en
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Open in Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel Abdullah bin bashir

Channel Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 11 301 subscribers, ranking 8 130 in the Religion & Spirituality category and 2 026 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 11 301 subscribers.

According to the latest data from 25 June, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by 77 over the last 30 days and by -2 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 19.07%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 8.07% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 2 155 views. Within the first day, a publication typically gains 912 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 46.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 26 June, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.

11 301
Subscribers
-224 hours
+227 days
+7730 days
Posts Archive
পিনাকীর ভিডিও দেখি আসলেই কড়া হইছে! বেশ গোছালো এবং বাস্তবভিত্তিক তথ্য তার কাছে ছিলো। এবং তার দেওয়া সমাধানটাই আসলে বর্তমানের প্রকৃত সমাধান। https://www.youtube.com/watch?v=3GXEu55UDfc

পিনাকী ভট্টাচার্যের ভিডিওটা বেশ ভালো হয়েছে। কোন এক অজানা কারণে বহু আগে থেকেই মানুষগুলোকে আমার অস্বস্তি লেগেছে। আমি জানি না কেন। তাবলীগের লোকেরা একটা প্র্যাক্টিস খুব করে। সেটা হল, 'বড়রা বলেছেন' 'বড়দের কথা মানার মাঝেই কামিয়াবি'। এই সোকল্ড 'বড়'-দের রেফারেন্সিংটা ইসলামের মেজাজ পরিপন্থী। রসুলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদিস রয়েছে: "এই ইলম হচ্ছে দীন, অতএব ইলম কার কাছ থেকে নিচ্ছো, তা খেয়াল করবে"। অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে এই কথাটা আপনি কার মুখে শুনেছেন। 'বড়দের কথা' নাম দিয়ে যা মন চায় চালিয়ে দিয়ে দিয়ে এই কাজটার আজ এই অবস্থা। মিম্বরে বসে কে কথা বলছে, এটাও জানতে নিরুৎসাহিত করা হতো। বলা হত: কে কথা বলছে সেদিকে ফোকাস করো না, কার কথা বলছে (আল্লাহর) সেদিকে খেয়াল দাও। এটা ডেফিনেটলি ইসলামের মেজাজ পরিপন্থী। অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে, চিনতে হবে, খেয়াল করতে হবে কার কাছ থেকে আপনি দীনের কথা শুনছেন, নিচ্ছেন। এবং তার যোগ্যতা কী, তিনি কাদের কাছ থেকে শুনেছেন বা শুনতে পারেন। একদিকে 'ইলম' দফার অধীনে তাহকীকী (যাচাইয়ের) মেজাজ তৈরির কথা বললেন, অন্যদিকে 'আমাদের বড়রা বলেছেন' নাম দিয়ে অমুক-তমুকের কথা চালিয়ে দেবার প্র্যাক্টিস। অবশ্যই দীনের কথা আলিমদের থেকেই নিবেন। আর জেনারেল শিক্ষিত দাঈরা স্পষ্টভাবে বড় কোনো আলিমের রেফারেন্স দিলে মানতে পারেন। যতখন আমরা আলিমদের কথাকে পুনরুচ্চারণ করছি, আমাদের কথা নিবেন, ব্যতিক্রম মনে হলে আলিম থেকে যাচাই করবেন। বিঃদ্রঃ সাদ সাহেবপন্থীদের (শিক্ষিত মানুষজন) সিরিয়াসলি পুনর্মূল্যায়ন করা দরকার তাদের নেতৃত্বে থাকা লোকদের। পিনাকীদার পয়েন্টগুলো একটাও অমূলক নয়। বহু আগে থেকেই তাদের ব্যাপারে সাথীদের সুধারণা নেই। আর ভারতের পক্ষে নিজামুদ্দিন কর্তৃপক্ষ বা কর্তাব্যক্তিদের ম্যানিপুলেট করা সহজ। যেভাবে একটা সময় আওয়ামী লীগ হেফাজত নেতৃত্বকে ম্যানিপুলেট করেছে। বেশি না, মাথা দুয়েক্টাকে ব্ল্যাকমেইল করলেই এটা সম্ভব। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশেষ করে। দরকার হলে একা একা কাজ করেন, ভারতের দাবার ঘুঁটি হবার চেয়ে।

