en
Feedback
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্

লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্

Open in Telegram

📈 Analytical overview of Telegram channel লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্

Channel লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্ (@laa_ilaha_illallahh) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 10 054 subscribers, ranking 9 065 in the Religion & Spirituality category and 2 324 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 10 054 subscribers.

According to the latest data from 08 September, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by -280 over the last 30 days and by -2 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 6.94%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 4.60% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 698 views. Within the first day, a publication typically gains 463 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 0.

📝 Description and content policy

Channel description not provided.

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 09 September, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.

10 054
Subscribers
-224 hours
-437 days
-28030 days
Posts Archive
নবী করীম ﷺ - এর চোখে নবী করীম ﷺ - এর চোখে ১২ প্রকার মানুষ সবচেয়ে সর্বোত্তম ! আসুন চেক করে দেখি আপনি আমি সেই লিস্টে আছি কি না? ​১. রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, خَيْرُكُمْ مَنْ تَعَلَّمَ الْقُرْآنَ وَعَلَّمَهُ ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যে নিজে কোরআন শেখে এবং অন্যকে শেখায়।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৫০২৭) ​২. রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, إِنَّ خِيَارَكُمْ أَحَاسِنُكُمْ أَخْلَاقًا ‘নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যে তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম আচরণের অধিকারী।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৬০৩৫) ​৩. রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, إِنَّ خِيَارَكُمْ أَحْسَنُكُمْ قَضَاءً ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যে ঋণ পরিশোধের বেলায় ভালো।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ২৩৩৫) ​৪. রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ঐ ব্যক্তি, যার কাছ থেকে সবাই কল্যাণ আশা করে, অনিষ্টের আশা করে না।’ (তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ২২৬৩/২৪০১) ​৫. রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ঐ ব্যক্তি, যে তার পরিবারের কাছে ভালো।’ (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস নম্বর : ৪১৭৭) ​৬. রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, خِيَارُكُمْ أَطْوَلُكُمْ أَعْمَارًا وَأَحْسَنُكُمْ أَعْمَالًا তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সেই, যে তোমাদের মধ্যে বয়সে বেশি এবং (নেক) কাজে উত্তম। (আহমাদ ৭২১২, ৯২৩৫, সিঃ সহীহাহ ১২৯৮) ​৭. রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, خَيْرُ النَّاسِ أَنْفَعُهُمْ لِلنَّاسِ সর্বোত্তম মানুষ সেই ব্যক্তি, যে মানুষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপকারী। (সহীহুল জামে’ হা/৩২৮৯, দরাকুতনী, সিঃ সহীহাহ ৪২৬) ​৮. রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, مَخْمُومُ الْقَلْبِ صَدُوقُ اللِّسَانِ قَالُوا صَدُوقُ اللِّسَانِ نَعْرِفُهُ فَمَا مَخْمُومُ الْقَلْبِ ‘শ্রেষ্ঠ মানুষ হলো যার অন্তর পরিচ্ছন্ন ও মুখ সত্যবাদী। সাহাবিরা জিজ্ঞেস করেন, হে আল্লাহর রাসূল! সত্যবাদী মুখ বোঝা গেল, কিন্তু পরিচ্ছন্ন অন্তরের অধিকারী কে? রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেন, যে অন্তর স্বচ্ছ ও নির্মল, মুত্তাকি, যাতে কোনো পাপ নেই, বাড়াবাড়ম্ব বা জুলুম নেই, নেই খেয়ানত ও বিদ্বেষ।’ (ইবনে মাজাহ ৪২১৬, সহীহুল জামে, হাদিস : ৩২৯১) ​৯. রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, خَيْرُ الْأَصْحَابِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِصَاحِبِهِ وَخَيْرُ الْجِيرَانِ عِنْدَ اللَّهِ خَيْرُهُمْ لِجَارِهِ ‘আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম সঙ্গী সে, যে তার সঙ্গীর কাছে উত্তম। আর আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম প্রতিবেশী সে, যে তার প্রতিবেশীর কাছে উত্তম।’ (তিরমিজি, হাদিস নম্বর : ১৯৮৪) ​১০. রাসূলুল্লাহ ﷺ ইরশাদ করেছেন, إِنَّ مِنْ خِيَارِكُمْ أَحْسَنَكُمْ أَخْلَاقًا ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি সে, যার চরিত্র সবচেয়ে বেশি সুন্দর।’ (বুখারি, হাদিস নম্বর : ৩৫৫৯) ​১১. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন خَيْرُ النَّاسِ مَنْزِلَةً رَجُلٌ عَلَى مَتْنِ فَرَسِهِ يُخِيفُ الْعَدُوَّ وَيُخِيفُونَهُ মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি সে, যে নিজ ঘোড়ার পিঠে সওয়ার হয়ে শত্রুকে সন্ত্ৰস্ত করে এবং শত্রুরাও তাকে সন্ত্ৰস্ত করে। (সহীহুল জামিউস সাগীর ৪২৭১, সিলসিলা সহীহা ৩৩৩৩) ​১২. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ لَمُؤْمِنٌ مُجَاهِدٌ بِنَفْسِهِ وَمَالِهِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ ঐ মু'মিন (শ্রেষ্ঠ) যে আল্লাহর পথে তার জান ও মাল দিয়ে যুদ্ধ করে। (বুখারী ২৭৮৬, ৬৪৯৪, মুসলিম ১৮৮৪-১৮৯৫)

