হিন্দুধর্ম এক্সপোজ্ড [Hinduism Exposed]
Open in Telegram
EXPOSING হিন্দুধর্ম ও হিন্দুত্ববাদ! — রেফারেন্সভিত্তিক ধর্ম ও ইতিহাস আলোচনা
Show more9 994
Subscribers
No data24 hours
-567 days
+1130 days
Posts Archive
একজন সভ্য মানুষ কীভাবে এসব পড়তে পারে? বলেন, তাদের ধর্মগ্রন্থেই যখন লেখা যে ❝লক্ষ লক্ষ রূপ ধরে শ্রীকৃষ্ণ❤ গোপীদের সাথে বারবার segs করে অজ্ঞান করে ফেলে, গোপীদের স্ত🙈নে নখ দিয়ে আঘাত করে, শ্রোণিতে (পা🙈ছায়) নখ দিয়ে ক্ষত করে ফেলে, গোপিদের কাপড় খুলে পড়ে যায়…❞… তখন আমরা কীভাবে শ্রীকৃষ্ণের❤ ব্যাপারে পজিটিভ কিছু ভাববো?
— শ্রীশ্রীব্রহ্মবৈবর্তপুরাণম্, শ্রীকৃষ্ণজন্মখণ্ড, সুবোধচন্দ্র মজুমদার, পৃ ৪৫২, ছাপা-১৯৫৩, দেব সাহিত্য কুটীর, কলিকাতা [লিংক]
পরেরদিন সকাল থেকে আবার স্বাভাবিকভাবেই কথাবার্তা শুরু করলেন! উনি বুঝতে পারলেন, আমার ফ্ল্যাটটা হোটেল নয়, যে ইমার্জেন্সি তে ঘুমোনোর সুব্যবস্থা করে দেবো!
যাইহোক!
গতকাল, আমার সেই উচ্চপদস্থ ম্যাডাম এর জন্মদিন ছিল। খুব সখ করে উনি, দামী মিষ্টির প্যাকেট আমার হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলেন!
আমি সেই মিষ্টির প্যাকেট তার হাতে ফিরিয়ে দিয়ে বললাম... " আমি যাকে এক গ্লাস জল খাওয়াতে পারিনি, তার হাতে এই মিষ্টি খাওয়া আমার চৌদ্দ পুরুষের অসম্মান! আর আমি আপনি কেউই জানি না, এই মিষ্টির কারিগর, দোকানের মালিক কোন জাতের মানুষ! আপনি এই মিষ্টি খাওয়ার আগে, সেই তথ্যগুলো জেনে নেবেন! "
তারপর থেকে, সেই ম্যাডাম আমার সাথে কথা বলেন নি! সামনের দিনে, বলবেন কিনা তাও জানি না!
জানার ইচ্ছে প্রকাশ করিনি, করবোও না!
আজ শুনলাম , ম্যাডাম ঘর পরিষ্কার এবং বাসন মাজার জন্য ব্রাহ্মণ কাজের মাসী খুঁজছেন! পাচ্ছেন না! 😝😝
আমি জাতপাত নিয়ে কখনোই বাছবিচার করিনা!
তবে, কেউ আমার সামনে দাঁড়িয়ে আমার জাত নিয়েই চর্চা করলে, তাকে আর বাছবিচার করার সুযোগ দেইনা!
বি:দ্র- পোস্ট টা কেউ গায়ে মাখাবেন না! তবে, জাতপাত নিয়ে আমার মানসিকতা এটাই!
যেমন কুকুর তেমন মুগুর!
Sorry for not being Sorry!
©️ অনিন্দিতা , পশ্চিম বঙ্গ
অনিন্দিতা : আমি কিছু বাছাই করা উচ্চপদস্থ ব্রাহ্মণ/ পন্ডিতের ঘরে খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি!
