2 867
Subscribers
No data24 hours
-357 days
-23330 days
Posts Archive
Game name: Juta maro tale tale
Game link : https://taletale.despicableapp.com/
Open with chrome.
ইন্টারনেট বন্ধ করে বাড়িতে ঢুকে ঢুকে গনহত্যা চালায় পুলিশ ও আওয়ামিলীগ সমর্থক সন্ত্রাসীরা।
বাতাবি লেবুর বাম্বার ফলন বাদ দিয়ে বিটিভিতে এখন একশন মুভি! ভাবা যায়!
মুভির ট্রেলার তো না, যেনো আগুন 🔥
বিটিভিতে চোঁখ রাখুন......
২০০৮ সালে নবম সংসদ নির্বাচনের আগে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, শাজাহান খানের বার্ষিক আয় ছিল ৬ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। চলতি বছর ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে দেওয়া হলফনামায় তিনি আয় দেখিয়েছেন ২ কোটি ২১ লাখ টাকা। অর্থাৎ তার আয় বেড়ে প্রায় ৩২ গুণ হয়েছে।
* প্রতিদিন সড়ক থেকে ৫ কোটিরও বেশি টাকা তুলত এই মাফিয়া শাহজাহান।
রাজধানীর গুলশানে যুবদলের নামে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতা ধরা।
+3
পুলিশ সদস্যদের নাম: মোঃ বায়েজিদ বোস্তামি
পিতা মোঃ আব্দুল খালেক (পুলিশ সদস্য)
ঠিকানা: শিবেত্তর, ভোগডাঙ্গা,কুড়িগ্রাম সদর,কুড়িগ্রাম।
+1
লা'শে'র উপরে লা'শ রেখে পুড়িয়ে দেওয়া পুলিশ সদস্য।
ওরে যেখানেই দেখবেন মাম্মো বলার সুযোগ যেনো না পাই।
সারাদেশে এমন অপকর্ম কোথায় কোথায় সংঘটিত করেছিল খুনি হাসিনার সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী সেটা অতিদ্রুত উদঘাটন করা হোক। খুনি হাসিনা ও তার দোসরদের ক্ষমা নাই। ছাত্র-জনতার ওপর যে নির্মম গণহত্যা ও পৈশাচিকতা চালিয়েছে এরা সেই নির্মমতার বিচার চাই।
এই ভিডিওটি যিনি পাঠিয়েছেন তিনি দাবি করেছেন এভাবেই আগুন দিয়ে গুলিতে শাহাদৎবরণ করা ছাত্র-জনতার লাশগুলো বিভিন্ন জায়গায় পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।
সেই লাশগুলো যা করেছিল খুনি হাসিনার সন্ত্রাসী বাহিনী। কি নির্মমতা! কি পৈশাচিকতা!
প্রথমে নির্বিচারে পাখির মতো গুলি করে মারলো, তারপর মালামাল উঠানোর মতো করে খুবই নির্দয় ভাবে সেই লাশগুলো ভ্যানে তুলল আর তারপর লাশগুলো গায়েব করে দেওয়ার জন্য এভাবে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিল। এরপরও এরা মধ্যরাত অবধি ছাত্র-জনতার উপর গণহত্যা চালিয়েছিল। পরবর্তীতে বিক্ষুদ্ধ জনতার ধাওয়া খেয়ে সেদিন সাভার ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নিয়েছিল। অনেকে পরে আত্মগোপনে চলে গিয়েছিল।
#JulyMassacre
গত ০৫ আসস্টের পর থেকে আমরা বারবার চিরুনি অভিযানের দাবি জানানোটা অবশেষ সাফল্যের মুখ দেখলো। গণহত্যাকারী-খুনি, তাদের সহযোগী ও সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ধরতে এর বিকল্প নেই। দেশকে স্থিতিশীল করতে ও শান্তিশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়াটা অতীব জরুরি ছিল।
অবশেষে সেপ্টেম্বরেই অভিযানে নামছে যৌথবাহিনী। সকল আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সম্মিলিত একটি বিশেষ ইউনিটের মাধ্যমে পরিচালিত হবে এই অভিযান। আমরা এই অভিযানের সফলতা কামনা করছি। দেশবাসীকে তথ্য ও বিভিন্নভাবে পরামর্শ দিয়ে এই অভিযানে পূর্ণাঙ্গ সহযোগিতা করার আহবান জানাচ্ছি।
সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাসে মিটিং-মিছিল নিষিদ্ধ হলেও চলছে বহিরাগতদের বাইক শোডাউন।
আজ শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে জব্বারের মোড়ের দিকে বহিরাগতদের বাইকে করে একটি শোডাউন আসতে দেখা যায়। এসময় প্রায় শ’খানেক বাইক নিয়ে মহড়া দেয় বহিরাগতরা।
এরা কারা? ছাত্রলীগের প্রেতাত্মারা কি ক্যাম্পাসে আবারো অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে? শিক্ষার্থীরা কি বসে থাকবে?
যারা দেবদাসের পূজা করছে তাদেরকেই বহিস্কার করা হচ্ছে। কোনো শিক্ষককে নয়।
