en
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Open in Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel Abdullah bin bashir

Channel Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 11 300 subscribers, ranking 8 141 in the Religion & Spirituality category and 2 028 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 11 300 subscribers.

According to the latest data from 23 June, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by 85 over the last 30 days and by 5 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 19.42%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 7.99% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 2 194 views. Within the first day, a publication typically gains 903 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 48.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 24 June, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.

11 300
Subscribers
+524 hours
+357 days
+8530 days
Posts Archive
ইফতেখার জামিল সময়ে সময়ে অসংখ্য ফিতনা নিয়ে আসে। কয়দিন আগে এক বিশ্রী দাবী করে বসলো, জিহাদ শুধুই কাফেরদের সাথেই খাস। এর বাহিরে কোনো জিহাদ নাই। যারা রাষ্ট্রপ্রতিষ্ঠার জন্য জিহাদের কথা বলে তারা বাটপার। তার মূল দাবী হলো, শাসকের বিরুদ্ধে যে বিদ্রোহ, বা শাসক কর্তৃক বাগিদের দমানোর জন্য যে অস্ত্র ধারণ সেটা জিহাদ নয়। এটাকে জিহাদ বলা নাকি। আমি এর আগেও তার এই ভ্রান্ত দাবীর খণ্ডন করেছি। পরে সে আমার দাবীর উত্তর না দিতে পেরে আজাইরা একটা ব্যাখ্যা দাঁড়া করালো! হাহা!! ইবনে হজমের একটি ইবারত দিচ্ছি। দেখেন, শাসকের বিরুদ্ধে বিদ্রোহকে তিনি কত স্পষ্ট করে জিহাদ শব্দ দিয়ে ব্যক্ত করছেন। فلو كان خوف ما ذكروا مانعا من تغيير المنكر ومن الأمر بالمعروف لكان هذا بعينه مانعا من جهاد أهل الحرب وهذا مالا يقوله مسلم وإن ادعى ذلك إلى سبي النصارى نساء المؤمنين وأولادهم وأخذ أموالهم وسفك دمائهم وهتك حريمهم ولا خلاف بين المسلمين في أن الجهاد واجب مع وجود هذا كله ولا فرق بين الأمرين وكل ذلك جهاد ودعاء إلى القرآن والسنة

টি*টিপির ব্যাপারে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলামের সিনিয়র নেতা মুফতি কেফায়েতুল্লাহ সাহেবের এটোম বোমা : . জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (ফজলুর রহমান গ্রুপ)-এর সিনিয়র নেতা মুফতি কিফায়াতুল্লাহ দক্ষিণী ওয়াজিরিস্তানের শাকাই এলাকায় এক সমাবেশে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেন, ‘যে তা]লে]বানরা শরিয়তের জন্য কাজ করছে, তাদের মধ্যে যারা মারা গেছে তাদের শহীদ বলা উচিত এবং যারা বেঁচে আছে তাদের গাজী বলা উচিত।’” . তিনি দাবি করেন যে জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম এবং তেহরিক-ই-তা]লে]বান পাকিস্তান (টি*টি*পি)-এর লক্ষ্য এক, তাই জনগণের টি*টি*পির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো উচিত নয়।” . তিনি আরো বলেন, "আরও বলেন, ‘টি*টি*পির অবস্থান সঠিক যে, শরিয়ত কার্যকর হওয়া উচিত। জনগণের উচিত তা*লে*বানের পক্ষে থাকা। যদি কোনো কারণে তাদের সাহায্য না করতে পারে, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে বাহিনী গড়ে না তোলে। তালেবান যেন ভালোবাসার মাধ্যমে জনগণের হৃদয় জয় করে, অপহরণ ও চাঁদাবাজি থেকে বিরত থাকে।’” . এরকম আরো রসে ভরা একটি ভিডিও। অনেকের চেহারা আজকে কালো হবে। আল্লাহ তাদের চেহারা আরো কালো করুক অথবা হেদায়েত দিক। আমীন।