গাইয়ুন!! আপনি কি জানেন গাইয়ুন কি? ইবনে মাসউদ রাঃ বলেছেন, গাইয়ুন হল জাহান্নামের অত্যন্ত গভীর, ভয়ংকর এবং জঘন্য উপত্যকার নাম। কেন এই উপত্যকা এত ভয়ংকর? এত জঘন্য? জাহান্নামে মানুষের আকার হবে অনেক বড়। বসা অবস্থায় এক জাহান্নামীর আকার হবে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার!! তার চামড়া এবং মাংস হবে অত্যন্ত পুরু। তার দেহে থাকবে অনেক মাংস। জাহান্নামের আগুনে এই মাংস পুড়ে যখন হাড় বেরিয়ে যাবে তখন তা আবার মাংস দিয়ে পূর্ণ করে দেওয়া হবে। দুনিয়াতে আমরা দেখছি মানুষ আগুনে পুড়ে গেলে সেখানে পুঁজ জমে। জাহান্নামের মানুষ বারবার আগুনে পুড়বে আর বারবার পুঁজ জমা হবে। সেই পুঁজ কোথায় গিয়ে জমা হবে জাহান্নামের গাইয়ুন উপত্যকায় । কারা থাকবে গাইয়ুনে? যারা সময় মতো, সঠিকভাবে, নিখুত ভাবে সালাত আদায় করেনি। সাকার !!! আপনি কি জানেন সাকার কি? সাকার হল জাহান্নামের আরেকটি জঘন্য উপত্যকার নাম। সাকার হলো তাদের অবস্থান যারা দুনিয়াতে সালাত আদায় করবে না। সাকারবাসীদের সম্পর্কে আল্লাহ সুবাহানুওতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, 'আমি দাখিল করব সাকারে। তুমি কি জানো সে সাকার কি? যা জীবিতও রাখবে না আবার একেবারে মৃত করেও ছাড়বে না। গায়ের চামড়া ঝলসিয়ে দেবে। সেখানে নিয়োজিত আছে ১৯ জন ভয়ংকর ফিরিসতা (সূরা মুদ্দাসসির : ২৬-৩০) ওয়াইল !!! আপনি কি জানেন ওয়াইল কি? ওয়াইল জাহান্নামের আরেকটি ভয়ানক উপত্যকা। 'অতএব ওয়াইল সেসব সালাত আদায়কারীর জন্য যারা তাদের সালাত সম্পর্কে বেখবর (সূরা মাউন : ০৪-০৫) সাহাবীদের মতে ওয়াইল এমন একটি জায়গা যেখানে জাহান্নামীদের সাপ আর জীবজন্তুরা খেয়ে ফেলবে। তারপর তাদের দেহ পূর্ব অবস্থায় ফিরে আসবে। পুনরায় সাপ আর জীবজন্তুরা তাদেরকে খেয়ে ফেলবে। পুনরায় দেহ ফিরে পাবে। এভাবেই চলতে থাকবে। ওয়াইল সম্পর্কে আল্লাহ সুবহানাওতায়ালা আরও বলেছেন, যখন তাদেরকে বলা হবে নত হও তখন তারা নত হয় না। সেদিন মিথ্যা আরোপকারীদের জন্য ওয়াইল হবে ঠিকানা (মুরসালাত : ৪৮-৪৯) আর যারা সালাত আদায় করে না, কারা হবে তার বন্ধু? 'আর কেয়ামতের দিন সে ফিরাউন, হামান, কারুণ আর উবাই ইবন খালফদের সঙ্গে থাকবে (ইবনে হিব্বান :১৪৬৭) ফেরাউন আর সহচর হামান আর কারুনকে তো অনেকেই জানেন। অনেকেই জানিনা উবাই ইবনে খালফ কে? এ ছিল এমন এক জঘন্য ব্যক্তি যাকে দয়ার নবী নিজেই হত্যা করেছেন। এই পাপাচারীকে ছাড়া নবীজি সারাজীবনে আর কাউকে নিজ হাতে হত্যা করেননি। গাইয়ুন, সাকার, ওয়াইল হবে বাসস্থান। বন্ধু হবে ফিরাউন, হামান, কারুন এবং উবাই ইবনু খালফ। এই হল নামাজ না পড়া বনাম নামাজ না পড়ার পরিণতির পার্থক্য। আল্লাহ আমাকে এবং আমাদেরকে এ আজাব থেকে হেফাজত করুন। আমরা অনেকেই ভাবি সব পাপ ছেড়ে বদলে গিয়ে নামাজ ধরবো। প্রিয় ভাই, আপনি যে অবস্থাই আছেন, যত পাপই করেন, নামাজ ছাড়বেন না। বদলে গিয়ে নামাজ ধরা হয় না, বরং নামাজই একদিন আপনাকে বদলে দিবে ইনশাআল্লাহ।

