en
Feedback
বরকতময় রমাদান

বরকতময় রমাদান

Open in Telegram

রমাদান বিষয়ে লেখনী সমূহ একত্রে সহজ প্রাপ্য করার উদ্দেশ্যে এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। https://t.me/RamadanReminder

Show more
5 427
Subscribers
No data24 hours
-77 days
-4230 days
Posts Archive
প্রশ্নঃ শরিয়ত অনুমোদিত এমন কিছু বিশেষ বিষয় কি আছে,যা দিয়ে একজন মুসলিম রমাদানকে স্বাগত জানাতে পারে? উত্তরঃ আলহামদু লিল্লাহ। মাহে রমাদান বছরের সবচেয়ে উত্তম মাস। কেননা আল্লাহ্‌ তাআলা এ মাসে সিয়ামকে ফরয করে, ইসলামের চতুর্থ রুকন বানিয়ে এ মাসকে বিশেষত্ব দিয়েছেন। এ মাসের রাতে কিয়াম পালন করার বিধান জারী করেছেন। যেমনটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, " ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপর নির্মিত- এই সাক্ষ্য প্রদান করা যে, আল্লাহ্‌ ছাড়া সত্য কোন উপাস্য নেই এবং মুহাম্মদ সাঃ আল্লাহ্‌র রাসূল (বার্তাবাহক), সালাত প্রতিষ্ঠা করা, যাকাত প্রদান করা, রমাদানের সিয়াম রাখা এবং বায়তুল্লাহ্‌র হজ্জ আদায় করা। " [ সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিম ] নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আরও বলেনঃ " যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে ও সওয়াবপ্রাপ্তির আশায় রমাদান মাসে কিয়াম পালন করবে,তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে। " [ সহিহ বুখারী ও সহিহ মুসলিম ] রমাদান মাসকে স্বাগত জানানোর জন্য বিশেষ কিছু আছে মর্মে আমি জানি না। তবে একজন মুসলিম রমাদানকে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের সাথে, আগ্রহ-উদ্দীপনার সাথে এবং আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সাথে গ্রহণ করবে;যেহেতু তিনি তাকে রমাদান পর্যন্ত পৌঁছিয়েছেন, তাওফিকপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং জীবিতদের মধ্যে রেখেছেন যারা নেক আমলের ক্ষেত্রে পরস্পর প্রতিযোগিতা করে। যেহেতু রমাদানে উপনীত হতে পারা আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে একটি মহান নেয়ামত,এ কারণে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবীদেরকে রমাদান আগমনের সুসংবাদ দিতেন রমাদানের মর্যাদা তুলে ধরার মাধ্যমে এবং আল্লাহ্‌ তাআলা রোযাদার ও সালাত গুজারদের জন্য যে মহান সওয়াব প্রস্তুত রেখেছেন - তা বর্ণনা করার মাধ্যমে। শরিয়ত একজন মুসলিমের জন্য অনুমোদন করে যে- তিনি এই মহান মাসটিকে স্বাগত জানাবেন খালিস তাওবার মাধ্যমে, সিয়াম ও কিয়ামের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করার মাধ্যমে, নেক নিয়ত ও দৃঢ় সংকল্পের সাথে। [সমাপ্ত] [ ফাদিলাতুশ শাইখ আব্দুল আযিয বিন বায রাহিমাহুল্লাহর " মাজমুউ ফাতাওয়া ওয়া মাকালাত মুতানাওয়্যিয়া। " (১৫/৯) ] https://t.me/RamadanReminder

