en
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

Open in Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Show more

📈 Analytical overview of Telegram channel Abdullah bin bashir

Channel Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) in the Bengali language segment is an active participant. Currently, the community unites 11 301 subscribers, ranking 8 113 in the Religion & Spirituality category and 2 033 in the Bangladesh region.

📊 Audience metrics and dynamics

Since its creation on невідомо, the project has demonstrated rapid growth, gathering an audience of 11 301 subscribers.

According to the latest data from 26 June, 2026, the channel demonstrates stable activity. Although there has been a change in the number of participants by 62 over the last 30 days and by -2 over the last 24 hours, overall reach remains high.

  • Verification status: Not verified
  • Engagement rate (ER): The average audience engagement rate is 19.37%. Within the first 24 hours after publication, content typically collects 8.09% reactions from the total number of subscribers.
  • Post reach: On average, each post receives 2 188 views. Within the first day, a publication typically gains 914 views.
  • Reactions and interaction: The audience actively supports content: the average number of reactions per post is 46.

📝 Description and content policy

The author describes the resource as a platform for expressing subjective opinions:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

Thanks to the high frequency of updates (latest data received on 27 June, 2026), the channel maintains relevance and a high level of publication reach. Analytics show that the audience actively interacts with content, making it an important point of influence in the Religion & Spirituality category.

11 301
Subscribers
-224 hours
+47 days
+6230 days
Posts Archive
হযরত থানবির সেবামূলক কাজ হযরত থানবি বলেন, 'আমি (শুরু যামানায়) কানপুরের পটকাপুর মহল্লাতে থাকতাম, সেখানের লোক স্বাধীনচেতা ও নির্লজ্জ বলে খ্যাত ছিলো। কিন্তু সেখানের লোকদের সাথে আমার সর্বদা মহব্বতের সম্পর্কই ছিলো। কারণ আমি তাদের সাথে কখনো কঠোরতা করিনি এবং কখনো তাদের কাছে লোভ-লালসা করিনি। বরং বিশেষ বিশেষ সময়ে আমি সেখানের গরিবদের সাহায্য-সহযোগিতা করতাম। একবার এলাকায় দুর্ভিক্ষ হলে প্রতিবেশীদের প্রতি করনীয় হিসেবে আমি একাধিকবার চাদা তুলে গরিবদের মধ্যে খাদ্য ও কাপড় বিতরণ করেছিলাম।' সূত্র: আশরাফ চরিত, খাজা আযীযুল হাসান মাজযুব পৃ. ৭০

আমাদের চিন্তা কতো সংকীর্ণ! পাশের দেশের আধিপত্য বিস্তারের প্রক্রিয়ায় থানবি-মাদানি বিরোধ খুঁজে বেড়াই! অথচ কতো ভয়ানক আধিপত্যবাদী আগ্রাসনের মুখে আমরা দাঁড়িয়ে আছি। নেসাব তো স্বীকৃতির অনিবার্য পরিণতি। যারা আগে সচেতন ছিলেন, তারা এই পরিণতি সম্পর্কে আশংকিত ছিলেন। যারা পক্ষে ছিলেন তারা হয়তো আচ করতে পারেন নি কিংবা খামখেয়ালিতে ছিলেন। এখনকার বিরোধটা গোড়া থেকেই নিরসন না করার ফলাফল। সুতরাং খণ্ডিত পরিণতি নিয়ে ভাবলে বারবার আলাপে মেতে উঠতে হবে। আমাদেরকে হয়তো আরো গোড়া থেকে ভাবতে হবে। এই যে শেকড় থেকে ভাবনা _এটার শুরুটা মাওলানা যুবাইর সাহেব করেছিলেন। যখন করেছিলেন, তখন অনেক বিষয় দৃশ্যমান ছিলো না। তাই লেখকের সমালোচনায় সকলে একহাত নিয়েছিলো। আমি বলছি না, মাওলানা যুবাইর সাহেবের মতোই বলতে হবে। তবে ভাবতে হবে তার মত গোড়া থেকে, শেকড় থেকে। এটাতে আমাদের দেওবন্দি ধারার সংশোধন ও কওমি নেসাবে সুরক্ষা আছে বলে মনে করি। মাওলানা মিজানুর রহমান বিন আলী

