1 228
Subscribers
No data24 hours
-47 days
-730 days
Data loading in progress...
Similar Channels
Tags Cloud
No data
Any problems? Please refresh the page or contact our support manager.
Incoming and Outgoing Mentions
---
---
---
---
---
---
Attracting Subscribers
September '26
September '26
+4
in 0 channels
August '26
+13
in 0 channels
Get PRO
July '26
+22
in 0 channels
Get PRO
June '26
+14
in 0 channels
Get PRO
May '26
+17
in 0 channels
Get PRO
April '26
+18
in 0 channels
Get PRO
March '26
+24
in 1 channels
Get PRO
February '26
+13
in 0 channels
Get PRO
January '26
+14
in 0 channels
Get PRO
December '25
+18
in 1 channels
Get PRO
November '25
+25
in 0 channels
Get PRO
October '25
+27
in 2 channels
Get PRO
September '25
+13
in 0 channels
Get PRO
August '25
+9
in 0 channels
Get PRO
July '25
+10
in 0 channels
Get PRO
June '25
+22
in 0 channels
Get PRO
May '25
+25
in 1 channels
Get PRO
April '25
+36
in 0 channels
Get PRO
March '25
+22
in 1 channels
Get PRO
February '25
+14
in 0 channels
Get PRO
January '25
+27
in 0 channels
Get PRO
December '24
+51
in 0 channels
Get PRO
November '24
+46
in 0 channels
Get PRO
October '24
+45
in 2 channels
Get PRO
September '24
+69
in 2 channels
Get PRO
August '24
+186
in 1 channels
Get PRO
July '24
+282
in 1 channels
Get PRO
June '24
+127
in 1 channels
Get PRO
May '24
+118
in 0 channels
Get PRO
April '24
+135
in 1 channels
Get PRO
March '24
+203
in 1 channels
Get PRO
February '24
+100
in 1 channels
Get PRO
January '24
+506
in 1 channels
| Date | Subscriber Growth | Mentions | Channels | |
| 06 September | 0 | |||
| 05 September | +1 | |||
| 04 September | +1 | |||
| 03 September | +2 | |||
| 02 September | 0 | |||
| 01 September | 0 |
Channel Posts
তখন শুরু হয় হতাশা, আক্ষেপ, অভিযোগ—
“আমরা তো ভেবেছিলাম, তারা আমাদেরই লোক!”
.
কিন্তু বাস্তবতা হলো - তারা কখনো আপনার পরিচয় ধারণ করেনি; আপনি তাদের ওপর নিজের আকাঙ্ক্ষা প্রজেক্ট করেছিলেন, তাদের নিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেছিলেন!
তাই “হতাশ হওয়া” আমাদের দ্বিতীয় অপরাধ। প্রথম অপরাধ ছিল - তাদের মাঝে নিজের আদর্শ-বিশ্বাসের পরিচয় খুঁজতে যাওয়া।
.
সেক্যুলার কাঠামো ও আদর্শে গড়ে ওঠা কোনো পরিচয়ের ওপর ভর করে ইসলামের পরিচয় নির্মাণ করতে চাওয়া - জেনে বা না জেনে, নিজের সঙ্গেই করা এক নির্মম প্রতারণা!
এই বাস্তবতা আপনি অস্বীকার করতেই পারেন, খুব বেশি সমস্যা নেই। শুধু মনে রাখবেন - সেক্ষেত্রে এই একই হতাশা আপনাকে বার-বার স্পর্শ করবে।
Reality doesn’t care about your expectations.
| 2 | লক্ষ্য করুন, আমরা যখন নিজেদের আইডেন্টিটি খুঁজে পেতে বা তৈরি করতে ব্যর্থ হই, তখন অন্যের আইডেন্টিটি ধার করি, বা তাদের সাথে আমাদের কিছু মিলিয়ে দিতে চাই, যেহেতু আমাদের আইডেন্টিটি খুঁজে পাচ্ছিনা আর তাদেরটা দেখা যাচ্ছে বেশ জোরালো, ডমিনেন্ট, তাদের আইডেন্টিটির মধ্যে দিয়েই যদি আমার কিছু সামনে আসে - আহ বেশ!
আর কখনো তাদের “মঞ্চাভিনয়ের চরিত্রে” যদি আমাদের কাঙ্ক্ষিত পরিচয়ের সামান্য ছায়াও দেখতে পাই, তখন তাকে নিয়েই স্বপ্ন দেখতে শুরু করি।
.
