en
Feedback
পাঠশালা

পাঠশালা

Open in Telegram

কুরআন ও সুন্নাহের আলোকে জীবন যাপনের প্রয়োজনীয় পাঠ শিখতে জয়েন করুন পাঠশালায়! পড়ুন, শিখুন, শেয়ার করুন।

Show more
339
Subscribers
No data24 hours
No data7 days
No data30 days
Posts Archive
উক্ত নামায কাযা করার দুটি সময় হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। ফজরের পর কোন নফল পড়া নিষিদ্ধ হলেও ফজরের আগে ছুটে যাওয়া সুন্নতকে ফরযের পর পড়া যায়। আর এটি হল ব্যতিক্রম নামায। একদা এক ব্যক্তি মসজিদে এসে দেখল আল্লাহর নবী (ﷺ) ফজরের ফরয পড়ছেন। সে সুন্নত না পড়ে জামাআতে শামিল হয়ে গেল। অতঃপর জামাআত শেষে উঠে ফজরের ছুটে যাওয়া দুই রাকআত সুন্নত আদায় করল। মহানবী (ﷺ) তার কাছে এসে বললেন, “এটি আবার কোন্‌ নামায? (ফজরের নামায কি দুইবার?)” লোকটি বলল, ‘ফজরের দুই রাকআত সুন্নত ছুটে গিয়েছিল।’ এ কথা শুনে তিনি আর কিছুই বললেন না (চুপ থাকলেন)। (আহমাদ, মুসনাদ, আবূদাঊদ, সুনান ১২৬৭, তিরমিযী, সুনান, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান ১১৫৪, ইবনে খুযাইমাহ্‌, সহীহ, ইবনে হিব্বান, সহীহ) আর এক হাদীসে মহানবী (ﷺ) বলেন, “যে ব্যক্তি ফজরের ২ রাকআত (সুন্নত) না পড়ে থাকে, সে যেন তা সূর্য ওঠার পর পড়ে নেয়।” (আহমাদ, মুসনাদ, তিরমিযী, সুনান,হাকেম, মুস্তাদরাক, ইবনে খুযাইমাহ্‌, সহীহ, সিলসিলাহ সহীহাহ, আলবানী ২৮৩, জামে ৬৫৪২নং) এই নামায বিষয়ক আরো কিছু মাসায়েল : মসজিদে এসে সুন্নাতে মুআক্কাদাহ পড়লে পৃথক আর তাহিয়্যাতুল মসজিদ নামায পড়ার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু কেউ যদি তা পড়ে সুন্নাতে মুআক্কাদাহ পড়ে তাহলেও কোন ক্ষতি হয় না। তবুও ফজরের সময় উত্তম হল তাহিয়্যাতুল মাসজিদ না পড়ে কেবল ফজরের সুন্নত পড়া। কারণ, মহানবী (ﷺ) ফজরের সুন্নতই বড় সংক্ষেপে পড়তেন। (ফাতাওয়া তাতাআল্লাকু বিজামাআতিল মাসজিদ ১৭-১৮পৃ:) তাছাড়া তিনি বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে উপস্থিত ব্যক্তি অনুপস্থিত ব্যক্তিকে যেন পৌঁছে দেয় যে, ফজরের (আযানের) পর দু’ রাকআত (সুন্নত) ছাড়া আর কোন (নফল) নামায পড়ো না।” (আহমাদ, মুসনাদ, আবূদাঊদ, সুনান ১২৭৮ নং) “ফজরের পর দুই রাকআত ছাড়া আর কোন নামায নেই।” (তিরমিযী, সুনান, ইরওয়াউল গালীল, আলবানী ৪৭৮, জামে ৭৫১১নং)