রমজানের প্রস্তুতি ১) আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুলের মানসিকতা গড়ে তুলব।ছোট-বড় প্রতিটি বিষয়ে আল্লাহর সাহায্য চাওয়ার অভ্যেস গড়ে তুলতে সচেষ্ট হবো।বেশি বেশি দোয়া করব।দোয়ায় যথাসম্ভব কাকুতিমিনতি করব। দোয়ায় বলবঃ ইয়া রব! দয়া করে,মায়া করে,আমাকে ইবাদত করার তাওফিক দান করুন। আপনার আনুগত্যের পথে যাবতীয় বাধা-প্রতিবন্ধকতা যেন দূর করে দিন,আমিন। ২) নিজেকে বারবার মনে করিয়ে দিবো,বারবার সংকল্প করবঃ শাবান ও রমজানে সম্ভাব্য একটা নেকআমলও যেন বাদ দিবো না,ইন শা আল্লাহ।শাবান ও রমজানের যাবতীয় কল্যাণ অর্জনে সচেষ্ট থাকব,ইন শা আল্লাহ। ৩) এখন থেকে আমার রুটিন হবে এমনঃতাওবা,ইস্তেগফার,সিয়াম,কেয়াম (তারাবি-তাহাজ্জুদ),কুরআন তিলাওয়াত,দানসদকা,বেশি বেশি নেকনিয়ত,২৪ ঘণ্টার যাবতীয় ফরজ, ওয়াজিব,মাসনুন আমল।ইন শা আল্লাহ। ৪) ছোটবড় সব ধরণের গুনাহ এড়িয়ে চলার সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রাখব। মন্দ অভ্যেসগুলো খুঁজে চিহ্নিত করে দূরীকরণে মরিয়া হয়ে উঠব।ইনশা আল্লাহ। ৫) মসজিদ ও জামাতে হাজির হওয়ার ব্যাপারে অনীহাকে বিন্দুমাত্র প্রশ্রয় দিবো না।কোনো অবস্থাতেই সলাতকে সঠিক সময়ের পরে যেতে দিবো না।সলাত আদায়ে অত্যন্ত তৎপর হবো।ইন শা আল্লাহ। ৬) বিভিন্ন ক্ষেত্রের মাসনুন আমলগুলো খুঁজে খুঁজে পালন করব। খাবারের,হাম্মাম-বাথরূমের, মসজিদের,বাজারের,গৃহে প্রবেশ ও বের হওয়ার,পাঁচ নামাজের পরের, সকাল-সন্ধ্যার,ঘুমের আগে ও পরের।ইন শা আল্লাহ। ৭) অবশ্যই অবশ্যই নির্দিষ্ট পরিমাণ কুরআন তিলাওয়াত করব।বুঝে বুঝে একখতম কুরআন তিলাওয়াত করবো।না বুঝলেও যত বেশি সম্ভব তিলাওয়াত করব।না বুঝলে বেশি বেশি তিলাওয়াত করার পাশাপাশি প্রতিদিন অন্তত একটা আয়াত হলেও বোঝার চেষ্টা করব।ইন শা আল্লাহ। ৮) প্রতিদিন অন্তত একটি আয়াত হলেও হিফজ করার জানতোড় মেহনত করব।হিফজ করার আয়াতগুলো সুন্নতে-নফলে-তাহাজ্জুদে পড়ব।ইন শা আল্লাহ। ৯) তাজকিয়া নাফস বা আত্মিক পরিশুদ্ধির ক্ষেত্রে আমার মেহনত হবে দুইভাবেঃ ক) তাহাল্লি (التحلي) সজ্জিতকরণ। খুঁজে দেখব,আমার মধ্যে কোন কোন গুণের অভাব আছে।আমি কোন কোন ইবাদত করি না।সেগুলো নিজের মধ্যে আনার চেষ্টা করব।ইন শা আল্লাহ। খ) তাখাল্লি (التخلي) বিসর্জন। আমার মধ্যে যেসব বদখাসলত আছে,কু-প্রবৃত্তি আছে,সেগুলোকে শেকড়বাকড়সহ উপড়ে ফেলে দিবো। নিজেকে সব ধরণের ‘কু’ থেকে অবমুক্ত করার জন্য রীতিমতো মরিয়া হয়ে উঠবো।ইন শা আল্লাহ। ১০) রমজান বিষয়ক আয়াতে কারিমা ও হাদিস শরিফ পড়ব। সালাফ রমজান কিভাবে কাটাতেন, সেটা জানার চেষ্টা করব।