en
Feedback
চশমাওয়ালা

চশমাওয়ালা

Open in Telegram

তোমার ভাষা শক্তিশালী করো,কণ্ঠ না। -হযরত জালালউদ্দিন রুমি রহমতুল্লাহি আলাইহি

Show more
609
Subscribers
No data24 hours
-27 days
-930 days

Data loading in progress...

Attracting Subscribers
January '25
January '25
+2
in 0 channels
December '24
+11
in 0 channels
Get PRO
November '24
+14
in 0 channels
Get PRO
October '24
+17
in 0 channels
Get PRO
September '24
+104
in 0 channels
Get PRO
August '24
+114
in 2 channels
Get PRO
July '24
+78
in 0 channels
Get PRO
June '24
+3
in 0 channels
Get PRO
May '24
+19
in 1 channels
Get PRO
April '24
+109
in 0 channels
Get PRO
March '24
+101
in 0 channels
Get PRO
February '240
in 0 channels
Get PRO
January '24
+150
in 0 channels
Date
Subscriber Growth
Mentions
Channels
27 January0
26 January+1
25 January0
24 January0
23 January0
22 January0
21 January0
20 January0
19 January0
18 January0
17 January0
16 January0
15 January0
14 January0
13 January0
12 January0
11 January0
10 January0
09 January0
08 January+1
07 January0
06 January0
05 January0
04 January0
03 January0
02 January0
01 January0
Channel Posts
2
আমার কাছে একাধিক তথ্য আছে, যেখানে আইন শৃ*ঙ্খলাবাহিনী ও গো*য়েন্দা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে, এমন কোন তথ্য যেন প্রকাশ না করা হয়, যার মাধ্যমে হি*ন্দুদের সন্ত্রাসী পরিচয় ফাঁস হয়ে যায়। আলোচিত জাহাজে ৭ জন মুসলমানকে জবা*ইকারী ব্যক্তির নাম আকাশ মণ্ডল। আকাশ মণ্ডলের পিতার নাম জগদীশ মণ্ডল। অথচ মিডিয়ার কাছে আকাশ মণ্ডলের একটি ফেক নাম ‘ইরফান’ প্রচারিত হচ্ছে। আশ্চর্য সেক্যুলার রাষ্ট্রে বাস করছি আমরা। প্রধান উপদেষ্টা ইকোনোমিস্টকে সাক্ষাৎকারে বলেছে, বাংলাদেশে ই*সলামি চর*মপন্থা আসবে না। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে নোটিশ দেয়া হয়েছে, শিক্ষার্থীরা যেন ইসলামী উ*গ্রবাদের দিকে আকৃষ্ট না হয়। অথচ উ*গ্রহি*ন্দুত্ববাদকে লুকিয়ে ফেলা হচ্ছে। এর থেকে ভয়*ঙ্কর সংবাদ আর কী হতে পারে ?
350
3
চশমাওয়ালা পেজের ব্যাকআপ পেজ সবাই লাইক ফলো দিয়ে রাখুন - https://www.facebook.com/share/18jQ2cuCqR/?mibextid=kFxxJD
343
4
No text...
389
5
ঢাকা মোহাম্মদপুর নিয়ে ষড়যন্ত্র: মোহাম্মদপুর থেকে রামচন্দ্রপুর করতে বাধা বিহারিরা, তাই বিহারি ক্যাম্প উচ্ছেদে জনমত বানানোর জন্য নেশাগ্রস্ত বিহারিদের টাকা দিয়ে ডাকাতি করাচ্ছে না তো? মোহাম্মদপুরে হটাৎ ভয়াবহ মাত্রায় বেড়েছে হিন্দু ধর্মের লোকজনের সংখ্যা। এরা শেয়ারে জমি কিনে ফ্ল্যাট নির্মাণ করে সংখ্যা ভারী করছে। এর অন্যতম ই স কনের সহযোগী বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের "সুমন কুমার রায়" গং। -বিহারিদের উচ্ছেদের জনমত বানানো -সেনা অভিযান করতে সেনাবাহিনীকে বাধ্য করা, -পতিত হাসিনা সরকারের আমলে মোহাম্মদপুর এর বিহারি ক্যাম্পের মুসলমানদের সাভারে কলোনি বানিয়ে স্থানান্তরে প্রস্তাবিত প্রকল্প, -“ডিএমপির প্রভাবশালী বিপ্লব কুমার মোহাম্মদপুর এলাকায় থাকা, -জোরপূর্বক মুসলমানদের জমি বিক্রিতে বাধ্য করা, -মোহাম্মদপুর বসিলা খালকে ইচ্ছে করে ভারতীয় এজেন্ট যমুনা টিভির রামচন্দ্রপুর খাল বলা, -সাদেক এগ্রো উচ্ছেদ করা, -বসিলা হাট বসতে বাধাপ্রাপ্ত করা, -গরুর মাংস বিক্রির দোকান বেশি ভাড়ায় -হিন্দুরা অপ্রয়োজনীয় দোকান দেয়া, এই সকল ঘটনা একইসূত্রে সংশ্লিষ্ট। আরেকটি ব্যাপার হলো হিন্দুদের টার্গেট গুলশান নিয়েও দেবতা শীবের ডাক নাম ভোলানাথ বা ভোলা সেই নাম পুনরায় ফেরত আনতে চায় তারা, তাদের এজেন্ট মুনতাসীর মামুনের সাক্ষাৎকারে যুক্ত করে হিন্দুত্ত্ববাদী যমুনা টিভির প্রতিবেদন সেটি নির্দেশ করে ইতিমধ্যে হিন্দুরা বাড্ডা এলাকা দখলে নিতে শুরু করেছে। চোখ কান খোলা রাখুন।
