en
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Open in Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel Abdullah bin bashir

Channel Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 11 297 subscribers, ranking 8 145 in the Religion & Spirituality category and 2 031 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 11 297 subscribers.

According to the latest data from 22 June, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by 77 over the last 30 days and by 3 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 19.38%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 8.20% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 2 188 views. Within the first day, a publication typically gains 926 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 47.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 23 June, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.

11 297
Subscribers
+324 hours
+327 days
+7730 days
Posts Archive
হাফেজ গুলবাহাদূর সাহেব এই নিয়ে মোট ৩৪ বার শাহাদাতের মহান মর্যাদা অর্জন করেছেন। তিনি হলেন সেই সমস্ত মহান মানুষদের একজন যারা শা
হাফেজ গুলবাহাদূর সাহেব এই নিয়ে মোট ৩৪ বার শাহাদাতের মহান মর্যাদা অর্জন করেছেন। তিনি হলেন সেই সমস্ত মহান মানুষদের একজন যারা শাহাদাতের মর্যাদা বার-বার অর্জন করেছেন। . নাপাক মিডিয়ার উত্তরে... 🤣

দুনিয়ার সকল সেকুলারের চিত্রই এক—কাঠামোগত ইসলাম বিদ্বেষ। . কিছুদিন আগে পাকিস্তানের নাপাক বাহিনী তেহরিকে লাব্বাইকের একটি আন্দোলনে ব্যাপক গুলি করে প্রচুর মানুষকে প্রকাশ্যে হ*ত্যা করে। পাকিস্তানের লাহোর যেনো সেদিন এক টুকরো গাজায় পরিণত হয়েছিলো। অথচ আজ সেই দলকে উগ্র দল ঘোষণা করে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করেছে। ঐ যে একটা কথা আছে না, মাইর তো খাবি খাবি, মাইরের দামও দিবি, ভাড়াও দিবি, কানবি ফাও, এমনই যেনো এক মগের মুল্লুক হয়ে দাঁড়াইছে! . পুরো পৃথিবী জুড়ে কথিত দারুল ইসলামগুলো এমনই—সেকুলারদের বেধে দেওয়া ইসলামের বাহিরে ইসলামের কথা বলা যেখানে নিষিদ্ধ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। আর আমরা কিছু সিজদা আর দীনের কথা বলতে পেরে খুশি যে, আমরা তো পূর্বের আমানে আছি!

টঙ্গির খতিব সাহেবের গুম বিষয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ লেখাটি সকলকে পড়ার আহবান রইলো। https://www.facebook.com/share/p/19kgxxr7Dt/

এই ভিডিওটিও খুব প্রচার করুন। নিজে দেখুন পুরোটি এবং খতিব সাহেবদের কাছে পৌঁছান। https://www.facebook.com/share/v/1NThrzc8uF/

হিন্দুত্ববাদ[1]-merged.pdf8.14 MB

আগামীকালের স্লোগান শাহজালালের তলোয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার। বখতিয়ারের ঘোড়ার ধ্বনি, বিনাশ কর সব ইসকনি। ©মাওলানা ইফতেখার সিফাত

বয়কটে কিছুই হয় না! . ভাইয়েরা বন্ধ কইরেন না, ইনশাআল্লাহ বয়কটের ফলে সামান্য যে কষ্টটুকু হবে এটার বিনিময়ে আল্লাহ বিশাল প্রতিদান
বয়কটে কিছুই হয় না! . ভাইয়েরা বন্ধ কইরেন না, ইনশাআল্লাহ বয়কটের ফলে সামান্য যে কষ্টটুকু হবে এটার বিনিময়ে আল্লাহ বিশাল প্রতিদান জান্নাতে দিবেন। . আমি আমার ছেলেকে খাওয়ানো বন্ধ করে দিছি আলহামদুলিল্লাহ। এতটুকু আমার সাধ্যে আছে।

হিসকনের দ্বারা গুম-খুন হওয়া ভিক্টিমদের একটা তালিকা করে ফেলা দরকার রেফারেন্সসহ। একাডেমিক গবেষণা যারা করেন তারা এই কাজটি অল্প সময়ে করে নিলে বেশ ভালো একটা কাজ হতো।

কাবুল কান্দাহার মহাসড়ক! কী ছিলো আর কী হয়ে গেলো!

