en
Feedback
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ✊

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ✊

Open in Telegram
2 867
Subscribers
No data24 hours
-357 days
-23330 days
Posts Archive
এমন বিনয়ী, নিরহংকার এবং একইসাথে কোয়ালিফাইড উপাচার্যই শিক্ষার্থীরা চেয়েছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত ভিসি স্যার আজ বিকেলে হল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। হলের হাউজ টিউটর স্যাররা ভিসি স্যারকে বারবার প্রভোস্ট স্যারের চেয়ার এগিয়ে দিলেও স্যার তা প্রত্যাখ্যান করেন এবং বলেন, "যার চেয়ার সেখানে তিনিই বসবেন।" এটাই পরিবর্তন, আলহামদুলিল্লাহ। ক্যাপশন লিখেছেন এবি জোবায়ের। আর ভিডিওটি ধারণ করেছেন রেদোয়ান ইসলাম রানা।

গু'লি করে মেরে, প্রথমে পুলিশ ভ্যানে তুলে, তারপর  পুলিশ নিজেরাই  গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়" আশুলিয়া থানা

আওয়ামিলীগ কতো নৃশংস দেখেন!

শেখ হাসিনা বিরক্ত হয়ে ফোন রেখে দিলেন! জয় এমন কথা বলেছে শুনে শেখ রেহানা বললো, আপা তুমি পিছনে আছো! আমাদের কাছে এটা অতিত হলেও! জয়ের কাছে এটা বর্তমান! তাই ও কিছু জানে না! হঠাৎ হাসিনার মনে পড়লো, পলক এখনই মোবাইল নেট বন্ধ করবে! এটা হতে দেয়া যাবে না! মানুষ রেগে যাবে! কিন্তু ফোন দিতে বড্ড দেরি হয়ে গেলো! পলইক্যা দিছে নেট বন্ধ করে! আবার ফালতু একটা গল্পও বানাইছে! না কিছুই বদলানো যাচ্ছে না! এত এত অযোগ্য লোক চারপাশে! জামাত-শিবির ট্যাগ কোনো কাজ করছে না! জঙ্গী ট্যাগও ব্যর্থ! * * * শেখ হাসিনা মেট্রোরেল পরিদর্শন করতে এসেছেন! কাউয়া কাদের এই কাজ করিয়েছে! উফ! সব আগের মতোই হচ্ছে! তবে কী পরিণতি আগের মতোই হবে! ক্ষমতা কী চলে যাবে? ক্ষমতা হারানোর ভয়ে শেখ হাসিনার চোখে পানি চলে আসলো! সাংবাদিকরা সেই ছবি ও ভিডিও তুলে নিউজ করে দিলে, মেট্রোরেলের শোকে কাঁদছেন প্রধানমন্ত্রী! শেখ হাসিনা এবার ভয় পেয়ে গেলেন! তারপর আর কী। সব কিছু আগের মতোই হতে লাগলো! তাকে রেখেই কাউয়া কাদের পালিয়ে গেলো! শামীম ওসমান অন্য দেশে খেলতে চলে গেলো! বেঈমান সব! ৫ আগস্ট ২০২৪, সকাল ১০.৩০ তিন বাহিনীর প্রধান এসে বললেন, আমরা আপনাকে আর নিরাপত্তা দিতে পারবো না! আপনি পদত্যাগ করে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান! আমরা আপনাকে প্লেন সহায়তা দিবো! শেখ হাসিনা বললেন, আপনাদের প্লেন আমার লাগবে না! আমার কাছে টাইম মেশিন আছে! প্রধানরা বললেন, স্যার, এখন মিথ্যা বলার সময় না! আগে জীবন বাঁচান! তারপর তারা একরকম ধরে বেঁধে পদত্যাগ করিয়ে প্লেনে উঠিয়ে দিলো! সাথে শেখ রেহানাও এলো! শেখ হাসিনা টাইম মেশিনের জন্য অনেক কাঁদলো! ওই মেশিন থাকলে পিছনে যেয়ে আবার সব ঠিক করার চেষ্টা করা যেত! শেখ হাসিনা বুদ্ধি বের করলেন, ভারত গিয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে নিজের টাইম মেশিন নিতে আসবেন! কিন্তু বিকালে গণভবন লুট হয়ে যাওয়ায় টাইম মেশিনটাও হারিয়ে গেলো! ওটা আর খুঁজে পাওয়া গেলো না! * * * ৫ আগস্ট, ২০২৪। রাত ১১টা শেখ হাসিনা জয়কে ফোন দিয়ে কেন্দে দিয়ে বললেন, জয়রে তুই আবার একটা টাইম মেশিন আবিষ্কার কর! আমি পিছনে গিয়ে আবার সব ঠিক করে ফেলতে চাই! ফোনের ওপাশ থেকে জয় বিরক্ত গলায় বললো, এসব কী কও মা! আমি কী জীবনে কেনো কিছু আবিষ্কার করতে পারছি? আমি তো ফাউ ক্রেডিট নিতাম! শেখ হাসিনা ফোন রেখে বিরক্ত গলায় বললেন, অপদার্থ একটা! একদম বাবার মতোন হইছে! এটা শুনে পাশ থেকে রেহানা বললো, কেন আপা, সেদিন না তুমি বললা, ছেলে একদম তোমার মতোন হইছে!! শেখ হাসিনা রেহানার দিকে তাকিয়ে হিংস্র গলায় বললেন, তুই জামাত শিবির! তুই রাজাকার! ©Rohit Hasan Kislu #viralreelsfacebook #viralpost2024 #facebookviral #genZbd