একটা বিষয় এখন থেকেই সতর্ক হওয়া দরকার, . সম্প্রতী ফিফার কিছু এক্টভিটি সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করেছে, সে থেকেই আমার বিষয়টি মনে হলো। আগামী ফুটবল বিশ্বকাপ হবে আমেরিকা ও কানাডায়। আর এই বিশ্বকাপ শুধুই বিশ্বকাপ হবে না, হবে কওমে লুত ও আধুনিক কওমে লুত ট্রা...গন্ডারকে বিশ্বব্যাপি নরমাল ও প্রচার করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম। আর সেজন্য শয়তানের সরাসরি দোষরদের এখন থেকে (যদিও আরো বহু আগে থেকেই) দৌড়ঝাপ শুরু হয়েছে। যদি মুসলিম উম্মাহের সন্তানরা এখন থেকেই এই বিষয়ে সতর্ক না হন, তাহলে বিশ্বকাপের আগ মুহুর্তে আর চলাকালিন সময়ে দৌঁড়ঝাপ খুব বেশি কাজে আসবে না। . তাই সকল মুসলিম দায়ী ও আলেম সমাজের প্রতি বিনীত অনুরোধ থাকবে এখন থেকেই নিজেদের কাজকে সাজাতে না পারলে এই ধ্বংস থেকে আমি আপনি কেউ বাঁচতে পারবো না। . প্রথম কাজ হলো এখন থেকেই যুব সমাজকে প্রত্যেকের সাধ্যমতে খেলা দেখা থেকে বিরত রাখা, পুরো চার বছর সে ছেলে লীগের খেলা দেখে বেড়ে উঠবে এক চূড়ান্ত খেলার নেশায় তাকে হঠাৎ সে নেশা থেকে বারণ করলে উলটো রিয়েকশন হবে, যেহেতু আপনার হাতে শক্তি নেই। বরং সকল শক্তিই আপনার বিরুদ্ধে। দ্বিতীয়ত, কা*ফে(রদের সাথে ওয়ালা-বারার মাসআলাগুলো খুব আলোচনা করুন, তারা আমাদের চিরশত্রু, তাদের প্রতি মুগ্ধতা, ভালোবাসা, তাদের উপর ভরসা, তাদের কল্যাণকামী মনে করা এর কোনোটারই সুযোগই ইসলামে নেই, এই মাসআলাগুলো খুব বলেন। তৃতীয়, পশ্চিমা প্রতিটি আইডোলজিকে--সে*কু, লিবার, হিউম্য.. ইত্যাদি গোড়া থেকে বুঝার চেষ্ঠা করেন ও মানুষকে বুঝান, কারণ তারা ঠিক ঐ শব্দগুলো দিয়েই আপনার ঈমানকে নষ্ট করবে যা গত দুই-একশো বছর ধরে করছে। চতুর্থ, উপরের বিষয়গুলো বুঝা দ্বীনের লাইনে এগিয়ে আসা ভাইরা প্রত্যেকেই যার যার জায়গা থেকে আরো এগিয়ে আসুন দ্বীনকে দুনিয়ার বুকে বিজয়ের করার মেহনতে। কারণ এই চতুর্মুখি ফিতনায় দ্বীনকে বিজয় করার মাধ্যমে আপনি যতটা নিরাপদ থাকতে পারবেন ও রাখতে পারবেন তা আর কিছুর মাধ্যমেই সম্ভব না। এজন্য দাওয়াত, তালিম, তাজকিয়া, জি*হা*দ, হার লাইনের প্রতিটি ব্যক্তিই নিজ জায়গা থেকে একটু এগিয়ে আসুন, আরেকটু সামনে বাড়ুন, কুরবানির আরো বড় নাজরানা দেয়ার জন্য নিজেকে তৈরি করুন। . আল্লাহ আমাদের সকলকে দ্বীনের জন্য কবুল করে নিক। আমীন।