ইসলাম ভালোবাসা অনেকেই আজ এমন ঘোরের মধ্যে আছেন। সেক্যুলার-ডেমোক্রেটিক কাঠামো ও আদর্শে বেড়ে ওঠা কোন ব্যক্তি - প্রচলিত দুনিয়ায় যার আইডেন্টিটি শক্ত, ডমিনেন্ট, কনফিডেন্ট এমন কেউ ইসলামের কয়েকটি শব্দ ব্যবহার করলে, আচরণে সামান্য ধার্মিকতার ছাপ দেখালে, কিংবা মঞ্চে ইসলামের পক্ষে কথা বললে - তাদের মধ্যেই ইসলামের “ভবিষ্যৎ” খুঁজে নেওয়া হয়। মনে করা হয়, তারা হয়তো একদিন ইসলামের কাজ করবেন, ইসলামের পরিচয় বহন করবেন, ইসলামের পক্ষে দাঁড়াবেন।
কিন্তু মঞ্চের আলো একটু পরেই নিভে যায়, পর্দা নামে আর তারা কস্টিউম খুলে ফেলে। আসল রুপে ফিরে আসে। প্রকাশ পায় তাদের আসল আদর্শ, আসল রাজনৈতিক পরিচয় এবং প্রকৃত অবস্থান। | 28 |
| 3 | কিছু কিছু ক্ষেত্রে "মিডিয়া" সে নিজেই যুদ্ধের একটি বড় অংশ হয়ে থেকে যায়।
বাকি থাকে তাতে ক্যাপচার হওয়া হাজারো স্মৃতি এবং বেদনাদায়ক দৃশ্য, যা প্রতিক্ষণে কাহারো হৃদয়ে রক্ত ক্ষরণের কারন হয়ে থাকে। | 60 |
| 4 | د پښتو ترانو نوی البم
پاک کاروان
۸۔۔۔ د جهاد برکت رب راکړی عزت
🎤خالد کمال
📝حماس تقبله الله
https://archive.org/download/0033-Pak_Karwaan/%DB%B8%DB%94%DB%94%DB%94%20%20%D8%AF%20%D8%AC%D9%87%D8%A7%D8%AF%20%D8%A8%D8%B1%DA%A9%D8%AA%20%20%D8%B1%D8%A8%20%D8%B1%D8%A7%DA%A9%DA%93%DB%8C%20%D8%B9%D8%B2%D8%AA.mp3
https://www.mediafire.com/file/oie7ulnutfrzm3l/۸۔۔۔++د+جهاد+برکت++رب+راکړی+عزت.mp3/file
ویب سائٹ
https://umnewsdesk.commp3/file | 142 |
| 5 | উমর মিডিয়া থেকে নতুন একটা পশতু নাশিদ অ্যালবাম রিলিজ হয়েছে।লিংক নিচে দেওয়া হলো... | 131 |
| 6 | বঙ্গভূমি’র বাংলাদেশ ভেঙ্গে আলাদা হবার যে অদম্য! আকাংখা কিংবা অ্যাডভোকেট চৈতালি’র 'বিদেশী শক্তির' সাহায্য নিয়ে বাংলাদেশেই আলাদা প্রদেশ করার হুমকি - এগুলো কোন বিচ্ছিন্ন ডট নয় বরং এগুলো প্যাটার্নের ডট। বাই দা ওয়ে - তাদের পোশাকের রঙ গেরুয়া কেন! | 156 |
| 7 | Reality Check BD presents: Decoding Hasina - Tale of a Psychopathic Killer!
৫ আগস্ট, আজকের দিনে পালিয়েছিল খুনি হাসিনা। হাসিনা কেবল মাত্র একটি নাম বা দীর্ঘ জুলুমের ভিলেন এমন কিছু না বরং হাসিনা হচ্ছে একটি সিস্টেমের ফসল। আমরা যদি সেই সিস্টেম ভালো ভাবে না বুঝতে পারি তাহলে এমন হাসিনা আবার আমাদের উপরে চেপে বসা অস্বাভাবিক কিছু না। আজকের ভিডিওতে আমরা হাসিনাকে ডি কোড করার চেস্টা করেছি, খুনি হাসিনার মনস্তত্ব বুঝার চেস্টা করেছি এবং এও আলোচনা করেছি কিভাবে হাসিনার মত ফ্যাসিস্ট তৈরি হয়। ভিডিওটি দেখুন, আপনাদের মতামত কমেন্ট করুন এবং সর্বোচ্চ শেয়ার করুন।
-
#july
#hasina
#realitycheckbd
#julyrevolution | 178 |
| 8 | আল্লাহু আকবারের মর্ম অনুধাবন:
দুই রাকাত নামাজে একজন মুসলিম অন্তত এগারোবার আল্লাহু আকবার বলে। পাঁচওয়াক্ত ফরজ নামাজ এবং সুন্নাত ও ওয়াজিব মিলিয়ে একদিনে এই সংখ্যাটা একশো পঞ্চাশের অধিক হয়। এর মানে হল একজন মুসলিম দিনে দেড়শো বারের অধিক তার রবকে সবচেয়ে বড় বলে ঘোষনা দিচ্ছে। সে যেমনি তার রবকে সবচেয়ে বড় বলে ঘোষনা দিচ্ছে তেমনি তার দেয়া শরীয়ত এবং বিধি বিধানকেও সকল ধর্ম ও মতবাদের উপর স্থান দেবে এটাই ছিল স্বাভাবিক।
