বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ( অফিসিয়াল চ্যানেল )
Open in Telegram
News | Analysis সংবাদ | বিশ্লেষণ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন provides important news in brief. 'বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন' চ্যানেলে কোনও চ্যানেল, পেইজ,গ্রুপ বা কোনও পণ্য প্রমোট করার জন্য যোগাযোগ করুন: @Farhanmuhib777
Show more1 762
Subscribers
No data24 hours
-57 days
-2130 days
Posts Archive
যে ব্যক্তিটার বিরুদ্ধে এত বছর হাসিনা সবচেয়ে বেশি বিষেদগার করেছিল, যাকে পদ্মাসেতুতে চুবনি দিতে চেয়েছিল, সেই ড. ইউনুস এখন দেশের সরকারপ্রধান।
যে ব্যক্তিটার নাম হাসিনা মিডিয়াতে উচ্চারণ করা নিষিদ্ধ করে রেখেছিল, সেই তারেক রহমান এখন দেশে ফেরার প্রতীক্ষায়। তেমন কোনো অঘটন না ঘটলে সম্ভবত সে-ই হবে দেশের পরবর্তী নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।
যে দলটাকে হাসিনা নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছিল, দেশ ছেড়ে পালাতে না না পালাতেই সেই জামাতের আমির সেনাপ্রধানের আমন্ত্রণে বঙ্গভবনে গিয়ে উপস্থিত। তেমন কোনো অঘটন না ঘটলে জামাতই হবে আগামী নির্বাচনে প্রধান কিংমেকার। তারা আইদার প্রধান বিরোধীদল হবে, অথবা ক্ষমতার প্রধান শরিক হবে।
যে ব্যক্তিটাকে গত ১৫ বছর ধরে হাসিনা দেবতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলেছিল, তার সবগুলো মূর্তি ভাংগতে মানুষের সময় লেগেছে মাত্র কয়েক ঘণ্টা।
যে বানানো ইতিহাস হাসিনা জোর করে মানুষকে গেলাতে চেয়েছিল, এক সপ্তাহের মধ্যে সে ইতিহাস ১৮০ ডিগ্রী ইউ টার্ন নিয়েছে। মানুষ এখন খুঁড়ে খুঁড়ে অতীত অপকর্মের ইতিহাস বের করে আনছে।
সর্বোপরি, যে রাজাকার শব্দটা নিয়ে পলিটিক্স করে হাসিনা তার স্বৈরাচারিত্ব কায়েম করেছে, সেই রাজাকার শব্দের ব্যবহারই তার পতন ডেকে এনেছে।
এগুলো যদি ডিভাইন জাস্টিস না হয়, তাহলে ডিভাইন জাস্টিস কী?
ওয়া মাকারু ওয়া মাকারাল্লাহু, ওয়াল্লাহু খাইরুল মাকিরিন।
মোজাম্মেল হোসাইন তোহা
শামসুল আরেফিন শক্তি, আসিফ আদনান, আসিফ মাহতাব, আম্মারুল হক, ইরফান সাদিক এবং ওনাদের মতো যারা আছেন তারা যদি বাংলাদেশের সবগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ে সফর করে করে প্র্যাকটিসিং মুসলিম ভাইদের একটা কমন প্ল্যাটফর্ম (অরাজনৈতিক, দাওয়াহ কেন্দ্রীক) গঠন করেন – এটা হবে একটা দারুণ কাজ।
রাষ্ট্র,প্রতিষ্ঠান যেকোনও পর্যায়ে ইসলাম বিদ্বেষ প্রকাশ পেলে এই কমন প্ল্যাটফর্ম কেন্দ্রীয় ভাবে এর প্রতিবাদ করবে এবং প্রয়োজনে সরকারের (বা সংশ্লিষ্ট উপযুক্ত কতৃপক্ষ) সাথে আলোচনা করবে।
এটা করলে একটা দারুণ কাজ হবে।
এছাড়াও কেন্দ্রীয় ভাবে প্রতি বছর দাওয়াহ প্রোগ্রামের বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষিত হবে এবং দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্র্যাকটিসিং মুসলিম শিক্ষার্থীদের সবাই সেটা একযোগে করবে।
এভাবে এক যুগ কাজ করলে অনেক পরিবর্তন আসবে।
এই কমন প্ল্যাটফর্ম জেনারেল শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের সাথে সমন্বয় করে বিভিন্ন দ্বীনী প্রোগ্রাম আয়োজন করবে।
একই সাথে মাঝে মাঝে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সাথে সফরের (শিক্ষা সফর) আয়োজন করবে। এর মাধ্যমে মাদ্রাসা ও জেনারেল শিক্ষার্থীদের মাঝে চিন্তাগত যে পার্থক্য আছে সেটা দূর হবে এবং উভয় দিকের শিক্ষার্থীদের মাঝে নেটওয়ার্কিং হবে।