খাজা আজিজুর রহমান মজযুব রহ. একবার দরখাস্ত করলেন, 'হযরত আমার জন্য এই দোয়া করুন, যেনো কলবে গুনাহ না থাকে।' হযরত থানভি রহ. তা শুনে বললেন, 'দেয়াল হয়ে কী লাভ?' অতপর দেয়ালের দিকে ইশারা করে বললেন, 'দেখুন, এ দেয়াল দেয়ালই, কোনো সাওয়াবই সে পায় না। মানুষের কৃতিত্ব তো এই যে, গুনাহের আকর্ষণ হওয়া সত্ত্বেও সে নিজেকে বিরত রাখে এবং গুনাহ হতে দেয় না।' . আশরাফ চরিত পৃ.২৪৭ খাজা আজিজুর রহমান মজযুব রহ. #থানভির_পরশে ৪

হারানো দিনগুলো-৩ কথার পিঠে কথা চলেই আসে। আমাদের সুনানে নাসায়ীর উস্তায উস্তাযে মুহতারাম মুফতী মাহমূদ হাসান গাঙ্গুহী রহ. ও নাসীর আহমদ খান সাহেব রহ. দু’জনই শায়খুল ইসলাম মাদানী রহ. এর শাগরেদ ছিলেন। কিন্তু এরপরও আমরা দেখেছি, নাসীর আহমাদ খান সাহেব রহ. সহীহ বুখারী প্রথম খণ্ডের প্রথম দারসটি মুফতী মাহমূদ হাসান গাঙ্গুহীকে দিয়ে শুরু করাতেন এবং শেষ দারসেও মুফতী সাহেবকে নিয়ে আসতেন। তিনি মুফতী সাহেব রহ. এর সামনে একজন অনুগত শাগরেদ হিসাবে নিজেকে প্রকাশ করতেন। অথচ আমার জানামতে তাঁদের দু’জনের বয়স ও পড়ার সময়কালের মাঝে খুব বেশি তফাত ছিল না। আল্লাহ আমাদের আসাতেযায়ে কেরামকে তাঁদের সদাচার ও উত্তম আদর্শ প্রতিষ্ঠার সর্বোচ্চ বদলা দান করুন। . সহীহ বুখারীর প্রথম দারসের ঘটনা অথবা শেষ দারসের ঘটনা। এখন নিশ্চিত করে মনে নেই। মুফতী মাহমূদ গাঙ্গুহী রহ.কে নসীর আহমাদ খান সাহেব রহ. হাদীসের দারসের আসনে বসিয়ে দিয়ে নিজে পেছনে গিয়ে নিচে জড়োসড়ো হয়ে বসে পড়েছেন। কোন এক প্রয়োজনে মুফতী সাহেব রহ. নাসীর আহমাদ খান সাহেবেকে স্মরণ করেছেন। সম্ভবত ‘শায়খুল হাদীস সাহাব কাঁহা হ্যাঁয়’ বা এ জাতীয় কোন একটি বাক্য ব্যবহার করেছেন। নাসীর আহমাদ খান সাহেব রহ. তড়াক করে উঠে এসে মুফতী সাহেবের পায়ের কাছে এস বসে পড়লেন এবং বললেন, ‘খাদেম হাজের হ্যায়’। মুফতী সাহেব রহ. বললেন, ‘সাইয়েদুল কাওমে খাদিমুহুম’। এরপর তাঁকে পাশে বাসিয়ে দারসের বাকি কাজ সম্পন্ন করেছেন। আল্লাহ আমাদের আসতেযায়ে কেরামকে আমাদের মাথার তাজ হিসাবে কবুল করুন।

সাদেক এগ্রোদের বর্তমান এত পাওয়ার আর এত কিছু থাকার পরেও আজকে ভেঙ্গে দেয়ার ইস্যুটা আমার কাছে মনে হচ্ছে, ‘বড়কিছুর জন্য ছোট কিছুকে কুরবানি দেয়া!’ আল্লাহই ভালো জানে, এদেশের মুসলিমদের উপর কী ধেয়ে আসছে!