কিছু মুসলিম মে এখনো সতর্ক হবে না,,, হাই আফসোস, তারা আর কি দেখলে সতর্ক হবে,, যে মেয়েটি লা*. শ দেখতে পাচ্ছেন তার নাম সুলতানা পারভীন ..!! সুলতানা পারভিন — পূর্ব বর্ধমানের কুরমুনা চন্দনপুরের মেয়ে। মাত্র ৮ মাস আগে পরিবারের অমতে ভিন্ন ধর্মের প্রীতম নন্দীকে বিয়ে করেছিলেন। কয়েক মাসের মধ্যেই বুঝেছিলেন ভুলটা। ফিরে যেতে চেয়েছিলেন — মায়ের, বাবার, নিজের ঘরে। গত ২৭ জুন সুলতানা ফোন করে বলেছিলেন — 👉 “বাবা, আমাকে ফিরিয়ে নিয়ে চলো!” বাবা-মা যখন শ্বশুরবাড়ি গেলেন, ওরা তাদের মা রধর করল, গাড়ি ভেঙে দিল, তাড়িয়ে দিল। পরের দিন সুলতানার দেহ ঝু#লতে দেখা গেল — আত্ম. হ'ত্যা+ র নাম করে হ* ত্যার নোংরা নাটক! ❗ এটা নিছক খুন। ঠান্ডা মাথায়, নির্মম খু+ #ন। এখন ভাবুন — যদি ছেলেটা মুসলিম হতো, মেয়েটা হিন্দু — মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া, নিউজ চ্যানেল সব আগুন জ্বালিয়ে দিত। ব্রেকিং নিউজ চলত দিনরাত! পুরো মুসলিম সমাজকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হতো! কিন্তু এখন কোথায় তারা? এত চুপ কেন? যারা কথায় কথায় “ফ্রিজ, ফ্রিজ” বলেন — এবার কি বলবেন? একটা মেয়ের জীবন শে*. ষ করে দিলেন ! #bagwalovetrap #সবাই #followers কপি পোস্ট,,

ইলুমিনাতির 666 ___ এর আসল রহস্য! কত নিখুঁত ভাবে __ আমাদের মাইন্ডে শয়তানি গুলো বসিয়ে দিয়েছে।

"আল্লাহর কসম, এটি বুকের গভীরে আঘাত করার মতো এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য... দখলদারদের অন্ধকার কারাগারে বন্দি ৩ জন মুসলিম নারী... তাদের সামনে এসে দাঁড়াল সেই হিব্রু জাতীয় নিরাপত্তা জাদাল বেন গ্যভির... তারা তার মুখের ওপরই নিজেদের ওপর চলা অমানবিক নির্যাতনের নালিশ জানাচ্ছিল... একদম বাঁয়ে দাঁড়ানো নারীটি আমাদেরই অতি পরিচিত মুখ, বয়সের ভারে নুয়ে পড়া, ঠিক আমার বা আপনার মায়ের মতো... তবে তিনি নিশ্চুপ ছিলেন... গর্জে উঠেছিলেন মাঝখানের নারীটি... শত্রুর মুখে চাবুক মেরে তিনি এমন কিছু সত্য উচ্চারণ করেছেন, যা প্রতিটি মুসলিম ও আরবের গালে এক জোরদার থাপ্পড়! তিনি সেই নরপশুদের স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন যে, তাদের নরকযন্ত্রণা দেওয়া হচ্ছে... নূন্যতম বাথরুম ব্যবহারের অধিকারটুকুও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে, নারী হিসেবে তাদের প্রাকৃতি চাহিদার সম্মান জানানো তো দূরের কথা, পরনের পোশাকটুকু পরিবর্তনের সুযোগও দেওয়া হয় না! হে মুহাম্মাদের উম্মাহ, আর কত নিচে নামব আমরা? এটি কোন স্তরের চরম অপমান আর লাঞ্ছনা! আমাদের ঘরের নারীরা আজ শত্রুর সামনে দাঁড়িয়ে এমন করুণ আকুতি জানাচ্ছেন, যা দেখে পশুর বুকও কেঁপে ওঠার কথা... যেসব কথা কেবল নারীদের নিজেদের গোপন