740
6
আমেরিকা ১৮৬৭ সালে মাত্র ৭.২ মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে বিপুল পরিমাণ খনিজসমৃদ্ধ ‘আলাস্কা পর্বত’ রাশিয়ার কাছ থেকে কিনে নিয়েছিল। আলাস্কা কিনে নেয়ার পর সকল রাশিয়ানদেরকে আলাস্কা ত্যা গে বা ধ্য করা হয়েছিল। একইভাবে ২০২৪ সালে এসে এখন ড. ইউনুসের কাছ থেকে বাংলাদেশের ‘নারিকেল দ্বীপ (সেন্ট মার্টিন)’ আমে রিকা কিনে নিচ্ছে/লিজে নিচ্ছে। আমাদের এই দ্বীপটিও বিপুল পরিমাণ খনিজসমৃদ্ধ এবং ভূ-কৌশলগত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দ্বীপ। এখন একই কায়দায় পর্যটন ব ন্ধ করে দিয়ে নারিকেল দ্বীপবাসীকেও দ্বীপ ত্যা গে বা ধ্য করা হচ্ছে। যার প্রমাণ হচ্ছে পরিবেশ রক্ষার ছুতা দিয়ে অনর্বর্তী সরকার নারিকেল দ্বীপে বাংলাদেশীদের যেতে দিচ্ছে না। গতকাল রাত থেকে ওখানকার বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, পর্যটন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, মাছ ধরা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে, জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এসব করা হয়েছে দ্বীপকে জনশূণ্য করার জন্য। দ্বীপটি জনশূন্য হয়ে গেল বছর খানিকের মধ্যে নারিকেল দ্বীপ থেকে জনগণের নজর অন্যদিকে চলে যাবে। ঠিক সেই মুহূর্তে পারস্পরিক সহযোগিতার নাম করে ইউনুসরা আমাদের একমাত্র প্রবাল দ্বীপটিকে আমে রিকার হাতে হস্তা ন্তর করবে।
723
7
No text...
601
8
সেন্টমার্টিন দ্বীপের বর্তমান অবস্থা : (সেন্টমার্টিন এর ভুক্তভোগী মানুষের সাথে কথা বলে নির্ভরযোগ্য খবর দিচ্ছি দিচ্ছি) ১. দ্বীপের চিকিৎসা সেবা পুরোপুরি বন্ধ তিনমাস ধরে। ২. সাগরে মাছ ধরা বন্ধ। ৩. আজ থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ সম্পুর্ন শাট ডাউন অনির্দিষ্টকালের জন্য। যদিও বিদ্যুৎ সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানটি কারণ হিসেবে জানিয়েছেন টেকনিক্যাল কারণ, কিন্তু দ্বীপবাসী যেহেতু সেখানেই আছেন, তারা বলছেন এটা কোন যৌক্তিক কারণ নয়। তারা বলছেন কোন চাপে পড়ে বন্ধ করা হয়েছে বা কোন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন এর জন্য করা হচ্ছে। ৪. পর্যটক আসা সম্পুর্ন বন্ধ। ৫. মৌলিক অধিকারের প্রায় সবকটিই বন্ধ কিংবা বন্ধের মতন অবস্থা। ৬. সেন্ট মার্টিনের স্থানীয় লোকজন দ্বীপ থেকে বাইরে গেলে বা দ্বীপে ঢুকলে বাঁধার সম্মুখীন হচ্ছেন, প্রশাসনকে কারণ ব্যাক্ষা করে যাতায়াত করা লাগছে। ৭. দ্বীপে ব্যবসায়ের সাথে সম্পৃক্ত (রিসোর্ট বা দোকান মালিক/ ম্যানেজার/ স্টাফ/ মিস্ত্রি/ কর্মী) কিন্তু দ্বীপের অধিবাসী নয়, এমন কাওকে যেতে দেয়া হচ্ছে না। ৮. জেনারেটর চালানো সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়েছে যেখানে বিদ্যুৎও পুরোপুরি বন্ধ। সবই কি সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ রক্ষার জন্য করা হচ্ছে? নাকি অন্য কোন ব্যাপার আছে? এসব তাহলে কিসের আলামত? সেন্ট মার্টিনকে পর্যটন স্থান এর বাইরে বাংলাদেশের একটি স্থান হিসেবে কল্পনা করুন, এবং যেখানে প্রায় ১২ হাজার মানুষ বসবাস করেন, সেই চিন্তা মাথায় রেখে ভাবুন এবং মতামত জানাতে পারেন। আমার ছোট মস্তিষ্কে স্পষ্ট হচ্ছেনা ব্যাপারগুলো!!