ফিলিস্তিনের এবারের ইস্যুতেও যারা এই যামানার মুজাদ্দিদদের দেয়া ‘সাপের মাথা’ তত্ত্ব বুঝেন নাই, এবং মুজাদ্দিদদের দূরদর্শিতা উপলব্ধি করতে পারছেন না, তাদের জন্য শুধুই আফসোস! . যামানার মুজাদ্দিদদের আর কোনো কীর্তি যদি আলোচিত নাও হয় শুধু এতটুকুই যথেষ্ট যে, তারা এই মৃতপ্রায় উম্মাহের মাঝে জি*হা*দের রূহ ফুকে দিয়েছে এবং তাদের আসল শত্রু চিহ্নিত করিয়ে দিয়েছে। . একটি বার স*ন্ত্রা*সী ই*জ র।ইলের ইস্যুটা কল্পনা করেন, আজ যদি আমেরিকা না থাকতো তাহলে এই অভিশপ্তদের কী অবস্থা হতো?

উর্দু ভাষায় সর্বপ্রথম ইসলামি সিয়াসাত বিষয় লেখা বই ও আল্লাহর শুকরিয়া আদায় . আরবীতে প্রাচীন যুগ থেকে নিয়ে বর্তমান অনেক বেশি না হলেও ইসলামি সিয়াসাত ও খি*লা*ফাত নিয়ে প্রচুর কাজ হয়েছে। ইমাম আবু ইউসুফ ও মুহাম্মদ রহ. থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত এর লম্বা তালিকা রয়েছে। কিন্তু উর্দু ভাষায় এই বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ কোনো কাজ তখনও তেমন হয়নি। মুসলিম লীগ যখন একটি ইসলামি রাষ্ট্রের দাবী তুললো তখন তাদের মাথায় আসলো আমরা যে ইসলামি রাষ্ট্রের দাবী তুলছি সে ইসলামী রাষ্ট্রটি পরিচালিত হবে কীভাবে? সে ইসলামি রাষ্ট্রটা আসলে কী? তখন এই চিন্তা থেকেই সে সময়ের সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম সাইয়েদ সুলাইমান নদবি রহ.-এর কাছে মুসলিম লীগের কয়েকজন উচ্চপদস্থ নেতা ইসলামি সিয়াসাতের একটি সংক্ষিপ্ত রূপ তৈরি করার জন্য একটি কমিটি করে তাদের সকলের তত্ত্বাবধানে যেনো কাজটি হয় সে ব্যাপারে আবেদন করেন। তখন সুলাইমান নদবি রহ.-এর তত্ত্বাবধানে কয়েকজনের একটি কমিটি গঠন হয়, যারা ছিলেন, ১. সাইয়েদ সুলাইমান নদবি ২. মাওলানা মওদুদি ৩. মাওলানা আব্দুল মাজেদ দরিয়াবাদি ৪. মাওলানা আজাদ... (মাওলানা আব্দুল মাজিদ দরিয়াবাদি রহ.এর মতে আরো একদুজন ছিলো সে কমিটিতে যাদের নাম উনার মনে নেই) কমিটির প্রধান সাইয়েদ সুলাইমান নদবি রহ. উক্ত বিষয়টি লেখার জন্য নদওয়াতুল উলামার সে সময়ের উস্তাদ (যিনি পরবর্তীতে নদওয়ার শাইখুল হাদিস হন) ইসহাক সান্দলবি রহ.কে দায়িত্ব দেন৷ তিনি কয়েকমাসের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত একটি কিতাবই লেখে ফেলেন৷ যা সাইয়েদ সুলাইমান নদদি, আব্দুল মাজিদ দরিয়াবাদি ও কমিটির সকল সদস্য পড়েন ও এই বিষয়ে নিজের মতামত দেন। এরসাথে সুলাইমান নদবি রহ. পুরো বইটির বিভিন্ন স্থান সংশোধন করেন। কিন্তু পরবর্তীতে বিভিন্ন কারনে কিতাবটি আর ছাপানো হয় না। সে আরেক ইতিহাস। বহু পরে দরিয়াবাদি রহ.-এর মাধ্যমে এক লোকের ইচ্ছায় বইটি ছাপানো হয়। .৷৷

Islam-Ka-Siyasi-Nizam.pdf34.17 MB

ইংরেজরা আমাদের শুধু সম্পদই লুট করেনি, আমাদের চরিত্র, আমাদের আত্মশুদ্ধি, আমাদের নৈতিকতা সবকিছু তারা লুট করে গেছে। আমাদের শিখিয়ে গিয়েছে কীভাবে দুর্নীতি করতে হবে, কীভাবে নেশার জগতে হারিয়ে যেতে হবে!

