en
Feedback
الإعداد

الإعداد

Open in Telegram

একটি ভুলে যাওয়া ফরজের নাম ই'দাদ

Show more
2 567
Subscribers
No data24 hours
+337 days
+21630 days
Posts Archive
ইয়া আল্লাহ এভাবেই মরণ টা নিয়েও একজন মু জা হি দের আশা এটাই এভাবে মরণ দ্বীনের পথে দেখা হবে আল্লাহ সাথে পানি হবে রাসূলের সা. এর হাতে কাউসারের মিলিত হবে আয়না নামক হুরের সাথে নেই কোনো দুনিয়ার শখ আছে শুধু আখিরাতের শখ ইয়া আল্লাহ বানিয়ে নিও এভাবে তোমার পথের পথিক... তোমাদের রক্তের বদলা নিতেই মরণ শপথ মোরা নিয়েছি। ভেবোনা ভেবোনা ভাই আমরা কভু তোমাদের ভুলে গিয়েছি। একজন সত্যিকারের শহীদ এটা প্রমাণ করে যে, আল্লাহর শ রি য়া হ্ তার জীবনের চেয়েও মূল্যবান। ( শাহাদাতের দোয়া সবাই যত পারেন বেশি বেশি পড়বেন পারলে সব সময় পড়বেন৷ ) ( আল্লাহুমার যুক্বনি শাহাদাতান ফি সাবিলিক )

photo content

এই উগ্র নারী পাচারকারীকে কারা আপ্যায়ন করে প্রশাসনের হাতে সোপর্দ করেছেন আমি জানি না। কিন্তু সেসকল বীরপুরুষ ভাইদের জন্য মন থেকে দোআ রইলো! মাশা আল্লাহ! নারী পাচারকারীর কোনো ধর্ম হয়না। তারা দেশের শত্রু, জাতির শত্রু। কিন্তু কিছু উগ্রবাদীরা এই নারী পাচারকারীর মৃত্যু নিয়ে যেভাবে ভিক্টিম কার্ড খে'ল'ছে, তা দেখে মনে হচ্ছে, না'রীপাচার আমাদের সমাজে একটা সাধারণ ছোটখাটো বিষয়। এ থেকেই স্পষ্ট হওয়া যায়, এসকল উগ্রবাদী দাঙ্গাবাজরা মুসলিমদের বিরুদ্ধে কতটা তৎপর! নাহলে একটা নারী পাচারকারীর পক্ষ নিয়ে কেউ কিভাবে কথা বলতে পারে? মানে কিভাবে?? আমার মনে প্রশ্ন জাগে, কিশোরগঞ্জের এই গেরুয়া সন্ত্রাসী হিন্দু নারী পাচারকারী হলেও কি ঠিক এভাবেই তাকে নিয়ে ভিক্টিম কার্ড খেলা হতো? নাকি শুধু মুসলিম নারী পাচারকারী বলেই তার পক্ষে এতো কথা হচ্ছে?? উগ্রবাদীরা এই ইস্যুকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার করছে। এমনকি শহীদ আবু সাঈদের সাথেও নাকি তাকে তুলনা করছে অনেকেই। আরও একটা প্রশ্ন, একটা নিকৃষ্ট নারী পাচারকারী কিভাবে, কোনদিক থেকে দেশের স্বার্থে জীবন দেওয়া একজন সম্মানিত শহীদের সাথে তুলনা করার যোগ্য হয়? আপনার আশেপাশেই হয়তো আপনার বন্ধু সেজে রয়েছে এরকম অসংখ্য উগ্রবাদী নারী পাচারকারী ও তাদের দোসররা (মুসলিম নামধারী মুনাফি'ক)। তাদের থেকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে! Ⓒ Team Save Our Sisters Join: Save Our Sisters (Official) Telegram: @Save_Our_Sisters

কি আর বলবো,
কি আর বলবো,

উপদেষ্টা হতে উষ্টা মেরে আল বিদা জানানো হয়েছে, ফারুকীকে🫡
উপদেষ্টা হতে উষ্টা মেরে আল বিদা জানানো হয়েছে, ফারুকীকে🫡