থাকার কথা ছিল, বাধ্য হয়ে আজ চরম উপায়হীনতায় তা শত্রুর সামনে বলতে হচ্ছে... আর ওই হিব্রু মন্ত্রী তার একদল ঘাতক বিশেষ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে এসে তাদের সামনে ক্ষমতার দম্ভ দেখাচ্ছিল, যেন ভয় দেখিয়ে তাদের মুখ খোলাতে পারে—অন্যথায় তাদের পিষে মারবে! সে পুরো দুনিয়ার সামনে আমাদের মা-বোনদের এভাবে অপমানিত করতে চেয়েছিল... চেয়েছিল তাদের পরিবারকে মানসিকভাবে গুঁড়িয়ে দিতে এবং পুরো উম্মাহর অহংকার ধূলিসাৎ করে দিতে! আর এজন্যই সে অসহায় নারীদের শিকার বানাল... এমন জঘন্য নীচতা কেবল এক চরম অপরাধীর পক্ষেই সম্ভব! কিন্তু সে খুব ভালো করেই জানে, তার চারপাশে ৪০ কোটি অপদার্থ আরব বসে আছে, যারা নিজেদের আত্মমর্যাদা বিক্রি করে দিয়ে আজ চরম বেহায়াপনায় মত্ত, যাদের নিজেদের ঘরের নারীদের সুরক্ষার কথা চিন্তাও আসে না! আর শুনবেন, তাদের আকুতির জবাবে সে কী বলেছিল? ওই নরপশু খিলখিল করে বলেছিল যে—এই নরকযন্ত্রণাই বহাল থাকবে, আর এই কারাগারে তাদের কপালে এর চেয়ে ভালো কিছু জুটবে না! চিন্তা করুন, কতটা জঘন্য ওদের পাশবিকতা! কিন্তু এই ট্র্যাজেডি এখানেই শেষ নয়... দখলদারদের বিষাক্ত অন্ধকার কুঠুরিতে আজও পচে মরছে ১০ হাজার বন্দি! শত শত, হাজার হাজার নারী শৌচাগার ব্যবহারের মতো মৌলিক অধিকারটুকু থেকেও বঞ্চিত! আমাদের কলিজার টুকরো মেয়ে, বোন আর মায়েরা—যাদের ওপর এই বেন গ্যভির আর তার পিশাচের দল প্রতিনিয়ত নির্যাতনের স্টিমরোলার চালাচ্ছে... হে মুহাম্মাদের উম্মাহ! এই কি ট্রাম্পের সেই তথাকথিত 'শান্তি'? এই কি সেই শত্রু, যাদের সাথে তোমরা লজ্জা-শরমে জলাঞ্জলি দিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক (নরম্যালাইজেশন) করছ? যাদের কাছ থেকে আমাদের ভাইদের রক্তে রাঙানো গ্যাস কিনছ, আর তাদের পেটে খাদ্য জোগাচ্ছ? যাদের হাত তোমরা সাহাস্যে মেলাচ্ছ আর একসাথে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করছ? চিনে রাখো, এটাই তোমাদের শত্রু! এটাই তাদের তথাকথিত 'শান্তি'! আর এগুলোই তাদের বানোয়াট কারাগার! আল্লাহর কসম! কোনো চরম অপদার্থ ও বেজন্ম ছাড়া কেউ এই দৃশ্য দেখে চুপ থাকতে পারে না! আল্লাহর কসম, হাজারবার কসম! এই নিপীড়িত, নির্যাতিত মা-বোনদের পাশে দাঁড়াতে যে পিছপা হয়, সে চরম অধম ও কাপুরুষ ছাড়া আর কিছুই নয়! হে আমার প্রতিপালক! আপনার চরম ক্ষমতার দোহাই লাগে,, আমাদের আয়ু অন্তত সেই পরম প্রতিশোধের দিনটি পর্যন্ত দীর্ঘায়িত করুন! সেদিন কোনো অনুনয়-বিনয়ে কান দেওয়া হবে না,, দয়ার কোনো স্থান হবে না;  প্রাণভিক্ষা চেয়ে জলদস্যুর মতো চিৎকার করলেও এক ফোটা পানি দেওয়া হবে না,, আর ক্ষুধার জ্বালায় ছটফট করলেও এক টুকরো রুটিও ছুঁড়ে দেওয়া হবে না... হে আল্লাহ, কবুল করুন!"