মামুনুল হক সাহেব যেখানে মূর্তির দিকে হাত বাড়ালে হাত ভেঙে দেয়ার হুমকি দেয়, ড. খালিদ পূজা মণ্ডপের উদ্বোধন করে; শিশির মনির ধর্মীয় পরিচয়ে জ্ঞাতি ভাই দাবি করে; আর জামায়াত-চরমোনাইয়ের মতো দল প্রকাশ্যে গৌর গোবিন্দকে কোলে তুলে নেয়—এমন পরিস্থিতিতে এ দেশে হিংদুত্ববাদী আস্ফালন দেখা যাবে না তো কি দেখা যাবে? . এই পরিস্থিতির দায়ভার যদি খুনী হাসিনার ওপর থাকে, তবে প্রশ্ন হলো— ৫ আগস্টের পর থেকে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো যা যা করেছে, তার জন্য তাদের দায় কি কোনো অংশে কম? . বস্তুত, ধর্মীয় নেতাদের দ্বিচারিতা এবং প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর আপোসকামিতাই এই হিংদুত্ববাদী উত্থানকে বৈধতা দিয়েছে ও উৎসাহিত করেছে। এর ফলে দেশের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিবেশ আরও জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। . তবে মুসলিমরা ইটের জবাব পাত্থর মেরে দিতে জানে। এসব চলতে থাকলে এর পরিণতি যে খারাপ কিছু হবে, তা বুঝতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই। ©

প্রথম আলো সুশিলতার জন্য সাহিত্য ও সাংবাদিকতা করে না। তারা স্বার্থ ও মতদর্শের জন্য সাংবাদিকতা ও সাহিত্য চর্চা করে। আর আমরা এগুলো চর্চা করি সুশীল হওয়ার জন্য সুশীলদের পায়ের তলে একটি জায়গা পাওয়ার জন্য। . প্রথম আলোও হতে পারে আমাদের সাংবাদিকতা শিখা ও সাহিত্য চর্চার একটি উত্তম আদর্শ।

আমেরিকা বা অন্য যেকোনো শক্তি থেকে যদি বাংলাদেশি কিছু কিছু রাজনৈতিক দলকে এই গ্রীন সিগনাল দেওয়া হয়—যদি তোমরা আপাতত ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করো, তাহলে এবার ক্ষমতায় যেতে পারবা। পরে ক্ষমতায় গিয়ে আবার ইসলাম গ্রহণ করে ফেইলো। . অসম্ভব নয়, একাধিক দলই এই কাজটি করে ফেলবে! গেন্দুরা আমাদের বোনদের সাথে যা করছে, তা দেখা আর বুঝার পরও অল্প কয়টা ভোটের জন্য প্রতিটি দল যেভাবে মুখকে পাছা আর পাছাকে মুখের জায়গায় ঢুকিয়ে রেখেছে, তা দেখে এটাই এখন মাথায় ঘুরতেছে।

লাল মসজিদ নিয়ে কথা বলার পর থেকে অনলাইনে আমার ৯৯% ফলোয়ার আমার বিরোধী হয়ে গেছে। -মাওলানা তারেক মাসুদ . হাসতেই আছি। পাঞ্জাব ইউনিভার্সিটির এক অধ্যাপক রশিদ আরশাদ সাহেব চমৎকার বলেছে তারেক মাসুদ সাহেবরা হলো শোবিজের লোক।