নিয়মিত ফাজায়েলে রমজান পড়ব।ইন শা আল্লাহ। ১১) ভালো একটা মসজিদ বেছে নিয়ে,সব ধরণের বাধাবিপত্তির বিরুদ্ধে রীতিমতো যুদ্ধ করে হলেও ত্রিশদিন তারাবিতে অংশ নিয়ে, নামাজে একটা খতম শুনব।ইন শা আল্লাহ। ১২) কুরআনের দোয়াগুলো মুখস্থ করে ফেলব।সম্ভব হলে অর্থসহ। নিয়মিত মুনাজাতে পড়ব। সুন্নত-নফলের সিজদা ও শেষবৈঠকে দোয়াগুলো পড়ব।ইন শা আল্লাহ। ১৩) দোয়া ও জিকির মুখে মুখে রাখব।হাতে কাজ করব,মুখে জিকির জারি রাখব।উঠতে বসতে, শয়নে-স্বপনে-জাগরণে জিকির করব।দুরূদ শরিফ পড়ব।ইস্তেগফার করব।কুরআনি দোয়াগুলো পড়ব। বিশেষ করে নতুন হিফজ করা আয়াতগুলো বারবার পড়তে থাকব।ইন শা আল্লাহ। ১৪) নিজের জন্য, পরিবারের জন্য, পাড়া-প্রতিবেশি-বন্ধুবান্ধবের জন্য আলাদা আলাদা আমলি রুটিন বানানোর চেষ্টা করব।এতে করে আমার চারপাশে আমলের পরিবেশ সৃষ্টি হবে।আমল করা সহজ হয়ে যাবে।একে অপরকে আমলের তাগিদ দিবো।একে অপরের কাছ থেকে আমলের হিসেব নিবো।সম্ভব হলে পুরস্কারের ব্যবস্থা রাখব।ইন শা আল্লাহ। ১৫) সম্ভব হলে পুরো কুরআনের আরবি আয়াত তিলাওয়াতের পাশাপাশি তরজমা পাঠেরও একটা খতম দেয়ার চেষ্টা করব।ইন শা আল্লাহ। ১৬) গুনাহের সম্ভাবনাময় ব্যক্তি-বস্তু-স্থানকে শতভাগ বয়কট করার চেষ্টা করব।গুনাহের সব পথ বন্ধ করার নিশ্ছিদ্র ব্যবস্থা গ্রহণে সুতা পরিমাণ ফাঁক-ফাটল রাখব না। বিশেষ করে নজরের হেফাজত করার ব্যাপারে কোনো আপস করা চলবে না। ইন শা আল্লাহ। ১৭) সবসময় মনে রাখব,আমার নিজের কোনো ক্ষমতা নেই।আল্লাহ তাআলার তাওফিক ছাড়া আমার একার পক্ষে গুনাহ থেকে বাঁচা, নেককাজ করা মোটেও সম্ভব নয়। তাই নিয়মিত আল্লাহর তাওফিক কামনা করব। নিয়মিত পড়বঃলা হাওলা ওয়ালা কুউয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়্যিল আজীম। ১৮) আমি নিজেকে যতবেশি ছোট করে,ক্ষুদ্র-তুচ্ছ-নগন্য মনে করে আল্লাহ তাআলার কাছে চাইতে পারব,রাব্বে কারিম আমার প্রতি অনুগ্রহ করার নিশ্চয়তা ততবেশি বাড়বে। ১৯) পুরো রমজানে আমার নামাজের গুণগত মান ও পরিমাণ বাড়ানোর চেষ্টা করব।আগের তুলনায় রমজানে আমার নামাজ যেন আরো বেশি খুশুখুজু,বিনয়নম্রতাপূর্ণ হয়।ইন শা আল্লাহ। ২০) ইয়া আল্লাহ! আমাদের কাছে রমজান পৌঁছে দিন। রমজানে আপনার পছন্দনীয় আমল করার তাওফিক দান করুন।রমজানে আপনার অপছন্দনীয় কাজ থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন।উপরের আমলগুলো যথাযথভাবে পালন করার তাওফিক দান করুন।আরো যা যা দরকার সেগুলোও পালন করার তাওফিক দান করুন।আমীন। - শাইখ আতিক উল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ #Shaban #Ramadan https://t.me/RamadanReminder