ফজরের পূর্বে দুই রাকআত সুন্নাত নামাজ এর ফযীলত =========================== হযরত আয়েশা رضي الله عنها হতে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেন, “ফজরের দুই রাকআত (সুন্নত) পৃথিবী ও তন্মধ্যস্থিত সকল বস্তু অপেক্ষা উত্তম।” (মুসলিম ৭২৫নং, তিরমিযী) মা আয়েশা رضي الله عنها বলেন, ‘নবী (ﷺ) ফজরের সুন্নতের মত অন্য কোন নফল নামাযে তত নিষ্ঠা প্রদর্শন করতেন না।’ (আহমাদ, মুসনাদ, বুখারী, মুসলিম, সহীহ) হযরত আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন, “(ফজরের সময়) যে ব্যক্তি (স্বগৃহে) ওযু করে। অতঃপর মসজিদে এসে ফজরের (ফরয) নামাযের পূর্বে দুই রাকআত নামায পড়ে। অতঃপর বসে (অপেক্ষা ক’রে) ফজরের নামায (জামাআতে) পড়ে, সেই ব্যক্তির সেদিনকার নামায নেক লোকদের নামাযরুপে লিপিবদ্ধ করা হয়। আর তার নাম পরম করুণাময় (আল্লাহর) প্রতিনিধিদলের তালিকাভুক্ত হয়।” (ত্বাবারানীরানী, মু’জাম, সহিহ তারগিব ৪১৩নং) এ নামাযকে হাল্কা করে পড়া : হযরতহাফসা (রাঃ) বলেন, নবী (ﷺ) ফজরের নামাযের পূর্বে আমার ঘরে দুই রাকআত সুন্নত পড়তেন এবং তা খুবই হাল্কা করে পড়তেন।’ (আহমাদ, মুসনাদ, বুখারী, মুসলিম, সহীহ) হযরত আয়েশা رضي الله عنها বলেন, ‘ নবী (ﷺ) ফজরের নামাযের পূর্বে দুই রাকআত নামায পড়তেন এবং তা এত সংক্ষেপে পড়তেন যে, আমি সন্দেহ্‌ করতাম, তিনি তাতে সূরা ফাতিহা পড়লেন কি না।’ (আহমাদ, মুসনাদ) এ নামাযের ক্বিরাআত : এই নামাযের প্রথম রাকআতে নবী মুবাশ্‌শির (ﷺ) সূরা কাফিরুন এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা ইখলাস (ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ) পড়তেন। (মুসলিম, সহীহ ৭২৬, আবূদাঊদ, সুনান ১২৫৬, তিরমিযী, সুনান ৪১৭, ইবনে মাজাহ্‌, সুনান ১১৪৯নং) তিনি বলতেন, “উত্তম সূরা সে দুটি, যে দুটি ফজরের পূর্বে দুই রাকআতে পড়া হয়; ‘ক্বুল ইয়া আইয়্যুহাল কাফিরুন’ এবং ‘ক্বুল হুওয়াল্লাহু আহাদ।” (ইবনে মাজাহ্‌, সুনান ১১৫০, ইবনে হিব্বান, সহীহ, বায়হাকী শুআবুল ঈমান, সিলসিলাহ সহীহাহ, আলবানী ৬৪৬নং) কখনো কখনো তিনি এই নামাযের প্রথম রাকআতে সূরা বাক্বারার ১৩৬ নং আয়াত এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা আলে ইমরানের ৬৪নং আয়াত পাঠ করতেন। (মুসলিম, সহীহ ৭২৭নং, ইবনে খুযাইমাহ্‌, সহীহ,হাকেম, মুস্তাদরাক, বায়হাকী) আবার কোন কোন সময়ে প্রথম রাকআতে সূরা বাক্বারার ১৩৬নং আয়াত এবং দ্বিতীয় রাকআতে সূরা আলে ইমরানের ৫২ নং আয়াত পড়তেন। (আবূদাঊদ, সুনান ১২৫৯নং) এ ছাড়া ফজরের সুন্নত হাল্কা করে পড়া সুন্নত। অতএব তাতে যদি কেবল সূরা ফাতিহা পড়া যায়, তাহলেও বৈধ। (ফিকহুস সুন্নাহ্‌) প্রকাশ থাকে যে, ফজরের সুন্নত পড়ার পর নির্দিষ্ট কোন দুআ পড়ার হাদীস সহীহ নয়। (তামামুল মিন্নাহ্‌, আলবানী ২৩৮-২৩৯পৃ:) এই নামাযের পর ডান কাতে শয়ন : হযরত আয়েশা (রাঃ) বলেন, ‘নবী (ﷺ) যখন ফজরের সুন্নত পড়ে নিতেন, তখন ডান কাতে শয়ন করতেন।’ (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ১১৯০নং) তিনি আরো বলেন, ‘নবী (ﷺ) ফজরের সুন্নত পড়তেন। তারপর যদি আমি ঘুমিয়ে থাকতাম তাহলে তিনি শয়ন করতেন। নচেৎ, আমি জেগে থাকলে তিনি আমার সঙ্গে কথা বলতেন।’ (আহমাদ, মুসনাদ, বুখারী, মুসলিম, সুনানু আরবাআহ (আবূ দাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ্‌), মিশকাত ১১৮৯নং) মহানবী (ﷺ) বলেন, “তোমাদের কেউ যখন ফজরের দুই রাকআত সুন্নত পড়ে নেয়, তখন সে যেন ডান কাতে শয়ন করে।” (আবূদাঊদ, সুনান, তিরমিযী, সুনান, ইবনে হিব্বান, সহীহ, ইবনে খুযাইমাহ্‌, সহীহ, জামে ৬৪২নং) সম্ভবত: উক্ত শয়ন যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদ পড়বে তার জন্য সুন্নত। যাতে একটানা নামায পড়ার পর ফরয নামায পড়ার আগে একটু জিরিয়ে নিতে পারে। পরন্তু তার জন্য সুন্নত নয়, যে একবার মাটিতে পার্শ্ব রাখলে চট করে ঘুমিয়ে পড়ে এবং তার ফলে ফজরের জামাআতই ছুটে যায়। (আলমুমতে’, শারহে ফিক্‌হ, ইবনে উষাইমীন ৪/১০০) তদনুরুপ উক্ত শয়ন যে ব্যক্তি বাসায় সুন্নত পড়বে তার জন্য সুন্নত ও মুস্তাহাব। পক্ষান্তরে যে মসজিদে সুন্নত পড়বে তার জন্য মুস্তাহাব নয়। কারণ, মহানবী (ﷺ)-এর শয়নের কথা তাঁর বাসায় থাকা অবস্থায় উল্লেখ হয়েছে। মসজিদে সুন্নত পড়ে যে তিনি শয়ন করতেন, তার উল্লেখ নেই। ইবনে উমার উক্ত মত পোষণ করতেন। তাই মসজিদে কেউ ফজরের সুন্নতের পর শয়ন করলে তাকে কাঁকর ছুঁড়ে উঠিয়ে দিতেন। (ফাতহুল বারী, ইবনে হাজার, ইবনে আবী শাইবা, ফিকহুস সুন্নাহ্‌ ১/১৬৬) এই জন্যই ফজরের সুন্নতের পর মসজিদে শয়নকে অনেকে বিদআত বলে মন্তব্য করেছেন। (মু’জামুল বিদা’ ৩৩৭পৃ:) এই নামাযের কাযা : অন্যান্য সুন্নাতে মুআক্কাদাহ নামাযের তুলনায় উক্ত নামাযের এত বেশী গুরুত্ব যে, মহানবী (ﷺ) ঘরে-সফরে তা পড়তেন এবং তা ছুটে গেলে কাযা করতে উদ্বুদ্ধ করতেন। একদা মহানবী (ﷺ) সাহাবাবর্গের সাথে এক সফরে ছিলেন। ফজরের নামাযের সময় সকলে গভীরভাবে ঘুমিয়ে থাকলে সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেল। সূর্যের ছটা তাঁদের মুখে লাগলে চেতন হলেন। অতঃপর একটু সরে গিয়ে মহানবী (ﷺ) বিলাল (রাঃ)-কে আযান দিতে বললেন। এরপর ফজরের দুই রাকআত সুন্নত পড়লেন। তারপর ইকামত দিয়ে ফজরের ফরয পড়লেন। (আহমাদ, মুসনাদ, বুখারী,মুসলিম, সহীহ ৬৮১নং)