547
9
শুধুমাত্র অ্যামেরিকার ১৫০ টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামের অংশ খৃষ্টান। যেমন: Florida Christian University (FCU), Southern Christian University, Christian Brothers University (CBU), Abilene Christian University (ACU) ইত্যাদি, ইত্যাদি। এজন্য অ্যামেরিকার সেকুলারদের কোন সমস্যা হয়নি। কিন্তু পূর্ব বাংলায় একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে মুসলিম থাকায় সেকুলাদের জাত চলে যায়… বাংলাদেশের সেকুলারেরা এই রকম উ-গ্র-বা-দী কেন এই প্রশ্নের মীমাংসা করাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
407
10
No text...
367
11
অন্তর্বর্তী সরকারকে বিদেশীদের কাছে দেশ বিক্রির অধিকার দেয়া হয়নি” (বিস্তারিত কমেন্টে)
357
12
বিএনপির উচিত- দ্রুত নির্বাচন দাবী করা। কারণ নির্বাচন নিয়ে অন্তর্বতি সরকার এমন একটা কথিত সংস্কারে যাচ্ছে যার মাধ্যমে বিএনপি কখনই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। সর্বদাই ডেমোক্রেটদের উপর নির্ভর থাকতে হবে। আজ জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান বাংলাদেশে এসেছে। তার অন্যতম একটা এজেন্ডা হচ্ছে নির্বাচন ব্যবস্থা। বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে তারা এমনভাবে সংস্কার করতে যাচ্ছে যে বাংলাদেশে ডেমোক্রেটরা (ইউনুসররা) ক্ষমতায় না থাকলেও রাষ্ট্রের মূল নাটাই থাকবে তাদের কাছে। যেটি এদেশের মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত নেতিবাচক হয়ে যাবে। তাই বিএনপির নির্বাচন দাবীকে আরো তরান্বিত করা উচিত।
399
13
করো নার টি কা নিয়ে লিখেছি আগে থেকে। যত ভাবে সম্ভব, ততভাবে মানুষকে সচেতন করেছি। করোনার টিকা নিলে ব্লাড ক্লটিং হবে, হার্ট অ্যাটা ক বা স্ট্রোক হবে, এটা বার বার বলার পরেও অনেকে টি কা নিয়েছে। এবং তার ফলাফল মানুষ দেখেছে। প্রচুর মানুষ হার্ট অ্যাটা ক বা স্ট্রোক করেছে। অনেক কম বয়সী মানুষ মা রাও গেছে। আমি যে ৩ বছর অনলাইনে ছিলাম না, সেই তিন বছর টি কার পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার খবরে সয়লাব ছিলো নেট দুনিয়া। যাই হোক, এখন আবার দেশে দেয়া হচ্ছে সার্ভিকাল ক্যান্সারের টি কা বা জরায়ুমুখ ক্যান্সার নিরোধে টি কা। গতকালকে টিকা দেয়ার খবরগুলো দেখলাম অনলাইনে- খবর- ১. শেরপুরে টি কা নিয়ে অসুস্থ ২০ শিক্ষার্থী ২. বরগুনার বেতাগীতে অর্ধ শতাধিক ছাত্রী অসুস্থ ৩. ঝিনাইদহে টি কা নেওয়ার সময় অসুস্থ ৪০ মাদরাসা ছাত্রী ৪. পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে এইচপিভি টি কা দিয়ে ৫ শিক্ষার্থী অসুস্থ করো নার টি কার ক্ষেত্রে আমার মূল যে অবজেকশনটা ছিলো, টি কা দিলে অনিয়ন্ত্রিত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উদ্ভব ঘটবে, যা দেহের জন্য ক্ষতিক র। যাকে চিকিতসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলছে অটো ইমিউন ডিজিজ। ঠিক একইভাবে সার্ভিকাল ক্যান্সারের ভ্যাকসিন বা এইচপিভি টিকার ক্ষেত্রেও আমার কথা হচ্ছে, এ টি কাতেও অটো ইমিউন ডিজিজের ঘটনা ঘটবে। এবং প্রচুর মেয়ে অসুস্থ হবে, ভবিষ্যতে রোগাক্রান্ত হবে, অথবা