「 𝙎𝙤𝙡𝙙𝙞𝙚𝙧𝙨 」
Closed channel
যে সত্যকে আপনি অপছন্দ করেন, এই চ্যানেলে সেই সত্য প্রকাশ করাই আমার কাজ । এখানে "হয়তো, মনে হয়"–এর কোনো জায়গা নেই । আমি FiNAL HOUR–এ FiNAL TALK করতে এসেছি ।
Show more932
Subscribers
No data24 hours
+17 days
-1130 days
Posts Archive
932
আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ । একটা এমেরিকান পরী (অর্থাৎ, নারী জ্বীন) এইমাত্র আমার হাতে ইসলাম ক্ববুল করেছে । কোনো মানুষ ইতিপূর্বে আমার হাতে ইসলাম ক্ববুল করেনি । আমার জীবনের ফার্স্ট হচ্ছে একটি বোবা জ্বীন । আমি কাল সালাতুল ফাজরের ওয়াক্তে ইনশাআল্লাহ বিইযনিল্লাহ এমন এক আ'মাল করবো, যাতে তার জবান ফিরে আসে এবং সে আল্লাহর যিকর করতে পারে । আমরা মা তার নাম মারিয়া রেখেছেন । বেশিকিছু বলার মতো হালতে নেই । যারা এই কেইসের ডিটেইলস জানেন, তারা তো বুঝতেই পারছেন । আমি প্রায় স্পিচলেস❕❕❕আল্লাহ যে কি না পারেন 🤍🖤💚
932
নিরাপদ, দ্রুত এবং দীর্ঘস্থায়ী শক্তি সঞ্চয়ের প্রতিযোগিতায় চীনা গবেষকরা এমন একটি ব্যাটারি তৈরি করেছে, যা সবকিছু বদলে দিতে পারে❗️এটা এমন একটা গ্রাফিন-ভিত্তিক ব্যাটারি, যা মাত্র ৫ মিনিটে সম্পূর্ণ চার্জ হয় এবং লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির চেয়ে ৪গুণ বেশি সময় ধরে চলে। গ্রাফিন হলো কার্বন পরমাণুর একটি একক স্তর, যা মৌচাকের মতো জালিকাকারে সাজানো থাকে এবং এটি এখন পর্যন্ত জানা সবচেয়ে শক্তিশালী ও পরিবাহী পদার্থ। এই গঠন ইলেকট্রনগুলোকে তামার চেয়ে ১০০গুণ দ্রুত চলাচল করতে দেয়, যা চার্জ হওয়ার সময়কে ব্যাপকভাবে কমিয়ে দেয় এবং তাপমাত্রা স্থিতিশীল রাখে। লিথিয়াম সেলের মতো গ্রাফিন ব্যাটারি দাহ্য নয়, যা বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং বহনযোগ্য ডিভাইসগুলোর অন্যতম বড় প্রবলেম (অতিরিক্ত গরম হওয়া এবং বিস্ফোরণের ঝুঁকি ) সলভ করে। পরীক্ষায় দেখা গেছে যে, ৩,৫০০বার সম্পূর্ণ চার্জ হওয়ার পরেও এই ব্যাটারিগুলো তাদের ক্ষমতার বেশিরভাগই ধরে রাখে, যেখানে সাধারণ লিথিয়াম ব্যাটারি প্রায় ৮০০বার চার্জ হওয়ার পরেই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে শক্তি হারায়। চরম আবহাওয়ায়ও এগুলো ভালোভাবে কাজ করে, যা এগুলোকে বৈদ্যুতিক যানবাহন এবং ড্রোনেও ব্যবহারের উপযোগী করে তুলে❗️
932
+2
আমি কি জানি না, আমি কোন শূয়োরের বাচ্চাদের সাথে কোন দেশে আছি❓❓আমার খুব ভালভাবেই জানা আছে বেশ্যা বাঙ্গু জাতি কি জিনিস ।
932
This is what's pumping into 5G and SKYNET like LIQUID PLUMBING ‼️🚫 প্রতিটি তার অ্যান্টেনার মতো কাজ করে ৬০ হার্জে ইএলএফ (ELF) আকারে দূষিত বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে, যা ভি/এম (v/m)-এর বেশি হলে ইএমএফ (EMF) মিটারে শনাক্ত করা যায় না এবং এই জিনিস লিউকেমিয়ার প্রধান কারণসমূহের মধ্যে একটি ‼️