পাঠশালা #১৩ জীবিকার জন্যে যে দোআ পড়েছিলেন মূসা (আ:) ============================ আল্লাহ চাইলে বান্দার জন্য চাকরিসহ যে কোনো অনুগ্রহ যে কোনো সময় দান করতে পারেন। জীবিকার তাগিদে চাকরি বা কাজের প্রয়োজনীয়তা মানুষের অনেক বেশি। ভালো চাকরির প্রত্যাশায় আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলে তিনি বান্দাকে নিরাশ করেন না। যেভাবে কাজ ও জীবিকা লাভ করেছিলেন হজরত মুসা আলাইহিস সালাম। হজরত মুসা আলাইহিস সালামের অনুসরণ ও অনুকরণে কেউ যদি আল্লাহর কাছে চাকরি বা কাজের জন্য অনুগ্রহ কামনা করে, সাহায্য চায় তবে তিনি বান্দাকে তা দিতে পারেন। সুতরাং উত্তম জীবিকা লাভে চাকরি বা কাজের জন্য কুরআনে বর্ণিত দোয়ায় আবেদন করা যেতে পারে। তাহলো-  رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِير  উচ্চারণ : ‘রাব্বি ইন্নি লিমা আনজালতা ইলাইয়্যা মিন খাইরিন ফাকির।’  অর্থ : ‘হে আমার প্রভু! তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ নাজিল করবে, নিশ্চয় আমি তার মুখাপেক্ষী।’ (সুরা কাসাস : আয়াত ২৪)। দোয়ার উৎস: এটি ছিলো হজরত মুসা আলাইহিস সালামের একটি আকুতি। আল্লাহর কাছে আশ্রয় লাভ ও কাজ অনুসন্ধানের আহ্বান উঠে এসেছে এ দোয়ায়। কুরআনুল কারিমে ঘটনাটি এভাবে এসেছে- হজরত মুসা আলাইহিস সালাম যখন ফেরাউনের ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। তখন তার কোথাও যাওয়ার, আশ্রয়ের কিংবা জীবিকার কোনো সংস্থান ছিল না। ফেরাউনের ঘর থেকে বেরিয়ে সে সময় তিনি অনেক দূরে চলে গিয়েছিলেন। আল্লাহ বলেন- ‘যখন সে মাদইয়ানের কূপের কাছে পৌঁছল। সেখানে দেখল একদল লোক তাদের পশুগুলোকে পানি পান করাচ্ছে এবং তাদের পিছনে দু’জন নারী তাদের পশুগুলোকে আগলে আছে। মুসা আলাইহিস সালাম বললেন, তোমাদের কি হলো? (দাঁড়িয়ে আছ কেন?) ওরা (নারী) বলল, রাখালরা ওদের পশুগুলোকে নিয়ে সরে না গেলে আমরা আমাদের পশুগুলোকে পানি পান করাতে পারি না। আর আমাদের বাবা অতি বয়স্ক মানুষ।’ (সুরা কাসাস : আয়াত ২৩) পরের আয়াতেই মুসা আলাইহিস সালামের কাজ চেয়ে আল্লাহর মুখাপেক্ষী হওয়ার আবেদন এসেছে। আল্লাহ তাআলা মুসা আলাইহিস সালামের সে আহ্বান তথা দোয়া এভাবে তুলে ধরেন- ‘মুসা (আলাইহিস সালাম) তখন ওদের (দুই নারীর) পশুগুলোকে পানি পান করালো। তারপর সে ছায়ার নিচে আশ্রয় গ্রহণ করে বলল- ‘হে আমার প্রভু! তুমি আমার জন্য যে অনুগ্রহ নাজিল করবে, নিশ্চয় আমি তার মুখাপেক্ষী।’ (সুরা কাসাস : আয়াত ২৪)। অর্থাৎ আমার জীবিকা নির্বাহের জন্য কাজ বা চাকরি দরকার। তুমি আমার জন্য যে কাজ বা জীবিকার ব্যবস্থা করবে। আমি তোমার ব্যবস্থা করা সে কাজের বা জীবিকার মুখাপেক্ষী। পরের আয়াতে মুসা আলাইহিস সালামের প্রতি অনুগ্রহ নাজিলের সুসংবাদ রয়েছে। আল্লাহ তাআলা তা উল্লেখ করেন এভাবে- ‘তখন (ওই) দুই নারীর একজন জড়োসড়ো পায়ে তার কাছে এসে বলল- আপনি যে আমাদের পশুগুলোকে পানি পান করিয়েছেন, তার পারিশ্রমিক দেয়ার জন্য আমার বাবা আপনাকে ডাকছেন। তারপর মুসা আলাইহিস সালাম তার কাছে এসে সব ঘটনা বর্ণনা করলেন। সে বলল, ‘ভয় করো না। তুমি জালিম সম্প্রদায়ের কবল থেকে বেঁচে গেছ। ওদের (দুই নারীর) একজন বলল- হে আব্বা! আপনি একে মজুর হিসেবে নিযুক্ত করুন। কারণ আপনার মজুর হিসেবে নিশ্চয় সে (মুসা) উত্তম হবে, যে শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত।’ (সুরা কাসাস : আয়াত ২৫-২৬) আর এভাবেই হজরত মুসা আলাইহিস সালামের চাকরির অনুগ্রহ প্রার্থনার দোয়া কবুল হয়েছিল। সেখানে তার থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছিল। চাকরি কিংবা কাজ, কোনোটিই মহান আল্লাহর ইশারা ছাড়া হয় না। তাই আল্লাহর অনুগ্রহ লাভে চাকরির জন্য হজরত মুসা আলাইহিস সালামের সে আবেদন মুমিন মুসলমানের জন্য অনুকরণীয় ও অনুসরণীয়। (লেখক: মোস্তফা ওয়াদুদ)