এছাড়াও যেহেতু আলিমদের সাথে সাধারণ শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ সহজ হবে তাই ইলম শেখা, দৈনন্দিন জীবনের আহকামগুলো জানা আরো সহজ হবে।
একই ভাবে আলিমদের মাঝেও দাওয়াহ দেওয়ার জন্য নতুন নতুন মানুষের কাছে যাওয়ার সুযোগ হবে।
মোটামোটি দশ থেকে পনেরো বছরের পরেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাই চলে যাবেন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে, কেউ হয়তো আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হবেন, কেউ হবেন শিল্পপতি, কেউ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক।
ভাবুন তো, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে থাকা মানুষের সাথে, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থার কর্তাদের সাথে, বিভিন্ন শিল্পপতির সাথে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে যদি আলিমদের সেই ছাত্রজীবন থেকেই সুসম্পর্ক থাকে তখন দেশের মাঝে আলিমদের সম্মান, কথার ওজন, অবস্থান কতো উপরে উঠে যাবে। ভাবুন একবার।
তখন চাইলেও কেউ পারবে না, হক কথা বলার জন্য ইমামকে চাকরিচ্যুত করতে। কারণ, ঐ কমন প্ল্যাটফর্মে ইমাম সাহেব সফর করেছিলেন হয়তো কোনও এক বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের সাথে যে কিনা প্রভাবশালী একজন শিল্পপতি কিংবা সচিব। ইমাম সাহেবের সৎ সাহস তখন এমনিতেই অনেক বেশি থাকবে।
প্রশাসন থেকে মিডিয়া পর্যন্ত তখন আমাদের অনেক ভাই/বোন কর্মরত থাকবেন।
চাইলেই কেউ সমকামিতা, লিঙ্গরূপান্তর মতবাদ দেশে বৈধ করতে পারবে না। চাইলেই কেউ দেশে জঙ্গি বলে কোনও নিরীহ মুসলিমকে আটক করতে পারবে না, চাইলেই কেউ হিজাবের জন্য কাউকে কটু কথা বলতে পারবে না।
ভাবুন তো কতো সুন্দর হবে সেই ভবিষ্যত?
এরজন্য দরকার একটা কমন প্ল্যাটফর্ম।
প্রসিদ্ধ দাঈ ভাইদের আন্তরিক উদ্যোগ গ্রহণ করার আহ্বান জানাই।
প্রতিটা পোস্টে আপনারা গঠনমূলক আলোচনা সমালোচনা করবেন আশা করি, আর দয়া করে কেউ গালি ইউজ করবেন না। আপনাদের জন্যই পোস্ট করা,
যখন কেউ ছিলনা তখন আমরা ছিলাম আপনাদের পাশে, কতশত হুমকি ধামকি খেয়েছি আমরা সেটা আমরা জানি এতো রিস্ক নিয়েও ছাত্রসমাজের পক্ষে ছিলাম।
তখনকার একটা পোস্ট কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল আপনারা জানেন এই একটা পোস্ট দেওয়ার সাহস ছিলনা সেলিব্রেটিদের।
এখন যদি আপনাদের মনে হয় আমাদের পাশে থাকবেন না তাহলে 🙂
মাস্টার্স পাস চেয়ারম্যান হইলেই যে একদম শত নিষ্ঠার সাথে কাজ করবে এমনটা ভাবলেন কিভাবে?
দেশের বেশিরভাগ চু*রি চা*মারি কলমের ঘোষ্ঠায় হয়।
শাহবাগী কারা?
যারা শেখ হাসিনার জুলুমের কথা জেনেও এই জন্য প্রতিবাদ করেনি যে - শেখ হাসিনা চলে গেলে মধ্যবিত্ত ধর্মপ্রাণ মুসলিম ছেলেটাকে তারা শিবির ট্যাগ লাগিয়ে জেলে ভরার স্বাদ পাবে না।
শাহবাগী কারা?
যারা শেখ হাসিনার জুলুমের কথা জেনেও এই জন্য প্রতিবাদ করেনি যে - শেখ হাসিনা চলে গেলে তাদের তথাকথিত সংস্কৃতি চর্চার নামে বৈদেশিক নষ্ট আদর্শ দেশে আমদানি প্রতিরোধিত হবে।
শাহবাগী কারা?
যারা শেখ হাসিনার জুলুমের কথা জেনেও এই জন্য প্রতিবাদ করেনি যে - শেখ হাসিনা চলে গেলে দেশের রক্ষণশীল সাংবাদিক সমাজ সত্য সংবাদ প্রচার করে কলিকাতার দাদাবাবুদের তৈরি সাংস্কৃতিক আধিপত্যের আয়নাঘর ভেঙে দিবে।
শাহবাগী কারা?