শাবান থেকে প্রস্তুতিমূলক দৌড় শুরু করলে, রমজানে ইবাদতে সহজে গতি আনা যায়। রমজানের আগমনি সুসংবাদ প্রচার করা সুন্নত। ” - শাইখ আতিক উল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ #Shaban #Ramadan https://t.me/RamadanReminder

“ যেকোন গুরুত্বপূর্ণ কাজের ভালো প্রস্তুতি মানেই কাজের অর্ধেক পূর্ণতা। যেকোন গুরুত্বপূর্ণ বা বড় কাজ আগে থেকে ভালোভাবে প্রস্তুতি গ্রহন করা হয় তবে সেই কাজটি অর্ধেক পরিপূর্ণতায় পৌছে যায়। আর প্রস্তুতি যদি যেনতেন থাকে তবে কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজই পূর্ণতায় পৌছাতে পারেনা। রমদানুল কারীম আল্লাহ্‌ সুবহানু ওয়াতালার পক্ষ থেকে এত বিশাল অফারের ভান্ডার নিয়ে উপস্থিত হতে যাচ্ছে সেই রমদানুল কারিমকে সর্বোত্তম ব্যবহার করতে হলে এখন থেকে সর্বোত্তম প্রস্তুতি গ্রহন করতে হবে। আল্লাহর কোনো বান্দা যেকোন কাজ যদি করে  যদি তা যথাযথ ভাবে করে ভালভাবে করে ,উত্তম উপায়ে করে তো সেই জিনিসটি আল্লাহ্‌ পছন্দ করেন। যেনতেন ভাবে কোন কাজ করলে আল্লাহ্‌ তা পছন্দ করেন না।আপনার আমার রমদান আমাদের রমজান সুন্দর ভাবে কাটবে কখন ! যদি আমরা তার ভালোভাবে আগে থেকে প্রস্তুতি নি ইবাদত বন্দেগি করার জন্য।আর তখনি ওইটাকে ভালোভাবে করা যাবে ,আর আল্লাহ্‌ তায়ালার প্রিয় পাত্র হওয়া সহজ হবে। সে জন্য প্রিয় ভাই ও বন্ধুগন সেজন্য রমদানের প্রস্তুতির জন্য ১১ টি প্রস্তুতির কথা বলতে চাই যা আমাদেরকে সহায়তা করবে  রমজান মাসকে সুন্দর ভাবে কাটানোর জন্য। যে উদ্দেশ্যে আল্লাহ্‌ তায়ালা রমদান দিয়েছে, যে উদ্দেশ্যে আল্লাহ্‌ তায়ালা সিয়াম দিয়েছেন , তাকওয়া পথে অগ্রসর হওয়ার জন্য আমারা অগ্রসর হও্যার জন্য এই ১১ টি পরামর্শ ইন শা আল্লাহ কাজে আসবে। ১) তওবা ও ইসতেগফার করা। ( আগের গোনাহ থেকে মুক্ত হওয়া যাতে আল্লাহর সাথে দুরত্ব কমে যায়।ও নতুন জীবন গড়ার সংকল্প করা ) ২) কুরান ও সুন্নাহে  রমজান বিষয়ক যেসব ফজিলত ও উপকারিতার কথা বলা হয়েছে সেগুলা পড়া, জানা ,আলোচনা করা এবং কল্পনা করা ( বার বার স্মরন করা ও নিজিকে নিজে বলা - হে আমার প্রবৃত্তি, যে রমজান আসছে এ রমজান আমার জান্নাতে যাওয়ার সুযোগ, এ রমদান আল্লাহকে সব থেকে বেশি সন্তুষ্ট করার সর্বোত্তম উপায় , এ রমজান জান্নাতের বিশেষ  গেট দিয়ে প্রবেশের এক সুবর্ণ সুযোগ, এ রমজান আমার পূর্বের গোনাহগাথাকে মাফ করার উপায়। ) ৩) ক্ষমা ও সওয়াব লাভের জন্য পাক্কা নিয়াত করা। ৪) গত কোনো কাজা সিয়াম থাকলে তা রমজান আসার পূর্বে আদায় করা। ৫) রমজান মাসে আল্লাহ্‌ যে সাধারন ক্ষমা করে থাকেন, এ ক্ষমা পেতে শিরক ও হিংসা থেকে মুক্ত থাকা। ৬) রমদান ও সিয়াম সম্পর্কিত সকল মাসলা মাসায়েল সম্পর্কে জানা। ৭) গত রমাদান কি কি কারনে ভালোভাবে কাটানো সম্ভব হয়নি, কি কারনে আমল এর ত্রুটি ছিল সেগুলোকে বের করা ও সংশোধন করা। ৮) রমজানের যে গুরুত্বপূর্ণ আমল আছে সুগুলোকে শাবান মাস থেকে অনুশীলন করা। যেমনঃ নফল সিয়াম রাখা, কুরান পড়া  বেশি বেশি, দান সদাকা ইত্যাদি। ৯) রমদান মাসের ২৪ ঘন্টার রুটিন তৈরি করা। ১০) শাবান মাসের শেষ দিকে ২৯ তারিখে সাধ্যমত  চাঁদ দেখার চেষ্টা করা ও নতুন চাঁদ দেখার দোয়া পাঠ। ১১) আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করা রমজানের নেক আমলগুলো ভালোভাবে করার তৌফিক চেয়ে। ” - শাইখ আহমাদুল্লাহ হাফিজাহুল্লাহ #Ramadan https://t.me/RamadanReminder