সীরাত পাঠের বরকত শায়খুল ইসলাম তাকী সুবকী বলেন: আমি ৭০৬ হিজরিতে ইবন হিশামের সীরাত পড়ছিলাম, পাশাপাশি ছাত্রদেরকে এর দরসও প্রদান করছিলাম। একদিন আমার জ্বর হল। পাঠের সময় এলে নাম লেখার দায়িত্বে থাকা লোক এসে বলল, “মানুষ সমবেত হয়েছে।” তখন আমার ইচ্ছে হলো আজ পাঠ বন্ধ রাখি। কিন্তু আমি বললাম, “না, আল্লাহর কসম! এমন কোনো মজলিস আমি বন্ধ করব না যেখানে নবীজির (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সীরাত আলোচনা হয়।” তাই জ্বর থাকা সত্ত্বেও আমি দরস দিলাম। সেদিন দরসের সময় আমার মনে হচ্ছিল, আজকের পর আমার আর কোনদিন জ্বর আসবে না। সত্যিই এরপর (আলহামদুলিল্লাহ) আর কখনো জ্বরে আক্রান্ত হইনি। - তাবাকাতুশ শাফিয়া আলকুবরা ১০/৩১৫ ©

photo content

উনিশ বছরের এক সুদর্শন তরুণ দরস দিতেন দামেশকের জামে উমাভিতে। নানা শাস্ত্রে তার দক্ষতার কারণে দ্রুত খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে। প্রবীণ আলেমদের কেউ কেউ বিষয়টি নিয়ে অস্বস্তিবোধ করছিলেন। তরুণ টের পেলেন তাদের মনোভাব। বিস্ময়কর এক সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। খ্যাতি তুঙ্গে থাকতেই দরস বন্ধ করে দিলেন। পরের সাত বছর অবস্থান করেন নিজের গৃহে। এই ফাঁকে কুতুবে সিত্তাহর সকল হাদিস সনদসহ মুখস্থ করে ফেললেন। সাত বছর পর গেলেন জামিয়া আজহারে। সেখান থেকে ইলম অর্জন করে ফিরে এলেন দামেশকে। পুরো শহর যেন তার প্রতীক্ষায় ছিল। উসমানী গভর্নর মিদহাত পাশার উপস্থিতিতে শুরু হলো প্রথম দরস। পরের ষাট বছর একটানা জামে উমাভিতে হাদিসের দরস দিলেন তিনি। এ সময় তার খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে মিসর থেকে হিন্দুস্তান, সর্বত্র। এই মানুষটি হলেন শামের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিসদের একজন শায়খ বদরুদ্দিন আল হাসানি রহিমাহুল্লাহ। শায়খ বদরুদ্দিন ছিলেন শামে ইলমে হাদিস চর্চার এক স্তম্ভ। কয়েক দশক ধরে তার মজলিস নিয়ন্ত্রণ করেছে দামেশকের জনজীবন ও চিন্তাধারা। মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি বাখিত আল মুতি একবার এলেন দামেশক সফরে। জামে উমাভিতে প্রবেশ করে তিনি বিভিন্ন হালাকাহয় কিছুক্ষণ বসেন। এরপর এলেন শায়খ বদরুদ্দিনের হালাকাহয়। কিছুক্ষণ আলোচনা শুনেই তিনি দ্রুত পা গুটিয়ে নেন, পোশাক সামলে আদবের সাথে বসেন। মজলিস শেষ হওয়ার পর তিনি বলেন, এমন মুহাদ্দিস যদি মিসরে থাকতো, তাহলে আমরা তাকে কাঁধে করে নিয়ে যেতাম, পায়ে হেঁটে যেতে দিতাম না। তিনি মিসরে থাকলে মুহাম্মদ আবদুহুদেরকেও পড়াতে পারতেন। একবার শায়খ রাগেব তাব্বাখ এলেন শায়খ বদরুদ্দিনের সাথে দেখা করতে। কোনো এক বিষয়ে শায়খের মধ্যস্থতা চাচ্ছিলেন তিনি। শায়খ বদরুদ্দিন শান্তভাবে কথা শুনলেন, এরপর মসজিদ থেকে বের হয়ে গেলেন। শায়খের একজন ছাত্র বললো, শায়খ গত ৩০ বছর ধরে মসজিদের ভেতর কোনো দুনিয়াবি কথা বলেন না। আপনাদের কথার জবাব দেয়ার জন্য তাই মসজিদ থেকে বের হয়েছেন। এক রমজানে দামেশকের এক পতিতালয়ে এক ব্যক্তি গেল কিছু অর্থ নিয়ে। পতিতাদের হাতে নগদ অর্থ দিয়ে বললো, শায়খ বদরুদ্দিন তোমাদের জন্য সামান্য হাদিয়া পাঠিয়েছেন। তিনি তোমাদের কাছে দোয়া চেয়েছেন। তারা অবাক হয়ে বললো, আমাদের মত পাপীরা কী করে শায়খের মত মহান মানুষের জন্য দোয়া করতে পারে? সেই ব্যক্তি বললো, কেউ যখন তওবা করে তখন সে নিষ্পাপ শিশুর মত পবিত্র হয়ে যায়। এই কথা শুনে কান্নার রোল পড়ে যায়। বহু পতিতা সেদিনই তওবা করে হেদায়াতের পথে ফিরে আসে। এক গায়ক এসে বললো , শায়খ আমি তওবা করতে এসেছি। শায়খ তাকে বুকে জড়িয়ে বললেন, চলুন, আপনি ও আমি একসাথে আল্লাহর কাছে তওবা করি। শায়খ যখন মদিনায় যেতেন আবেগের আতিশয্যে কাঁপতে থাকতেন। তিনি কখনো রওযার কাছাকাছি যেতেন না। বলতেন, আমার গুনাহ আমাকে কাছে যাওয়ার অনুমতি দেয় না। আমি ভয় করি। অথচ শায়খ প্রতিদিন প্রায় ৮০ হাজার বার দরুদ পাঠ করতেন। শায়খ সত্তর বছর দরস দিয়েছেন, কখনো বিরতি দেননি, এমনকি মৃত্যুর দিন সকালেও তিনি দরস দিয়েছিলেন। ১৯৩৫ সালে শায়খ যেদিন ইন্তেকাল করেন পুরো শহর যেন ভেঙ্গে পড়েছিল সেদিন। জানাজার স্থান থেকে কবরস্থানের দূরত্ব ছিল পনেরো মিনিটের, কিন্তু মানুষের ভীড়ের কারণে কবরস্থানে লাশ পৌঁছতে সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছিল।