‘ধর্ম প্রত্যেকের ব্যক্তিগত বিষয়' কথাটির উপর্যুক্ত ফলাফল থেকে অবশ্যম্ভাবী আরেকটি ফলাফল বেরিয়ে আসে-সামাজিক জীবনে নেকি ও গুনাহ সমপর্যায়ের। অর্থাৎ নেকি কামানো বা গুনাহে লিপ্ত হওয়া সামাজিক জীবনে একটি অনর্থক আলাপ! নেকি ও গুনাহ সত্তাগতভাবে কোনো বিষয় নয়; বরং প্রত্যেকের জীবনে যে যেটাই গ্রহণ করুক, উভয়টি সমাজজীবনে সমস্তরের। সেক্যুলার রাষ্ট্রে একজন মানুষ কুরআনের হাফেজ হয়ে আন্তর্জাতিক পুরস্কার পেয়ে এলে যেমন সম্মানের অধিকারী হয়ে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা পেতে পারে, তেমনি কোনো নারী বেহায়াপনার সর্বোচ্চ কোনো মডেল শোতে পুরস্কার জিতে এলে সেও রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা পেতে পারে। সমাজ ও রাষ্ট্রের দৃষ্টিতে এখানে কোন কাজটি নেকি আর কোনটি গুনাহ, সেটা দেখার বিষয় নয়। আর নেকি ও গুনাহের ভিত্তিতে কাউকে রাষ্ট্র সম্মান করা ও অসম্মান করার অর্থই হলো, ধর্মকে ব্যক্তি পরিসর থেকে বের করে এনে সামাজিকভাবে আলাদা মূল্যায়ন করা, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র যা করার অধিকার রাখে না। পৃথিবীর প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের চিত্র এটিই। প্রতিবছর নায়ক-নায়িকা-গায়িকাদের জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত করছে, আবার আলেমদেরও দেশের প্রচার-প্রসার কাজে অবদান রাখার কীর্তিস্বরূপ রাষ্ট্রীয় সম্মানে কৃতার্থ করছে। এই নীতি কুরআনের নিম্নোক্ত আয়াতের সম্পূর্ণ বিপরীত, وَلَا تَسْتَوِي الْحَسَنَةُ وَلَا السَّيِّئَةُ ভালো ও মন্দ সমান নয়। সুতরাং এই নীতিকে স্বীকার করার অর্থ হলো কুরআনের এ-জাতীয় সকল আয়াত অস্বীকার করা। . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা: দুই জীবনদর্শনের সংঘাত অধ্যায় : সেক্যুলারিজম

পাঠক রিভিউ : جزاك الله أحسن الجزاء... বেহদ উপকারী একটি বইয়ের সঙ্গে বাংলা ভাষাভাষীদেরকে পরিচয় করালেন। পয়সা উসুল, আলহামদুলিল্লা
পাঠক রিভিউ : جزاك الله أحسن الجزاء... বেহদ উপকারী একটি বইয়ের সঙ্গে বাংলা ভাষাভাষীদেরকে পরিচয় করালেন। পয়সা উসুল, আলহামদুলিল্লাহ। চেতনা প্রকাশনকে অনেক অনেক ধন্যবাদ বইটিকে এতোটা সহজলভ্য করার জন্য। ফন্ট-সাইজ পরিবর্তন করে অনায়াসেই দুই আড়াইশ পৃষ্ঠার বই বানানো যেতো, কিন্তু চেতনা প্রকাশন এমন কিছুই করেনি,মাশাআল্লাহ। ধর্মনিরপেক্ষতা ও ইন্টারফেইথের চেতনার ভয়ানক বিস্তারের কারনে প্রত্যেক সচেতন মুসলিম ভাই এই বইটি সংগ্রহ করা অতীব জরুরী। দ্বীনের এতবড় গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে এমন কাফী-শাফী আলোচনায় সমৃদ্ধ একটি কিতাব আপনি কিছুতেই মিস করতে পারেন না।