রামাদ্বান মাসকে স্বাগতম জানাবেন কিভাবে? শায়খ মুহাম্মাদ আমীন শানক্বীতীকে প্রশ্ন করা হল, রামাদ্বান মাসকে স্বাগতম জানানোর বিষয়ে আমাকে কিছু নসীহত করুন। তিনি বললেন, নেককর্মের মওসূমকে স্বাগতম জানাতে হয় ‘বেশী বেশী ইস্তেগফার’ দ্বারা। কেননা গুনাহের কারণেই বান্দা ইবাদতের তাওফীক থেকে বঞ্চিত হয়। যে ব্যক্তির অন্তর ‘ইস্তেগফার’কে আঁকড়ে থাকবে,তার অন্তর পরিশুদ্ধ হবে। সে যদি দুর্বল হয় শক্তিশালী হবে, অসুস্থ হলে আরোগ্য লাভ করবে, বিপদগ্রস্থ হলে নিরাপত্তা লাভ করবে, দিশেহারা থাকলে হেদায়াত লাভ করবে, সংকীর্ণ অবস্থায় থাকলে প্রশস্থতা লাভ করবে। কেননা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের তিরোধানের পর ‘ইস্তেগফার’ হচ্ছে আমাদের নিরাপত্তা লাভের গ্যরান্টি। ইমাম ইবনে কাসীর রাহিমাহুল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি ‘সর্বদা ইস্তেগফার’ দ্বারা নিজেকে বৈশিষ্টমণ্ডিত করতে পারবে, আল্লাহ তার রিযিক সহজ করে দিবেন, তার সকল কাজকে সাবলিল করে দিবেন, তার সকল বিষয়কে সংরক্ষণ করবেন। ওমার বিন খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আকাশ থেকে যদি বজ্রপাতও হয়, তবু ইস্তেগফারপাঠকারী আক্রান্ত হবেনা। আসুন সবাই পাঠ করি, ﺃَﺳْﺘَﻐْﻔِﺮُ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﻟَﺎ ﺇِﻟَﻪَ ﺇِﻟَّﺎ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﺤَﻲَّ ﺍﻟْﻘَﻴُّﻮﻡَ ﻭَﺃَﺗُﻮﺏُ ﺇِﻟَﻴْﻪِ 'আসতাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়্যুল কাইয়ুম ওয়া আতুবু ইলাইহি।' অর্থাৎ - আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাচ্ছি। তিনি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। তিনি চিরঞ্জীব। তিনি নিখিল সৃষ্টির পরিচালক। আমি তার কাছেই ফিরে যাব। বিশিষ্ট সাহাবি জায়েদ (রা.) বর্ণনা করেন, নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি এ দোয়াটি পাঠ করবে, তার ( জীবনের ) সব গোনাহ মাফ হয়ে যাবে। [ সুনান আবু দাউদঃ ১৫১৯,জামে আত তিরমিযীঃ ৩৫৭৭ ] - সংগৃহীত #Ramadan https://t.me/RamadanReminder