তা ওহি দে র ভূমি সৌদির রিয়াদে কা বা র আদলে নির্মাণ করা হয়েছে এটি। ন র্ত কী দের দিয়ে নাচ গানের আয়োজন করা হয়েছে! আহ ! তবুও
তা ওহি দে র ভূমি সৌদির রিয়াদে কা বা র আদলে নির্মাণ করা হয়েছে এটি। ন র্ত কী দের দিয়ে নাচ গানের আয়োজন করা হয়েছে! আহ ! তবুও যারা এখনো এই ত্ব গু দ আরব শা স ক দে র পা চেটে যাচ্ছে তাদের উপর আ ল্লা হর লা' ন'ত।

কেউ এংরি রিয়েক্ট দিবেন না। তা ওহি দে র ভূমি সৌদির রিয়াদে কা বা র আদলে নির্মাণ করা হয়েছে এটি। ন র্ত কী দের দিয়ে নাচ গানের আ
কেউ এংরি রিয়েক্ট দিবেন না। তা ওহি দে র ভূমি সৌদির রিয়াদে কা বা র আদলে নির্মাণ করা হয়েছে এটি। ন র্ত কী দের দিয়ে নাচ গানের আয়োজন করা হয়েছে! আহ ! তবুও যারা এখনো এই ত্ব গু দ আরব শা স ক দে র পা চেটে যাচ্ছে তাদের উপর আ ল্লা হর লা' ন'ত।

photo content

সা'দের মত আরও অনেক নিরপরাধরা জুলুমের বন্দিশালায় আবদ্ধ -নিপিড়ীত ও ঘৃণারপাত্র। সঠিক বিচারটা তাদের অপ্রাপ্তি রইলেও অসুষ্ঠ তদন্ত
সা'দের মত আরও অনেক নিরপরাধরা জুলুমের বন্দিশালায় আবদ্ধ -নিপিড়ীত ও ঘৃণারপাত্র। সঠিক বিচারটা তাদের অপ্রাপ্তি রইলেও অসুষ্ঠ তদন্ত বা কলঙ্কদাতাদের চক্রান্ত তাদের ঠিকই প্রাপ্তি হয়েছে। ধিক্কার জানাই এই ভঙ্গুর আইন ব্যবস্থা ও পোশাকধারীদের। প্রশ্ন করি নিজেদের বিবেকবোধ ও চিন্তাবোধ কে।

Repost from N/a
গ| জ্জ| র একজন শ° হী°দ— যিনি তার মৃত্যুর আগে র°°ক্ত দিয়ে লিখে গেছেন 'لا تصالح' 'তাদের সাথে কখনো সমঝোতা (আপোষ) করো না।
গ| জ্জ| র একজন শ° হী°দ— যিনি তার মৃত্যুর আগে র°°ক্ত দিয়ে লিখে গেছেন 'لا تصالح' 'তাদের সাথে কখনো সমঝোতা (আপোষ) করো না।

