উদ্ভাস-Udvash Classes
Open in Telegram
for discussion :https://t.me/wisecrack78 @udvashclasses_adminbot
Show moreThe country is not specifiedThe category is not specified
1 641
Subscribers
No data24 hours
No data7 days
No data30 days
Posts Archive
আমাদের সংগ্রহে 10 Minutes School এর HSC 2022 Crash Course টি রয়েছে।
আমদের টিম প্রাইভেট চ্যানেল গুলোয় অফিসিয়াল প্লেলিস্ট সহ ব্যাকআপ করে রাখা ভিডিও দিয়ে দিচ্ছে।
আর এই কোর্স নেয়ার জন্য দুই প্রকারের ভেরিফিকেশন প্রসেস দেয়া হয়েছে। আমাদের মেইন বটের (@EduCourseBot) 10 Minutes School সেকশন টা দেখলেই বুঝতে পারবেন।
সম্প্রতি একটি ইউটিউব চ্যানেল তাদের সব ভিডিও ডিলিট করে দেয়ার অনেকেই সমস্যায় পরেছে। আপনাদের পরিচিত কারোর দরকার হলে আমাদের মেইন বট @EduCourseBot এর ব্যাপারে জানাবেন। সেখানে এই কোর্স ছাড়াও অ্যাকাডেমিক ও অ্যাডমিশনের জন্য ৫০+ কোর্স রয়েছে। প্রক্রিয়া অনুসরণ করে একজন একসাথে ৩ টি কোর্সে যুক্ত হতে পারবে।
এক কোর্স শেষ করে অন্য কোর্সে শিফট করার সুযোগ ও থাকছে।
সবগুলো কোর্স আমরা ফ্রীতে দিয়ে থাকি!
ধন্যবাদ।
This has to be the gloomiest Eid day we're going to experience.
Eid Mubarak, everyone!💜
সূরাতুল কদর। শুধু একটি রাতকে কেন্দ্র করে নাজিল হওয়া একটা সম্পূর্ণ সূরা, সূরা কদরই বলে দেয় শবে কদরের গুরুত্ব কতখানি। এ রাতটি পুরোপুরি শান্তিময় ফজরের উদয় পর্যন্ত। যে রাতের মূল্য হাজার মাসের চেয়ে বেশি, তা যদি সহজে পাওয়া যেত, তাহলে মানুষ হয়তো এটিকে বেশি গুরুত্ব দিতো না। তাই তা অনির্দিষ্ট করে রেখে মানুষকে অনুসন্ধান করতে বলা হয়েছে। শবে কদর আসলে কবে? রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছিলেন, ‘আমাকে শবে কদর দেখানো হয়েছিল; কিন্তু পরে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। অতএব, তোমরা শেষ দশকের বিজোড় রাতে তা অনুসন্ধান করো।’ সে হিসেবে, আমরা বেশির ভাগই ধরে নিই যে, ২১, ২৩, ২৫, ২৭ ও ২৯ রমজানের যেকোনো এক রাতে শবে কদর। কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত অন্য এক হাদিস থেকে জানা যায়, ‘রমজানের (শেষ দশকের) অবশিষ্ট নবম রাতে, অবশিষ্ট সপ্তম রাতে, অবশিষ্ট পঞ্চম রাতে এবং অবশিষ্ট তৃতীয় রাতে শবে কদর অনুসন্ধান করো। এ হাদিস থেকে আমরা দেখতে পারি যে, যদি কোনো রমজান মাস ৩০ দিনের হয়, তাহলে অবশিষ্ট নবম রাতটি হবে ২২ রমজানের রাত, অবশিষ্ট সপ্তম রাতটি হবে ২৪ রমজানের রাত, অবশিষ্ট পঞ্চম রাতটি হবে ২৬ রমজানের রাত এবং অবশিষ্ট তৃতীয় রাতটি হবে ২৮ রমজানের রাত! আর এভাবেই আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) শবে কদরের রাত সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেছেন।
অন্য দিকে, যদি কোনো রমজান মাস ২৯ দিনের হয়, তাহলে উক্ত হাদিস অনুযায়ী শবে কদরের রাত পড়বে শেষ দশকের বিজোড় তারিখের রাতগুলোর যেকোনো এক রাতে। অতএব, মুমিনের উচিত, রমজানের শেষ দশ রাতের প্রতিটি রাতেই শবে কদর অনুসন্ধান করা। লাইলাতুল কদর বা শবে কদর মুসলিম জাতির প্রতি আল্লাহর বিশেষ অনুগ্রহ। আল্লাহ এই রাতকে বিশেষ মর্যাদা দান করেছেন। আল্লাহর রাসুল (সা.) রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছেন।
লাইলাতুল কদরের মর্যাদা