কেউ মারা যাবে। দু:খের বিষয় হচ্ছে, এই কথাটা বাংলাদেশের কোন বিশেষজ্ঞ মুখ ফুটে বলবে না। কারণ তাদের দৃষ্টিতে পশ্চিমাদের কথা হচ্ছে, ঐশ্বরিক বাক্যের মত। বাংলাদেশের মানুষ তাদের ধর্মীয় গ্রন্থ যতটুকু বিশ্বাস করে, পশ্চিমাদের কথা তার থেকেও বেশি বিশ্বাস করে। পশ্চিমারা যদি এক থাল মূলমূত্র এনে বলে, এটা অমৃত খাও, অনেক উপকার হবে, আমি নিশ্চিত, বাংলাদেশের অনেক উচ্চ শিক্ষিত লোক চোখ বন্ধ করে গো-গ্রাসে গিলবে। লক্ষ্য করে দেখবেন, শিক্ষিতদের দাবী হচ্ছে, পশ্চিমাদের কথার পেছনে গবেষণা আছে। তোমাদের কথার পেছনে তো কোন প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা নাই। ঠিক আছে মেনে নিচ্ছি। কিন্তু আজকে যখন বাংলাদেশের মানুষ করোনা বা এইচপিভি টি কায় অসুস্থ হচ্ছে, তখন বলছেন- এগুলো ম্যাস হিস্টিরিয়া, এগুলো মানসিক রোগ। আরে ভাই, আপনার নিজের দেশের মানুষ যখন অসুস্থ হচ্ছে, তার উপরে আপনি গবেষণা না করে কিভাবে চেহারা দেখে বলে দিচ্ছেন, এগুলো ম্যাস হিস্টিরিয়া ? তার শরীরে কি বা কতটুকু প্রতি প্রতিক্রিয়া হচ্ছে, শরীরের সার্বিক গবেষণা শেষ না করে কিভাবে ম্যাস হিস্টিরিয়া বলে দায় সারছেন ? তখন কেন গবেষণা লাগছে না ?? কেন পাইলটিং না করে সর্ব বিষয়ে নিশ্চিত না হয়ে, গণহারে বাচ্চাদের শরীরে পুশ করার অনুমতি দিচ্ছেন ? আসলে, সম্রাজ্যবাদী বড় বড় ওষুধ কোম্পানিগুলোর ওষুধ বিক্রির জন্য মনমত গবেষণার ফলফল প্রয়োজন। এই ফলাফলের জন্য তারা দেদারসে ফান্ড ঢালছে। কিন্তু আমার আপনার পক্ষে মানে জনগণের পক্ষে গবেষণার জন্য কোন ফান্ড নেই। এজন্য জনগণের পক্ষের কথা জিজ্ঞেস করলেই বলে দেয়- গবেষণা নেই, সব কন্সপিরেসি থিউরী। বাদ দেন তো। হ্যা, ভাই গরীবের কথা সব কন্সপিরেসি থিউরী, বাসী হলেই ফলে। টি কা দিলে যার ক্ষতি হয় সেই বুঝে, টি কা কোম্পানি বা তার কমিশন খাওয়া লোকজন তো জনগণের কষ্টের কথা বুঝবে না। #জনগণের_পক্ষের_লোক_চাই #জনগণের_ব্লক_চাই ~Noyon Chatterjee
343
14
সেন্ট মার্টিনের পূর্ব নাম ছিল নারিকেল দ্বীপ বা নারিকেল জিঞ্জিরা। এই নামেই তখন বিশ্বব্যাপী পরিচিত ছিল। আরব বণিকরা যখন বাংলায় আসতেন তখন এই নারিকেল জিঞ্জিরায় অবকাশ কাটাতেন এবং এর নাম দিয়েছিলেন জিঞ্জিরা। পরে ওখানে নানান প্রয়োজনে বাঙ্গালীরা প্রচুর নারিকেল গাছ লাগিয়েছিল। তখন থেকেই আরব এবং বাঙ্গালীর দেয়া ‘নারিকেল জিঞ্জিরা/নারিকেল দ্বীপ’ নামেই পৃথিবীব্যাপী পরিচিতি লাভ করে। কিন্তু ব্রিটিশরা আসার পর তারা তাদের এক কথিত পাদ্রীর নামানুসারে জোরপূর্বক নারিকেল জিঞ্জিরার নাম পাল্টে রাখে সেন্ট মার্টিন। এবং দলীল-দস্তাবেজেও এই নামই চালিয়ে দেয়। অনেকে আপত্তি করলেও সেই আপত্তি ব্রিটিশরা মানে নি। দেশ ব্রিটিশদের থেকে স্বাধীন হওয়ার পর কেউ আর সেই ঔপনিবেশিক সাম্প্র/দায়িক নাম পরিবর্তন করে নি। কাজেই আমরা ঔপনিবেশিক জালেমদের দেয়া নামে ডাকতে পারিনা। নারিকেল দ্বীপ/জিঞ্জিরাকে সেন্ট মার্টিন বলতে পারি না। আমরা হাজার বছরের পূরনো নামে ফিরে যাবো। তাই সেন্ট মার্টিন নয় আমরা বলবো - নারিকেল দ্বীপ।
304
15