রাসূল (সাঃ) আমাদেরকে বিদায় হজ্জ্বের ভাষণে বলে গিয়েছিলেন আমি তোমাদের নিকট দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি। এক. কুরআন, ২.আমার জীবনাদর্শ। যতদিন তোমরা এই দুটি জিনিস আকঁড়ে ধরে থাকবে ততদিন তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না। ইহুদি-খ্রিষ্টানরা তাদের জন্য নাযিলকৃত আসমানী কিতাব সমূহ এবং তাদের রাসূলগনের আদর্শ আকঁড়ে ধরে নাই যার কারণে সময়ের অতিক্রান্ত হওয়ার সাথে সাথে তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ বিকৃত হতে থাকে এবং ইসলাম থেকে বিচ্যুত হতে থাকে। যদি তারা এই ভুল গুলো না করত তবে তারা আজকে শেষ নবীর উম্মত এবং মুসলিম হয়ে জীবন-যাপন করতে পারত। তাদের ভুলের দরুন তারা আজ সত্য পথ থেকে বিচ্যুত এবং অন্ধকারে নিমজ্জিত। যাইহোক মুসলিমদের উচিত কুরআন-সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরা এবং কুরআন দ্বারা যেকোনো বিষয়কে যাচাই করা ও গবেষণা করা। কারণ মহান আল্লাহ তায়া’লা নিজেই বলেছেন তিনি এই গ্রন্থে কোন কিছু বাদ দেন নেই। আর পবিত্র কুরআন হল আল-ফুরকান বা সত্য-মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণকারী গ্রন্থ। মহান আল্লাহ তায়া’লা বলেন, "কত মহান তিনি যিনি তাঁর বান্দার প্রতি ফুরকান(সত্য মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণকারী গ্রন্থ) অবতীর্ণ করেছেন যাতে সে বিশ্ব জগতের জন্য সতর্ককারী হতে পারে!"(ফুরকান-১) বলঃ এটা তিনিই অবতীর্ণ করেছেন যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সমুদয় রহস্য অবগত আছেন; তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।(ফুরকান-৬) তাই ন্যাচারাল সাইন্স বা বিজ্ঞান কখনো কুরআনের বিপরীতে যাবে না। কারণ আকাশ-মণ্ডলী-পৃথিবী এগুলো ও এ'দুয়ের মাঝে যা কিছু আছে সবকিছুই মহান আল্লাহর সৃষ্টি এবং ন্যাচারাল সাইন্সও আল্লাহর সৃষ্টি। কিন্তু মেইনস্ট্রিম সাইন্স এবং কুরআন একে অপরের বিরুদ্ধে যাওয়ারটা অস্বাভাবিক নয়। কারণ মেইনস্ট্রিম সাইন্স আজ যেটাকে সঠিক বলে তুলে ধরে কাল সেটাকে ভুল বলে অভিহিত করবে। আবার কোন বিষয়ে তারা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে নাও আসতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে মেইনস্ট্রিম সাইন্সে অকাল্ট সাইন্স বা ব্লাক মেজিক বা যাদু বিদ্যা জড়িত থাকে। তাই বিজ্ঞান দ্বারা কুরআনকে যাচাই না করে আমাদের মুসলিমদের উচিত কুরআন দ্বারা বিজ্ঞান সহ যেকোন বিষয়কে বিচার ও গবেষণা করা। মনে রাখবেন জ্বীন শয়তান ও মানুষ শয়তান কখনো আমাদের কাছে এসে বলবে না তোমরা কাফের হও বরং তারা নেক সুরতেই আমাদের ধোঁকা দিয়ে ঈমান হারা করবে ঠিক যেমনটি শয়তান আদম (আঃ) ও মা হাওয়া (আঃ) কে নেক সুরতে ধোঁকা দিয়ে তাদের জান্নাত থেকে বের করে এনেছিল। আর বর্তমান মেইনস্ট্রিম সাইন্স পথভ্রষ্ট ইহুদি-খ্রিষ্টান পশ্চিমা সভ্যতা দ্বারা শাসিত যারা পৃথিবীতে এক বিশ্ব এক শাসন ব্যবস্থা বা নিউ ওয়ার্ল্ড ওয়াডার বা দাজ্জালের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে চায়। যদি নির্ভেজাল তাওহীদ ও শেষ জমানা সম্পর্কিত হাদিসসমূহ দ্বারা যদি বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় তবে বুঝা যাবে দাজ্জালি ফিতনা সমূহ দ্বারা আমাদের কিভাবে পরিবেষ্টন করে রাখা হয়েছে এবং যতদিন যাবে ফিতনা সমূহ ততই বাড়তে থাকবে। এসব ফিতনায় পড়ে আমাদের অনেক মুসলিমদেরই আজ ঈমান প্রায় ওষ্ঠাগত যদিও আমরা তা উপলব্ধি করতে অক্ষম। তারা তাদের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ব্যাপক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে তার মধ্যে বর্তমানে আলোচ্য বিষয়গুলো হলঃ প্রজেক্ট ব্লু বিম, HAARP- আবহাওয়া মেনিপিউলেশন ও ভূমিকম্পের প্রযুক্তি, মাইন্ড কন্ট্রোল ও টু ওয়ে ট্যালিপ্যাথিক যোগাযোগ, ট্রাকিং টেকনোলজিস, ক্লোনিং প্রযুক্তি, 3 ডি হলোগ্রাফিক এবং ভয়েস প্রযুক্তি ইত্যাদি। এসব প্রযুক্তির সাহায্যে তারা তাদের দাজ্জালি এজেণ্ডা বাস্তবায়ন করবে এবং মানবজাতিকে ধোঁকা দিবে। সামনে এরা আরো কি কি ফেতনা সৃষ্টিকারী প্রযুক্তি নিয়ে আসে তা আল্লাহই ভালো জানেন। তাই আমাদের শেষ জমানা ও শেষ জমানার ফিতনাসমূহ নিয়ে সতর্ক হতে হবে এবং কুরআন-সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরতে হবে।