কিন্তু বাস্তবে ভিন্ন কিছু পরিলক্ষিত হয়, কিছুক্ষণ পুর্বে আল্লাহু আকবার বলে আল্লাহর বড়ত্বের ঘোষনা দিয়ে আসা ব্যাক্তিটাও মসজিদ থেকে বের হয়েই আল্লাহ প্রদত্ত শাসননীতি, অর্থনীতি, সমাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করে আল্লাহ দ্রোহীদের বানানো শাসননীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতিকে সর্বত্র প্রতিষ্ঠিত করার এবং সে অনুযায়ী রাষ্ট্র, সমাজ পরিচালনা করার শপথ নিচ্ছে।
সমাজ, রাষ্ট্র ও আইন আদালতে ইসলামকে অচল মনে করছে। ইসলামের বিধানকে উন্নতি ও অগ্রগতির অন্তরায় মনে করছে। ইসলাম ধর্ম ও অন্যন্য বাতিল ধর্মকে সমমর্যাদার মনে করছে। ইসলামের অনেক বিধানকে সেকেলে, অচল, পশ্চাতপদ ও বর্বর মনে করছে। ইসলামী বিধানের পরিবর্তে পশ্চিমাদের নোংরামীকে যুগোপযোগী, আধুনিক ও কল্যাণকর মনে করছে।
এর কারণ হল আমরা মুখে আল্লাহ সবচেয়ে বড় বললেও মনেপ্রাণে এই কথা মেনে নিতে পারিনি। যদি মনেপ্রাণে এই কথা মেনে নিতে পারতাম তাহলে কখনো আমাদের পক্ষে আল্লাহর দেয়া সমাজনীতি অর্থনীতি রাষ্ট্রনীতি তথা ইসলামী শরীয়াহর বদলে জমিনে ভিন্ন কোন মতবাদকে মেনে নেয়া সম্ভব হতোনা। এর অধীনে শান্তভাবে জীবন-যাপন করা এবং একে বিনাশ করার পরিবর্তে এর প্রতিরক্ষা করার কথা তো কল্পনাও করতাম না।
সত্যিকার্থেই যে ব্যাক্তি আল্লাহকে সবচেয়ে বড় বলে বিশ্বাস করে সে তার জীবন ব্যয় করে হলেও বাকি সব বাতিল মতবাদকে ধ্বংস করে আল্লাহর দেয়া শরীয়াহকে বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে। এমন কিছু তাওহীদবাদী নির্ভীক যুবক উঠে দাঁড়াবে এই আশায়…
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ.. | 210 |
| 9 | ইসলামের কোনো বিধান অপর বিধানের প্রতিপক্ষ বা প্রতিবন্ধক নয় বরং সহায়ক। কেউ যদি নামাযকে ইলম অর্জনের পথে বাঁধা মনে করে, সে যেমন ভুল চিন্তার শিকার, তেমনি কেউ যদি জি@হাদকে ইলমের পথে বাঁধা মনে করে, সেও মারাত্মক ভ্রান্তির শিকার। | 143 |
| 10 | তাদের স্বার্থের সাথে মিলে গেলে ‘গণহত্যা’ না মিললে নয়। তারা নিজেরাই গণহত্যা চালাবে এবং তারাই ডিফাইন করবে - কোনটি গণহত্যা এবং কোনটি নয়!
This is America, now know it well! | 125 |
| 11 | নৃতত্ত্ববিদ তালাল আসাদ দেখিয়েছেন, সেকুলারিজম বা ধর্মহীনতা কোনো ডিফল্ট স্টেট নয়; বরং এটিও একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক আইডিওলজি। সুশীল আবেগের স্কেলে “সবার আগে আমি মানুষ, তারপর ধর্ম” - এই ডায়ালগের খুব কদর জুটলেও, রিয়্যালিটির বাজারে এর মান ফুটো পয়সাও নয়। ধর্মীয় ও সামাজিক পরিচয় ছেঁটে ফেলে কাল্পনিক এক “বিশুদ্ধ মানুষ” দর্শন - অবাস্তব!
সুতরাং, এরপর যদি কাউকে শুনতে পান এই রোমান্টিক ডায়ালগে ভেসে যেতে, তবে তাকে জিজ্ঞেস করবেন: “আপনার নাম কী? এবং আপনার নৈতিকতার উৎস কোনটি?” কারণ যে ব্যক্তি জন্ম নিয়েছে ধর্মের আচারে, বেড়ে উঠেছে ধর্মীয় সামাজিকীকরণের ছায়ায়, তার মুখে “আমি শুধুই মানুষ” বলাটা কোনো মহৎ উদারতা নয় - বরং কনজিউমারিজম ও সেকুলার ডগমার দাসত্ব মেনে নেওয়ার এক করুণ বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াত্ব!
– | 140 |
| 12 | এটি এমন একটি রোমান্টিক বয়ান, বাস্তব দুনিয়ায় যার কোনো বস্তুগত ভিত্তি নেই; বরং এটি নিজের স্বকীয় পরিচয়, ঐতিহ্য ও সমাজকাঠামো সম্পর্কে অজ্ঞতার প্রকাশ।
.