শেখ হাসিনা রাতের খাবার খেতে বসেছেন। হঠাৎ তার ফোনটা বেজে উঠলো। শেখ হাসিনা মোবাইলের স্ক্রিনে তাকিয়ে দেখলেন, জয়ের নাম ভেসে উঠেছে। শেখ হাসিনা ফোন না ধরে খাওয়ায় মনোযোগ দিলেন। তিনি ফোন ধরছেন না দেখে পাশ থেকে শেখ রেহানা বললো, আপা ফোনটা ধরো! জরুরি কিছু মনে হয়! শেখ হাসিনা এক গ্লাস লবণ পানিতে শুকনা রুটি ভিজিয়ে খেতে খেতে বললো,ছাই জরুরি! মাসের প্রথম তো! টাকার দরকার মনে হয়! শেখ হাসিনা ফোন কেটে দিলেন। সাথে সাথেই আবার জয় ফোন করলো! এবার শেখ হাসিনা ফোন ধরেই একটু রাগের সাথে বললো, এই মাসে টাকা দিতে পারবো না! আজ আমার কিচ্ছু নাই! সব লুট হয়ে গেছে! ওপাশ থেকে জয়ের উত্তেজিত গলা শোনা গেল, মা মা আমি টাইম মেশিন আবিষ্কার করে ফেলেছি! শেখ হাসিনা অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে বললেন, আমার এখন সময় খারাপ যাচ্ছে! এখন নতুন ঘড়ি দিয়ে কী করবো! জয় আরও উত্তেজিত হয়ে বললো, আরে মা এই টাইম মেশিন মানে ঘড়ি না! এই টাইম মেশিন দিয়ে অতিতে ফিরে যাওয়া যায়! মানে!- খুশিতে শেখ হাসিনার চোখ ও ভ্রু কপালে উঠে গেলো! কী বলছিস তুই! সত্যি? তিন সত্যি মা! এখন কী করতে হবে বলতো! আমি তোমার কাছে টাইম মেশিনটা পাঠায় দিছি! কিছুক্ষণের মধ্যেই পৌঁছে যাবে! তারপর কী করবো? তুমি নানার কাছে গিয়ে পরামর্শ নিতে পারো! তোর নানার কাছে যাবো না! সে বাপ হয়ে আমাকে বলে কি না তুমি রিয়েলিটি মাইনে নাও! তাহলে কী করবা? আমি ওইদিনের সংবাদ সম্মেলনে যেতে চাই! এবার আর ভুল করেও রাজাকারের বাচ্চা বলবো না! মেধা খরচ করে সব কিছু সামাল দিবো! ঠিকাছে মা! টাইম মেশিন পেলে ফোন দিও! তোমাকে নিয়ম বলে দিবো! শেখা হাসিনা ফোন রেখে খুশিতে জিন্দেগী জিন্দেগী গানটা গাইতে শুরু করলেন! এই দুখের মাঝেও আপাকে এত খুশি হতে দেখে শেখ রেহানা বললেন, আপা তোমার হইছে কী? শেখ হাসিনা নাচতে নাচতে বললেন, আমার ছেলে জয় টাইম মেশিন আবিষ্কার করেছে! ওই টাইম মেশিন দিয়ে আমি আবার আমার ক্ষমতাকালে ফিরে যাবো! মেধা দিয়ে সব ঠিক করে ফেলবো! শেখ হাসিনার কথা শুনে শেখ রেহানা বললো, সত্যি আপা? জয় সত্যিই কিছু আবিষ্কার করেছে? শেখ হাসিনা একটু বিরক্ত হয়ে বললো, করবে না কেন! আমার ছেলে বলে কথা! একদম মায়ের মতোই মেধা পেয়েছে! ঠিক এমন সময় দরজায় ঠকঠক শব্দ। জয়ের বানানো টাইম মেশিন চলে এসেছে! * * * টাইম মেশিন চালু করা হয়েছে! ফোনে জয় সব শিখিয়ে দিচ্ছে! কিছুক্ষণের মধ্যে শেখ হাসিনা চলে এলো সেই দিনের সেই প্রেস কনফারেন্সে! চোখের সামনে এমন অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটে যাওয়ায় শেখ হাসিনার চোখ ও ভ্রু আবারও কপালে উঠে গেল! শেখ হাসিনা কোনমতে নিজেকে সামলে নিতেই দেখলেন প্রভাস আমিন উঠে দাঁড়িয়েছে! শেখ হাসিনা মনে মনে নিজেকে সামলে নিলেন! যত যাইহোক, আমি রাজাকার কথা মুখেই আনবো না! প্রভাস আমিন তেল ঢেলে চলেছেন! এক পর্যায়ে তেল খেতে খেতে শেখ হাসিনা সব ভুলে গেলো! সে বলে বসলো, কোটা মুক্তিযোদ্ধার নাতি-পুতিরা পাবে না তো কী রাজাকারের নাতি-পুতিরা পাবে? ব্যাস! এরপর যা হওয়ার তাই হলো! ফুঁসে উঠলো ছাত্র সমাজ! রাতের বেলা শেখ হাসিনাকে খুব বকলো শেখ রেহানা! আপা একই ভুল বার বার কী করে হয়? আমি স্যরি রে! তেল খেতে খেতে সব ভুলে গেছিলাম! এখন কী করবো রে? কী আর করবা? তোমার কাউয়া কাদেররে সামলাও! সে এখন ছাত্রলীগ লেলায় দিলে আরেক ঘটনা ঘটবে! শেখ হাসিনা কাউয়া কাদেরকে ফোন দিলো! কিন্তু ওই সময় কাউয়া কাদের জনৈক ছাত্রলীগ নেত্রী আতিকারে হাতে এবং কলমে রাজনীতি শেখাচ্ছিলো বলে আপার ফোনটা ধরলো না! রাজনীতির উত্তেজনায় সব উত্তাল হয়ে উঠেছে! এমন সময় ফোন ধরার কোনো মানেই হয় না! * * * পরদিন যা হওয়ার তাই হলো! কাউয়া কাদের দিলো ছাত্রলীগ লেলিয়ে! শুরু হলো চরম আন্দোলন! ওদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মুখ কালা কামাল দিলো পুলিশকে গুলির অর্ডার! লাশ পড়ে গেল আবু সাঈদের! সারাদেশের ছাত্র সমাজ ফুঁসে উঠলো। চারদিকে আন্দোলন শুরু হলো! শেখ হাসিনা কোনো তাল পাচ্ছেন না! শেখ রেহানা বুদ্ধি দিলো, আপা এবার জাতির উদ্দেশ্যে একটা ভাষণ দাও! শেখ হাসিনা, মনে মনে ভাবলেন, এবার কোনো ভাবেই আর কালো শাড়ি পরে যাবে না! কিন্তু দেখা গেলো, সেই কালো শাড়ি ছাড়া আর কোনো শাড়ি ধোয়া নেই! বাধ্য হয়ে কালো শাড়ি পরেই ভাষণ দিতে আসতে হলো! তবে এইবার খুব ভালো স্ক্রিপ্ট রাইটার কিছলুকে দিয়ে ভাষণ লিখিয়ে আনলো! সাথে আনলো রুমাল ভরে গ্লিসারিন! ভাষন শুরু করতেই শেখ হাসিনা স্ক্রিপ্ট ঝাপসা দেখতে লাগলেন! আমার আব্বা... দেশ স্বাধীন.. স্বজন হারানোর ব্যথা... জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু! ভাষণ শুনে জনতা আরও ফুঁসে উঠলো! রাতের বেলা শেখ রেহানা বললো, আপা তুমি আবার মারা খাইতে যাচ্ছো! আসলে তোমার স্বৈরাচারী মন ভালো কিছু হতে দিচ্ছে না! শেখ হাসিনা বুদ্ধির জন্য জয়কে ফোন দিলেন! জয় সব শুনে বললো, এসব কী বলছো মা? কীসের টাইম মেশিন? কীসের ফিরে যাওয়া! আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না! মা, সকাল সকাল তুমি কী রেড লেবেলের বোতলটা খুলছো? কয় পেগ মারছো?

