Don't get caught by a cheater! Telemetrio finds and tags such channels 👉 If you want to see the tag, subscribe 👈
মিলনতত্ত্ব (SexEducation & Solution Centre)
মিলনতত্ত্ব (SexEducation & Solution Centre) ফেসবুক গ্রুপের Official টেলিগ্রাম গ্রুপ।
Show more📈 Analytical overview of Telegram channel মিলনতত্ত্ব (SexEducation & Solution Centre)
Channel মিলনতত্ত্ব (SexEducation & Solution Centre) (@milontottoofficial) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 12 982 subscribers, ranking 24 567 in the Erotic category and 1 800 in the Bangladesh region.
📊 Audience metrics and dynamics
Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 12 982 subscribers.
According to the latest data from 09 September, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by -142 over the last 30 days and by -4 over the last 24 hours, overall reach remains high.
- Verification status: Not verified
- Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 23.60%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 6.57% reactions from the total number of subscribers.
- Post reach: On average, each post receives 3 064 views. Within the first day, a publication typically gains 853 views.
- Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 32.
📝 Description and content policy
The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
“মিলনতত্ত্ব (SexEducation & Solution Centre) ফেসবুক গ্রুপের Official টেলিগ্রাম গ্রুপ।”
Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 10 September, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Erotic category.
Data loading in progress...
| Date | Subscriber Growth | Mentions | Channels | |
| 10 September | 0 | |||
| 09 September | 0 | |||
| 08 September | +1 | |||
| 07 September | 0 | |||
| 06 September | +4 | |||
| 05 September | 0 | |||
| 04 September | 0 | |||
| 03 September | +2 | |||
| 02 September | +3 | |||
| 01 September | 0 |
| 2 | যেসব স্বামী-স্ত্রীর মাঝে প্রায়ই ঝগড়া ও মনোমালিন্য দেখা যায়, তাদের জীবনধারা একটু বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তারা নিয়মিত সহবাস করেন না।
অথচ, বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত যে, সহবাসের সময় শরীর থেকে অক্সিটোসিনসহ বেশ কিছু হরমোন নিঃসৃত হয়, যা দেহ ও মনে স্বস্তি ও ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে। যখন এই শারীরিক সংযোগ অনিয়মিত বা অনুপস্থিত থাকে, তখন এক ধরণের অদৃশ্য বৈরিতা গড়ে ওঠে যা সময়ের সাথে ছোটখাটো বিষয়েও তীব্র ঝগড়ায় রূপ নেয়।
➤স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ককে স্বাভাবিক ও আনন্দময় রাখতে সপ্তাহে অন্তত ২ দিন সহবাস করাটা অত্যন্ত উপকারী। এর চেয়ে কম হলে, সম্পর্কের মাঝে এক ধরনের দূরত্ব তৈরি হয় এবং এক সময় তা অশান্তি ও অসন্তোষে রূপ নেয়।
বর্তমানে যেভাবে পরকীয়া, বিচ্ছেদ ও মানসিক অস্থিরতা বাড়ছে, তাতে স্বামী-স্ত্রীর একে অপরের প্রতি দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা ও শারীরিক ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখতে হবে।
প্রতিদিন শত শত সংসার ভেঙে যাচ্ছে শুধু মাত্র বোঝাপড়ার অভাবে। তাই দাম্পত্য সম্পর্কে যদি মনোমালিন্য তৈরি হয়, তবে তা দীর্ঘায়িত না করে যত দ্রুত সম্ভব সমাধানের চেষ্টা করুন। | 3 115 |
| 3 | বেবি হলে স্ট্রেস বাড়ে, ইন্টিমেসিতে দূরত্ব তৈরি হয়। ছেলেদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টাইমিং কমে যায়। সবকিছু মিলিয়ে মাত্র ২-৩ মাস ধরে পারফরম্যান্স ড্রপ, লিবিডো কমে যাওয়া, এটা কোনো সমস্যাই না। সমস্যা তখনই বলতে পারতেন যদি বিয়ের শুরু থেকেই হতো।
ছোট বাচ্চা থাকার কারণে ২ জনেরই ঘুমের অভাব হয়, মানসিক ও শারীরিক ক্লান্তি বাড়ে। পাশাপাশি পুরুষের যেহেতু টাইমিং কম হচ্ছে - ফলে সে লজ্জায় স্ত্রীর থেকে দূরে থাকার বাহানা খোজে।
এরকম অবস্থায় স্ত্রীর এর জন্য করণীয় হলো ঠান্ডা মাথায় বুঝিয়ে বলা। টাইমিং কমতেই পারে। মেয়েদেরও কত সমস্যা হয়, তখন যেভাবে পুরুষ ধৈর্য ধরে আপনিও ধৈর্য ধরবেন- উনার স্ট্রেস যেন না হয়। খোলামেলা আলাপ আলোচনা আরকি।
আমরা মিলনতত্ত্ব পেইজে + গ্ৰুপে মাঝে মাঝেই কিছু কৌশল, ট্রিকস শেয়ার করি, সেগুলো ফলো করতে বলবেন। পুষ্টিকর খাবার ,দেশি খাবার খেতে হবে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম, দুধ, কাঠবাদাম, খোরমা খেজুর, সবুজ শাকসবজি এবং প্রচুর পানি রাখা লাগবে। কেগেল এক্সারসাইজ করতে হবে ২ জনকেই।
টাইমিং কম হলে স্ত্রীর অর্গাজম হতে বাধাগ্রস্ত হয়। তাই স্ত্রীর অর্গাজম প্রয়োজন হলে ক্লিটোরিসে ফোরপ্লের সময় হাত দিয়ে রাব করতে বলবেন। টাইমিং কম হলেও তার নিড পুরন হয়ে যাবে।
বাচ্চার দায়িত্ব একা পালন না করে পরিবারের অন্য কারো সাহায্য নিবেন, যেন আপনি দিনে অন্তত কিছু সময় বিশ্রাম বা ঘুমানোর সুযোগ পান। বাচ্চা যেমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ আমাদের জীবনের জন্য, তেমনি আপনাদের সেক্সুয়াল লাইফ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। হেলা ফেলা করা যাবেনা।
শেষ কথা টাইমিং কম এটি কোনো সমস্যাই না৷ প্রচুর পরিমানে ইন্টিমেট হতে হবে। একবার ইজাকুলেশন হলে আবার শুরু করবেন। ২য়বার শেষ হলে আবার শুরু করবেন, ৩য়বার শেষ করে ইস্তফা দিবেন৷ যদি স্ট্রং না হয় প্রপার/ 2nd/ 3rd টাইম সেক্ষেত্রে ৬ মাস নিয়মিত কেগেল এক্সারসাইজ করবেন৷ ঠিক হয়ে যাবে৷
লেখক - ©মিলনতত্ত্ব (@Milontotto) | 6 669 |
| 4 | বেবি হলে স্ট্রেস বাড়ে, ইন্টিমেসিতে দূরত্ব তৈরি হয়। ছেলেদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টাইমিং কমে যায়। সবকিছু মিলিয়ে মাত্র ২-৩ মাস ধরে পারফরম্যান্স ড্রপ, লিবিডো কমে যাওয়া, এটা কোনো সমস্যাই না। সমস্যা তখনই বলতে পারতেন যদি বিয়ের শুরু থেকেই হতো।
ছোট বাচ্চা থাকার কারণে ২ জনেরই ঘুমের অভাব হয়, মানসিক ও শারীরিক ক্লান্তি বাড়ে। পাশাপাশি পুরুষের যেহেতু টাইমিং কম হচ্ছে - ফলে সে লজ্জায় স্ত্রীর থেকে দূরে থাকার বাহানা খোজে। | 5 587 |
| 5 | স্ত্রী উত্তেজিত হলে কিভাবে প্রকাশ করে?