৪টি ধাপে আলোচনাটি দেখা যাক:
১. ‘হিউম্যানিজম’ বা মানবতাবাদ নিজেই একটি আধুনিক সেকুলার ধর্ম
যে ব্যক্তি নিজেকে সকল ধর্মের ঊর্ধ্বে তুলে “শুধুই মানুষ” বলে দাবি করছেন, তিনি না জেনেই আধুনিক যুগের সেকুলার ধর্মের অনুসারী হয়ে উঠেছেন যার নাম ‘সেকুলার হিউম্যানিজম’।
বিখ্যাত ইতিহাসবিদ ইউভাল নোয়াহ হারারি তার 'Sapiens' গ্রন্থে আলোচনা করেছে, উদারনৈতিক মানবতাবাদ বস্তুত একটি Secular Religion। প্রাক-আধুনিক যুগের মানুষ যেমন দেব-দেবীকে উপাসনার কেন্দ্রে রেখেছিল, হিউম্যানিজম ‘আল্লাহ’ বা ‘God’ ধারণাকে অপসারণ করে সেখানে ‘হোমো সেপিয়েন্স’ বা মানবজাতিকে বসিয়েছে। একইভাবে, ব্রিটিশ দার্শনিক জন গ্রে আলোচনা করেছে, আধুনিক লিবারেল হিউম্যানিজম হলো মূলগতভাবে খ্রিস্টীয় থিওলজিরই একটি সেকুলার রূপান্তর।
এখানেই এই সো কল্ড ‘হিউম্যানিজম’ এর বড় বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াপনা ও স্ববিরোধীতা উন্মোচিত হয়!
লক্ষ করুন, মানুষকে পশু থেকে আলাদা করে - মানুষের কিছু সুনির্দিষ্ট 'Dos and Don'ts' বা নৈতিক সীমানা। সেকুলারদের দাবি মতে, এই নৈতিকতার জন্য ধর্মের কোন প্রয়োজন নেই বরং মানুষের 'Natural Sense' বা 'Universal Good/Bad' ই যথেষ্ট। কিন্তু ধর্মকে বাদ দিলে এই তথাকথিত 'সার্বজনীন নৈতিকতার' বা 'Universal Good/Bad' এর কোনো ফিক্সড অ্যাংকর বা রেফারেন্স পয়েন্ট থাকেনা। বিশ্বজুড়ে শত শত কোটি মানুষের পারিপার্শ্বিকতা, বেড়ে ওঠা এবং মনস্তত্ত্ব এক নয়; তাই সুনির্দিষ্ট ধর্মীয় ভিত্তি ছাড়া মানুষের নৈতিক সীমানাও কখনো এক হতে পারে না।
ধর্মকে বাদ দিলে সেকুলার ফ্রেমওয়ার্কে "মানুষ মাত্রই পরম শ্রদ্ধেয়" এই ধারণার কোনো স্থায়ী ভিত্তিই থাকে না। সেকুলার মানবতাবাদ ধর্মীয় মূল্যবোধ থেকে "মানুষের মর্যাদা" নামক ধারণাটি চুরি করেছে বটে, কিন্তু যে ধর্মীয় নৈতিকতা ভিত্তি থেকে ধারণাটি নেওয়া হয়েছিল, তাকেই ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। ফলে ধর্মকে বাতিল করে যখন তারা নৈতিকতার ভিত্তিই ধ্বংস করে দেয়, তখন যুক্তিগতভাবেই মানুষ ও পশুর মধ্যবর্তী সীমানাটি ধসে পড়ে। তাহলে কোন যুক্তিতে তারা নিজেকে অন্যান্য প্রাণীর চেয়ে শ্রেষ্ঠ "মানুষ" দাবি করে?
এটি নিজে কোনো স্বতঃসিদ্ধ সত্য নয়, বরং ধর্ম থেকে চুরি করা পুঁজির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা আরেকটি ভঙ্গুর সেকুলার ডগমা!
.