এই ছেলেটা তার মাকে হ*ত্যা করেনি, বরং হ*ত্যা করেছে তাদের বাসায় ভাড়া থাকা একজন ( মাবিয়া) মেয়ে সহ তিনজন, র‍্যাব মিথ্যাচার করেছে,
এই ছেলেটা তার মাকে হ*ত্যা করেনি, বরং হ*ত্যা করেছে তাদের বাসায় ভাড়া থাকা একজন ( মাবিয়া) মেয়ে সহ তিনজন, র‍্যাব মিথ্যাচার করেছে, মাবিয়া নামক মেয়েটা সাদদের বাসায় ভাড়া থাকতো , মাবিয়া অনৈতিক কাজ কর্ম করতো এটা সা'দের মা জেনে যায়, এই জন্য মাবিয়া ও তার দুই সহকারী মিলে সা'দের মাকে হ*ত্যা করে ডিপ ফ্রিজে রেখেদেয়, আর সাদকে ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে

Repost from N/a
কুরআনে 'জাহিলিয়াত' শব্দ কুরআনে কারীমে "জাহিলিয়াত” শব্দটিকে চারটি বিষয়ের দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে। ظن الجاهلية . 'জাহিলিয়াতের চিন্তা ও ধারণা।" (সূরা আলে ইমরান। ১৫৪। افحكم الجاهلية সহিলিয়াতের শাসন।" (সূরা আল-মায়িদা। ১৫০) تبرج الجاهلية . "জাহিলিয়াতের সৌন্দর্য প্রদর্শন।" (সূত আব-আহযাব: ৩৩। حمية الجاهلية .. "জাহিলিয়াতের অহমিকা।" (সূরা আল-দাতা: ২৯) সুতরাং এক. হৃদয়ের ভ্রান্তি যেকোনো জাতির ধ্বংসের কারণ। দুই, শাসনক্ষমতার বিকৃতি যেকোনো জাতির ধ্বংসের কারণ। তিন, নারীদের ন°_ষ্টামি যেকোনো জাতির ধ্বংসের কারণ। চার, গোত্রীয় বড়াই ও স্বজনপ্রীতি যেকোনো জাতির ধ্বংসের কারণ।। এ চারটি জিনিস কোনো জাতির ভেতর ঢুকে পড়লে সেই জাতির ধ্বংস, লাঞ্ছনা, বাঞ্চনা ও অধঃপতন অনিবার্য।

Repost from N/a
কুরআনে 'জাহিলিয়াত' শব্দ কুরআনে কারীমে "জাহিলিয়াত” শব্দটিকে চারটি বিষয়ের দিকে সম্বন্ধ করা হয়েছে। عن الجاهلية . 'জাহিলিয়াতের চিন্তা ও ধারণা।" (সূরা আলে ইমরান। ১৫৪। الحكم العاملية সহিলিয়াতের শাসন।" (সূরা আল-মায়িদা। ১৫০) تراح الجاهلية . "জাহিলিয়াতের সৌন্দর্য প্রদর্শন।" (সূত আব-আহযাব: ৩৩। حمية الجاملية .. "জাহিলিয়াতের অহমিকা।" (সূরা আল-দাতা: ২৯) সুতরাং এক. হৃদয়ের ভ্রান্তি যেকোনো জাতির ধ্বংসের কারণ। দুই, শাসনক্ষমতার বিকৃতি যেকোনো জাতির ধ্বংসের কারণ। তিন, নারীদের ন°_ষ্টামি যেকোনো জাতির ধ্বংসের কারণ। চার, গোত্রীয় বড়াই ও স্বজনপ্রীতি যেকোনো জাতির ধ্বংসের কারণ।। এ চারটি জিনিস কোনো জাতির ভেতর ঢুকে পড়লে সেই জাতির ধ্বংস, লাঞ্ছনা, বাঞ্চনা ও অধঃপতন অনিবার্য।