বিয়ে হয়েছে বেশ অনেকদিন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমি কখনোই আমার স্ত্রীর যৌন উত্তেজনা বুঝতে পারি না। মিলনের সময়তেও সে চুপচাপ থাকে। সে যৌন মিলনে আনন্দ পাচ্ছে কিনা এটাও বোঝার উপায় নেই।
সে কখনো নিজে থেকে আমার কাছে আসে না, আমি আহবান করলে এক প্রকার অনিচ্ছা নিয়েই যেন আসে। কীভাবে বুঝব স্ত্রী যৌন উত্তেজিত কিনা? কিংবা কীভাবে বুঝব যৌন মিলনে সে আগ্রহী কিনা?
উত্তরঃ- নারীদের যৌন উত্তেজনার বেশ কিছু লক্ষণ আছে। একজন নারী যৌনতার আগ্রহে উত্তেজিত হলে তাঁর যোনি পিচ্ছিল হয়ে উঠবে, এটা মোটামুটি সকলেই জানেন। কিন্তু এর বাইরেও কিছু বাহ্যিক লক্ষণ আছে, যেগুলো দেখে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার স্ত্রী যৌন মিলনে আগ্রহী।
যেমন-
– নারীরা যৌন মিলনে আগ্রহী হলে তাঁদের ঠোঁট রক্তাভ হয়ে ওঠে। স্বাভাবিকের চাইতে অনেক বেশি লাল হয়ে যায় ঠোঁট।
– নারীদের গালেও লালিমা দেখা দেয় উত্তেজনায়। অনেকে একটু একটু ঘামেন, নিঃশ্বাস ভারী হয়ে আসে।
– যৌন উত্তেজিত হলে শরীর খুবই স্পর্শকাতর হয়ে ওঠে। আপনার সামান্য স্পর্শেই শিহরিত হয়ে উঠবেন তিনি।
– যতই লাজুক স্বভাবের নারী হোন না কেন, যৌন মিলনে আগ্রহী হলে তিনি নিজেই আপনার কাছে আসবেন। হয়তো সরাসরি কিছু না বললেও আপনার কাছে এসে বসবেন, আলতো স্পর্শ করবেন, চুমু খাবেন, চোখের ইশারায় কথা বলবেন।
– প্রবল উত্তেজনার সময় যৌন মিলন কালে তিনি আপনাকে আঁচড়ে কামড়ে দেবেন। হাতের নখ আপনার শরীরে গেঁথে বসতে পারে, গলায় কানে ইত্যাদি স্থানে তিনি কামড় দেবেন উত্তেজনায়।
– এছাড়াও মিলনের সময় শীৎকারে বুঝবেন যে তিনি আনন্দ পাচ্ছেন ও প্রবল ভাবে উত্তেজিত। অনেকেই জোরে আওয়াজ করেন না, কিন্তু একটা মৃদু “আহ উহ” আওয়াজ হবেই।
এবার আসি আপনার সমস্যার ব্যাপারে। যদি স্ত্রী আপনার সাথে যৌন মিলনে আগ্রহ না দেখান, তাহলে হতে পারে সেটা তাঁর লজ্জার কারণে।
বিষয়টি লজ্জার কারণে হলেও আপনি সেটা বুঝতে পারবেন। আপনি স্পর্শ করলে তিনি শিহরিত হবে, যোনি পিচ্ছিল হয়ে যৌন মিলনের জন্য প্রস্তুত হবে, তিনি আপনাকে বাঁধা দেবেন না মিলনের জন্য।
কিন্তু একটা জিনিস মনে রাখবেন, যৌন মিলনে আগ্রহ না দেখানো এবং অনীহা প্রকাশ করা, দুটি কিন্তু সম্পূর্ণ ভিন্ন ব্যাপার। তিনি যদি আগ্রহী না হন, তাহলে আপনাকে দূরে ঠেলবেন। তাহলে কখনোই সুখী হবেন না। সঙ্গী কে মিলনের জন্য প্রস্তুত করতে অনেকটা সময় লেগে যাবে।
মিলনের পর যত দ্রুত সম্ভব আপনার কাছ থেকে সরে যাবেন তিনি আর এই ব্যাপারে কোন কথাও বলবেন না। এবং নিজ হতে আপনাকে আদরও করবেন না তিনি। স্ত্রী আপনার, নিজেই বুঝে নিন কোনটা হচ্ছে আপনার ক্ষেত্রে।
-মিলনতত্ত্ব | 6 906 |
| 6 | স্ত্রী উত্তেজিত হলে কিভাবে প্রকাশ করে?