২. ‘ইন্টারফেইথ’ বিভ্রম ও কনজিউমারিজমের ফাঁদ
এই যে ‘সবার আগে মানব ধর্ম’ কিংবা সব ধর্মকে এক পাত্রে গুলিয়ে ফেলার প্রবণতা—অ্যাকাডেমিক পরিভাষায় একে বলা হয় 'Interfaith Universalism'। এটি মূলত সূক্ষ্মভাবে ধর্মহীনতারই এক ধূর্ত দাওয়াত। এটি সমাজকে সত্য বিশ্বাস ও সুনির্দিষ্ট মূল্যবোধ থেকে দূরে সরিয়ে এক উদ্দেশ্যহীন, দিকভ্রান্ত বিভ্রমের দিকে চালিত করে।
কিন্তু এর চেয়েও গভীর ও সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, এই ধারণার সাথে সরাসরি যুক্ত আজকের বিশ্বব্যবস্থার অন্যতম বিষাক্ত মতাদর্শ - কনজিউমারিজম। সমাজবিজ্ঞানী জিগমুন্ট বাউমান তার 'Consuming Life' গ্রন্থে আলোচনা করেছেন - পুঁজিবাদী বাজারব্যবস্থা মানুষকে কেবল নীতিহীন 'ভোক্তা' বানাতে চায়।
ধর্ম মানুষকে একটি সুনির্দিষ্ট সীমা বা 'Dos and Don'ts'এর মধ্যে আবদ্ধ রাখে, যা সমাজকে একটি মোরাল রেফারেন্স পয়েন্ট এবং অস্তিত্বগত নিরাপত্তা বা Existential Security প্রদান করে। কিন্তু লিবারেল সেকুলারিজমের পরিচালিত কনজিউমারিস্ট মডেলের জন্য এই ধর্মীয় বিধিনিষেধ বা সীমাগুলো হলো অনিয়ন্ত্রিত ভোগ ও কর্পোরেট লাভের পথে প্রধান অন্তরায়! তাই "সব ধর্ম এক" বা "আমি আগে মানুষ" বয়ান দিয়ে ধর্মীয় সীমাগুলোকে ভেঙে চুরমার করা হয়, বা ঘোলাটে করে দেয়া হয় - যেন মানুষকে লাগামহীন 'ভোক্তা'য় পরিণত করে মুক্তবাজারের দাসে রূপান্তর করা যায়।
.
৩. কালচারাল এমবেডেডনেস ও পরিচয়ের বাস্তবতা
সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিতে, কোনো মানুষই শূন্যতায় বা ভ্যাকুয়ামে 'Abstract Human' হিসেবে জন্মগ্রহণ করে না। দার্শনিক অ্যালিসডেইর ম্যাকইন্টায়ার তার 'After Virtue' গ্রন্থে আলোচনা করেছেন, মানুষ হলো মূলত এক ধরনের Narrative Animal বা সহজ ভাষায় ‘গল্প/বয়ান ভিত্তিক প্রাণী’। প্রতিটি মানুষ কোনো না কোনো সুনির্দিষ্ট সামাজিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের ভেতরের বয়ানে/ন্যারেটিভে জন্মায় এবং বেড়ে ওঠে।
যিনি চিৎকার করে বলছেন “আমি আগে মানুষ”, তার নামেই খোদ লেগে আছে সুনির্দিষ্ট ধর্মীয় তকমা। তিনি হয় আবদুল্লাহ অথবা হরিদাস কিংবা মাইকেল। তার দর্শন, চিন্তার মনস্তত্ত্ব, এমনকি জীবনের নৈতিকতার মানদণ্ডও কোনো না কোনো ধর্মীয় সংস্কৃতির ভিত্তিতেই গড়ে উঠেছে। নিজের নাম ও অর্জিত মূল্যবোধে ধর্মীয় ছাপ বহন করে “আমি শুধুই মানুষ” দাবি করা কেবল স্ববিরোধীই নয়, বরং নিজের অস্তিত্ব ও শিকড়কে অস্বীকার করার নামান্তর।
.
৪. ফাইনাল রিয়্যালিটি চেক | 139 |
| 13 | ‘সবার আগে আমি মানুষ, তারপর ধর্ম’: একটি আবেগসর্বস্ব ফ্যালাসি!
-
সাম্প্রতিক সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া ও সুশীলীয় আলোচনায় বেশ চটকদার ও ট্রেন্ডি ডায়ালগগুলোর একটি হলো - “সবার আগে আমি মানুষ, তারপর আমার ধর্ম।” শোনা মাত্রই সাধারণ মানুষের মনে হতে পারে, বেশ উদার, মানবিক এবং উচ্চমার্গের বেশ একটা দর্শন! কিন্তু আবেগের সস্তা চশমা সরিয়ে সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি ও দর্শনের দৃষ্টিতে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই বাক্যটি মূলত একটি চরম বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়াত্ব এবং পপুলিস্ট ফ্যালাসি। | 102 |
| 14 | সাবধান যা দেখছেন টিভিতে সব নাটক। ভয় টেনশন বিভ্রান্তি কোন কিছুর প্রয়োজন নাই।
একটা কথা মাথায় রাখেন সবাই নাটক করছে।
যখন টিভিতে প্রচুর পরিমানের উত্তেজিতমুলক খবর দেখানো শুরু করবে তখন সবার আগে ক্লাউড দেখে নিন।
ক্লাউডের পাশাপাশি যদি অতিরিক্ত হিট স্পট ম্যাপে দেখা দেয় তাহলে বুঝে নিবেন ব্রেইন ওয়াশের মাত্রা চরম পর্যায়ে চলে গিয়েছে।
ধৈর্য ধরেন, বাসায় থাকেন, ভুলেও বের হইয়েননা, একটা কথা মাথায় রাইখেন ক্ষতি আপনার হবে নেতার না।
নেতার এক্সিট পয়েন্ট রেডি আছে, আর আপনার পাসপোর্ট ও নাই, থাকলেও নামে ভুল, সব কিছু ঠিক থাকলেও ভিসা রিজেক্ট হবে।
Do the right thing in the right way. | 132 |
| 15 | BBC এর শিরোনাম - Jay Shri Ram The Hindu chant that became a murder cry! একটি ধর্মীয় সম্ভাষণ কীভাবে পরিণত হলো হিংস্রতার মারাত্মক অস্ত্রে?