আজকের এই দিনে ২০২১ সালে রাষ্ট্র*দ্রোহি পাহাড়ি স*ন্ত্রা*সী*দের হাতে নির্মমভাবে শ*হীদ হোন নওমুসলিম ওমর ফারুক ত্রিপুরা রহঃ। শ*হীদ ওমর ফারুক ত্রিপুরা রহঃ ২০১৪ সালে এ অধমের হাতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন আলহামদুলিল্লাহ। এরপর থেকে নানান প্রতিকূল মুহূর্তের সম্মুখীন হতে হয় তাঁকে! কিন্তু কখনো কোন মূল্যেই নিজের ঈমান-ইসলাম থেকে পিঁছু হটেননি এ অধম্য সাহসী মানুষটি! যিনি ছিলেন ওমর ফারুক রাঃ এর প্রকৃত উত্তরসূরী! ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করার পর ইসলামকে প্রচার প্রসার করা যিনি নিজের গুরুদায়িত্ব হিসেবে নিয়েছিলেন এবং প্রায় ৩০'টি পরিবারকে ইসলামের সুশীতল ছায়া তলে নিয়ে এসেছিলেন। যারফলে টার্গেটে পরিনত হয় রাষ্ট্র*দ্রোহি পাহাড়ি স*ন্ত্রা*সী*দের! তিনি নিজের জান কুরবান করেছেন কিন্তু ইসলামের দাওয়াত থেকে পিঁছু হটেননি! . যখন রিমান্ডে আমাকে বলা হচ্ছিল আমিই নাকি তাঁর খু*নি! তখন নিজের বিতরটা কষ্টে চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যাচ্ছিলো! একদিকে ভাইকে হারানোর ব্যাথা অন্যদিকে তাঁর খু*নের দায় আমার উপরেই চাপানো! এ যেন কাটা গায়ে নুনের ছিটে দেওয়ার নামান্তর! তাদের যুক্তি হলো আমি কেন তাঁকে মুসলিম বানিয়েছি? আজ মুসলিম হওয়ার জন্যই তাঁকে প্রাণ দিতে হয়েছে! অতএব আমার জন্যই সে খুন হয়েছে! আসতাগফিরুল্লাহ্, কতবড় আহাম্মক হলে এমন কথা বলতে পারে! . আমরা দোয়া করি, আল্লাহ তায়া'লা ভাইকে জান্নাতের উঁচু মাকাম দান করুন। অবশ্যই শ*হীদরা বিনে হিসেবে জান্নাতি এতে কোন সন্দেহ নেই। দ্বীনের জন্য আল্লাহ তায়া’লা আমাদের'কেও শ*হীদ হিসেবে কবুল করুন। আমিন

photo content

দেশটাকে সে একদিনে তুলে দেয় নাই, তুলে দিয়েছে ধীরে ধীরে এবং মোটামুটি গত দশ বছরে তা প্রকাশ্যেই ছিলো। এদেশকে বন্ধুদের হাতে তুলে দেয়ার অর্থ শুধুই দেশের ভুখণ্ড নয় বরং এদেশের ইসলামকেও তাদের হাতে তুলে দেয়া! . এমন একজন ব্যক্তি ও তার প্রশাসনের ব্যাপারে আমাদের দেশের বিভিন্ন ঘরোনার আলেমদের যে প্রশংসাবানী গত দশ বছরে এসেছে এগুলো দেখলে শুধু একটা কথাই মনে হয়, ইতিহাস আমাদের কত নিকৃষ্ট পদ্ধতিতে মূল্যায়ন করবে—এক প্রকাশ্যে ইসলাম বিদ্বেষীকে এই ভুখণ্ডের আলেমগণ উলুল আমর, জান্নাতি, জননি বলে বিশ্বাস করতো! ভাবতেও লজ্জায় মাথা নুইয়ে আসে! . তবে এতকিছুর পরও ইতিহাস এটাও মূল্যায়ন করবে, অল্প সংখ্যক কিছু আলেম যাদেরকে তাদের স্বজাতিরাই ঘর ছাড়া করেছে, তারা লড়ে গিয়েছিলো তাদের সর্বোচ্চ দিয়ে।