উবাদাহ ইবনু সামিত রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রমাদান আসলে রাসূলুল্লাহ ﷺ এই দু’আ পড়তেন — اَللَّهُمَّ سَلِّمْنِي لِرَمَضَانَ وَسَلِّمْ رَمَضَانَ لِي وَتَسَلَّمْهُ مِنِّي مُتَقَبَّلاً উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা সাল্লিমনি লি-রামাদ্বানা ওয়া সাল্লিম রামাদ্বানা লি ওয়া তাসাল্লামহু মিন্নি মুতাক্বাব্বালা। অর্থঃ হে আল্লাহ! আমাকে শান্তিময় রমাদান দান করুন। রমাদানকে আমার জন্য শান্তিময় করুন। রমাদানের শান্তিও আমার জন্য কবুল করুন। [ কিতাবুদ দু’আ — ত্বাবারানি; হায়াতুস সাহাবাহ্, খন্ড ৩, পৃষ্ঠা ১৮২ ] #Ramadan https://t.me/RamadanReminder

কোন কোন সালাফ বলতেন , اللهم سلمنى لرمضان وسلم رمضان لى وتسلمه منى متقبلا হে আল্লাহ! আমাকে রমাদ্বান পর্যন্ত নিরাপদে পৌঁছিয়ে দেন, রমাদ্বানকে আমার পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেন এবং আমার কাছ থেকে তা কবুল করুন । ” #Ramadan https://t.me/RamadanReminder

ইমাম ইবনু রজব (রহ) বলেন , “ কোন কোন সালাফ আল্লাহর কাছে রমাদানের ছয়মাস আগে থেকে দুআ করতেন যেন তাদেরকে রমাদান পর্যন্ত পৌঁছিয়ে দেওয়া হয়, অতঃপর বাকী ছয়মাস দুআ করতেন যেন তাদের রমাদানের কৃত আমলগুলো কবুল করে নেওয়া হয় । “ #Ramadan https://t.me/RamadanReminder

মুআল্লা বিন ফজল বলেন, “ তাঁরা ( সালাফরা ) ছয় মাস ধরে আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করতেন - তিনি যেন তাদেরকে রমাদান পর্যন্ত পৌঁছে দেন। অতঃপর ছয় মাস ধরে আল্লাহর কাছে দোয়া করতেন - তিনি যেন তাদের পক্ষ থেকে রমাদান ( এর আমলসমূহ ) কে কবুল করেন। ” ইয়াহইয়া ইবনু আবি কাসির বলেন, তাঁরা ( সালাফরা ) দোয়ায় বলতেন, “ হে আল্লাহ! রমাদান পর্যন্ত আমাকে নিরাপদ রাখো। হে আল্লাহ! রমাদানকে আমার জন্য নিরাপদ রাখো। আমার পক্ষ থেকে রমাদান ( এর আমলসমূহ ) কে কবুল করো। ” [ লাতাইফ আল মাআরিফ, ( পৃঃ ২৮০ ) ] #Ramadan https://t.me/RamadanReminder

রমাদানের আর রয়েছে ১ মাস। চলুন জেনে নেই, আল্লাহ প্রিয় বান্দা কারা? আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু বলেন, “ আল্লাহর প্রিয় বান্দা হলো - যারা আল্লাহকে ভালোবাসে এবং যারা আল্লাহর যিকরের জন্য সূর্য, চন্দ্র, নক্ষত্র, ছায়া ইত্যাদির হিসাব-নিকাশ রাখে। ” [ কিতাবুয যুহদ, ইমাম আব্দুল্লাহ ইবনু মোবারক রহিমাহুল্লহ ] #Ramadan https://t.me/RamadanReminder

কেমন কাটবে আপনার রমাদান ?সাওম পালন করার সময় মিথ্যা ও হারাম কাজ থেকে তোমার কান, চোখ, ও জিহবাকে বিরত রাখো। কাজের লোকদের কষ্ট দেবে না। সাওমের দিনগুলোতে অবশ্যই ধীরস্থিরতা এবং গাম্ভীর্যের সঙ্গে থাকবে। সাওমের দিনগুলোকে সাওম না-রাখার দিনগুলোর মতো বানিয়ে ফেলো না। ” [ কিতাবুয যুহদ, ইমাম আব্দুল্লাহ ইবনু মোবারক রহিমাহুল্লাহ ] #Ramadan https://t.me/RamadanReminder

