en
Feedback
الإعداد

الإعداد

Open in Telegram

একটি ভুলে যাওয়া ফরজের নাম ই'দাদ

Show more
2 567
Subscribers
No data24 hours
+337 days
+21630 days
Posts Archive
গতরাতের হামলায় গাজায় ২ পরিবারের ১১ জন শিশু শহীদ
গতরাতের হামলায় গাজায় ২ পরিবারের ১১ জন শিশু শহীদ

সিলেটের জৈন্তাপুর সীমান্তে ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে মো. মারুফ মিয়া (১৬) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার মিনাটিলা সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মারুফ মিয়া উপজেলার ঝিংগাবাড়ি গ্রামের মো. শাহাবুদ্দিনের ছেলে।

আনাস খাত্তাব, ওরফে আবু আহমেদ হুদুদ, এইচটিএস-এর জেনারেল সিকিউরিটি সার্ভিসের প্রতিষ্ঠাতা, ইদলিবে আইএসআইএস এবং আল-কায়েদার বিরুদ্ধে অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি অসংখ্য অপরাধের তদন্তও করেছেন এবং আহমেদ আল-শারার সাথে কাজ করার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। এইচটিএস-এর রূপান্তরের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবেও খাতাবকে স্বীকৃত করা হয়। তিনি বাস্তববাদী এবং 'গ্রে জোন প্লেয়ার' হিসেবে পরিচিত।

সিরিয়ার নতুন সরকার আনাস খাত্তাবকে সিরিয়ার জেনারেল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের প্রধান হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।
সিরিয়ার নতুন সরকার আনাস খাত্তাবকে সিরিয়ার জেনারেল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের প্রধান হিসেবে নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে।

UstadOsamaMahmudSakkhatkar-Part 1.pdf5.94 KB

আমারা কি চাই !!

সচিবালয়ে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া অফিস দেখে বিমর্ষ যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে। এ সময় আর
সচিবালয়ে আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যাওয়া অফিস দেখে বিমর্ষ যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেছেন, আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে। এ সময় আরেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন তাকে সান্ত্বনা দেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) অগ্নি দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় এ কথা বলেন আসিফ মাহমুদ। নীলফামারি থেকে ঢাকায় ফিরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সচিবালয়ে যান আসিফ মাহমুদ। তখন তার সঙ্গে ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং নৌপরিবহণ উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম শাখাওয়াত হোসেন, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

আসসালামু আলাইকুম

মিশরের বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী হিসাব করলে! রব চাহে তো অচিরেই নতুন এক ইনক্বিলাব তৈরি হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহু আ'লাম