932
যাদুকরের চুক্তি ও বন্ধন ; রুকইয়ার এক গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা ‼️(জাদুকরদের) ‘চুক্তি ও অঙ্গীকার’ কী❓❓এগুলো হলো এমন সব সমঝোতা বা চুক্তি, যা জাদুকররা শয়তানদের সাথে করে ; যারা বিভিন্ন ধরনের জাদুর দায়িত্বে থাকে। বাস্তবে, প্রতিটি জাদু এই চুক্তি ও বন্ধনের ভিত্তিতেই করা হয়। প্রায় প্রত্যেক আক্রান্ত ব্যক্তির শরীরে কিছু না কিছু ধরনের চুক্তি/বন্ধন থেকে যায়। বিশেষত যারা আগে কখনো জাদুকরের কাছে গিয়ে চিকিৎসা নিতে চেয়েছেন, তাদের ওপর এসব চুক্তি আরো বেশি হয়। অনেকে চিকিৎসার নামে এমন রাক্বিদের কাছে যায়, যারা আসলে জাদুকর। ফলে জাদু না কমে আরো বেড়ে যায়। এক জিন নিয়ে গেলে ৫০ জিন নিয়ে ফিরে আসে। অবস্থা আগের চেয়ে ভয়ংকর হয়ে ওঠে। 📌 জাদুকর কীভাবে কাজ করে❓❓জাদুকর যেকোনো জাদুর কাজ করার সময় একটি চুক্তি তৈরি করে এটিকে শক্তিশালী করে। শাইত্বানের সাথে লিখিত বা নির্ধারিত অঙ্গীকারের মাধ্যমে কাজকে স্থায়ী করে। উদাহরণ : সিহরের এক ধরণ হচ্ছে 'সিহরুল নুজুম’ (পাগল করার যাদু, তারকা-সংশ্লিষ্ট জাদু) । তারকা/গ্রহ দিয়ে জাদু তৈরি করা আলাদা কোনো জাদু নয়। বরং যেকোনো জাদুর সাথে তারকা-সংযোগ যোগ করা হয়। যেমন : রোশন করা জাদু, খাওয়ানোর জাদু। এগুলোতেও জাদুকর তারকার সাথে সংযোগ করে। কোনো তারকার নিজের কোনো ক্ষমতা নেই। সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ এগুলোকে জাদুর জন্য তৈরি করেননি। কিন্তু শয়তানরা তারকার সাথে নিজেদের যুক্ত করে রাখে, যাতে জাদুকররা তাদের ব্যবহার করতে পারে। অর্থাৎ জাদুকর আসলে তারকার সাথে নয়, শয়তানের সাথে চুক্তি করে। টলাসিম (জাদুর অক্ষর/চিত্র) কি❓❓যে জাদুতে বেশি টলসাম থাকে। বুঝে নিন, এটি তারকা/গ্রহ-সংযুক্ত জাদু। প্রাচীন জাদুর বইতেও বলা আছে : লেখাকে তখনই টলসাম বলা হয়, যখন তা গ্রহ-তারকার সাথে যুক্ত হয়। কেন রোগীকে এসব বুঝতে হবে❔❓কারণ, আক্রান্ত ব্যক্তি যদি জানে তার ওপর কী ধরণের জাদু রয়েছে, তখন সে সঠিক উপায়ে দু'আ করে চুক্তি ভাঙার আ'মাল করে দ্রুত আরোগ্য লাভ করতে পারবে ইনশাআল্লাহ। জাদুর আরেক অংশ : ‘কারিন’ (সহচর জিন) এর সাথে চুক্তি ‼️ অনেক জাদুতে জাদুকর কারিনের সাথেও চুক্তি করে। এটা রোগীকে আরো দুর্বল করে তুলে। এবং আপনার কাজ হলো সেসব চুক্তি বাতিল করা। কারিনের সাথে সংযোগ কেটে দেয়া। উল্টো দু'আ পড়ে চুক্তি ভেঙে দেয়া। আরেক বড় দিক হচ্ছে ‘রসদুল কুনুয’ (ধনরত্ন পাহারা দেয়া জ্বীন)–এর সাথে চুক্তি ‼️ জাদুকর অনেক সময় রোগীর চারপাশে শক্তিশালী কোনো জিন খুঁজে। বিশেষত পুরোনো ধনরত্ন পাহারা দেয়া