দেশের পরিস্থিতি ভালো না। অন্তত বাজারের পরিস্থিতির দিতে তাকালে বুঝা যায়। গতকাল থেকে আজকে শুধু তেল ও পিয়াজের দাম কেজিতে ৩০-৫০ টাকা বৃদ্ধি পাবে। সবজীর দাম আরো বাড়তির দিকে যাবে। পাইকারী ডিম ব্যবসায়ীরা জানালো, তাদের পক্ষে দাম কম রাখা সম্ভব না। তারা আবারও ডিমের দাম বাড়াবে। দাম কমাতে চাপ দিলে ডিম বিক্রি বন্ধ করে দিবে। এভাবে একটি দুইটি নয়, বাজার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণহীন। সরকারের কোন নিয়ন্ত্রণ নাই, বিষয়টি পুরোপুরি স্পষ্ট। অবস্থা্দৃষ্টিতে বুঝা যাচ্ছে, দেশ দুর্ভিক্ষের দিকেই যাচ্ছে। আপনাদের কাছে কেমন মনে হচ্ছে জানিনা, আমরা যারা দেশ-বিদেশের খবর বিশ্লেষণ করি, আগেরকার পরিস্থিতির সাথে এবারের পরিস্থিতিকে আমার কাছে ভিন্নরূপ মনে হচ্ছে। পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। কোন কিছু কারো নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই নেই এবং ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির দিকে আমরা আগাচ্ছি। এ পরিস্থিতিতে প্রায় সকল মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বলতে পারেন, ভাই, ভয় দেখাচ্ছেন, সমাধান দেখান। ভাই, সমাধান করা আমার পক্ষে সম্ভব না। রিজিকের বিষয়টি সম্পূর্ণ কুদরতি বিষয়। দুর্ভিক্ষ যখন হয়, তখন মহান আল্লাহ পাক উনার বিশেষ কোন ইচ্ছাতেই হয়। ‍মানুষের নফসে স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে, সে সঠিক পথও বেছে নিতে পারে, অথবা ভুল পথে গিয়ে গজবে পতিত হতে পারে। এই সমস্যাও তাই স্বাভাবিক উপায়ে দূর হবে না, রুহানি শক্তি লাগবে। যাদের রুহানি শক্তি আছে, উনারাই পারবেন, এই সমস্যার সমাধান করতে। সেই রুহানি শক্তি হচ্ছে, হযরত নূহ আলাইহিস সালাম উনার কিশতির ন্যায়, যারা সেই কিশতিতে উঠবে ,তারা পরিত্রাণ পাবে, অন্যরা গজবে পতিত হবে। হযরত সুলাইমান আলাইহিস সালাম এবং হযরত ইউসুফ আলাইহিস সালাম উনার উম্মতগণ যেভাবে সোহবতে গিয়ে রিজিকের ফায়াসালা করেছেন, এখন সেই পদ্ধতিতেও আপনাকেও আগাতে হবে।
362
16
উপদেষ্ঠা পরিষদের সেন্টমার্টিন নিয়ে বাড়াবাড়িতে কেনো কথা বলা উচিৎ- পরিবেশবাদী রিজওয়ানা আলাদিনের চেরাগে পাওয়া ক্ষমতায় আসার আগে দেশ ও মানুষের ক্ষতিকারক হিসাবেই পরিচিত ছিলো। তারা আইনজীবী সংস্থা "BELA" বাংলাদেশ ও সাধারণ মানুষের ক্ষতি করার জন্য অন্যতম। বেলার সাথে, বিশিষ্ট পরিবেশবাদী ও নারীবাদী খুশি কবিরও জড়িত আছে৷ যারা আওয়ামী সরকারের উচ্ছিষ্ট খাওয়া সহো, আওয়ামী লীগ কে দিয়ে পরিবেশের নাম করে দেশের শিল্প ধ্বংস করেছে। এখন, নিজেরাই ক্ষমতায়। রিজওয়ানা ও খুশি কবিরদের BELA উচ্চ আদালতে রিট করে - আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ- সিলেটে পাথর উত্তোলন বন্ধ করে দেয়। যার ফলে সিলেটের নদী গুলো ভরাট হয়ে যায় এবং যে অঞ্চলে কখনো বন্যা হয়নি সেই জায়গাতেও বন্যা হয়। পাথর উত্তোলন বন্ধের ফলে, সাধারণ মানুষের জীবিকার ক্ষতির সাথে সাথে, ভারত থেকে পাথর আমদানি করতে হয়। নদী গুলোতে বালি তুলা বন্ধ করে দেয়৷ আমাদের অঞ্চল হলো নিচু বা ভাটিতে। নদীর স্রোতের সাথে সাথে উপর থেকে বালি এসে জমা হয়। ভারত আমাদের পানি বন্ধ করে রেখেছে৷ কখনো পরিবেশবাদীরা সেটা নিয়ে কথা বলেনা৷ পানি বন্ধের ফলে, নদীতে স্রোত থাকেনা যার ফলে