বর্তমান সময়ে উম্মাহের একটি বড় সমস্যা হলো একটি বিষয়কে তার মূল পরিভাষার থেকে না বুঝে তাকে শাব্দিকরন করে সে ব্যাপারে সিন্ধান্ত দিয়ে দেয়া বা পরিভাষার নিজস্ব একটি ব্যাখ্যা দাড় করিয়ে সে ব্যাপারে সিন্ধান্ত প্রচার করা। এটা ইসলামি শরীয়ার দৃষ্টিতে খুবই খারাপ একটি কাজ। এই রোগের কারণে দ্বীনের বহু বিধানকে তো অনেকে বিকৃত করছেই, সাথে পশ্চিমা অনেক কুফরি বিশ্বাসকে নরমালাইজেসন করছে! একদল মুসলিম স্কলারদের তো শাব্দিকিকরনের এমন কঠিন রোগ পেয়ে বসেছে যে, ‘রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেকুলার রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছে’ এমন জঘন্য কথা বলতেও তাদের অন্তরাত্মা কেপে উঠছে না। এরা পশ্চিমের আইডোলজিগুলোর বাস্তবতাকে সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে শাব্দিকরণ ও নিজস্ব ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ দাঁড় করিয়ে পশ্চিমের বহু কুফরি বিশ্বাস ও মতবাদকে শুধু ইসলামি করছে এমন নয়, বরং এগুলো ইসলামেরই সৃষ্টি বলে মানুষকে এক অতল গোমরাহির দিকে নিয়ে যাচ্ছে। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি ওয়াজিউন। . ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা; দুই জীবনদর্শনের সঙ্ঘাত বই থেকে (প্রকাশিতব্য) (খাসভাবে দোয়া চাই, উস্তাদের আদেশ হলো বইটি এই বইমেলাতেই আনতে হবে। অথচ এখনো বহুরকমের কাজ বাকি! আল্লাহ যেনো কল্যাণের ফায়সালা করে)