বিয়ে হয়েছে বেশ অনেকদিন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমি কখনোই আমার স্ত্রীর যৌন উত্তেজনা বুঝতে পারি না। মিলনের সময়তেও সে চুপচাপ থাকে। সে যৌন মিলনে আনন্দ পাচ্ছে কিনা এটাও বোঝার উপায় নেই।
সে কখনো নিজে থেকে আমার কাছে আসে না, আমি আহবান করলে এক প্রকার অনিচ্ছা নিয়েই যেন আসে। কীভাবে বুঝব স্ত্রী যৌন উত্তেজিত কিনা? কিংবা কীভাবে বুঝব যৌন মিলনে সে আগ্রহী কিনা? | 4 780 |
| 7 | আমার বড় বোন একটু সহজ সরল,, ও নিজেই এসব ফাঁদে পড়ে আড়াই লাখ টাকা খুইয়েছে। অনেক রাতে ফোন দিতো, বলতো আমি জিনের বাদশা,,আস্তে আস্তে বিশ্বাস অর্জন করে পরে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখিয়ে ধাপে ধাপে অনেক টাকা নিয়েছে,, ঐ শয়তান কাউকে বলতেও নিষেধ করতো, পরে আপুর কার্যক্রম দেখে বুঝে ফেলেছি তারপর ঐ পথ থেকে ফিরিয়ে এনেছি, নয়তো এতদিনে ওকে শেষই করে দিতো,,,
Comment - Happy Akter | 7 082 |
| 8 | আলম: ঠিক আছে, মা। যা যা বলছি, তা কিনে ফোন দিবেন। আমি সব সমস্যা সমাধান করে দিব একদিনেই ইনশাআল্লাহ। তবে খবরদার কাজ আদায় হওয়ার আগপর্যন্ত কাউকে জানাবেনা না। মা-বাবা কাউকে না। এতে কাজের চেয়ে ক্ষতি হবে বেশি। আপনি ভরসা রাখেন। আমরা আল্লাহর নামে কাজ করে দিব।
কবিরাজ-তান্ত্রিক সেজে একেকসময় একেক রূপে এভাবেই প্রথমে বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা করে তারা। ধীরে ধীরে তাদের উদ্দেশ্যের দিকে আগায়। কেউ স্বামী, কেউ প্রেমিককে কাছে টানতে, কেউ ফর্সা হতে, কেউ টাকাপয়সা পাওয়ার লোভে এমন পটাশ-চিনি দিয়ে হাত পুড়িয়ে ফেলছে। যারা বুঝতে পারে, তারা হয়তো দ্রুতই বেরিয়ে এসে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছে। আর যারা বোঝে না, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবার পরেও টাকা দিয়ে যায় ভালো হবার আশায়। আর এভাবেই সমস্যা সমাধানের শর্টকাট আশা দেখিয়ে এক শ্রেনীর লোক হাতিয়ে নিচ্ছে টাকাপয়সা। সেইসাথে নষ্ট করে দিচ্ছে ভুক্তভোগীর হাত। | 6 353 |
| 9 | হাত পুড়ে যাবার পর প্রথমে তারা জেলা হাসপাতালগুলোতে যায়। সেখান থেকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়। অনেকে সরাসরিই এখানে চলে আসে আগে। প্রথম যখন আসে, তখন ক্ষতস্থানটিকে ড্রেসিং করা হয়। ডিপ বার্নের ক্ষেত্রে প্রাথমিক অবস্থায় রক্তনালী ঠিক থাকে। কিন্তু দুয়েক দিন পর সেই রক্তনালীতে রক্ত জমাট হয়ে যায়। এজন্য কিছুদিন পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।
ফোর্থ ডিগ্রি বার্ন বা রক্তনালীসহ পুড়ে গেলে ওই স্থানই কেটে ফেলতে হয়। আর ডিপ বার্নের ক্ষেত্রে হাতটিকে 'অ্যাবডোমিনাল ফ্ল্যাপ' সার্জারি করা হয়। এটি হলো প্লাস্টিক সার্জারির একটি বিশেষ কৌশল। শরীরের অন্য কোনো অংশের (যেমন: হাত বা পায়ের) ত্বক বা টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত হলে, পেটের অংশ থেকে অক্ষত রক্ত সঞ্চালনসহ টিস্যু এনে ঐ স্থানে প্রতিস্থাপন করা হয়। এভাবে ২১ দিন রাখা হয়। এরপর চামড়া নতুন হলে অপারেশন করে আবার আঙ্গুলগুলো আলাদা করা হয়।
অপারেশনের পর ড্রেসিং তো আছেই। পুরো প্রক্রিয়ায় তিন থেকে ছয় মাস চলে যায়। এরপর শেষ এক দুই মাস চলে থেরাপি।
কিন্তু এত কিছুর পরও এই হাতগুলো কখনো স্বাভাবিক হয় না। শুধু কার্যকর বা ফাংশনাল পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়।
অল্পবয়সি, অসহায় মেয়েরাই ফাঁদে পা দিচ্ছে
কখনো হুজুর কখনো তান্ত্রিক কবিরাজ পরিচয়ে এই ফেসবুক পেজগুলো প্রতারণা করে যাচ্ছে। বিভিন্ন ফেসবুক পেজ তো আছেই, আবার ইউটিউবে সিনেমা নাটক দেখার সময় বিজ্ঞাপনেও এদের খোঁজ পাওয়া যায়।
রেহনুমা বলেন, 'এরা একেকজন একেক হুজুর, তান্ত্রিক কবিরাজের নাম বলছে। কিন্তু ঘটনা একই সবার। এরা কি কোনো চক্র যারা একসাথে কাজ করছে না কি জানি না। তবে এরা এই কমবয়সি বা অসহায় মেয়েদেরই টার্গেটে রাখছে। ভুক্তভোগীরাও বয়স কম, আবেগে বা ডিপ্রেশনে গিয়ে ভুলভাল করে ফেলে। সাধারণত নিম্ন মধ্যবিত্তের মানুষজনকেই দেখি এরকম ফাঁদে পা দিতে। একেবারে গরীব বা লেখাপড়া না জানা কাউকে দেখিনি।'
যেমন, তানিয়া ঢাকায় থাকেন একা। ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স মাস্টার্স পাশ করেছেন ঢাকার একটি কলেজ থেকেই। তিনিও এরকম প্রতারণার ভুক্তভোগী।
তানিয়া বলেন, 'আসলে ওই সময় আমরা এত বেশি হতাশা, কষ্ট, যন্ত্রণার মধ্যে থাকি, আমাদের মাথায় এই সাধারণ বিচারবোধ কাজ করে না যে কী করছি! এখন ভাবলে নিজের কাছেই নিজে ছোট হই যে কাকে বিশ্বাস করলাম।'
রুখসানা, ইশরাত, শ্রাবণী ও তানিয়ার মতো আরও কয়েকজনের সাথে কথা বলে টিবিএস। তাদের থেকে প্রতারণাকারী এসব পেজ ও ভন্ডদের মোবাইল নাম্বারও সংগ্রহ করা হয়। কিন্তু ঘটনার সত্যতা যাচাই করার জন্য প্রদত্ত নাম্বারগুলোতে যোগাযোগ করা হলে বেশিরভাগ নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। কেবল একটি নাম্বারে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়। নাম আলম হুজুর।
তার সাথে টিবিএসের কথোপকথন হুবহু তুলে ধরা হলো (কিছু বানোয়াট সমস্যা বলা হয় তাকে):
প্রশ্ন: আসসালামু আলাইকুম, আলম হুজুরের নম্বর এটা?
আলম: জি বলুন মা, কী সমস্যা?
প্রশ্ন: এখানে কি সব সমস্যার সমাধান হয়?
আলম: হ্যাঁ মা, মৃত ব্যক্তিকে জীবিত করা ছাড়া সব সমস্যাই সমাধান সম্ভব। আপনার কথা শুনে বুঝতে পারছি প্রেমিক বা স্বামীকে নিজের কাছে আনতে চাচ্ছেন। আপনি কি বিবাহিত?
প্রশ্ন: না আমি একজনকে পছন্দ করি।
আলম: বুঝতে পেরেছি। কিন্তু সে আপনাকে চায় না। তাই তো?
প্রশ্ন: হ্যাঁ।
আলম: সমস্যা নেই। একসাথে সংসার করবেন, বিয়ে করবেন, এটা তো সুন্দর চাওয়া। ইনশাআল্লাহ হবে, আপনার এই সমস্যা সমাধান করতে কেবল একদিন লাগবে। খালি আপনাকে কিছু কাজ করতে হবে। ভয় পাবেন না।
প্রশ্ন: কী কাজ? টাকা দিতে হবে অনেক?