জিন। যাদের ফিরআউন যুগের জিন বলা হয়, সেই ধরণের জিনের সাথে আবার চুক্তি করে। এমন আক্রান্ত ব্যক্তিরা স্বপ্নে বারবার ধনরত্ন, সোনার পাত্র, গুপ্তধনের দৃশ্য দেখতে পায়। কিভাবে বুঝবেন রোগীর ওপর এসব চুক্তি আছে❔ 1. স্বপ্নের মাধ্যমে❕❗️স্বপ্ন হলো খুব গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত। যেমন, অভিনেতা বা তারা সংক্রান্ত দৃশ্য দেখা ; জাদু তারকার সাথে যুক্ত। 2. আচরণ ও লক্ষণ দেখে❕❗️রোগীর নিজস্ব আচরণ, সমস্যা, ব্যথা ; সবকিছুই ধরণ বুঝতে সাহায্য করে। চিকিৎসা : চুক্তি ও বন্ধন ভাঙা। দুই ধাপে চিকিৎসা করা হয়। 1. জাদুকরের করা সব চুক্তি ভেঙে দেয়া। দু'আ পড়ে, নির্দেশিত আয়াত পড়ে। 2. জ্বীনকে স্মরণ করিয়ে দেয়া যে, “তার আগে আল্লাহর সাথে চুক্তি আছে।” এটা একইসাথে উপদেশ এবং চিকিৎসার অংশ। এর জন্য পড়া হয়- (فبما نقضهم ميثاقهم لعناهم) (وما خلقت الجن والإنس إلا ليعبدون) (يا معشر الإنس والجن...) রসদুল কুনুয (ধনরত্ন জিন) এর চুক্তি ভাঙার দোয়া : 'সব চুক্তি রসদুল কুনুযের সাথে-আল্লাহর নামের নামে ভেঙে যাক। সাহির ও রসদুল কুনুযের সব চুক্তি আল্লাহর নামে বাতিল হোক। সব বাঁধন ও সংযোগ 'বিসমিল্লাহ' দ্বারা কেটে যাক' । জ্বীনদের জগতে চুক্তি মানে শুধু কথা নয়। বরং, এক ধরণের গলায় বাঁধা দড়ির মতো শক্ত শেকল। এগুলো ভেঙে না দিলে রোগী আর সুস্থ হয় না। জাদু কোনো একক শয়তানকে পোড়ানো দিয়ে শেষ হয়ে যায় না। এটি একটি বড় নেটওয়ার্ক। চুক্তি, সংযোগ, রসদ, কারিন, শাইয়াত্বিনের দল ; সব মিলে পুরো ব্যবস্থা ভাঙতে হয়। আল্লাহ আমাদের হিফাযাত করুন, আমীন।
932
এখানে সুন্নতী তরীকায় দ্বীন জিন্দা হচ্ছে । খাঁটি নবীর ওয়ারিস । জয় বাঙ্গু জালেম ....
থুক্কু, আলেম .... থুক্কু, দাজ্জাল .... থুক্কু, ধর্মবেশ্যা .... থুক্কু, দোযখের কাষ্ঠখন্ড ।
932
মাত্র ফেইসবুকে আসলাম, এরমধ্যেই এই অবস্থা । তাও তিনি আমার টেলিগ্রাম চ্যানেল সম্পর্কে কিছুই জানেন না । একবার সোলজার্সে ঢুকলে কি অবস্থা হবে, জাস্ট ইমাজিন ❕❗️❕❗️❕
932
হযরত আদম (আ.) এর ললাটে বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম সৃষ্টিজগত সৃষ্টির পাঁচশ বছর পূর্বেই লিখিত ছিল। এই পবিত্র বাণী হযরত জিবরাইল (আ.) এর ডানায় অঙ্কিত ছিল। হযরত ইব্রাহিম (আ.) যখন অগ্নিকুণ্ডে নিক্ষিপ্ত হলেন তখন এই বিসমিল্লাহর রূহানি বরকতেই আগুন তাঁর জন্য শীতল ও প্রশান্তিদায়ক বাগানে পরিণত হলো। হযরত মুসা (আ.) এর লাঠিতে সুরিয়ানি ভাষায় এই পবিত্র কালাম উৎকীর্ণ ছিল যার উসিলায় তিনি সমুদ্র দ্বিখণ্ডিত করেছিলেন। দোলনায় থাকা অবস্থায় হযরত ঈসা (আ.) এই বিসমিল্লাহর রূহানি শক্তিতেই কথা বলেছিলেন এবং মৃতকে জীবিত করেছিলেন। হযরত সুলাইমান (আ.) এর আংটিতেও এই নামের বাতেনি নকশা খোদাই করা ছিল। বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম পবিত্র কুরআনের প্রত্যেকটা সূরার শুরুতে অবস্থান করে মহাবিশ্বের ভারসাম্য রক্ষা করে।