সময়ের প্রয়োজনীয় একটি বই! . সময়ের প্রয়োজনীয় বইয়ের প্রথম খণ্ড পড়ে শেষ করলাম। অনেকদিন পড়বো পড়বো করে হচ্ছিলো না, পরে নিয়ত করলাম কুরবানির বিরতিতে বইটি পড়ে শেষ করবো ইনশাআল্লাহ। গতকাল প্রথম খন্ড শেষ হলো আলহামদুলিল্লাহ, তা নিয়েই কিছু কথা বলি। . আকিদাতুত তহাবি যদি সাহাবায়ে কেরামের যুগে লেখা হতো তাহলে তা হতো আরো সংক্ষিপ্ত! কারণ আকিদাতুত তহাবিতে এমন অনেক আকিদা আছে যেগুলোর প্রয়োজন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের জামানায় বা সাহাবাদের যামানায় ছিলো না। যেমন, মুজার উপর মাসেহে, আফজালিয়্যাতুশ শায়খাইন ইত্যাদি। সময়ের প্রয়োজনে এমন অনেক বিষয় সামনে আসে, যেগুলো মুসলমানদের আকিদার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়। আর যুগের ওলামায়ে কেরাম সে প্রশ্নগুলো সমাধান দেন এবং সেগুলোর অবস্থান বর্ণনা করে মুসলমানদের ঈমমান ও আমল রক্ষায় সেগুলোকে মূল আকিদার কিতাবে স্থান দেন। আমাদের আলোচিত এই বইটিও সময়ের সে মহান খেদমত পূরণের একটি অনন্য নজির হয়ে থাকবে ইনশাআল্লাহ। সময়ের কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যেগুলোতে মুসলমানরা আজ দীর্ঘদিন আক্রান্ত হয়ে আছে, যেগুলোর সমাধান মুসলমানদের ঈমান ও আমল রক্ষায় অতি গুরুত্বপূর্ণ ছিলো, কিন্তু দুঃখজনক হলেও সে বিষয়গুলো আমাদের আকিদার মূল জায়গায় আলোচিত সেভাবে হয়নি। আমাদের সকলের শ্রদ্ধেয় মাওলানা Sayed Ahmad সাহেব দা.বা সে মহান দায়িত্বটি আঞ্জাম দেয়ার চেষ্টা করেছেন, ওলামায়ে কেরামের দৃষ্টি আকর্ষনের পূর্ণ চেষ্টা করেছেন। আল্লাহ লেখককে জাযায়ে খায়ের দান করুক। আমীন। . বইটি ভালো বই, আর ভালো বই নিয়ে তেমন কিছু বলার থাকে না৷ কিন্তু এই বইয়ের সবচেয়ে ভালোলাগার দিক হলো, ১. সমকালীন এদেশে আকিদার যতগুলো বিষয় বিভিন্ন মহলে আলোচিত, তার সবগুলোকে ওলামায়ে কেরামের বক্তব্যের আলোকে সমাধান দেয়ার চেষ্টা করেছেন লেখক। যে সকল ভাইরা আকিদার বিভিন্ন প্রশ্নগুলোতে পেরেশান হয়ে আছেন তাদের জন্য এই বইটি অবশ্যই পাঠ্য। ২. বইতে আমার সবচেয়ে ভালোলাগার স্থান হলো নাওয়াকিজুল ঈমানের অংশটুকু। লেখক নাওয়াকিজুল ইমানকে ফুকাহায়ে কেরাম ও মুতাকাল্লিমিন ওলামায়ে কেরামের বক্তব্যের আলোকে একদম নতুন করে সাজিয়েছেন। এবং নাওয়াকিজুল ঈমানের প্রচলিত যে কথাগুলো আছে সেগুলোকে গোড়া থেকে সমাধান দিয়েছেন। ৩. নাওয়াকিজুল ঈমানের অংশটুকুতে লেখক সময়ের অত্যান্ত প্রয়োজনীয় কিছু বিষয় যুক্ত করেছেন, যেগুলোতে আজ পুরো মুসলিম বিশ্ব আক্রান্ত। যেমন, সে*কুলা*রি*জ*ম, হি*উম্যা*নিজ*ম, গ*ণ*ত*ন্ত্র ইত্যাদি। লেখক এগুলোকে নাওয়াকিজুল ঈমানের মধ্যে যুক্ত করেছেন এবং এগুলোর বিষয়ে আমাদের অবস্থান কী হবে সে ব্যাপারে নিরপেক্ষ আলোচনার চেষ্ঠা করেছেন। . এখানে একটা বিষয় বলা দরকার, আধুনিক নাওয়াকিজুল ঈমানের আলোচনায় লেখকের মূল বিষয়ের সাথে আমিও একমত। তবে সেখানের কিছু তাতবিকের বিষয়ে আমার সামান্য কিছু দ্বিমত আছে, আর এটা থাকাটা কোনো দোষের বিষয়ও নয়, যেমন নির্বাচনের শরয়ী তাতবিক, অমুসলিমদের সাথে জোট করার বিষয়। বিশেষত অমুসলিমদের সাথে জোটের বিষয়টি অনেক বেশি সংক্ষিপ্ত হয়ে গিয়েছে, এখানে শুধুই মুফতি কেফায়াতুল্লাহ রহ.-এর ফতোয়ার আলোচনার সাথে লেখক ইখতিলাফের দিকে ইঙ্গিত করলেই বোধহয় ভালো হতো। তদ্রুপ, নির্বাচনের বিষয়েও যদি করতেম তাহলে সুন্দর হতো। . যাইহোক, বইটি সকলের পাঠ্য। অবশ্যই আকিদার বিষয়ে যারাই বিভিন্ন বিভ্রান্তিতে আছেন, বা এই বিষয়ে কিছুই জানেন না, বিশেষত মাদরাসার তালেবে ইলম ভাই যারা আকিদাতুত তহাবি বা শরহে আকিয়েদ পড়ছেন তাদের জন্য অবশ্যই সংগ্রহ করে খুব গভিরতার সাথে বইটি আদ্যোপান্ত বারবার পড়া প্রয়োজন।