বালিও সরে না৷ আইন করে বালি উত্তোলন বন্ধের ফলে নদী গুলো ভরাট হয়ে আছে৷ আমাদের দেশের সব থেকে বড় যে শিল্পটি ছিলো সেটা হলো চামড়া শিল্প। পরিবেশের নাম করে এই শিল্পটিকে ধ্বংস করেছে পরিবেশবাদীরা৷ আর এইগুলোর আফটার ইফেক্ট সুবিধা নিচ্ছে ভারত। তারপর, পাহাড় ও সেন্টমার্টিন- পাহাড় নিয়ে ভারত ও পাহাড়ি উপজাতি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী গুলোর পরিকল্পনা অনেক পুরানো৷ পরিবেশবাদীরা উপজাতি সন্ত্রাসীদের ব্যপারে টু শব্দটি না করলেও, সেখানে পর্যটক যাওয়া ঠিকি বন্ধ করতে চায়। পরিবেশবাদীরা সেন্টমার্টিনে একটা গাছ না লাগালেও, সেন্টমার্টিন নিয়ে মায়ানমার ও ইন্দো-মার্কিন ষড়যন্ত্রের ব্যপারে কথা না বললেও, পরিবেশের নাম করে সেন্টমার্টিনে মানুষের যাতায়াত বন্ধ চায়। বাংলাদেশের পর্যটকদের যাওয়ার মধ্যে দুইটি উল্লেখ্যযোগ্য জায়গা হলো পাহাড় ও সেন্টমার্টিন৷ মানুষ সেখানে ঘুরতে যেতে না পেরে, ভারতে ঘুরতে যাবে। অর্থাৎ, যেকোন দিক বিবেচনা করলে দেখা যায় পরিবেশবাদীদের উদ্দেশ্য বা কার্যক্রম আসলে দেশ, মানুষ কিংবা পরিবেশের চিন্তা করে নয়। তাদের কার্যক্রমে তৃতীয়পক্ষ উপকৃত হয়। #backtothefuture #BMW #bmwlifestyle #BreakingNews #bmwlife #equipment #gadget #barcelona #gadget #diwalivibes
318
17
প্রসঙ্গ : ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ করাতে অনেকে খুশি হয়েছে। হ্যা, ছাত্রলীগ অনেক জুলুম নির্যাতন করেছে, তাকে নিষিদ্ধ ঘোষিত করলে খুশি হওয়ারই কথা। তবে একজন মুসলমান হিসেবে আমি সর্বোচ্চ শত্রু পতনেই সবচেয়ে বেশি খুশি হবো। বিষয়টি ব্যাখ্যা করি। ছাত্রলীগ হচ্ছে একটি রাজনৈতিক দল। আর রাজনৈতিক দল হচ্ছে গণতন্ত্রের তৈরী। আর গণতন্ত্র হচ্ছে রাষ্ট্র ব্যবস্থা (স্টেট মেকানিজম) এর অংশ। রাষ্ট্র ব্যবস্থা হচ্ছে একটি সিস্টেম বা মেশিন। এই মেশিনের একটি প্রডাক্ট হচ্ছে ছাত্রলীগ। আপনি এক ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করেন, আরো শত ছাত্রলীগ পয়দা হয়ে যাবে। কারণ মেশিন বা রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে তো আপনি শেষ করতে পারেননি। তাই মুসলমানদের অন্যতম বিরোধ হচ্ছে স্টেট মেকানিজমের সাথে। ১৯১৪ সালে তুর্কি খিলাফত ধ্বংস করে কাফিররা সেই স্টেট মেকানিজম শুরু করেছিলো। তাই যখন স্টেট মেকানিজম নামক মেশিন বন্ধ করে আবার খিলাফত ব্যবস্থা চালু হবে, তখনই মুসলমানরা প্রকৃত খুশি হবে। রাষ্ট্র ব্যবস্থা (স্টেট মেকানিজম) হচ্ছে এক ধরনের বৈষম্যমূলক মেশিন। সেই মেশিনটাই ছাত্রলীগের মত দানব তৈরী করে। আজকে আওয়ামীলীগ ১৬ বছর ক্ষমতায় ছিলো দেখে তার ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ দানব হয়ে উঠেছে। এভাবে আরেক দল ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকুক, দেখবেন, তারাও ছাত্রলীগের মত দানবীয় আচরণ করা শুরু করবে। আওয়ামীলীগের মত দুর্নীতি শুরু করবে। তাই আপনি প্রডাক্ট যতই ধ্বংস করেন লাভ হবে না, আপনাকে মেশিন বন্ধ করতে হবে। নয়ত সমস্যা কখন শেষ হবে না। এজন্য প্রডাক্ট ছাত্রলীগ না, বরং প্রস্তুতকারক মেশিন রাষ্ট্র ব্যবস্থার যখন পরিসমাপ্তি ঘটবে,তখনই বিদ্রোহী রনক্লান্ত শান্ত হবে, এর আগে না। #gadget #bmwlife #bmwlifestyle #BMW #BreakingNews #backtothefuture #equipment #backtothefutureday