১৯৮০-র রথযাত্রা, '৯২-এর বাবরি মসজিদ থেকে শুরু করে সীমানা পেরিয়ে অ্যাডভোকেট আলিফ হত্যা এগুলো কি কোন প্যাটার্ন ইঙ্গিত করে? এটি কি শুধুই একটি ধর্মীয় স্লোগান, নাকি এক ভয়াবহ ভূ-রাজনৈতিক আখ্যানের সূচনাধ্বনি?
দেখুন, কমেন্ট করে আমাদের আপনার মতামত জানান, বেশি বেশি শেয়ার করুন - #আমরাই_আমাদের_মিডিয়া | 102 |
| 16 | খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের হলের বাথরুম থেকে গত ৬ মাসে ৯০০টি গোপন ভিডিও ধারণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কর্মচারী৷
প্রগতিশীলদের আস্তানায় নারীদের নিরাপত্তা কোথায়? এই যে আমরা বারবার বলি—একটা অইসলামিক দেশে নারীরা ঘরের বাইরে নিরাপদ না, সেই কথাটা কেউ কানে তোলে না।
একটা অইসলামিক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েদের পড়তে না পাঠিয়ে অশিক্ষিত করে ঘরে বসিয়ে রাখা উত্তম। কারণ, আগে সম্ভ্রম, এরপর শিক্ষা। কবরে শিক্ষা যাবে না। যাবে আমল।
বি: দ্র: শাহবাগীদের লজিক অনুযায়ী খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বাংলাদেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেওয়া উচিত। | 187 |
| 17 | মুসলিমদের উদ্দেশ্যে হিন্দুদের বার্তাটা একদম পরিষ্কার।
মসজিদের সামনে রাম দা ঘোরানোর মানেটা বুঝতে বিজ্ঞানী হওয়া লাগে না। হিন্দুরা সাম্প্রদায়িক উসকানি দিয়ে গায়ে পড়ে ঝগড়া করবে।
১৫ বছর হাসিনার কাছে জামাই আদর পেয়ে হিন্দুদের গায়ে চর্বি জমেছে। গায়ে চর্বি জমলে যেকোনো প্রাণীই একটু বেশি লাফাই। তবে লাফানোর পরিণতিটা ভালো হয় না।
বাংলাদেশের হিন্দুরা মনে করেছে এসব উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড করে একটা দাঙ্গা বাধিয়ে ভারতকে ডেকে আনবে আক্রমণ করানোর জন্য।
বোকাচন্দ্র কোথাকার! বরশির টোপের ছোটো মাছটা নিয়ে শিকারী ভাবে না। বাংলাদেশের নিম্নবর্ণের হিন্দুদের বরশির টোপ বানিয়েছে ভারত।
বিশিষ্ট গোয়েন্দা ভাবমারানি জুলকারের চোখে ঠাডা পড়সে এখন। এদের দাড়ি-টুপি থাকলে আনক্লাসিফাইড ডকুমেন্টস ফাঁস করত।
সংবাদিকগুলো ওদের কলম নিজেদের পশ্চাৎদেশে সান্ধায় রাখসে; হুজুর হলে খবরের শিরোনাম লিখত।
আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তৌফিক দিলে সবকটা হারামজাদার হিসেব পইপই করে নেবো ইনশাআল্লাহ। | 228 |
| 18 | .
আমার প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, এমতাবস্থায় আমাদের করণীয় কী, তা নির্ধারণের আগে হি*ন্দু-ত্ব'বাদ এবং এদেশে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীদেরকে আমাদের চিনে রাখতে হবে। হি*ন্দু-ত্ব'বাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীদেরকে কাছে উগ্র হিন্দুদের বিচার দাবি করে হিন্দুদের আগ্রাসনকে দমানো যাবে না। ভারতের মোদি সরকার হোক কিংবা এদেশে তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী হোক - পুরো হি*ন্দু-ত্ব'বাদের পক্ষের শক্তির বিরুদ্ধেই আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াতে হবে। হি*ন্দু-ত্ব'বাদের ভয়ংকর মিশনের ব্যাপারে সচেতন থাকার পাশাপাশি গাজওয়াতুল হিন্দের টার্গেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণ করে সামনে এগুতে হবে।
.
মুসলিমদের হেনস্থা ও নিধনের লক্ষ্যে হিন্দুদের সাজানো সব নাটক সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে। পাড়ায়-মহল্লায় সকল মুসলিমকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, যেন একজন সাধারণ মুসলিমকেও উগ্র হিন্দুরা সন্দেহের বশে আক্রমণ করার দুঃসাহস দেখাতে না পারে। বিয়ে করে ইসলাম গ্রহণের প্রলোভন দেখানো হিন্দু যুবকদের প্রেমের ফাঁদ থেকে মুসলিম মেয়েদের দূরে থাকতে হবে। কাফির-মুশরিকদের সাথে মুমিনদের কোনো বন্ধুত্ব ও অন্তরঙ্গ সম্পর্ক স্থাপন করা যাবে না।
.