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

ㅤ উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত একটি হাদীস এ মতকে আরো শক্তিশালী করে। তিনি বলেন, ‘মুমিন মহিলারা নিজেদের শরীর চাদর দিয়ে আবৃত করে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে ফজরের সালাতে অংশ গ্রহণ করতেন।’ ㅤ এখান থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যায় যে, মহিলারা নবী (ﷺ) -এর সাথে মাত্র এক কাপড় (চাদর) পরিধান করে সালাত আদায় করতেন। এ হাদীস থেকে প্রমাণ হয়, তারা একটি চাদর দিয়ে শরীর মুড়িয়ে নেওয়াটাই যথেষ্ট মনে করতেন। ㅤ ইমাম বুখারী (রাহি) এ হাদীসের জন্য এভাবে অধ্যায় রচনা করেন: ‘নারীরা কত কাপড়ে সালাত আদায় করবে। ইকরিমা বলেছেন, যদি একটি কাপড়ে মহিলার সমস্ত শরীর ঢেকে যায়, তাহলে তাতেই সালাত আদায় করা যথেষ্ট হবে।’ ㅤ ইকরিমা (রাহি)-এর এ উক্তিটি ইমাম আবদুর রাযযাক তার মুসান্নাফ (৫০৩৩ নং) গ্রন্থে সহীহ সনদে বর্ণনা করেছেন। ㅤ • সালাতে অনিচ্ছাকৃতভাবে সামান্য সতর খুলে গেলে করণীয় ㅤ সালাতে অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনো নারীর যদি সতরের কোনো অংশ প্রকাশ পেয়ে যায়, যেমন কিছু চুল অথবা নলা বা বাহুর কিছু অংশ, তাহলে তাতে কোনো সমস্যা নেই। এ কারণে তাকে পাকড়াও করা হবে না, ইনশাআল্লাহ। তবে তা হতে হবে অনিচ্ছাকৃতভাবে, না জানার কারণে। ㅤ এর প্রমাণ হচ্ছে সালামা আল-জুরমী (রা)-এর হাদীস। তিনি বলেন, আমি ছয় কিংবা সাত বছর বয়সে ইমামতি করতাম। আমার একটি চাদর ছিল। যখন আমি সাজদায় যেতাম তখন চাদরটি আমার গায়ের সঙ্গে জড়িয়ে ওপরের দিকে উঠে যেত। তখন গোত্রের জনৈকা মহিলা বলল, ‘তোমরা আমাদের দৃষ্টি থেকে তোমাদের কারীর নিতম্ব আবৃত করে দাও না কেন?’ তারা কাপড় খরিদ করে আমাকে একটি জামা তৈরি করে দিলো। এ জামা পেয়ে আমি এত খুশি হয়েছিলাম যে, আর কিছুতে এত খুশি হইনি। ㅤ এটাই হলো ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বাল (রাহি)-এর মত; যেমনটি মাসায়িল আবদুল্লাহ (২২৫) গ্রন্থে রয়েছে। ㅤ শাইখুল ইসলাম ইমাম ইবন তাইমিয়া (রাহি) বলেন, ‘সালাতাবস্থায় যদি কোনো মহিলার সামান্য চুল বা শরীরের কিছু অংশ অনিচ্ছাকৃতভাবে প্রকাশ পেয়ে যায়, তাহলে তাকে পুনরায় সালাত আদায় করতে হবে না। এটিই ইমাম আবূ হানীফা ও ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বাল-সহ অধিকাংশ আলিমের মত। কিন্তু যদি অনেক বেশি প্রকাশ পেয়ে যায়, তাহলে ওয়াক্ত শেষ না-হলে তাকে সালাত পুনরায় আদায় করতে হবে। এটাই চার ইমাম-সহ অন্যান্যদের মত।’ ㅤ ------------------------------------ㅤ মুসলিম নারীর পূর্ণাঙ্গ মাসাইল মূল: আল্লামা মুহাদ্দিস আমর আবদুল মুনঈম সালিম অনুবাদ ও সম্পাদনা: উস্তায আব্দুল্লাহ মাহমুদ