আফগানিস্তানের আপডেটগুলো আরবীতে নিয়মিত পাওয়া যায় এই চ্যানেলে। যারা আরবী বুঝেন, বা আরবী শিখছেন তারা নিয়মিত এই ভিডিওগুলো দেখবেন ইনশাআল্লাহ। আরবীতে বেশ ফায়েদা হবে। মূল নিউজগুলোও জানা হয়ে গেলো। আবার আরবী ভাষা শিখার ক্ষেত্রেও ফায়দা হবে। মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা যারা অনলাইনে থাকেনই, তারা এদিক সেদিক সময় নষ্ট না করে এই ভিডিওগুলো দেখলেও কিছুটা ফায়দা হবে ইনশাআল্লাহ। https://www.youtube.com/@afghanarabc/videos

Repost from Al Firdaws

একদল আলেম আছেন দায়েশের দায় আলকায়দার উপর চাপায়। কিন্তু এতাআতিদের দায় পুরো তাবলীগ ও আলেম সমাজের উপর চাপায় না! কবে যে আমরা দ্বিম
একদল আলেম আছেন দায়েশের দায় আলকায়দার উপর চাপায়। কিন্তু এতাআতিদের দায় পুরো তাবলীগ ও আলেম সমাজের উপর চাপায় না! কবে যে আমরা দ্বিমুখী অবস্থান থেকে বের হয়ে আসবো।

সাদ সাহেবের আন্দোলনের প্রথম সারীতে চিহ্নিত ছাত্রলীগের পোলাপান কী করে? কে কার স্বার্থে এখানে কাজ করছে?
সাদ সাহেবের আন্দোলনের প্রথম সারীতে চিহ্নিত ছাত্রলীগের পোলাপান কী করে? কে কার স্বার্থে এখানে কাজ করছে?

আল্লাহ ছাড় দেন, ছেড়ে দেন না, কথাগুলো নাস্তিকদের কাছে হাস্যকর ঠেকে, কিন্তু বাস্তবতা হলো এই।
আল্লাহ ছাড় দেন, ছেড়ে দেন না, কথাগুলো নাস্তিকদের কাছে হাস্যকর ঠেকে, কিন্তু বাস্তবতা হলো এই।

একের পর এক আন্দোলনে অংশগ্রহণ করা ছাত্রকে হত্যা করা হচ্ছে! দেশে প্রতিটি মানুষের জীবন কতটা অনিরাপদ তা কী আমরা বুঝতে পারছি, আঞ্চলিক সাপের মাথা ভারতের স্পষ্ট সাহায্য ছাড়া যে এগুলো কস্মিনকালেও সম্ভব না, তা কী আমরা ধরতে পারছি? যদি পেরে থাকি এবং এরপরও চুপ থাকি তাহলে এই চুপ থাকাই হবে আমাদের নিজেদের মৃত্যুর জন্য নিজেদের দস্তখত। কারণ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে আমি আপনি সবাই অংশগ্রহণ করেছিলাম। আজকে অন্যদিকের কিছু ভাইকে মারছে, তাদের শেষ করে আমাদের ধরবে। এখন আমি চুপ আছি, আগামীকাল আমাকে মারলেও অন্যরা চুপ থাকবে। অবাক করা বিষয় হলো সমন্বয়কদের পক্ষ থেকে একাধিক ব্যক্তি সরকারের থাকার পরেও এইসকল হত্যাকাণ্ডের জন্য আন্দোলন করতে হচ্ছে, নিন্দা জানাতে হচ্ছে! হায় আমাদের হাজারো রক্তের বেহাত বিপ্লব!

দামেশকের একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী দামেশক পরিষ্কার করছে।
দামেশকের একজন পরিচ্ছন্নতা কর্মী দামেশক পরিষ্কার করছে।

১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ আজ সকালে পেশোয়ার, মুমেন্ড এজেন্সির বৈকালি বাইজি জেলার গুলমা কন্ডো এলাকায় রয়্যাল ইন্ডিয়ান আর্মি লৌলাশকার,
১৭ ডিসেম্বর ২০২৪ আজ সকালে পেশোয়ার, মুমেন্ড এজেন্সির বৈকালি বাইজি জেলার গুলমা কন্ডো এলাকায় রয়্যাল ইন্ডিয়ান আর্মি লৌলাশকার, বিমান সহায়তা এবং ড্রোন ক্যামেরার সহায়তায় তালেবানদের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে তালেবানরা প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সাতজন সামরিক কর্মীকে হত্যা করে, অন্যরা যুদ্ধক্ষেত্রে মৃতদেহ রেখে পালিয়ে যায়। তালেবানরা উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অস্ত্রও পেয়েছে। তালেবান সূত্র অনুসারে প্রায় আট ঘণ্টাব্যাপী এই সংঘর্ষে তাদের একজন যোদ্ধাও শহীদ হয়েছে।