photo content

কাবার বর্তমান ইমাম। মুসলমানদের সকল সমস্যা যদি কেবল দোয়ার মাধ্যমেই সমাধান হতো, তাহলে রাসুলুল্লাহ কোনো যুদ্ধ করতেন না; অথচ তিন
কাবার বর্তমান ইমাম। মুসলমানদের সকল সমস্যা যদি কেবল দোয়ার মাধ্যমেই সমাধান হতো, তাহলে রাসুলুল্লাহ কোনো যুদ্ধ করতেন না; অথচ তিনি শ্রেষ্ঠ মুসতাজাবুদ দাওয়াত।‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। এযাবত শায়েখের সবচে সাহসী উচ্চারণ।

ড. যাহেদ সিদ্দিক মোঘল সাহেবের কিয়াস বিষয়ক নয় পর্বের একটি দরস/লেকচার রয়েছে। আগ্রহীরা অবশ্যই শুনবেন। বিরতি সময়টা আশা করি কাজা লাগবে। . কিয়াস বিষয়ক আমাদের অনেক জেনারেল ভাইদের ধারনা একদম নাই বললেই চলে, যার কারণে অনেকে ফিতনার শিকার হয়ে যায়। আবার অনেক মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইয়াদেরও কিয়াসের অধ্যায় পুরো স্পষ্ট না। যাইহোক, জেনারেল ভাইদের থেকেও মাদরাসার তালেবে ইলম ভাইরা আলোচনাটি থেকে বেশি উপকৃত হবেন বলে আমার মনে হয়। বাকি জেনারেল ভাইরাও শুনতে পারেন, পূর্ণ না বুঝলেও আশা করে অন্তত এতটুকু বুঝতে পারবেন যে, ইসলামে কিয়াসের অবস্থান কতটা জরুরি এবং তার প্রয়োজনীয়তা কত বেশি। . বি.দ্র. যাহেদ সিদ্দিক মোঘল সাহেব বিভিন্ন কারনে ইমাম গাজালির প্রতি অত্যাধিক মুগ্ধ। এবং এই মুগ্ধতা এতটাই যে, হানাফি হওয়া সত্ত্বেও বহু বিষয়ে উনি ইমাম গাজালির মতকে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন। তাই উনার যেকোনো আলোচনা শুনার সময় তালেবে ইলম ভাইরা বিষয়টি খেয়াল রাখবো। . দরসের লিংক: https://youtube.com/playlist?list=PLXqp9lMYPkCvKrYmnvlPDVR6t3aWUkikx&si=GenKv4RbA87kznc6