Repost from N/a
চতুর্থ পর্ব! সেফা নেট আগের পর্ব গুলোর লিংক কমেন্টে⤵️ এই পর্বে Encryption নিয়ে আলোচনা করব, ইন শা আল্লাহ Encryption অর্থ গোপন করা, Encryption বলা হয় গোপনীয়তার জন্য তথ্যাবলীকে এমন ভাবে incode করা যাতে মূল বর্তা বিশেষ কিছু ব্যক্তিই বুঝতে সক্ষম হন (অন্য কেহ নয়)। Encryption কোন ব্যক্তিকে বার্তা বা বিষয় বস্তু পর্যন্ত পৌঁছতে বাধা দিতে সক্ষম নয়। তবে যার এই বার্তার কোডিং জানা নাই সে এই বার্তা পাঠ করে কিছুই বুঝবে না। এই বার্তা বুঝার জন্য অপর ব্যক্তিকে অপরিহার্য ভাবে এই বার্তা বুঝার পদ্ধতিও জানতে হবে। Encryption গোপনে চিঠি প্রেরনের বহু পুরাতন পদ্ধতি। আগের যুগে চিঠি পত্র সাধারণত শব্দের (text) মাধ্যমে লেখা হত। এজন্য Encryption এর পরেও চিঠি শব্দের আকৃতিতেই রয়ে যেত। আধুনিক যুগে বিশেষ করে কম্পিউটার আবিস্কারের পর শব্দ, অডিও, ভিডিও এবং অনান্য ডেটায় Encryption লাগিয়ে বার্তা নিরাপদ করা যায়। Encryption নিজেও করা যায় কম্পিউটারের সাহায্যে ও করা যায়। নিজে করার সর্ব প্রাচীন পদ্ধতি হলো: আপনি একটি অক্ষরের স্থানে অন্য আরেকটি তক্ষর ব্যবহার করবেন। উদাহরণত cat শব্দটির ক্ষেত্রে আপনি "C "এর স্থানে G, A এর স্থানে K. "T"ত্রর স্থানে K, লিখবেন। ফলে শব্দ CAT কে যখন Encryption করা হলো সেটা GKR এর রূপ ধারণ করল। এখন বার্তা প্রেরক GKR লিখে মেসেজ করবে আর বার্তা প্রাপক সেটা ঠিক করে CAT করে নিবে। এমনি ভাবে সমস্ত অক্ষরগুলোকে আলাদা আলাদা ভাবে শৃংখলাবদ্ধ করে দিবেন, যেখানে A লিখতে চান সেখানে K লিখবেন তার যাকে মেসেজ করবেন তাকে পূর্বে থেকেই জানিয়ে রাখতে হবে কোন অক্ষয়ের স্থানে কোন আগরটি হবে। সে সেই অনুযায়ী অক্ষর গুলো ঠিক করে মেসেজ টি পড়বে। এই পদ্ধতি প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল তার পর দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে মেশিনের সাহায্যে Encryption করা হত, এখন বর্তমানে কম্পিগুটারের সাহায্যে Encryption করা হয়, কম্পিওটারের মাধ্যমে করা Encryption বহুত শক্তিশালী ও নিরাপদ হয় যা সহজে ভাঙ্গা যায় না। এই লক্ষেই Encryption এলগরিদম ব্যবহার করা হয়। ইদানিং বিভিন্ন ধরণের এলগরিদম ব্যবহার হচ্ছে। Encryption এর মৌলিক উদ্দেশ্য হলো