জেনে রাখা প্রয়োজন— বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম এর বর্ণ সংখ্যা ১৯ এবং এর আধ্যাত্মিক গাণিতিক মান ৭৮৬। যদি কোনো ব্যক্তি নির্দিষ্ট নিয়তে সাত দিন পর্যন্ত প্রতিদিন ৭৮৬ বার এই পবিত্র কালাম পাঠ করে তবে মহান রবের হুকুমে তার প্রত্যেকটা নেক মাকসুদ পূর্ণ হয়। এটি অকল্যাণ দূর করতে ও বাণিজ্যে বরকত লাভে অদ্বিতীয়। যে ব্যক্তি শয্যায় যাওয়ার সময় ২১ বার বিসমিল্লাহ পাঠ করে আল্লাহ পাক সেই রাতে তাকে শয়তানের অনিষ্ট চুরির ভয় ও আকস্মিক মৃত্যু হতে সুরক্ষা দান করেন। কোনো জালেম শাসকের সম্মুখে যাওয়ার সময় ৫০ বার বিসমিল্লাহ পাঠ করলে তার অন্তরে ভয় সৃষ্টি হয় ও অনিষ্ট হতে মুক্তি পাওয়া যায়। সূর্যোদয়ের সময় কিবলামুখী হয়ে ৩১৩ বার বিসমিল্লাহ পাঠ করে নবী করীম (সা.) এর ওপর দরুদ পাঠ করলে অভাব দূর হয় ও এমন স্থান হতে রিযিক আসে যা মানুষ কল্পনাও করতে পারে না।
মহব্বত ও ভালোবাসা বৃদ্ধির জন্য এক পাত্র পানিতে ৭৮৬ বার বিসমিল্লাহ পাঠ করে কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তিকে পান করালে অত্যন্ত দ্রুত সুফল পাওয়া যায়। যদি কোনো ব্যক্তি সূর্যোদয়ের সময় বিসমিল্লাহ পাঠ করে সেই পানিতে হাত ধুয়ে সাত দিন পান করে তবে তার স্মৃতিশক্তি ও মেধা প্রখর হয়। অনাবৃষ্টির সময় কোনো পবিত্র স্থানে দাঁড়িয়ে ৬১ বার বিসমিল্লাহ পাঠ করলে মহান আল্লাহর রহমতের বৃষ্টি বর্ষিত হয়। যে ব্যক্তি চল্লিশ দিন পর্যন্ত ফজর নামাজের পর সত্য অন্তরে ২ হাজার ৫০০ বার বিসমিল্লাহ পাঠ করে আল্লাহ পাক তার কলব বা হৃদয়ে অদৃশ্য জগতের রহস্যসমূহ উন্মোচন করেন। সে স্বপ্নে আধ্যাত্মিক ইশারা লাভ করে ও সৃষ্টির গূঢ় রহস্য অনুধাবন করতে পারে। তবে এই রিয়াজতের জন্য পূর্ণ রূহানি পবিত্রতা ও গোপনীয়তা রক্ষা করা আবশ্যিক।
জটিল হাজত বা প্রয়োজন পূরণের জন্য বৃহস্পতিবার রোজা পালন করে ইফতারের পর ১২১ বার বিসমিল্লাহ পাঠ করা অত্যন্ত কার্যকর। জুম্মার দিন এই সংখ্যায় বিসমিল্লাহ পাঠ করে মিস্ক জাফরান ও গোলাপ জলে আধ্যাত্মিক নকশা লিখে কাছে রাখলে মানুষের দৃষ্টিতে সেই ব্যক্তি পূর্ণিমার চাঁদের ন্যায় মর্যাদাবান ও সমাদৃত হন। হরিণের চামড়ায় ১২১ বার বিসমিল্লাহ লিখে লোবান ও বিশেষ ধূপ দিয়ে সুগন্ধিযুক্ত করে সঙ্গে রাখলে ঋণের বোঝা হতে মুক্তি পাওয়া যায় ও রিযিকের দুয়ার উন্মুক্ত হয়। কাঁচের পাত্রে ৪০ বার বিসমিল্লাহ লিখে জমজমের পানি দিয়ে ধুয়ে পান করলে শারীরিক ও রূহানি ব্যাধি হতে আরোগ্য লাভ হয়। আল্লাহ পাক প্রজ্ঞাবান ও পরম দয়ালু।