একজন আমেরিকান প্রমাণ করতেছেন কেনো আমেরিকায় শরীয়াহ আইন জরুরি। https://youtube.com/shorts/TRQJDRRreMs?si=0vvzABt_VnS4zs71

কিছু হাদিসে এসেছে, আরব উপদ্বীপ থেকে ইহুদি-খ্রিস্টানদের বহিষ্কার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এর অন্তর্নিহিত কারণও এটাই ছিল যে, আরবের বুকে কুফরের অস্তিত্ব সহ্য করা হবে না। তাদের সামনে দুটি পথই খোলা থাকবে: হয় ইসলাম নয় তরবারি। কিন্তু আরবের বাইরে বসবাসকারীদের জন্য থাকবে তিন বিকল্প: ইসলাম, জিজিয়া কিংবা তরবারি। এই পার্থক্য যদি স্পষ্টভাবে হৃদয়ে গেঁথে রাখা যায়, তাহলে নানা জটিলতার সমাধান মিলবে; হাদিস ও কুরআনের বক্তব্যে কোনো সংঘর্ষও দেখা দেবে না। . মাওলানা আব্দুল আলীম ইসলাহী রহিমাহুল্লাহ আধুনিক যুগে জিহাদ; আপত্তি ও জবাব (কালান্তর থেকে প্রকাশিতব্য) অনুবাদ: সাদিক ফারহান

এসকল বক্তব্য আসলে ভালোই লাগে। স্পষ্ট জানা যায় ব্যক্তির চিন্তা ও বিশ্বাস সম্পর্কে। ভাইকে ধন্যবাদ বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য।
এসকল বক্তব্য আসলে ভালোই লাগে। স্পষ্ট জানা যায় ব্যক্তির চিন্তা ও বিশ্বাস সম্পর্কে। ভাইকে ধন্যবাদ বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য।

হেফাজতে ইসলাম প্রতিষ্ঠিতই হয়েছিল শয়তানদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য; শেষ পর্যন্ত এ হেফাজতে ইসলামকেই তারা গ্রাস করে ফেলে। কার কোন্ পদ থাকবে, সভায় কী সিদ্ধান্ত হবে, এসবকিছু সরকারের গোয়েন্দারাই ঠিক করে দিত। দ্বীনি শিক্ষাবোর্ডগুলোর প্রধান কে হবে, সেক্রেটারি কে হবে--তারাই ঠিক করে দিতো... . মুফতি আবুল হাসান আব্দুল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ (মাসিক আল-কাউসার, আগষ্ট ২০২৫) . গোয়ান্দারা কাদের মাধ্যমে সেগুলো ঠিক করতো? সেই লোকগুলো কী এখনো হেফাজতে আছে?

নিজেদের নিয়ে একটি ভীত হই। عن أبي أمامة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال من لم يغز و لم يجهز غازیا أو يخلف غازيا في أهله بخير أصابه الله بقارعة قبل يوم القيامة. (سنن أبي داود: باب كراهية ترك الغزو، ٤/١٥٨, رقم الحديث: ٢٥٠٣) আবু উমামা রা. থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি জিহাদ করল না, কিংবা জিহাদের জন্য কাউকে প্রস্তুত করল না, অথবা কোনো মুজাহিদের পরিবারকে ভালো আচরণের সাথে সহায়তা করল না আল্লাহ তাকে কিয়ামতের আগেই কোনো বড় বিপদ দিয়ে আক্রান্ত করবেন।” (সুনানে আবু দাউদঃ ৪/১৫৮, হাদীস নংঃ ২৫০৩)