আপনি যাকে মেসেজ অথবা অন্য কিছু পাঠাতে চান তা অন্য কেহ যেন জানতে না পারে কী পাঠাচ্ছেন। যেমনটা অতিত কালে আমরা যখন কারো নিকট চিঠি পাঠাতাম তখন পথিমধ্যে জন্য কেহ তা পড়ে ফেলার একটা আশংকা থাকত। তেমনি ভাবে আমরা যখন ল্যান্ড লাইনের মাধ্যমে কথা বলি তখন মাঝে মধ্যে একচেঞ্জ কর্মকতীদের আওয়াজ শোনা যায়, যার ফলে আমরা বুঝতে পারি তাবা আমাদের কথা শুনছে অথবা কখনো আমরা নিজেরাই চালাকি করে কোন কেবিনেটে টেলিফোন লাগিয়ে লোকদের কল ভয়েস শুনে থাকি। এমনি ভাবে বর্তমান প্রযুক্তির যুগেও এটা সম্ভব যে, আপনি ইন্টারনেটে যা কিছুই পাঠান বা ডাউনলোড করেন অথবা মেসেজ কিংবা কল করেন, যদি তা Encrypted করা না থাকে, তৃতীয় ব্যক্তি জানতে পারবে যে পাঠানো জিনিসটা কি ছিল। ইন্টারনেটে ডেটাগুলো প্যাকেটের আকৃতিতে থাকে যা বিভিন্ন নেটওয়ার্কিং সফটওয়‍্যাবরের মাধ্যমে দেখা যায় যে এই প্যাকেটের মধ্যে কী আছে। ইন্টারনেটের মধ্যস্থতা কারী প্রতিষ্ঠান এটা দেখতে পারে। ধরুন আপনার ISP অর্থাৎ ইন্টারনেট সার্ভিস প্রভাইডার সীম কম্পানী যারা আপনাকে ইন্টারনেট সুবিধা সরবরাহ করছেন অথবা আপনি যদি Wi-Fi ব্যাবহার করে থাকেন তাহলে এই রাউডারের এক্সেস যার কাছে থাকবে সেও দেখতে পারবে। এটা ছাড়াও মধ্যস্থতাকারী আরো কিছু পয়েন্ট রয়েছে। একটি উদাহরণ দিচ্ছি, ধরুন আপনি এমন একটি অ্যাপ ব্যবহার করছেন যা মেসেজকে Encrypt করে পাঠায় না তাহলে এখন আর wifi রাউডার , আপনার ISP ও সেখান থেকে ইন্টারনেট সংযোগ নিয়েছে এবং এই অ্যাপের কোম্পানী সহ সবার কাছে এই ডেটা পৌছে যাচ্ছে আর এরা সবাই আপনার মেসেজ পড়রে সক্ষম। এটা এক দিকের কথা। দ্বিতীয় দিকে ও এমনটাই হবে অর্থাৎ কম্পানি থেকে স্যাটেলাইট সেখান থেকে সেটালাইটের সামনে বসে থাকা ব্যক্তি, ও যার কাছে মেসেজ পাঠানো হয়েছে তার ISP এই মেসেজ পড়তে সক্ষম। এটা শুধু একটা উদাহরণ, বর্তমানে প্রায় সব মেসেঞ্জার অ্যাপ গুলোই Encryption ব্যবহার করে থাকে কেহ এন্ড টু এন্ড অর্থাৎ এক ব্যক্তি থেকে দ্বীতীয় ব্যক্তি পর্যন্ত Encrypted থাকে মধ্যখানে কোথায়ও decrypt হয়না। আর কিছু শুধু এক এন্ড থেকে কম্পানির সাভার পর্যভ তারপর কম্পানি সার্ভার থেকে সামনের ব্যক্তি পর্যন্ত Encrypted খাতে অর্থাৎ কম্পানি নিজ সার্ভারে এটা Decrypt করে।