মুসলিম-অমুসলিম বইটি আজ এক ভাই ত্রিশ কপি সংগ্রহ করলেন, দাওয়াতের উদ্দেশ্যে। আল্লাহ ভাইয়ের উদ্দেশ্য পূরণ করুন। আমীন।
মুসলিম-অমুসলিম বইটি আজ এক ভাই ত্রিশ কপি সংগ্রহ করলেন, দাওয়াতের উদ্দেশ্যে। আল্লাহ ভাইয়ের উদ্দেশ্য পূরণ করুন। আমীন।

সিরিয়াতে যে সমস্ত বিদেশী যোদ্ধারা অংশগ্রহণ করেছে তাদেরকে সিরিয়ায় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। -জুলানী সূত্র, সাংবাদিক খলিল আল মিকদাদ (অনেক অনেক উত্তম একটা সিদ্ধান্ত)

বিষয়টি যদি এমনই হয় তাহলে এদের ঈমানের কী অবস্থা? এইধরনের ব্যক্তিদের অনুমতি ছাড়া নাকি জিহাদের মত ফরজ বিধান আদায় করা যাবে না!!
বিষয়টি যদি এমনই হয় তাহলে এদের ঈমানের কী অবস্থা? এইধরনের ব্যক্তিদের অনুমতি ছাড়া নাকি জিহাদের মত ফরজ বিধান আদায় করা যাবে না!!

জিহাদ বিষয়ক চমৎকার একটি বই পেলাম আজ। বিস্তারিত পরে কখনো লেখবো ইনশাআল্লাহ। বইটির কয়েকটি অধ্যায় পড়ে বেশ তৃপ্তি পেলাম, বিশেষত ইমাম ছাড়া জিহাদের অধ্যায়টি। বইটির একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, লেখক একজন আহলে ইলম ও মুজাহিদ। বর্তমানে (সম্ভবত) ফিলিস্তিনের জিহাদের কাজে আছেন। এটা লেখকের মাষ্টার্সের থিসিস। দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হলো, বইটিতে শুধু জিহাদের ঐ মাসআলাগুলোই আলোচিত হয়েছে যেগুলো বর্তমান সময়ে জিহাদের ময়দানে বেশ প্রয়োজন হয়। তৃতীয় একটি বৈশিষ্ট্য হলো, লেখক জিহাদের বিভিন্ন মাসআলা বলার পর ইতিহাসে এই মাসআলাটি কীভাবে ফকিহরা দেখেছেন ও তাতবিক দিয়েছেন তাও উল্লেখ করার চেষ্টা করেছেন। বইটি সম্পর্কে আরবের একজন আলেমের রিভিউ লিংক দেখে নিতে পারেন। https://www.youtube.com/watch?v=Sv2fx0SswYw

মাওলানা মামুনুল হক সাহেবের স্পষ্ট বয়ান।

fatwaa-34 (1).pdf2.06 MB

মামুন সাহেবের পুরো বয়ানটাই শুনার মত।

‘শাহ আব্দুল আজিজ মুহাদ্দিসে দেহলবি রহিমাহুল্লাহর পুরো হিন্দুস্তানকে দারুল হারব ফতোয়া দেওয়ার পর আজ পর্যন্ত তা বলবত আছে। কোনো আলেম উনার ফতোয়াকে খণ্ডন করেনি। কেউ বাতিল করেনি। সুতরাং ব্রিটিশ রচিত আইনকে হটিয়ে আল্লাহর আইন পূনপ্রতিষ্ঠা করা ফরজ।’ . মাওলানা মামুনুল হক সাহেব বাবুনগর মাদরাসা

বাদ যাবে না একটি শিশুও।
বাদ যাবে না একটি শিশুও।

বিজয় পরবর্তী আসল যুদ্ধ।
বিজয় পরবর্তী আসল যুদ্ধ।