বস্তুত এসব মিথ্যা পূজার মূলে রয়েছে নফসপূজা বা খাহেশাতপূজা। অর্থাৎ আল্লাহপ্রদত্ত বিধিবিধান বাদ দিয়ে মন যা চায় তা-ই করতে থাকা-এটাই প্রতিটি শিরক, বরং সকল মন্দ কাজ ও সমস্যার মূল। তাই বলা যায়, সবচেয়ে বড় মূর্তি হলো নফস। (৩৪৬) আল্লাহ আমাদের ফেতনাকে ফেতনা হিসেবে চিহ্নিত করার এবং তার থেকে বেঁচে থেকে নিজ ঈমানকে রক্ষা করার তাওফিক দান করুন। আমিন। বই: ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা লেখক : আব্দুল্লাহ বিন বশির চেতনা প্রকাশন থেকে প্রকাশিত

জাতীয়তাবাদ যখন মতবাদ থেকেও বেশি কিছু জাতীয়তাবাদ শুধুই একটি মতবাদ না। জাতীয়তাবাদের প্রবক্তারা এই মতবাদটিকে আরও বড় কিছু, আরও আধ্যাত্মিক কিছু হিসেবেই দেখে। সাইয়েদ আবুল হাসান নদভি রহ. লেখেন- 'ধর্মের প্রতি যে পরিমাণ আবেগ-উদ্দীপনা, উচ্ছ্বাস-উত্তেজনা ও প্রশ্নাতীত পবিত্রতার অনুভূতি মানুষের অন্তরে থাকে, জাতীয়তাবাদের পক্ষে সেগুলো পূর্ণ মাত্রায় সক্রিয় ছিল; বরং বলা চলে, একটি নতুন ধর্মরূপেই যেন তা আত্মপ্রকাশ করেছিল।... জাতীয়তাবাদ নামক এ নতুন ধর্মের প্রথম বিশ্বাসই ছিল এই যে, জাতি ও জাতীয়তা হচ্ছে সবকিছুর উর্ধ্বে। আমার জাতির চেয়ে উত্তম এবং আমার দেশের চেয়ে সুন্দর কোনো দেশ ও জাতি পৃথিবীতে নেই। জাতীয়তাবাদকে যে ব্যাখ্যা বা অবয়বেই হাজির করা হোক না কেন, সর্বাবস্থায় তা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক ও একটি ভয়ংকর ফিতনা। পাশাপাশি এই উম্মাহের পুনর্জাগরণের পথে একটি বড় বাধা, যা ইসলামের নেকাব লাগিয়ে মুসলিম জাতিকে ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই দিচ্ছে না। তাই এমন একটি ফিতনাকে সমূলে উৎখাত করে ইসলামি আকিদা পুনঃস্থাপন করা ব্যতীত মুসলিম উম্মাহর হারানো গৌরব ফিরে পাওয়া সম্ভব নয়। মুফতি তাকী উসমানি দা. বা. লেখেন- 'জাতীয়তাবাদের দর্শন মূলত সেক্যুলার গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত। যার সাথে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। রাজনৈতিক ঐক্যের জন্য তার (সেক্যুলার গণতন্ত্রের) নিকট কোনো মৌলিক ভিত্তি নেই। তাই ঐক্যের জন্য তারা দেশ ও গোত্রকে ঐক্যের ভিত্তি রেখেছে। আর এটাই হলো সেই মূর্তি যা মুসলিম উম্মাহকে টুকরো টুকরো করে দিয়েছে। ইতিহাসের যত জায়গায় মুসলমানরা লাঞ্ছিত ও পরাজিত হয়েছে, সব জায়গায় জাতীয়তাবাদী স্লোগানই ছিল তার আসল কারণ। সর্বশেষ মাওলানা মানজুর নোমানী রহিমাহুল্লাহের একটি ঈমানী আহ্বান দিয়েই আলোচনাটি শেষ করছি। তিনি তার বিখ্যাত দ্বীন ও শরিয়ত গ্রন্থে লেখেন-'বর্তমান যুগে ইউরোপের প্রভাব মানুষকে পূর্ববর্তী যুগের শিরক থেকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে; কারণ, পূর্ববর্তী শিরকের মূলভিত্তি ছিল নিছক নফসের পূজা এবং মূর্খতার গোঁড়ামি। বর্তমান যুগে পড়ালেখা-করা প্রতিটি লোক-যদি তার ভেতর ন্যূনতম অনুভূতি বা কোনো বিষয়ে চিন্তা-গবেষণা করার সামান্যতম যোগ্যতা থেকে থাকে-সে