Repost from N/a
তৃতীয় পর্ব :- সেফা নেট এই পর্বে আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করব যে, NSI আরো কোন কোন মাধ্যমে গুলো দ্বারা ইন্টারনেটে লোকদের নজরদারী করে যাচ্ছে। এডওয়ার্ড স্নোডেন এখানে কিছু প্রোগ্রামের কথা উল্লেখ করে ছিলেন, যার মধ্যে হচ্ছেঃ XKeyscore এ প্রোগ্রাম পুরো বিশ্বে বাপকভাবে ইন্টারনেটের নজরদারির জন্য বানিয়েছে। যার জন্যে ১৫০ দেশের বিভিন্ন জাগায় ৭০০ বড় বড় সার্ভার স্থাপন করেছে যা সকল ইন্টারনেট ট্রফিককে স্টোর করে থাকে। এর মাধ্যমে একজন সাধারণ এন এস এই কর্মকর্ত যে কারো মেইল পড়তে পারে। এবং যে কারো নজরদারী করতে পারে যে, সে আজ কি কি করছে, কোন কোন ওয়েব সাইট খুলেছে। সে আপনার ট্রাফিককে শুধু দেখেই না বরং এই ডাটা তার কাছে সারক্ষিত থাকে। এবং কিছু দিনের মধ্যে সে কারো ভাটা দেখতে চাইলে সে তা দেখতে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী কয়েকটি সার্ভার ভারত ও পাকিস্তানে আছে। এই প্রোগ্রাম অত্যন্ত বাপক ও বড় মাপের সিস্টেম যার মধ্যে আরো কয়েকটি প্রোগ্রাম রয়েছে। যার মধ্য থেকে একটি হল: Tempora এটা বৃটেনের ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি "গভর্নমেন্ট কমিউনিকেশন হেডকোয়াটার এর প্রোগ্রাম। যার অধিনে সকল ধরনের ফাইবার অপটিক্যাল ইন্টারনেট ট্রফিককে নিজের কাছে সংরক্ষণ করে নেয়। যাতে পরবর্তিতে যখন কারো ব্যাপারে দেখতে হয় তখন ঐ সার্ভার থেকে দেখা যায়। পুরো বিশ্বে ইন্টারনেট ফাইবার অপটিয়া কেরল এর মাধ্যমেই জড়িয়ে আছে। বৃটেনের ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি এই নথিপত্র গুলো এন এস আই এর সাথে শেয়ার করে থাকে। এবং তাকে এই আশ্বাস দিয়ে রেখেছে। এই প্রগ্রামগুলোর এক বৈশিষ্ট এটাও রয়েছে, যে তার মধ্যে অধিকাংশ ভাষার অনুবাদ নিজে নিজেই হয়ে যায়। তাদের অন্য কোন অনুবাদকের প্রজোয়ান পড়েনা। রিপোর্ট অনুযায়ী সে পুরো বিশ্বের এক মাসের ট্রাকিং নথিপত্র নিজের কাছে জমা রাখতে পারে। এবং সে একাই XKS এর চেয়েও বেশি তথ্য জমা রাখতে পারে। আরেকটা প্রোগ্রামের নাম হলঃ- Echeion বড় দেশগুলো এটা ব্যবহার করে। এই প্রোগ্রামের কাজ হল অন্যান্য দেশ গুলোর সেটেলাইট নজরদারি করা। তাদের ফোন কল ট্রেস করা এবং মেসেজ ইত্যাদি দেখা, এবং এই ডাটা আবার এক্স কি স্কোরের সার্ভারে জমা হয়ে যায়। এছাড়া এন এস আই এর জরদারির আরো অনেক প্রোগ্রাম রয়েছে সব গুলো নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব না। এই এইজন্যই তো গুগল বলেছিল যে, আমাদের এটা জানা আছে যে লোকেরা দিনে কতবার নিজেদের মোবাইলের লক খুলে। এই কথা গুলোকে সংক্ষিপ্ত ভাবে বলার উদ্দেশ্য ছিল, ইন্টারনেটে যেকোন জিনিষই আপনি করেন না কেন তা NSI এর জরদারির বাইরে নয়। বাকি ০৭ ট্রেস ও মেসেজ ট্রেস করা তো বাংলাদেশেও করে থাকে, এটা তাদের জন্য কোন বড় কিছু না। ইন্টারনেটে যতক্ষন পর্যন্ত ইনডিস্ট ট্রাফিক ব্যবহার না করবেন এতক্ষণ পর্যন্ত আপনার সকল খবরা খবর তাদের কাছে থাকে, আপনি কি কি দেখছেন, ইন্টারনেটে আরো কি কি জিনিষ ডাউনলোড করছেন। তবে ইন্টারনেট থেকে ইনক্রিপ্ট করা তথ্য বা কলের ব্যাপারে গোয়েন্দা সংস্থা সহ কেহই জানতে। পারে না। এই জন্য আমরা বারংবার ইনক্রিপ্ট ট্রাফিকের জন্য কোন ভাল "VPN' এর ব্যবহারের পরামর্শ দেই। গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে ইন্টারনেটে সবার ইনফর্মেশন চেক করা হয় না। বরং যে সন্দেহে থাকে বা নজরে পড়ে যায় তারটা দেখা হয়। অধিকাংশ লোক নজরে পড়ে অসতর্কতার কারনে। এই জন্য সতর্কতার খাতিরে ভাল কোন VPN ব্যাবহার করবেন। যাতে আপনার তথ্য সব ইনক্রিপ্ট করা থাকে এবং আপনি শত্রুর দৃষ্টি থেকে নিরাপদ থাকেন।