আলম: না টাকা আগে দিতে হবেনা। আগে আপনি মা কাজটা দেখেন। এরপর বিশ্বাস করলে করবেন। শুধু আপনাকে তেরোটি মোমবাতি কিনতে হবে, তিনটি গোলাপফুল কিনতে হবে। ইমো বা হোয়াটসঅ্যাপে ফোন দিয়ে ভিডিওকলে থাকবেন, সব দেখবেন নিজের চোখেই। সাথে আপনার নাম, এক কপি ছবি আর ওই ছেলের নাম দিতে হবে। কাজ হওয়ার পর শুধু জিনকে খুশি করার জন্য এক মণ মিষ্টির টাকা পাঠাবেন আর আমার জন্য নামাজ পরে দোয়া করবেন আল্লাহর দরবারে।
প্রশ্ন: কিন্তু এত টাকা?
আলম হুজুর: সমস্যা নেই মা। যতটুকু পারবেন ততটুকু দিলেই হবে। জিনকে খুশি করা শুধু।
প্রশ্ন: আমার তো স্মার্টফোনও নেই। তাহলে কি আমার কাজ হবে না?
আলম: স্মার্টফোন না থাকলে তো ঝামেলা। নিজের চোখে না দেখলে তো আপনি প্রমাণ পাবেন না আমাদের কাজের। আমরা যে আসলেই কাজ সমাধান করি তা বুঝতে পারবেন না।
প্রশ্ন: এছাড়া আর কোনো উপায় নেই আমার সমস্যা সমাধানের?
আলম: তাহলে এক কাজ করতে হবে মা, কি আর করার। আপনি এভাবেই ফোন দিয়েন। আমি আপনাকে বলছি কী কী কিনতে হবে। পটাশ কিনবেন ছয় প্যাকেট আর মিষ্টি কিনবেন এক প্যাকেট। সাদা মিষ্টি। বেশি টাকা খরচও হবে না। আপনি কিনে এনে আমাকে কল দিবেন। আমি ফোনেই আপনাকে বলে দিব কী করতে হবে। এরমধ্যে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়বেন। নামাজ বাদ দেয়া যাবে না।
প্রশ্ন: জি, আচ্ছা। আপনাকে ফোন দিব। | 5 817 |
| 10 | জানতে পারেন, তারা বাসা থেকে বের হয়ে যাবার পর শ্রাবণী বের হয় দোকান থেকে পটাশ কিনতে। ভারতের এক ছেলের প্রতি দীর্ঘদিন ধরে শ্রাবণীর ভালো লাগা ছিল। এ নিয়ে অনেক পাগলামিই সে করেছে। এরমধ্যেই সে অনলাইনে পেয়েছে এক কবিরাজ-তান্ত্রিকের খোঁজ।
সেই তান্ত্রিকও একইভাবে শ্রাবণীকে বলেন পটাশ কিনে আনতে। সেদিন বাসা ফাঁকা পেয়ে সে-ও গিয়ে পটাশ কিনে আনে। এরপর তাকে যেভাবে বলা হয়, সেভাবেই ডান হাতে পটাশ-চিনি মিশিয়ে করে মুঠো করে শক্ত করে ধরে ছিল বুকের সাথে। আর এরপরই ঝলসে যায় হাতসহ বুকের চামড়া।
এরপর শ্রাবণীকেও বলা হয় মিষ্টির টাকা পাঠাতে। তবে তাকে বলা হয় কালী পূজার কথা। বলা হয়, মা কালীকে খুশি করতে তার জন্য পূজো দেয়া হবে। আর সে পূজার জন্য মিষ্টি কিনে দিলেই আপনাআপনি ঠিক হয়ে যাবে হাত।
কিন্তু ব্যাথায় কাতর শ্রাবণী হাত পুড়ে যাওয়ার সাথে সাথেই বাবা-মাকে ফোন দেয়। ফলে কোনো টাকা নিতে পারেনি শ্রাবণীর থেকে। কিন্তু এই ফাঁদে পড়ে কখনো ১০ হাজার, কখনো ৩০ হাজার কখনো বা বলা হয় ৭০ কেজি মিষ্টির টাকা পাঠিয়ে দিতে।
কেউ কেউ ব্যাথায় কাতর হয়ে হাত ঠিক হবে, এই আশায় টাকা পাঠিয়েও দেন। তাতেও যখন কাজ হয় না তখন খেয়াল হয়। আবার কেউ কেউ ভয় পেয়ে পরিবারকে না জানিয়ে ধাপে ধাপে টাকা পাঠাতেই থাকেন। এভাবে ১ লাখ টাকা গচ্চা গেছে এমন রোগীও পেয়েছেন তারা।
থেরাপিস্ট রেহনুমা জানান, 'একবার আমরা একজন পুরুষকে পেয়েছিলাম, মধ্যবয়সি ছিলেন। রাতারাতি ধনী হবার ইচ্ছে থেকে এই ফাঁদে পা দেন। সেই লোকের থেকে এক লাখ হাতিয়ে নিয়েছিল এ গোষ্ঠী। তবে এরা এক নাম্বার বেশিদিন ব্যবহার করে না। একবার ধরা খেলে ওই নাম্বার সম্ভবত বদলে ফেলে।'
ঘটনা ৩
৩৮ বছর বয়সি ইশরাত জাহান (ছদ্মনাম) থাকেন ঢাকার মতিঝিলে। স্বামীর সাথে সব ঝামেলা মিটমাট করার জন্যই দ্বারস্থ হন ফেসবুকের এক 'হুজুর'-এর কাছে।
ইশরাত হুজুরকে মেসেজ দিয়েছিলেন ডিসেম্বর মাসে। মেসেজের উত্তর আসে তার দু-মাস পর ফেব্রুয়ারিতে। তখন রমজান চলছে। ইশরাতকে বলা হলো নামাজের পরে কিছু সূরা নিয়মিত পড়তে। ইশরাত নিয়মিত তা করতেন। দশ-বারো দিন পর হুজুর জানান, অর্ধেক কাজ হয়ে গেছে। বাকি অর্ধেক এখনও বাকি। তার জন্য লাগবে মিষ্টি আর পটাশ। সাথে বিকাশে পাঠাতে হবে ১ হাজার ২০০ টাকা। পটাশ সম্পর্কে ইশরাতেরও কোনো ধারণা ছিল না। কিন্তু তাকে যেহেতু বলা হয়েছে, তাই সরল বিশ্বাসেই সবকিছু কিনে এনে একইভাবে আসনে বসেন। সাথে টাকাও বিকাশে পাঠিয়ে দেন।
ইশরাত বলেন, 'এরপর আমাকে বলা হয়, জিন আসবে রাত দুইটায় আর তাকে দিয়েই কাজ করানো হবে। আমি শুনে প্রথমে অবাক হই। কারণ জিন দিয়ে কাজ করাবে, এমন কিছু বলেনি তারা আমাকে। আমি ভেবেছি নামাজ, আল্লাহর কালাম ও সূরা দিয়েই কাজ করবে তারা। কিন্তু কাজ যেহেতু অনেকটাই শেষের দিকে, তাই শেষমেষ তারা যা বলে সে অনুযায়ী সব করতে থাকি। পটাশ আর মিষ্টির রস মিক্সড করতে বলে, তা-ই করি।'