পবিত্র কোরআনে কদরের রাত সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন অবতীর্ণ করেছি মহিমান্বিত রজনীতে; আর মহিমান্বিত রজনী সম্বন্ধে তুমি কী জান? মহিমান্বিত রজনী সহস্র মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘এ মাসে (রমজানে) এমন একটি রাত আছে, যা হাজার রাতের চেয়ে উত্তম। যে এর কল্যাণ থেকে বঞ্চিত হলো, সে সত্যিই বঞ্চিত হলো।’
শবে কদর অনুসন্ধানের অর্থ
লাইলাতুল কদর অনুসন্ধানের অর্থ হলো—আল্লাহর দরবারে এই রাতের কল্যাণ লাভের প্রার্থনা করা, নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করা। নিজের ভুল-ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা। যেন আল্লাহ পাপের কারণে লাইলাতুল কদরের বরকত থেকে আমাদের বঞ্চিত না করেন।
১. দেহ-মনের পবিত্রতা
২. বেশি বেশি ক্ষমা প্রার্থনা করা
আয়েশা (রা.) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, যদি আমি লাইলাতুল কদর জানতে পারি, তাহলে সে রাতে কী বলব? তিনি বললেন, তুমি বোলো—(উচ্চারণ) ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন কারিম, তুহিব্বুল আফওয়া, ফা’ফু আন্নি’ (অর্থ) ‘হে আল্লাহ, আপনি সম্মানিত ক্ষমাকারী, আপনি ক্ষমা করতে পছন্দ করেন। অতএব আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন।’
৩. আল্লাহর প্রতি সুধারণা পোষণ করা
রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন, “”আমার সম্পর্কে আমার বান্দার ধারণা মোতাবেক আমি (আচরণ করি) তার সঙ্গে থাকি, যখন সে আমাকে স্মরণ করে। যদি সে আমাকে তার অন্তরে স্মরণ করে, আমি তাকে আমার অন্তরে স্মরণ করি। যদি সে আমাকে মজলিসে স্মরণ করে, আমি তাকে তাদের চেয়ে উত্তম মজলিসে স্মরণ করি। যদি সে আমার দিকে এক বিঘত অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে এক হাত অগ্রসর হই। যদি সে আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হয়, আমি তার দিকে এক বাহু অগ্রসর হই। যদি সে আমার দিকে আসে হেঁটে, আমি তার দিকে যাই দ্রুত।””
৪. কোরআন তিলাওয়াত করা
যেহেতু কদরের রাতের মর্যাদার সঙ্গে কোরআন নাজিলের বিষয়টি সম্পর্কিত।ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আমি কোরআন অবতীর্ণ করেছি মহিমান্বিত রজনীতে; আর মহিমান্বিত রজনী সম্বন্ধে তুমি কী জান? মহিমান্বিত রজনী সহস্র মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।’
৫. রাসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ দোয়া কবুলে সহায়ক। ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি দরুদ পাঠ না করা হলে সেই দোয়া আসমান ও জমিনের মধ্যে স্থগিত থাকে। সেই দোয়া আল্লাহর দরবারে পৌঁছে না।’
৬. তাহাজ্জুদ আদায়
তাহাজ্জুদ নামাজ আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম মাধ্যম। মহানবী (সা.) রমজানের শেষ দশকে রাত জেগে ইবাদত করতেন।
৭. ইতিকাফ
ইতিকাফ কদরের রাতের বরকত লাভে সহায়ক। কেননা ইতিকাফকারী জাগতিক সব ব্যস্ততা পেছনে ফেলে মহান আল্লাহর ইবাদতে নিমগ্ন হতে পারে।
আল্লাহ সবাইকে লাইলাতুল কদরের বরকত নসিব করুন। আমিন
Varsity A unit এর Udvash Paper Final Question আমি আমার এক ফ্রেন্ডের কাছ থেকে নিয়ে পিডিএফ বানায় ফোল্ডার করেছি। কারো লাগলে ফোল্ডারটা সেভ করে রাখতে পারো বাকিগুলো পেলে ফোল্ডার আবার আপডেট করবো
https://drive.google.com/drive/folders/1xrBZPDObiOZf_-LDRCDXah1Ce3sq450o