Repost from N/a
দ্বিতীয় পর্ব....... সেফা নেট! এই অধ্যায়ে আমরা সে সকল দেশ সম্পর্কে আলোচনা করব যারা পুরা বিশ্বে নজরদারী ও তত্ত্বাবধারন করে যাচ্ছে এবং তারা পরস্পরে গোপন বিষয় সমূহ শেয়ায় কারে থাকে। স্নোড়েন ঐ পাঁচ দেশের আলোচনা করেছেন যে পাঁচ দেশের বিভিন্ন এজেন্সি পরস্পরে তথ্য শেয়ার করে থাকে এবং এই পাঁচটি দেশকে ইন্টারনেট প্রাইভেসির শত্রু মনে করা হয়। এই পাঁচ দেশকে Five Eyes অর্থাৎ পাঁচ চোখ এর নাম দেয়া হয়েছে দেশগুলো হল: ১/ অ|°মিরি°কা ২/ ব্রিটেন ৩/ কানাডা ৪/ অস্ট্রলিয়া ৫/ নিউজিল্যান্ড এবং আরেক সহযোগী হল ই/সরা/ইল উল্লেখিত পাঁচ দেশের পরস্পরে একতা এবং বন্ধুত্ব রয়েছে। এবং ইন্টিলিজেন্স শেয়ার হয়ে থাকে। এরপর তাদের পরস্পরে আরেকটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যাকে সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞরা Fourteen Eyes অর্থাৎ চৌদ্দ চোখ নাম দিয়েছে। যার মধ্যে পূর্বে উল্লেখ করা ছয়টি নাম ছাড়া ৩ আরো কিছু দেশের নাম শামিল হয়েছে। ৭/ ইটালি ৮/ স্পেন ৯/ সুইডেন ১০/ ডেনমার্ক ১১/ বেলজিয়াম ১২/ ফ্রান্স ১৩/ নেদারল্যায় ১৪/ নরওয়ে ১৫/ জার্মানি এই চুক্তি sigint seniors Europe নামে পরিচিত। এখানে তাদের এন্টিলিজেন্স শেয়ারিং হয় স\ন্ত্রা\নে\র বিরুদ্ধে। তবে এই গুলো ছাড়াও আরো কিছু দেশ রয়েছে যারা এর মধ্যে শামিল। সিংগাপুর, উত্তর কোরিয়া, জাপান এবং ব্রেটেনের অধিনস্ত কিছু এলাকা এই গুলোকে নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করার উদ্দেশ্য হল যে, পাঁচ +এক দেশের কথা উল্লেখ করা হল, এসব দেশের সব মাধ্যম একেবাবেই ব্যবহার না করা, কেননা এই সব দেশ গুলোকে অনলাইন প্রাইভেসির শত্রু মনে করা হয়। এরা কোন কোম্পানিকেই স্বাধীন থাকতে দেয়না বরং তাদের দেশের কোম্পানিগুলোর ব্যবহারকারীদের সমস্ত তথ্য রাখে। এবং এই দেশগুলো তথ্য ও ডাটা একে অন্যের সাথে শেয়ার করে। তাদের সোর্সের মধ্যে থেকে কিছু এখানে উল্লেখ করা হল- 👉 Email, Gmail, Yahoo, Hotmail ইত্যাদি 👉 cloud storage Dropbox, Google Drive ইত্যাদি 👉 Messenger - Whats app, Facebook, Google Alo, Skype ইত্যাদি। 👉 VPN - IP venish, Hide me s, Hotspot shelid ইত্যাদি। 👉 Social Media Facebook, Google plus, Twiter ইত্যাদি। 👉 Operating system windows, android, IOS, mac ইত্যাদি। 👉 Web hosting এবং এছাড়াও আরো অন্যান্য মাধ্যম। এরা ছাড়া আরো যে ১২ দেশের আলোচনা করা হয়েছে তাদের সোর্স সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিৎ। এই সকল দেশ যদিও ব্যাপকভাবে ইন্টিলিজেন্স শেয়ার করেনা, কিন্তু কিছু তো হয়ই। আর বিশেষ ভাবে মু/জাহি//দিনে/র বিরুদ্ধে তো অবশ্যই। কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু আছে সাধারণ জনগনের প্রাইভেসী লক্ষ করে এবং তাদেকে তেমন ইন্টারনেটের শত্রু মনে করা হয় না। এবং কম্পানিকে বেশি চাপ প্রয়োগ করা হয় না। যেমন জার্মানি আছে এই জাতীয় দেশের সোর্স সতর্কতার সহিত ব্যবহার করা যেতে পারে। সবাই আমার জন্য এবং সেফা নেট ভাইদের জন্য দোয়া করবেন! জাযাকুমুল্লাহ