প্রতিকূল পরিস্থিতিতে জালিম শাসকদের সামনে জযবা দেখানোর পরিবর্তে “মধ্যপন্থা”র পথ অবলম্বন করাকে বুদ্ধিমত্তার প্রমাণ বলে তুলে ধরা হচ্ছে। এমনটা করাই যেন এখন একদল আলেমদের একধরনের মজবুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি এটা তাদের স্বভাবেও পরিণত হয়ে গেছে। কারণ, তাদের সম্মান ও অস্তিত্বের টিকে থাকা এই অবস্থান গ্রহণের উপরই নির্ভর করছে! . ড. যিল্লে হুমা বিনতে আব্দুল আলীম ইসলাহী আধুনিক যুগে জি ]হা*দ; আপত্তি ও জবাব (প্রকাশিতব্য) অনুবাদ: Abu Usama Jafar হাফি. (পড়তেছি আর মানুষগুলোর সাহস দেখে অবাক হচ্ছি! পুরো দুনিয়াতে অল্প হলেই এই মজলুম বিধানের পক্ষে কিছু সাহস মানুষ আল্লাহ তৈরি করেছেন ও করছেন!)

ওলামায়ে দেওবন্দ গণতন্ত্রকে কীভাবে দেখতেন তা নিয়ে একদল কওমীর বড় ও ছোট মিলে যে অপপ্রচার করছে তা সম্পর্কে হাটহাজারী মাদরাসার উস্তাদ মাওলানা সাঈদ সাহেব গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছেন। শুনতে পারেন। এবং অন্যকে শুনাতে পারেন। https://youtu.be/ie9oc79iOVI?si=tTvSGf_fLXlX0PFj

বর্তমান যুগের বিভিন্ন জিহাদি সংগঠন ও তাদের কার্যকলাপ থেকে আপনারা যেরূপ নিজেদের মুক্ত ঘোষণা করছেন, ঠিক তেমনি আমরাও আপনাদের জিহাদি চিন্তা নির্মূলের প্রচেষ্টা থেকে নিজেদের সম্পূর্ণ মুক্ত ঘোষণা করছি। -আব্দুল আলিম ইসলাহি রহিমাহুল্লাহ অনুবাদ : Ariful Islam (প্রকাশিতব্য বই থেকে) (কী লাইন এগুলো! ভাইরে ভাই! ভারতের মত জায়গায় বসে এমন কথা বলা! আল্লাহ আল্লাহ! )

আসন্ন বইমেলায় প্রকাশিতব্য বই থেকে .... এই আলোচনার সারকথা হলো, জমিনের কোনো অংশে কুফরের প্রভাব ও ক্ষমতা বরদাশত করা হবে না। এবং হিজাজে কুফরের অস্তিত্বও বরদাশতযোগ্য নয়। হিজাজে কুফরের অস্তিত্ব শেষ করা এবং বাকি দুনিয়ার সকল ভূখণ্ড থেকে কুফর এবং কাফেরদের প্রভাব-প্রতিপত্তি খতম করা জিহাদ ও কিতালের উদ্দেশ্য। রাষ্ট্র বন্টনের প্রক্রিয়া এটি কুরআনি বাস্তবতা। যদি এর আলোকে দেশ ভাগ করা হয়, তাহলে একটি দেশ এমন ব্যক্তিদের অধীন হবে যারা, ১। আল্লাহ ও আখিরাতের দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখে। ২। আইন প্রনয়ণে একচ্ছত্র ক্ষমতা কেবল আল্লাহর বলে স্বীকার করে। ৩। ইসলামকে নিজের দীন অর্থাৎ একমাত্র জীবন বিধান হিসেবে মানে। এমন রাষ্ট্রকেই ফকিহগণ ‘দারুল ইসলাম’ পরিভাষায় ব্যক্ত করেছেন। আর অন্য আরেকটি দেশ এমন ব্যক্তিদের অধীন হবে যারা উপরের তিন বৈশিষ্ট্য থেকেই কিংবা যেকোনো একটি বৈশিষ্ট্য থেকে খালি হবে। এমন রাষ্ট্রকে ফকিহগণ ‘দারুল হরব’ পরিভাষায় ব্যক্ত করা করেছেন। পৃথিবীর সকল ভূখন্ডকে এই দুই ভাগে বিভক্ত করা যেতে পারে। বরং এটা বলা যথাযথ হবে যে, ভূখন্ডগুলোর এই দুই ভাগই হতে পারে, তৃতীয় কোনো ভাগ নেই। যেমন সকল মানুষের দুই ভাগই হতে পারে, এক ভাগ যারা আল্লাহর অনুগত ও মুসলিম, এবং অপর ভাগ আল্লাহর অবাধ্য ও কাফের। এ ছাড়া তৃতীয় কোনো প্রকার নেই। সুতরাং, মুসলিমদের যেমন কোনো ভাগ করা যায় না, তেমনি প্রথম প্রকার দেশ তথা ‘দারুল ইসলাম’-এরও অন্য কোনো ভাগ করা যায় না। অপরদিকে নাফরমানদের যেমন কয়েক প্রকার হতে পারে -উদাহরণস্বরূপ-কাফির, মুশরিক, মুনাফিক ইত্যাদি -তেমন তাদের দেশগুলোও কয়েক ভাগে বিভক্ত হতে পারে। যেমন, দারুল হরব, দারুল আমান, দারুল মুসালামাহ প্রভৃতি। আর প্রকৃত অর্থে যেমনিভাবে কাফের, মুশরিক, মুনাফিকদেরর নাম ভিন্ন ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও তাদের হাকিকত এক, তেমনি দারুল হরব ও দারুল কুফর, এবং দারুল আমান ও দারুল মুসালামাহ ইত্যাদি নাম ভিন্ন ভিন্ন হওয়া সত্ত্বেও হাকিকত একই।