যারা শেখ হাসিনার জুলুমের কথা জেনেও এই জন্য প্রতিবাদ করেনি যে - শেখ হাসিনা চলে গেলে অমুক তমুক অনুষ্ঠানের নামে তাদের শিল্পগোষ্ঠীর অতিরিক্ত আয় কমে যাবে।
শাহবাগী কারা?
যারা শেখ হাসিনার জুলুমের কথা জেনেও এই জন্য প্রতিবাদ করেনি যে - শেখ হাসিনা চলে গেলে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রের সুবিধা ভোগ করতে শুরু করবে যা কিনা এলিট শ্রেণীর মানুষের মাঝে কুক্ষিগত ছিল।
জ্বী আপনার চারদিকে যে স্বাধীনতার বাতাস অনুভব করছেন, এই বাতাস এতদিন যারা আয়নাঘরে বন্ধ করে রেখেছিল তারাই শাহবাগী।
শাহবাগীদের উপর নিহত সন্তানের পিতার অভিশাপ, শাহবাগীদের উপর নিহত স্বামীর প্রিয়তমার অভিশাপ, শাহবাগীদের উপর নিহত পিতার এতীম কন্যার অভিশাপ।
এই আন্দোলনে বিএনপির ১১৭ জন আর জামাতের নিহত হয়েছে ৮৭ জন।
দলীয়ভাবে এদের লিস্ট করা হয়েছে, বাট এই লিস্টটা পাবলিক করা হয় নাই। কেন, জানেন? কারণ রাজনৈতিক দলগুলোও এই আন্দোলনের ক্রেডিট নিতে চাচ্ছে না।
বরং তারা চাইতেছে আন্দোলনটা রাজনৈতিক রূপ না পাক।
আন্দোলনের মাঝখানে একবার আপনারা বলেছিলেন যে আন্দোলনে যেন অমুক দল, তমুক দল যেন না আসে!!
অথচ এই আন্দোলনের শুরু থেকেই তারা ছিলো। আন্দোলনের প্রথম দিন শহীদ হওয়া চট্টগ্রামের ওয়াসিম ছিলেন যুবদলের পোস্টেড নেতা।
যাত্রাবাড়ীতে গুলি খাওয়া বেশিরভাগ লোকজনই ছিলো জামাত আর শিবিরের। এমনকি মুগ্ধর ফ্যামিলিও ইসলামি আন্দোলনের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো, যেইটা তারা প্রকাশ করে নাই।
আন্দোলনের মাঝখানে একজন আইনজীবী পুলিশের গাড়ি আটকে বলেছিলেন, আমাকে গ্রেফতার করে নিয়ে যান, তবুও ছাত্রদের ছেড়ে দেন।মনে আছে? উনার নাম মাহবুব উদ্দিন খোকন। আইনজীবীর বাইরেও উনার পরিচয় হলো বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা।
তো, এই আন্দোলনে আসলে সবারই অবদান আছে। অরাজনৈতিক ছাত্রদের যেমন আছে, রাজনৈতিক ছাত্রদের তেমন আছে। ইভেন বিএনপির শ্রমিক উইং, শ্রমিক দলের ১২ জন এই আন্দোলনে মারা গেছে, এইটা জানেন?
কাজেই, এই আন্দোলনে কাউকে বড় করতে যাইয়া কাউকে ছোট কইরেন না। এইটা এমন এক আন্দোলন, যেই আন্দোলন শাহবাগ আর শাপলা পর্যন্ত এক করে দিছিলো।
মজার ব্যাপার হলো, সব আন্দোলনের পর রাজনৈতিক দলগুলো এইসব তালিকা প্রকাশ করে আন্দোলনের ক্রেডিট নেওয়ার চেষ্টা করলেও বিএনপি বা জামাত কেউই সেই পথে হাঁটেনি।
এখন তারা দলীয়ভাবে গোপনে তালিকা করছে, কারণ ক্ষতিপূরণের একটা ব্যাপার আছে। সাধারণত এই দলগুলো শহীদ ফ্যামিলিকে আর্থিক সহযোগিতা দেয়।
বাট এই তালিকা কোন দলই প্রকাশ্যে আনে নাই। বরং এরা চাইতেছে, ইভেন এখনও তাদের অবদান উহ্য থাকুক, আন্দোলনের ফুল ক্রেডিট ছাত্রদের কাছেই থাকুক।
আন্দোলনের পরেই ছাত্রদের মনে আওয়ামীলীগ একটা জুজুর ভয় ঢুকাইয়া দিছিলো যে ঐ বিএনপি জামাত আসতেছে। আন্দোলন দখল করতে।
সেই আন্দোলন দখল না করে উল্টো নিজেদের অবদান গোপন করে এই দুই দল এখনও এই ছাত্র জনতার আন্দোলকে যে প্রোটেকশন দিলো, এর মাধ্যমে শুধু এরা বড় হলো না, বরং আওয়ামীলীগকে আরো একটা নৈতিক পরাজয়ের মুখে ফেলে দিলো!!