• সালাতে সতর ঢাকা ㅤ সালাতে দাড়ানোর পূর্বে একজন মহিলার সর্বপ্রথম করণীয় হলো, সতর ঢেকে নেওয়া। কেননা সতর ঢাকা সালাতের একটি অন্যতম শর্ত। এ জন্যই উলঙ্গের সালাত অথবা যে তার লজ্জাস্থান পরিপূর্ণভাবে ঢাকে না, তার সালাত শুদ্ধ হবে না। ㅤ সালাতে সতর ঢাকা ওয়াজিব। এ ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেন, ㅤ يَابَنِي آدَمَ خُذُوا زِينَتَكُمْ عِنْدَ كُلِّ مَسْجِدٍ​ ㅤ হে আদম সন্তান! তোমার প্রত্যেক সালাতের সময় তোমাদের সৌন্দর্য (পোশাক) গ্রহণ করো। ㅤ আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, স্ত্রীলোকেরা উলঙ্গ অবস্থায় বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করত এবং বলত, কে আমাকে একটি কাপড় ধার দিবে? এর দ্বারা উদ্দেশ্য স্বীয় লজ্জাস্থান ঢাকা। আর এটাও বলত, আজ খুলে যাচ্ছে কিয়দংশ বা পূর্ণাংশ। তবে যে অংশটা খুলে গেছে সে অংশটা আমি আর কখনো হালাল করব না। এর প্রেক্ষিতে এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়, ‘হে আদম সন্তান! তোমার প্রত্যেক সালাতের সময় তোমাদের সৌন্দর্য (পোশাক) গ্রহণ করো।’ ㅤ ইমাম ইবন হাযম (রাহি) বলেন, ‘এ ব্যাপারে সবাই একমত যে, আয়াতে উল্লিখিত ‘সৌন্দর্য গ্রহণ করা’ দ্বারা উদ্দেশ্য সতর ঢাকা।’ শব্দের ব্যাপকতা ও আয়াতটি অবতীর্ণ হওয়ার প্রেক্ষাপট থেকে এমনটিই বোঝা যায়। ㅤ উম্মু আতিয়া (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (ﷺ) ঈদের দিনে ঋতুমতী ও পর্দানশীন নারীদের বের করে আনার আদেশ দেন; যাতে তারা মুসলিমদের জামাআত ও দুআয় অংশগ্রহণ করতে পারে। অবশ্য ঋতুমতী নারীগণ সালাতের জায়গা হতে দূরে অবস্থান করবে। এক মহিলা বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো কারো ওড়না নেই।’ তিনি বললেন, ‘তার সাথির উচিত তাকে নিজের ওড়না পরিয়ে দেওয়া।’ ㅤ ইমাম বুখারী (রাহি) এ হাদীসের জন্য এভাবে অধ্যায় রচনা করেছেন: সালাতের জন্য কাপড় পরিধান করা ওয়াজিব। ㅤ উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) থেকে বর্ণিত, নবী (ﷺ) বলেছেন, ‘প্রাপ্তবয়স্কা মেয়ে খিমার পরিধান ছাড়া সালাত পড়লে, আল্লাহ তার সালাত কবুল করবেন না।’ এসব হাদীস প্রমাণ করে, সালাতে নারীদের সতর ঢাকা ওয়াজিব। ㅤ সালাতে নারীদের সতরের পরিমাণ চেহারা ও দুহাতের তালু ব্যতীত নারীর শরীরের সর্বাঙ্গ সতর। কাজেই চেহারা ও দুই হাতের তালু ব্যতীত তাদের গোটা শরীর ঢাকতে হবে। এ ব্যাপারে আমার ‘জিলবাবুল মারআতিল মুসলিমা’ নামক গ্রন্থে বিস্তারিত দলীল-আদিল্লা উল্লেখ করেছি। এখানে পুনরায় উল্লেখ করার প্রয়োজন বোধ করছি না। ㅤ মহিলাদের এ বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে যে, তার দুপায়ের ওপরের অংশও সতরের অন্তর্ভুক্ত। তাই তা ঢাকা ওয়াজিব। এর প্রমাণ উম্মুল মুমিনীন সালামা (রা)এর হাদীস। তিনি প্রশ্ন করেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! মহিলারা তাদের কাপড়ের প্রান্ত বা আঁচল কীভাবে সামলাবে?’ তিনি বললেন, ‘তারা (গোড়ালি হতে) এক বিঘত পরিমাণ ওপরে রাখবে।’ উম্মু সালামা (রা) বললেন, ‘এতে তো তাদের পা উন্মুক্ত হয়ে যাবে।’ তিনি বললেন, ‘তবে তারা এক হাত পরিমাণ নিচ পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখবে; কিন্তু এর বেশি না।’ ㅤ • সালাতে নারীর পোশাক ㅤ উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বোঝা যায় যে, নারীরা সালাতে এমন পোশাক পরিধান করবে যা তাদের পরিপূর্ণ সতর ঢেকে ফেলবে। তবে সালাতে তাদের পোশাক কেমন হবে, তা নিয়ে মতপার্থক্য রয়েছে। মুআযা আল-আদাবিয়া বলেন, একদিন উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা) একটি জামা ও খিমার পরিধান করে সালাতে দাঁড়ান। অতঃপর এক দাসী এসে তার ওপর আরো একটি কাপড় জড়িয়ে দেন। ㅤ উমার (রা) ইবনুল খাত্তাব (রা) বলেন, ‘মহিলারা (সর্বনিম্ন) তিন কাপড়ে সালাত আদায় করবে।’ আবদুল্লাহ ইবন উমার (রা) বলেন, ‘কোনো মহিলা যখন সালাত আদায় করবে, তখন সে যেন তার শরীর জামা, ওড়না ও চাদর দিয়ে পরিপূর্ণভাবে ঢেকে নিয়ে সালাত আদায় করে।’ ㅤ এই তিন কাপড়ে সালাত আদায় করা মূলত সতর ঢাকার ব্যাপারে পরিপূর্ণতা। তবে তারা যদি এমন একটি লম্বা কাপড় পরিধান করে সালাত আদায় করে যা দ্বারা তাদের সতর ঢেকে যাবে, তাহলে মাত্র এক কাপড়ে সালাত আদায় করা বৈধ হবে। কেননা তাদেরকে সালাতে সতর ঢাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; কিন্তু কী দিয়ে বা কতটি কাপড় দিয়ে ঢাকতে হবে, তা উল্লেখ করা হয়নি। ㅤ ইমাম ইবনুল মুনযির নাইসাবুরী (রাহি) বলেন, ‘সালাতে মহিলাদের ওপর ওয়াজিব হলো, নিজেদের চেহারা ও হাতের তালু ব্যতীত সমস্ত শরীর ঢেকে রাখা। এ ক্ষেত্রে তারা এক বা দুই বা ততোধিক কাপড়ে সালাত আদায় করতে পারে। মোটকথা, সালাতে যে অঙ্গগুলো ঢেকে রাখা ওয়াজিব, সেসব অঙ্গ ঢেকে রাখলেই হবে। আমার মতে সালাফদের থেকে তিন কাপড়ে বা চার কাপড়ে নারীদেরকে সালাত আদায় করার যে নির্দেশ পাওয়া যায়, তা মূলত মুস্তাহাব ও সতর্কতার জন্য ছিল। আল্লাহই সবচেয়ে ভালো জানেন। আমি এমন কারো কথা জানি না, যিনি বলেছেন যে, কোনো মহিলা যদি এক কাপড়ে গোটা শরীর ঢেকে সালাত আদায় করে, তবুও তাকে পুনরায় সালাত আদায় করতে হবে।’

