছিল!) যাই হোক, এখন তো আর এত অফিসার এর সামনে এদের ছেড়ে দিতে পারেন না! উনি বলেন এদের পুলিশের বাসে উঠিয়ে দাও, তারা যা করার করুক। হঠাৎ আমাকে ডেকে আদেশ করা হল আমি যাতে পলায়নপর এই খুনীদের এক সিরিয়াল এ বসিয়ে তাদের ব্যাগ চেক করি। আমার জন্য আদেশ ধাতব কোন কিছু থাকলে ফেলে দিয়ে ব্যাগ ফিরিয়ে দিয়ে পুলিশের গাড়িতে উঠান। আমি আমার রানার সৈনিক আনোয়ার এবং আরেক সৈনিককে নিয়ে ব্যাগ চেক শুরু করলাম। ব্যাগে দামী দামী শাড়ি, জুয়েলারি। প্রায় প্রত্যেক এর ব্যাগেই। আমি তখন এতই নাইভ যে বুঝি নাই এরা লুট করছে। আমি অবাক হয়েছি। কয়েক বি ডি আর সৈনিককে জিজ্ঞেস করলাম - তোমার ব্যাগে এতগুলো শাড়ি কেন? সে বলল - স্যার ছুটি যাব তো, বউএর জন্য কিনেছি! যেহেতু ধাতব কিছু নেয়া নিষেধ, আমি জুয়েলারি গুলি একসাথে করে মাঠের পাশের ডাস্টবিন এ ফেলে দিলাম। বাকি কাপড়, শাড়ি ফেরত দিয়ে তাদের পুলিশের গাড়িতে তুলে দিলাম। এই ঘটনার অনেকদিন পর আমি বুঝেছি যে, সেগুলি আসলে সোনার গয়না ছিল! গত ১৫ বছর মূক ছিলাম। আজ ঘুরেফিরে পুরাতন কথা মনে পড়ছে আর চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। উল্লেখ্য বি ডি আর ঘটনার পর ২৭ ফেব্রুয়ারী আমি সেনাবাহিনীতে Resignation ( Appendix K ) জমা দিয়ে চলে আসি। আমি আমার Resignation এ কারণ উল্লেখ করি যে I am highly Demotivated to serve anymore after this incident as we could not save our brother officers. সেনা সদর দপ্তরে এবং নিজ ইউনিটে বেশকিছু "Motivation Interview " হয় আমার যাতে আমি এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসি। কিন্তু আমার আবেগ অথবা বিবেক কোনটাই সায় দেয় নি। শেষমেষ শুনলাম প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে বলা হয়েছে - তারা আমাকে ছাড়বে, কিন্তু আমার রেজিগ্নেশন এর যে কারণ আমি দেখিয়েছি তা পরিবর্তন করতে হবে। আমি অনেক রাগ,বিরাগের পর বুঝলাম যে, এই "কারণ" চেঞ্জ না করলে আমাকে সেনাবাহিনীতে রেখেই Torture করবে। সি ও স্যার ( Lt. Colonel Mahfuz sir) বললেন - চলে যেতে আসলেই যদি চাও, নিজেকে কস্ট দিও না। আমি " নিজের ব্যক্তিগত সমস্যা " লিখে পরিবর্তন করলাম, ২০০৯ সালের ২৯ জুলাই আমাকে এস,ও,ডি (সামরিক বাহিনী থেকে অব্যাহতি) দেয়া হল। গতকাল সেই গণভবণ থেকে ঠিক একইভাবে জণগণ তার শাড়ি লুট করে নিয়ে ছবি দিয়েছে। আমি অবাক হয়ে দেখেছি। ইতিহাস ফিরে আসে। সে আমাদের মনের মত নরম না। সে খুবি শক্ত।

সজীব ওয়াজেদ জয় মানসিকভাবে সুস্থ তো? আপনার কি মত?
সজীব ওয়াজেদ জয় মানসিকভাবে সুস্থ তো? আপনার কি মত?