Repost from N/a
নেট সিকিউরিটির ব্যপারে মৌলিক ধারনা আমরা সিকিউরিটির বাম্পারে শুরু থেকে সব বিষয় গুলো আলোচনা করব। যাতে করে নিত্ব-নতুন যে বিষয়গুলো প্রতিনিয়ত আমাদের সামনে আসছে তার আলোকে সিকিউরিটির ব্যপারে অবগত করা যায়। এটা ধারাবাহিক ভাবে সময়ে সময়ে আপনাদের কে জানাব ইনশাআল্লাহ। আজ কিছু উপকারী বিষয় আপনাদের সামনে আলোচনা করব যেগুলো সিকিউরিটি এবং প্রাইভেসির প্রাথমিক ধারনা বলা যায়। বর্তমানে আ/মরি/কা/র গোপন এজেন্সি "এ°ন, এ°স,আ°ই ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল দেশের উপর বড় ধরনের নজরদারি করছে। আজ থেকে চার বছর পূর্বে 'এড ওয়ার্ড ম্নোডেন' যে এনএসআইতে কন্ট্রক্টর হিসেবে কাজ করত, সেখান থেকে সে তাদের সমস্ত গোপন তথ্য সংগ্রহ করেছিল। এবং তাদের নজরদারির কথা পুরো দুনিয়ার সামনে প্রকাশ করেছিল যে, কোন মাধ্যমে তারা নজরদারি করে যাচ্ছে। এই গোপন তথ্যে সে একটি প্রোগ্রামের নাম উল্লেখ করেছে যার নাম ছিল প্রিজম (priam)। এই প্রোগ্রামে আন্ডারে ৯টি বড় বড় কম্পানি অদের ডাটা এ*ন এ*স আ*ই কে প্রদান করে থাকে। তাদের মধ্য থেকে এ সকল কম্পানি উল্লেখ সোগাঃ- ১/ মাইক্রোসফট ২/ গোগল ৩/ ফেসবুক ৪/ ইয়াহু ৫/ অ্যাপল ৬/ পালটাক ৭/ ইউটিউব ৮/ স্কাইপ ৯/ আই ও এস এই কম্পানি গুলো নিজেদের বিভিন্ন এপ ও সোর্সের মাধ্যমে নজরদারী করে যাচ্ছে। যেমন: গুগল সার্চ ইঞ্জিন, গোগল প্লে স্টোর, জিমেইল ইত্যাদি, কিছু কম্পানি তো একে অন্যের সাথে মিশে গেছে। এটা জেনে রাখুন, গোগল, মাইক্রোসফট, অ্যাপেল এবং ফেসবুক এর মাঝে এক ধরনের যুদ্ধ চলছে। কে কার থেকে বেশি ব্যবহারকারীদের তথ্য নিতে পারে। এবং তারা তার বিভিন্ন পদ্ধতি ও বের করেছে। এবং এই সকল তথ্য, মেসেজ, মেইল ইত্যাদি এন,এস,আইকে প্রদান করে থাকে। বর্তমানে গোগল, ফেসবুক ব্যবহারকারীদের সব থেকে বেশি তথ্য গ্রহণ করে, এবং তার বিভিন্ন পদ্ধতিও আপনারা প্রতিনিয়ত পত্রপত্রিকায় দেখতে পরছেন। গুগল এবং ফেসবুকে লগইন করে যদি আপনি ব্রাউজের মাধ্যমে কিছু সার্চ করেন, তখন সে আপনার ব্যাপারে এটা জানতে পারবে যে আপনি কি চাচ্ছেন আর এই ভাটা সে সংরক্ষিত রাখে। এমনিতে মেইল, মেসেজ দেখা ও সংরক্ষণ তো অবশ্যই করে। সাথে সাথে সে তার চেয়েও কয়েকগুন বেশি আমাদের নজরদারি করছে। যে যে ওয়েবসাইট খুলা হয়েছে, যদি ব্রাউজারের কুকিস এবং হিস্টরি সব সময় পরিষ্কার না করে তাহলে তাদের কাছে এই তথ্য চলে যায়। এ থেকে বাচার জন্যে এই সব সার্ভিস ব্যবহার ছেড়ে দেয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। আমরা এর বিকল্পগুলো ব্যাবহার করতে পারি ইনশাআল্লাহ। এখন এখানে আরেকটি কথা যা অধিকাংশ ভাইয়েরা জিজ্ঞাসা করে থাকেন যে, এই দেশেও কি এই গুলো ব্যবহার করার দ্বারা আমাদের মেসেজ এবং মেইল ট্র্যাক করা হয়? অর্থাৎ বাংলাদেশী এজেন্সি এরা ধরতে পারে! স্বরণ রাখবেন যে, সরকারের কাছে এমন কোন যন্ত্র নেই যার দ্বারা মেইল এবং মেসেজ ট্রাস করতে পারবে। কেননা জিমেইল হোক বা ফেসবুক মেসেঞ্জার, এখন উভয়টাই ইনক্রিপ্টেড ট্রাইমিটার ব্যবহার করে থাকে। অর্থাৎ মাঝখান থেকে কোন হ্যাকার বা এজেন্সি ট্র্যাক করতে পারে না। কিন্তু এখানে এই কথা অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যে, গোগল এবং ফেসবুক প্রত্যেক দেশের ত্বা/গু/ত সর/কার/কে পূর্ণ সহযোগিতা করে। এবং এটা তাদের প্রাইভেসী নিয়মনীতির অংশ যে তারা এই ডাটা প্রশাসন চাওয়ার সাথে সাথে তাদের সাথে শেয়ার করে থাকে! এটা আপনার উপর নির্ভর করে যে আপনি সরকারের জন্য কতটুকু শুরুরপূর্ণ। প্রতি বছর ফেসবুক এবং গোগল মিনিমাম এক হাজার ব্যবহারকারীর ডাটা সরকারের কাছে হস্তান্তর করে থাকে। এখন আপনি দেখুন যে আপনি নেটের জগতে কতটুকু গুরুত্বপূর্ন। আপনি কি সেই ১ হাজার বা দেড় হাজারের রেঞ্জের ভিতরে পরবেন? #আজকের_সতর্কতা! যোগাযোগ এর জন্য ফেসবুক ও জিমেইল একদম ব্যবহার না করা।