রাষ্ট্রের পচন এমন লেভেলে চলে গিয়েছিলো যে, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব পর্যন্ত পালিয়ে গিয়েছে!

সম্প্রতি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে স্কুল-কলেজ লেভেলে উচ্চপদস্থ শিক্ষকদের পদত্যাগে বাধ্য করিয়ে টেনেহিঁচড়ে বের করে দেওয়ার ঘটনা চোখে পড়ল! এটা নিয়ে সমালোচনাই বেশি হচ্ছে লক্ষ্য করলাম। হবারই কথা। যে শিক্ষক বা ম্যাম এতদিন শিক্ষার্থীদের পড়িয়েছেন সেইসব শিক্ষার্থীদের থেকে এমন আচরণ পাওয়া অপ্রত্যাশিত। যা রীতিমতো বেয়াদবিও বটে। ভিডিওগুলোতে স্পষ্ট কিশোরগ্যাং কালচারের ব্যাপার ফুটে উঠেছে। এটা বন্ধ হওয়া দরকার। তবে, শিক্ষার্থীদের সমালোচনা করার পাশাপাশি আপনি যে বিষয়টি স্কিপ করেছেন সেটা হলো, গত ১৫ বছরে আওয়ামী তকমা নিয়ে অসংখ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবে বড় বড় পদ দখল করে নিয়েছিল স্থানীয় নেতাদের নিকটাত্মীয়রা। তাদের ব্যাপারে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অ্যাকশান নেওয়াটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তবে সেটা কিশোরগ্যাং কালচার স্টাইলে না হলে ভালো হতো।

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ বছরে ১,৪০০ কোটি টাকা আয়ের প্রাক্কলন, ছয় মাসে আয় হয়েছে ৩৭ কোটি
পদ্মা সেতু রেল সংযোগ বছরে ১,৪০০ কোটি টাকা আয়ের প্রাক্কলন, ছয় মাসে আয় হয়েছে ৩৭ কোটি

উপরটা দেখতে সালমান এফ রহমান মনে হলেও ভিতরে ভিতরে তিনি একজন হাউন আঙ্কেল! হাসিনার ত্রাণ তহবিলে ব্যাংকগুলো থেকে অর্থ সংগ্রহ করে
উপরটা দেখতে সালমান এফ রহমান মনে হলেও ভিতরে ভিতরে তিনি একজন হাউন আঙ্কেল! হাসিনার ত্রাণ তহবিলে ব্যাংকগুলো থেকে অর্থ সংগ্রহ করে দেয়ার কারণে নামে-বেনামে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়েছেন আলোচিত এ ব্যবসায়ী। অভিযোগ রয়েছে কিস্তি পরিশোধ ছাড়াই এসব ঋণ নবায়ন হয়ে যেত। গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী দুর্বার ছাত্র আন্দোলনের মুখে দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের পতনের কয়েক দিন আগেই নজরুল ইসলাম মজুমদার দেশের বাইরে সপরিবারে চলে গেছেন।

চিনতে পারছেন উনি কে? বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ধর্মীয় বিদ্যাপিঠ শ্রেষ্ঠ মানুষ গড়ার কারিগর, বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান তামি
চিনতে পারছেন উনি কে? বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ ধর্মীয় বিদ্যাপিঠ শ্রেষ্ঠ মানুষ গড়ার কারিগর, বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান তামিরুল মিল্লাত মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা জয়নাল আবদীন স্যার। আজ যখন গুটি কয়েকটা দলকানা কু'লা'ঙ্গা'র কে ছাত্র জনতা পদত্যাগ করিয়ে প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কলঙ্ক মুক্ত করছেন , তখন অনেকেই বিভিন্ন আকার ইঙ্গিতে আবেগ /সাফাই গাওয়ার চেষ্টা করছে । সেদিন খুব বেশি মানুষ প্রিন্সিপাল স্যারের পক্ষে প্রতিবাদ লেখনীর মাধ্যমে জানায়নি।। ছবিটি ১৫/০৮/২০১৮ ইং (পেছনে ফিরে দেখা)

দেশের তরে এভাবে সবাই আমরা এক হবো। যখন সবাইকে বলা হয়েছিল, কেউ ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠাবেন না, সবাই তা মেনেছিল। যা স্বৈরাচার
দেশের তরে এভাবে সবাই আমরা এক হবো। যখন সবাইকে বলা হয়েছিল, কেউ ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাঠাবেন না, সবাই তা মেনেছিল। যা স্বৈরাচার পতনে সহায়ক হয়েছিল। এখন দেশ গঠনে আবারও রেমিট্যান্স আসতে শুরু করেছে আলহামদুলিল্লাহ।

ভারত ও অপারেশন বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধে র-এর ভূমিকা আপনারা ভিডিওটি ডাউনলোড করে ফেসবুকে পোস্ট করে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে দিতে পারেন

মেজর বজলুল হুদার গলা কাটা সেই লাশ যেটা ফেসবুক ও ইউটিউবের কমিউনিটি গাইডলাইন এর কারনে মুল ভিডিওতে যুক্ত করতে পারিনি।