মুসলিমদের নিজেদের মাঝে দ্বন্দ্ব-বিবাদ এড়িয়ে ঐক্যের ভিতকে মজবুত রাখতে হবে। ফুরুয়ি ইখতিলাফ নিয়ে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পরস্পর বিচ্ছিন্ন হওয়া যাবে না। সর্বোপরি মহান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আল্লাহর জমিন থেকে শিরক ও কুফরের মূলোৎপাটনের লক্ষ্যে যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণে মনোযোগী হতে হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের তাওফিক দান করুন। আমরা আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার কাছে দুআ করি, ফরিদপুরের মধুখালীতে উগ্র হিন্দুুদের হাতে নিহত দুই মুসলিম সহোদর ভাইকে তিনি শাহা@দাতের মর্যাদা দান করুন। তাদের পরিবার-পরিজনদের সবরে জামিল ইখতিয়ার করার তাওফিক দিন। আমীন, ইয়া রব্বাল আলামীন।
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ.. | 213 |
| 19 | আমার প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, গত কয়েক বছর থেকে আমি আপনাদেরকে ভারতের হি*ন্দু-ত্ব'বাদী শক্তি ও তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীদের ব্যাপারে বারবার সতর্ক করে আসছি। বিভিন্ন লেকচারে তুলে ধরেছি উগ্র হিন্দুরা মুসলিম নিধনে ও রামরাজ্য প্রতিষ্ঠায় কত ভয়ংকর ছক এঁকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে! এ দেশের ক্ষমতার মসনদে চেপে বসা জালিম তা^গু`ত হাসিনা সরকার দিনদিন কীভাবে হি*ন্দু-ত্ব'বাদের তাবেদারি করে চলেছে!
হ্যাঁ, প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, সময় যতই গড়াচ্ছে, গো-পূজারিদের আস্ফালন ততই বেড়ে চলেছে! ভারতের মতো বাংলাদেশেও আজ উগ্র হিন্দুদের ঔদ্ধত্য চরম মাত্রায় পৌঁছেছে!
.
সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের দেশে আজ তুচ্ছ অভিযোগ তুলে স্রেফ সন্দেহের বশে মুসলিমদের নৃশংসভাবে খুন করার মতো ভয়ংকর ঘটনা ঘটছে! মুসলিমদের হুমকি দেয়া হচ্ছে! পূজাতে অস্ত্র উঁচিয়ে শক্তি প্রদর্শন করা হচ্ছে! প্রকাশ্যে উচ্চ আওয়াজে ‘জয় শ্রীরাম’-এর ¯স্লোগান তোলা হচ্ছে! শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোতে ঘটা করে উদযাপন করা হচ্ছে শিরকি উৎসব; পক্ষান্তরে মুসলিম শিক্ষার্থীদের ইসলামের বিধিবিধান পালনে বাঁধা প্রয়োগ করা হচ্ছে! প্রেমের ফাঁদে ফেলে মুসলিম নারীদের ভারতে পাচার করে পতিতালয়ে বিক্রি করার এবং হিন্দু বানানোর ষড়যন্ত্র চলছে!
.
আমার প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, সম্প্রতি ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার পঞ্চপল্লীতে উগ্র হিন্দু স*ন্ত্রা*সীদের হাতে দুই মুসলিম সহোদরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের কথা আপনারা নিশ্চয়ই শুনেছেন। মুসলিম নিধনে এ দেশের উগ্র হিন্দুদের আস্ফালন আজ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে, তা বোঝার জন্য এ হৃদয়বিদারক ঘটনাই যথেষ্ট! মন্দিরে আগুন লাগানোর অভিযোগ এনে মন্দিরের পাশে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত হত-দরিদ্র নির্মাণশ্রমিকদের ওপর উগ্র হিন্দুরা সংঘবদ্ধভাবে পাশবিক নির্যাতন চালিয়ে দুই মুসলিম সহোদর ভাইকে হত্যা করেছে! মারাত্মকভাবে আহত করে দীর্ঘ সময় বন্দি করে রেখেছিল আরও চার শ্রমিককে! কোনো প্রমাণ ছাড়াই শুধু সন্দেহের বশে হত-দরিদ্র মুসলিম দিনমজুরদের ওপর এমন নৃশংস হামলা চালায় হিন্দু সন্ত্রাসীরা! এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর পাশবিক আনন্দ প্রকাশ করেছে এ দেশের উগ্র হিন্দু সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত নেতা-কর্মীরা!
.