উত্তরপ্রদেশে এসেছি, ছ'মাস হলো! অবাঙালি জায়গা তো! কোন উপাধি কোন জাতের অন্তর্গত, সেটা রপ্ত করতে বেশ সময় লেগেছিল।
এখানে এসে অনেকের মুখে প্রায়ই শুনতাম " হ্যাম তো পন্ডিত হ্যা! হাম ইয়ে নাহি কারতে, ও নাহি কারতে! "
আমি হাঁ করে তাকিয়ে থাকতাম!
জবাব দিতে পারতাম না!
এখন জবাব দিতে শিখেছি...
এক উচ্চপদস্থ পন্ডিত মহিলা ডাক্তার, আমার সহকর্মী! সকাল থেকে বিকেল অবধি, আমার আশেপাশেই থাকেন। ছুটির দিনে রাতের ট্রেন ধরতে মোটা অঙ্কের টাকায় ছোটো গাড়ি বুক করতে হয় বলে, উনি একবার আমার ফ্ল্যাটে এক রাত ঠাঁই নিয়েছিলেন...
অতিথি আপ্যায়ন আমি কিভাবে করি, যারা আমার ঘরে এসেছেন তারা জানেন!
উচ্চ পদস্থ ব্রাহ্মণ ডাক্তারের যাতে কোনো অসুবিধা না হয়, সেই ভেবে আমি নিরামিষ ভোজনের আয়োজন করেছিলাম! আমার ঘরে আসামাত্রই তিনি জানালেন, আমার ঘরে খাওয়া দাওয়া করবেন না!
আমি বললাম, ম্যাডাম সমস্ত কিছু নিরামিষ আয়োজন! আমি ইনডাকশনে রান্না করেছি! ইনডাকশনে আমিষ রান্না করিনা!
নাহ! উনি খাবেন না!
যাই হোক! বাধ্য হয়ে ভদ্রতার খাতিরে, আমায় নিরামিষ খাবার স্যুইগি তে অর্ডার করতে হলো!
ডেলিভারী বয় কে দেখে, আন্দাজ করতে পারি নি... তার জাতপাত কি হতে পারে!
এমনকি এই পার্সেল টা যে রেস্টুরেন্ট থেকে এসেছে, সেখানকার রাধুনির জাত, আমার জাতের থেকে ছোটো না বড়... সেটাও জানতে পারি নি... আমি এবং উচ্চ পদস্থ ব্রাহ্মণ পরিবারের ডাক্তার!
রাধুনি এবং ডেলিভারি বয় এর, জাতপাত বিচার না করেই, উচ্চ জাতীয় ডাক্তার গোগ্রাসে গলাধঃকরণ করলেন - এক বাটি পনির এবং নান-রুটি।
খাওয়া দাওয়ার পর বললেন, " আমি আপনার ঘরে আসলে, এই ডিসপসেবল ( যে বাক্সে পনির এবং রুটি এসেছে) বাক্সেই খাবো! এটা ধুয়ে রাখবেন! আপনার ঘরের বাসনপত্রে আমি হাত দেব না!
বালাই ষাট!
আমি যে বেসিনে বাসন ধুবো, সেটা তেই তো মাছ মাংস ধুই! এই সামান্য কথাটা তার উচ্চপদস্থ মগজে নাড়া দিলো না!
ম্যাডামের খাওয়া দাওয়া শেষ হওয়ার পর, আমি খেতে বসলাম! মেনুতে ছিল... নিরামিষ সবজি এবং ডাল!
খেতে বসার সময়, আমি আমার জলের বোতলে জল নিতে ভুলে গেছিলাম!
গলায় ভাত আটকে যাওয়ায়, ম্যাডাম কে বললাম, " আপনার জলের বোতল টা দিন না! আমার গলায় খাবার আটকে গেছে! "
ম্যাডাম তাঁর উচ্চপদস্থ জলের বোতল, আমার মতো নীচু জাতের মেয়ের হাতে তুলে দিতে, দ্বিধাবোধ করলেন। আমি গলায় খাবার নিয়েই, উঠে গিয়ে আমার বোতলে জল ভরে আনলাম!