১৪৪৬ হিজরি সালের পবিত্র রমাদান মাসের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি ( ঢাকা জেলার জন্য ) ⏳সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি #Ramadan https://t.
১৪৪৬ হিজরি সালের পবিত্র রমাদান মাসের সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি ( ঢাকা জেলার জন্য ) ⏳সাহরি ও ইফতারের সময়সূচি #Ramadan https://t.me/RamadanReminder

রমাদানের আয়োজন _ কীভাবে কাটাবেন মাহে শাবান Shaikh Tamim Al Adnani.m4a #শাবান #Shaban https://t.me/RamadanReminder

রামাদানে সহজে কুরআনের দু’টি খতম দেওয়া সম্ভব—ইনশাআল্লাহ্। সেক্ষেত্রে তিনটি পদ্ধতি অনুসরণ করা যেতে পারে। [এক.] প্রত্যেক ওয়াক্তের নামাজের আগে অথবা পরে চার পৃষ্ঠা করে পড়া। এতে পাঁচ ওয়াক্তে মোট ৪×৫ = ২০ পৃষ্ঠা (এক পারা) হবে প্রতিদিন। প্রতিদিন এক পারা মানে ৩০ দিনে ৩০ পারা। অর্থাৎ এক মাসে এক খতম হবে ইনশাআল্লাহ্। ৪ পৃষ্ঠার জায়গায় ৮ পৃষ্ঠা করে পড়লেই দুই খতম হয়ে যাবে। যদি নামাজের আগে ৪ পৃষ্ঠা ও পরে ৪ পৃষ্ঠা করে পড়া হয়, তবে প্রতি ওয়াক্তে হবে ৪×৪ = ৮ পৃষ্ঠা। তাহলে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের আগে-পরে হবে ৫×৮ = ৪০ পৃষ্ঠা (দুই পারা)। প্রতিদিন দুই পারা হলে ১৫ দিনে এক খতম হবে এবং এক মাসে দুই খতম হবে ইনশাআল্লাহ্। [দুই.] সকাল ৯ টা থেকে ১১ টার মধ্যে ১০ পৃষ্ঠা পড়া। কারণ তখন আমরা মাত্রই ঘুম থেকে উঠি। মন ফ্রেশ থাকে, এসময় তিলাওয়াত করতে ভালোই লাগে। এরপর যোহরের নামাজের পর আরো ১০ পৃষ্ঠা পড়া। কারণ এই সময়টাও যথেষ্ট প্রশস্ত। তাহলে ১০+১০ = ২০ পৃষ্ঠা, অর্থাৎ এক পারা হবে প্রতিদিন।  যদি এর সাথে সংযুক্ত করতে চাই, তবে আসরের পর ৮ পৃষ্ঠা, মাগরিবের পর ৪ পৃষ্ঠা, ইশার পর (ঘুমানোর পূর্বে) ৪ পৃষ্ঠা এবং সাহরিতে বা ফজরের পর আর ৪ পৃষ্ঠা। তাহলে মোট ৮+৪+৪+৪ = ২০ পৃষ্ঠা বা ১ পারা হবে। অর্থাৎ দিনে-রাতে মিলিয়ে মোট দুই পারা হবে প্রতিদিন। অনেকের ব্যস্ততা থাকতে পারে। তারা একটু এদিক-সেদিক করে নিতে পারেন। যারা এক খতমে সন্তুষ্ট থাকতে চান, তারা উক্ত সময়গুলোতে অর্ধেক করে তিলাওয়াত করলেই হয়ে যাবে। [তিন.] ফজরের আগে অথবা পরে ৫ পৃষ্ঠা; সকাল ৯—১১ টার মধ্যে ১০ পৃষ্ঠা; যোহরের নামাজের পরে ১০ পৃষ্ঠা; আসরের আগে বা পরে ৫ পৃষ্ঠা; মাগরিবের নামাজের পরে ৫ পৃষ্ঠা; ঘুমানোর পূর্বে বা ইশার পরে ৫ পৃষ্ঠা। সর্বমোট: ৫+১০+১০+৫+৫+৫ = ৪০ পৃষ্ঠা তথা ২ পারা হবে প্রতিদিন। এটা কঠিন মনে হলে: ফজরের আগে বা পরে ৫ পৃষ্ঠা; ফজরের পরে ঘুমিয়ে, ঘুম থেকে জেগে ৫ পৃষ্ঠা; যোহরের পর ৫ পৃষ্ঠা; আসরের পর বা রাতে ৫ পৃষ্ঠা; মোট ২০ পৃষ্ঠা তথা ১ পারা হবে প্রতিদিন। এক মাসে এক খতম হয়ে যাবে। তবে, বিভিন্ন সময়ের প্রেশার না নিয়ে সকালে ঘুম থেকে ওঠে ৯—১১ টার মধ্যে ২০ পৃষ্ঠা, যোহরের পর ১০ পৃষ্ঠা এবং আসরের পর ১০ পৃষ্ঠা পড়লে সহজ হয়। যদি আসরের পর ১০ পৃষ্ঠা না পড়া যায়, তবে অন্তত ৫ পৃষ্ঠা পড়বেন আর রাতে ৫ পৃষ্ঠা পড়বেন। (মোট ২০+১০+১০ = ৪০ পৃষ্ঠা তথা দুই পারা)—এই হিসেবে মোট দুই পারা প্রতিদিন অনায়াসে পড়া সম্ভব, ইনশাআল্লাহ্। কারণ এই সময়গুলোতে ব্যস্ততা কম থাকে। এই পোস্টটি হিজিবিজি মনে হলে দুঃখিত। টপিকটাই এমন। তাই, কিছুই করার নেই। - তাসবীহ পেইজ থেকে সংগৃহীত #Ramadan https://t.me/RamadanReminder