“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ” এই দুই কথাকে বিশ্বাস করে যে জীবনব্যবস্থা গঠন হয়েছে কিতাবুত তাহারাত থেকে কিতাবুল মিরাছ পর্যন্ত তা হলো ইসলাম ও দ্বীন। আর “মানুষই হলো এই দুনিয়ার একমাত্র কেন্দ্র এবং এই দুনিয়াই মানুষের জীবনের শেষ কথা” এই দর্শনকে কেন্দ্র করে যে জীবনব্যবস্থা—সেকুলারিজম, লিবারিজম, পুঁজিবাদ ইত্যাদি তা আরেকটা দ্বীন। আমি এতটুকু বুঝি।

মুসলিমদের কোনো কাজ শরীয়তের দৃষ্টিতে অহেতুক বা অপছন্দনীয় কিন্তু সে কাজটি কাফেরদের অন্তরে আগুন জ্বালিয়ে দেয়, তারা মুসলমানদের সে কাজটি নিয়ে হিংসা করে এবং সে হিংসা তাদের কষ্টের কারণ হয় তাহলে এমন কাজকে চলমান রাখা এবং সে কাজকে সমর্থন করা খারাপ কিছু নয় বরং এটাই ছিলো সালাফদের আমল। উম্মাহের মুজাদ্দিদ ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের একটি আমল দেখুন। “৮৭ হি.তে খলিফা ওয়ালিদ ইবনে আব্দুল মালিকের হুকুমে দামেশকের জামে মসজিদের নির্মান কাজ শুরু হয়। পাঁচবছর সময় লাগিয়ে শুধু ভিত দাঁড়া করানো হয় এবং সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করতে লাগে প্রায় বিশ বছর। প্রচুর স্বর্ণ, রূপা ও দামি দামি পাথর ব্যবহার করা হয় সে মসজিদে। প্রথম শতাব্দীর মুজাদ্দিদ খলিফা ওমর আব্দুল আজিজ রহ. যখন খিলাফতের দায়িত্বে আসেন তখন মসজিদে এত বেশি স্বর্ণ-রৌপ্য ব্যবহারকে অহেতুক মনে করলেন। তাই সেগুলোকে মসজিদ থেকে খুলে বাইতুল মালে জমা করার ইচ্ছে পোষণ করলেন। সে সময় রোমের রাজার পক্ষ থেকে একদল দূত দামেশক আসে। তারা অপরূপ এই মসজিদটির সৌন্দর্য অবলকন করে অবাক হয়ে বলতে লাগলো—‘আমরা কল্পনাও করতে পারছিনা মুসলমানরা এত সুন্দর নির্মান কাজ করতে পারে। আমরা রোমানরা সর্বদা পরস্পর বলাবলি করি, মুসলিমদের ক্ষমতা খুব বেশিদিন ঠিকবেনা। কিন্তু এই নির্মান কাজ দেখে এখন আমাদের বিশ্বাস তাদের ক্ষমতা আমাদের ভাবনার থেকেও বেশি স্থায়ী হবে।’ খলিফা ওমর ইবনে আব্দুল আজিজের কাছে যখন এই সংবাদ পৌঁছলো তখন উনি যে উত্তর দিলেন তা আজও আমাদের জন্যে রয়েছে শিক্ষা। এবং কাফেরদের সাথে আচরণ ও সৌহার্দ্যর কর্মপন্থা ৷ তিনি বলেন— ’أو إن هذا لغيظ الكفار؟ دعوه،‘ ‘আমাদের এই কর্ম যদি সত্যিই কুফফারদের অন্তরে জ্বালা সৃষ্টি করে এবং তা তাদের ক্রোধ বৃদ্ধি করে তাহলে তা এভাবেই থাক।’ সূত্র: আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া ১২/৫৮১,ইবনে কাসির রহিমাহুল্লাহ

আমি বলি, একেই বলে পবিত্র ভুমির মুসলিম। শায়খ তাকী উদ্দিন হাফিজাহুল্লাহ।