"আল্লাহর কসম, এটি বুকের গভীরে আঘাত করার মতো এক হৃদয়বিদারক দৃশ্য... দখলদারদের অন্ধকার কারাগারে বন্দি ৩ জন মুসলিম নারী... তাদের সামনে এসে দাঁড়াল সেই হিব্রু জাতীয় নিরাপত্তা জাদাল বেন গ্যভির... তারা তার মুখের ওপরই নিজেদের ওপর চলা অমানবিক নির্যাতনের নালিশ জানাচ্ছিল... একদম বাঁয়ে দাঁড়ানো নারীটি আমাদেরই অতি পরিচিত মুখ, বয়সের ভারে নুয়ে পড়া, ঠিক আমার বা আপনার মায়ের মতো... তবে তিনি নিশ্চুপ ছিলেন... গর্জে উঠেছিলেন মাঝখানের নারীটি... শত্রুর মুখে চাবুক মেরে তিনি এমন কিছু সত্য উচ্চারণ করেছেন, যা প্রতিটি মুসলিম ও আরবের গালে এক জোরদার থাপ্পড়! তিনি সেই নরপশুদের স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন যে, তাদের নরকযন্ত্রণা দেওয়া হচ্ছে... নূন্যতম বাথরুম ব্যবহারের অধিকারটুকুও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে, নারী হিসেবে তাদের প্রাকৃতি চাহিদার সম্মান জানানো তো দূরের কথা, পরনের পোশাকটুকু পরিবর্তনের সুযোগও দেওয়া হয় না! হে মুহাম্মাদের উম্মাহ, আর কত নিচে নামব আমরা? এটি কোন স্তরের চরম অপমান আর লাঞ্ছনা! আমাদের ঘরের নারীরা আজ শত্রুর সামনে দাঁড়িয়ে এমন করুণ আকুতি জানাচ্ছেন, যা দেখে পশুর বুকও কেঁপে ওঠার কথা... যেসব কথা কেবল নারীদের নিজেদের গোপন থাকার কথা ছিল, বাধ্য হয়ে আজ চরম উপায়হীনতায় তা শত্রুর সামনে বলতে হচ্ছে... আর ওই হিব্রু মন্ত্রী তার একদল ঘাতক বিশেষ বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে এসে তাদের সামনে ক্ষমতার দম্ভ দেখাচ্ছিল, যেন ভয় দেখিয়ে তাদের মুখ খোলাতে পারে—অন্যথায় তাদের পিষে মারবে! সে পুরো দুনিয়ার সামনে আমাদের মা-বোনদের এভাবে অপমানিত করতে চেয়েছিল... চেয়েছিল তাদের পরিবারকে মানসিকভাবে গুঁড়িয়ে দিতে এবং পুরো উম্মাহর অহংকার ধূলিসাৎ করে দিতে! আর এজন্যই সে অসহায় নারীদের শিকার বানাল... এমন জঘন্য নীচতা কেবল এক চরম অপরাধীর পক্ষেই সম্ভব! কিন্তু সে খুব ভালো করেই জানে, তার চারপাশে ৪০ কোটি অপদার্থ আরব বসে আছে, যারা নিজেদের আত্মমর্যাদা বিক্রি করে দিয়ে আজ চরম বেহায়াপনায় মত্ত, যাদের নিজেদের ঘরের নারীদের সুরক্ষার কথা চিন্তাও আসে না! আর শুনবেন, তাদের আকুতির জবাবে সে কী বলেছিল? ওই নরপশু খিলখিল করে বলেছিল যে—এই নরকযন্ত্রণাই বহাল থাকবে, আর এই কারাগারে তাদের কপালে এর চেয়ে ভালো কিছু জুটবে না! চিন্তা করুন, কতটা জঘন্য ওদের পাশবিকতা! কিন্তু এই ট্র্যাজেডি এখানেই শেষ নয়... দখলদারদের বিষাক্ত অন্ধকার কুঠুরিতে আজও পচে মরছে ১০ হাজার বন্দি! শত শত, হাজার হাজার নারী শৌচাগার ব্যবহারের মতো মৌলিক অধিকারটুকু থেকেও বঞ্চিত! আমাদের কলিজার টুকরো মেয়ে, বোন আর মায়েরা—যাদের ওপর এই বেন গ্যভির আর তার পিশাচের দল প্রতিনিয়ত নির্যাতনের স্টিমরোলার চালাচ্ছে... হে মুহাম্মাদের উম্মাহ! এই কি ট্রাম্পের সেই তথাকথিত 'শান্তি'? এই কি সেই শত্রু, যাদের সাথে তোমরা লজ্জা-শরমে জলাঞ্জলি দিয়ে সম্পর্ক স্বাভাবিক (নরম্যালাইজেশন) করছ? যাদের কাছ থেকে আমাদের ভাইদের রক্তে রাঙানো গ্যাস কিনছ, আর তাদের পেটে খাদ্য জোগাচ্ছ? যাদের হাত তোমরা সাহাস্যে মেলাচ্ছ আর একসাথে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান করছ? চিনে রাখো, এটাই তোমাদের শত্রু! এটাই তাদের তথাকথিত 'শান্তি'! আর এগুলোই তাদের বানোয়াট কারাগার! আল্লাহর কসম! কোনো চরম অপদার্থ ও বেজন্ম ছাড়া কেউ এই দৃশ্য দেখে চুপ থাকতে পারে না! আল্লাহর কসম, হাজারবার কসম! এই নিপীড়িত, নির্যাতিত মা-বোনদের পাশে দাঁড়াতে যে পিছপা হয়, সে চরম অধম ও কাপুরুষ ছাড়া আর কিছুই নয়! হে আমার প্রতিপালক! আপনার চরম ক্ষমতার দোহাই লাগে,, আমাদের আয়ু অন্তত সেই পরম প্রতিশোধের দিনটি পর্যন্ত দীর্ঘায়িত করুন! সেদিন কোনো অনুনয়-বিনয়ে কান দেওয়া হবে না,, দয়ার কোনো স্থান হবে না; প্রাণভিক্ষা চেয়ে জলদস্যুর মতো চিৎকার করলেও এক ফোটা পানি দেওয়া হবে না,, আর ক্ষুধার জ্বালায় ছটফট করলেও এক টুকরো রুটিও ছুঁড়ে দেওয়া হবে না... হে আল্লাহ, কবুল করুন!"