photo content

photo content

পড়তে যদি ভালোবাসেন, জয়েন তবে হয়েই আসেন! BQD (Book Quotes Design) পড়ার মাঝে ভালো লেগে যায় অনেক শব্দ, অনেক বাক্য আর অনেক প্রিয় কিছু বাক্যের সমাহার যখন সামনে আসে তখন নিশ্চয়ই ইচ্ছে হয় প্রিয় কথা গুলো সুন্দর করে মনের মধ্যে লুকিয়ে রাখতে! এই অভিপ্রায় নিয়েই যাত্রা শুরু করেছিল ফেসবুক গ্রুপ Book Quotes Design (BQD)। যেখানে বিভিন্ন প্রকাশনীর সদ্য বের হওয়া বইগুলো থেকে কোটেশন ডিজাইন করার মাধ্যমে প্রচার করা হয় নতুন বইয়ের বার্তা। ইতোমধ্যে সেখানে আয়োজন করা হয়েছে অনেকগুলো প্রতিযোগিতা। আলহামদুলিল্লাহ। বই পড়ুয়া+ ডিজাইনারদের অন্যতম একটা মিলনমেলা হলো BQD। ফেসবুক পেইজ Book Quotes Design এর পর এবার হাজির টেলিগ্রাম চ্যানেল নিয়ে। যোগ দিন আপনিও। আর সেইভ করুন, শেয়ার করুন বইয়ের বার্তা। যোগ দিন এখনই! চ্যানেল লিংকঃ t.me/bookquotesdesign আল্লাহ আমাদের এই কাজকে ইসলামি বই প্রচারের একটা মাধ্যম হিসেবে কবুল করে নিন। আমীন। (বিঃদ্রঃ এই চ্যানেলের সকল কনটেন্ট ফ্রি। কোনো ক্রেডিট ছাড়াই প্রচার করতে পারবেন আপনিও। ইনশাআল্লাহ)