ইমাম ইবনে রজব হাম্বলি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, ” ফরয নামাযের আগে পরে যেভাবে সুন্নাত-নফলের বিধান রয়েছে, তেমনি রমাদানের ফরয সিয়ামের আগে পরে শাবান ও শাওয়াল মাসে নফল সিয়ামের বিধান রয়েছে; মূল বিধানের পরিপূরক হিসাবে। তাই মূল ইবাদতের পাশাপাশি পূর্বাপরের নফল ইবাদতগুলোর প্রতিও যত্নবান হওয়া চাই। ” [ লাতায়িফুল মাআরিফ, পৃঃ ১৮৮ ] #শাবান #শাওয়াল #Shaban #Shawal https://t.me/RamadanReminder

সালাফদের রীতি ছিলঃ তারা শাবান মাসে যাকাত আদায় করার চেষ্টা করতেন; যাতে দরিদ্ররা একটু ভালো খেয়ে রমাদানে রোজা রাখার মতো শক্তি যোগাতে পারে শরীরে। ” - ইবনে রজব হাম্বলী রাহিমাহুল্লাহ [ লাতাইফুল মাআরিফ ] #শাবান #Ramadan https://t.me/RamadanReminder

“ শাবান মাস আসলে আমর ইবনে কায়েস আল মালী রাহিমাহুল্লাহ তাঁর দোকান বন্ধ করে দিতেন এবং কুরআন তিলাওয়াতে নিজেকে উৎসর্গীকৃত করতেন। ” [ লাতাইফ আল মারিফ,পৃঃ ১৯৬ আল ইমাম ইবনে রজব আল হাম্বল রাহিমাহুল্লাহ ] #শাবান #Shaban https://t.me/RamadanReminder

শাবান মাস হলো রমাদানের ভূমিকা। রমাদানের মতোই এতে রোজা রাখা এবং কুরআন তিলাওয়াত করার প্রতি আলাদা গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। যাতে করে রমাদানের জন্য আগেভাগে নিজেকে প্রস্তুত করে নেওয়া যায়। ” - ইবনু রজব হাম্বলী রাহিমাহুল্লাহ [ লাতাইফুল মাআরিফ ] #শাবান #Shaban https://t.me/RamadanReminder

যখন শাবান মাসের আগমন হতো,তখন হাবিব ইবনে আবি সাবিত রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, ” এইটা কুরআন তিলাওয়াতকারীদের মাস। ” [ লাতাইফ আল মারিফ, পৃঃ ১৩৫; আল ইমাম ইবনে রজব আল হাম্বল রাহিমাহুল্লাহ ] #শাবান #Shaban https://t.me/RamadanReminder