256
18
পরিবেশবাদী উপদেষ্টা রিজওয়ানা কিন্তু প্রায় বলে- "সেন্ট মার্টিন নিয়ে সিদ্ধান্ত কিন্তু নতুন নয়। বিগত সরকারের সময়ও একই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিলো" এখন কথা হলো, বিগত সৈরাচারী সরকারের সিদ্ধান্ত যদি এখনো মেনে নিতে হয় তাহলে এতো আন্দোলনের মানে কি দাঁড়ালো? আর রেজওয়ানাদের গদিতে বসানো হয়েছে কি আগের সরকারের গোলামি করার জন্য? নাকি এর বিপরীত টা করার জন্য! ২০১৮ সালে আওয়ামী অধীনে পরিবেশ রক্ষার অজুহাত দেখিয়ে, পরিবেশবাদীদের তত্ত্বাবধানে কিছু সিদ্ধান্ত এমন ছিলো- পর্যায়ক্রমে - - সেন্টমার্টিনে পর্যটক কমানো হবে। - সেখানে যেতে একই দেশের হওয়ার ফলেও, রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে। - ঘুরতে যেতে হলে সরকারকে এক্সট্রা করে ট্যাক্স দিতে হবে। - আস্তে আস্তে দ্বীপে পর্যটন অর্থাৎ মানুষ যাতায়াত বন্ধ করতে হবে। - বৈধ-অবৈধ হোটেল-মোটেল-রিসোর্ট গুলো উচ্ছেদ করতে হবে। - সরকারি ভাবে সকল মালিকানা জমি অধিগ্রহণ করতে হবে। - শত শতবছর ধরে সেখানে বাস করা বাসিন্দাদের সরিয়ে অন্য জায়গায় নিতে হবে। তারপর কি হতো এটা নিশ্চিত রকেট সাইন্স নয়, সেন্টমার্টিনে সাধারণের যাওয়া নিষিদ্ধ হয়ে যেতো। মূল ভূখণ্ড থেকে একটা বিচ্ছিন্ন দ্বীপে সাধারণ মানুষ যাওয়া বন্ধ মানে সেখা কি হচ্ছে কেউই জানতে পারবে না। সেন্টমার্টিন নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত তখন এসেছিলো, যখন আমেরিকা সেন্টমার্টিন আওয়ামী সরকারের কাছে দাবি করে। কিছু সময় পর হাসিনা আবার ক্ষমতায় আসার পর বলেছিলো- "ক্ষমতায় টিকে থাকতে, আমেরিকার সাপোর্ট পেতে তারা সেন্টমার্টিন দাবি করেছে।" এখন, রিজওয়ানারা আওয়ামী আমলের সিদ্ধান্তের উপর সুর মিলিয়ে কথা বলার মানে তো এটাও দাঁড়ায় - আওয়ামী লীগ থাকুক কিংবা ইউনুস। একটা গোষ্ঠীর সেন্টমার্টিন নিয়ে সিদ্ধান্ত এক ও অভিন্ন। পুরানো সেই কাসুন্দি ঘাটাঘাটি করা। যার উদ্দেশ্য এটাই, সেন্টমার্টিন থেকে ভিটামাটি ছাড়া করা। সেন্টমার্টিনের পরিবেশের জুজু দেখিয়ে জনশূন্য করা। একটা জনশূন্য দ্বীপে কি হচ্ছে না হচ্ছে তা কেউই জানতে পারবে না। ভূরাজনৈতিক উদ্যেশ্য বাস্তবায়নের যে পরিকল্পনা শোনা যাচ্ছে আস্তে আস্তে সেইটাই হতে পারে৷ শেষে বলবো, পরিবেশবাদী জোকার গুলোর অন্যকোন উদ্দেশ্য ছাড়া পরিবেশের প্রতি এতো মায়া থাকলে, ঢাকার মধ্যে ও আসে পাশের নদী-খাল গুলো পুনরুদ্ধার করে সেখানে জীববৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনুক৷ ভারত পানি বন্ধ করে রেখেছে, যার জন্য নদী গুলো শুকিয়ে থেকে পরিবেশ ও জলবায়ুর ক্ষতি হচ্ছে। ভারত থেকে নদীর স্বাভাবিকতা ঠিক করুক৷ পরিবেশ রক্ষার জন্য মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা সৃষ্টি করুক। তা না করে, তারা মানুষ মেরে গাছ লাগাতে চায়। তারপর, সকল দরদ শুধু পাহাড় ও সেন্টমার্টিন নিয়ে। কারণ কি! সেখানে বিদেশিদের নজর? মানুষ যাতায়াত থাকলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে না!