photo content

[ যাদের_জন্য_ফেরেশতারা_মাগফিরাতের_দুআ_করে ] . ◍ পর্ব:২ (যারা ফজর ও আসরের সালাত জামাতে পড়ে) . ◍ ফজরের নামায হল দিনের শুরুর নামায আর আসরের নামায হল দিনের শেষ নামায। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার পক্ষ থেকে রাতে নিযুক্ত ফেরেশতারা ফজরের সময় আসমানে উঠে যায়। আর দিনের ফেরেশতারা ফজরের সময় আগমন করে। তেমনি দিনে নিযুক্ত ফেরেশতারা আসরের পর আসমানে চলে যায় আর রাতে নিযুক্ত ফেরেশতারা আগমন করে। দিনের ফেরেশতারা ফজরের সময় এসে আল্লাহর কিছু বান্দাদের নামাযরত দেখে। তেমনি আসরেও তাদেরকে নামাযরত দেখে। অর্থাৎ তাদের আগমন এবং যাওয়ার সময় আল্লাহর কিছু বান্দাদের নামাযরত দেখে। তেমনি রাতের ফেরেশতারাও। তখন তারা আল্লাহর কাছে সেভাবেই রিপোর্ট পেশ করে এবং তাদের মাগফিরাতের জন্য দুআ করে। . ◍ আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ . « يَجْتَمِعُ مَلَائِكَةُ اللَّيْلِ وَمَلَائِكَةُ النَّهَارِ فِي صَلَاةِ الْفَجْرِ وَصَلَاةِ الْعَصْرِ، فَيَجْتَمِعُونَ فِي صَلَاةِ الْفَجْرِ فَتَصْعَدُ مَلَائِكَةُ اللَّيْلِ، وَتَثْبُتُ مَلَائِكَةُ النَّهَارِ، وَيَجْتَمِعُونَ فِي صَلَاةِ الْعَصْرِ فَتَصْعَدُ مَلَائِكَةُ النَّهَارِ، وَتَثْبُتُ مَلَائِكَةُ اللَّيْلِ، فَيَسْأَلُهُمْ رَبُّهُمْ كَيْفَ تَرَكْتُمْ عِبَادِي، فَيَقُولُونَ: أَتَيْنَاهُمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ وَتَرَكْنَاهُمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ، فَاغْفِرْ لَهُمْ يَوْمَ الدِّيْنِ » . রাত ও দিনের ফেরেশতামণ্ডলী ফজর ও আসর সালাতের সময় একত্রিত হয়। যখন তারা ফজরের সময় একত্রিত হয়। রাতের ফেরেশতাগণ আকাশে চলে যায় এবং দিনের ফেরেশতাগণ থেকে যায়। আবার আসরের সময়ও তারা একত্রিত হয়—তখন দিনের ফেরেশতাগণ আকাশে উঠে যায় আর রাতের ফেরেশতাগণ থেকে যায়। . আল্লাহ তা'আলা ফেরেশতাগণকে জিজ্ঞাসা করেন, . « كَيْفَ تَرَكْتُمْ عِبَادِي » . “তোমরা আমার বান্দাদের কী অবস্থায় ছেড়ে এলে?” . তারা উত্তরে বলেন, . « أَتَيْنَاهُمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ وَتَرَكْنَاهُمْ وَهُمْ يُصَلُّونَ، فَاغْفِرْ لَهُمْ يَوْمَ الدِّيْنِ » . “আমরা তাদের কাছে গিয়েছিলাম তখন তারা সালাত আদায় করছিল, আবার যখন ছেড়ে এলাম তখনও সালাত আদায় করছিল। অতএব তুমি কিয়ামতের দিন তাদেরকে ক্ষমা করে দিও।” . ◍ উৎসঃ √ সহীহ ইবনে খুযায়মা, হাদীসঃ ৩২২; √ সহীহ ইবনে হিব্বান, হাদীসঃ ২০৬১; √ মুসনাদে বাযযার, হাদীসঃ ৯২৭৪; √ আহমাদ, হাদীসঃ ৮৫৩৮ . ◍ এই হাদীস থেকে আমরা কি জানতে পারলামঃ ...১) ফজর ও আসরের সালাতে সময় ফেরেশতাদের উপস্থিতি; ...২) এই দুই সালাত যারা জামাতে আদায় করে তাদের জন্য ফেরেশতারা দোয়া করেন। ...৩) এমন ব্যক্তিদের জন্য ফেরেশতারা কিয়ামত দিবসে আল্লাহর সমীপে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। ...৪) আল্লাহ আমাদের সব কিছু আগে থেকেই জানেন, এরপরেও আল্লাহ ফেরেশতাদের নিকট হিসাব গ্রহণ করেন বান্দাদের। . ◍ প্রত্যেক ওয়াক্তের নামাজই সমান ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং আলাদা আলাদা ফযীলত রয়েছে। কিন্তু ফরয সালাত তরক অর্থাৎ কোনো ভাবে বাদ দেওয়া যাবে না। এবং সেগুলো জামাতের সাথে পড়ার ফযীলত বহু হাদীসে বর্ণিত। এই হাদীসে শুধু আমরা ফজর আর আসরের সালাত জামাতে আদায় করলে কি ফযীলত তা বলা হলো। আমাদের সকলকে আল্লাহ সকল ফরয সালাত জামাতের সাথে পড়ার তৌফিক দান করুন এবং সে সমস্ত লোকদের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করুন যাদের জন্য ফেরেশতারা কিয়ামতের দিন ক্ষমা প্রার্থনা করবেন। (আমিন)

photo content

“জাহিলিয়াতের ইতিবৃত্ত” প্রকাশনায় রুহামা পাবলিকেশন বইটি বর্তমান সময়ের জন্য হতে পারে আপনার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।
“জাহিলিয়াতের ইতিবৃত্ত” প্রকাশনায় রুহামা পাবলিকেশন বইটি বর্তমান সময়ের জন্য হতে পারে আপনার গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ।

photo content