বইটি এখনো প্রকাশিত হয়নি। এক উসিলায় আমার বইটা পড়ার তাওফিক হয়েছে! আসুক, তারপরেই বুঝবেন কী জিনিষ!
বইটি এখনো প্রকাশিত হয়নি। এক উসিলায় আমার বইটা পড়ার তাওফিক হয়েছে! আসুক, তারপরেই বুঝবেন কী জিনিষ!

জামাতে ইসলামি দলের বিকৃতি অনেকটা ঢাকা পড়ে গেছে তাদের দীর্ঘসময়ের মাজলুমিয়াতের কারণে। জামাত ক্ষমতার স্বার্থে কত বেশি পরিমান দীনকে বিকৃত করতে পারে, মুসলমানদের বিপদে ফেলতে পারে তার অনেকটাই সামনের দিনগুলোতে স্পষ্ট হয়ে যাবে। খুবই দুঃখ লাগে এই জামাতটির জন্য, তরুনদের এত বড় একটি দল পেয়েও রাজনৈতিক পথভ্রষ্টতা ছাড়া আর কিছুই দিতে পারেনি।

এটাই মুসলমানদের প্রকৃত ইতিহাস, হাতেগণা কিছু মানুষের সামনে ভেড়ার পালের মত পালিয়ে যাচ্ছে শতশত পশ্চিমা প্রশিক্ষিত বাহিনী। সোমালি
এটাই মুসলমানদের প্রকৃত ইতিহাস, হাতেগণা কিছু মানুষের সামনে ভেড়ার পালের মত পালিয়ে যাচ্ছে শতশত পশ্চিমা প্রশিক্ষিত বাহিনী। সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশু

বইটার বাংলা নামটা সুন্দর না হলেও গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের নির্বাচন নিয়ে বেশ চমৎকার একটি কাজ। . বইটি মূলত পাকিস্তানের দুজন দেওবন্
বইটার বাংলা নামটা সুন্দর না হলেও গণতন্ত্র ও গণতন্ত্রের নির্বাচন নিয়ে বেশ চমৎকার একটি কাজ। . বইটি মূলত পাকিস্তানের দুজন দেওবন্দি আলেমের লেখা। . নির্বাচন নিয়ে আমাদের আকাবীরে দেওবন্দের যে প্রচলিত তাকয়িফ সেগুলোর ইলমি খণ্ডন করার চেষ্ঠা করেছেন উভয় লেখক। . যারা প্রচলিত রাজনীতির ভোটের শরয়ী দিকটি জানতে চান তারা আশা করি এই বই থেকে উপকৃত হবেন। . বইয়ের অনুবাদের মান ভালো হলেও ভিতরে সেটাপের মান খুবই খারাপ! এত চমৎকার বইটি আরো সুন্দর করে আসতে পারতো। আর প্রকাশক কর্তৃক বইয়ের যে দুর্দান্ত নাম দিয়েছে, সুবহানাল্লাহ!!