তাবলীগ জামাতের সাদপন্থী নেতা মুয়াজ বিন নূরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Repost from N/a
ভা*র*তীয় হি*ন্দু*ত্ব*বাদী মিডিয়ার সন্ত্রাস !!! বাংলাদেশ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে কলকাতায় প্রবেশ করতেই কেড়ে নেওয়া হচ্ছে পাসপোর্ট। এরপর সেখানকার টিভি চ্যানেলের প্রতিবেদকের শিখিয়ে দেওয়া কথামতো সাক্ষাৎকার না দিলে পাসপোর্ট দেওয়া হবে না বলে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশে হি*ন্দুদের ওপর নির্যাতনের নানা কল্পকাহিনি বানিয়ে তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাংলাদেশ নিয়ে ভা*র*তের দুটি চ্যানেলে সবশেষ ছড়ানো প্রোপাগান্ডার সত্যতা জানতে সাক্ষাৎকারদাতার ফরিদপুরের বাড়িতে গেলে পরিবারের অভিভাবকরাই বিষয়টি জানান। ভা*র*তীয় টিভিতে সন্তানের মুখে বাংলাদেশে হি*ন্দুদের ওপর নির্যাতনের বর্ণনা শুনে তারা বিস্মিত হচ্ছেন। সম্প্রতি ভা*র*তের এবিপি আনন্দ টিভিতে একটি সাক্ষাৎকার দেন শুভ কর্মকার। তিনি ফরিদপুর শহরের নীলটুলীর স্বর্ণকার পট্টির নিউ গিনি ভবন জুয়েলার্সের স্বত্বাধিকারী সুনীল কর্মকারের ছেলে। ওই সাক্ষাৎকারে শুভ দাবি করেন, বাংলাদেশে খুবই খারাপ অবস্থা। হি*ন্দুদের ওপর অনেক অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে বাড়িঘর দখল করা হচ্ছে। মন্দির-প্রাসাদ পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ছোট ছোট বাচ্চাদের জন্য খারাপ লাগে। তাদের মারধর করা হচ্ছে। মা-বোনদের ওপর নির্যাতন করা হচ্ছে। রাতে দোকান থেকে বাড়িতে যাওয়ার পর ভাবতে হয় সকালে দোকানের উদ্দেশে আবার বের হতে পারব কি না! শুভর বাবা সুনীল কর্মকার বলেন, ওর এই কথা শুনে আমরা নিজেরাই অবাক হয়েছি। ও কী করে এই কথা বলল, ভাবতেও পারছি না। আমরা দেশে কোনো ধরনের অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হইনি। আমি ওকে ফোন করেছিলাম ওর এই কথা শুনে। ও বলল, পেট্রাপোলে সীমান্ত পাড়ি দেওয়ার পর সেখানকার সাংবাদিকরা ওর পাসপোর্ট নিয়ে নেয়। এরপর ওদের শিখিয়ে দেওয়া কথা না বললে পাসপোর্ট দেবে না বলে ভয় দেখায়। সোর্স : যুগান্তর