সেইদিন জীবনে প্রথম বার আন্দাজ করতে পেরেছিলাম, ভারতবর্ষ এগোনোর নামে, কতোটা পিছিয়ে যাচ্ছে! এই উচ্চপদস্থ ডাক্তার কলেজে এসে, স্টুডেন্ট দের কি শিক্ষা দেন... হিন্দু-মুসলমান.. এবং ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্রদের একত্রে কিভাবে পড়াশোনা করান... কাকে নম্বর বেশি দেন, কাকে কম দেন... সেটা আমার মতো নিম্নমানের প্রানী আন্দাজ করতে পারেনি!
আমার মতো নিম্নমানের প্রানী এটাও আন্দাজ করতে পারেনি... এই উচ্চপদস্থ লোকেরা, ফুচকওয়ালা, চপওয়ালা, চাওয়ালা, ছোটো বড় রেস্টুরেন্ট, এমনকি অন্যান্য রাজ্য- দেশে গিয়ে জাতপাত বিচার করে খাওয়া দাওয়া করেন?
তাহলে তো, বেশিরভাগ সময়, খালি পেটে বাড়ি ফিরতে হবে! দেশ-দশ ঘোরা, এদের পক্ষে সম্ভব নয়! নিজের পরিবারের মধ্যেই আসা যাওয়া সীমাবদ্ধ রাখতে হবে! এবং নিজের উচ্চ জাতের ছোট্ট পরিসরে নিজেকে গুটিয়ে রাখার জন্যই ওনাদের আর দেশ-দশ ঘোরা হবে ন! নিজের উচ্চ জাতের বাইরের দুনিয়াটাও জানা হবেনা... তাই যতোই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হোন না কেন, ভাবনাচিন্তা সবসময় সীমিত থাকবে!
উত্তরপ্রদেশে এসে, প্রথম ব্রাহ্মণ বন্ধু হয়েছে, তা কিন্তু নয়!
মহারাষ্ট্র এবং গুজরাট রাজ্যের উচ্চপদস্থ ব্রাহ্মণদের সাথে বসে এক টেবিলে আমি ননভেজ খেয়েছি, ওরা ভেজ খেয়েছে! আমি ভেজ খেতে চাইলেও, ওরা জোরজবরদস্তি আমায় ননভেজ খাইয়েছে! আমার রান্নাঘরে দিনের পর দিন ওরা ডিনার করেছে! কখনো মনেই হয়নি, কে ছোটো জাত, কে বড় জাত!
শেষমেশ উপলব্ধি করলাম, শুধুমাত্র হাতে কলমের শিক্ষা অর্থাৎ পুঁথিগত শিক্ষা কখনোই একটা মানুষকে পুরোপুরিভাবে শিক্ষিত করতে পারেনা... পুরোপুরি শিক্ষিত হতে গেলে, কুসংস্কার এবং জাতপাতের বাইরে আসতে হলে, ঘর/পাড়া/জেলা/রাজ্যের বাইরে এসে দেশটাকে ঘুরে দেখতে হবে!
দরকার পড়লে, দেশের বাইরে গিয়ে অন্য দেশের মাটিতে পা রাখতে হবে.. বই পড়তে হবে, সিনেমা দেখতে হবে!
নাহলে, উচ্চশিক্ষা শুধুমাত্র টাকাপয়সা ছাড়া আর তেমন বিশেষ কিছু আপনাকে দিতে পারবে না!
দুমাস আগে, এই ম্যাডাম আবার আমার ফ্ল্যাটে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন, আমি খুব পরিষ্কার ভাষায় তাকে বুঝিয়ে বললাম, আমি অতিথি আপ্যায়ন করতে খুব ভালোবাসি! আপনাকে আপ্যায়ন করার সামর্থ্য আমার নেই! তাই দয়া করে, আমার ঘরে যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করবেন না! উনি চুপ করে, আমার ডিপার্টমেন্ট থেকে চলে গেলেন!