মূর্তিপূজা, নক্ষত্রপূজা, বৃক্ষপূজা, নদীপূজা, পশুপূজা ইত্যাদিকে সর্বোচ্চ স্তরের বোকামি ও নির্বুদ্ধিতা মনে করবে। যদিও রীতিনীতি হিসেবে অথবা সামাজিক সংস্কৃতির অংশ মনে করে সে নিজে এসবের পূজা করে, তবুও ভেতরে ভেতরে সে এগুলোর প্রতি ঘৃণাই রাখে। কিন্তু সমস্যা হলো, ইউরোপের প্রভাবে পৃথিবীর বুকে পুরোনো ও সেকেলে সেই মূর্তির পরিবর্তে নতুন কিছু মূর্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। আজকাল এগুলোরই পূজা করা হচ্ছে। এ মূর্তিগুলোর নাম হলো-জাতি, দেশ, জাতীয় স্বার্থ, দেশের স্বার্থ, উদর, সম্পদ, শাসনক্ষমতা ইত্যাদি ইত্যাদি। বাস্তব কথা হলো, স্বজাতি ও স্বদেশের প্রতি টান ও ভালোবাসা থাকা মোটেই মন্দ বিষয় নয়; বরং এটি স্বভাবগত বিষয়। আর নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত এ ব্যাপারে আদেশও করা হয়েছে। অনুরূপভাবে জাতীয় স্বার্থ ও স্বদেশের স্বার্থের প্রতি লক্ষ রাখা, সেখানে বসবাস নিয়ে চিন্তা-ফিকির করা, পৃথিবীর বুকে স্বাচ্ছন্দ্য ও সম্মানের সাথে জীবনযাপন করার আকাঙ্ক্ষা রাখা-এগুলো দূষণীয় নয়; যদি হালাল-হারাম যাচাই করে এবং অন্যের হক ঠিক রেখে চলা হয়। এমনিভাবে কোনো সৎ-উদ্দেশ্য পূর্ণ করা, যেমন: ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করার জন্য অথবা আল্লাহর মাখলুকদের খেদমত করার নিয়তে শাসনক্ষমতা অর্জনের চিন্তা করা এবং এর পেছনে শ্রম ব্যয় করা ভুল কাজ নয়। আম্বিয়ায়ে কেরাম এগুলো থেকে বিরত থাকেননি। (বরং এগুলো কীভাবে করবে) সেক্ষেত্রে বিধিবিধান দিয়ে গিয়েছেন। কিন্তু আমাদের বর্তমান সময়ে এসব বিষয় এত ওপরে গিয়ে ঠেকেছে যে, এগুলো মাবুদ (উপাস্য) এবং তাগুতের স্থান দখল করে নিয়েছে। বর্তমান সময়ে জাতিরাষ্ট্রের কল্যাণ ও স্বার্থে সবকিছু করা একধরনের মূলনীতি ও বিশ্বাসে পরিণত হয়েছে। এক্ষেত্রে (জাতি ও রাষ্ট্রের স্বার্থে) যত ধরনেরই বে-ইনসাফি করা হোক, অন্যের ওপর যত জুলুমই হোক না কেন, সেগুলো দেখার বিষয় নয়। এভাবে পেটপূজা ও সম্পদপূজা এবং শাসনক্ষমতার উচ্চাকাঙ্ক্ষার ক্ষেত্রে আল্লাহর বিধিবিধানকে অপ্রয়োজনীয় মনে করা হয়; যেন পেট হলো তার মা'বুদ (উপাস্য), তাই তার পূজা করতে যা করা হবে তা-ই সঠিক, এবং সম্পদ ও রাজত্ব হলো এমন এক দেবী, যার জন্য ধর্ম ও সকল প্রকার নৈতিক দায়িত্ব ও কর্তব্য বিসর্জন দিতে কোনো সমস্যা নেই। আজকাল অনেক মানুষই এ সকল বস্তুকে নিজেদের মা'বুদ বানিয়ে নিয়েছে, পুরো বিশ্বই এভাবে চলছে। এই দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদ, পেটপূজা, সম্পদপূজা, শাসনপূজা-বর্তমান সময়ের এক নতুন শিরক। ইসলাম ধর্মে এর কোনো স্থান নেই। এসব বিষয় থেকে ইবরাহিম আলাইহিস সালাম সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। সেটি কুরআনে কারিমে এভাবে বিবৃত হয়েছে- إِنَّا بُرَءَ ؤُا مِنكُمْ وَمِمَّا تَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ আমরা তোমাদের থেকে এবং আল্লাহ ছাড়া তোমরা যাদেরকে মা'বুদরূপে গ্রহণ করো তাদের থেকে সম্পর্কমুক্ত।