ইসলামী আমিরাতের শরণার্থী বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব খলিলুর রহমান হাক্কানীর শাহাদাতে ইসলামী আমিরাতের শোক বার্তা
ইসলামী আমিরাতের শরণার্থী বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব খলিলুর রহমান হাক্কানীর শাহাদাতে ইসলামী আমিরাতের শোক বার্তা

ইসলামী আমিরাতের শরণার্থী বিষয়ক মন্ত্রী আলহাজ্ব খলিলুর রহমান হাক্কানীর শাহাদাতের ব্যাপারে ইসলামী আমিরাতের সমর্থনের বার্তা পরম করুণাময় আল্লাহর নামে অত্যন্ত দুঃখের সাথে আমরা খবর পেলাম যে, ইসলামিক আমিরাতের শরণার্থী বিষয়ক মন্ত্রী জনাব আলহাজ্ব খলিলুর রহমান হাক্কানী আজ দুপুরের পর খাওয়ারিজদের বর্বরোচিত হামলায় শহীদ হয়েছেন। ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন এবং ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুন ইসলামী আমিরাত মরহুম হাক্কানির শাহাদাতকে ইসলামী আমিরাতের মুজাহিদিন, পরিবার এবং সমস্ত আফগানদের জন্য একটি বড় ক্ষতি বলে মনে করে। আলহাজ্ব খলিলুর রহমান হাক্কানী ছিলেন মহান আল্লাহর পথের একজন মুজাহিদ যিনি তাঁর সারা জীবন জিহাদ, হিজরত ও সংগ্রামে মহান আল্লাহর দ্বীন রক্ষার জন্য শত্রুদের দ্বারা এক মিলিয়ন ডলার পুরস্কার নির্ধারণ করেছিলেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত আজকে সেসব খাওয়ারিজদের হাতে শহীদ হয়েছেন যারা নিজেদেরকে মুসলমান বলে এবং মা স্বালা খানের চেয়ে অন্য মুসলমানদেরকে তাকফির করে। হাক্কানির শাহাদাতের কাপুরুষোচিত কাজ মুসলমানদের ইচ্ছাশক্তিকে দুর্বল করতে পারে না বা আমাদের শক্তিশালী ইসলামী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রকারীদের কোনো লক্ষ্য অর্জন করতে পারে না, বরং এ ধরনের কাপুরুষোচিত কাজ ইসলামের শত্রুদের মুখ কালো করে এবং ধর্মের অভিপ্রায় প্রকাশ করে। আফগানিস্তানের ইসলামিক আমিরাত ৯/৬/১৩৪৬ হিজরি | 21/9/1403 আছে | 11/12/2024

১. বোমার আঘাতে মরণাপন্ন একটি শিশু বলেছিলো, ❝আমি আল্লাহকে সবকিছু বলে দিবো!❞ ২. আরেকটি শিশু ক্রন্দনরত অবস্থায় বলেছিলো, ❝ও আল্লাহ, আমি মরতে চাই! আমাদের কোন রুটি নেই কেন? আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাও, যাতে আমরা রুটি খেতে পারি!❞ হ্যাঁ, এই দুই শিশু ও তাদের মতো এমন করে বলা হাজারো শিশুর সিরিয়ার বিজয় হয়েছে গতরাত। আলহামদুলিল্লাহ

Repost from N/a
সিরিয়ার সামরিক বাহিনীর কমান্ড সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের জানিয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসনের অবসান হয়েছে। #SYRIA

আজ সারাদিন সবাই বাবরির স্বরণে লিখেছে! কিন্তু আমি লিখতে পারিনি, অনেক বার চেষ্টা করেও লিখতে পারিনি। কি লিখব, লিখার মত একটা শব্দ ছাড়া আমার শব্দভান্ডারে আর কোন শব্দ নেই, যেই শব্দটা বারবার স্বরণে আসে সেটা হলো তুমি বড্ড মুনাফিক, তুমি বাবরি ও স্বজাতির সাথে মুনাফেকি করছো, নিজেকে মুনাফিক বলা ছাড়া আর কোন শব্দ আমি খুঁজে পাচ্ছি না, পাশের দে-শে কেন যাব, নিজের দেশে বা কি করতে পেরেছি, ৯২% মুসলিম হওয়া সত্বেও হিদু*রা মসজিদে হামলা করে, আযান দেয়ার কারণে মুসলিমদের কে পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে, গে*রুয়া স*ন্ত্রা*সীদের বিরুদ্ধে কথা বলায় ইমাম সাহেব কে চাকরিচ্যুত করা হচ্ছে, প্রকাশ্যে আমাদের কে ধরে ধরে হত্যার হুমকি দিয়েছে /দিচ্ছে, ষড়*যন্ত্র করে আমাদের মা বোনদের ইজ্জত এভ্রু ভূলুণ্ঠিত করতেছে, দিবালোকে প্রকাশ্যে আমার মুসলিম ভাইকে হি*দুরা জ*বা*ই করে হত্যা করেছে, মসজিদ নির্মাণ ও ইসলামের দিকে আহ্বান করার কারণে মুসলিম ভাইকে হ*ত্যা করা হয়েছে, আরো কত কত করুন কাহিনি, এখন বলুন আমরা ৯২% মুসলিম হয়ে কি করতে পেরেছি/ পারছি? আমরা কাশ্মীর,গুজরাট ও আরাকান নিয়ে কথা বলি, ফিলিস্তিনের গিয়ে যুদ্ধ করার ইচ্ছে পোষণ করি, অথচ নিজ ভূখণ্ডে নির্যাতিতের দিকে ভ্রুক্ষেপও করি না, আমাদের নিরবতা ও মুনাফিকি তাদের দুঃসাহস বাড়িয়ে দিয়েছে, আমরা বড্ড মুনাফিক,