Ruhi Çenet-এর ই'হুদিদের ডকুমেন্টারি নিয়ে অজানা তথ্য দিলেন। Professor Mokhter Ahmed

এই দেশে জাতীয় সবকিছুই আছে, নাই শুধু জাতীয় ধর্ম, জাতীয় ধর্মের নামে আছে ধর্মীয় নিরপেক্ষতা, যেটা কুফুরি মতবাদ,,,,।

"মসীহ আসবেন" এই আশাকে ঘিরে কত প্রস্তুতি! বলছি পৃথিবীর অন্যতম ধর্মপ্রাণ সম্প্রদায় হাসিডিক জিউস দের কথা, যারা সংখ্যায় মাত্র কয়েক লাখ। তারা আধুনিক দুনিয়া থেকে সসম্পুর্ণ বিচ্ছিন্ন এক সম্প্রদায়, যাদের মগজে মননে শুধু জেরুজালেমই বিদ্যমান। তাদের সম্পর্কে কিছু তথ্য জানা প্রয়োজন। • এরা দিনের বেশিরভাগ সময় তাদের উপাসনালয় সিনাগগ এ কাটায়, যেখানে তারা তিনবার প্রার্থনা করে ও দৈনিক ১০ ঘন্টারও বেশি পড়াশোনা করে। এখানে দৈনিক ৫০০ এর আশেপাশে মানুষ থাকে। উৎসবের দিনগুলোতে সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যায়। তাদের বিশ্বাস মতে পৃথিবী এখন শেষ সময়ে এবং তাদের মসীহ শীঘ্রই আসবেন। তারা Holy Temple তৈরির প্রার্থনা করে যা হবে বর্তমান জেরুজালেমে, মসজিদুল আকসার স্থানে। এখানে তাদের Welcome MOSHIACH লেখা পতাকা নিয়ে ইবাদত করতে দেখা যায়। তাদের বেশিরভাগই ক্যারিয়ারের চিন্তা করে না। তাদের বিশ্বাস মতে ঈশ্বরই এর ব্যবস্থা করে দেবেন। • তারা স্মার্টফোন ব্যবহার করে না। কোশার ফোন নামক ফোন ব্যবহার করে, যেখানে শুধু কথাই বলা যায়। নিজেদের পারিবারিক স্মৃতি ধারণ করতেও ভিডিওর প্রচলন নেই। তাদের মতে ভিডিও আসক্তি তৈরি করে। তাদের মধ্যে একজনকে ইলন মাস্ক এবং ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে সে তাদের চিনে না বলে জবাব দেয়। যেহেতু মোবাইলের তেমন একটা ব্যবহার নেই, তাই রাস্তার ধারে পুলিশ বা ফায়ার সার্ভিস কল করার বাটন আছে। SMIRA নামক সংগঠন তাদের সিকিউরিটির কাজ করে। সন্দেহভাজন কাউকে তারা এরেস্ট করার ক্ষমতা রাখে। তাদের ধর্মীয় আদালত Beth Din, যার রায় অনেক ক্ষেত্রে আমেরিকান আইনেও স্বীকৃতি পায়। • তাদের নারীদের চুল খোলা রাখার অনুমতি নেই, এমনকি ঘরেও। স্বামী স্ত্রী মাসে অর্ধেকেরও বেশি সময় আলাদা থাকে। হায়েজের পর দুই সপ্তাহ নারীদের অপবিত্র ধরা হয়। এই সময় স্পর্শ দূরে থাক, সরাসরি কোন কিছু আদান প্রদানও নিষিদ্ধ। তাদের বংশ বৃদ্ধির হার প্রচুর। প্রতি বিশ বছরে তাদের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়। কেও বাচ্চা নিতে না চাইলে রেব্বির অনুমতির প্রয়োজন হয়। রেব্বি তাদের ধর্মীয় গুরু যার কথা কে স্রষ্টার কথা বলে বিবেচনা করা হয়। তাদের কোন পোস্টারে নারীদের ছবি নেই। মেয়ে পুতুলেরও অস্তিত্ব নেই। • স্রষ্টা ছয় দিনে মহাবিশ্ব সৃষ্টি করেছেন এবং বাকি একদিন বিশ্রাম করেছেন, এ বিশ্বাস থেকে তারা শনিবার কোন কাজ করে না। রান্না বান্না থেকে শুরু করে ঘরের বাতি জ্বালানোও না। তাদের জন্য স্পেশাল ল্যাম্প বানানো আছে যা প্রয়োজন শেষে বন্ধ না করে ঢেকে ফেলা যায়। ফ্রিজের লাইট কাস্টমাইজড করা। চুলাও অটোমেটিক। রান্নাঘরের প্রতিটা জিনিস দুটি করে। এমনকি ওভেন, চুলা, খাবার পাত্রও। একটা দুগ্ধজাত, অন্যটা আমিষজাত খাবারের জন্য। • তাদের দোকানগুলোতে বাইরের কোন খেলো তাহলে বিক্রি করে না। যা আছে তা তাদের নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করা। যেমন Holy Temple এর লেগো সেট। তাদের দোকানে বইগুলোর মধ্যে Escape From Iran, Saddam: Game Over টাইপের বই দেখতে পাওয়া যায়। • তাদের ঘরবাড়ি ধর্মীয় নীতি অনুসরণ করে বানানো। সব বারান্দার উপর বাধ্যতামূলক ছাদ খোলা। বছরে একদিন তারা খোলা ছাদের নিচে ঘুমায়। যা তাদের পূর্ব পুরুষের কথা মনে করিয়ে দেয়, যারা মিশর থেকে মরুভূমিতে যাওয়ার সময় খোলা আকাশের নিচে রাত্রি যাপন করেছিল। পৃথিবী ধীরে ধীরে এর অন্তিম পরিণতির দিকে আগাচ্ছে। প্রস্তুত হচ্ছে মিথ্যা মাসীহ দাজ্জাদের সৈন্যরাও। আমরা এ সম্পর্কে কতটুকু ওয়াকিবহাল! Source: Ruhi Cenet