এ দেশের তথাকথিত সুশীল নামক অথর্ব কীটগুলোও আজ মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছে! মেইনস্ট্রিম মিডিয়াগুলোও ঘটনার বিস্তারিত তুলে না ধরে অত্যন্ত দায়সারাভাবে সামান্য কিছু সংবাদ প্রকাশ করেছে! তাদের শিরোনাম দেখে অনেকে খুনের শিকার দুই মুসলিম সহোদরকে অপরাধী ভাবতে পারে! অথচ আজ যদি ঘটনা তার বিপরীত হতো, এভাবে কোনো এক হিন্দুর লাশ পড়ত, তবে সুশীল শ্রেণি ও মিডিয়াপাড়া সেই হিন্দুকে নিরপরাধ প্রমাণে এবং মুসলিমদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে গলা ফাটিয়ে ফেলত!
.
আমার প্রিয় মুসলিম ভাই ও বোন, আপনারা হয়তো ভেবে অবাক হচ্ছেন, এ দেশের সংখ্যালঘু উগ্র হি*ন্দু-ত্ব'বাদীরা কীভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিমদের ওপর আক্রমণের এতটা সাহস পায়! কীভাবে তারা মুসলিমদের হুমকি দিয়ে ফেইসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার ঔদ্ধত্য প্রকাশ করে! এ দেশে তারা মুসলিমদের তুলনায় সংখ্যায় খুব অল্প হলেও তাদের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ ও দুঃসাহস দেখানোর প্রধান কারণ দুটো।
একদিকে তারা ভারতের উগ্র হি*ন্দু-ত্ব'বাদী শক্তি ও ক্ষমতাসীন মোদি সরকারের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তারই মতাদর্শ অনুযায়ী কাজ করছে, অপরদিকে তারা ভারতের মদদপুষ্ট হাসিনা সরকারের অকুণ্ঠ সমর্থন ও সহযোগিতা পাচ্ছে। তারা নির্ভয়ে আছে, তাদের যেকোনো অন্যায়ে এ দুই শক্তি তাদের পাশেই থাকবে। হ্যাঁ, দিনদিনই তারা এ দুই শক্তির পৃষ্ঠপোষকতায় মুসলিমদের বিরুদ্ধে নানান প্রোপাগান্ডা চালিয়ে যাচ্ছে!
এ দেশের উগ্র হি*ন্দু-ত্ব'বাদীদের আর কসাই মোদির টার্গেট এক ও অভিন্ন। এরা কসাই মোদির মতোই মুসলিমদের রক্তখেকো। উগ্র হি*ন্দু-ত্ব'বাদী ভারতের হোক বা বাংলাদেশের হোক, রামরাজ্য প্রতিষ্ঠা করাই এদের লক্ষ্য।
এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্যই এরা ইসলামের নিদর্শনাবলিকে মুছে ফেলার প্রয়াসে কাজ করে চলেছে। এদের নির্দেশ বাস্তবায়ন ও এদেরকে খুশি করার জন্যই এ দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইফতার মাহফিল বন্ধের ঘোষণা এসেছিল! এদেরকে খুশি করার জন্যই স্কুল-কলেজগুলোতে আজ ঘটা করে পূজার উৎসব চলছে! মঙ্গল শোভাযাত্রার মতো ইমানবিধ্বংসী নানান কর্মকাণ্ড ব্যাপকভাবে উদযাপন করা হচ্ছে!
.
মুসলিমপ্রধান এ দেশে হি*ন্দু-ত্ব'বাদের এমন ভয়ংকর আগ্রাসন সত্ত্বেও কেবল গদি টিকিয়ে রাখতেই হাসিনা ও তার লীগবাহিনী ভারত ও হি*ন্দু-ত্ব'বাদের ক্রিড়নকে পরিণত হচ্ছে। আপনারা দেখেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রমাদান বিষয়ক আলোচনা করার কারণে সাধারণ মুসলিম ছাত্রদেরকে ছাত্রলীগের গুণ্ডারা বেধড়ক পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে! বুঝেশুনে হোক কিংবা না বুঝে হোক, আওয়ামিলীগ ও তাদের প্রতিটি অঙ্গসংগঠন বরাবরই ভারত ও হিন্দুদের স্বার্থকেই রক্ষা করছে। হিন্দুদের শিরকি ধর্মবিশ্বাসকে প্রতিষ্ঠিত করার মিশনে তারা সহযোগিতা করে যাচ্ছে! | 166 |
| 20 | বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়েছেন ইমারতে ইসলামি আফগানিস্তান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন:
❝আফগানিস্তানের ইসলামি আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার ও ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি, পাশাপাশি নিহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর শোক ও আন্তরিক সমবেদনা প্রকাশ করছে।
টানা ভারী বর্ষণ, ভয়াবহ বন্যা এবং ভূমিধসের ফলে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চল ও রাজধানী ঢাকায় যে প্রাণহানি, বহু মানুষের আহত হওয়া এবং লক্ষাধিক পরিবারের বাস্তুচ্যুত হওয়ার মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, তাতে ইসলামি আমিরাত গভীরভাবে দুঃখ প্রকাশ করছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আহতদের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছে এবং বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলো যেন শিগগিরই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে পারে—সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে।❞ | 119 |