245
19
মহিলাদের সার্ভিকাল ক্যান্সার (জরায়ুমুখ ক্যান্সার) এর জন্য অনেকগুলো বিষয়ের মধ্যে ২টি বিষয়কে বার বার দায়ী করা হচ্ছে, ২টি বিষয় হচ্ছে- ১. বাল্যবিবাহ ২. বছর বছর সন্তান নেয়া। জরায়ুমুখ ক্যান্সারের জন্য বাল্যবিবাহ ও বছর বছর সন্তান নেয়াকে দায়ী করায় আমার ঘোর আপত্তি আছে। মূলত: জরায়ুমুখ ক্যান্সারের জন্য দায়ী হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস। আর বাল্যবিয়ে বা বার বার সন্তান নিলে কিন্তু সেই ভাইরাসটি উতপন্ন হয় না। বরং ভাইরাসটি বাইরে থেকেই আসে, বিশেষ করে শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে। তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, বাল্যবিয়ে বা বার বার সন্তান নেয়াকে কেন দায়ী করা হচ্ছে ? যারা এমন দায়ী করছে, তাদের দাবী হচ্ছে বাল্যবিয়ে হলে বা বার বার সন্তান নিলে মা অপুষ্টিতে ভুগে কিংবা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে। আর রোগ প্রতিরোধ কম থাকলে বাইরে থেকে ঐ ভাইরাস প্রবেশ করলে তা ক্যান্সার তৈরী করা শুরু করে। যারা এমন দাবী করে, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন হচ্ছে- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তো অনেক কারণেই কম থাকতে পারে। তাহলে সেই সব কারণকে কেন জরায়ুমুখ ক্যান্সারের কারণ হিসেবে ধরা হয় না? আবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকলে অনেক রোগই তো শরীরে ধরতে পারে। তাহলে সব রোগের জন্য বাল্যবিয়ে কিংবা বার বার সন্তান নেয়াকেই কেন দায়ী করা হয় না ? এটাই হচ্ছে জটিলতা। এখানেই হিসেব মিলবে না। ছোট বেলায় একটা কথা শুনতাম- ‘এখন রাজনীতি আর ভালো নাই, কারণ রাজনীতির মধ্যে পলিটিক্স ঢুকে গেছে।’ সেই কথায় বলতে হয়- এখন মেডিকেল সাইন্স আর ভালো নেই, কারণ মেডিকেল সাইন্সের মধ্যে পলিটিক্স ঢুকে গেছে। আমার এক ডাক্তার বন্ধু বলেছিলো, আগেকার বইগুলোতে সার্ভিকাল ক্যান্সারের জন্য বাল্যবিয়েকে দায়ী করা হতো না, কিন্তু হু এর নতুন গাইড লাইনে সার্ভিকাল ক্যান্সারের জন্য বাল্যবিয়েকে দায়ী করা হচ্ছে। অর্থাত হু এর পলিটিকাল মতাদর্শ (জন্মনিয়ন্ত্রণ, বাল্যবিয়ের বিরোধীতা) সে মেডিকেল সাইন্সে ঢুকিয়ে দিয়েছে। ঠিক যেমন- আগে ট্রান্সজেন্ডারিজমকে জেন্ডার ডিসফোরিয়া রোগ বলা হতো, কিন্তু নতুন রোগের তালিকা থেকে জেন্ডার ডিসফোরিয়াকে বাদ দিয়ে সেটা প্রাকৃতিক বলে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে। তাদের পলিটিকাল মতাদর্শ হচ্ছে সমকামীতা, সেটা তারা মেডিকেল সাইন্সে ঢুকয়ে দিয়েছে। জরায়ুমুখ ক্যান্সারের জন্য মূল দায়ী অবৈধ সংসর্গ এবং রোগটি ঘটার সম্ভবতা বৃদ্ধির জন্য দায়ী ধূমপান এবং জন্মনিরোধকরণ পিল। অথচ এগুলোর বিরুদ্ধে বলা হচ্ছে না, বরং সেসব অপসংসংস্কৃতিকে প্রমোট করা হচ্ছে। এটাই হচ্ছে সমস্যা।
300
20
No text...
412