সাদিকুর রহমান খান
স্বাস্থ্য উপদেষ্টার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।🙂
বাংলাদেশ পাকিস্তান হয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে পাকিস্তানকে বাংলাদেশ বানিয়ে দেওয়া হচ্ছে! হে বটবৃক্ষ...
আলহামদুলিল্লাহ পাকিস্তান 🇵🇰
বিজয়ের দারপ্রান্তে
সবাই দোয়া করতে থাকুন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আবদুল বাচির আমাদের তোপের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন এবং পূর্বে কোরআন তেলাওয়াতে বাধা দেওয়ায় পদত্যাগ পরবর্তী
ওনার রুমেই কোরআন তেলাওয়াত করা হয়
২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে hsc24 ঢাকা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা
নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলায় হিন্দুদের মন্দিরে নাশকতা করতে গিয়ে নেপাল চন্দ্র ঘোষ (৩২) নামে সনাতন ধর্মের এক যুবক স্থানীয় হিন্দু-মুসলিম জনতার হাতে ধরা পড়েছেন।
উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের বাড়হা কালীবাড়ী রাধা গোবিন্দ মন্দিরে শনিবার রাতে নাশকতা করতে গেলে ধরা পড়েন তিনি।
ক্রিকেট বোর্ডে আশা করি সুবাতাস আসতে যাচ্ছে..
আসিফ এখন বিসিবিতে আছে, তামিম ইকবাল সাথে আছে।
দেশও জাতির চাওয়াই পূরণ হতে যাচ্ছে... একটু অপেক্ষা করুন,বিস্তারিত আসছে
@Daly24Update
#Daly24Update
সামিট গ্রুপের বিরুদ্ধে ভিডিও প্রতিবেদন তৈরি করায় ২০১২ সালে প্রাণ হারান সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি। খুনি ভাড়া করে ভিডিও ফাইল এবং ল্যাপটপ উদ্ধারের নামে টার্গেট কিলিংয়ের নেপথ্যে এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান এবং তার ভাই মাকসুদূর রহমান রঞ্জু।
বিস্তারিত কমেন্টে
+6
ভাত দে হারামজাদা, নইলে মানচিত্র খাবো।
-রফিকআজাদ(১৯৭৪)
সরকারঃ শেখ মুজিবের শাসনামল
১৯৭৪-এর দুর্ভিক্ষ বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালের মার্চে শুরু হয়ে সেই বছরেরই ডিসেম্বরের দিকে গিয়ে শেষ হয়। এই দুর্ভিক্ষে অসংখ্য মানুষ অনাহারে মারা গিয়েছিল। এই দুর্ভিক্ষকে স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে ভয়ানক হিসেবে গন্য করা হয়।
শুকনো মরিচ পাওয়া যেতো না । কাঁচা মরিচের কেজি ছিলো ১৫০ টাকা । লবন ১২০ টাকা । আর সোনার ভরি ছিলো তখন ১৫০ টাকা । সোনা শুধু ওই সময় কম দাম ছিলো । চারদিকে অভাব । সারাদেশের মানুষের হাহাকার । কতো মানুষ না খেয়ে মারা গেছেন ! বিদেশি রিলিফ সব আওয়ামী লীগের লোকেরা চুরি করেছে । আর বেশিরভাগ রিলিফ সীমান্ত দিয়ে ভারতে চলে পাচার হয়েছিলো ।
দুর্ভিক্ষের কারনে আনাহারে দুর্বলতা, রোগ-সংবেদী কারনে দুর্ভিক্ষ পরবর্তী মৃতের সংখ্যা প্রায় ৪,৫০,০০০।
আর আপনি মুজিবকে পীর মানেন?
ইতিহাস জানুন...।
Join Telegram
@Daly24Update
#Daly24Update
#DictatorMujib
#DictatorHasina
Today I came across one of the bravest boys in my life.This is ATIKUL in the picture. He got shot at Azampur Uttara on 5th August late afternoon. As a result he got his right hand amputated. But he was no shortage of life today.All the time he was laughing and telling to us~
"আংকেল লাগলে আবার যামু।দরকার হইলে আরেকটা হাত হারামু "
১ প্রজেক্ট থেকে ৫০০ কোটি ডলার!! জয় হাসিনা, জয় টিউলিপ, জয় শেখ মজিব😀
+1
“শহীদ আহনাফ”
স্বৈরাচার পতনের পর পুনরায় শুরু হলো একাদশ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা।
দেশের স্বার্থে তার এই আত্মত্যাগ ও তাকে স্মরণ করে বিএএফ শাহীন কলেজ, ঢাকা