কে জানি এই গেইমটা বের করেছে, খেলতে জোস!
কমেন্টে জানাইয়েন কার স্কোর কত!
গেইম লিংক: https://tmdalways.run.place/
"...তো আমি বলছি, দু'জনের বদলে কমপক্ষে দশজন মুসলিম মেয়েকে নিয়ে এসো। আর তাদেরকে হিন্দু (বানাও)... কতজন যুবক প্রস্তুত আছো, একটু হাত তোলো!"
"আরে, যারা আগে থেকেই বিয়ে করেছো, তাদের কথা বলছি না।"
"দু'জনের (বদলে) দশজনের কম মানা হবে না!বিয়ে আমরাই করাবো। আর এটা ঘোষণা করা হচ্ছে যে, যে (ছেলে) নিয়ে আসবে, তাকে খাওয়াদাওয়া করার জন্য চাকরিও দেবো, রুজি-রুটিরও ব্যবস্থা করে দেবো।"
-উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি নেতা
প্রি-অর্ডার পোস্ট!
‘বাংলাদেশ ৯৫% মুসলিমের দেশ’ এই বলে আমাদের একধরণের তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলার অভ্যাস আছে। কিন্তু বাস্তবতা কতটুকু?
সত্যিই কি ৯৫% মুসলিমের দেশ এটা? এই সংখ্যাটা কি সবসময়ের জন্যই কনস্ট্যান্ট? কিন্তু আমরা হয়তো জানি না, আমাদের ধারণার চেয়েও যে কতো বড়ো মিথ্যা এই কথাটা!
কীভাবে পশ্চিমের ডলার চেটে আমাদের ইমান হরণ করছে খ্রিস্টান মিশনারিরা, কীভাবে মায়াময় পরিভাষার ছলনায় নাস্তিকরা ছিনিয়ে নিচ্ছে আমাদের ইমান, কীভাবে গাঁও-গেরামে লাখের পর লাখ টাকা ঢেলে ইমান বখে নিচ্ছে ওরা— সত্যিই হয়তো আমাদের তা ধারণায় নেই। যদি থাকতোই, তাহলে হয়তো এভাবে তৃপ্তির ঢেঁকুর না তুলে আমরা আমাদের ইমানকে নবায়ন করতাম, বৃদ্ধি করতাম দাওয়াতের পরিধি, দূর করতাম সংশয়ের অমানিশা।
সত্যি বলতে, অন্বেষণ বইটি আপনাকে সেই কাজের জন্যই প্রস্তুত করে তুলবে। আর, বইটি রচনার একমাত্র উদ্দেশ্য এটাই, যেন একদম প্রাথমিক স্তরের যে কেউ যেন গল্পচ্ছলে দাওয়াতের ভাষা ও পদ্ধতি বুঝেন, সে রকম তথ্য ও উপাত্ত সংগ্রহ করে নিজেকে এই পথের একজন নিবেদিতপ্রাণ মুসলিম হিসেবে প্রস্তুত করতে পারেন।
•
বইটির প্রথম পর্বে আমরা নাস্তিকতা, বৌদ্ধধর্ম, স্যাটানিযম, হিন্দুত্ববাদ ও বাউল তত্ত্বকে পুনঃপরীক্ষার ছাঁদে ফেলেছিলাম। ফিতরাতের কষ্টিপাথরে যাচাই করেছিলাম এসবের সত্যতা। এই খণ্ডে খ্রিস্টবাদের অসারতা এবং বাইবেলের ভ্রান্তির দ্বারোন্মোচন হবে— ইনশাআল্লাহ। এছাড়াও বইটিতে ইসলামের বিরুদ্ধে আরোপিত বিভিন্ন অবান্তর সংশয়ের বুদ্ধিবৃত্তিক জবাব দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রশ্নগুলো আমি কমেন্ট বক্সে যুক্ত করে দিচ্ছি।
আমি আশাবাদী, এই বই থেকে যে কেউ এমন তথ্য হলেও জানবেন, যা আগে তাঁর অজানা ছিল।
আমি সত্যিকারার্থেই মার্কেটিংয়ের জন্য বলছি না কথাগুলো। আমি যদি একদম খোলা মনে বইটির একটু পরিচিতি প্রদান করি, তাহলে বলবো, আপনারা যারা প্রথম খণ্ড পড়ে প্রথম খণ্ডকে ‘তথ্যবহুল’ বলেছিলেন এবং চমৎকৃত হয়েছিলেন, তারা এই খণ্ড পড়ে প্রথম খণ্ডের তথ্য বাহুল্যের কথা জাস্ট ‘ভুলে যাবেন’! মানে, এ পরিমাণ...