আর এরপরই বিকট এক শব্দ হয়। হাতে শুরু হয় ভয়ংকর জ্বালাপোড়া। ইশরাতকেও বলা হয়, যত বেশি সময় ধরে রাখতে পারবে, তত দ্রুত কাজ হবে। প্রায় এক মিনিট ধরে থাকার পর ইশরাত একপর্যায় ব্যথায় অজ্ঞান হয়ে যান।
'জ্ঞান আসার পর তাকে জিজ্ঞেস করি কেন এমন হলো। আমাকে জানানো হয়, জিন আমার ওপর ভীষণ রাগ করেছে, তাই তাকে খুশি করতে মিষ্টি খাওয়াতে হবে। আমি যদি বিকাশে দুই মণ মিষ্টির টাকা পাঠাই তবে সমস্যা সমাধান হবে। কিন্তু সে আমাকে ডাক্তার দেখাতে নিষেধ করে। এতে নাকি আমার পুরো পরিবার বিপদে পড়বে। আর তখনই বুঝতে পারি এরা ভন্ড,' বলেন তিনি।
হাতগুলো কখনো স্বাভাবিক হয় না
আমাদের হাতের চামড়া অনেক পুরু। এর নিচেই থাকে চর্বির স্তর। এরপর থাকে মাংসপেশি, মাংশপেশির ভেতর দিয়ে যায় রক্তনালী। এরপরেই থাকে হাড়। ত্বকের আবার তিনটি স্তর আছে। সহজ করে বললে দুটো—এপিডার্মিস ও ডার্মিস। এপিডার্মিস পুড়ে গেলে সেটাকে বলা হয় 'সুপারফিশিয়াল বার্ন'। ডার্মিস স্তর পুড়ে গেলে বলা হয় 'ডিপ বার্ন'।
'ডিপ বার্ন'কে আবার চার ডিগ্রিতে ভাগ করা হয়। তৃতীয় ডিগ্রিতে ত্বকের উপরিভাগের দুটি স্তরই (এপিডার্মিস ও ডার্মিস) সম্পূর্ণরূপে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চামড়ার নিচে থাকা মাংসপেশি, রক্তনালী, স্নায়ু ইত্যাদিও আক্রান্ত হয়। যদি মাংসপেশিসহ হাড় পুরোটাই পুড়ে যায়, তবে সেটাকে বলে ফোর্থ ডিগ্রি। পটাশ চিনির ঘটনায় বেশিরভাগ সময় সেকেন্ড বা থার্ড ডিগ্রি পর্যন্ত থাকে। তবে ফোর্থ ডিগ্রি পর্যন্তও যেতে পারে।
'বার্ন যখন হাড়, রক্তনালীসহ পুড়িয়ে ফেলে তখন ওই জায়গাটি আর কোনো কাজে আসে না। জায়গাটি মরে যায়। পটাশ চিনি বার্নে যারা বেশি সময় ধরে রাখে, তাদের এমনটা হয়। যেহেতু প্রচণ্ড তাপ উৎপন্ন হয়, তাই ৩০ থেকে ৬০ সেকেন্ডের মধ্যে এই ডিপ বার্ন হয়ে যায়। ক্ষেত্র বিশেষে কখনো হাত কেটেও ফেলতে হয়,' বলেন শরীফুল।
তিনি আরও বলেন, 'এ কাজগুলো করা হয় সাধারণত গোপনে। আর যেহেতু এই অল্পবয়সি মেয়েরাই থাকে এই ভন্ডদের শিকার, তাই না বুঝে বা ভয় পেয়ে টাকাপয়সাও তারা পাঠিয়ে দেয়। কেউ কেউ তো হাত পুড়ে গেলে পরিবারকে জানানও না। যখন আর পারে না, তখন পরিবারকে জানায়।' | 3 193 |
| 11 | ভুক্তভোগীরা আসছেন দেশের একেক প্রান্ত থেকে। তাদের সাথে কখনো থাকে স্বামী, কখনো বাবা-মা। অনেক সময় সঙ্গে আসা ব্যক্তিরাও জানেন না কীভাবে ঘটনা ঘটল। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হাত পোড়ার পেছনে ভাতের মাড় গালতে দিয়ে, গরম ডাল হাতে পড়ে, গরম পানি পড়ার মতো কারণ দেখানো হয়।
কিন্তু ডা. শরীফুল বলেন, 'আমরা তো দেখলেই বুঝি পোড়াটা কোন ধরনের। সাধারণ গরম পানি বা ঘরের কাজ করতে গিয়ে পুড়লে সেখানে ফোসকা পড়ে। ডিপ বার্নে ফোসকা পড়ে না। কিন্তু এখানে ক্ষতের স্থান নির্দিষ্ট এবং ডিপ বার্ন। সুতরাং তারা যে কিছু লুকাতে চাচ্ছে, এটিও বুঝি।'
একপর্যায়ে ডা. শরীফুল ও থেরাপিস্ট রেহনুমাসহ বাকিরা রোগীদের সাথে কথা বলে আসল ঘটনা জানার চেষ্টা করেন। যেহেতু বেশিরভাগ রোগী কিশোরী বা যুবতী, তাই তাদেরকে আলাদা রেখে গোপনে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। আবার যারা বিবাহিত, তাদের স্বামীকে জানানো হবে না—এই শর্তে কথা বলতে রাজি হয়। আর এভাবেই রোগীদের মুখ থেকে বেরিয়ে আসে রোমহর্ষক সব কাহিনি।
ঘটনা-১
কুমিল্লার মেয়ে রুখসানা আখতার (২৮) পড়ালেখা করেছেন উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত। এরপরই বিয়ে হয়ে যায়। দুই বছর আগে রুখসানার বিবাহবিচ্ছেদ হলে সব এলোমেলো হয়ে যায়। বিচ্ছেদের পর বড় সন্তানটিকে নিয়ে যাওয়া হয় তার কাছ থেকে। ছোটো সন্তান থাকে রুখসানার কাছেই।
কিন্তু রুখসানা তার দুই মেয়েকেই নিজের কাছে বড় করতে চান। বড় মেয়েকে কাছে আনতে গত দেড় বছর ধরে তিনি আত্মীয়-প্রতিবেশী, অনেকের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। প্রথমে কোর্ট-কাচারি, এরপর সামাজিক যত উপায় আছে সবকিছুই চেষ্টা করেছেন। কিন্তু লাভ হয়নি।
স্বামীর বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার পর থেকে তিনি মায়ের বাড়িতেই থাকছেন। সারাদিন দরজা আটকে থাকতে থাকতে রুখসানাও ধীরে ধীরে পড়ে যান একাকিত্ব এবং হতাশায়। দেখা দেয় ইনসমনিয়া। একদিন ফোনে এক হুজুরের খোঁজ পান। সামাজিক, আইনত আর কোনোভাবেই যখন নিজের মেয়েটিকে কাছে পাচ্ছিলেন না, তখন শেষ ভরসা হয়ে দাঁড়ায় ওই হুজুর। মেসেঞ্জারে সবকিছু খুলে বলেন রুখসানা। উত্তর আসে: 'দশ মিনিটেই এর সমাধান সম্ভব। আগে কাজ হবে এরপর দরকার হলে টাকা দিবেন।''