উম্মাহর মুখপাত্র আবু উবাইদা.. হুযাইফা সামির আল-কাহলুত রহি. এমন এক মানুষের জীবনকথা, যার কথাগুলো সৃষ্টি করেছিল এক অবিস্মরণীয় উপস্থিতি জন্ম হুযাইফা সামির আল-কাহলুত ১৯৮৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবে একটি ফি/লি/স্তিনি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পরিবারের শিকড় ছিল অধিকৃত আসকালান জেলার নালিয়া গ্রামে। পরে পরিবারটি গাজ্জা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলের জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরে বসতি স্থাপন করে। কোরআন ও জ্ঞান ১৯৯৮ সালে তিনি গাজ্জায় চলে আসেন এবং কোরআন ও ধর্মীয় শিক্ষার পরিবেশে বেড়ে ওঠেন। জ্ঞান ও ঈমান তাঁর ব্যক্তিত্ব গঠনে গভীর প্রভাব ফেলে। ২০০২ সালে তিনি মাধ্যমিকের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করেন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা প্রথমে তিনি প্রকৌশল বিষয়ে পড়াশোনা করেন। পরে গাজার ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে উসুলুদ্দীন (ধর্মের মূলনীতি) বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করেন এবং স্নাতক পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন। ২০১৩ সালে তিনি ইসলামি আকিদা বিষয়ে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর গবেষণার বিষয় ছিল: ইসলাম, খ্রিস্টধর্ম ও ই*হুদি ধর্মের দৃষ্টিতে পবিত্র ভূমি। সূচনা — ২০০০ আল-আ*কসা ইন্তিফাদার শুরুতে তিনি জাতীয় ও ইসলামি কর্মকাণ্ডে যুক্ত হন। পরে কা/স/সাম ব্রিগেডের সঙ্গে যুক্ত হন। সেই সময়েই লেখালেখি, বক্তৃতা এবং বার্তা ও বক্তব্য রচনায় তাঁর প্রতিভা প্রকাশ পায়। পরিচিত মুখ হয়ে ওঠা ২০০৪ সালে তাঁর গণমাধ্যমে উপস্থিতি শুরু হয়। পরে তিনি কা/স/সাম ব্রিগেডের আনুষ্ঠানিক মুখপাত্রের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কয়েক বছরের মধ্যে তাঁর গণমাধ্যমে উপস্থিতি ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের একটি পরিচিত প্রতীকে পরিণত হয়। উল্লেখযোগ্য ঘটনা তাঁর নাম গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ঘোষণা ও বিবৃতির সঙ্গে যুক্ত ছিল। এর মধ্যে ২০০৬ সালের "الوهم المتبدد — আল-ওয়াহমুল মুতাবাদ্দিদ" অভিযানের ঘোষণা এবং এর পর ইস্রায়েলি সেনা গিলাদ শালিতকে বন্দি করার ঘোষণা উল্লেখযোগ্য। ২০০৮–২০১২: তিনি দুটি হ/ত্যাচেষ্টা থেকে বেঁচে যান। সামরিক গণমাধ্যমের নেতৃত্ব ২০১৭ সালে তিনি কা/সসা/ম ব্রিগেডের সামরিক গণমাধ্যমের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তী যুদ্ধগুলোতে তিনি গণমাধ্যমের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। বক্তব্যের ভাষা, শব্দচয়ন, বিবৃতি প্রকাশের সময় এবং জনগণের কাছে বার্তা পৌঁছানোর পদ্ধতিতে তিনি বিশেষ পরিচিতি লাভ করেন। তুফান আল-আকসা — শেষ উপস্থিতি ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে তিনি আবারও ব্যাপকভাবে গণমাধ্যমের সামনে আসেন এবং যুদ্ধ চলাকালে ধারাবাহিকভাবে বিবৃতি ও বক্তব্য দিতে থাকেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে বিভিন্ন সামরিক অভিযান ও ঘটনাবলি তুলে ধরেন এবং প্রতিরোধের বার্তা উপস্থাপন করেন। ব্যক্তিজীবন ২০০৬ সালে আবু উবাইদা বিয়ে করেন এবং তাঁদের চার সন্তান ছিল। তিনি তাঁর পরিবার, কোরআন, পড়াশোনা ও কবিতার প্রতি গভীর আগ্রহের জন্য পরিচিত ছিলেন। শাহাদাত ও উত্তরাধিকার ৩০ আগস্ট ২০২৫ সালে তিনি, তাঁর স্ত্রী এবং তাঁর কয়েকজন সন্তান শহীদ হন, মহান আল্লাহ্ তাঁদের জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করুন। এভাবে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে গণমাধ্যমে থাকা তাঁর যাত্রার সমাপ্তি ঘটে। তবে আবু উবাইদা নামটি বিশ্বের মুক্তিকামী মানুষের স্মৃতিতে থেকে যায়। সূত্রঃ মিলিটারি মিডিয়া হামাস