আর, বইটিতে পরিবেশিত তথ্যাবলীর সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট সাবধানতা অবলম্বন করেছি। যে জন্য বইটির সম্পাদনার জন্য পাঁচজনের সাহায্য নিয়েছি। এছাড়া বইটির প্রচ্ছদ এবং পৃষ্ঠাসজ্জাও করিয়েছি একদম নিবিড়ভাবে। অবশ্য প্রচ্ছদ তো দেখতেই পাচ্ছেন!
বইটির সাথে সংশ্লিষ্ট প্রায় সবাইকে একটি পোস্টে ম্যানশন দিয়ে চিনিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ। অবশ্য জ্ঞানতাত্ত্বিক ইন্দো আর্য মহামহোপাধ্যায়ের বিষয়টি ভিন্ন। অধ্যাপক সাহেব মাইন্ড কব্বেন!
যাই হোক, বইটির প্রি-অর্ডার শুরু হতে যাচ্ছে। প্রি-অর্ডার নিশ্চিতকারী সবারই কুরিয়ার চার্জ মওকুফ করা হবে, ইনশাআল্লাহ।
বই: অন্বেষণ (অন্তিম পর্ব)
লেখক: মুহাম্মাদ আল ইবরাহিম
প্রকাশনী: বৈচিত্র্য প্রকাশ
প্রকাশ কাল: ৩রা অক্টোবর, ২০২৫
প্রকাশের স্থান: আন্তর্জাতিক ইসলামি বইমেলা প্রাঙ্গণ
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১৪৪ পৃষ্ঠা
মুদ্রিত মূল্য: ৩০০৳
প্রি-অর্ডার মূল্য: ১৫০৳ মাত্র (৫০% ছাড়ে)
অর্ডার কনফার্ম করতে এই লিংকের ইনবক্সে টোকা দিন:
https://www.facebook.com/100032577812950/posts/pfbid02LWxeGqPo6xjXQA4sTAqVpdTFiESishCRdcjhHbV7ASzmhDuMXqrbFGoGc5xMjPpvl/?app=fbl
Repost from Tahsin's Thoughtscape
⚠ বাংলাদেশে হিন্দু কর্তৃক মুসলিম মেয়ে ধর্ষণ, প্রেমের ফাঁদে প্রতারণা ইত্যাদির দলিলসমূহ।
A Thread: https://www.facebook.com/share/p/16huwmj8W4/
Repost from Tahsin's Thoughtscape
≈ ২৬ কোটি ভারতীয় হিন্দু ঘৃণা ও প্রতিকূলতার চোখে দেখে মুসলিমদের!