এই কথা শুনে রুখসানা আশ্বস্ত হন। মনে যে ভয় ছিল অপরিচিত হুজুরের কাছে সাহায্য চাওয়া নিয়ে, সেটাও কেটে গেল। এরপর তাকে বলা হয় ফার্মেসী থেকে পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট কিনে আনতে (চিকিৎসাবিজ্ঞানে পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট ব্যবহৃত হয় অ্যান্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল উপাদান হিসেবে। সাধারণত প্রাথকমিকভাবে ক্ষত পরিষ্কার ও ত্বককে জীবাণুমুক্ত রাখতে ফার্মেসিগুলোতে পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট বিক্রি হয়)।
পটাশ কী, না জানলেও হুজুরের পাঠানো ছবি ও নির্দেশনা মোতাবেক কয়েক প্যাকেট পটাশ কিনে নিয়ে আসেন রুখসানা। পটাশের সাথে চিনিও রাখতে বলা হয় তাকে। রাত আড়াইটায় কাজ শুরু হবে। রুখসানাও তাই কথামতো পটাশের প্যাকেট, চিনি ও জায়নামাজ নিয়ে বসেন। সময়মতো এল ভিডিওকল। তাকে বলা হলো, মুখ দেখাতে হবে না। শুধু হাতের তালু্র দিকে ক্যামেরা ধরে রাখতে। এ কথা শুনে রুখসানার আস্থা বেড়ে যায় আরও।
রুখসানা বলেন, 'একপর্যায়ে সে আমাকে ওই পটাশের সাথে চিনি তালুতে নিয়ে একসাথে মিশিয়ে হাত মুঠো করে চেপে ধরতে বললো। আমিও ধরে থাকলাম। কয়েক সেকেন্ডের মাথায় আমার হাতে ভীষণ জ্বালাপোড়া করতে শুরু করলো। তখন সে বলে, "শক্ত করে ধরে থাকুন মা। এখনই কাজ হচ্ছে। হাত ছেড়ে দিলেই বিপদ! ভয়ঙ্কর বিপদ নেমে আসবে আপনার ওপর। এমনকি আপনার মা মারাও যেতে পারে।'" ওদিকে জ্বালাপোড়া বাড়ছেই। তবু ধরে ছিলাম হাত মুঠো করে। একপর্যায়ে আর পারছিলাম না, হাত ছেড়ে দিই।'
পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট (KMnO4) অত্যন্ত শক্তিশালী জারক পদার্থ। আর চিনি হলো বিজারক। চিনি ও পটাশের মিশ্রণে তাই একটি তীব্র জারণ-বিজারণ রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটে। যখন শুষ্ক পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেটের গুঁড়োর সাথে চিনি মেশানো হয় এবং তাতে সামান্য চাপ বা ঘর্ষণ দেওয়া হয়, তখন স্বতঃস্ফূর্তভাবে তীব্র আগুন ও ধোঁয়া সৃষ্টি হয়। রুখসানার বেলায় ঠিক তা-ই ঘটেছে।
আর মূল নাটক এখান থেকেই শুরু। হাতের এই অবস্থা কী করলে ভালো হবে, জিজ্ঞেস করামাত্রই শুরু হয় টাকা চাওয়া। টাকা না দিলে হাতের আরও বড় ক্ষতি হবে, এসব ভয় দেখানো শুরু করে। রুখসানা ঠিকই তখনই বুঝতে পারেন কী ভুল তিনি করেছেন। কিন্তু পরিবারের কাউকে নিজের বোকামির কথা বলার সাহস করতে পারছিলেন না। কিন্তু রাত পোহাতেই তালুর ভেতরের মাংস ফুলে ওঠে তার। এরপর অগত্যা মাকে নিয়ে ছুটতে হয় হাসপাতালে।
ঘটনা ২
মেয়ে শ্রাবণী মজুমদারকে রেখে বাবা-মা দুজনেই বেরিয়েছিলেন ডাক্তার দেখাতে। মেয়েকে যেন চুলোর কাছে যেতে না হয়, তাই কিছু টাকাও রেখে গেছেন খাবার অর্ডারের জন্য। ডাক্তার দেখানোর মাঝেই মেয়ে শ্রাবণী ফোন দিয়ে শুরু করে দিল কান্নকাটি। তার হাত পুড়ে গেছে। বাবা-মা জলদি বাসায় ফিরে এসে দেখেন, মেয়ের বুকসহ ডান হাতের তালু পুড়ে চামড়া উঠে আছে। | 3 833 |
| 12 | No text... | 4 095 |
| 13 | সেফ পিরিয়ড মেথড সবার জন্য ১০০ % সেফ নয়। আমি শুরু থেকেই বলে আসছি, এটা রিস্কি একটা পদ্ধতি।
সহবাসের পর স্পার্ম বা শুক্রাণু নারীর জরায়ুর ভেতর পাঁচ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে। স্পার্ম জরায়ুতে সাধারণত তিন দিনের বেশি টেকে না। ওই তিন দিনের যেকোনো এক দিন যদি ডিম্বাশয় ডিম্বাণু উৎপন্ন করে, সেই ডিম্বাণু ডিম্বনালির ভেতর দিয়ে জরায়ুতে পৌঁছে শুক্রাণু দ্বারা নিষিক্ত হয়। তখন এই নারী গর্ভবতী হয়। এখন প্রশ্ন হলো, কখন ডিম্বাশয় ডিম্বাণু উৎপাদন করে।
সাধারণত দুবার পিরিয়ডের মাঝামাঝি সময়ে ডিম্বাণু পূর্ণাঙ্গ হয়। সাধারণভাবে পিরিয়ড শুরুর ১৪তম দিনে বা এর আশপাশের সময়ে ডিম্বাশয় ডিম্বাণু উৎপাদন করে। পূর্ণাঙ্গ ডিম্বাণু জরায়ুতে ১২ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত কার্যকর থাকে। তাই সেই সময়টা গর্ভধারণের জন্য সবচেয়ে উর্বর। সাধারণভাবে ধরা হয়, পিরিয়ডের শুরুর দিন থেকে ধরলে ৯ থেকে ১৯তম দিনের মাঝে, অর্থাৎ এই ১০ দিনের যেকোনো দিন জরায়ুতে শুক্রাণু থাকলে নিষিক্ত হতে পারে।
তবে কি এই ১০ দিন বাদে অন্য সময় যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা নিরাপদ?