হু*জাইফা আল-কাহলুত—আবু উ*বায়দা—রহিমাহুল্লাহকে নিয়ে তাঁর বড় ভাই শাইখ সুহাইব আল-কাহলুতের একটি পডকাস্টের কথোপকথন। পডকাস্টে তিনি মুখোশধারী আবু উবায়দার ব্যক্তিজীবন, স্বভাব, স্মৃতিশক্তি, কুরআন হিফজ এবং তাঁর জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে কথা বলেছেন। সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশ তুলে ধরা হলো। সুহাইব আল-কাহলুত: “সে তার নির্ধারিত পরিণতির দিকে চলে গেছে—যে পরিণতির দিকে সে নিজেই এগিয়ে যাচ্ছিল। সে জানত, এটাই তার পরিণতি। সে জানত, জ্ঞান ও পতাকা বহনকারী প্রত্যেক স্বাধীন ও মর্যাদাবান মানুষের পরিণতি একদিন এই জায়গাতেই এসে পৌঁছাবে। ২০১৪ সালে সে একটি স্বপ্ন দেখেছিল—সে উড়ছে। সে নিজেকে বুরাকে আরোহণ করে ফিলিস্তিনের শহরগুলোর ওপর দিয়ে এবং মসজিদুল আকসার ওপর দিয়ে উড়ে যেতে দেখেছিল। আর সে দেখেছিল, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বলছেন, ‘আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করো।’ তার কাছ থেকে এই স্বপ্নের কথা বর্ণিত হয়েছে। তবে সে এ বিষয়ে খুব সামান্যই প্রকাশ করত…” উপস্থাপক: “সে এই স্বপ্নটি কার কাছে বলেছিল?” সুহাইব আল-কাহলুত: “আল্লাহই ভালো জানেন, কাকে বলেছিল—আমি জানি না। তবে ২০১৪ সালের যুদ্ধের পর, অথবা তার কিছু আগে, এই স্বপ্নের কথা আমার কাছে পৌঁছেছিল। সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে দেখেছিল এবং নিজেকে ঊর্ধ্বগামী হতে দেখেছিল। তখন আমি মনে মনে এর ব্যাখ্যা করেছিলাম—হয়তো এর অর্থ হলো তার পরিচিতি ও স্মরণীয়তা সর্বত্র ছড়িয়ে পড়বে, অথবা তার ক্ষেপণাস্ত্র ও বার্তা সমগ্র অধিকৃত ভূখণ্ডে পৌঁছে যাবে। আমি এভাবেই এর ব্যাখ্যা করেছিলাম। অতএব, সে তার পরিণতির দিকে এগিয়ে গেছে। সে এবং তার সহযোদ্ধারা জানতেন যে, এই পথের পরিণতি হলো আল্লাহর পথে শাহাদাত। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘মুমিনদের মধ্যে এমন কিছু লোক রয়েছে, যারা আল্লাহর সঙ্গে করা অঙ্গীকারে সত্যনিষ্ঠ ছিল। তাদের কেউ কেউ তাদের অঙ্গীকার পূর্ণ করেছে [মৃত্যুবরণ করেছে], আর কেউ কেউ অপেক্ষায় রয়েছে। তারা তাদের অঙ্গীকারে কোনো পরিবর্তন করেনি।’ —সূরা আল-আহযাব, ৩৩:২৩ এক যুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার সময় এক কবির বলা কিছু কবিতার কথা আমার মনে পড়ল। তিনি বলেছিলেন— **‘আমি আমার অশ্বারোহীদের এগিয়ে দিয়েছি এবং সতর্কতা উপেক্ষা করে সামনে অগ্রসর হয়েছি— যাতে আমি আমার কাঙ্ক্ষিত পরিণতি লাভ করি এবং আমার পরবর্তীদের মুক্ত করে যেতে পারি। হে আমার রব! যখন আমার মৃত্যুর সময় এসে যায়, তখন যেন তা কোনো আরামদায়ক শয্যা কিংবা কোমল বিছানায় না হয়; বরং এমন এক কঠিন যুদ্ধের ময়দানে হোক, যেখানে বিক্ষুব্ধ যোদ্ধারা লড়াই করে। তারা বিপদের সময় ধৈর্য ধারণ করে— অবশেষে যখন তারা তাদের দায়িত্ব শেষ করে, তখন তারা আল্লাহর সত্য প্রতিশ্রুতির দিকে এগিয়ে যায়।’** আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আরও বলেন: ‘আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে, তাদের কখনো মৃত মনে করো না। বরং তারা তাদের রবের কাছে জীবিত; তাদের রিজিক দেওয়া হয়। তারা আনন্দিত আল্লাহ তাদেরকে নিজ অনুগ্রহে যা দিয়েছেন তাতে।’ —সূরা আলে ইমরান, ৩:১৬৯–১৭০ আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা যখন বিজয়ের কথা বলেছেন—হ্যাঁ, বিজয় সুনিশ্চিত, আল-আকসার মুক্তি সুনিশ্চিত এবং মুসলমানদের বিজয় আসবেই... কিন্তু তুমি সেই বিজয় দেখবে কি না—সেটা মূল বিষয় নয়। তোমার দায়িত্ব হলো পতাকা বহন করে যাওয়া। আল্লাহ তাআলা বলেন: ‘এবং আরও একটি নেয়ামত, যা তোমরা ভালোবাসো—আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য এবং নিকটবর্তী বিজয়। আর মুমিনদের সুসংবাদ দাও।’ —সূরা আস-সফ, ৬১:১৩ সুতরাং বিজয় আসবেই। কিন্তু মহাসাফল্য সহজলভ্য নয়। মহাসাফল্য হলো জান্নাত।” উপস্থাপক: “আর বিজয়ের আনন্দও তো থাকবে…” সুহাইব আল-কাহলুত: “হ্যাঁ, বিজয়ের আনন্দ অবশ্যই থাকবে। এই দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী—একদিন তা শেষ হয়ে যাবে। আর আল্লাহর বিজয়ের প্রতিশ্রুতি অবশ্যই আসবে। কিন্তু যারা আমাদের আগে চলে গেছেন—যারা শহীদ হয়েছেন—তারা কি বিজয়ী হননি? অবশ্যই হয়েছেন। তারা সফল হয়েছেন এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে আমাদের আগেই এগিয়ে গেছেন।” এটি ছিল উম্মাহর আলোচিত এক মুখপাত্রকে ঘিরে তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে উঠে আসা কিছু স্মৃতিচারণ ও অজানা তথ্য। সত্যি বলতে ব্যক্তিগতভাবে, তাঁর জীবন ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে যত বেশি পড়ছি ও শুনছি, ততই তাঁর জীবনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানার আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। আল্লাহু সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আপনার উপর রহমত বর্ষণ করুন এবং আপনার পথে আমদের পরিচালিত করুন যে পতাকা আপনি বহন করেছিলেন তার ধারক হিসেবে আমাদের কবুল করুন। আমিন।

উত্তর গাজায় ৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে দখলদার বাহিনী...
উত্তর গাজায় ৩ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে দখলদার বাহিনী...

যখন মুসলিমরা রমাদানের শেষ ১০ দিনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, গাজা তখন আরো শহীদদের উৎসর্গ করছে। গতকাল গাজার আল-জাইতুন এরিয়ায় জনসমাগম লক্ষ্য করে ইসরায়েলি ড্রোন থেকে ফেলা বোমার বিস্ফোরণে হত্যার শিকার হন এক ফিলিস্তিনি।