ঠিকই শুনছেন। বছর সাত আগে পিউ রিসার্চ সেন্টারের সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনটি। যেখানে দেখা যায়,
- ৯৩% ভারতীয় মুসলিম ইতিবাচক চোখে দেখে হিন্দুদেরকে।
- কিন্তু শুধুমাত্র ৬৫% ভারতীয় হিন্দু ইতিবাচক দেখে মুসলিমদেরকে।
অপ্রকাশিত মত বাদ দিয়ে, ২৭% হিন্দু মুসলিমদেরকে নেতিবাচকভাবে দেখে, সলিড সংখ্যার বিচারে এইটা প্রায় ২৬ কোটি হবে।
কিন্তু বর্তমানে এই সাত বছর পর, অবস্থা আরো জটিল ও ভয়ঙ্কর, সেটা সহজেই অনুমেয়।
বাংলাদেশে যদি এই সমীক্ষা চালানো হতো, তাহলে আমার মনে হয় সেই ২৭% এর হারটা ৯০% এর মতো হবে।
(সোর্স এখানে)
—
Read it on Twitter: https://x.com/TahsinArafat1/status/1977334833270681801?t=KSrDh2v9d0s5YlKu5psANQ&s=19
Repost from Tahsin's Thoughtscape
এটা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা না ভায়া, দেশের ৭৯৩ জায়গায়।
এটা মাস্ট বি প্রি প্ল্যান্ড।
যারা কোনো গ্রন্থের অছিলা দিবেন, তারা এটা দেখায়া যাবেন এত বছর ধরে দাঁড়ি ছাড়া মূর্তি বানানো অশিক্ষিত কারিগররা হঠাৎ করে গ্রন্থ খুলে পড়ে দাঁড়ি লাগিয়েছে।
আবার টুপিও লাগিয়েছে।
আবার সীমান্তের পারে বাংলাদেশের পতাকাও লাগিয়েছে।
Repost from Tahsin's Thoughtscape
Personal Finding:
১৯৭২ সাল থেকে অক্টোবর-২০২৫ পর্যন্ত বাংলাদেশে কোনো হি•ন্দুর ফাঁ•সি কার্যকর হয় নি।
(কিংবা হয়েছে বলে আমার জানা নেই)।
আর হবে বলেও মনে হয় না। কোন অদৃশ্য ইশারায় চলে আসছে এই সিলসিলা। ইচ্ছামতো মুসলিম হ•ত্যার এক লাইসেন্স হয়ে গেছে এটা।
এই লাইসেন্স কাজে লাগিয়েই ফরিদপুরে দুই মুসলিম শ্রমিক ভাইকে পিটিকে পরপারে পাঠানো হলো।
চোখের সামনে ইস্ক•নীরা আইনজীবী আলিফ ভাইকে হ•ত্যা করলো। ওসি প্রদীপ শত শত মুসলিম নারী ধর্ষ•ণ করে, বিভিন্ন হ•ত্যায় জড়িত হয়েও সে সেইফ এক্সিট পেয়ে গেছে। এমন ঘটনা অগণিত।
করণীয় কী?
Repost from Tahsin's Thoughtscape
+3
এগুলো ভাসুরদের অধিকার। তারা যা ইচ্ছা তাই করবে।
তাদের অসুরের মুখে দাঁড়ি রাখবে কি রাখবে না এটা তাদের ইচ্ছা, অসুরের মাথায় টুপি রাখবে কি রাখবে না, সেটা তাদের ইচ্ছা, বুকে মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্রের পতাকা রাখবে কি রাখবে না, তাদের ইচ্ছা।
আপনি এসব নিয়ে কথা বলে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়াবেন না প্লিজ 🙏
[ওয়েস্ট বেঙ্গলের ছবি]
দুর্গাপূজার অজানা ইতিহাস - ১
https://t.me/TahsinsThoughtscape/255
ব্রাহ্মণ যদি শূদ্রের দেওয়া খাবার খায়, তাহলে সে যত বড় জ্ঞানীই হোক না কেন, তার পরের জন্ম হবে আরেক শূদ্র নারীর পেটে।
— শিবপুরাণ, ধর্ম্মসংহিতা, অধ্যায় ৪১, শ্লোক ৭ [লিংক]
উল্লেখ্য, হিন্দুধর্মে সবচেয়ে হীন গালী হচ্ছে শূদ্রযোনীতে জন্ম বা দাসীপুত্র।
Repost from FromMuslims.com
১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের হিন্দুদের অংশগ্রহণ কেমন? - মুসলিম বিদ্বেষের গোড়া
https://www.frommuslims.com/?p=345192