উত্তর হলো, না, নিরাপদ নয়। তবে অন্য দিনগুলোতে কোনো সুরক্ষাব্যবস্থা ছাড়া সহবাস করলে গর্ভবতী হয়ে পড়ার সম্ভাবনা কম। তবে পুরোপুরি নিরাপদ, এটা বলা যাবে না। কেননা, ডিম্বাশয় যে ৯ থেকে ১৯তম দিনের মাঝেই ডিম্বাণু উৎপাদন করবে, এমন কোনো কথা নেই। এটা নানা কারণে এগোতে বা পেছাতে পারে। ধরুন আপনি পিরিয়ডের শেষ দিকে সহবাস করেছেন, আর সেই মাসে ডিম্বাশয় আগে আগেই ডিম্বাণু উৎপাদন করেছে।
আর শুক্রাণু তো পাঁচ দিন পর্যন্ত থাকেই। সে ক্ষেত্রে নিষিক্ত হওয়ার একটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। টেনশন বা দুশ্চিন্তা, ডায়েট, ভারী শরীরচর্চা এগুলো ডিম্বাশয়কে ডিম্বাণু উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রভাবিত করতে পারে। তাই অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভাবস্থা এড়াতে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের কোনো বিকল্প নেই। | 5 912 |
| 14 | সেফ পিরিয়ড মেথড সবার জন্য ১০০ % সেফ নয়। আমি শুরু থেকেই বলে আসছি, এটা রিস্কি একটা পদ্ধতি। | 5 039 |
| 15 | 📌প্রশ্ন: স্বামী স্ত্রীকে এবং স্ত্রী স্বামীকে কি হস্তমৈথুন করে দিতে পারবে?
মিউচুয়াল মাস্টারবেশন বা একজন আরেকজনের সেক্সুয়াল অরগানে হাত দিয়ে এক্সাইটেড করা অথবা অর্গাজম করা কি জায়েয?
✅উত্তর: মিউচুয়াল মাস্টারবেশন বা একজন এর হাত দ্বারা প্রয়োজনে অন্যের চাহিদা পূরণ করা জায়েজ আছে। তবে অবশ্যই অন্যের সাহায্যের মাধ্যমে হতে হবে।
নিজে নিজে মাস্টারবেশন করা জায়েয নাই।
ওয়াইফের মাসিক পিরিয়ডের সময় কিংবা নেফাসের (বাচ্চা জন্ম হওয়ার পরের সময়গুলো) সময় অর্থাৎ যে সময়গুলোতে ইন্টারকোর্স নিষেধ, ঐ সময়গুলোতে যদি হাজবেন্ডের চাহিদা পূরণ করা প্রয়োজন হয় সেক্ষেত্রে ওয়াইফ তার হাত দ্বারা অথবা অন্য কোনোভাবে হাজবেন্ডের চাহিদা পূরণ করতে পারবে।
(দারুল উলুম দেওবন্দ: ফতোয়া ৪১২/৪১২এম-১৪২৯) | 7 968 |
| 16 |
আসলে ক্লান্তি টলান্তি কিছু না। স্ত্রীকে ভালো লাগে না এটাই মূল কথা। কেন এমন হচ্ছে বুঝতে পারছি না।
.
আমি নিজে এখনো পরকীয়া করি নি। তবে করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। কেনো পুরুষেরা একটা সময় স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এটা জানার জন্য আমি যতো পুরুষের সাথে কথা বলেছি তাদের সবার উত্তর ছিলো এরকম, 'এটাই তো স্বাভাবিক। এক জিনিস কী আর বেশিদিন ভালো লাগে?'
তাদের উত্তরটা আমার কাছে সঠিক মনে হয় নি।
একটা সময় আমার মনে হলো এটা কি পুরুষের কোনো মানসিক সমস্যা? ডাক্তার দেখালে কি ভালো হয়ে যাবে?
.
আমি দ্বিধান্বিত মনে একদিন গোপনে এক মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার আমার সমস্যার কথা শোনার পর বললেন, "আপনি কি আল্লাহকে বিশ্বাস করেন?" বললাম, "জী করি।"
"আল্লাহর একটা নির্দেশের কথা আপনাকে বলবো। যদি মানতে পারেন তাহলে আপনার এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে। কোনো ওষুধপত্র লাগবে না। গ্যারান্টি দিচ্ছি।"
"কী সেটা?"
"সুরা আন নূরে আল্লাহ বলেছেন, 'হে নবী, পুরুষদের বলে দাও, তারা যেনো নিজেদের দৃষ্টিকে সংযত করে রাখে এবং নিজেদের লজ্জা*স্থানসমূহের হেফাজত করে। এটা তাদের জন্য বেশি পবিত্র পদ্ধতি'।"
এরপর ডাক্তার দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি এক মাস পালন করুন। তারপর নিজেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।
সন্দেহ নিয়ে বললাম, "এটাতেই কাজ হয়ে যাবে?"
ডাক্তার হেসে বললেন, "অবশ্যই হবে।"
তবে আমাকে কথা দিতে হবে আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি নিখুঁত ভাবে পালন করবেন। কোনো ফাঁকি দেবেন না।
কথা দিলাম। নিখুঁত ভাবে পালন করবো।"
শেষে ডাক্তার বললেন, "এক মাস পর আমার কাছে আসবেন।"
আসবো কথা দিয়ে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরুলাম।
চেম্বার থেকে বেরুনোর সময় দেখলাম একটা যুবতী রূপবতী মেয়ে একজন বৃদ্ধাকে নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকছে। মেয়েটার দেহ দুর্দান্ত আকর্ষণীয়। আমি লো*লুপ দৃষ্টিতে মেয়েটার পুরো অঙ্গের দিকে তাকাতে গেলে আচমকা মনে পড়ে গেলো আল্লাহর নির্দেশের কথা। আমি সঙ্গে সঙ্গে চোখ সরিয়ে নিলাম।
এরপর পথে ঘাটে যদি কোনো মেয়ের দিকে চোখ পড়তো তবে চোখ সরিয়ে নিতাম। দৃষ্টি নত করে হাঁটতাম।
এভাবে দুদিন যাওয়ার পর অনুভব করলাম নারী শরীর দেখার জন্য ভেতরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। অস্থিরতা দূর করার জন্য মোবাইল হাতে নিলাম। এবং পর্ণ দেখার সিদ্ধান্ত নিলাম। তারপর হস্ত*মৈ*থুন করে নিজেকে শীতল করবো।
গুগলে প*র্ণ ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ করার মুহূর্তে আল্লাহর নির্দেশের কথা মনে পড়ে গেলো। সাথে সাথে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলাম। এবং মোবাইল রেখে দিলাম।
এভাবে দৃষ্টি সংযত রেখে এবং লজ্জা*স্থান হেফাজত করে পনেরো দিন কাটানোর পর লক্ষ্য করলাম আমার মাথায় স্ত্রীর ভাবনা ছাড়া আর কিছু কাজ করছে না।
সেদিন অফিস থেকে বেরিয়ে উন্মাদের মতো ছুটলাম বাসার দিকে। বাসায় ঢুকেই ব্যাকুল হয়ে ডাকলাম, "এষা, কোথায় তুমি?"
স্ত্রী তখন রান্নাঘরে ছিলো। আমার চিৎকার শুনে দৌড়ে এলো। কারণ স্ত্রীর নাম ধরে বহুদিন ডাকি নি। ও আশ্চর্য হয়ে বললো, "কী হয়েছে তোমার? ডাকছো কেনো?"