Repost from N/a
ছোট ছোট বিষয়-আশয় নিয়ে মতবিরোধ থাকতেই পারে, তবে কখনো মনবিরোধ না হওয়া চাই। আমরা জানি সাহাবী, তাবিয়ী এবং পুণ্যবান পূর্বসূরিদের সময়ও এমন শাখাগত মাসায়েল নিয়ে ইখতিলাফ বা মতবিরোধ বিরাজমান ছিল। কিন্তু তাঁদের মাঝে মনবিরোধ সৃষ্টি হয়নি। সময় এখন মৌলিক বিষয় নিয়ে চিন্তা করার, গবেষণা করার এবং প্রচার করার। শাখাগত মাসায়েল নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় এটি নয়। এসব বিষয় তো সালাফের দ্বারা পর্যালোচিত, সংকলিত ও মীমাংসিত হয়ে গেছে। সময় এখন ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব দুনিয়াবাসীর সামনে তুলে ধরার। সময় এখন সর্বযুগে ইসলামের যথার্থতা লোকদের বুঝিয়ে দেওয়ার। সময় এখন ইসলাম ছাড়া যে শান্তি ও নিরাপত্তার বিকল্প কোনো পথ নেই তা বিশ্লেষণ করার। সময় এখন আল্লাহ তাআলা, আল-কুরআন, ইসলাম, ইসলামের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, আল-হাদীস এবং ইসলামী শরিয়তের বিরুদ্ধে আরোপিত প্রোপাগান্ডাসমূহের বুদ্ধিবৃত্তিক, যুক্তিনির্ভর, তথ্য ও উপাত্ত সংবলিত খণ্ডন পেশ করার। আল্লাহ তাআলা স্পষ্ট ঘোষণা করেন, "আর যারা কাফির তারা পারস্পরিক সহযোগী, বন্ধু। তোমরা যদি এমন ব্যবস্থা না করো, তবে দাঙ্গা-হাঙ্গামা বিস্তার লাভ করবে এবং দেশজুড়ে বড়ই অকল্যাণ হবে।” (সূরা আল-আনফাল: ৭৩) অন্য জায়গায় ইরশাদ হয়েছে, "যারা ঈমান এনেছে তাদের হৃদয় কি আল্লাহর স্মরণে এবং যে সত্য নাযিল হয়েছে তার কারণে বিগলিত হওয়ার সময় হয়নি? আর তারা যেন তাদের মতো না হয় যাদের ইতিপূর্বে কিতাব দেওয়া হয়েছিল, তারপর তাদের ওপর দিয়ে দীর্ঘকাল অতিক্রান্ত হলো, অতঃপর তাদের অন্তরসমূহ কঠিন হয়ে গেল। আর তাদের অধিকাংশই ফাসিক।" (সূরা আল-হাদীদ: ১৬) এখন আমাদেরকে ইসলামের সভ্যতা ও সংস্কৃতি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরতে হবে এবং সাধারণ মুসলিমদেরকে ইসলামি শাসন ব্যবস্থার গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বুঝাতে হবে এবং আল্লাহ প্রদত্ত চিরস্থায়ী মুক্তি ও মর্যাদার পথ জি _হা _দ ফী সা*বিলিল্লাহ এর প্রতি ধাপিত করতে হবে!

photo content

উনি উম্মাহর এক বিরাট সম্পদ, উম্মাহর রত্ন, আমার চেতনার বাতিঘর! শায়খ আসিম আল মাকদিসি হাফি. উনি এমন ব্যক্তি,যাকে তার মানহায বির
উনি উম্মাহর এক বিরাট সম্পদ, উম্মাহর রত্ন, আমার চেতনার বাতিঘর! শায়খ আসিম আল মাকদিসি হাফি. উনি এমন ব্যক্তি,যাকে তার মানহায বিরোধী লোকেরাও" আহলে ইলম"হিসেবে স্বীকৃতি দান করে!

আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে এবারে বাদাম, ডালিম, আপেল, কমলা সহ প্রচুর ফল উৎপাদন হলো।
+1
আফগানিস্তানের হেলমান্দ প্রদেশে এবারে বাদাম, ডালিম, আপেল, কমলা সহ প্রচুর ফল উৎপাদন হলো।

এই দুইজন মুসলিম যুবককে হত্যার চেষ্টা করে অগ্র হিন্দুত্ববাদীরা
এই দুইজন মুসলিম যুবককে হত্যার চেষ্টা করে অগ্র হিন্দুত্ববাদীরা