মাহাস প্রতিষ্ঠাতা শায়খ আহমদ ইয়াসিন তার জীবনের লক্ষ্য সম্পর্কে বলেন— ‘আপনি জানেন, আমি আমার পুরো জীবন যাপন করেছি একটি আশা নিয়ে। আল্লাহ যেনো আমার উপর সন্তুষ্ট হয়ে যান। তাঁর সন্তুষ্টি তাঁর আনুগত্য ছাড়া সম্ভব নয়। জিহাদের মাধ্যমে আল্লাহর আনুগত্য করা যায়। যে জিহাদ হবে পৃথিবীতে আল্লাহর কালিমা উঁচু করার জন্য এবং যে জমিনকে আল্লাহর শত্রুরা নৈরাজ্য সৃষ্টি করে কলুষিত করে রেখেছে তা থেকে পবিত্র করার উদ্দেশ্যে। যখন আমি প্রথম টার্গেট বাস্তবায়ন করব, অর্থাৎ ইসলামি ভূখণ্ডকে দখলদারদের হাত থেকে মুক্ত করতে সক্ষম হব, তখন সেই ভূখণ্ডে ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে৷ এটি আমার আকাঙ্ক্ষা, যে জন্য আমি সংগ্রাম করছি এবং এর উপর থাকা অবস্থাতেই আমি আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ করা আশা করি। এটি যদি বাস্তবায়িত হয়ে যায়, তাহলে তো তা হবে আল্লাহর পক্ষ থেকে অনুগ্রহ। আর বাস্তবায়নের আগেই যদি মারা যাই, তাহলে আমি বলতে পারব, সেই পথে চলা শুরু করেছি এবং কয়েক কদম অগ্রসরও হয়েছি! "আল্লাহ তাঁর সিদ্ধান্তে প্রবল। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ জানে না। (সুরা ইউসুফ: ২১)’ সূত্র: আহমদ ইয়াসিনের জবানবন্দি পৃ. ২৮৭ .

নাপাক আর্মি যুদ্ধ বন্ধের জন্য আআলোচনার টেবিলে বসেই গাদ্দারি করেছে। বিমান আক্রমণ করে আফগান সাধারণ নাগরিকদের হত্যা করেছে। আফগান
নাপাক আর্মি যুদ্ধ বন্ধের জন্য আআলোচনার টেবিলে বসেই গাদ্দারি করেছে। বিমান আক্রমণ করে আফগান সাধারণ নাগরিকদের হত্যা করেছে। আফগানরা এবার হয়তো আরো শক্ত জবাব দিবে। . গাদ্দারির ইতিহাসে ভরা এই নাপাক আর্মির সম্পর্কে জানতে নীচের এই বইটি আপনাকে সহযোগিতা করবে ইনশাআল্লাহ। বইটি রিহাবের স্টলে/দোকানে পেয়ে যাবেন৷

পাকিস্তান_রাষ্ট্রের_শরয়ী_অবস্থান.pdf1.19 MB