সে কথার জবাব না দিয়ে কাঁধ থেকে অফিসের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে স্ত্রীকে ঝট করে পাঁজা কোলে তুলে নিলাম। সে ততোক্ষণে আমার উদ্দেশ্য বুঝে গেছে। সে লজ্জায় লাল হয়ে বললো, "মেয়েটা ঘুমাচ্ছে। ও জেগে যাবে। কী করো, কী করো?"
স্ত্রীকে পাঁজা কোলে করে রুমে যেতে যেতে আচ্ছন্ন স্বরে বলতে লাগলাম, "ভালোবাসি এষা। ভালোবাসি।"
পরদিন ডাক্তারের কাছে গেলাম। ডাক্তার বললেন, "এখনো তো এক মাস পার হয় নি।"
হেসে বললাম, "সমস্যা দূর হয়ে গেছে।"
ডাক্তার বললেন, "স্বাগতম আপনাকে। আপনার সংসারের জন্য আন্তরিক শুভ কামনা রইলো।"
ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে খুশি গলায় বললাম, "ধন্যবাদ আল্লাহ। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।"
আমার মনে হয় এই সমস্যাটা শুধু আমার না আমাদের দেশের প্রায় ৯০% পুরুষেরই হয়।
যারা পর*নারীর বা অন্য কোন খারাপ কাজ থেকে দৃষ্টি ফিরাতে পারছেন না, তাদের জন্য খুবই উপকারী পোষ্ট হতে পারে!"
©Fidayah | 7 584 |
| 17 | আমার স্ত্রী দেখতে সুন্দর। তবু কেনো জানি তাকে এখন আর ভালো লাগে না। আমদের বিয়ে হয়েছে আট বছর হলো। পাঁচ বছর বয়সী একটা মেয়ে সন্তান রয়েছে।
অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে চলে যাই। ফিরি রাত করে। কারণ বাসায় যেতে ইচ্ছে করে না। অথচ বিয়ের শুরুর দিকে শুধুমাত্র স্ত্রীর টানে অফিস থেকে বেরিয়ে ছুটতাম বাসার দিকে। অফিস না থাকলে সারাদিন বাসায় থাকতাম। ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতাম। কী যে ভালো লাগতো স্ত্রীকে তখন!
আর এখন ওর দিকে তাকাতে ইচ্ছে করে না। কথা বলতে ইচ্ছে করে না। ও আশেপাশে থাকলে বিরক্ত লাগে। বাইরে থাকা অবস্থায় ওর ফোন এলে ধরি না। রাতে যদি ও কাছে আসতে চায় আমি রূঢ় ভাষায় বলি, 'জ্বালাতন করো না। সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত হয়ে আছি। ঘুমাতে দাও।'
আসলে ক্লান্তি টলান্তি কিছু না। স্ত্রীকে ভালো লাগে না এটাই মূল কথা। কেন এমন হচ্ছে বুঝতে পারছি না।
| 6 713 |
| 18 | দৈনন্দিন ক্লান্তি, মুড অফ, পারফরম্যান্স ড্রপ- সবকিছুর পেছনে কি টেস্টোস্টেরন?
টেস্টোস্টেরন হরমোন পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা, মাংসপেশির গঠন, Libido, Mood, Energy level এবং সামগ্রিক হরমোনাল ব্যালান্সের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। বর্তমান সময়ে অনিয়মিত লাইফস্টাইল, ঘুমের ঘাটতি, অতিরিক্ত স্ট্রেস, স্থূলতা ও নেশাজাতীয় উপাদানের কারণে অনেক পুরুষের মধ্যেই Testosterone level ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। কিছু প্রাকৃতিক ও বৈজ্ঞানিকভাবে সমর্থিত অভ্যাস অনুসরণ করলে শরীরের endogenous testosterone production স্বাভাবিকভাবে উন্নত হতে পারে।
প্রথমত, পর্যাপ্ত ও quality sleep নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। Deep sleep phase বিশেষ করে REM sleep এর সময় Testosterone secretion সবচেয়ে বেশি হয়। দীর্ঘদিন ঘুম কম হলে serum testosterone level উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা uninterrupted sleep বজায় রাখা প্রয়োজন।
নিয়মিত Physical activity, বিশেষ করে Resistance training, Compound weight lifting, HIIT (High Intensity Interval Training) এবং Pelvic floor exercise শরীরের anabolic hormone response বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। Sedentary lifestyle ধীরে ধীরে hormonal suppression তৈরি করতে পারে, তাই structured exercise routine বজায় রাখা জরুরি।
Nutrition এর দিক থেকেও Testosterone synthesis এর জন্য adequate protein, healthy fat, zinc, magnesium ও micronutrient intake অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ডিম, সামুদ্রিক মাছ, red meat, বাদাম, olive oil, দুধ ও fermented dairy products hormonal support দিতে সহায়তা করে। Excess processed food ও refined sugar insulin resistance বাড়িয়ে indirect hormonal imbalance তৈরি করতে পারে।
Vitamin D deficiency বর্তমানে অত্যন্ত common এবং Low testosterone এর সাথে এর association বহু গবেষণায় পাওয়া গেছে। Controlled sun exposure উপকারী হলেও প্রয়োজন অনুযায়ী supplementation দেওয়া যেতে পারে।
Chronic stress এর কারণে cortisol elevation হলে Hypothalamic-Pituitary-Gonadal axis suppress হতে পারে, যার ফলে testosterone production কমে যায়। তাই মানসিক প্রশান্তি, adequate relaxation, meditation, prayer ও stress management hormonal stability বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
Smoking, alcohol, recreational drugs ও substance abuse testicular function এবং spermatogenesis এর উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দীর্ঘমেয়াদে এগুলো Leydig cell function ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এবং fertility ও androgen profile উভয়কেই adversely affect করতে পারে।
Obesity বিশেষ করে visceral fat accumulation testosterone reduction এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ। Excess adipose tissue aromatase activity বৃদ্ধি করে testosterone কে estrogen এ convert করতে পারে। তাই healthy body composition বজায় রাখা hormonal optimization এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
নিয়মিত বৈবাহিক যৌ-ন জীবন, adequate intimacy ও মানসিক স্থিতিশীলতা endocrine health এর উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি Zinc ও Magnesium deficiency থাকলে androgen production ব্যাহত হতে পারে। Pumpkin seed, cashew, spinach, egg ও meat এসব micronutrient এর ভালো source।
সবশেষে, Hormonal health শুধুমাত্র supplement নির্ভর বিষয় নয়; বরং sleep, nutrition, exercise, mental health ও lifestyle সবকিছুর সমন্বিত প্রভাবের ফল। নিয়মিত রোদে থাকা, শারীরিকভাবে active থাকা, মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখা এবং healthy lifestyle follow করাই দীর্ঘমেয়াদে Testosterone optimization এর সবচেয়ে কার্যকর উপায়। | 5 905 |
| 19 | No text... | 5 315 |
| 20 | https://www.jmail.world/photos?person=jeffrey-epstein | 22 261 |
Content available for users 18+
By signing in to the service, you confirm that you are 18 years of age or older.
